পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৭
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০: Full Model Test - 3
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৭ প্রশ্ন

.
শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে রচিত কবিতাগ্রন্থ কোনটি?
  1. নতুন লেখা
  2. মুহূর্তের কবিতা
  3. সিরাজাম মুনীরা
  4. সিন্দাবাদ
সঠিক উত্তর:
মুহূর্তের কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহূর্তের কবিতা
ব্যাখ্যা

• 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থ:
- "মুহূর্তের কবিতা" ফররুখ আহমদের একটি সনেট কবিতাগ্রন্থ যা ১৯৬৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এর প্রকাশক ছিলেন এফ আহমদ, বার্ডস এ্যাণ্ড বুকস, ফোল্ডার স্ট্রিট, ঢাকা। মুদ্রক ছিলেন এম. এ. কাদের, দি ইম্পিরিয়াল প্রেস, হাটখোলা, ঢাকা। প্রচ্ছদশিল্পী: কাইয়ুম চৌধুরী।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ১৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, ধানের কবিতা, কবিতার প্রতি, ফাল্গুনে, ঝড় ইত্যাদি।

----------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভকরেন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'মুহূর্তের কবিতা' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

.
দ্বিস্বরধ্বনিযুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. নদ
  2. চাঁদ
  3. বল
  4. দই
সঠিক উত্তর:
দই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দই
ব্যাখ্যা

• "দই" শব্দে [ও] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [ই্‌] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [দই] তৈরি হয়েছে।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
• নদ: এখানে শুধু /অ/ স্বরধ্বনি রয়েছে, দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• চাঁদ: এখানে /আ/ (দীর্ঘ স্বর) রয়েছে, কিন্তু দ্বিস্বরধ্বনি নয়।
• বল: এখানে /অ/ স্বরধ্বনি রয়েছে, দ্বিস্বরধ্বনি নয়।

--------------------
• দ্বিস্বরধ্বনি:

- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চরণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয় যা দ্বিস্বর নামে পরিচিত।
-অর্থাৎ একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়। দ্বিস্বরে দুটি স্বর থাকে একটি পূর্ণ, আর একটি অপূর্ণ। বাংলায় পরের স্বরটিই সাধারণত অর্ধ হয়। বাংলা ভাষায় ২৫টি যৌগিক স্বরধ্বনি রয়েছে।
- বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে ঐ এবং ঔ। অন্য যৌগিক স্বরের চিহ্ন স্বরূপ কোনো বর্ণ নেই।
উদাহরণ: কৈ, বৌ।

আবর,
• পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন- 'লাউ' শব্দের [আ] পূর্ণ স্বরধ্বরি এবং [উ্‌] অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [লাউ] তৈরি হয়েছে।

দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:
[আই্‌]: তাই, নাই।
[এই্‌]: সেই, নেই।
[আও্‌]: যাও, দাও।
[আএ্‌]: খায়, যায়।
[উই্‌]: দুই, রুই।
[অএ্‌]: নয়, হয়।
[ওউ্‌]: মৌ, বউ।
[ওই্‌]: কৈ, দই।
[এউ্‌]: কেউ, ঘেউ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'অন্যমনা' শব্দে কয়টি অক্ষর রয়েছে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি 
  3. চারটি
  4. পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা

• 'অন্যমনা' শব্দের উচ্চারণ হলো: ওন্‌নোমোনা।
- উচ্চারণে অক্ষর বিভাজন:
- অন্যমনা শব্দটিকে অক্ষর হিসেবে ভাগ করলে চারটি অক্ষর হয়। যথা: অ + ন্য + ম + না = ৪ অক্ষর।

---------------------
• অক্ষর:

এর ইংরেজি নাম syllable. অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়।
অক্ষর মূলত দুই প্রকার।
যথা-
- মুক্তাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- ক/লা)
- বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- দিন, রাত)
যেমন: 'বিশ্ববিদ্যালয়' শব্দে ৫টি অক্ষর রয়েছে (বি + শ্ব  + বি + দ্যা  + লয়)।

উৎস: বাংলা একাডেমি,  আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা কবিতার ছন্দ বিশ্লেষণ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"তারা এখনও সেখানে আছে।"- বাক্যে 'এখনও' শব্দের সঙ্গে যুক্ত ও-এর ব্যাকরণিক পরিচয় কী?
  1. বলক
  2. বিভক্তি
  3. নির্দেশক
  4. যোজক
সঠিক উত্তর:
বলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলক
ব্যাখ্যা

• "তারা এখনও সেখানে আছে।"- বাক্যে 'এখনও' শব্দের সঙ্গে যুক্ত 'ও' হলো বলকের উদাহরণ। 

শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক।
লগ্নক চার ধরনের।
যথা:
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
যেমন-
'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।

• বিভক্তি:
- ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে।
বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি।
- 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

• নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে।
'লোকটি বা ভালোটুকু পদের টি' বা 'টুকু হলো নির্দেশকের উদাহরণ।

• যোজক:
পদ, বর্গ বা বাক্যকে যেসব শব্দ যুক্ত করে তাকে যোজক বলে।
যেমন: এবং, ও, আর, তবু, অথবা, সুতরাং, কারন, তবে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

.
ঢাকা সংস্কৃত পরিষদ কর্তৃক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ কোন উপাধি লাভ করেছেন?
  1. চলিষ্ণু অভিধান
  2. জ্ঞানতাপস
  3. বিদ্যাবাচস্পতি
  4. হিলাল-ই-ইমতিয়াজ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাবাচস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাবাচস্পতি
ব্যাখ্যা

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন। ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন। তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভাণ্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র বিখ্যাত উক্তি- "আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।"

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র উপাধিসমূহ হলো-
ঢাকা সংস্কৃত পরিষদ তাঁর অপূর্ব অবদানের জন্য তাঁকে 'বিদ্যাবাচস্পতি' উপাধিতে ভূষিত করে। পাকিস্তান আমলে তাঁকে বাংলা সাহিত্য সাধনার জন্য 'প্রাইড অভ পারফর্মেন্স পদক' ও দশ হাজার টাকা পুরস্কার এবং মরণোত্তরকালে 'হিলাল-ই-ইমতিয়াজ' খেতাবে ভূষিত করা হয়। ফরাসি সরকার তাঁকে 'সেভলেয়র দ্যে লা অর্দার দ্যেস আর্টস এত দ্যে লেতর্স' উপাধি প্রদান করেছিল। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেসন্স তাঁকে সম্মানিত সদস্য (ফেলো) রূপে মনোনয়ন করে, কিন্তু পাকিস্তান সরকারের অনুমতির অভাবে সেটা তিনি গ্রহণ করেননি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে মরণোত্তর সম্মানসূচক 'ডি-লিট' উপাধি দিয়েছে এবং প্রাচীনতম ছাত্রাবাসকে তাঁর নামে নামকরণ করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কলাভবনটিও তাঁর নামে উৎসর্গীকৃত। ১৯৮০-তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পদক ও ১০ হাজার টাকা পুরস্কারও তাঁকে মরণোত্তর দেওয়া হয়েছে।

তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাংলা সাহিত্যের কথা। 

- এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমির 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন।

উৎস: 'বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত' গ্রন্থ; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'ইডিপাস' নাটকের বাংলা বঙ্গানুবাদ করেন কে?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সেলিম আল দীন 
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. দীনবন্ধু মিত্র
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা

• 'ইডিপাস' নাটক:
- বিশ্ববিখ্যাত নাট্যকার সফোক্লিস গ্রিক ভাষায় এ নাটকটা রচনা করেন।
- আর এটা বাংলায় অনুবাদ করেন সৈয়দ আলী আহসান।
- এটি একটি ট্র্যাজেডি নাটক।

-------------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- ১৯২০ সালে মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আলী হামেদ ছিলেন একজন স্কুল ইন্সপেক্টর।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ।
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।
- উচ্চারণ।
- আমার প্রতিদিনের শব্দ।
- সমুদ্রেই যাবো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম কী 
  1. কারবালার পালা 
  2. হাসান-হোসেনের পালা 
  3. আলাল-দুলালের পালা
  4. আলালের পালা 
সঠিক উত্তর:
আলাল-দুলালের পালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাল-দুলালের পালা
ব্যাখ্যা

• 'দেওয়ানা মদিনা' পালা:
- 'দেওয়ানা মদিনা' পালাটির লেখক মনসুর বয়াতি।
- বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার অধীনে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গের দেওয়ানদের সম্পর্কে এ পালা।
- বানিয়াচঙ্গের দেওয়ান সোনাফরের পুত্র আলাল ও দুলালের বিচিত্র জীবনকাহিনি এবং দুলাল ও গৃহস্থকন্যা মদিনার প্রেম কাহিনি 'দেওয়ানা মদিনা' এর মূল বিষয়।
- 'দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম 'আলাল-দুলালের' পালা।

'দেওয়ানা মদিনা'র প্রধান কয়েকটি চরিত্র হলো:
- আলাল,
- দুলাল,
- মদিনা,
- সোনাফর।

---------------------
• মৈমনসিংহ গীতিকা:
- মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
- গ্রন্থটি বিষয়মাহাত্ম্য ও শিল্পগুণে শিক্ষিত মানুষেরও মন জয় করে। মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা রয়েছে।

এগুলো হলো- 
- চন্দ্রাবতী (নয়ানচাঁদ ঘোষ),
- দেওয়ানা মদিনা (মনসুর বয়াতি),
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই),
- মলুয়া (চন্দ্রাবতী),
- কমলা (দ্বিজ ঈশান),
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা (চন্দ্রাবতী),
- রূপবতী,
- কাজল রেখা,
- কঙ্ক ও লীলা উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'অষ্টাবক্র' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. বিশৃঙ্খলা
  2. কুটিল বুদ্ধি
  3. অপক্ব
  4. কুৎসিত
সঠিক উত্তর:
কুৎসিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুৎসিত
ব্যাখ্যা

• 'অষ্টাবক্র' বাগ্‌ধারার অর্থ - কুৎসিত। 

অন্যদিকে, 
• 'আধা খেঁচড়া' অর্থ - বিশৃঙ্খলা। 
• 'ইস্কুপের প্যাচ' অর্থ - কুটিল বুদ্ধি। 
• 'কাঁচা হাত' অর্থ - অপক্ব।

উৎস: 'প্রবাদের উৎসসন্ধান' সমর পাল; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
The line "Good fences make good neighbors" comes from which poem?
  1. Fire and Ice
  2. Stopping by Woods on a Snowy Evening
  3. Mending Wall
  4. The Road Not Taken
সঠিক উত্তর:
Mending Wall
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mending Wall
ব্যাখ্যা

The line "Good fences make good neighbors" comes from - Mending Wall.

Mending Wall:
- এই কবিতাটি লিখেন Robert Frost.
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ) এ রচিত।
- Mending Wall কবিতাটি তার "North of Boston" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- কবিতাটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

সার-সংক্ষেপ:
- এতে দুটি প্রতিবেশী একে অপরের সঙ্গে দেয়াল মেরামত করতে গিয়ে তাদের ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেন।
- কবি মনে করেন, দেয়ালের প্রয়োজন নেই, কারণ প্রকৃতি স্বাভাবিকভাবেই সীমানা ভাঙতে চায়।
- তবে প্রতিবেশী বিশ্বাস করেন, "Good fences make good neighbors" — অর্থাৎ, দেয়াল থাকলে সম্পর্ক ভালো থাকে।
- কবি সমাজে সীমানা ও বাধার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, এবং এই কবিতার মাধ্যমে তিনি মানবিক সম্পর্ক ও প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করেছেন।

Robert Frost (1874-1963):
- Robert Frost একজন আমেরিকান কবি। তাকে আমেরিচার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
- তিনি ‘Nature poet’, ‘Regional poet’ নামে পরিচিত।
- তিনি চারবার পুলিতজার পুরস্কার লাভ করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছেঃ A Boy’s Will, North of Boston, From Mountain Interval etc.
- Mending Wall কবিতাটি তার ‘North of Boston’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

Poems:
- Fire and Ice,
- Mending Wall,
- Birches,
- The Road Not Taken,
- Stopping by Woods on a Snowy Evening,
- Nothing Gold Can Stay,
- Home Burial.

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো Robert Frost এর লিখা কবিতা

Source: Britannica.

১০.
Identify the correctly spelled word.
  1. Acquaintance
  2. Acqueintance
  3. Acquaintence
  4. Acqueintence
সঠিক উত্তর:
Acquaintance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquaintance
ব্যাখ্যা

• Acquaintance (noun)
English meaning: knowledge or experience of something.
Bangla Meaning: অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান বা তথ্য; পরিচয়: পরিচিত ব্যক্তি; আলাপী।

Example sentence:
- The pupils had little acquaintance with the language.
- He is an acquaintance of mine.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.

