পরীক্ষা আর্কাইভ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

পরীক্ষা৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬ পার্ট-১) বাংলা সাহিত্য: টপিকসমূহ বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, জহির রায়হান, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু মিত্র, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, হাসান আজিজুল হক, হাসান হাফিজুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদ। ২. অন্যান্য লেখকগণ: কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালীপ্রসন্ন সিংহ, কুসুমকুমারী দাশ, কায়কোবাদ, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, গোলাম মোস্তফা, চণ্ডীচরণ মুনশী, জাহানারা ইমাম, জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন, জন ক্লার্ক মার্শম্যান, জোশুয়া মার্শম্যান, হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার, দাউদ হায়দার, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, দীনেশচন্দ্র সেন, রফিক আজাদ, হুমায়ুন কবির, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্ট-২) ১) এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। ২) ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। ------------------ পার্ট–১ সোর্স: উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived

৫০ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [সমন্বিত] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৬
  2. ১৯৫৪
  3. ১৯৫৩
  4. ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩
ব্যাখ্যা
হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান (১৯৩২ - ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন।
- ১৯৩২ সালের ১লা জুন জামালপুর শহরে তাঁর জন্ম।
- হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ: বিমুখ প্রান্তর।
- তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম সংকলন গ্রন্থ “একুশে ফেব্রুয়ারী"। এটি ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি 'বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র' সম্পাদনা করেন।

হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারী, 
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নলিখিত উপাধিগুলোর কোনটি কায়কোবাদ পাননি?
  1. কবিতাবিনোদ
  2. বিদ্যাভূষণ
  3. সাহিত্যরত্ন
  4. কাব্যভূষণ
সঠিক উত্তর:
কবিতাবিনোদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিতাবিনোদ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদের উপাধি নয় - কবিতাবিনোদ

কায়কোবাদ:
- তিনি আধুনিক বাংলাসাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।
- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা পূর্বপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী। 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। এবং তাঁর উপাধি কাব্যভূষণ
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণসাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
- তিনি ১৯৫১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অশ্রুমালা (গীতিকাব্য),
- মহাশ্মশান (মহাকাব্য),
- শিবমন্দির,
- অমিয়ধারা,
- কুসুমকানন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
গিরিশচন্দ্র ঘোষের প্রথম মৌলিক নাটক কোনটি?
  1. নকশাল
  2. মন্দির
  3. আগমনী
  4. রাজসিংহ
সঠিক উত্তর:
আগমনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগমনী
ব্যাখ্যা
গিরিশচন্দ্র ঘোষ:
- তিনি ছিলেন নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, মঞ্চাভিনেতা।
- ১৮৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বাগবাজারে তাঁর জন্ম।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের প্রভাবে তিনি প্রথমে গান ও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং পরে নাট্যমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত হলে নাটকও লিখতে থাকেন।
- ১৮৬৭ সালে বাগবাজার সখের যাত্রাদল-প্রযোজিত মধুসূদনের 'শর্মিষ্ঠা' নাটকের গীতিকার হিসেবে গিরিশচন্দ্র নাট্যজগতে প্রবেশ করেন।
- গিরিশচন্দ্র শেকসপীয়রের ম্যাকবেথ (১৮৯৩) নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন এবং বঙ্কিমচন্দ্রের মৃণালিনী, বিষবৃক্ষ ও দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস, মধুসূদনের  মেঘনাদবধ কাব্য ও নবীনচন্দ্রের পলাশীর যুদ্ধ কাব্যের নাট্যরূপ দেন।
- প্রেমভক্তি, স্বদেশপ্রেম ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা গিরিশচন্দ্রের নাটকের বিষয়বস্তু।
-  তাঁর রচিত প্রথম মৌলিক নাটক 'আগমনী' (১৮৭৭) গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটারে মঞ্চেই অভিনীত হয়।
- ১৯১২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এ মহান অভিনেতা ও নাট্যকার কলকাতায় পরলোক গমন করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- আগমনী,
- সীতার বনবাস,
- সীতাহরণ,
- সিরাজদ্দৌলা,
- মীরকাশিম,
- ছত্রপতি শিবাজী,
- বিল্বমঙ্গল ঠাকুর।
- তাঁর রচিত প্রহসন:
- যামিনী চন্দ্রমাহীনা,
- গোপন চুম্বন,
- বেল্লিক বাজার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া,  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
গোলাম মোস্তফাকে 'সিতারা-ই-ইমতিয়াজ' উপাধিতে ভূষিত করে কোন সরকার?
  1. ব্রিটিশ সরকার
  2. বাংলাদেশ সরকার
  3. ভারত সরকার
  4. পাকিস্তান সরকার
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান সরকার
ব্যাখ্যা
গোলাম মোস্তফা:
- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে ১৮৯৭ সালে তাঁর জন্ম।
- গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক ‘কাব্য সুধাকর’ (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন।

