পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন২৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৮: পার্ট- ১: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ২. জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। ৩. স্বাধীনতা ও অন্যান্য আন্দোলন সংগ্রাম সংশ্লিষ্ট সাহিত্য ও চলচ্চিত্র। পার্ট- ২: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: i) পরিবেশগত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ii) পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ও জোট [UNEP, IMO, WMO, IPCC, EEA, Greenpeace, ICAN ইত্যাদি] iii) পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সম্মেলন। ২. বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনা প্রবাহ: পার্ট- ৩: বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৭ প্রশ্ন

.
বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. ক) নেগ্রিটো
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) দ্রাবিড়
  4. ঘ) মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক
-  ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।

- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। 

অ্যাথলেটিকস:-
- পৃথিবীতে যত প্রকার খেলাধুলার প্রচলন রয়েছে তার মধ্যে দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই সবচেয়ে প্রাচীন।
- আদিম যুগে মানুষকে বাঁচার জন্য দৌড়াতে, বাধা অতিক্রম করতে লাফাতে এবং শিকার বা শত্রুকে ঘায়েল করতে নিক্ষেপের সাহায্য নিতে হতো।
- মানব সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে এই দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই ক্রীড়ায় রূপান্তরিত হয়ে অ্যাথলেটিকস নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
- ১৯১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (I.A.A.F) গঠিত হয়।
- এটিই অ্যাথলেটিকস এর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই আন্তর্জাতিক এ্যামেচার অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সদস্য।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব কোনটি?
  1. ক) কারাম
  2. খ) সাংগ্রাই
  3. গ) চিয়াসৎপয়
  4. ঘ) বিসিকাতাল
ব্যাখ্যা
- রাখাইন মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো 'সাংগ্রাই'
- এটি রাখাইন ও মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় উৎসব।
- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিন মোট তিনদিন জুড়ে এই উৎসব পালন করা হয়।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।

অন্যদিকে,
- চিয়াসৎপয় মুরংদের প্রধান সামাজিক উৎসব কারাম ওরাঁও জনগোষ্ঠীর প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- বিসিকাতাল হচ্ছে ত্রিপুরাদের বৈসু বর্ষবরণ উৎসবের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান।

(উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণী)
.
বরেন্দ্র অঞ্চলে বসবাস রয়েছে কোন নৃগোষ্ঠীর?
  1. ক) হাজং
  2. খ) মণিপুরী
  3. গ) ওরাঁও
  4. ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্র অঞ্চলে বসবাস রয়েছে ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর। 

- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

• নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
• এ কারণে অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে, ওরাওঁরা দ্রাবিড়ভাষী কুডুখ জাতির উত্তর পুরুষ।
• ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁডুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
• এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
• ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁডুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
.
মারমাদের পারিবারিক কাঠামো -
  1. ক) মাতৃতান্ত্রিক
  2. খ) পিতৃতান্ত্রিক
  3. গ) ভ্রাতৃতান্ত্রিক
  4. ঘ) গৃহতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• মারমাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। 
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- মারমাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক
- মারমাদের প্রধান সামাজিক উৎসব সাংগ্রাই।
- খাসিয়া ও গারো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- বাংলাদেশে খাসিয়াদের বসবাস- সিলেট, হবিগঞ্জ।
- গারোরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
.
'সাঁওতাল' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে -
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর: সিলেট 

⇒ সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
⇒ তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
⇒ প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
⇒ সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
⇒ সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
 ⇒ কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
 ⇒ সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।
⇒  খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে।
⇒ প্রধান উৎসব : সোহরাই ।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক (Bangamata Begum Fazilatun Nesa Mujib Award) কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সাল
  2. খ) ২০০০ সাল
  3. গ) ২০২১ সাল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর: ২০২১ সাল। 

• বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদকের জন্য এ বছর (২০২২) যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন

- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে - যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (গোপালগঞ্জ)।
- রাজনীতিতে - সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (সিলেট)।
- অর্থনীতিতে - সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ (কুমিল্লা) ৷
- শিক্ষায় - অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ (সিলেট)।
- সমাজসেবায় - মোছা: আছিয়া আলম (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
.
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন-
অনুসারে -

• জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ - ঢাকা; (৪,৪২,১৫,১০৭ জন)।
• জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ - বরিশাল; (৯১,০০,১০২ জন)। 
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম জেলা – ঢাকা (১,৪৭,৩৪,০২৫ জন)। 
• জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা – বান্দরবান (৪,৮১,১০৯ জন)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - ঢাকা বিভাগে (১.৭৪%) । 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (০.৭৯%)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি - ঢাকা বিভাগে (প্রতি বর্গকিমি ২,১৫৬ জন)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (প্রতি বর্গকিমি ৬৮৮ জন)। 
• জেলা হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – ঢাকা জেলায় (প্রতি বর্গকিমি ১০,০৬৭ জন)। 
• জেলা হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - রাঙ্গামাটি (প্রতি বর্গকিমি ১০৬ জন)। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার- ২০২২।
.
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'নিপোর্ট' প্রতিষ্ঠিত কত সালে হয়?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'নিপোর্ট' প্রতিষ্ঠিত .১৯৭৭ সালে হয়। 

- নিপোর্ট (NIPORT-National Institute of Population Research and Training) হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট)
১০.
নিচের কোনটি 'গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস' বিষয়ক চুক্তি? 
  1. ক) মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. খ) ভিয়েনা কনভেনশন
  3. গ) বাসেল কনভেনশন
  4. ঘ) কিয়ােটো প্রটোকল
ব্যাখ্যা
• কিয়ােটো প্রটোকল:
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্যে দায়ী গ্রীনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমানাের উদ্দেশ্যে কিয়ােটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এর অংশীদার মােট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ওই সম্মেলনে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ ১৯২টি দেশের মধ্যে কানাডা, দক্ষিণ সুদান ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর এবং কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি - আমেরিকা।
- কিয়োটো প্রত্যাহার কারী একমাত্র দেশ - কানাডা।

অন্যদিকে,
- মন্ট্রিল প্রটোকল - ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- ভিয়েনা কনভেনশন - ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা ও কালের কন্ঠ।
১১.
'Environmental Performance Index-2022' অনুসারে সর্বনিম্ন দেশ -
  1. ক) ভারত
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) লুক্সেমবার্গ
  4. ঘ) লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা
• Environmental Performance Index:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত Environmental Performance Index-2022 রিপোর্টে মোট ১৮০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- রিপোর্টে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ডেনমার্ক,
- দ্বিতীয় : যুক্তরাজ্য,
- তৃতীয় : ফিনল্যান্ড।
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১৭৭ তম।
- সর্বনিম্ন দেশ (১৮০তম): ভারত

উৎস: Environmental Performance Index-2022.[link]
১২.
মস্কো-কিয়েভ যুদ্ধের বর্ষপূর্তিতে শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব পেশ করে -
  1. ক) চীন
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ:
- মস্কো-কিয়েভ যুদ্ধের বর্ষপূর্তিতে শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়ার মিত্র দেশ চীন
- এই যুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনো পক্ষে অবস্থান না নিলেও চীনের সঙ্গে রাশিয়ার শক্তিশালী মৈত্রী রয়েছে।
- বেইজিংয়ের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে কিয়েভ। 
 - ইউক্রেন সংকট নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ঠেকাতে কার্যকর ভূমিকা রাখার ইচ্ছা পোষণ করেছে বেইজিং।
- চীন তার ১২ দফার প্রস্তাবনার মধ্যে বৈশ্বিক খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিঘ্নিত শস্য রপ্তানি নিশ্চিতে সবাইকে  কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান করেন।
- শান্তি প্রস্তাবে সব দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং।

উৎস: ডেইলি স্টার নিউজ ও আলজাজিরা।
১৩.
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমানবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি -
  1. ক) স্টার্ট - ১
  2. খ) নিউ স্টার্ট
  3. গ) মিশন -২
  4. ঘ) নিউ স্টার্ট ক্রেঞ্জি
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমানবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

• নিউ স্টার্ট চুক্তি:

- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে নিউ স্টার্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০১০ সালে।
- স্বাক্ষর করেছিলেন দুই দেশের সে সময়ের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও দিমিত্রি মেদভেদেভ।
- মস্কো ও ওয়াশিংটন মোট কতসংখ্যক কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করতে পারবে, তার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারিত করে দিয়েছিল এই চুক্তি।
- চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশের সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫০টি পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের সুযোগ ছিল।
- নিউ স্টার্ট চুক্তি কার্যকর হয় ২০১১ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সম্প্রতি নিজেদের মধ্যকার চুক্তির মেয়াদ আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করেছে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রন চু্ক্তি, ‘নিউ স্টার্ট’ স্থগিতের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। 
- একই সঙ্গে চুক্তির শর্তগুলো দুই পক্ষই মেনে চলছে কি না, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পান যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পরিদর্শকেরা।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১৪.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) উত্তর কোরিয়া
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালে সুইডেন ভিত্তিক Stockholm International Peace Research Institute (SIPRI) বিশ্বের পরমাণু শক্তিধর দেশ ও পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদন অনুসারে -
- মোট অস্ত্রের সংখ্যা - ১২,৭০৫।
পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ ও অস্ত্রের সংখ্যা:
- রাশিয়া (৫,৯৭৭)
- যুক্তরাষ্ট্র (৫,৪২৮)
- চীন (৩৫০)
- ফ্রান্স (২৯০)
- যুক্তরাজ্য (২২৫)
- পাকিস্তান (১৬৫)
- ভারত (১৬০)
- ইসরায়েল (৯০)
- উত্তর কোরিয়া (২০)

উৎস: sipri.org
১৫.
ই-৮ দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ক) পৃথিবীর শিল্পোন্নত আটটি দেশের জোট
  2. খ) উন্নয়নশীল আটটি দেশের জোট
  3. গ) অর্থনৈতিক আটটি দেশের সংস্থা
  4. ঘ) পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশের সংস্থা
ব্যাখ্যা
• ই- ৮ :
- ই-৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দুষণকারী দেশের সংস্থা
- ই-৮ ভুক্ত দেশ সমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন জারি করে।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের মূল লক্ষ্য। 
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
-  ই-৮, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের দ্বারা গঠিত একটি সংস্থা।

অন্যদিকে,
- জি-৭ হল শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট।
- ডি-৮ হল উন্নয়নশীল আটটি দেশের জোট।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১৬.
২০২৩ সালের বৈশ্বিক সন্ত্রাস সূচকে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) সোমালিয়া
  2. খ) আফগানিস্তান
  3. গ) মালি
  4. ঘ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
- দ্য ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক অ্যান্ড পিস (আইইপি) প্রকাশিত ২০২৩ সূচকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে শীর্ষ স্থানে রয়েছে - দক্ষিণ এশিয়ারই দেশ আফগানিস্তান।  - দেশটি সর্বমোট দশ পয়েন্টের মধ্যে ৮.৮২২ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তালিকার শীর্ষে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বুরকিনা ফাসো,
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সোমালিয়া,
- চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে মালি,
- পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে সিরিয়া।
- বাংলাদেশের অবস্থান ৪৩তম।
- বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান যুক্তরাজ্যের আগে।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২৩ এবং সময়নিউজ।
১৭.
ত্রয়োদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে - 
  1. ক) ভারতে
  2. খ) নিউজিল্যান্ডে
  3. গ) বাংলাদেশে
  4. ঘ) ইংল্যান্ডে
ব্যাখ্যা
- ২০২৩ সালে ১৩তম ক্রিকেট বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে - ভারতে।
- অক্টোবর, ২০২৩ থেকে শুরু হবে।
- ফাইনাল হবে ২৬ নভেম্বর, ২০২৩।
- আইসিসি র‍্যাংঙ্কিংয়ে প্রথম সাতটি দল এবং আয়োজক ভারত সরাসরি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার ছাড়পত্র পাবে।
- বাকি দুটি দল হল ২০২৩ সালে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ কোয়ালিফায়ারের দুই ফাইনালিস্ট দল খেলবে।

