পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়54 minutes
মোট প্রশ্ন৪৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৯ ---------------- পার্ট – ১: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ii) সত্তরের নির্বাচন iii) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ iv) বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার বৈশ্বিক স্বীকৃতি v) স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে সমসাময়িক ইতিহাস উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট – ২: মানসিক দক্ষতা টপিকসমূহ: ১. বানান ও ভাষা (Spelling and Language): ২. যান্ত্রিক দক্ষতা (Mechanical Reasoning): উৎস: যেকোনো গাইড বই, আর্কাইভ থেকে Live MCQ এর আগের সকল প্রশ্ন দেখে নিতে পারেন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৫ প্রশ্ন

.
বঙ্গবন্ধুকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত করা হয় কত তারিখ?
  1. ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  2. ১৬ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  3. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কে?
  1. সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন
  2. শেখ হাসিনা
  3. জাহানারা ইমাম
  4. সেলিনা পারভীন
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি:

- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জাহানারা ইমাম।
- ১৯৯২-এর ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করে গঠন করেছিলেন ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’।
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য  বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মিবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম ’৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।
- তাঁদের সক্রিয় সমর্থনে জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।
- গণ-আদালত ছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপকর্মের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ।
- তৎকালীন সরকার জাহানারা ইমামসহ গণ-আদালতের সঙ্গে যুক্ত ২৪জন বরেণ্য বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে এবং জাহানারা ইমাম মৃত্যুকালেও এ অভিযোগ থেকে মুক্তি পাননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ অক্টোবর ২০২১ ও বাংলাপিডিয়া।
.
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য নিচের কোনটি?
  1. সংশপ্তক
  2. স্মৃতি অম্লান
  3. স্ফুলিঙ্গ
  4. স্মৃতি চিরন্তন
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:

- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
.
মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এ কে খন্দকার
  4. আতাউল গণি ওসমানি
সঠিক উত্তর:
আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি:

- জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ১৯১৮ সালের ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র কী নামকরণ করেছিলেন?
  1. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  2. পাকিস্তানি ষড়যন্ত্র মামলা
  3. পাকিস্তান বনাম শেখ মুজিবুর রহমান
  4. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট কতটি আসনে জয়লাভ করে?
  1. ৩০৬টি
  2. ৩০৭টি
  3. ৩০৮টি
  4. ৩০৯টি
সঠিক উত্তর:
৩০৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০৮টি
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় নির্বাচন:

- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- এ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পূর্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকার কর্তৃক রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে প্রত্যাবর্তন করেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গঠনের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
- নয় মাসের প্রচেষ্টায় ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। 
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ২টি, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ ১টি এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা ৬টি আসনে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭৩ সালের ১৬ই মার্চ নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয় 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী গঠন করা হয় কোন জেলায়?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:

- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য কোনটি?
  1. আমরা তোমাদের ভুলব না
  2. দুর্জয় বাংলা
  3. স্বাধীনতা সংগ্রাম
  4. সাবাশ বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
আমরা তোমাদের ভুলব না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমরা তোমাদের ভুলব না
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. আহমেদ ফজলুর রহমান
  2. মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. সার্জেন্ট মফিজ উল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. বিমান বাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. মিত্র বাহিনী
  4. গেরিলা
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে  সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১১.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী ছিলেন কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. শেখ রেহানা
  3. আব্দুর রাজ্জাক
  4. মহিতুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মহিতুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিতুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু হত্যা:

- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে নিহত হয় দুই সেনাসদস্য - কর্নেল জামিলউদ্দিন আহমেদ ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে একমাত্র নিহত কর্ণেল কর্নেল জামিলউদ্দিন আহমেদ।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করে।
- বঙ্গবন্ধু ছাড়াও সেই রাতে তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তাঁর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা কর্নেল জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে হত্যা করা হয়।
- ওই কালরাতেই বিপথগামী সেনাসদস্যদের আরেকটি দল বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাঁকে এবং তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকে হত্যা করে।
- এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও তাঁর কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় আবদুল নঈম খানকেও হত্যা করা হয়।
- ওই সময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থান করায় বেঁচে যান।
- ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর দায়মুক্তি আইন বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার।
- ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর ধানমন্ডি থানায় বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী মহিতুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৫ আগস্ট ২০২২ ও ১৫ আগস্ট ২০২৩।
১৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য কোথায় শুরু হয়?
  1. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  2. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
  3. করাচি দায়রা জজ আদালত
  4. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশকে কয়টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:
- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের অনুপাত কোনটি?
  1. ৯:৫
  2. ১২:৬
  3. ১০:৬
  4. ১৬:১২
সঠিক উত্তর:
১০:৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০:৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬  অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।

১৬.
বর্তমানে বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৪ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ১৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৭.
কোন আফ্রিকান দেশ বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. সেনেগাল
  2. উগান্ডা
  3. গ্যাবন
  4. সিয়েরা লিওন
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্যে ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন কে?
  1. মকসুমুল হাকিম
  2. এম.আর.খান
  3. আতাউর রহমান খান
  4. এস.এ.রহমান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
নূর হোসেন কোন আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:

- নূর হোসেন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল।
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে ঢাকার জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন মারা যান।
- এ সময় তার গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিলো 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেকে।
- নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭।
২০.
মুজিবনগর সরকার কতজন সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেছিল?
  1. ৫ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:

- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী। সদস্য ছিলেন -
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
এগারো দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে কে?
  1. আওয়ামী লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. ছাত্র ইউনিয়ন
  4. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষনা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সাবসেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ০৮টি
  2. ১১টি
  3. ২২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
খেলার মাঠ ঠিক করার জন্য রাকিব একটি লন রোলার ঠেলছে, সেজান লন রোলারটি টানছে। কার বেশি কষ্ট হবে?
  1. রাকিবের
  2. সেজানের
  3. উভয়ের সমান কষ্ট হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রাকিবের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাকিবের
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: খেলার মাঠ ঠিক করার জন্য রাকিব একটি লন রোলার ঠেলছে, সেজান লন রোলারটি টানছে। কার বেশি কষ্ট হবে?

সমাধান:
টানলে রোলারের ওজন কম অনুভূত হওয়ায় রোলার ঠেলা অপেক্ষা টেনে নেওয়া সহজ।
একটি লন রোলারকে যদি দুইজন ব্যক্তির একজন টেনে নেয় ও অন্যজন ঠেলে নেয়, তবে টেনে নেওয়া ব্যক্তির কষ্ট কম হবে। 

যেহেতু রাকিব লন রোলার ঠেলছে তার কষ্ট বেশি হবে।
২৪.
নিচের অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত সঠিক শব্দ কোনটি?
মা জ, না, রি
  1. নামজারি
  2. জরিনামা
  3. জার্মানি
  4. জরিমানা
সঠিক উত্তর:
জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত সঠিক শব্দ কোনটি?
মা জ, না, রি

সমাধান:
মা জ, না, রি 
অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত শব্দ ⇒ জরিমানা
২৫.
নিচের কোনটিকে 5-অক্ষরের ইংরেজি শব্দে সাজানো যায়?
1. HRGST, 2. RILSA, 3. TOOMT, 4. WQRGS
  1. 1 & 4
  2. 3 & 4
  3. 2 & 3
  4. 1 & 3
সঠিক উত্তর:
2 & 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 & 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটিকে 5-অক্ষরের ইংরেজি শব্দে সাজানো যায়?
1. HRGST, 2. RILSA, 3. TOOMT, 4. WQRGS

সমাধান:
2 & 3- এর বর্ণগুলোকে সাজালে গঠিত শব্দ দুটি যথআক্রমে LIRAS (তুরস্কের মুদ্রা) ও MOTTO।
2- এর থেকে LIARS (মিথ্যাবাদী) শব্দটিও পাওয়া যায়।

1 ও 4 নং দিয়ে কোন শব্দ তৈরি হয় না। 
২৬.
HABIB, RAHAMAN, KHAN তিন ভাই। এদের মধ্যে ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম বর্ণটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: HABIB, RAHAMAN, KHAN তিন ভাই। এদের মধ্যে ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম বর্ণটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?