গোলাম মোস্তফা রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্য-কাহিনী,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- তারানা-ই-পাকিস্তান,
- বনিআদম।

গোলাম মোস্তফা রচিত গদ্যগ্রন্থ:
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- আমার চিন্তাধারা,
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হুমায়ূন আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি কোথায়?
  1. কেন্দুয়া
  2. মোহনগঞ্জে
  3. পূর্বধলা
  4. খালিয়াজুড়ি
সঠিক উত্তর:
কেন্দুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দুয়া
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘নদী ও নারী’ উপন্যাসে কোন নদী ও পরিবেশের চিত্র ফুটে উঠেছে?
  1. পদ্মা নদী
  2. তিতাস নদী
  3. যমুনা নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা নদী
ব্যাখ্যা
নদী ও নারী:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির। 
- ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কে জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে "চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
 জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে "চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ- "কবিতার কথা"। 'কবিতার কথা' প্রবন্ধের একটি বিখ্যাত উক্তি: "সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি"।
- "বনলতা সেন” তাঁর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। "বনলতা সেন” কবিতার উপর আডগার এলেন পো এর প্রভাব রয়েছে।
- জীবনানন্দের মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয় "রূপসী বাংলা” এবং “বেলা অবেলা কালবেলা" নামক কাব্য।

জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- ঝরা পালক,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কাজী মোতাহার হোসেন কোন পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
  1. ক্রান্তি
  2. শিখা
  3. সওগাত
  4. মোহাম্মদী
সঠিক উত্তর:
শিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিখা
ব্যাখ্যা
কাজী মোতাহার হোসেন:
- তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক।
- তার জীবনের অন্যতম কীর্তি হচ্ছে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য-সমাজ' প্রতিষ্ঠা।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে কাজ করেন। মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বার্ষিক মুখপত্র - শিখা পত্রিকা।
- শিখা পত্রিকার মুখবাণী ছিল "জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব"।
- কাজী মোতাহার হোসেন বিজ্ঞান, সাহিত্য, সংস্কৃতি প্রভৃতি বিষয়ে অসংখ্য প্রবন্ধ ও পুস্তক রচনা করেছেন।

তাঁর উলে­খযোগ্য গ্রন্থ:
- সঞ্চয়ন,
- নজরুল কাব্য পরিচিতি ;
- সে পথ লক্ষ্য করে;
- সিম্পোজিয়াম,
- গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস; 
- আলোক বিজ্ঞান। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
শিশু-কিশোর গল্প 'সাতটি তারার ঝিকিমিকি' রচনা করেন কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. জাহানারা ইমাম
  3. সুকুমার সেন
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
জাহানারা ইমাম:
- জাহানারা ইমাম 'শহীদ জননী' হিসেবে খ্যাত।
- তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য শহীদ শফি ইমাম রুমীর মা।
- তিনি ১৯৯২ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি’র আহবায়ক হন।
- জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।

তাঁর রচিত কয়েকটি গ্রন্থ:
- সাতটি তারার ঝিকিমিকি,
- অন্যজীবন,
- বুকের ভিতর আগুন,
- নাটকের অবসান,
- নিঃসঙ্গ পাইন,
- ক্যানসারের সঙ্গে বসবাস,
- প্রবাসের দিনগুলি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসে কালো মেয়েটির নাম কী?
  1. নাজমা
  2. নাছিমা
  3. কাজল
  4. আসমা
সঠিক উত্তর:
নাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমা
ব্যাখ্যা
'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

• উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে। এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- একটি কালো মেয়ের কথা।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
নিম্নের কোন গ্রন্থটি জর্জ গ্রিয়ারসনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. গীতগোবিন্দ
  2. পদুমাবৎ
  3. দোহাকোষ
  4. মণিমঞ্জরী
সঠিক উত্তর:
পদুমাবৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদুমাবৎ
ব্যাখ্যা
জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন:
- তিনি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে ১৮৫১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত প্রাচ্যতত্ত্ববিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক। ভারতীয় ভাষা শিক্ষা ও অনুশীলনে বিশেষভাবে উৎসাহী ছিলেন।
- হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

কাশ্মিরি ভাষা সম্পর্কে তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- Essays on Kashmiri Grammar.
- A Manual of the Kashmiri Language.
- A Dictionary of the Kashmiri Language.

তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- The Kashmiri Ramayana.

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
“আমি কি ডরাই, সখি, ভিখারী রাঘবে?” - পঙ্‌ক্তিটি কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
  2. বীরাঙ্গনা কাব্য
  3. তিলোত্তমাসম্ভব
  4. মেঘনাদবধ কাব্য
সঠিক উত্তর:
মেঘনাদবধ কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা
• “আমি কি ডরাই, সখি, ভিখারী রাঘবে?” পঙ্‌ক্তিদ্বয়  "মেঘনাদবধ" কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে।

মেঘনাদবধ কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা বর্ণিত আছে।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৩.
'হুতোম প্যাঁচার নকশা' গ্রন্থটি কী ধরনের রচনা?
  1. ঐতিহাসিক উপন্যাস
  2. ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক উপাখ্যান
  3. সামাজিক নাটক
  4. আত্মজীবনী
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক উপাখ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক উপাখ্যান
ব্যাখ্যা
হুতোম প্যাঁচার নকশা:
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গোড়াপত্তনকালীন পর্যায়ে রচিত একটি গদ্য উপাখ্যান।
- যা তিনি 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে লিখেছেন।
- এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা। চরিত্র: দনুবানু।

কালীপ্রসন্ন সিংহ:
- বাংলা সাহিত্যে 'হুতোমী বাংলা' রীতির প্রবর্তক কালীপ্রসন্ন সিংহ।
- 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে কালীপ্রসন্ন সিংহ পরিচিত।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন কলকাতার জোড়াসাকোয় ১৮৪০ সালে।
- 'হুতোমী বাংলা' ভাষা রীতি অনুসরণ করে তিনি সাহিত্য রচনা করেন।

কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো:
- হুতোম প্যাঁচার নকশা,
- সংস্কৃত মহাভারতের গদ্য-অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
‘ইয়ং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. জোশুয়া মার্শম্যান
  2. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
  3. জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যা
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও:
- ডিরোজিওর পূর্ণ নাম- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- মাত্র সতেরো বছর বয়সে হিন্দু কলেজের (বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- 'ইয়ং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি 'ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার কোন গ্রন্থের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান?
  1. ঠাকুরদাদার ঝুলি
  2. ঠাকুরমার ঝুলি
  3. দাদা মশায়ের থলে
  4. বাংলার সোনার ছেলে
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরমার ঝুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরমার ঝুলি
ব্যাখ্যা
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার:
- বাংলা শিশুসাহিত্যের ধারায় সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাম দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
- প্রধানত 'ঠাকুরমার ঝুলি' শীর্ষক অবিস্মরণীয় গ্রন্থের জন্যই বাঙালি পাঠকসমাজে সমধিক পরিচিত তিনি।
- ১৮৭৭ সালের ১৫ এপ্রিল (১২৮৪ বঙ্গাব্দের ২ বৈশাখ) ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভারের উলাইল গ্রামের সম্ভ্রান্ত মিত্র মজুমদার বংশে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০১ সালে দক্ষিণারঞ্জনের সম্পাদিত মাসিক 'সুধা' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। চার বছর ধরে গোটা বিশেক সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
- দক্ষিণারঞ্জনের প্রথম গ্রন্থ 'উত্থান' কাব্য প্রকাশিত হয় ১৯০২ সালে।

