পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৮: টপিক: - যতিচিহ্ন, ক্রিয়ার কাল, ক্রিয়া ভাব - ছন্দ ও অলংকার [লাইভ ক্লাস - ৩৭, ৩৮ ও ৩৯]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
নিচের কোন বাক্যে অনুপ্রাস অলংকারের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে।
  2. খ) বীরের মতন মরণ-কারারে চরণের তলে দ’লে।
  3. গ) কি ছার ইহার কাছে, হে দানবপতি।
  4. ঘ) নিবিড় কুন্তলসম মেঘ নামিয়াছে মম।
সঠিক উত্তর:
ক) গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে।
ব্যাখ্যা
- গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে- (রবীন্দ্রনাথ) 
এখানে ‘গ’ ধ্বনি সাতবার এসেছে যা অনুপ্রাস।

বাংলা অলংকার প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
১. শব্দালংকার
২. অর্থালংকার

 শব্দালংকার:
শব্দের ধ্বনিরূপকে আশ্রয় করে যে অলংকারের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় শব্দালংকার। শব্দালংকারের নানা শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। তন্মধ্যে প্রধান বিভাগগুলো হলো: অনুপ্রাস, যমক, শ্লেষ ও বক্রোক্তি।

অনুপ্রাস:
একই ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছের একাধিকবার ব্যবহারের ফলে যে সুন্দর ধ্বনিসাম্যের সৃষ্টি হয় তাকে অনুপ্রাস বলে। একাধিকবার ব্যবহৃত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ যুক্ত শব্দগুলো যথাসম্ভব পরপর বা কাছাকাছি বসবে।
যথা:
- কুলায় কাপিছে কাতর কপোত দাদুরি ডাকিছে সঘনে। (ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)
- গুরু গুরু মেঘ গুমরি গুমরি গরজে গগনে গগনে- (রবীন্দ্রনাথ)

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি
- কবিতার চরণদ্বয় কোন ছন্দে রচিত?
  1. ক) স্বরবৃত্ত ছন্দে
  2. খ) অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
  3. গ) মাত্রাবৃত্ত ছন্দে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্ষরবৃত্ত ছন্দে
ব্যাখ্যা
হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি- কবিতার চরণদ্বয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:
অক্ষরবৃত্ত ছন্দে বদ্ধস্বর কখনো একমাত্রা এবং কখনো দুই মাত্রা বহন করে। অর্থাৎ পর্বে মাত্রা গণনা রীতি কোথাও স্বরবৃত্তের আবার কোথাও মাত্রাবৃত্তের মতো বাহিত হয়। বদ্ধস্বর যদি শব্দের প্রথমে বা মাঝে থাকে তবে তা  একমাত্রা সুরের তরঙ্গ সৃষ্টি করে। মন্থর বা ধীর লয় বা গতির এ ছন্দ সাধারণত দু্ পর্বের হয় এবং ৬, ৮ ও ১০ মাত্রার পর্বই এ ছন্দে বেশি দেখা যায়।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা। কবিতাটির অংশ বিশেষ-
হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
তা সবে অবোধ আমি অবহেলা করি

মাত্রা বিশ্লেষণ:
হে বঙ্ গ ভান্ ডারে কব / বি বি ধ র তন / = ৮+৬ = ১৪
তা স বে অ বোধ আ মি / অ ব হে লা ক রি / = ৮+৬ = ১৪

কবিতাটিতে যুক্তাক্ষরে একমাএা করে আছে। বদ্ধক্ষার শব্দের শুরুতেও আছে আবার শব্দের শেষেও আছে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন ছন্দের ভাব ললিত মধুর?
  1. ক) অক্ষরবৃত্ত
  2. খ) মাত্রাবৃত্ত
  3. গ) অমিত্রাক্ষর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মাত্রাবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা
মাত্রাবৃত্ত ছন্দের ভাব ললিত মধুর। 

মাত্রাবৃত্ত ছন্দ: 
- এ ছন্দ ধ্বনি-প্রধান।
- ছন্দে ছয় মাত্রার পর্বই অধিক। 
- চার, পাঁচ, সাত, আট মাত্রার পর্বও এ ছন্দে পাওয়া যায়।
- এ ছন্দে সাধুভাষা বা সাধু ক্রিয়ার ব্যবহার বেশি হয়।
- এ ছন্দে স্বরবৃত্তের মতো ধ্বনি সংকোচ নেই, আছে ধ্বনি বিস্তার।
- এ ছন্দের ভাব ললিত মধুর।
- এ ছন্দের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য এর গীতিপ্রবণতা বা সুরনিষ্ঠতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- চরণটিতে কী ধরনের অলংকার আছে?
  1. ক) অনুপ্রাস
  2. খ) যমক
  3. গ) শ্লেষ
  4. ঘ) বক্রোক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) শ্লেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্লেষ
ব্যাখ্যা
• আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- চরণটিতে শ্লেষ অলংকার আছে।