১১.
She looked at me as though she _______ my secret yesterday.
  1. had known
  2. knows
  3. knew
  4. know
সঠিক উত্তর:
had known
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had known
ব্যাখ্যা

• As if/ As though যুক্ত sentence এর পূর্বে Present Indefinite Tense থাকলে as if/ as though এর পরে Past Indefinite Tense হয় এবং Be verb থাকলে সবসময় were হয়।

- Example: He talks as if he were a leader. 

আবার, As if/ As though যুক্ত sentence এর পূর্বে Past Indefinite Tense থাকলে as if/ as though এর পরে Past Perfect Tense হয়

Correct Answer: She looked at me as though she had known my secret yesterday.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১২.
Choose the correct sentence.
  1. Excessive screen time can be detrimental on children's eyesight.
  2. Excessive screen time can be detrimental for children's eyesight.
  3. Excessive screen time can be detrimental with children's eyesight.
  4. Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.
সঠিক উত্তর:
Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.
ব্যাখ্যা

The Correct answer is - Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.

• Detrimental (Adjective).
- English meaning: Causing or capable of causing harm.
- Bangla meaning: ক্ষতিকর।

- Detrimental এরপর preposition হিসেবে To বসে

• Example Sentence:
01. Laziness is detrimental to success.
02. Excessive screen time can be detrimental to children's eyesight.
03. Pollution is highly detrimental to the environment.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

১৩.
Who wrote the philosophical book "The Analysis of Mind"?
  1. Voltaire
  2. Victor Hugo
  3. Maxim Gorky
  4. Bertrand Russell
সঠিক উত্তর:
Bertrand Russell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bertrand Russell
ব্যাখ্যা

The philosophical book "The Analysis of Mind" was written by - Bertrand Russell.
- এটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়।
- বইটিতে Bertrand Russell মানুষের মন, চেতনা, এবং অভিজ্ঞতা কীভাবে গঠিত হয় তা বিশ্লেষণ করেছেন।

 Bertrand Russell
- He was born in May,18 1872 in Trelleck village in Wales.
- তার পুরো নাম হলো Bertrand Arthur William Russell/ 3rd Earl Russell.
- তার পিতা একজন রাজনীতিবিদ এবং ১৮৪৬ থেকে ১৮৫২ পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি পড়াশোনো করেছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিনিটি কলেজে।
- তিনি সেখানে দর্শন ও গণিত অধ্যয়ন করেন।
- সমাজ সংস্কারক হিসেবেও অবদান রেখেছেন।
- তিনি দর্শনের Analytic Movement এর প্রবর্তক।
- Logic, Epistemology এবং Philosophy of Mathematics এ তার অবদান অবিস্মরণীয়।
- ১৯৫০ সালে এই দার্শনিক, সাহিত্যে নোবেল পান।

 Best Works:
- Mysticism and Logic (1918),
- The Analysis of Mind (1921),
- The Philosophy of Logical Atomism.
- History of Western Philosophy,
- The Proposed Roads to Freedom,
- The Analysis of Matter,
- Authority and Individual,
- Marriage and Morals,
- A Free Man’s Worship,
- Why I Am Not a Christian and Power: A New Social Analysis.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.

১৪.
The lines "How many goodly creatures are there here! How beauteous mankind is! O brave new world" are written by -
  1. Christopher Marlowe
  2. William Shakespeare
  3. Ben Jonson
  4. John Milton
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Shakespeare
ব্যাখ্যা

The lines "How many goodly creatures are there here! How beauteous mankind is! O brave new world" are written by - William Shakespeare.
- এটি তার comedy (play) The Tempest থেকে নেয়া।

The Tempest
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- The Tempest হচ্ছে William Shakespeare এর last work বা Swan Song.
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

Main Characters
- Prospero (Duke),
- Miranda (Heroine),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Caliban (Supernatural creature - bad in character),
- Antonio (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo ইত্যাদি।

সার-সংক্ষেপ:
- এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.

Some quotations from The Tempest
- Hell is empty and all the devils are here.
- We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.
- This thing of darkness, I acknowledge mine.
- Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.
- Misery acquaints a man with strange bedfellows.

William Shakespeare
- Born: April 26, 1564, Stratford-upon-Avon, England.
- Death: April 23, 1616, Stratford-upon-Avon.
- Shakespeare was also spelled Shakspere.
- Byname: Bard of Avon or Swan of Avon.
- He was an English poet, dramatist, and actor.
- He was often called the English national poet and considered by many to be the greatest dramatist of all time.
- Shakespeare wrote 37 Plays.

Notable works:
Tragedy
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

Tragi-comedy
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure,

Comedy
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,

Historical play
- Julius Caesar (Tragedy + Historical),
- Henry IV Part I,
- Henry IV Part II,
- Henry V,
- Henry VI Part I,
- Henry VI Part II,
- Henry VI Part III,
- Henry VIII,
- King John,
- Richard II,
- Richard III

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.

১৫.
He refused _______ the question during the meeting, even when the manager insisted and all his colleagues were waiting for his response.
  1. answered
  2. answering
  3. to be answer
  4. to answer
সঠিক উত্তর:
to answer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to answer
ব্যাখ্যা

• কিছু Verb আছে যেগুলোর পর যদি আরেকটি Verb ব্যবহার করতে হয়, তাহলে Infinitive (to+verb) ব্যবহার করতে হবে,
- Verb এর সাথে Verb+ing ব্যবহার করা যাবে না।

Verb গুলো হচ্ছে:
- agree,
- want,
- arrange,
- decide,
- demand,
- require,
- forget,
- propose,
- manage,
- refuse,
- ask, etc.

Correct Answer: He refused to answer the question during the meeting, even when the manager insisted and all his colleagues were waiting for his response.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৬.
Adequate sleep is conducive to ________ (enhance) memory and learning.
  1. enhance
  2. enhanced
  3. enhancing
  4. enhances
সঠিক উত্তর:
enhancing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
enhancing
ব্যাখ্যা

সাধারণত to এর পর Verb এর base form হলেও কিছু কিছু শব্দগুচ্ছ সমূহের পর verb+ing হয়

শব্দগুচ্ছ সমূহ হলো:
- With a view to,
- With an eye to,
- Accustomed to,
- Adhere to,
- Adverse to,
- Addicted to,
- Committed to,
- Confess to,
- Devoted to,
- Look forward to,
- Conducive to,
- Addicted to,
- Be used to,
- Get used to

Correct Sentence: Adequate sleep is conducive to enhancing memory and learning.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৭.
I met a girl who speaks three languages fluently.
Here, the underlined clause is a/ an -
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Prepositional Clause
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective Clause
ব্যাখ্যা

Adjective clause:
- যে Subordinate Clause কোনো Noun বা Pronoun এর পরে বসে ঐ Noun বা Pronoun কে modify করে তাকে Adjective Clause বলে।
- অর্থাৎ Noun এর Post Modifier হিসাবে Adjective clause বসে।

• Adjective Clause দুইটি স্থানে বসতে পারে
01. Noun এর post modifier. (subject + verb + noun + adjective clause).
02. Subject (Noun)এর post modifier. (Noun + adjective clause + verb + object).

উল্লিখিত Sentence এ 'who speaks three languages fluently' হচ্ছে Adjective Clause. কারণ প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে Noun (a girl) এর Post modifier হিসেবে এটি Adjective Clause

Correct Answer: I met a girl who speaks three languages fluently. Here, the underlined clause is - Adjective Clause.

Note
- Adjective clause কে Relative clause ও বলা হয়ে থাকে।
- Relative clause গুলো সাধারণত Relative pronoun (যেমন: that, who, whose, whom, which, why, when) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়।
- তবে মনে রাখতে হবে, who এবং which দ্বারা গঠিত clause টি যদি Cause or Purpose বোঝায় তবে সেটি Adverbial Clause হিসেবে বিবেচিত হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

১৮.
৫ জন শ্রমিক ৬ দিনে ৮ বিঘা জমির ফসল উঠাতে পারে। ২০ বিঘা জমির ফসল উঠাতে ২৫ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?
  1. ৩ দিন
  2. ৪ দিন
  3. ৫ দিন
  4. ৬ দিন
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ দিন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫ জন শ্রমিক ৬ দিনে ৮ বিঘা জমির ফসল উঠাতে পারে। ২০ বিঘা জমির ফসল উঠাতে ২৫ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?

সমাধান:
৮ বিঘা জমির ফসল উঠাতে ৫ জনের লাগে ৬ দিন
৮ বিঘা জমির ফসল উঠাতে ১ জনের লাগে   (৫ × ৬) দিন
১  বিঘা জমির ফসল উঠাতে ১ জনের লাগে (৫ × ৬)/৮ দিন
২০  বিঘা জমির ফসল উঠাতে  ২৫  জনের লাগে (৫ × ৬ × ২০)/(৮ × ২৫) দিন
= ৩ দিন।

১৯.
একটি বইয়ের মূল্য 24 টাকা। এই মূল্য প্রকৃত মূল্যের 80%। বাকি মূল্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে থাকেন। সরকার প্রতি বইয়ে কত টাকা ভর্তুকি দেন?
  1. 2 টাকা
  2. 4 টাকা
  3. 6 টাকা
  4. 8 টাকা
সঠিক উত্তর:
6 টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বইয়ের মূল্য 24 টাকা। এই মূল্য প্রকৃত মূল্যের 80%। বাকি মূল্য সরকার ভর্তুকি দিয়ে থাকেন। সরকার প্রতি বইয়ে কত টাকা ভর্তুকি দেন?

সমাধান:
বাজার মূল্য = প্রকৃত মূল্যের 80%

আমরা জানি,
p = br
এখানে,
p = 24 টাকা এবং r = 80% = 80/100

∴ 24 = b × r
বা, b = 24/r
বা, b = 24/(80/100)
বা, b = (24 × 100)/80
∴ b = 30
সুতরাং বইয়ের প্রকৃত মূল্য 30 টাকা
∴ ভর্তুকি মূল্য = (30 - 24) = 6 টাকা।

২০.
f(x) = x2 - 4x + 4 হলে, f(2) এর মান নিচের কোনটি?
  1. 0
  2. - 1
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(x) = x2 - 4x + 4 হলে, f(2) এর মান নিচের কোনটি?

সমাধান:
f(x) = x2 - 4x + 4 
∴ f(2) = 22 - 4.2 + 4
= 4 - 8 + 4
= 8 - 8
= 0

২১.
12 থেকে 96 পর্যন্ত কয়টি সংখ্যা 4 দ্বারা বিভাজ্য?
  1. 21
  2. 22
  3. 23
  4. 24
সঠিক উত্তর:
22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 12 থেকে 96 পর্যন্ত কয়টি সংখ্যা 4 দ্বারা বিভাজ্য?

সমাধান:
প্রথম পদ 12, শেষ পদ 96, সাধারণ অন্তর 4

∴ পদ সংখ্যা = {(শেষ পদ - ১ম পদ)/ সাধারণ অন্তর} + 1
= {(96 - 12)/4} + 1
= (84/4) + 1
= 21 + 1
= 22

২২.
যে চতুর্ভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু অসমান তাকে কী বলে?
  1. আয়তক্ষেত্র
  2. বর্গক্ষেত্র
  3. সামান্তরিক
  4. ট্রাপিজিয়াম
সঠিক উত্তর:
ট্রাপিজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাপিজিয়াম
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যে চতুর্ভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু অসমান তাকে কী বলে?