তাঁর উল্লাখযোগ্য গ্রন্থ:
- ঠাকুরমার ঝুলি,
- ঠাকুরদাদার ঝুলি,
- দাদা মশায়ের থলে,
- বাংলার সোনার ছেলে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
সাধারণত হাইড্রোজেন বলতে হাইড্রোজেনের কোন আইসোটোপকে বোঝায়?
  1. প্রোটিয়াম
  2. ডিউটেরিয়াম
  3. ট্রিটিয়াম
  4. হাইড্রোজেন-৪
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিয়াম
ব্যাখ্যা
• সাধারণত হাইড্রোজেন বলতে হাইড্রোজেনের প্রথম আইসোটোপ প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।

• আইসোটোপ:
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 

• হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে।
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়।

• সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই (1H) বোঝায়। 


তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১৭.
পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে সাধারণত ইলেকট্রন আসক্তির কী পরিবর্তন হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. শূন্য হয়ে যায় 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে মৌলের ইলেকট্রন আসক্তির মান বৃদ্ধি পায়। 

• ইলেকট্রন আসক্তি: 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 
যেমন- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির ২ নং গ্রুপ-এর মৌল।
- এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি।
- আবার Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে কম। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১৮.
গ্রাফাইটের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. তাপ ও বিদ্যুৎ কুপরিবাহী
  2. স্বচ্ছ স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
  4. তেজস্ক্রিয়তা
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
• গ্রাফাইটের বৈশিষ্ট্য হলো এটি তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। 

• গ্রাফাইট:
- গ্রাফাইট হল কার্বনের একটি রূপ। এটি কার্বনের একটি অ্যালোট্রোপ। 

• গ্রাফাইটের বৈশিষ্ট্য:
- গ্রাফাইট বিদ্যুৎ ও তাপের সুপরিবাহী।
- এটি অস্বচ্ছ স্ফটিকাকার কঠিন পদার্থ। 
- গ্রাফাইট খুব নরম এবং পিচ্ছিল।
- গ্রাফাইট রাসায়নিকভাবে স্থিতিশীল।
- গ্রাফাইটের গলনাঙ্ক উচ্চ (প্রায় ৩৬০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)।
- স্বাভাবিক অবস্থায় কার্বনের সবচেয়ে স্থিতিশীল রূপ।
- গ্রাফাইটের স্তরযুক্ত গঠন এর ইলেকট্রনগুলোকে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে যেতে সাহায্য করে, ফলে বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৯.
পূর্ণবয়স্কদের স্বাভাবিক রক্তচাপ কত হয়?
  1. ৯০/৬০ mmHg
  2. ১২০/৫০ mmHg
  3. ১২০/৮০ mmHg
  4. ১৬০/১১০ mmHg
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০/৮০ mmHg
ব্যাখ্যা
• পূর্ণবয়স্কদের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg। 

• রক্তচাপ (Blood Pressure):
- রক্তপ্রবাহের সময় ধমনির গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে।

• হৃৎপিণ্ডের সংকোচন বা সিস্টোল অবস্থায় ধমনির গায়ে রক্তচাপের মাত্রা সর্বাধিক থাকে। একে সিস্টোলিক চাপ (Systolic Pressure) বলে।
-  হৃৎপিন্ডের (প্রকৃতপক্ষে নিলয়ের) প্রসারণ বা ডায়াস্টোল অবস্থায় রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে। একে ডায়াস্টোলিক চাপ (Diastolic Pressure) বলে।

• চিকিৎসকদের মতে, পরিণত বয়সে একজন মানুষের আদর্শ রক্তচাপ (Blood pressure) সাধারণত ১২০/৮০ mmHg |
- রক্তের সিস্টোলিক (Systolic) চাপের আদর্শ মান ১২০ mmHg এর নিচে।
- রক্তের ডায়াস্টোলিক (Diastolic) চাপের আদর্শ মান ৮০ mmHg এর নিচে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২০.
ধাতুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. চাকচিক্য বেশি
  2. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা
  3. নমনীয়তা
  4. ঘনত্ব কম
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম
ব্যাখ্যা
• "ঘনত্ব কম" ধাতুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়। কারণ ব্যতিক্রম ছাড়া বেশিরভাগ ধাতুর ঘনত্ব বেশি হয়। 

