পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলী সম্পূর্ণ [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন কে?
  1. ক) সুবাদার শায়েস্তা খান
  2. খ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. ঘ) শের খান শূর
ব্যাখ্যা
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন।
তিনি ১৩৩৮ সাল থেকে ১৩৪৯ সাল পর্যন্ত সোনারগাঁয়ে রাজত্ব করেন। চট্টগ্রাম জয় করার মাধ্যমে তিনি তার রাজ্য দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত করেন।
তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ নির্মাণ করেন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, পৃষ্ঠা-৬৩)
.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. ক) ভারত ছাড় আন্দোলন
  2. খ) আইন অমান্য আন্দোলন
  3. গ) ৩রা জুন পরিকল্পনা
  4. ঘ) ক্রিপস মিশন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সবার আগে সংঘটিত হয় আইন অমান্য আন্দোলন।
মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে ভারতবর্ষ জুড়ে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয় যা ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিলো।
অন্যদিকে,
ক্রিপস মিশন ভারতে আসে ১৯৪২ সালের মার্চে।
ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হলে ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত ছাড় আন্দোলন সংঘটিত হয়।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের জুন মাসে ‘৩রা জুন পরিকল্পনা’ পেশ করেন যা ‘ভারত ভাগ পরিকল্পনা’ নামেও পরিচিত।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
কার সময়ে ভারতে প্রথম রেলব্যবস্থা চালু হয়?
  1. ক) লর্ড বেন্টিংক
  2. খ) লর্ড ওয়েলেসলি
  3. গ) লর্ড ডালহৌসি
  4. ঘ) লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল লর্ড ডালহৌসির সময়ে মুম্বাইয়ে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
১৮৫৪ সালে হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত বাংলায় প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা থেকে জগতী পর্যন্ত প্রথম ৫৩ কি.মি. রেললাইন উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
‘ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন’ কোন শতকে সংঘটিত হয়?
  1. ক) সতের শতকে
  2. খ) আঠারো শতকে
  3. গ) উনিশ শতকে
  4. ঘ) ষোড়শ শতকে
ব্যাখ্যা
বাংলায় ব্রিটিশবিরোধী প্রথম সংঘটিত আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
এই আন্দোলনের ব্যাপ্তি ছিলো আঠারো শতকের ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত।
এই আন্দোলনে ফকিরদের নেতৃত্ব দেন মজনু শাহ। অন্যদিকে সন্ন্যাসীদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে নিচের কোন দাবিটি ছিলো না?
  1. ক) সামরিক আইন প্রত্যাহার
  2. খ) শাসনতন্ত্র কার্যকর করা
  3. গ) গণহত্যার তদন্ত করা
  4. ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
এ ভাষণে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ
চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
গণহত্যার তদন্ত করা এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরপ্রতীক
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরবিক্রম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক – বীরশ্রেষ্ঠ – ৭ জন
দ্বিতীয় বীরত্বসূচক – বীরউত্তম - ৬৮ জন
তৃতীয় বীরত্বসূচক – বীরবিক্রম - ১৭৫ জন
চতুর্থ বীরত্বসূচক - বীরপ্রতীক - ৪২৬ জন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
.
পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কত তারিখে?
  1. ক) ২ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
  4. ঘ) ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
একইদিন বুলগেরিয়াও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রধান করে। এর আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান ও দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং নিউইর্য়ক টাইমস)
.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করেন কে?
  1. ক) অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) আব্দুল মান্নান
  4. ঘ) তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করেন।
এই ইশতেহার ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়।
একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ এর কথক ছিলেন কে?
  1. ক) কামাল লোহানী
  2. খ) আলী জাকের
  3. গ) আবদুল মান্নান
  4. ঘ) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে ‘চরমপত্র’ নামের কথিকা অনুষ্ঠানটি ছিলো সর্বাধিক জনপ্রিয়।
এটির পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
ঢাকাইয়া ভাষায় তার এ অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১০.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফা দাবীর মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার সকল জনসাধারণের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১.
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
প্রধান কার্যালয় ব্যতীত সিরাজগঞ্জ, বান্দরবান, রাজশাহী, যশোর ও ফরিদপুরে এর আরো ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
এটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা প্রাণী ও পোল্ট্রি সম্পদ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
(সূত্রঃ প্রাণীসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১২.
রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.১০ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৯ শতাংশ
  3. গ) ২.৪৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৩.৫২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান ১.৩৯ শতাংশ।
এছাড়া জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫২ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে অবদান ২৬.৩৭ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১৩.
কোনটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি?
  1. ক) সিলেটের পাহাড়ী বনভূমি
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) উপকূলীয় বনভূমি
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলায় অবস্থিত মধুপুর ও ভাওয়াল গড়ের শালবন হলো পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি।
শীতকালে এ বনের বৃক্ষের পাতাঝড়ে যায়। টাঙ্গাইল ও গাজীপুর ব্যতীত ময়মনসিংহ ও শেরপুর এবং উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় শালবনের উপস্থিতি রয়েছে।
এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারি। শালবন ব্যতীত দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির কম বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলেও পত্রপতনশীল বৃক্ষের আধিক্য রয়েছে।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১৪.