সমাধান:
ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম বর্ণ A.
HABIB এ A আছে ১টি
RAHAMAN এ A আছে ৩টি
KHAN এ A আছে ১টি

∴ মোট A আছে = ১ + ৩ + ১ = ৫টি
২৭.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. উপর্যুক্ত
  2. প্রতিধন্দ্বীতা
  3. উচ্ছ্বল
  4. একান্নবর্তি
সঠিক উত্তর:
উপর্যুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপর্যুক্ত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শুদ্ধ বানান কোনটি?

সমাধান:
শুদ্ধ বানানঃ
- উপর্যুক্ত
- প্রতিদ্বন্দ্বিতা 
- উচ্ছল
- একান্নবর্তী

উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
২৮.
সঠিক বানান কোনটি?
  1. আবির্ভাব
  2. আবিরভাব
  3. আভির্ভাব
  4. আভির্বাব
সঠিক উত্তর:
আবির্ভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবির্ভাব
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সঠিক বানান কোনটি?

সমাধান:
শুদ্ধ বানান: আবির্ভাব
এর অর্থ: অভ্যাগম, অভ্যাগমন, প্রকাশ, উপস্থিতি, উত্থান

উৎস: Accessible Dictionary, Google Translate.
২৯.
নিচের কোন স্কেলটি সূক্ষ্মতম?
  1. স্লাইড ক্যালিপার্স
  2. মিটার স্কেল
  3. স্ক্রুগজ
  4. স্ফেরোমিটার
সঠিক উত্তর:
স্ক্রুগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রুগজ
ব্যাখ্যা
স্ক্রু গজ
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়।
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়।

স্লাইড ক্যালিপার্স
যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে।

[অপশনগুলোর মধ্যে স্ক্রুগজ স্কেলটি সূক্ষ্মতম।]
৩০.
নিম্নের এলোমেলো অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ শব্দের শেষ অক্ষর কোনটি?
রা য় চা ল বি
  1. বি
  2. রা
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের এলোমেলো অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ শব্দের শেষ অক্ষর কোনটি?
রা য় চা ল বি

সমাধান:
এলোমেলো অক্ষরগুলো দিয়ে গঠিত অর্থপূর্ণ শব্দ হলো: বিচারালয় 
এখানে শব্দটির শেষ অক্ষর: 'য়'
৩১.
নিচের যন্ত্রটির নাম কী?
  1. Crimping tool
  2. Pliers
  3. Ratchet
  4. Wrench
সঠিক উত্তর:
Crimping tool
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Crimping tool
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের যন্ত্রটির নাম কী?

যন্ত্রটি একটি ক্রিম্পিং টুল।
- ক্রিম্পিং টুল হল এক ধরনের যন্ত্র যা ধাতব বস্তু বা অন্যান্য উপাদানকে একসাথে চেপে সংযুক্ত করে করে।
- ক্রিম্পিং টুলের সবচেয়ে সাধারণ ব্যবহার হল বৈদ্যুতিক তারের শেষে সংযোগকারীর সংযুক্তি।
- তাছাড়াও নেটওয়ার্কিং ক্যাবলের বিভিন্ন সংযোগ দিতে ব্যবহৃত হয়।
৩২.
অদিতি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. পৃথ্বী
  2. ক্ষিতি
  3. অবনী
  4. নীর
সঠিক উত্তর:
নীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীর
ব্যাখ্যা
'অদিতি' শব্দের সমার্থক শব্দ নয় - নীর।
• নীর এর সমার্থক শব্দ - পানি, জল, বারি, অম্বু, জীবন ইত্যাদি।

• অদিতি শব্দের সমার্থক শব্দ: বসুন্ধরা, পৃথিবী, অবনী, ক্ষিতি, পৃথ্বী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২২ সংস্করণ।
৩৩.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন?