• ধাতু:
- যে সকল পদার্থের বিশেষ দ্যুতি আছে, আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা বিদ্যমান, পিটিয়ে পাতলা পাত বানানো যায়, টেনে সরু ও লম্বা করা যায়, আঘাত করলে বিশেষ ধাতব শব্দ হয় এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী তাদেরকে ধাতু বলে। 

• ধাতুর বৈশিষ্ট্য:  
→ চকচকে: ধাতু সাধারণত উজ্জ্বল এবং চকচকে হয়।  
→ নমনীয়: এগুলো সহজে বাঁকানো বা পিটিয়ে পাতলা করা যায়।  
→ তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী: ধাতু বিদ্যুৎ এবং তাপের ভাল পরিবাহী।  
ধাতব বন্ধন: ইলেক্ট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়নে পরিণত হতে পারে এবং ধাতব বন্ধন গঠন করে। 
ঘাতসহিষ্ণু: ধাতু আঘাত পেলে সহজে ভাঙ্গে না।  
→ ঘনত্ব: অধিকাংশ ধাতুর ঘনত্ব বেশি। 

উদাহরণ - লোহা, তামা, সোনা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা ইত্যাদি।  

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
২১.
পারকিনসন রোগের লক্ষণ নয় কোনটি?
  1. সোজাসুজি হাঁটার সমস্যা
  2. ঘনঘন পাতলা পায়খানা
  3. মাংসপেশির কার্যকারিতা হ্রাস
  4. নড়াচড়ায় কষ্ট হওয়া
সঠিক উত্তর:
ঘনঘন পাতলা পায়খানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনঘন পাতলা পায়খানা
ব্যাখ্যা
• ঘনঘন পাতলা পায়খানা হওয়া পারকিনসন রোগের লক্ষণ নয়। 

• পারকিনসন:
- পারকিনসন রোগটি স্নায়ুর ক্ষয়জনিত রোগ।পারকিনসন রোগ মস্তিষ্কের এমন এক অবস্থা, যেখানে হাতে ও পায়ের কাঁপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগীর নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে সমস্যা হয়।

• এ রোগ সাধারণত 50 বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক-যুবতীদেরও হতে পারে। এই ক্ষেত্রে রোগটি তার বংশে রয়েছে বলে ধরা হয়।
- স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে, যার একটি হলো ডোপামিন।
- ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে। পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলো পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।

• পারকিনসন রোগের লক্ষণ:
- রোগীর হাত-পা কাঁপতে থাকে। ফলে চলাফেরা বিঘ্নিত হয়।
- চোখের পাতার কাঁপুনি।
- কোষ্ঠকাঠিন্য।
- খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া।
- সোজাসুজি হাঁটার সমস্যা।
- কথা বলার সময় মুখের বাচনভঙ্গি না আসা অর্থাৎ মুখ অনড় থাকা মাংসপেশিতে টান পড়া বা ব্যথা হওয়া।
- নড়াচড়ায় কষ্ট হওয়া। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২২.
কোন খাদ্য উপাদানটিতে স্নেহ পদার্থ থাকে না?
  1. ভুট্টার তেল
  2. ডিমের কুসুম
  3. ঘি
  4. ডিমের সাদা অংশ
সঠিক উত্তর:
ডিমের সাদা অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিমের সাদা অংশ
ব্যাখ্যা
• ডিমের সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। 

• স্নেহ:
- সুষম খাদ্য উপাদানের মধ্যে স্নেহ একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন দিয়ে তৈরি এই উপাদানটির মুখ্য কাজ হলো তাপ উৎপাদন করা।
- শর্করা ও আমিষের তুলনায় চর্বিতে প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ ক্যালরি থাকে।

• উৎস অনুযায়ী স্নেহপদার্থ দুই ধরনের, যথা
- উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থ এবং
- প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।

→ উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থ:
- উদ্ভিজ্জ স্নেহপদার্থের মধ্যে সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখী এবং ভুট্টার তেল ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।

→ প্রাণিজ স্নেহপদার্থ:
- চর্বি, ঘি ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।
- ডিমের কুসুমে স্নেহপদার্থ থাকে কিন্তু সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২৩.
কোন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ সংঘটিত হয় না?
  1. দহন বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রশমন বিক্রিয়া
  4. বিয়োজন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ সংঘটিত হয় না। 

• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- রেডক্স অর্থ জারণ-বিজারণ। যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে।   

- Reduction (বিজারণ) শব্দের প্রথমাংশ Red এবং Oxidation (জারণ) শব্দের প্রথমাংশ Ox এর সমন্বয়ে গঠিত শব্দ হলো Redox. 

• রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া:  
- জারণ এবং বিজারণ উভয় প্রক্রিয়া একই সাথে ঘটে।
- একটি পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করার সাথে সাথেই অন্য একটি পদার্থ সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
- এই কারণে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াগুলিকে একত্রে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়।
- জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ বিক্রিয়া। 

• কিছু বিক্রিয়াতে জারণ বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে থাকে।
→ উদাহরণ-
- সংযোজন বিক্রিয়া, 
- বিয়োজন বিক্রিয়া, 
- প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া,
- দহন বিক্রিয়া। 

• নন-রেডক্স বিক্রিয়া:
- এ ধরণের বিক্রিয়ায় জারণ-বিজারণ তথা ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।

→ উদাহরণ-
- প্রশমন বিক্রিয়া,
- অধ:ক্ষেপণ বিক্রিয়া ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২৪.
আইসি (IC) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Internal Circuit
  2. Integrated Current
  3. Inductive Capacitor
  4. Integrated Circuit
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Integrated Circuit
ব্যাখ্যা
• IC এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Circuit।
- এটি হলো একটি অতি ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ যা একটি অর্ধপরিবাহী (সাধারণত সিলিকন) চিপের মধ্যে বহু ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত থাকে।

• IC-এর ব্যবহার:
- কম্পিউটার প্রসেসর,
- মোবাইল ফোন, 
- ক্যালকুলেটর, 
- রেডিও, টিভি, 
- গাড়ির ইলেকট্রনিক সিস্টেম। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২৫.
জৈব যৌগের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়
  2. নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়
  3. জৈব যৌগ পানিতে অদ্রবণীয়
  4. বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ বিশ্লেষ্য না হওয়ায় বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ সুপরিবাহী নয় বরং অপরিবাহী। 

• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।'
উদাহরণ:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3-OH), অ্যানিলিন (C6H5-NH2) ইত্যাদি।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।  
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়। 
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
- জৈব যৌগের দহনের পর কোনো অবশেষ থাকে না। 
- জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
- জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর গতির হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
কোনটিতে তামা অনুপস্থিত থাকে?
  1. ব্রোঞ্জ
  2. ২১ ক্যারেট স্বর্ণ
  3. ২২ ক্যারেট স্বর্ণ
  4. ২৪ ক্যারেট স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
২৪ ক্যারেট স্বর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ক্যারেট স্বর্ণ
ব্যাখ্যা
• ২৪ ক্যারেট স্বর্ণে তামা বা অন্য কোনো খাঁদ থাকে না। 

• সংকর ধাতু:
- কতকগুলো ধাতুকে একত্রে গলানোর পর গলিত মিশ্রণকে ঠাণ্ডা করলে যে ধাতু মিশ্রণ পাওয়া যায় তাকে সংকর ধাতু বলা হয়। 

• সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না।
• সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্রধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু।
• প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করাহয়। যেমন- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু।
• স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়।
• সংকর ধাতু মরিচাবিহীন ইস্পাতে কপার অনুপস্থিত।
- এর উপাদান গুলো হলো লোহা, ক্রোমিয়াম এবং নিকেল।
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু।
• পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু।
• সংকর ধাতু ডুরালুমিনে কপারের পরিমাণ 4% ।
• 21 ক্যারেট ও 22 ক্যারেট স্বর্ণে খাদ হিসেবে কপার ও অন্যান্য ধাতুর পরিমাণ যথাক্রমে 12.5% ও 8.33%। 
• 24 ক্যারেট স্বর্ণে স্বর্ণের পরিমাণ 100% । অর্থাৎ এতে তামা বা অন্য কোনো খাঁদ থাকে না। 

