এছাড়াও, ভাষার মূল ভিত্তি - ধ্বনি। ভাষার ক্ষুদ্রতম একক - ধ্বনি। ভাষার প্রাণ - অর্থবোধক বাক্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, সপ্তম ও নবম দশম শ্রেণী এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
২.
প্রত্যক্ষ উক্তিতে কোন যতিচিহ্ন দিয়ে উক্তিকে আবদ্ধ করা হয়?
ক
ক) সেমিকোলন
খ
খ) কোলন
গ
গ) ড্যাশ
ঘ
ঘ) উদ্ধারচিহ্ন
ব্যাখ্যা
- প্রত্যক্ষ উক্তি লেখার সময়ে উদ্ধারচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
• বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। • উক্তি দুই প্রকার: ১/ প্রত্যক্ষ উক্তি ও ২/ পরোক্ষ উক্তি। যেমন – ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।” – এটি প্রত্যক্ষ উক্তি। ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে। – এটি পরোক্ষ উক্তি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
৩.
নিচের কোনটি উপসর্গের কাজ নয়?
ক
ক) নতুন শব্দ তৈরি করা
খ
খ) শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা
গ
গ) অর্থের সম্প্রসারণ করা
ঘ
ঘ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন
ব্যাখ্যা
- উপসর্গের কাজ নয় ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন।
• উপসর্গের কাজ: - নতুন শব্দ তৈরি করা। - শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা। - অর্থের সম্প্রসারণ করা যেমন: সম্+বাদ = সংবাদ। বি+বাদ = বিবাদ। উপরের ‘বাদ' শব্দের সঙ্গে 'সম্' এবং 'বি' উপসর্গ যোগ করে নতুন শব্দ ‘সংবাদ' ও ‘বিবাদ' তৈরি হলো।
• উপসর্গের আরো একটি কাজ হচ্ছে শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা। সু+নজর = সুনজর (অর্থের সংকোচন)। সম্+পূর্ণ = সম্পূর্ণ (অর্থের সম্প্রসারণ)। গর+হাজির = গরহাজির (বিপরীত অর্থ) ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
৪.
বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল-
ক
ক) আকাঙ্ক্ষা
খ
খ) আসক্তি
গ
গ) আসত্তি
ঘ
ঘ) যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
- বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল- যোগ্যতা।
আদর্শ বাক্যের জন্যে তিনটি গুণ থাকা থাকা জরুরি। • আকাঙ্ক্ষা: - বাক্যের অর্থ স্পষ্টকরণে এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা প্রয়াস তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। ছেলেরা খেলে কাজল নিয়মিত লেখাপড়া
উপরের দু'টি বাক্যই অসম্পূর্ন অর্থাৎ বাক্যে আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয়নি। বাক্যগুলো এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়- - ছেলেরা ফুটবল খেলে। - কাজল নিয়মিত লেখাপড়া করে।
উপরের বাক্যে পদ সন্নিবেশ ঠিকঠাক না হওয়ায় শব্দগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশ হয়নি। বাক্যটি এভাবে পরিপূর্ণ করা যায়- - হাসান নিয়মিত লেখাপড়া করে। এখন বাক্যটি আসত্তিসম্পন্ন।
• যোগ্যতা: - বাক্যের অন্তর্গত পদসমূহের বিশ্বাসযোগ্য ভাবসম্মিলনের নাম হল যোগ্যতা। ‘বর্ষার রৌদ্র প্লাবনের সৃষ্টি করে’।
উপরের বাক্যটি ভাব প্রকাশে যোগ্যতা হারিয়েছে। কেননা রোদ কখনো প্লাবন সৃষ্টি করতে পারে না। তাই যোগ্যতাসম্পন্ন বাক্যটি- ‘বর্ষার বৃষ্টি প্লাবনের সৃষ্টি করে’।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মাহমুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,সৌমিত্র শেখর।
৫.
'টেস্ট পরীক্ষা' এর সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
ক
ক) টেস্ট্ পোরিক্খা
খ
খ) টেস্ট্ পরিখ্কা
গ
গ) টেস্ট পরিখ্কা
ঘ
ঘ) টেস্ট পোরিক্ষা
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে টেস্ট্ পোরিক্খা।
• টেস্ট পরীক্ষা: - এর সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে টেস্ট্ পোরিক্খা। - এর অর্থ হচ্ছে চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পূর্বে যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষা।
অন্য অপশনগুলোর সঠিক বাক্য: • প্রবাদ প্রবচনের বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তনকে অশুদ্ধ বলে গণ্য করা হয়। - আদার ব্যাপারীর স্টিমারের খবর বাক্যটির সঠিক হচ্ছে আদার ব্যাপারীর জাহাজের খবর। - পানিতে কুমির ডাঙায় বাঘ বাক্যটির সঠিক হচ্ছে জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।
• বিশেষণের অপপ্রয়োগজনিত বাক্য অশুদ্ধ হয়। - রাঙামাটি পার্বতীয় এলাকা বাক্যটির সঠিক হচ্ছে রাঙামাটি পার্বত্য এলাকা।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
৭.
নিচের কোনটিতে ধ্বনি বিপর্যয় ঘটেছে?