সমাধান: 
1, 2, 3 নং অপশনের অস্ত্রগুলো হলো: তলোয়ার, তীর, কুঠার। যাদের সবগুলোই ধারালো। 

4 নং অপশনের বস্তুটি হলো লাঠি। যা ধারবিহীন।
তাই, 4 নং বস্তু তথা লাঠি ভিন্ন প্রকৃতির।
৩৪.
নিম্নের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই সঠিক?
  1. প্রজ্বলন, শ্রদ্ধাঞ্জলী, প্রজ্জ্বল
  2. অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
  3. কৌতূহল, বিভীষিকা, পুষ্পাঞ্জলি
  4. পিপিলীকা, দুরবস্থা, উপর্যুক্ত
সঠিক উত্তর:
কৌতূহল, বিভীষিকা, পুষ্পাঞ্জলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৌতূহল, বিভীষিকা, পুষ্পাঞ্জলি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিম্নের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই সঠিক?

সমাধান:
তৃতীয় অপশনের সব শব্দের বানান সঠিক।

- প্রথম অপশনের ২টি বানান (শ্রদ্ধাঞ্জলী, প্রজ্জ্বল) ভুল।
এদের শুদ্ধ বানান হল- শ্রদ্ধাঞ্জলি ও প্রোজ্জ্বল। 

- দ্বিতীয় অপশনের ২টি বানান (অনূর্বর, ঊর্ধবগামী) ভুল।
এদের শুদ্ধ বানান হল- অনুর্বর, ঊর্ধ্বগামী।

- চতুর্থ অপশনে একটি বানান (পিপিলীকা) ভুল।
শুদ্ধ বানান হল- পিপীলিকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
 
৩৫.
'চন্দ্র' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. কলানিধি
  2. দিবস
  3. কায়া
  4. ধাম
সঠিক উত্তর:
কলানিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলানিধি
ব্যাখ্যা
'চন্দ্র' এর সমার্থক শব্দ কলানিধি।
চন্দ্র এর অন্য সমর্থক শব্দগুলো হল: চাঁদ, সুধাংশু, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, হিমাংশু, সুধানিধি ইত্যাদি।

- দিবস এর সমার্থক শব্দ অহন।
- কায়া এর সমার্থক শব্দ দেহ।
- ধাম এর সমার্থক শব্দ গৃহ।

উৎস : বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষা শিক্ষা (হায়াৎ মামুদ)।
৩৬.
'Manifest' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. Obvious
  2. Apparent
  3. Marked
  4. All of these
সঠিক উত্তর:
All of these
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of these
ব্যাখ্যা
Manifest - সুস্পষ্ট; স্পষ্টত প্রতীয়মান। 

অপশন্সমূহ, 
Obvious - স্পষ্টত প্রতীয়মান; পরিষ্কার; সোজা। 
Apparent - স্পষ্ট দেখা যায় বা বোঝা যায় এমন; স্পষ্টত প্রতীয়মান। 
Marked - সুস্পষ্ট; সুচিহ্নিত; লক্ষণীয়; সুপ্রতিভাত। 

অপশনসমূহ বিবেচনা করে দেখা যায়, প্রতিটি অপশনই Manifest এর সমার্থক শব্দ। 
৩৭.
Antonym of 'Inconvenient' -
  1. Onerous
  2. Hard
  3. Troublesome
  4. Effortless
সঠিক উত্তর:
Effortless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Effortless
ব্যাখ্যা
Inconvenient (অসুবিধাজনক) :
Synonyms: Onerous(কষ্টসাধ্য; গুরুভার), Troublesome (বিরক্তিজনক), Hard (কষ্টকর).
Antonyms: Easy (সহজ), Effortless (উদ্যমহীন).
৩৮.
চাকার ব্যাসার্ধ ৬ মিটার ও অক্ষদণ্ডের ব্যাসার্ধ ১ মিটার হলে, ৬০ কেজি ওজনের বালতি তোলার জন্য কত বল প্রয়োগ করতে হবে?
  1. ১৫
  2. ১০
  3. ১২.৫
  4. ১৪
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চাকার ব্যাসার্ধ ৬ মিটার ও অক্ষদণ্ডের ব্যাসার্ধ ১ মিটার হলে, ৬০ কেজি ওজনের বালতি তোলার জন্য কত বল প্রয়োগ করতে হবে?


