পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান: (পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক) ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, পদার্থের চৌম্বকত্ব, তড়িৎ চৌম্বক ও তাড়িত চৌম্বকীয় আবেশ, তরঙ্গ এবং শব্দ, শক্তি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
স্ফিগ্‌মোম্যানোমিটার কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়ে
  2. খ) মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণয়ে
  3. গ) মোটর গাড়ির গতি নির্ণয়ে
  4. ঘ) সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপে
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হলো - স্ফিগমোম্যানোমিটার;
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার;
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ওডোমিটার;
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।

সূত্র: ব্রিটানিকা
.
১ ফ্যাদম = ?
  1. ক) ২.৬ ফুট
  2. খ) ৩.৪ ফুট
  3. গ) ৫.২ ফুট
  4. ঘ) ৬ ফুট
ব্যাখ্যা
১ ফ্যাদম = ৬ ফুট বা ১.৮৩ মিটার।
এই একক পানির গভীরতা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দুই হাত প্রসারিত করলে এক হাতের মধ্যাঙ্গুলির প্রান্ত থেকে অন্য হাতের মধ্যাঙ্গুলির প্রান্ত পর্যন্ত এক ফ্যাদম ধরা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা [লিংক]
.
নিচের কোনটিতে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে?
  1. ক) বাতাসে
  2. খ) পানিতে
  3. গ) পারদে
  4. ঘ) কাঠে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি।

কঠিন পদার্থের ঘনত্ব তরল ও বায়বীয় পদার্থের থেকে বেশি হয়ে থাকে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কাঠে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি হবে।

পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।

সুত্রঃ বিজ্ঞান, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আধানের একক -
  1. ক) ওহম
  2. খ) হার্জ
  3. গ) কুলম্ব
  4. ঘ) সিমেন্স
ব্যাখ্যা
চার্জ বা আধানের একক হচ্ছে - কুলম্ব (C).

তাছাড়া,
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স (S);
- তড়িৎ প্রবাহের একক এম্পিয়ার (A);
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট (V);
- রোধের একক ওহম (Ω);
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz).

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
.
RADAR - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Radio Detection And Routing
  2. খ) Radio Detecting And Routing
  3. গ) Radio Detection And Ranging
  4. ঘ) Radio Detecting And Ranging
ব্যাখ্যা
'RADAR'- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Radio Detection And Ranging.

এটি এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে দূরবর্তী কোনো বস্তুর উপস্থিতি, দূরত্ব ও দিক নির্ণয় করা যায়। রাডার হলো এমন একটি কৌশল বা ব্যবস্থা যার সাহায্যে রেডিও প্রতিধ্বনির মাধ্যমে কোন বস্তুর উপস্থিতি জানা যায়।
যুদ্ধে শত্রু বিমানের উপস্থিতি ও গতিবিধি, বিমানের পথ নির্দেশ, ঝড়ের পূর্বাভাস ইত্যাদি কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
১৯২২ সালে এ.এইচ. টেলর এবং লিও সি ইয়ং রাডার উদ্ভাবন করেন।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণে যে বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, একই বিক্রিয়া সংগঠিত হয় -
  1. ক) পরমাণু চুল্লিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  2. খ) সূর্যের শক্তি উৎপাদনে
  3. গ) জেট বিমানের ইঞ্জিনে
  4. ঘ) রকেটের ইঞ্জিনে
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেন বোমার আরেক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা। এটি এমন এক অস্ত্র যার প্রচুর বিস্ফোরক শক্তির একটি অনিয়ন্ত্রিত স্ব-টেকসই চেইন প্রতিক্রিয়া হয়। যার ফলে হাইড্রোজেনের আইসোটোপগুলি অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার অধীনে নিউক্লিয়ার ফিউশন নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়াতে হিলিয়াম গঠন করে। প্রতিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ তাপমাত্রা একটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ দ্বারা উত্পাদিত হয়।


নিউক্লিয়ার ফিউশন:
যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 
জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে। সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে। 


সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
.
স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে লোহার মধ্যে কার্বনের ন্যুনতম সংযুক্তি কত শতাংশ?
  1. ক) ০.০৮%
  2. খ) ০.৮০%
  3. গ) ৮.০%
  4. ঘ) ০.০৮৮%
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বক: কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়।
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক

অস্থায়ী চুম্বক:
চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

স্থায়ী চুম্বক:
চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

লোহার মধ্যে ০.৮% এর বেশি কার্বন থাকলে তা স্থায়ী চুম্বক তৈরি করে। 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
চুম্বকের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি -
  1. ক) মাঝখানে
  2. খ) কিনারাতে
  3. গ) দুই মেরুতে
  4. ঘ) যে কোন এক মেরুতে
ব্যাখ্যা
- চুম্বক আবিষ্কৃত হয় গ্রীসে।
- যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিক নির্দেশক ধর্ম আছে তাদে কে চুম্বক বলে।
- প্রাকৃতিক অবস্থায় পাওয়া চুম্বককে প্রাকৃতিক চুম্বক এবং মানুষের তৈরি চুম্বককে বলা হয় কৃত্রিম চুম্বক।
- চুম্বক যাদের আকর্ষণ করে তাদের বলা চুম্বকীয় পদার্থ।
- যে কোনো আকারের চুম্বকই হোক না কেন, চুম্বকের মাঝখান থেকে তার দুই প্রান্তে আকর্ষণ ক্ষমতা বেশি থাকে।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
.
কুরী বিন্দুর পর চুম্বকত্ব থাকে না কোনটির?
  1. ক) ডায়াচৌম্বক পদার্থের
  2. খ) প্যারাচৌম্বক পদার্থের
  3. গ) ফেরোচৌম্বক পদার্থের
  4. ঘ) অচৌম্বক পদার্থের
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে শক্তিশালী চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

ফেরােচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট:
১) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২) এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩) এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪) এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে। কুরী বিন্দুর ওপরে এর কোনাে চুম্বকত্ব থাকে না। যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা ১০৪৩ K.

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
১০.
তেজস্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) তাপ প্রয়োগে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা বৃদ্ধি পায়।
  2. খ) চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তেজস্ক্রিয়তা হ্রাস পায়।
  3. গ) বিদ্যুৎ প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিয়ন্ত্রন করা যায়।
  4. ঘ) তেজস্ক্রিয়তার উপর চাপের কোন প্রভাব নেই।
ব্যাখ্যা
তেজষ্ক্রিয়তা: ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজষ্ক্রিয়তা বলে।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১.
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য থেকে আসে?
  1. ক) ৯৭%
  2. খ) ৯৮%
  3. গ) ৯৯%
  4. ঘ) ৯৯% এর বেশি
ব্যাখ্যা
- বায়ুর তাপের প্রধান উৎস সূর্য।
- বিকিরণ প্রক্রিয়ায় সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে।
- বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭% আসে সূর্য থেকে।
- পৃথিবী তাপ হারিয়ে শীতল হয় বিকিরণ পদ্ধতি।
- ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয় পরিবহন প্রক্রিয়া।
- পানি ও বায়ুমণ্ডলের উত্তাপের বিনিময় হয় পরিচলন প্রক্রিয়ায়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
ধানের ক্ষেতে যে ঢেউ সৃষ্টি হয় সেটা কী ধরণের তরঙ্গ?
  1. ক) লম্বিক তরঙ্গ
  2. খ) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. গ) আড় তরঙ্গ
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ধানক্ষেতে বাতাস প্রবাহের ফলে যে তরঙ্গের সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে ধানের শীষগুলো সাম্য অবস্থানে থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু, তরঙ্গ উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয়, তাকে অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ বলে।
স্প্রিং এর তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ ইত্যাদি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এস.এস.সি. প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. ক) Light Amplification by Straight Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Serial Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation.
অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।

১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

Source: Britannica