উৎস: আইসিসি ওয়েবসাইট এবং Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২৩।
১৮.
বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) ভারত
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
•  বৈশ্বিক অস্ত্র আমদানি রপ্তানি:
- প্রকাশক - সুইডেন এর Stockholm International Peace Research Institute (SIPRI)
- প্রকাশকাল - ১৩ই মার্চ ২০২৩।
- অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র (40%)।
- অস্ত্র আমদানিতে শীর্ষ দেশ - ভারত (11%)
- সার্কভুক্ত দেশ সমূহের মধ্যে আমদানিতে অবস্থান (%) - ভারত (11), পাকিস্তান (3.7), বাংলাদেশ (0.9), আফগানিস্তান (0.7)।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২৩।
১৯.
নিচের কোনটি উন্মুক্ত বলকানের সদস্য দেশ নয়?
  1. ক) আলবেনিয়া
  2. খ) সার্বিয়া
  3. গ) তিউনিসিয়া
  4. ঘ) উত্তর মেসিডোনিয়া
ব্যাখ্যা
- উন্মুক্ত বলকান এর সদস্য দেশ তিনটি।
- যথা: আলবেনিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও সার্বিয়া।

অন্যদিকে,
- তুর্কি শব্দ ‘বলকান’ এর অর্থ পার্বত্যঞ্চল।
- ভৌগলিক পরিভাষায় বলকান হলো উপদ্বীপ।
- এ অঞ্চলে ১২ টি  দেশ রয়েছে।
 
উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
২০.
Nomad Capitalist ২০২৩ - রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট -
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্রের
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাতের
  3. গ) যুক্তরাজ্যের
  4. ঘ) ফিনল্যান্ডের
ব্যাখ্যা
• পাসপোর্ট সূচক:
- প্রকাশক -  কর ও অভিবাসনবিষয়ক আন্তর্জাতিক পরামর্শক সংস্থা - Nomad Capitalist
- শীর্ষে শক্তিশালী পাসপোর্ট - সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- সর্ব নিম্ন শক্তিশালী পাসপোর্ট - আফগানিস্তান।
- বাংলাদেশর অবস্থান - ১৮২তম।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২৩।
২১.
অর্থনৈতিক একত্রীকরণের লক্ষ্যে কোন দেশদ্বয় অভিন্ন মুদ্রা চালু করেছে?
  1. ক) নেপাল ও ভুটান
  2. খ) ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা
  3. গ) চীন ও রাশিয়া
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- অভিন্ন মুদ্রা প্রতিষ্ঠাসহ বৃহত্তর অর্থনৈতিক একীকরণের লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা।
- ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা এবং আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজের লেখা যৌথ এক নিবন্ধে একথা বলা হয়েছে।
- মুদ্রার নাম- সুর।
- ‘ল্যাটিন আমেরিকান অ্যান্ড ক্যারিবিয়ান স্টেটস’র (সিইএলএসি) সম্মেলনে এই এক মুদ্রা নীতির ঘোষণা দেওয়া হয়।
-  ২০১৯ সালে অভিন্ন মুদ্রা চালুর এই ধারণাটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। কিন্তু সে সময় ব্রাজিলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এর বিরোধিতা করা হয়েছিল।

উৎস: যুগান্তর।
২২.
২০২৩ সালে 'জাতিসংঘ পানি সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয় - 
  1. ক) দোহা, কাতারে
  2. খ) নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে
  3. গ) মার্সেই, ফ্রান্সে
  4. ঘ) ইস্তানবুল, তুরস্কে
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ পানি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৫০ বছরের মধ্যে জাতিসংঘ আয়োজিত এটি প্রথম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন।
- এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, এর আওতাধীন বিভিন্ন অঙ্গ-সংস্থাসমূহ এবং অন্যান্য সকল অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বৈশ্বিক পানি বিষয়ক কর্মসূচির বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন।
- ২০২৩ সালের জাতিসংঘ পানি সম্মেলনের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- বিশ্বের ২৬ শতাংশ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পায় না৷ আর ৪৬ শতাংশ মানুষ ভালো ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন সেবা থেকে বঞ্চিত৷

উৎস: এএফপি এবং কালের কন্ঠ।
২৩.
'ঞ্জ' যুক্তবর্ণটি কোন বর্ণগুলো দিয়ে গঠিত?
  1. ক) ঞ্‌+জ
  2. খ) জ+ঞ্‌
  3. গ) ঞ্‌+চ
  4. ঘ) ঞ্‌+ছ
ব্যাখ্যা
যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, আবার কখনো সহজে চেনা যায় না।
- যুক্তবর্ণ দুই রকম। যথা- স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ ও অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ।