সাধারণত কোন সময়ে রবিশস্যের চাষ হয়ে থাকে?
  1. ক) ফাল্গুন থেকে আষাঢ়
  2. খ)কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
ব্যাখ্যা
রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
১৬.
‘রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
এটির আয়তন প্রায় ১,৭৯৬ হেক্টর। ১৯৯৬ সালে এটিকে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এ বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সাত প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬৭ প্রজাতির পাখি এবং ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা ও লতাগুল্ম রয়েছে।
রেমা-কালেঙ্গাসহ বন বিভাগের অধীনে দেশে বর্তমানে ২৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
(সূত্র: বনবিভাগ ও হবিগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট)
১৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
১৫ ডিসেম্বর খসড়া সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমে স্বাক্ষর করেন এবং তারপর অন্যান্য গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন।
তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৮.
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াট?
  1. ক) ১,০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ১,২৪০ মেগাওয়াট
  3. গ) ১,৩২০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২,৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত কয়লাভিত্তিক পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট।
এটি বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে। মোট ব্যয় ২.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড)
১৯.
দেশে প্রথম মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে?
  1. ক) ১ জুলাই ১৯৯০
  2. খ) ১ জুলাই ১৯৯১
  3. গ) ১ জুলাই ১৯৯২
  4. ঘ) ১ জুলাই ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর বা মূসক (VAT-Value Added Tax) ১ জুলাই ১৯৯১ সাল থেকে চালু হয়।
২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ এনবিআর ওয়েবসাইট)
২০.
দেশে কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি। এগুলো হলোঃ
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড এবং
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক ৬০টি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
২১.
বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে দক্ষিণ এশিয়ায়,
প্রথম - ভারত
দ্বিতীয় - বাংলাদেশ
তৃতীয় – পাকিস্তান।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ১৫ ডিসেম্বর প্রথমবারের মতো ৪২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
(সূত্র: ট্রেডিং ইকনোমিকস এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
২২.
গত অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্স অর্জনের পরিমাণ কত?
  1. ক) ১৭.৩০ বি. মা. ডলার
  2. খ) ১৬.৪১ বি. মা. ডলার
  3. গ) ১৮.২০ বি. মা. ডলার
  4. ঘ) ২০.২৪ বি. মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে বাংলাদেশের মোট অর্জিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
২৩.
মানব উন্নয়ন সূচক-২০২০ এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ১২৯তম
  2. খ) ১৩৩তম
  3. গ) ১৩৫তম
  4. ঘ) ১৩৭তম
ব্যাখ্যা
গত ১৫ ডিসেম্বর UNDP প্রকাশিত মানব উন্নয়ন সূচক-২০২০ এ ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। বাংলাদেশের স্কোর ০.৬৩২।
সূচকে শীর্ষদেশ নরওয়ে এবং সর্বনিম্ন নাইজার।
(সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট)
২৪.
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবনের কত সাল পর্যন্ত ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে?
  1. ক) ১৯৫৫ সাল
  2. খ) ১৯৬২ সাল
  3. গ) ১৯৬৬ সাল
  4. ঘ) ১৯৬৯ সাল
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি ১৯৬৬-৬৯ সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকাবস্থায় তিনি লেখেন।
এই বইয়ে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তার জীবনের ঘটনাবলী স্থান পেয়েছে।
বইটি ২০১২ সালে ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড প্রকাশ করে। এটির ভূমিকা লিখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান সময় পর্যন্ত বইটি ১৪টি ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।
(সূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং প্রথম আলো)
২৫.
আওয়ামীলীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে বঙ্গবন্ধু ‘নৌকা’ পছন্দ করেন কবে?
  1. ক) ১ মার্চ ১৯৬৯
  2. খ) ১০ ডিসেম্বর ১৯৬৯
  3. গ) ১১ সেপ্টেম্বর ১৯৭০
  4. ঘ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭০
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।
১ এপ্রিল ১৯৭০ আওয়ামীলীগের সভায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহিত এবং ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামীলীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।
১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
২৬.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৩ জুন ১৯৪৮
  2. খ) ১৩ মার্চ ১৯৪৯
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৩ জুলাই ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটির সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
বঙ্গবন্ধু ১৯৫৩ সালে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালের ১৯ মার্চ সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২৭.
দেশে প্রথম জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ২০০৯ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
৬১টি জেলায় পরোক্ষ পদ্ধতিতে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে।
১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সাধারণ সদস্য এবং ৫ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য সহ মোট ২১ জন সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২৮.
নিচের কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা পরিষদ
  3. গ) উপজেলা প্রশাসন
  4. ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটানোর জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ্য করা যায়।
এগুলো হলো: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
এছাড়া শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও ১২টি শহরে সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি স্থানীয় পার্বত্য জেলা পরিষদ রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন - হলো সরকারের প্রশাসন ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর।
(সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)