সমাধান:
ট্রাপিজিয়াম: যে চতুর্ভুজের দুটি বাহু পরস্পর সমান্তরাল কিন্তু অসমান অর্থাৎ সমান নয় তাকে ট্রাপিজিয়াম বলে।

ট্রাপিজিয়ামের বৈশিষ্ট্য:

- ট্রাপিজিয়ামের দুইটি বাহু সমান্তরাল।
- সমান্তরাল বাহু দুইটি কখনও সমান হতে পারে না।
- সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি বলে।
- সমান্তরাল বাহু দুটি ব্যতীত অপর দুটি বাহুকে তীর্যক বাহু বলে।
- তীর্যক বাহু দুইটি সমান হলে উহা একটি সমদ্বিবাহু ট্রাপিজিয়াম।

২৩.
নিচের কোন প্রাণীটি পরস্পরের সাথে যোগাযোগের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে থাকে?
  1. মানুষ
  2. তিমি
  3. ইঁদুর
  4. কুকুর
সঠিক উত্তর:
তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিমি
ব্যাখ্যা

- মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- তিমি পরস্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান-প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে
- বলা হয়, শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
নিচের কোনটি উভলিঙ্গ ফুল?
  1. কুমড়া
  2. লাউ
  3. পেঁপে
  4. ধুতুরা
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
ব্যাখ্যা

- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল। যেমন: গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন: কুমড়া, পেঁপে, লাউ। আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
সাম্প্রতিক সময়ে কোন বাংলাদেশি 'উইমেন ইন ডিপ্লোম্যাসি' (Women in Diplomacy) পুরস্কার পেয়েছেন?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. রাবাব ফাতিমা
  2. আবিদা ইসলাম
  3. সাঈদা মুনা তাসনিম
  4. শাহীন আনম
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবিদা ইসলাম
ব্যাখ্যা

• ‘Women in Diplomacy' award :
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
-বাংলাদেশ হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম যে ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি হচ্ছে 'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি'।
অন্যদিকে,
-  বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজা তৃতীয় চার্লস শাহীন আনামকে অনারারি এমবিই খেতাবের জন্য মনোনীত করেছিলেন।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

২৬.
গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।

২৭.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কোন দেশের অধিবাসী?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ব্রাজিল
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: আনালেনা বায়েরবোক( জার্মানি)।( সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী। 

উৎস: UN General Assembly, DW News।

২৮.
আন্তর্জাতিক নারী দিবস কোনটি?
  1. ৫ মার্চ

  2. ৮ মার্চ

  3. ৯ এপ্রিল

  4. ১৪ সেপ্টেম্বর

সঠিক উত্তর:
৮ মার্চ

উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মার্চ

ব্যাখ্যা

 বিভিন্ন দিবস:

- বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয় ২০ জুন।
- আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস ৫ জুন।
- বিশ্ব নারী দিবস ৮ মার্চ।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল।
- বিশ্ব প্রাণী দিবস ৪ অক্টোবর।
- বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ১১ জুলাই।
- বিশ্ব সমুদ্র দিবস ৮ জুন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৯.
'আবু মুসা দ্বীপ' নিয়ে কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. ইরাক - ইরান
  2. ইরান - ওমান
  3. ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইরান ও কাতার
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান - সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

• 'আবু মুসা দ্বীপ':
- 'আবু মুসা দ্বীপ' অবস্থিত পারস্য উপসাগরে।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল পূর্বে, বান্দার-ই লেঙ্গেহ ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর থেকে প্রায় ৪২ মাইল দক্ষিণে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল পূর্বে অবস্থিত।
- এই দ্বীপে বেশ কয়েকটি মিঠা পানির কূপ রয়েছে 
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে। 
- বর্তমানে দ্বীপটি ইরানের দখলে রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ডট কম।

৩০.
ইংরেজরা উপমহাদেশে তাদের প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে কোথায়?
  1. কালিকট
  2. সুরাট
  3. হুগলি
  4. আগ্রা
সঠিক উত্তর:
সুরাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরাট
ব্যাখ্যা

• ইংরেজ:
- ইংল্যান্ডের একদল বণিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে একটি বণিক সংঘ গড়ে তোলে।
- বণিক সংঘটি ১৬০০ সালে রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি প্রাচ্যে একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে।
- এই সনদপত্র নিয়ে কোম্পানির প্রতিনিধি বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের আশায় আকবরের দরবারে হাজির হন।
- এরপর ক্যাপ্টেন হকিন্স ১৬০৮ সালে রাজা প্রথম জেমসের সুপারিশপত্র নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- তাঁর অনুমতি নিয়ে ১৬১২ সালে সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপিত হয়।
- পরবর্তীকালে ১৬১৫ সালে প্রথম জেমসের দূত হয়ে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন স্যার টমাস রো।
- সম্রাটের কাছ থেকে তিনি ইংরেজদের জন্য বাণিজ্যিক সুবিধা আদায় করে নেন।
- কোম্পানি সুরাট, আগ্রা, আহমেদাবাদ প্রভৃতি স্থানে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে তাদের ভিত্তি মজবুত করে।
- কোম্পানি দ্বিতীয় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে মসলিপট্টমে।
- এরপর বাংলার বালাসোরে আরেকটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- তাদের শক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকলে তারা করমণ্ডল (মাদ্রাজ শহর) উপকূলে একটি দুর্গ নির্মাণ করতে সক্ষম হয়।
- বাংলার সুবাদার শাহ সুজার অনুমোদন লাভ করে তারা ১৬৫৮ সালে হুগলিতে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এভাবে কোম্পানি কাশিমবাজার, ঢাকা, মালদহেও বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।

৩১.
নিচের কোন দেশটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল না?
  1. Cayman Island
  2. Gibraltar
  3. Saint Helena
  4. New Caledonia
সঠিক উত্তর:
New Caledonia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
New Caledonia
ব্যাখ্যা

New Caledonia ফ্রান্সের উপনিবেশ এবং বর্তমানে ফরাসি ওভারসিজ টেরিটরি।

অন্যদিকে,
• Cayman Island, Gibraltar ও Saint Helena সবাই ব্রিটিশ উপনিবেশ বা Overseas Territories ছিল/আছে।

• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ গঠনের ধারণা নেওয়া হয় ১৯২৬ সালে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- ব্রিটিশ উপনিবেশে না কিন্তু কমনওয়েলথ সদস্য দেশসমূহ যথা- মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, গ্যাবন ও টোগো।
- পাকিস্তান ১৯৭২ সালে ত্যাগ করে আবার ১৯৮৯ সালে যোগ দেয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৬১ সালে ত্যাগ করে ১৯৯৪ সালে যোগ দেয়।
- বর্তমানে কমনওয়েলথের সদস্য -৫৬টি। [আগস্ট, ২০২৫]।
- কমনওয়েলথ এর ৫৫ তম দেশ: গ্যাবন।
- কমনওয়েলথ এর ৫৬ তম দেশ: টোগো।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।

উৎস: ব্রিটানিকা ও কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট।

৩২.
বেঙ্গল প্যাক্ট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯০৯ সালে 
  2. ১৯১১ সালে 
  3. ১৯১৩ সালে 
  4. ১৯২৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে 
ব্যাখ্যা

 • বেঙ্গল প্যাক্ট:
- বেঙ্গল প্যাক্ট একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে সম্পাদিত হয়েছিল। 
- চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এই চুক্তিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- চুক্তিটি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির ১৯২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখের সভায়ও অনুমোদন লাভ করে।
• চুক্তিটির বিভিন্ন শর্ত ছিল নিম্নরূপ:
১. বঙ্গীয়-আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচক মন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
২. স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা  ৪০ ভাগ।
৩. সরকারি চাকরির শতকরা পঞ্চান্ন ভাগ পদ পাবে মুসলমান সম্প্রদায় থেকে। যতদিন ঐ অনুপাতে না পৌঁছানো যায়, ততদিন মুসলমানরা পাবে শতকরা আশি ভাগ পদ এবং বাকি শতকরা কুড়ি ভাগ পাবে হিন্দুরা।
৪. কোন সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫ শতাংশের সম্মতি ব্যতিরেকে এমন কোন আইন বা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা যাবে না, যা ঐ সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বার্থের পরিপন্থী।
৫. মসজিদের সামনে বাদ্যসহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।
৬.  আইন সভায় খাদ্যের প্রয়োজনে গো-জবাই সংক্রান্ত কোন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না এবং আইন সভার বাইরে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সমঝোতা আনার প্রচেষ্টা চালানো অব্যাহত থাকবে। এমনভাবে গরু জবাই করতে হবে যেন তা হিন্দুদের দৃষ্টিতে পড়ে তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে।  ধর্মীয় প্রয়োজনে গরু জবাইয়ের ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া 

৩৩.
'The Art of Triumph' একটি-
  1. গ্রন্থ
  2. চিত্রকর্ম
  3. স্থাপনা
  4. ড্রোন শো
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• The Art of Triumph:
- The Art of Triumph হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার গ্রাফিতি চিত্রগুলোর একটি সংকলন, যা এই আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি এবং প্রতিরোধের এক শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করে।
- এটি শিক্ষার্থীদের আঁকা বিভিন্ন গ্রাফিতি চিত্রের একটি বই যা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিকে তুলে ধরে।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (July Shaheed Smriti Foundation) এই সংকলনটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্বে ছিল। 

উৎস: The Art of Triumph গ্রন্থ ও টিবিএস নিউজ।

৩৪.
“Equity sees that as done which ought to be done” – maxim টি The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Section 8
  2. Section 9
  3. Section 12
  4. Section 19
সঠিক উত্তর:
Section 12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 12
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত এমনভাবে বিবেচনা করে যে যা করা উচিত তা ইতোমধ্যে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ধারা ১২ এর প্রধান বিষয়।
⇒ ধারা ১২ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি পক্ষ চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে। এই ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে বাধ্য এবং যা করা উচিত তা পূরণ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বিক্রেতা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এই ক্ষেত্রে এই ম্যাক্সিম অনুসরণ করে চুক্তিটি পূরণ করা উচিত বলে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতাকে তা পালনে বাধ্য করে।
ধারা ১২ এর উপ-ধারাগুলো (১২(বি), ১২(সি), ১২(ডি)) এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তির আংশিক পালন বা ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, যেখানে “equity looks to the substance of the contract” এর নীতি প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ধারা ৮: এই ধারাটি স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ হলে দখল ফিরিয়ে পেতে পারে। এটি সুনির্দিষ্ট পালন বা এই ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
খ) ধারা ৯: এই ধারাটি বলে যে সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করা যাবে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।
ঘ) ধারা ১৯: এই ধারাটি চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির বিষয়ে আলোচনা করে। যদিও এটি ন্যায়বিচারের নীতির সাথে সম্পর্কিত, তবে এটি “equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কারণ এটি ক্ষতিপূরণের উপর ফোকাস করে, সুনির্দিষ্ট পালনের উপর নয়।

⇒ বাংলাদেশে, ধারা ১২ এর অধীনে এই ম্যাক্সিমটি বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়, ইজারা চুক্তি, বা অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার নয়।
অর্থাৎ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত, কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালন নিশ্চিত করার জন্য ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে। এই ধারাটি বাংলাদেশের আদালতে চুক্তি সম্পর্কিত বিরোধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩৫.
‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে এবং সেখানে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘Q’ এই মুনাফার দাবি করে। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন ধারায় ‘Q’ এর দাবির বিষয়টি সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা 2(8)
  2. ধারা 2(10)
  3. ধারা 2(12)
  4. ধারা 2(15)
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 2(12)
ব্যাখ্যা

⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা 2(12)-এ "মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits)" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা অর্জিত হয় বা সাধারণ বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারতো, সুদসহ তা মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে গণ্য হয়। তবে, বেআইনী দখলদারের উন্নয়নের ফলে অর্জিত মুনাফা এর অন্তর্ভুক্ত হয় না।
- এই ক্ষেত্রে, ‘P’ বেআইনীভাবে ‘Q’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করেছে, তাই ‘Q’ ধারা 2(12)  তে সংজ্ঞায়িত মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবি করতে পারে।

 ⇒The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৩৬.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে কত দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

→ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না থাকে, তবে আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যাবে।
→ অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা -১৪ দিন।

→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

৩৭.
‘A’ একটি মামলায় দাবি করে যে একটি ডিজিটাল রেকর্ডে তার স্বাক্ষর জাল। ‘A’ মৌখিকভাবে বলে যে ডিজিটাল রেকর্ডটি তার নয়। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই মৌখিক বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২২ক
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২ক
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২২ক (22A) অনুসারে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত মৌখিক স্বীকারোক্তি তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যখন ডিজিটাল রেকর্ডের সত্যতা (genuineness) প্রশ্নবিদ্ধ। এখানে ‘A’ দাবি করছে যে ডিজিটাল রেকর্ডে তার স্বাক্ষর জাল, অর্থাৎ রেকর্ডের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তাই তার মৌখিক বক্তব্য, “ডিজিটাল রেকর্ডটি আমার নয়,” ধারা ২২ক-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ২২ক ধারার বিধান: যখন ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক:-দাখিলকৃত ডিজিটাল রেকর্ডের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন প্রশ্ন উত্থাপন না হলে, ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু হিসাবে মৌখিক স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক নয়।
-------------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 22A: When oral admissions as to contents of digital records are relevant: Oral admissions as to the contents of digital records are not relevant, unless the genuineness of the digital record produced is in question.

