উত্তর
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মি উৎপন্ন হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের (Atomic Nucleus) ভিতরে।
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস তেজস্ক্রিয় (radioactive) হয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখন এটি তার অতিরিক্ত শক্তি নির্গত করে গামা রশ্মির আকারে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Gamma Decay বা গামা ক্ষয়।
- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের (Electromagnetic Wave) একটি অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির রূপ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই ক্ষুদ্র 10-12 মিটার।
- এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কোটি গুণ বেশি শক্তিধর।
• গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য:
- কোনো ভর বা চার্জ নেই।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র, ফলে অনুপ্রবেশ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- বায়ু, কাগজ বা মানুষের ত্বক ভেদ করতে সক্ষম।
- সীসা (lead) বা কংক্রিটের মোটা স্তর দ্বারা শোষিত বা প্রতিরোধ করা যায়।
- এর বেগ আলোর সমান (3 × 108 m/s)।
• গামা রশ্মির ব্যবহার:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ক্যানসার কোষ ধ্বংসে (Radiation therapy)।
- শিল্পক্ষেত্রে: ধাতুর ফাটল শনাক্তে।
- বিজ্ঞান গবেষণায়: তেজস্ক্রিয় পদার্থ সনাক্তে।
- জীবাণুনাশে: খাবার বা চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে।
তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই।
- ব্রিটানিকা [লিংক]