স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ট, জ্জ, জ্ব, ড্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ষ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ব্দ ইত্যাদি। 

অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
- ক্ত (ক্+ত), ক্ম (ক্+ম), ক্র (ক্‌+র), ক্ষ (ক্+ষ), ক্ষ্ম (ক্+ষ্+ম), ক্স (ক্‌+স), গু (গ্‌+উ), ন্ধ (গ্‌+ধ), ঙ্ক (ঙ্+ক), ঙ্গ (ঙ্+গ), জ্ঞ (জ্‌+ঞ), ঞ্চ (ঞ্‌+চ), ঞ্ছ (ঞ্‌+ছ), ঞ্জ (ঞ্‌+জ), ট্ট (ট্+ট), ত্ত (ত্+ত), খ (ত্+থ), ত্র (ত্+ত্র), দ্ধ (দ্‌+ধ), ন্ধ (ন্+ধ), ব্ধ (ব্‌+ধ), ভ্র (ভ্+র), ভ্রূ (ভ্+র্+উ), রু (র্+উ), রূ (র্‌+ঊ), শু (শ্+উ), ষ্ণ (ষ্+ণ), হু (হ্+উ), হৃ (হ্+ঋ), হ্ন (হ্+ন), হ্ম (হ্+ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২২ সংস্করণ)।
২৪.
উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয় কত বছর আগে?
  1. ক) প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে
  2. খ) প্রায় এক হাজার বছর আগে
  3. গ) প্রায় দুই হাজার বছর আগে
  4. ঘ) প্রায় দেড় হাজার বছর আগে
ব্যাখ্যা
- প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়।
- ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির বিবর্তিত রূপ।
- অহমিয়া, বোড়ো, মণিপুরি প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে লেখা হয়।
- সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা এক সময়ে এই লিপিতে লেখা হতো। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৫.
বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের উপভাষা কোনটি?
  1. ক) পূর্বি
  2. খ) রাঢ়ি
  3. গ) বাঙ্গালি
  4. ঘ) কামরূপি
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক কথ্য রীতি:
- কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়।
- এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায় ৷
যেমন- নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাই নবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা।
- ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে।
• বাঙ্গালি→ বাংলাদেশের মধ্য ও দক্ষিণ অঞ্চল।
• পূর্বি→ বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক অঞ্চল।
• বরেন্দ্র→ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল। 
কামরূপি→ বিহারের পূর্ব অঞ্চল, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল এবং বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল। 
• রাঢ়ি→ পশ্চিমবঙ্গ। 
• ঝাড়খণ্ডি→ পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চল প্রভৃতি কয়েকটি উপভাষার নাম। 
২৬.
বাংলা ভাষার প্রাচীন নমুনা পাওয়া যায়-
  1. ক) মহাভারতে
  2. খ) মঙ্গলকাব্যে
  3. গ) চর্যাপদে
  4. ঘ) বৈষ্ণব পদাবলিতে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা। 
- ইংরেজি, জার্মান, ফরাসি, হিস্পানি, রুশ, পর্তুগিজ, ফারসি, হিন্দি, উর্দু, নেপালি, সিংহলি প্রভৃতি ভাষার মতো বাংলা ভাষা ইন্দো- ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের সদস্য। 
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় অহমিয়া ও ওড়িয়া। 
- যেসব বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করেতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয়→ ইন্দো-ইরানীয়→ ভারতীয় আর্য→ প্রাকৃত→ বাংলা।
- আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। 
- বাংলাভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২২ সংস্করণ)।
২৭.
‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) উইলিয়াম কেরি
  2. খ) রামমোহন রায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণ:
- প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়।
- এর লেখক ছিলেন মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ। 
- ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। 
- তাঁর বইটির নাম ‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি এবং ১৮২৬ সালে রামমোহন রায় ইংরেজি ভাষায় আরো দুটি উল্লেখযোগ্য বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ' বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২২ সংস্করণ)।