৩৮.
‘X’ একটি মামলায় তার লিখিত জবাব (Written Statement) সংশোধন করতে চায়। The Code of Civil Procedure, 1908-এর কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে লিখিত জবাব সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হয়?
  1. আদেশ ৭, বিধি ১১
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৭
  3. আদেশ ৮, বিধি ৬
  4. আদেশ ১৬, বিধি ৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৭
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর আদেশ ৬, বিধি ১৭ (Order 6, Rule 17) প্লিডিংস (Pleadings) সংশোধনের বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। প্লিডিংস বলতে আরজি (Plaint) এবং লিখিত জবাব (Written Statement) উভয়ই বোঝায়। এই বিধি অনুসারে, কোনো পক্ষ মামলার যেকোনো পর্যায়ে আদালতের অনুমতি নিয়ে তাদের প্লিডিংস সংশোধন করতে পারে, যদি এই সংশোধন মামলার ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজনীয় হয় এবং অন্য পক্ষের উপর অযৌক্তিক ক্ষতি না করে।

- অর্থাৎ ‘X’ যদি তার লিখিত জবাব সংশোধন করতে চায়, তবে তাকে আদেশ ৬, বিধি ১৭ অনুসারে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। এই বিধি প্লিডিংস সংশোধনের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে প্রযোজ্য, এবং আদালত এই সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা ও ন্যায়বিচারের বিষয় বিবেচনা করে অনুমতি প্রদান করে।

৩৯.
‘A’ এবং ‘B’ একটি মামলায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য আবেদন করে। দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুসারে, ‘A’ এবং ‘B’ মামলার মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(৪) অনুসারে, মধ্যস্থতার জন্য মধ্যস্থতাকারী (Mediator) নিয়োগের বিষয়ে পক্ষগণকে ১০ দিনের মধ্যে আদালতকে লিখিতভাবে জানাতে হবে। যদি পক্ষগণ এই সময়ের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয়, তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে জেলা জজ কর্তৃক প্রস্তুত প্যানেল থেকে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে। উক্ত সময়ের মধ্যে না পারলে আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিবে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে।
- নিয়োগ দেওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করবে। তাও সম্পন্ন না হলে আরও ৩০ দিন বাড়াবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে।
- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবেন।
- সোলে ডিক্রি এর বিরুদ্ধে কোনো আপিল কিংবা রিভিশন করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৪০.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, জেলা জজ কার সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের প্যানেল প্রস্তুত করবেন?
  1. সরকারের আইন মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি
  3. হাইকোর্ট বিভাগের প্রধান বিচারপতি
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

৪১.
‘C’ একটি চুক্তি লঙ্ঘনের মামলায় ক্ষতিপূরণ দাবি করে এবং তার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রমাণ করতে ব্যবসায়িক লেনদেনের নথি পেশ করে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই নথিগুলো প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হবে?
  1. ধারা ৮
  2. ধারা ৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ১২ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণের মামলায় যে তথ্য আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করে, তা প্রাসঙ্গিক হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে ‘C’-এর পেশ করা ব্যবসায়িক লেনদেনের নথি আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সহায়ক, তাই এটি ধারা ১২-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক।
- অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ধারা ৮: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, বা আচরণ সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।
ধারা ৯: পরিচয়, সময়, বা স্থান নির্ধারণে সহায়ক তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করে।
ধারা ১৪: মানসিক অবস্থা, উদ্দেশ্য, বা জ্ঞান সম্পর্কিত তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা নির্ধারণ করে।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।
অর্থাৎ সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
------------ 
⇒The Evidence Act,1872, Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
 In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.

৪২.
The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯ক অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে কী হবে?
  1. পক্ষগণকে জরিমানা দিতে হবে
  2. মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হয়ে যাবে
  3. একই বিচারক মামলার শুনানি চালিয়ে যাবেন
  4. মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
সঠিক উত্তর:
মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে শুনানির জন্য পাঠানো হবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-এর ধারা ৮৯এ(৯) অনুসারে, যদি আদালত নিজে মধ্যস্থতা (Mediation) করে এবং তা ব্যর্থ হয়, তবে একই বিচারক, যিনি মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিয়েছিলেন, মামলার শুনানি চালিয়ে যেতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে, মামলাটি অন্য একটি যোগ্য আদালতে (Competent Jurisdiction) শুনানির জন্য পাঠানো হবে। এটি নিশ্চিত করে যে মামলার শুনানি নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয় এবং মধ্যস্থতার প্রক্রিয়ার গোপনীয়তা রক্ষা পায়।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Section-89A: Mediation: 
(9) When a mediation initiative led by the Court itself fails to resolve the dispute or disputes in the suit, the same court shall not hear the suit, if the Court continues to be presided by the same judge who led the mediation initiative; and in that instance, the suit shall be heard by another court of competent jurisdiction.

৪৩.
‘A’ নামক একজন ব্যক্তি ‘B’-এর কাছে জমি ভাড়া দেয় এবং ‘B’ চুক্তি করে যে সে জমি থেকে বালি বা নুড়ি খনন করবে না। ‘B’ এই চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন শুরু করে। এই ক্ষেত্রে ‘A’ কী করাতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল করতে পারে।
  2. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
  3. নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
  4. কোনো আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবে না।
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারে।
ব্যাখ্যা

⇒ Specific Relief Act, 1877-এর Section 54-এর Illustration (a) অনুযায়ী, যদি 'A' 'B'-কে জমি ভাড়া দেয় এবং 'B' চুক্তি লঙ্ঘন করে বালি বা নুড়ি খনন শুরু করে, তাহলে 'A' আদালতের কাছে একটি Perpetual Injunction (চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) মামলা করতে পারে। এই Injunction-এর মাধ্যমে 'B'-কে চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করা থেকে বিরত রাখা হবে। এটি চুক্তিভঙ্গ রোধ করার একটি প্রতিকার।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৪ ধারার বিধান চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়। এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 54 Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.
Explanation - For the purpose of this section a trademark is property.

৪৪.
‘A’ একজন প্রতিনিধি হিসেবে ‘B’-এর জন্য কাজ করে। ‘A’ অবহেলার কারণে ‘B’-এর সম্পত্তির ক্ষতি করে। ‘B’ এই অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে কত তারিখ পর্যন্ত?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৮
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ৯০ অনুসারে, মালিক কর্তৃক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অবহেলা বা অসদাচরণের মামলার সময়সীমা হলো ৩ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় যখন বাদী অবহেলা বা অসদাচরণের বিষয়টি জানতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’ অবহেলার বিষয়টি ১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে জানতে পারে। সুতরাং, ৩ বছরের সময়সীমা গণনা করে, ‘B’ মামলা দায়ের করতে পারে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত।

 

৪৫.
‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে একটি পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। ‘Z’ এর সম্মতি ছাড়াই এটি করে। দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর কোন ধারা অনুসারে ‘A’ অপরাধী হবে?
  1. ধারা ৩৪৯
  2. ধারা ৩৫০
  3. ধারা ৩৫১
  4. ধারা ৩৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫০
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৫০ অনুসারে, কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করা, যদি এটি অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে বা আঘাত, ভয় বা বিরক্তি সৃষ্টির জন্য হয়, তবে তা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ বলে গণ্য হয়। এখানে, ‘A’ ইচ্ছাকৃতভাবে ‘Z’-এর দিকে পাথর নিক্ষেপ করে, জেনে যে এটি ‘Z’-এর শরীর বা পোশাকে লাগতে পারে এবং তাকে ভয় দেখাতে পারে। এটি ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
- সুতরাং, ‘A’ ধারা ৩৫০-এর অধীনে অপরাধী হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার বিধান অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:- কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ:
(ক) চ নদীতে নোঙ্গর করা একটি নৌকাতে বসে আছে। ক নোঙ্গর তুলে দিল এবং এইভাবে ইচ্ছাপূর্বক নৌকাটিকে নদীতে ভেসে যেতে দিল। এখানে ক ইচ্ছাকৃতভাবে চ-তে গতি সঞ্চার করল, এবং তা করল একটি বস্তুকে এমনভাবে সঞ্চালিত করে, যে বস্তুটি সঞ্চালনের পর কোন ব্যক্তির অন্যকোন কাজ ব্যতীতই উহাতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। সুতরাং ক-ইচ্ছাকৃতভাবে চ-এর উপর বল প্রয়োগ করেছে এবং ক যদি এটা চ-এর সম্মতি ব্যতীত করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয় কোন অপরাধ অনুষ্ঠান করা, অথবা সে যদি এইরূপ উদ্দেশ্য নিয়ে বা এইরূপ জানা সত্ত্বেও কার্যটি করে থাকে যে, চ জখম, বিরক্তি বা ভীতিগ্রস্ত হতে পারে, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 350: Criminal force:
-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other. 
 
Illustration:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z. 
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z. 
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z. 

৪৬.
‘A’ একটি সম্পত্তির মালিক এবং ‘B’ তার নিচের মাটির মালিক। ‘B’ কয়লা খনন করে, যার ফলে কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষতি হয় না, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। এই ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদি সময় কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. যখন ‘B’ কয়লা বিক্রি করে।
  2. যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
  3. যখন কয়লা খনন শুরু হয়।
  4. যখন ‘A’ মামলা দায়ের করে।
সঠিক উত্তর:
যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যদি কোনো কাজের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কারণে মামলার কারণ (cause of action) সৃষ্টি না হয় এবং নির্দিষ্ট ক্ষতি প্রকাশ পাওয়ার পরই মামলার কারণ সৃষ্টি হয়, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন সেই ক্ষতি প্রকাশ পায়। প্রশ্নে বলা হয়েছে, ‘B’-এর কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু পরে মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়। সুতরাং, তামাদি সময় গণনা শুরু হবে যখন মাটির পৃষ্ঠ ধসে যায়, কারণ এই সময়েই ক্ষতি প্রকাশ পায় এবং মামলার কারণ সৃষ্টি হয়।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
-----------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

৪৭.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় 'Doctrine of Transfer of Malice' নীতির প্রতিফল হয়েছে?
  1. ২৯৯ ধারা
  2. ৩০০ ধারা
  3. ৩০১ ধারা
  4. ৩০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০১ ধারা
ব্যাখ্যা

'Doctrine of Transfer of Malice' নীতি দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কাজ করে যা মৃত্যু ঘটানোর উদ্দেশ্যে বা মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে জেনে করা হয়, কিন্তু তার ফলে অন্য কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে (যার মৃত্যু উদ্দেশ্য বা জ্ঞাত ছিল না), তবে অপরাধী শাস্তিযোগ্য নরহত্যার জন্য দায়ী হবে। এই নীতি মূলত উদ্দেশ্য বা মনোভাবের স্থানান্তর (Transfer of Malice) বোঝায়, যেখানে অপরাধীর দুরভিসন্ধি এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুন মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যে-রূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৪৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 173A অনুযায়ী, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা পুলিশ সুপার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-এর ধারা ১৭৩A (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপার সঠিক উত্তর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

৪৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ অনুসারে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত?
  1. ৫,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ এর কয়েকটি উপ-ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (frivolous or vexatious) অভিযোগের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিচে সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (১): সংশোধনীর মাধ্যমে এই উপ-ধারায় "false and either frivolous or vexatious" শব্দগুলির পর "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য জরিমানা আরোপ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (২): এই উপ-ধারায় জরিমানার পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, যদি অভিযোগকারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানার পরিবর্তে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা যাবে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫): এই উপ-ধারায় উল্লেখিত জরিমানার পরিমাণ পূর্বে ৩,০০০ টাকা ছিল, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ১,০০,০০০ টাকা (এক লাখ টাকা) করা হয়েছে। এটিই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
 
অর্থাৎ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫) অনুসারে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ১,০০,০০০ টাকা। এটি সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৫,০০০ টাকা, ২৫,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা) ধারা ২৫০ এর বিভিন্ন উপ-ধারায় উল্লিখিত জরিমানার সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্রশ্নটি সর্বোচ্চ জরিমানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে, তাই উপ-ধারা (৫) এর ১,০০,০০০ টাকাই সঠিক উত্তর।

 ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding one lac taka.

