পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Exam - 45 GK: Topic: Science (Important and Basics)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
The smallest particle of an element that participates in a chemical reaction is called-
  1. Atom
  2. Molecule
  3. Proton
  4. Electron
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

♦ পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
.
Which element has the highest quantity in the atmosphere?
  1. Oxygen
  2. Argon
  3. Nitrogen
  4. Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত ।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ,
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ,
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ,
- অন্যান্য গ্যাস ০..০২ শতাংশ,
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
"For every action(force) there is an equal and opposite reaction" is-
  1. Newton's First Law of Motion
  2. Newton's Second Law of Motion
  3. Newton's Third Law of Motion
  4. Galileo's Law of motion
ব্যাখ্যা
- ১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন।
- এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত।  যথা:
• প্রথম সূত্র:
- বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

• দ্বিতীয় সূত্র:
- কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

• তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
.
Which group of blood donors are called universal donors?
  1. A
  2. AB
  3. B
  4. O
ব্যাখ্যা
• রক্ত গ্রুপের বৈশিষ্ট্য:

- A গ্রুপের দাতা A ও AB রক্ত গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- B গ্রুপের দাতা B ও AB গ্রুপের গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- AB গ্রুপের গ্রহীতাকে A, B, AB ও O অর্থাৎ সকল গ্রুপের রক্ত দেখা যায়।এ কারণে AB গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন গ্রহীতা (Universal recipient) বলে।
- O গ্রুপের রক্ত সকল গ্রুপ নিতে পারে, তাই O গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন দাতা Universal donor) বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।
.
What is the average life span of white blood cells?
  1. 1 - 15 day
  2. 30 day
  3. 90 day
  4. 120 day
ব্যাখ্যা
♦ শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Galvanised iron sheets have a coating of-
  1. Tin
  2. Zinc
  3. Chromium
  4. Lead
ব্যাখ্যা
- লোহার তৈরি জিনিসের ওপর দস্তা বা জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় গ্যালভানাইজিং।
- গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।
- ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের ক্ষয় রোধের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্যে একটি ধাতুর ওপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং।
- সাধারণত নিকেল ব ক্রোমিয়াম ধাতু এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
.
Aedes aegypti is the main type of mosquito that transmits-
  1. Malaria fever
  2. Dengue fever
  3. Typhoid fever
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।
- এই ভাইরাসের জীবাণুর নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস।
- এটি একটি RNA ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. ও Aedes albopictus নামক মশকী (স্ত্রী মশা)।
- এর পোষক দেহ হলো মানুষ।
- প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। 
- ডেঙ্গু জ্বরে ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে।
- সাধারণত ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যাথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়।
- মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে। 
- প্লেটিলেট পরীক্ষায় রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা ১৫০০০০/mm৩ এর অনেক নিচে নেমে আসে।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না।
- ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
What is the main protein of milk?
  1. Lipids
  2. Carotene
  3. Lactobumin
  4. Casein
ব্যাখ্যা
♦ প্রোটিন: 
- দুধে তিন শ্রেণির প্রোটিন থাকে। 
যেমন- ক্যাজিন (casein), ল্যাক্ট এলবুমিন (lact albumin) ও ল্যাক্টো গ্লোবুলিন (lactoglobulin). 
- ল্যাক্ট এলবুমিন ও ল্যাকটোগ্লোবুলিনকে সেরাম বা হোয়ে-প্রোটিন (whey protein or serum) বলে। 
- দুধের মোট প্রোটিন (0.9-4.6%) এর মধ্যে 82% হলো ক্যাজিন এবং 18% হলো হোয়ে-প্রোটিন। 
- ক্যাজিন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান। 
- গ্লুটামিন ও এস্পারাজিন অ্যামাইনো এসিড বাদে অন্য সব অ্যামাইনো এসিড ক্যাজিনে আছে, তাই তরুণ-তরুণীদের দেহ বৃদ্ধির জন্য প্রায় সব অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ দুধের প্রোটিন উৎকৃষ্ট প্রোটিন খাদ্যরূপে বিবেচিত হয়। 
- ক্যাজিন হলো এক প্রকার ফসফোপ্রোটিন। 
- আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে ক্যাজিন ফসফরিক এসিড ও অ্যামাইনো এসিডে বিভক্ত হয়। 
- ক্যাজিন পানিতে অদ্রবণীয়; দুধে এসিড মিশালে ক্যাজিন অধঃক্ষেপরূপে পৃথক হয়ে পড়ে। 
- মায়ের দুধে 0.9% এবং পশুর দুধে 3.2-4.6% প্রোটিন থাকে। 
- আবার দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাজিন চার ধরনের হয়। 
যেমন- αS1 ক্যাজিন, αS2 ক্যাজিন, β ক্যাজিন ও Κ (kappa) ক্যাজিন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
.
Which rays can be used to detect lung cancer?
  1. Beta rays
  2. Gamma rays
  3. X-rays
  4. Alpha rays
ব্যাখ্যা
♦ এক্সরে রশ্মি: 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হল- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। 
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
When taking something to the moon, what change will occur in its weight?
  1. will increase
  2. will decrease
  3. will remain the same
  4. will be zero
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে।
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে।
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়।
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
১১.
Which of the following is the brightest star in the sky?
  1. proxima centauri
  2. Sirius
  3. Polaris
  4. Sun
ব্যাখ্যা
• লুব্ধক:
- আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক।
- লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
- লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
- এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
- লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১২.
Which is called 'God particle'?
  1. Quark
  2. Lepton
  3. Graviton
  4. Higgs boson
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা
১৩.
Which is the largest bone in the human body?
  1. Fibula
  2. Radius
  3. Humerus
  4. Femur
ব্যাখ্যা
♦ ফিমার: 
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান। 
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। 
- এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি। 
- এর ঊর্ধ্ব প্রান্তে একটি গােল মস্তক, গ্রীবা ও ছােট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত। 
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কল্ডাইল বিশিষ্ট। 
- ফিমারের মস্তক শ্রেণিচক্র অ্যাসিটামুলামের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এর প্রান্তে Patella নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড় অস্থি থাকে। 
- তারপরে রয়েছে পর্যায়ক্রমে টিবিয়া, ফিবুলা, হিউমেরাস, আলনা, রেডিয়াস। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৪.
The household line voltage (in volt) is approximately-
  1. 110 Volt AC
  2. 220 Volt AC
  3. 110 Volt DC
  4. 220 Volt DC
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বাসাবাড়িতে যে বিদ্যুৎ সাপ্লাই দেওয়া হয় সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি বলা হয়।
- বাসাবাড়িতে বিদ্যুতের সাপ্লাই ভোল্টেজ হলো ২২০ ভোল্ট এসি।
- একটি সাধারণ ব্যাটারির সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ ভোল্ট।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ ভোল্ট থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি।
- ২২০ ভোল্ট ইলেকট্রিক শক খেলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]