তথ্যসুত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২৭.
নিচের কোনটিকে বায়ুদূষণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. শৈবাল
  2. মস
  3. ফার্ন
  4. লাইকেন
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইকেন
ব্যাখ্যা
• লাইকেনকে বায়ুদূষণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

• লাইকেন:
-  লাইকেন হলো ছত্রাক এবং একাকোষী শৈবাল বা সায়ানোব্যাকটেরিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহাবস্থানের ফলে সৃষ্ট বিশেষ প্রকৃতির থ্যালয়েড গঠন।
-  লাইকেন স্বয়ংসম্পূর্ণ, বিষমপৃষ্ঠ, থ্যালয়েড, অপুষ্পক উদ্ভিদ।
- সারা পৃথিবীতে প্রায় ৪০০টি গণ এবং ১৭,০০০ লাইকেন প্রজাতির সন্ধান পাওয়া

• পরিবেশ দূষণের নির্দেশক হিসেবে লাইকেন:
-   লাইকেন বাতাস বা বৃষ্টির পানি থেকে অতিদ্রুত তার প্রয়োজনীয় বস্তু সংগ্রহ করতে পারে।
-  একইভাবে সালফার ডাই-অক্সাইড, হেভি মেটাল, রেডিও অ্যাকটিভ বস্তুও দ্রুত শোষণ করে থাকে।
-  এসব দূষিত বস্তু শোষণের ফলে এদের মৃত্যু ঘটে। কাজেই বায়ু দূষণের একটি নির্দেশক (indicator) হিসেবে লাইকেনকে ধরা হয়।
-  অর্থাৎ বায়ু দূষণ অঞ্চলে লাইকেন কম পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২৮.
আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা
  3. চার্জবিহীন
  4. উচ্চ ভেদন ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা
ব্যাখ্যা
• "ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা" আলফা রশ্মির একটি বৈশিষ্ট্য। 

• আলফা রশ্মি:
- আলফা রশ্মি বা আলফা কণা হলো একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।

• একটি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে থাকে দুইটি প্রোটন এবং দুইটি নিউট্রন, কাজেই এটি একটি চার্জযুক্ত কণা।
- এর ফলে বিদ্যুৎ এবং চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা এর গতিপথকে প্রভাবিত করা যায়।

• আলফা কণার বৈশিষ্ট্য:
- এটি ধীরগতির ও ভারী কণা।
- আলফা কণার চার্জ ধনাত্মক। যা He2+
- এর ভেদন ক্ষমতা কম, কিন্তু আয়নন ক্ষমতা বেশি।
- ভেদন ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে এটি খুব বেশি দূর যেতে পারে না। একটি কাগজ দিয়েই আলফা কণাকে থামিয়ে দেওয়া যায়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২৯.
লোহার উপর মরিচা পড়া কী ধরনের বিক্রিয়া?
  1. ভৌত
  2. রাসায়নিক
  3. তাপীয়
  4. যান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক
ব্যাখ্যা
• লোহার উপর মরিচা পড়া হলো রাসায়নিক পরিবর্তন (বিক্রিয়া)।

• পদার্থের পরিবর্তন:
- পদার্থের পরিবর্তন বলতে কোনো পদার্থের অবস্থার বা গঠন প্রকৃতির পরিবর্তনকে বোঝায়। 

•  পদার্থের পরিবর্তন দুই প্রকার হয়। যথা-
- ভৌত পরিবর্তন
- রাসায়নিক পরিবর্তন

• রাসায়নিক পরিবর্তনের একটি উদাহরণ হলো লোহায় মরিচা পড়া।
- আয়রন বা লোহা বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে।
- এতে ধাতুর পৃষ্ঠতল ক্ষয় হয়। মরিচা ঝাঁঝরা জাতীয় পদার্থ হওয়ায় এর ভিতর দিয়ে বাতাসের অক্সিজেন এবং জলীয় বাষ্প ঢুকে লোহার পৃষ্ঠকে ক্রমাগত ক্ষয় করতে থাকে।
- এভাবে লোহার তৈরি পুরো জিনিসটিই এক সময় নষ্ট হয়ে যায়।

• মরিচা পড়ার প্রক্রিয়া:
2Fe + 1.5O2 + 3H2O → 2Fe(OH)3
2Fe(OH)3 → Fe2O3 . nH2O (মরিচা)

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।