সমাধান:
এখানে,
ভার = ৬০ কেজি-ওজন 
চাকার ব্যাসার্ধ = ৬ একক
অক্ষদণ্ডের ব্যাসার্ধ = ১ একক
বল = কত?

আমরা জানি, 
বল/ভার = অক্ষদণ্ডের ব্যাসার্ধ/ চাকার ব্যাসার্ধ 
বা, বল/৬০ = ১/৬
বা, বল = ৬০/৬
∴ বল = ১০

৬০ কেজি ওজনের বস্তু তোলার জন্য ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করতে হবে।
৩৯.
Choose the correct spelling.
  1. Extravagant
  2. Extravegent
  3. Extravagunt
  4. Extrevegent
সঠিক উত্তর:
Extravagant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extravagant
ব্যাখ্যা
Extravagant: 
English meaning: spending too much money, or using too much of something.
Bangla meaning: অপচয়কর; অপব্যয়ী।
৪০.
5 Kg বল প্রয়োগ করে সিরিজে যুক্ত স্প্রিং গুলোকে 10cm  সংকুচিত করা যায়। একই বল প্রয়োগ করে সমান্তরাল ভাবে যুক্ত স্প্রিংগুলো সংকুচিত করা হলে কত সে.মি. সংকুচিত হবে? (সকল স্প্রিং একই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন)
  1. 5 cm
  2. 2.5 cm
  3. 7 cm
  4. 10 cm
সঠিক উত্তর:
2.5 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.5 cm
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 Kg বল প্রয়োগ করে সিরিজে যুক্ত স্প্রিং গুলোকে 10cm  সংকুচিত করা যায়। একই বল প্রয়োগ করে সমান্তরাল ভাবে যুক্ত স্প্রিংগুলো সংকুচিত করা হলে কত সে.মি. সংকুচিত হবে? (সকল স্প্রিং একই বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন)


সমাধান: 
হুকের সুত্র অনুসারে,
F = Kx

যেখানে,
F = প্রযুক্ত বল
x = সংকোচন বা প্রসারণ
এবং, K = স্প্রিং ধ্রুবক।

চিত্রের প্রতিটি স্প্রিং যেহেতু একরকম তাই তাদের স্প্রিং ধ্রুবকও একই হবে।
ধরে নেই,
তাদের প্রত্যেকটির স্প্রিং ধ্রুবক = K

সিরিজে বা শ্রেণিতে যুক্ত হলে,
Ks = K/2 [Ks = পুরো সংযোজনের স্প্রিং ধ্রুবক।]

সমান্তরালে যুক্ত হলে,
Kp = 2K [Kp = পুরো সংযোজনের স্প্রিং ধ্রুবক।]

যেহেতু দুইক্ষেত্রেই মোট প্রযুক্ত বল সমান তাই,
Fs = Fp
⇒ Ks . xs = Kp . xp
⇒ (K/2) . xs = 2K . xp
⇒ xs = 4 . xp

দেওয়া আছে,
xs (সিরিজে বা শ্রেণিতে যুক্ত অবস্থায় সংকোচন) = ১০ সে.মি.

তাহলে উপরের সমীকরণ অনুসারে,
xp (সমান্তরালে যুক্ত অবস্থায় সংকোচন) = ২.৫ সে.মি.
 
৪১.
মানবতা, সচেতনতা, নৈতিকতা, নমনীয়তা, স্বাধীনতা, মিতব্যয়িতা
শব্দগুলোর আলোকে সঠিক অনুক্রম নিচের কোনটি?
  1. মা নৈ স্বা ন স মি
  2. মা স ন নৈ স্বা মি
  3. মা স নৈ ন মি স্বা
  4. মা স নৈ ন স্বা মি
সঠিক উত্তর:
মা স নৈ ন স্বা মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মা স নৈ ন স্বা মি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: মানবতা, সচেতনতা, নৈতিকতা, নমনীয়তা, স্বাধীনতা, মিতব্যয়িতা
শব্দগুলোর আলোকে সঠিক অনুক্রম নিচের কোনটি?