৫০.
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

৫১.
‘B’ একটি মামলায় অভিযুক্ত যে সে ‘C’-কে হত্যা করেছে। ‘C’ মৃত্যুর আগে তার বন্ধুকে বলেছিল, “ ‘B’ আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে।” সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসারে এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. ধারা ৩২(১)
  2. ধারা ৩২(২)
  3. ধারা ৩২(৩)
  4. ধারা ৩২(৫)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩২(১)
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২(১) অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যিনি মৃত, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, বা যার উপস্থিতি অযৌক্তিক বিলম্ব বা খরচ ছাড়া সম্ভব নয়, তার লিখিত বা মৌখিক বক্তব্য তখনই প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য, যদি বক্তব্যটি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত ঘটনার পরিস্থিতি সম্পর্কিত হয় এবং মামলায় মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই বক্তব্য প্রাসঙ্গিক থাকে, সে সময় ব্যক্তি মৃত্যুর প্রত্যাশায় ছিলেন কি না তা বিবেচ্য নয়।
→ এখানে ‘C’ মৃত্যুর আগে তার বন্ধুকে বলেছিল, “ ‘B’ আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে।” এই বক্তব্য সরাসরি তার মৃত্যুর কারণ (ছুরি দিয়ে আঘাত) সম্পর্কিত এবং মামলায় ‘C’-এর মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ। তাই এই বক্তব্য ধারা ৩২(১)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
→ ধারা ৩২(২): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বা পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় লিখিত হয়, যেমন ব্যবসায়িক খাতায় এন্ট্রি বা পেশাগত নথি। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সাথে সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা ৩২(৩): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য তার আর্থিক বা সম্পত্তিগত স্বার্থের বিরুদ্ধে যায় বা তাকে ফৌজদারি মামলা বা ক্ষতিপূরণের মামলায় দায়ী করতে পারে। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নয়, বরং তার মৃত্যুর কারণ বর্ণনা করে, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
→ ধারা ৩২(৫): এই ধারা প্রাসঙ্গিক যখন মৃত ব্যক্তির বক্তব্য রক্ত, বিবাহ বা দত্তক সম্পর্ক সম্পর্কিত হয় এবং বক্তব্যদাতার বিশেষ জ্ঞান থাকে। এখানে ‘C’-এর বক্তব্য সম্পর্ক সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রযোজ্য নয়।
⇒ অর্থাৎ ‘C’-এর বক্তব্য তার মৃত্যুর কারণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত এবং মামলায় মৃত্যুর কারণ প্রশ্নবিদ্ধ, তাই ধারা ৩২(১)-এর অধীনে এটি প্রাসঙ্গিক।

৫২.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬ এ কী পরিবর্তন করা হয়েছে?
  1. “Summons” থেকে “Warrant” করা হয়েছে
  2. “Bailable” থেকে “Not bailable” করা হয়েছে
  3. “Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
  4. “Compoundable” থেকে “Not compoundable” করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
“Not compoundable” থেকে “Compoundable” করা হয়েছে
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুযায়ী, SCHEDULE II এর এন্ট্রি ১৪৩ (দণ্ডবিধির ধারা ১৪৩ - অবৈধ সমাবেশের সদস্য হওয়া) এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রি “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) থেকে “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য) এ পরিবর্তন করা হয়েছে। এর অর্থ হল, এই অপরাধটি এখন আক্রান্ত পক্ষের সাথে সমঝোতা (compromise) করার মাধ্যমে আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা যাবে।

⇒  Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ২৭(ক) অনুসারে, The Code of Criminal Procedure, 1898 এর SCHEDULE II এর কলাম ১-এ উল্লিখিত এন্ট্রি ১৪৩-এর বিপরীতে কলাম ৬-এর এন্ট্রিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন করা হয়েছে: 
⇒  পূর্বে: “Not compoundable” (অ-মীমাংসাযোগ্য) → সংশোধনীর পর: “Compoundable” (মীমাংসাযোগ্য)

 ⇒  এন্ট্রি ১৪৩ এর প্রেক্ষাপট:
- এন্ট্রি ১৪৩ The Penal Code, 1860 এর ধারা ১৪৩-এর সাথে সম্পর্কিত, যা অবৈধ সমাবেশে অংশগ্রহণ (Being a member of an unlawful assembly) অপরাধকে নির্দেশ করে। এই অপরাধের জন্য শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানা, অথবা উভয়ই।
SCHEDULE II এর কলাম ৬ এই অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (compoundable) কি না তা নির্দেশ করে। মীমাংসাযোগ্য অপরাধ বলতে এমন অপরাধ বোঝায় যেখানে অভিযোগকারী এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়।

সংশোধনীর বিবরণ:

→ পূর্বের অবস্থা: এন্ট্রি ১৪৩-এর ক্ষেত্রে কলাম ৬-এ উল্লেখ ছিল “Not compoundable”, অর্থাৎ এই অপরাধটি সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যেত না।
→ সংশোধনীর পর: Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে এটি “Compoundable” করা হয়েছে। এর ফলে, এই অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগকারী (যিনি অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন) এবং আসামির মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।এই পরিবর্তনটি ধারা ৩৪৫-এর সংশোধনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে বলা হয়েছে যে ধারা ১৪৩-এর অপরাধ “The person against whom the unlawful assembly was assembled” (অবৈধ সমাবেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তি) দ্বারা মীমাংসাযোগ্য।

৫৩.
দণ্ডবিধির কোন ধারা “Oath” (শপথ) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করেছে?
  1. ধারা ৪৯
  2. ধারা ৫০
  3. ধারা ৫১
  4. ধারা ৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১ অনুসারে, “শপথ” (Oath) শব্দটির আইনগত অর্থ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, “শপথ” বলতে শপথের পরিবর্তে আইন দ্বারা গৃহীত গুরুতর ঘোষণা (solemn affirmation), এবং আইন দ্বারা কোনো সরকারি কর্মচারীর সামনে বা প্রমাণের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত বা প্রয়োজনীয় যেকোনো ঘোষণা বোঝায়, যা বিচারালয়ে বা অন্যত্র ব্যবহৃত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১ ধারার বিধান শপথ/ হলফ:
- আইনের বিধানমতে শপথের পরিবর্তে গ্রহণীয় দৃঢ়, প্রতিজ্ঞান্তিক অনুমোদন, এবং কোন আদালতেই হোক অথবা আদালতের বাইরে অন্যত্রই হোক, যে ঘোষণা কোন সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে অথবা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রদান করার জন্য আইনবলে নির্দেশ করা হয় বা ক্ষমতা দেওয়া হয়, তার ‘শপথ’ কথাটির অন্তর্ভুক্ত।
----------
⇒ The Penal Code,1860. Section-51. “Oath”
The word "oath" includes a solemn affirmation substituted by law for an oath, and any declaration required or authorized by law to be made before a public servant or to be used for the purpose of proof, whether in a Court of Justice or not.

৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় উল্লিখিত মূলনীতিগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমাজতন্ত্র
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. সাম্রাজ্যবাদ
সঠিক উত্তর:
সাম্রাজ্যবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্রাজ্যবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে বীর জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা মহান আদর্শগুলো হলো জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা। এই চারটি নীতি সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রস্তাবনায় এই নীতিগুলোর উপর জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এগুলো বাংলাদেশের জনগণের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণার উৎস ছিল এবং এই সংবিধানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

→ কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই প্রস্তাবনায় কোথাও মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত নয়। সাম্রাজ্যবাদ একটি রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক ধারণা, যা সাধারণত একটি দেশের অন্য দেশের উপর আধিপত্য বিস্তারের সাথে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের সংবিধানে এটি কোনো ইতিবাচক আদর্শ বা মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি। বরং, সংবিধানে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা সাম্রাজ্যবাদের বিপরীত ধারণার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
→ অর্থাৎ সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, এবং ধর্মনিরপেক্ষতা মূলনীতি হিসেবে উল্লেখিত, কিন্তু সাম্রাজ্যবাদ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সাম্রাজ্যবাদ।

৫৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তি। এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ, এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে। (২) দফায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন, এবং অন্য কোনো আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে সেই আইনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ অংশ বাতিল হবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭-এ স্পষ্টভাবে সংবিধানকে প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৭।

৫৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ২০
  3. অনুচ্ছেদ ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র নির্বাহী অঙ্গসমূহ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ নিশ্চিত করবে। এই বিধানটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২২-এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অনুচ্ছেদ ২২।

৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪২
  2. অনুচ্ছেদ ৪৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, তৃতীয় ভাগে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। এই বিধান নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। অনুচ্ছেদ ৪৪(২)-এ আরও বলা হয়েছে যে, সংসদ আইনের মাধ্যমে অন্য কোনো আদালতকে এই ক্ষমতা প্রদান করতে পারে, তবে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

অর্থাৎ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৪-এ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজুর অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অনুচ্ছেদ ৪৪।

৫৮.
সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর কতদিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে কার্যকারিতা লোপ পায়?
  1. ১৪ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, অনুচ্ছেদ ৯৩(১)-এর অধীনে প্রণীত কোনো অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপনের পর, ইতঃপূর্বে বাতিল না হলে, উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে অথবা ত্রিশ দিনের মধ্যে সংসদ কর্তৃক অননুমোদনের প্রস্তাব গৃহীত হলে অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা লোপ পাবে।

অর্থাৎ সংসদে অধ্যাদেশ উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন না হলে তার কার্যকারিতা লোপ পায়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩০ দিন।

৫৯.
"Caveat emptor" ম্যাক্সিমটি কাদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. সাক্ষীর জন্য
  2. ক্রেতার জন্য
  3. বিক্রেতার জন্য
  4. বিচারকের জন্য
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেতার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ "Caveat Emptor" একটি ল্যাটিন আইনি সংকীর্ণ, যার অর্থ "ক্রেতা সাবধান" (Let the buyer beware)। এই ম্যাক্সিমটি বোঝায় যে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার দায়িত্ব হলো পণ্যের গুণমান, উপযোগিতা এবং প্রকৃতি যাচাই করা। বিক্রেতা যদি পণ্য সম্পর্কে কোনো তথ্য গোপন না করে বা প্রতারণা না করে, তবে পণ্যের ত্রুটির জন্য ক্রেতা দায়ী থাকেন। এই নীতি বিশেষত বাণিজ্যিক লেনদেনে ক্রেতার সতর্কতার উপর জোর দেয়।
অর্থাৎ "Caveat Emptor" ম্যাক্সিমটি ক্রেতার জন্য প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ক্রেতার জন্য।

৬০.
The General Clauses Act অনুযায়ী "Act" শব্দের সংজ্ঞা কোন ধারায় দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২ (৮)
  2. ধারা ৩ (২)
  3. ধারা ৩ (৪)
  4. ধারা ৩ (৯)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩ (২)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ৩(২)-এ "act" (যা আইনি প্রসঙ্গে "Act" শব্দের সংজ্ঞা হিসেবে ব্যবহৃত হয়) এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে যে, অপরাধ বা সিভিল রং-এর সাথে সম্পর্কিত "act" বলতে একাধিক কাজের সিরিজ অন্তর্ভুক্ত, এবং কাজের উল্লেখে অবৈধ বাদ (illegal omissions) কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সংজ্ঞা আইনের ব্যাখ্যায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ "Act" শব্দের সংজ্ঞা ধারা ৩ (২)-এ দেওয়া হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩ (২)।
-------- 
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section 3- Definitions:
(2) "act", used with reference to an offence or a civil wrong, shall include a series of acts, and words which refer to acts done extend also to illegal omissions:

৬১.
"Amicus Curiae" বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  2. আদালতের শত্রু
  3. আদালতের নথি
  4. আদালতের বন্ধু
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বন্ধু
ব্যাখ্যা

⇒ "Amicus Curiae" একটি ল্যাটিন আইনি Maxim, যার অর্থ "আদালতের বন্ধু" (Friend of the Court)। এটি এমন একজন ব্যক্তি বা সংস্থাকে বোঝায় যিনি কোনো মামলার সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট না হয়েও আদালতের অনুরোধে বা স্বেচ্ছায় মামলার বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে পরামর্শ, তথ্য, বা আইনি বিশ্লেষণ প্রদান করেন। এই সহায়তা সাধারণত জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলায় বা জটিল আইনি প্রশ্নে আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয়।
অর্থাৎ "Amicus Curiae" বলতে আদালতের বন্ধু বোঝানো হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) আদালতের বন্ধু।

৬২.
রাষ্ট্রপতি কত বছর মেয়াদের জন্য অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগ করতে পারেন?
  1. এক বছর
  2. দুই বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৮-এ বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের কোনো বিভাগের বিচারক-সংখ্যা সাময়িকভাবে বৃদ্ধির প্রয়োজন মনে করলে, যথাযথ যোগ্যতাসম্পন্ন এক বা একাধিক ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের জন্য অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট বিভাগের কোনো বিচারককে আপীল বিভাগে অস্থায়ী মেয়াদের জন্য আসন গ্রহণের ব্যবস্থা করতে পারেন।
অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টে অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে অনধিক দুই বছরের জন্য নিয়োগ দিতে পারেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দুই বছর।

৬৩.
মরজ-উল-মউত (Marz-ul-Maut) শব্দের অর্থ কী?
  1. মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তর
  2. মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া হুকুম
  3. মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
  4. শরীয়াহর আইন অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা
ব্যাখ্যা

⇒ "মরজ-উল-মউত" (Marz-ul-Maut) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ "মৃত্যুর অসুস্থতা" (death illness)। এটি এমন একটি শারীরিক অবস্থাকে বোঝায় যেখানে ব্যক্তির পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা খুবই কম এবং মৃত্যু নিকটবর্তী। এই অবস্থায় কোনো ব্যক্তি যে হিবা (গিফট) বা উইল করে, তা মৃত্যুশয্যা লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শরিয়া আইনের নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে বিতরণ করা হয়। এই সংজ্ঞাটি Fatima Bibee v. Ahmad Baksh (1904) মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে মরজ-উল-মউত হলো এমন রোগ যা ব্যক্তির মনে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি করে।
⇒ Fatima Bibee v. Ahmad Baksh, (1904):
-The Calcutta High Court held in this case that Marz-ul-Maut is death illness, or the patient is suffering from such disease which induces in the person suffering and a belief that death would be caused thereby.