শ্লেষ: একটি শব্দ একাধিক অর্থে একবার মাত্র ব্যবহারের ফলে যে অলংকারের সৃষ্টি হয় তাঁর নাম শ্লেষ। শ্লেষ শব্দের অর্থ শ্লিষ্ট-মিলিত। এতে একবার মাত্রই শব্দটি ব্যবহৃত হয় কিন্তু তাতে ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জন থাকে।
যেমন:
- আছিলাম একাকিনী বসিনা কাননে/আনিলা তোমার স্বামী বান্ধি নিজ গুণে।- এখানে গুণে শব্দে শ্লেষ অলংকার ব্যবহৃত হয়েছে। গুণ শব্দের একটি অর্থ  ধনুকের ছিলায় আর অন্য অর্থ সুন্দর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য বা গুণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
উৎপত্তির বিচারে 'অক্ষরবৃত্ত ছন্দ' হলো -
  1. ক) খাঁটি বাংলা
  2. খ) তৎসম ছন্দ
  3. গ) অর্ধতৎসম ছন্দ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) খাঁটি বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) খাঁটি বাংলা
ব্যাখ্যা
অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:
উৎপত্তির বিচারে যে ছন্দটিকে খাঁটি বাংলা অর্থাৎ 'তদ্ভব ছন্দ' নামে আখ্যায়িত করা হয়, তাকেই প্রচলিত ভাষায় বলা হয় অক্ষরবৃত্ত ছন্দ।

মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:
উৎপত্তির বিচারে এ  ছন্দ“তৎসম' বা 'অর্ধতৎসম ছন্দ'; যে ছন্দে প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ছন্দের অনেক লক্ষণ অথবা অন্তত কিছুটা লক্ষণও বর্তমান আছে তাকেই বলা হয় 'মাত্রাবৃত্ত ছন্দ'।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ।
.
'সে যাক'- বাক্যটি দ্বারা কোন প্রকার ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ক) ক্রিয়া অনুজ্ঞা
  2. খ) নির্দেশক ভাব
  3. গ) সাপেক্ষ ভাব
  4. ঘ) আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক
ব্যাখ্যা
• 'সে যাক'- এটি  আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ক্রিয়ার ভাব প্রকাশ করে।

• যে ক্রিয়াপদে বক্তা সোজাসুজি কোন ইচ্ছা বা আকাঙ্খা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন:
- সে যাক।
- যা হয় হোক।
- সে একটু হাসুক।
- বৃষ্টি আসে আসুক।
- তার মঙ্গল হোক।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ নবম দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
.
আদেশ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ কোনটি ?
  1. ক) শান্ত হও
  2. খ) সবাই এখানে আসুন
  3. গ) সুখী হও
  4. ঘ) নিজের দিকে খেয়াল রাখ
সঠিক উত্তর:
ক) শান্ত হও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শান্ত হও
ব্যাখ্যা
আদেশ অর্থে অনুজ্ঞার উদাহরণ- শান্ত হও।

- আদেশ, অনুমতি, অনুরােধ, উপদেশ, প্রার্থনা ইত্যাদির ভাব বােঝাতে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয় তাকে বলে অনুজ্ঞা।
- আর যে ক্রিয়াপদে বর্তমান কালের অনুজ্ঞা প্রকাশ পায় তাকে বর্তমান অনুজ্ঞা বলে।
- এক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে অ, ও, উন, এন যুক্ত হয়।

যেমন
- অনুরােধ- সবাই এখানে আসুন
- উপদেশ- নিজের দিকে খেয়াল রাখ
- প্রার্থনায়- সুখী হও 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘পদ্মের কলিকাসম ক্ষুদ্র তব মুষ্টিখানি।’- চরণটিতে কোন ধরণের অলংকার রয়েছে?
  1. ক) উপমা
  2. খ) দৃষ্টান্ত
  3. গ) ভ্রান্তিমান
  4. ঘ) প্রতীপ
সঠিক উত্তর:
ক) উপমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উপমা
ব্যাখ্যা
উপমা: একই বাক্যে সাধারণ ধর্মবিশিষ্ট দুই ভিন্ন জাতয়ি পদার্থের মধ্যে সাদৃশ্য করা হলে তাকে উপমা বলে। উপমার চারটি অঙ্গ-
১. উপমেয়: যাকে তুলনা করা হয়।
২. উপমান: যার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
৩. সাধারণ ধর্ম: যে বৈশিষ্ট্যের জন্য তুলনা দেওয়া হয়।
৪. সাদৃশ্যবাচক শব্দ: মতো, সম, হেন, সদৃশ, প্রায়, ন্যায় ইত্যাদি।