সমাধান:
মানবতা, সচেতনতা, নৈতিকতা, নমনীয়তা, স্বাধীনতা, মিতব্যয়িতা শব্দগুলোর আদ্যক্ষর নিয়ে পাই,
মা স নৈ ন স্বা মি
৪২.
চিত্রে m1 ও m2  ভারদ্বয় ভারসাম্য অবস্থায় আছে। যদি m1 : m2 = 3 : 2 হয়, তাহলে x : y = কত?
  1. 2 : 3
  2. 1 : 2
  3. 3 : 2
  4. 3 : 4
সঠিক উত্তর:
2 : 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 : 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিত্রে m1 ও m2  ভারদ্বয় ভারসাম্য অবস্থায় আছে। যদি m1 : m2 = 3 : 2 হয়, তাহলে x : y = কত?

 
সমাধান:
ধরি,
m1 = 3a
m2 = 2a
ভারসাম্য অবস্থায় থাকলে,
3a × x = 2a × y
বা, x/y = (2a)/(3a)
বা, x/y = 2/3
∴ x : y = 2 : 3
৪৩.
Re-arrange the jumble word and fill in the last letter.
g c a e e o n p h n = name of a capital.
  1. c
  2. g
  3. a
  4. n
সঠিক উত্তর:
n
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Re-arrange the jumble word and fill in the last letter.
g c a e e o n p h n = name of a capital

সমাধান:
g c a e e o n p h n = Copenhagen.
Denmark is a Nordic country. The Capital and largest city of Denmark is Copenhagen.
∴ Last letter is 'n'.


Source: britannica.com.
৪৪.
বাল্বটি বিদ্যুৎ শক্তি পাওয়ার জন্য সুইচগুলিকে কোন অবস্থানে থাকতে হবে?
  1. একটি সুইচ উপরের ক্যাবলের সাথে এবং অন্যটি নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।
  2. উভয় সুইচ খোলা অবস্থায় থাকতে হবে।
  3. উভয় সুইচই উপরের ক্যাবলের সাথে অথবা উভয় সুইচই নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
উভয় সুইচই উপরের ক্যাবলের সাথে অথবা উভয় সুইচই নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় সুইচই উপরের ক্যাবলের সাথে অথবা উভয় সুইচই নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকতে হবে।
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাল্বটি বিদ্যুৎ শক্তি পাওয়ার জন্য সুইচগুলিকে কোন অবস্থানে থাকতে হবে?

সমাধান:
ক্যাবলের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলার জন্য সার্কিটে ২টি সুইচই সংযুক্ত অবস্থায় থাকতে হবে। 
২টি সুইচ যদি উপরের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকে তাহলে বিদ্যুৎ চলতে পারবে। আবার ২টি সুইচ যদি নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকে তাহলেও বিদ্যুৎ চলতে পারবে।

তবে একটি সুইচ উপরের ক্যাবলের সাথে এবং অন্যটি নিচের ক্যাবলের সাথে যুক্ত থাকলে সার্কিটটি সচল হবে না, তাই বিদ্যুৎ চলবে না।
৪৫.
চাকা A যে সময়ে ৫০ বার ঘুরে, চাকা B সে সময়ে কত বার ঘুরবে?
  1. ২৫ বার
  2. ৫০ বার
  3. ৭৫ বার
  4. ১০০ বার
সঠিক উত্তর:
১০০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চাকা A যে সময়ে ৫০ বার ঘুরে, চাকা B সে সময়ে কত বার ঘুরবে?


সমাধান:
চাকা A এর দাঁত এর সংখ্যা B এর দ্বিগুণ।
অর্থাৎ যে সময়ে চাকা A একবার ঘুরবে, সে সময়ে চাকা B দুইবার ঘুরবে।
অতএব, চাকা A ৫০ বার ঘুরলে, সে সময়ে চাকা B ১০০ বার ঘুরবে।