⇒ অর্থাৎ মরজ-উল-মউত শব্দের অর্থ হলো মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) মৃত্যুর আগে গুরুতর অসুস্থতা।

৬৪.
Musha Doctrine কোন ধরনের Hiba-তে প্রযোজ্য?
  1. Hiba-bil-Iwaz
  2. Hiba-bil-will
  3. Hiba-ba-Shartul-Iwaz
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hiba-ba-Shartul-Iwaz
ব্যাখ্যা

⇒ Musha Doctrine (মুশা নীতি) মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে প্রযোজ্য, যা অবিভক্ত সম্পত্তির (undivided share) হিবা বা দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, অবিভক্ত সম্পত্তির একটি অংশ দান করা সাধারণত অবৈধ, যদি না সম্পত্তিটি ভাগ করা যায় এবং দখল হস্তান্তর সম্পন্ন হয়। Hiba-ba-Shartul-Iwaz একটি হিবা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে দখল হস্তান্তর প্রয়োজন এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
অন্যদিকে, Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয়, তাই এতে Musha Doctrine প্রযোজ্য নয়। Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba এর শ্রেণি নেই।

অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) Hiba-bil-Iwaz: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-Iwaz বিক্রয় বা বিনিময় হিসেবে গণ্য হয় এবং Musha Doctrine এর প্রযোজ্যতা নেই।
খ) Hiba-bil-will: এটি ভুল, কারণ Hiba-bil-will বলে কোনো স্বীকৃত Hiba ধরন মুসলিম আইনে নেই।
গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz: এটি সঠিক, কারণ এটি হিবা হিসেবে গণ্য এবং Musha Doctrine প্রযোজ্য।
ঘ) কোনোটিই নয়: এটি ভুল, কারণ Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে Musha Doctrine প্রযোজ্য।

অর্থাৎ Musha Doctrine Hiba-ba-Shartul-Iwaz এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hiba-ba-Shartul-Iwaz।

৬৫.
"ইজতিহাদ" শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. আনুগত্য করা
  2. আইন প্রণয়ন করা
  3. কুরআনের ব্যাখ্যা করা 
  4. পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা
ব্যাখ্যা

⇒ "ইজতিহাদ" শব্দটি আরবি মূল "জেহেদা (جهد)" থেকে উদ্ভূত, যার আভিধানিক অর্থ হলো "পূর্ণ প্রচেষ্টা বা কঠোর পরিশ্রম করা।" আল্লামা আব্দুল আলীম সিদ্দিকীর লেখা অনুসারে, এটি ইসলামী আইনের পরিভাষায় বোঝায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ভিন্ন ভিন্ন আইনি ব্যাখ্যার মধ্যে সঠিকটি নির্বাচন করার চেষ্টা এবং নতুন পরিস্থিতির জন্য নতুন রায় প্রণয়নের প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় একজন মুজতাহিদ কুরআন, হাদিস, এবং অন্যান্য ইসলামী বিজ্ঞানের গভীর জ্ঞানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) আনুগত্য করা: এটি তাকলিদের ধারণার সাথে সম্পর্কিত, যা ইজতিহাদের বিপরীত। তাকলিদ মানে কোনো ইমাম বা আইনি কর্তৃপক্ষের অনুসরণ করা, যেখানে ইজতিহাদ স্বাধীনভাবে চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া।
খ) আইন প্রণয়ন করা: ইজতিহাদ আইন প্রণয়ন নয়, বরং বিদ্যমান কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আইনের ব্যাখ্যা বা প্রয়োগ। নতুন আইন তৈরি করা ইসলামী শরিয়াহর পরিপন্থী।
গ) কুরআনের ব্যাখ্যা করা: ইজতিহাদ শুধু কুরআনের ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি কুরআন, হাদিস এবং অন্যান্য ইসলামী বিজ্ঞানের সমন্বয়ে নতুন সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া।

অর্থাৎ "ইজতিহাদ" এর আভিধানিক অর্থ হলো "পূর্ণ প্রচেষ্টার সাথে চেষ্টা করা," যা ইসলামী আইনের প্রেক্ষাপটে গভীর জ্ঞান ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে শরিয়াহভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকে নির্দেশ করে।

[The word 'Ijtihad' has been derived from the root JHD, and literally means "striving with full exertion." In Islamic legal terminology, it denotes an attempt to choose, in the light of the Qur'an and the Sunnah, between two or more differing legal interpretations and to deduce, from the Qur'an and the Sunnah, any new rulings in order to address new legal situations. One who performs "Ijtihad" is called "Mujtahid"]

তথ্যসূত্র: IJTIHAD AND MUJTAHID by Allama Abdul Aleem Siddiqui. [লিঙ্ক]

৬৬.
The Waqfs Ordinance, 1962 অনুসারে Administrator of Waqfs-এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) অনুসারে, ওয়াকফ প্রশাসক (Administrator of Waqfs) সাধারণত ৫ বছরের জন্য নিযুক্ত হন এবং তার মেয়াদ শেষে পুনর্নিযুক্তির যোগ্যতা রাখেন। এই অধ্যাদেশটি বাংলাদেশে ওয়াকফ সম্পত্তির প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে, এবং প্রশাসকের নিয়োগ সরকার করে। মেয়াদের এই নির্ধারণটি প্রশাসকের স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়েছে।

অর্থাৎ The Waqfs Ordinance, 1962-এর ধারা ৭(৩) স্পষ্টভাবে ৫ বছরের মেয়াদ নির্ধারণ করেছে, যা ওয়াকফ সম্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে।
----------
⇒ The Waqfs Ordinance, 1962 Section-7. Appointment of the Administrator:
(1) The Government shall appoint an Administrator of Waqfs for Bangladesh.
(2) No person shall be appointed as Administrator unless he is a Muslim and possesses such qualifications as may be prescribed by the rules. 
(3) The Administrator shall ordinarily be appointed for five years, and shall be eligible for re appointment.

৬৭.
হিন্দু আইন প্রণয়নে ঐতিহাসিকভাবে কারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন?
  1. রাজা
  2. ব্রাহ্মণ
  3. আদালত
  4. সাধারণ জনগণ
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের প্রকৃতি অনুসারে, ঐতিহাসিকভাবে ব্রাহ্মণরা আইন প্রণয়ন ও ব্যাখ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। হিন্দু সমাজে ব্রাহ্মণরা শুধুমাত্র ধর্মীয় নেতৃত্বই প্রদান করেননি, বরং তারা স্মৃতি গ্রন্থ (যেমন মনুস্মৃতি, যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতি) এবং সংস্কৃত ভাষ্যের মাধ্যমে আইনি নীতি প্রণয়ন ও ব্যাখ্যা করতেন। তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হতেন এবং তাদের নির্দেশ সাধারণত সমাজের সকল স্তরের মানুষ মেনে চলত।

অন্যান্য অপশন গুলো:
ক) রাজা: হিন্দু আইন রাজার আদেশের উপর নির্ভরশীল ছিল না। এটি ধর্ম (Dharma) এবং স্মৃতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল, যা রাজা এবং প্রজা উভয়ের উপর সমানভাবে প্রযোজ্য ছিল।
গ) আদালত: আদালত হিন্দু আইন প্রয়োগ ও ব্যাখ্যা করত, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা ছিল না। আধুনিক সময়ে আদালত হিন্দু আইনের প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রাচীনকালে এটি ব্রাহ্মণদের দ্বারা পরিচালিত হত।
ঘ) সাধারণ জনগণ: সাধারণ জনগণ প্রথাগত রীতিনীতি প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখেছিল, কিন্তু আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় তাদের সরাসরি ভূমিকা ছিল না।
অর্থাৎ হিন্দু আইন প্রণয়নে ঐতিহাসিকভাবে ব্রাহ্মণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা স্মৃতি ও ধর্মশাস্ত্রের ব্যাখ্যার মাধ্যমে আইনি কাঠামো তৈরি করতেন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ব্রাহ্মণ।

৬৮.
আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে কোন বিবাহ সবচেয়ে অসম্মানজনক?
  1. ব্রহ্ম বিবাহ
  2. দৈব বিবাহ
  3. আর্শ বিবাহ
  4. পৈশাচ বিবাহ
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৈশাচ বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রাচীন প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক এবং নিন্দনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়। মনুস্মৃতি এবং অন্যান্য হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে, পৈশাচ বিবাহে একজন পুরুষ একজন নারীকে অজ্ঞান, নেশাগ্রস্ত বা মানসিকভাবে অসুস্থ অবস্থায় প্রলুব্ধ করে বা বলপূর্বক (যেমন ধর্ষণের মাধ্যমে) বিবাহ করে। এই বিবাহ সম্পূর্ণভাবে নারীর সম্মতি এবং মর্যাদার বিরুদ্ধে, যা এটিকে নৈতিক ও সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য করে তোলে।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ব্রহ্ম বিবাহ: এটি হিন্দু বিবাহের সবচেয়ে পবিত্র এবং সম্মানজনক প্রকার। এতে কন্যার পিতা তার কন্যাকে বেদজ্ঞ, সৎ এবং নৈতিক চরিত্রের পাত্রের কাছে কন্যাদান করেন, কোনো যৌতুক ছাড়াই। এটি ধর্ম, জ্ঞান এবং সদগুণের প্রতীক, তাই এটি অসম্মানজনক নয়।
খ) দৈব বিবাহ: এই বিবাহে কন্যাকে ধর্মীয় যজ্ঞের দক্ষিণা হিসেবে পুরোহিতের কাছে দেওয়া হয়। যদিও এটি ব্রহ্ম বিবাহের তুলনায় কিছুটা নিম্নমানের, তবুও এটি প্রশস্ত (অনুমোদিত) এবং ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য। এটি অসম্মানজনক নয়।
গ) আর্শ বিবাহ: এই বিবাহে কন্যার পিতা একটি গাভী এবং ষাঁড়ের বিনিময়ে কন্যাকে দান করেন। এটি একটি প্রশস্ত বিবাহ এবং সমাজে গ্রহণযোগ্য, যদিও এটি ব্রহ্ম বা দৈব বিবাহের তুলনায় কম সম্মানজনক। তবে, এটি পৈশাচ বিবাহের মতো নিন্দনীয় নয়।

পৈশাচ বিবাহের অসম্মানজনক প্রকৃতি:
নৈতিক দিক: পৈশাচ বিবাহে নারীর সম্মতি থাকে না, এবং এটি বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি হিন্দু ধর্মের ধর্ম ও নৈতিকতার মূলনীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
সামাজিক দৃষ্টিকোণ: এই বিবাহ সমাজে পাপাচার হিসেবে বিবেচিত হত এবং সম্পূর্ণভাবে নিন্দিত।
আধুনিক দৃষ্টিকোণ: আধুনিক আইনে পাইশাচ বিবাহের কার্যকলাপ (যেমন ধর্ষণ বা জোরপূর্বক বিবাহ) দণ্ডবিধির অধীনে যৌন নির্যাতন হিসেবে বিবেচিত হয় এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের আটটি প্রকারের মধ্যে পৈশাচ বিবাহ আত্মসম্মান ও মর্যাদার দিক থেকে সবচেয়ে অসম্মানজনক, কারণ এটি নারীর ইচ্ছা ও সম্মতির বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) পৈশাচ বিবাহ।