উদাহরণ: ‘পদ্মের কলিকাসম ক্ষুদ্র তব মুষ্টিখানি।’- এ বাক্যে উপমেয়-মুষ্টি; উপমান- পদ্মের কলিক; সাধারণ ধর্ম- ক্ষুদ্র; সাদৃশ্যমূলক শব্দ- সম।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
লৌকিক ছন্দ কাকে বলে?
  1. ক) অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  2. খ) মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  3. গ) স্বরবৃত্ত ছন্দ
  4. ঘ) পয়ার ছন্দ
সঠিক উত্তর:
গ) স্বরবৃত্ত ছন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্বরবৃত্ত ছন্দ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার ছন্দ:
১. স্বরবৃত্ত ছন্দকে লৌকিক ছন্দ বলে। রবীন্দ্রনাথ এটিকে 'ছড়ার ছন্দ' বলেছেন।
২. মাত্রাবৃত্ত ছন্দকে ধ্বনিপ্রধান ছন্দ বলে।
৩. অক্ষরবৃত্ত ছন্দকে তানপ্রধান বলে।
৪. পয়ার ছন্দে অন্তমিল থাকে।
৫. অমিত্রাক্ষর ছন্দে অন্তমিল থাকে না।

উৎস: মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বই।
১০.
'আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার কষ্ট হতো না'- বাক্যটি কোন ভাবের ক্রিয়া?
  1. ক) অনুজ্ঞা ভাব
  2. খ) নির্দেশক ভাব
  3. গ) আকাঙ্খা প্রকাশক ভাব
  4. ঘ) সাপেক্ষ ভাব
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপেক্ষ ভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপেক্ষ ভাব
ব্যাখ্যা
'আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার কষ্ট হতো না'- বাক্যটি ক্রিয়ার সাপেক্ষ ভাব প্রকাশ করেছে।

ক্রিয়ার ভাব ৪ ধরনের। যথা -
১. নির্দেশক ভাব
২. অনুজ্ঞা ভাব
৩. সাপেক্ষ ভাব ও
৪. আকাঙ্খা প্রকাশক ভাব

সাপেক্ষ ভাব: একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন:
- তিনি ফিরে এলে সবকিছুর মীমাংসা হবে।
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি ইচ্ছা বা কামনা প্রকাশের মাধ্যমে সাপেক্ষ ভাব প্রকাশ করছে।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১.
নিচের কোন বাক্যটিতে যতিচিহ্ন সঠিকভাবে প্রয়োগ হয় নি?
  1. ক) ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি
  2. খ) সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।
  3. গ) ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০
  4. ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।''
ব্যাখ্যা
সাহেব বললেন ''ছুটি পাবেন না।'' - বাক্যটিতে যতিচিহ্ন সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয় নি।
- উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খন্ডবাক্যের শেষে) কমা বসাতে হবে।
যেমন - সাহেব বললেন, ''ছুটি পাবেন না।''

- নামের পরে ডিগ্রিসূচক পরিচয় দেওয়া হলে সেগুলোর প্রত্যেকটির আগে কমা বসে।
যেমন - ড. মুহম্মদ এনামুল হক, এম.এ. পি-এইচডি।
- বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে কমা বসবে।
যেমন - ৬৮, জেল রোড, ঢাকা-১২০০।
- পরস্পর সমন্ধযুক্ত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে বসলে শেষ পদটি ছাড়া বাকি সবগুলোর পরই কমা বসবে।
যেমন - সুখ, দুঃখ, আশা, নৈরাশ্য একই মালিকার পুষ্প।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
নিচের কোন বাক্যে বিরোধমূলক অলংকারের প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) স্বর্ণপাত্রে সুধারস, না সে বিষ?
  2. খ) ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’
  3. গ) মরণের ফুল বড় হয়ে ফোটে/জীবনের উদ্যানে।
  4. ঘ) স্পর্শ ছড়ালো;/আমার ঈর্ষা জাগালো।
সঠিক উত্তর:
খ) ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’
ব্যাখ্যা
বিরোধমূলক অলংকার: বিরোধমূলক অলংকার সৃষ্টি হয় দুটি পদার্থের আপাত বিরোধকে অবলম্বন করে।
যেমন-
- ‘বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে।’    
এতে আপাত বিবেচনায় ‘বড় হওয়া’ এবং ছোট হওয়া’ এ দুটি বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও প্রকৃত কোনো বিরোধ নেই। তাই এটি বিরোধমূলক অলংকারের উদাহরণ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।