ক
ক) নকশা > নশকা
খ
খ) জন্ম > জম্ম
গ
গ) শরীর > শরীল
ঘ
ঘ) ধোবা > ধোপা
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'নকশা > নশকা' এর ধ্বনি বিপর্যয় ঘটেছে।
• ধ্বনি বিপর্যয়: উচ্চারণের সময় আগের ধ্বনি পরে গেলে ও পরের ধ্বনি আগে চলে আসলে ধ্বনি বিপর্যয় ঘটে। তলোয়ার > তরোয়াল নকশা > নশকা রিক্সা > রিস্কা লাফ > ফাল তুলতুলা > লুতলুতা এক্সিডেন্ট > এস্কিডেন্ট ইত্যাদি।
অন্য অপশনগুলো:
• বিষমীভবন: দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। শরীর > শরীল লাল > নাল লাঙ্গল > নাঙ্গল ইত্যাদি।
• সমীভবন: উচ্চারণের সময় পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি একই রকম হয়ে যাওয়াকে বলে সমীভবন। জন্ম > জম্ম দুর্গা > দুগগা রাজ্য > রাজ্জ স্বর্ণ > সন্ন ইত্যাদি।
• ব্যঞ্জনবিকৃতি শব্দের মধ্যে কোন ব্যঞ্জনধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যদি নতুন কোন রূপ ধারণ করলে তাকে ব্যঞ্জনবিকৃতি বলে। ধোবা > ধোপা শাক > শাগ কবাট > কপাট ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াত মাহমুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,সৌমিত্র শেখর)।
৮.
'জাত' অর্থে কোন শব্দটি ব্যবহার হয়েছে?
ক
ক) দখিনা
খ
খ) ঢাকাই
গ
গ) বাঘা
ঘ
ঘ) চোরা
ব্যাখ্যা
- 'ঢাকাই' শব্দটি জাত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অনেক সময় প্রত্যয় যোগ করলে অর্থ বদলে যায়। যেমন: • অবজ্ঞা অর্থে: চোর→চোরা। • সদৃশ অর্থে: বাঘ→বাঘা। • আগত অর্থে: দখিন→দখিনা। • জাত অর্থে: ঢাকা → ঢাকাই।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• তদ্ভব শব্দ: - প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: - হাত - পা - কান - নাক - জিভ - দাঁত - হাতি - ঘোড়া - সাপ - পাখি - কুমির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১০.
ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়কে অন্তত কত ভাগে ভাগ করা যায় -
ক
ক) দুই
খ
খ) তিন
গ
গ) চার
ঘ
ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়কে অন্তত চার ভাগে ভাগ করা যায়। - ধ্বনিতত্ত্ব। - রূপতত্ত্ব। - বাক্যতত্ত্ব। - অর্থতত্ত্ব।
• ধ্বনিতত্ত্ব: - ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। - লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত। - ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান, সন্ধি প্রভৃতি।
• রূপতত্ত্ব: - রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। - এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। - বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া ।
• বাক্যতত্ত্ব: - বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। - বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য। - বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়। - এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। - কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে ।
• অর্থতত্ত্ব - ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। - একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়। - বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। - এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি বাগযন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল অঙ্গ?
ক
ক) তালু
খ
খ) জিভ
গ
গ) মূর্ধা
ঘ
ঘ) আলজিভ
ব্যাখ্যা
- বাগযন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে সচল অঙ্গ 'জিভ'।
• জিভ - মুখগহ্বরের নিচের অংশে জিভের অবস্থান। - বাগযন্ত্রের মধ্যে জিভ সবচেয়ে সচল ও সক্রিয় প্রত্যঙ্গ। - জিভের উচ্চতা, সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান এবং মুখগহ্বরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে জিভের স্পর্শের প্রকৃতি অনুযায়ী ধ্বনির বৈচিত্র্য তৈরি হয়।
• প্রদত্ত প্রশ্নের অন্যান্য অপশন:
• আলজিভ - মুখগহ্বরের কোমল তালুর পিছনে ঝুলন্ত মাংসপিণ্ডের নাম আলজিভ। - ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে কোমল তালুর সঙ্গে আলজিভ নিচে নেমে এলে বাতাস মুখ দিয়ে পুরোপুরি বের না হয়ে খানিকটা নাক দিয়ে বের হয়। এর ফলে নাসিক্য ধ্বনি তৈরি হয় ।
• তালু - মুখবিবরের ছাদকে বলা হয় তালু। - তালুর দুটি অংশ - কোমল তালু ও শক্ত তালু। - অনুনাসিক স্বরধ্বনি উচ্চারণে কোমল তালু নিচে নামে। - কোমল তালু ও জিভমূলের স্পর্শে কণ্ঠ্যধ্বনি উচ্চারিত হয়। - দন্তমূলের শুরু থেকে কোমল তালু পর্যন্ত বিস্তৃত অংশকে বলা হয় শক্ততালু।
• মূর্ধা - শক্ত তালু ও উপরের পাটির দাঁতের মধ্যবর্তী উত্তল মূর্ধা বলে। - কোনো কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ মূর্ধাকে স্পর্শ করে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
১২.
বলকযুক্ত শব্দের উদাহরণ কোনটি?
ক
ক) লোকটি
খ
খ) বইগুলো
গ
গ) তখনই
ঘ
ঘ) কৃষকের
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে বলকযুক্ত শব্দের উদাহরণ হচ্ছে তখনই।
• লগ্নক: - শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। - পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।
লগ্নক চার ধরনের: • বিভক্তি: - ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। - বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। - যেমন: ‘করলাম' ক্রিয়াপদের ‘লাম’ শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং ‘কৃষকের' পদের ‘এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• নির্দেশক: - যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। - ‘লোকটি’ বা ‘ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
• বচন: - যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে। - ‘ছেলেরা’ বা ‘বইগুলো' পদের ‘রাত বা ‘গুলো হলো বচনের উদাহরণ।
• বলক: - যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। - ‘তখনই বা ‘এখনও’ পদের ‘ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।