৬৯.
হিন্দু আইনের কোন স্কুলটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায়?
  1. মিতাক্ষরা
  2. দায়ভাগ
  3. বেনারস
  4. মিথিলা
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনের দুটি প্রধান স্কুল হলো মিতাক্ষরা এবং দায়ভাগ। দায়ভাগ স্কুল জিমুতবাহনের রচিত দায়ভাগ গ্রন্থের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায়। এই স্কুলটি উত্তরাধিকার নীতিতে আধ্যাত্মিক উপকার বা ধর্মীয় কার্যকারিতা (Doctrine of Oblations) এর উপর জোর দেয়। এতে পুত্রদের জন্মগত সম্পত্তির অধিকার নেই, এবং পরিবারের নারীরাও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সহ-উত্তরাধিকারী (coparcener) নিঃসন্তান মারা গেলে, তার বিধবা স্ত্রী তার অংশের উত্তরাধিকারী হতে পারেন এবং নিজের অধিকারে সম্পত্তি বিভাজনের দাবি করতে পারেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) মিতাক্ষরা: মিতাক্ষরা স্কুল বিজ্ঞানেশ্বরের মিতাক্ষরা নামক যাজ্ঞবল্ক্য স্মৃতির ভাষ্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এবং এটি ভারতের অধিকাংশ অঞ্চলে (আসাম ও বাংলা ব্যতীত) প্রাধান্য পায়। এটি উত্তরাধিকারে রক্তের সম্পর্কের নৈকট্য (Principle of Propinquity) এর উপর নির্ভর করে।
গ) বেনারস: বেনারস (বানারস) মিতাক্ষরা স্কুলের একটি উপ-স্কুল, যা উত্তর ভারতের বেশিরভাগ অঞ্চলে (গ্রামীণ পাঞ্জাব ব্যতীত) প্রচলিত। এটি আসাম ও বাংলায় প্রাধান্য পায় না।
ঘ) মিথিলা: মিথিলা মিতাক্ষরা স্কুলের আরেকটি উপ-স্কুল, যা তিরহুত এবং উত্তর বিহারের কিছু জেলায় প্রচলিত। এটি আসাম ও বাংলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ দায়ভাগ স্কুল আসাম এবং বাংলায় প্রাধান্য পায়, কারণ এটি এই অঞ্চলের স্থানীয় আইনি ও সামাজিক প্রথার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) দায়ভাগ।

৭০.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী কখনো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না-
  1. কন্যা
  2. ভাই
  3. বোন
  4. চাচা
সঠিক উত্তর:
কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে (বিশেষত সুন্নি হানাফি মতবাদ অনুসারে), উত্তরাধিকার বণ্টন মৃত্যুর পর সম্পত্তির উপর উত্তরাধিকারীদের অধিকার সৃষ্টি করে। উত্তরাধিকারীদের দুটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়: প্রধান শ্রেণি (Principal Heirs) এবং অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Heirs)। প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নলিখিত ছয়টি ব্যক্তি কখনোই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না:
১) স্বামী
২) স্ত্রী
৩) পিতা
৪) মাতা
৫) পুত্র
৬) কন্যা
কন্যা এই প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী এবং কোরআনের নির্দেশ অনুসারে (সূরা নিসা, আয়াত ১১) সর্বদা তার নির্ধারিত অংশ পায়। উদাহরণস্বরূপ, একমাত্র কন্যা থাকলে তিনি সম্পত্তির ১/২ অংশ পান, এবং একাধিক কন্যা থাকলে তারা মিলে ২/৩ অংশ ভাগ করে নেন।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
খ) ভাই: ভাই অপ্রধান শ্রেণির (Secondary Heirs) উত্তরাধিকারী। তিনি তখনই সম্পত্তি পান যখন প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী (যেমন পিতা, পুত্র, কন্যা) না থাকেন বা সম্পত্তির অংশ বাকি থাকে। সুতরাং, ভাই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
গ) বোন: বোনও অপ্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী। তিনি ভাইয়ের মতোই নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সম্পত্তি পান, কিন্তু প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের উপস্থিতিতে বঞ্চিত হতে পারেন।
ঘ) চাচা: চাচা দূরবর্তী উত্তরাধিকারী (Distant Kindred) শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তিনি কেবল তখনই সম্পত্তি পান যখন প্রধান এবং অপ্রধান শ্রেণির কোনো উত্তরাধিকারী না থাকেন, যা খুবই বিরল। সুতরাং, চাচা সহজেই বঞ্চিত হতে পারেন।

অর্থাৎ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, কন্যা প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারী হিসেবে কখনোই উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) কন্যা।

৭১.
পারিবারিক আদালতের প্রাধান্য সম্পর্কিত বিধান পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা দ্বারা নির্ধারিত?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইনের বিধানাবলি অন্য যেকোনো আইনের উপর প্রাধান্য পাবে। ধারা ৩-এ বলা হয়েছে: “আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।”
এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর অধীনে নির্ধারিত বিষয়ে (যেমন বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ইত্যাদি) এই আইনের বিধানগুলো অন্য কোনো আইনের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও প্রাধান্য পাবে। এটি পারিবারিক আদালতের আইনি ক্ষমতা ও এখতিয়ারকে শক্তিশালী করে এবং বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।
অর্থাৎ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৩ এই আইনের প্রাধান্য সুনিশ্চিত করে, যা অন্যান্য আইনের উপর এর বিধানাবলির প্রাধান্য নির্ধারণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ৩।

৭২.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যায়—
  1. পারিবারিক আদালতের কাছে
  2. সিনিয়র সহকারী জজের কাছে
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে
  4. সহকারী জজের কাছে
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসারে, Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সংশ্লিষ্ট সহকারী জজ (Assistant Judge)-এর কাছে করা যায়। এটি নিম্নলিখিত ধারাগুলোর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়:
- Maintenance (ভরণপোষণ) সংক্রান্ত: ধারা ৯(২)-এ উল্লেখ আছে যে, Arbitration Council কর্তৃক ভরণপোষণের পরিমাণ নির্ধারণের সার্টিফিকেট জারির পর, স্বামী বা স্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং নির্ধারিত ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন করতে পারেন। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হয় এবং কোনো আদালতে এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা যায় না।
- তালাক সংক্রান্ত: ধারা ৭(৪)-এ তালাকের ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার (revision) জন্যও সহকারী জজের কাছে আবেদন করার বিধান রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বহুবিবাহের অনুমতি (ধারা ৬) বা তালাকের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে Arbitration Council-এর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময় ও ফি প্রদান করে সহকারী জজের কাছে আবেদন করা যায়, এবং তাঁর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

অর্থাৎ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৬(৪) এবং ৯(২) অনুসারে, Maintenance বা তালাক সংক্রান্ত Arbitration Council-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার (revision) জন্য আবেদন সহকারী জজের কাছে করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সহকারী জজের কাছে।

৭৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দাখিল করতে পারেন। এছাড়া, উপ-ধারা (৬) অনুযায়ী, যদি তিন মাসের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তবে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বিলম্বের কারণ সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালকে সন্তুষ্ট করতে পারেন।

সুতরাং, প্রাথমিক সময়সীমা হলো তিন মাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
⇒ Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.

৭৪.
ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না?
  1. ধারা ৭, ১৮, ১৯, ২০ এ বর্ণিত অপরাধ
  2. ধারা ৩, ৬, ৭, ৮ এ বর্ণিত অপরাধ
  3. ধারা ৬, ১০, ১১, ১২ এ বর্ণিত অপরাধ
  4. ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ২২ ধারা অনুযায়ী, এই আইনের ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।
- এই ধারাগুলোতে উল্লিখিত অপরাধগুলো হলো:
ধারা ৪: ভূমি প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, অন্যের ভূমিকে নিজের বলে প্রচার করা, মিথ্যা তথ্য প্রদান করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ৫: ভূমি জালিয়াতি সংক্রান্ত অপরাধ (যেমন, মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করা, দলিলে পরিবর্তন করা ইত্যাদি), যা অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৫: ধারা ৮ এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অমান্য বা লঙ্ঘন করা, যা অনধিক ২ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।
ধারা ১৭: একই অপরাধ পুনঃসংঘটনের ক্ষেত্রে দ্বিগুণ দণ্ড।
এই অপরাধগুলো সাধারণত গুরুতর প্রকৃতির বা জটিল বিচার প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়ায় মোবাইল কোর্টের এখতিয়ারের বাইরে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, এই আইনের অন্যান্য অপরাধগুলো (যেমন ধারা ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৬, ১৮, ২০) মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৯ নং আইন) এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হতে পারে।
সুতরাং, ধারা ৪, ৫, ১৫ ও ১৭ এ বর্ণিত অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে না।

৭৫.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনারের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ভূমি হস্তান্তরের আদেশ
  2. ভূমি জরিপ সংক্রান্ত আদেশ
  3. দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৭৬.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ৪১ কোন ধরনের সম্পত্তির হস্তান্তরের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অস্থাবর সম্পত্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তি
  3. বুদ্ধিগত সম্পত্তি
  4. ভবিষ্যৎ সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৪১ শুধুমাত্র স্থাবর সম্পত্তি (Immovable Property) এর হস্তান্তরের সাথে সম্পর্কিত। অস্থাবর সম্পত্তি, বুদ্ধিগত সম্পত্তি বা ভবিষ্যৎ সম্পত্তির জন্য এই ধারা প্রযোজ্য নয়।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৭৭.
'Doctrine of Cy-pres' নীতির অর্থ কী?
  1. পূর্বশর্ত অগ্রাহ্য করা যায়
  2. সব শর্ত পূরণ করতই হবে
  3. একাধিক ব্যক্তির সমান অধিকার
  4. যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব
ব্যাখ্যা

⇒ 'Doctrine of Cy-pres' (যাকে কখনও 'Doctrine of Cypress' বলেও উল্লেখ করা হয়) একটি আইনি নীতি, যার ফরাসি অর্থ 'cy pres' হলো "as near as possible" বা বাংলায় "যথাসম্ভব কাছাকাছি"। এই নীতিটি মূলত 'সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২'-এর ধারা ২৬-এ প্রতিফলিত, যা সম্পত্তির হস্তান্তরের পূর্বশর্ত (condition precedent) পালনের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়।

- ধারা ২৬ অনুসারে, যদি কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলীতে এমন কোনো শর্ত আরোপ করা হয় যে, লাভগ্রহী ব্যক্তি সম্পত্তিতে স্বার্থ লাভ করার পূর্বে সেই শর্তটি পালন করতে হবে, তবে যদি শর্তটি মোটামুটি (substantially) পালিত হয় (অর্থাৎ, পুরোপুরি না হলেও যথাসম্ভব কাছাকাছি বা যতদূর সম্ভব), তাহলে তা সম্পূর্ণ পালিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

- ধারা ২৬: পূর্বশর্ত পূরণ:
যেক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তির হস্তান্তরের শর্তাবলিতে এরূপ কোনো শর্ত আরোপ করে যে, ঐ সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ লাভ করার পূর্বে ঐ শর্ত পালন করতে হবে, সেক্ষেত্রে ঐ শর্তটি যদি মোটামুটি ভাবে প্রতিপালিত হয়, তাহলে তা সম্পৃরূপে প্রতিপালিত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।

- Section 26: Fulfilment of condition precedent:
Where the terms of a transfer of property impose a condition to be fulfilled before a person can take an interest in the property, the condition shall be deemed to have been fulfilled if it has been substantially complied with.

৭৮.
চুক্তি আইন অনুসারে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে নিম্নলিখিত কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নাবালক
  2. মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি
  3. নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি
  4. কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১১ অনুসারে, চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। একজন ব্যক্তি চুক্তি করার যোগ্য যদি তিনি:
১) নিজ আইনে সাবালক হন,
২) সুস্থ মনের অধিকারী হন, এবং
৩) কোনো আইন দ্বারা চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ঘোষিত না হন।
অতএব, চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:
- নাবালক (যারা নিজ আইনে সাবালক নন, সাধারণত ১৮ বছরের কম বয়সী),
- মানসিক অসুস্থ ব্যক্তি (যারা সুস্থ মনের অধিকারী নন, অর্থাৎ যারা চুক্তির প্রকৃতি ও ফলাফল বুঝতে অক্ষম),
- নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি (যেমন, দেউলিয়া ব্যক্তি বা কোনো আইন দ্বারা চুক্তি করতে নিষিদ্ধ ব্যক্তি)।
⇒ কোন মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্যতার জন্য ধারা ১১-এর অধীনে বিবেচিত হয় না। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ থাকা তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি করার অযোগ্য করে না, যদি না তিনি উপরোক্ত শর্তগুলোর কোনোটি লঙ্ঘন করেন (যেমন, নাবালক, মানসিক অসুস্থ, বা আইন দ্বারা অযোগ্য)।

⇒ চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
------ 
⇒ The Contract Act, 1872 Section 11. Who are competent to contract
Every person is competent to contract who is of the age of majority according to the law to which he is subject, and who is of sound mind, and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.

৭৯.
'ক' এবং 'খ' একটি চুক্তি করে যে, 'ক' 'খ' কে ২০,০০০ টাকা দেবে যদি 'খ' 'গ' কে শারীরিকভাবে আঘাত করে এবং হত্যা করে । এই চুক্তিটি কী ধরনের চুক্তি?
  1. বৈধ চুক্তি
  2. বাতিলযোগ্য চুক্তি
  3. সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
  4. শর্তসাপেক্ষে বৈধ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ বাতিল চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২৩ অনুসারে, একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে যদি না তা:
১) আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়,
২) কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ করে,
৩) প্রতারণাপূর্ণ হয়,
৪) অন্য ব্যক্তির বা সম্পত্তির ক্ষতি করে,
৫) আদালত কর্তৃক অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থী বলে বিবেচিত হয়।
এখানে, ‘ক’ এবং ‘খ’-এর চুক্তির উদ্দেশ্য হলো ‘খ’-এর দ্বারা ‘গ’-কে শারীরিকভাবে আঘাত করা এবং হত্যা করা।
এই উদ্দেশ্য: অন্য ব্যক্তির ক্ষতি করে (ধারা ২৩-এর চতুর্থ শর্ত), কারণ হত্যা একটি গুরুতর শারীরিক ক্ষতি।
আইন দ্বারা নিষিদ্ধ (ধারা ২৩-এর প্রথম শর্ত), কারণ হত্যা দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩০২-এর অধীনে ফৌজদারি অপরাধ।
জননীতির পরিপন্থী (ধারা ২৩-এর পঞ্চম শর্ত), কারণ হত্যার মতো কাজ সমাজের নৈতিকতা ও জননীতির বিরুদ্ধে।
যেহেতু চুক্তির উদ্দেশ্য বেআইনি, তাই ধারা ২৩ অনুসারে এই চুক্তি সম্পূর্ণ বাতিল (void)।

⇒ চুক্তি আইনের ২৩ ধারার বিধান: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
কোন সম্মতির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য আইনানুগ হয় যদি না তা আইন দ্বারা নিষিদ্ধ করা না হয়; বা তা কোন আইনের বিধানাবলি ব্যর্থ করে; বা তা প্রতারণাপূর্ণ হয়; বা তা অন্য ব্যক্তির বা অন্যের সম্পত্তির জন্য ক্ষতিকর পরিগণিত হয়; বা তা আদালত অযৌক্তিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করেন।
এরূপ প্রতিটি ক্ষেত্রে চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্যকে বেআইনি বলা হয়। যে সকল চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি সেগুলো বাতিল।
----------
⇒ The Contract Act, 1872 Section 23. What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৮০.
“আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” সর্বশেষ কোন সালে সংশোধিত হয়?
  1. ২০২৫ সালে
  2. ২০২৪ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

⇒ “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২” বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দ্রুত বিচারের উদ্দেশ্যে প্রণীত। এই আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধিত হয়েছে। বিশেষ করে, ৫ মার্চ, ২০২৪ তারিখে জাতীয় সংসদে “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল” পাস করা হয়, যা আইনটিকে স্থায়ী করে এবং অধিকতর সংশোধন যোগ করে। এর আগে, আইনটি ২০১৯ সালে সংশোধিত হয়েছিল এবং সাত দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের সংশোধনটি সর্বশেষ।

⇒ দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

অর্থাৎ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ আইনটি সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংশোধন করা হয়।

৮১.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুসারে চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করার পূর্বে চেকের অর্থের ৫০% কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. জেলা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
  4. আপিল দায়েরকারী আদালতে
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ক (NI Act, 1881, Section 138A) চেক ডিজঅনার (Check Dishonour) মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার পূর্বে, চেকে উল্লিখিত অর্থের অন্তত ৫০% টাকা শাস্তি প্রদানকারী আদালতে (যে আদালত শাস্তি দিয়েছে) জমা দিতে হবে। এটি আপিল দায়েরের একটি বাধ্যতামূলক পূর্বশর্ত। যদি এই টাকা জমা না দেওয়া হয়,তাহলে আপিল দায়েরই হবে না।
⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒  NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৮২.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য বাছাই কমিটির সাচিবিক সহায়তা কে প্রদান করবে?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. সরকারী কর্মকমিশন
  4. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার (৩) উপ-ধারা অনুসারে, বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রদান করবে। এর অর্থ হলো, বাছাই কমিটির সভা পরিচালনা, নথিপত্র সংরক্ষণ, যোগাযোগ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দায়িত্ব পালন করবে। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান, যেমন সুপ্রীম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন বা সরকারী কর্মকমিশন, এই দায়িত্বের জন্য আইনে উল্লেখিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৭ ধারার বিধান বাছাই কমিটি: 
(১) কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নবর্ণিত পাঁচ জন সদস্য সমন্বয়ে একটি বাছাই কমিটি গঠিত হইবে, যথা:- 
(ক) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের একজন বিচারক; 
(খ) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগের একজন বিচারক; 
(গ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক; 
(ঘ) সরকারী কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান; এবং 
(ঙ) অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবদের মধ্যে সর্বশেষে অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবের অব্যবহিত পূর্বের অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব: 
আরও শর্ত থাকে যে, যদি উক্তরূপ কোন অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে পাওয়া না যায় অথবা তিনি বাছাই কমিটির সদস্যপদ গ্রহণে অসম্মত হন, তাহা হইলে বর্তমানে কর্মরত মন্ত্রিপরিষদ সচিব৷
(২) প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক বাছাই কমিটির সভাপতি হইবেন৷
(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্য-সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করিবে৷ 
(৪) বাছাই কমিটি, কমিশনার নিয়োগে সুপারিশ প্রদানের উদ্দেশ্যে, উপস্থিত সদস্যদের অন্যুন ৩ (তিন) জনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুই জন ব্যক্তির নামের তালিকা প্রণয়ন করিয়া ধারা ৬ এর অধীন নিয়োগ প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট প্রেরণ করিবে৷
(৫) অন্যুন ৪ (চার) জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাছাই কমিটির কোরাম গঠিত হইবে৷

৮৩.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের ৮গ ধারা অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কার্যপদ্ধতি কী দ্বারা নির্ধারণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশে দ্বারা
  2. মন্ত্রণালয়ের আদেশে দ্বারা
  3. সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
  4. সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার (১) উপ-ধারা অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নিজেই নির্ধারণ করিতে পারিবে। এর অর্থ হলো, কমিটি নিজের বিবেচনায় সভা পরিচালনার নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করতে পারে, এবং এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির আদেশ, মন্ত্রণালয়ের আদেশ বা সরকারি প্রজ্ঞাপনের কোনো ভূমিকা নেই। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সুপ্রীম কোর্ট কমিটি দ্বারা।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ৮গ ধারার বিধান সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা:
(১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, সুপ্রীম কোর্ট কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে।
(২) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভা উহার চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি দুইমাস অন্তর অন্তর কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(৩) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান উক্ত কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) সুপ্রীম কোর্ট কমিটির সভার কোরামের জন্য উহার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হইবে, তবে মূলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না।
(৫) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদের শূন্যতা বা কমিটি গঠনে ক্রটি থাকার কারণে কমিটির কোন কার্য বা কার্যধারা অবৈধ হইবে না এবং তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

৮৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, বিচারকার্য মুলতবির সর্বোচ্চ সময়সীমা কত দিন?
  1. তিন কার্য দিবস
  2. পাঁচ কার্য দিবস
  3. সাত কার্য দিবস
  4. দশ কার্য দিবস
সঠিক উত্তর:
তিন কার্য দিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন কার্য দিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারা অনুসারে, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলবে। তবে, যদি আদালত এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহলে বিচারকার্য স্বল্পকালীন সময়ের জন্য মুলতবি করা যাবে, যা তিন কার্য দিবসের অধিক হবে না। এই বিধানটি নিশ্চিত করে যে বিচারকার্যে অযথা বিলম্ব না হয় এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সীমিত সময়ের মধ্যে মুলতবি করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) তিন কার্য দিবস।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৯ ধারার বিধান বিচারকার্য মুলতবি:
- এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে মামলার বিচারকার্য আরম্ভ হইলে উহা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিরাম চলিবে, তবে উক্ত আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, ন্যায় বিচারের স্বার্থে বিচারকার্য মুলতবি করা একান্ত প্রয়োজন, তাহা হইলে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য, যাহা তিন কার্য দিবসের অধিক হইবে না, বিচারকার্য মুলতবি করা যাইবে।

৮৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ অনুসারে, ট্রাইব্যুনালকে প্রাথমিক ভাবে কত কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবস
  2. ৯০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ২৭০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ থেকে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি না হয়, তবে ধারা ৪৫(২) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল বিচারক অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস সময় বাড়াতে পারেন এবং তারপরও নিষ্পত্তি না হলে হাইকোর্ট বিভাগকে অবগত করে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন। এই সময়সীমার নির্দেশ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে বিধানিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
অর্থাৎ, মোট সময় সর্বাধিক ২৭০ কার্যদিবস হলে মামলার নিষ্পত্তি হতে পারে, কিন্তু প্রাথমিক সময়সীমা ১৮০ কার্যদিবস নির্ধারিত।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪৫ মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৮৬.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার অধীন অপরাধের বিচারের জন্য কে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিচারক
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ২৬ ধারার (২) উপ-ধারা অনুসারে, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ তাদের নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে এই আইনের অধীন অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবেন। বিকল্পগুলোর মধ্যে "যুগ্ম দায়রা জজ" সঠিক উত্তর, কারণ এটি স্পষ্টভাবে আইনে উল্লেখিত। জেলা জজ বা হাইকোর্ট বিচারক এই ধারায় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে উল্লেখিত নন, এবং তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই বিচারের জন্য এখতিয়ারসম্পন্ন নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) যুগ্ম দায়রা জজ।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৬ ধারার বিধান:  এই আইন অনুসারে অপরাধসমূহ এবং অন্যান্য কতিপয় অপরাধের বিচার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক করা হবে:
-এই আইনের তফসিলে নির্দিষ্ট অপরাধসমূহ শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচারযোগ্য হবে।
-এই আইনের অধীন অপরাধসমূহের বিচারের জন্য দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিজ দায়রা বিভাগের মধ্যে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হিসেবে গণ্য হবে। দায়রা জজকে নিয়ে গঠিত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল বিচারের যেকোন স্তরে তার নিজের দায়রা বিভাগের মধ্যে একটি স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল হতে অপর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল যেকোন মামলা হস্তান্তর করতে পারবেন।
- সরকার এই আইনের তফসিলের ৩য় এবং ৪র্থ প্যারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচারের জন্য একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-26. Offences under this Act and certain other offences to be tried by Special Tribunals:
(1) Notwithstanding anything contained in the Code or in any other law for the time being in force, the offences specified in the Schedule to this Act shall be triable exclusively by a Special Tribunal constituted under sub-section (2).
(2) Every Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Assistant Sessions Judge shall, for the areas within his sessions division, be a Special Tribunal for the trial of offences triable under this Act 21:
Provided that the Government may, for the purpose of trial of offences mentioned in paragraphs 3 and 4 of the Schedule to this Act, constitute one or more additional Special Tribunals for such areas as may be specified by the Government and an additional Special Tribunal so constituted shall consist of one member, to be appointed by the Government, who shall be a person who is a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class.
 (3) A Special Tribunal consisting of the Sessions Judge may transfer, at any stage of the trial, any case from one Special Tribunal to another Special Tribunal within his sessions division.

৮৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনাল বিচার করতে পারে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২১
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা করতে পারে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি ট্রাইব্যুনালের বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক বা আত্মগোপন করেছেন এবং তাঁর আশু গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকে, তবে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া (যেমন, দুইটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রজ্ঞাপন জারি) অনুসরণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির না হলে, ট্রাইব্যুনাল তাঁর অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে। এছাড়াও, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্তির পর পলাতক হন, তবে কারণ লিপিবদ্ধ করে ট্রাইব্যুনাল বিচার সম্পন্ন করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ধারা ২১।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ২১ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যদি ট্রাইব্যুনালের এই মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,-
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছে বা আত্মগোপন করিয়াছেন; এবং
(খ) তাহার আশু গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল অন্তত: দুইটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত সময়, যাহা ত্রিশ দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে ট্রাইব্যুনাল তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার করিতে পারিবে।

(২) যদি কোন অভিযুক্ত ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালে হাজির হইবার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর বা তাহাকে ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জামিনে মুক্তি দেওয়ার পর পলাতক হন, তাহা হইলে তাহার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য হইবে না, এবং সেইক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল, কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তাহার বিচার সম্পন্ন করিতে পারিবে।