পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ------------------- টপিক: i) প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ii) মহাদেশ ও দেশসমূহের সাধারণ তথ্য (দেশের রাজধানী, মুদ্রা, সরকার ব্যবস্থা, সংসদ ইত্যাদি সহ সাধারণ তথ্য)। iii) গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি ও সম্মেলন, জোট (নিরাপত্তা ও পরিবেশ বিষয়ক)। [নম্বর কাভার - ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
কোন সভ্যতাটি বর্তমান ইরাক অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  4. চীনা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলোর আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ।
- যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা- ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।
- এই উর্বর ভূখণ্ডের উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি; দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর, পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫,৫০০ অব্দে দক্ষিণ মেসোপটেমীয়ার অধিবাসীরা ইউফ্রেতিস নদীর পানির প্রবাহ পরিবর্তন করে এবং পানি সেচের ব্যবস্থা করতে শেখে। - মেসোপটেমীয়ায় কৃষি কাজের জন্য এ ধরনের সেচ ব্যবস্থার খুবই দরকার ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানকে কী বলা হয়?
  1. প্রথম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান
  2. দ্বিতীয় প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান
  3. তৃতীয় প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান
  4. পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান
ব্যাখ্যা
- ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান (The Fifth Republic)।
- অর্থাৎ ফ্রান্সের এ 'পঞ্চম প্রজাতন্ত্র'-এর আগে আরও চারটি প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়েছিল।
- ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৯৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চীন কোন ভারতীয় রাজ্যকে “দক্ষিণ তিব্বত” হিসেবে দাবি করে?
  1. সিকিম
  2. মেঘালয়
  3. অরুণাচল
  4. জম্মু ও কাশ্মীর
ব্যাখ্যা
- চীন অরুণাচল প্রদেশকে "দক্ষিণ তিব্বত" হিসেবে দাবি করে।  
- চীন অরুণাচল প্রদেশকে তাদের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এটিকে "জাংনান" নামে অভিহিত করে, যা দক্ষিণ তিব্বত নামেও পরিচিত।
- ভারত এই অঞ্চলের উপর চীনের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং অরুণাচল প্রদেশকে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।
- চীন প্রায়শই অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থানের নাম পরিবর্তন করে তাদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে, যা উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। 
- মোট ২৭টি স্থানের নাম এবারে চীন তাদের মতো করে পরিবর্তন করেছে।
- এর মধ্যে রয়েছে ১৫টি পাহাড়, ৫টি আবাসিক এলাকা, ৪টি পাহাড়ের গিরিপথ, ২টি নদী ও ১টি হ্রদ।

উৎস: BBC NEWS বাংলা
প্রথম আলো (১৪ মে ২০২৫)
.
নিচের কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্গত?
  1. সিন্ধু
  2. মায়া
  3. ব্যবিলনীয়
  4. পারস্য
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলোর আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ।
- যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা- ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।
- এই উর্বর ভূখণ্ডের উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি; দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর, পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫,৫০০ অব্দে দক্ষিণ মেসোপটেমীয়ার অধিবাসীরা ইউফ্রেতিস নদীর পানির প্রবাহ পরিবর্তন করে এবং পানি সেচের ব্যবস্থা করতে শেখে। - মেসোপটেমীয়ায় কৃষি কাজের জন্য এ ধরনের সেচ ব্যবস্থার খুবই দরকার ছিল।

মেসোপটেমীয়ার অর্ন্তভুক্ত সভ্যতাসমূহ:
- প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন দেশটি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সার্বিয়া
  2. স্লোভেনিয়া
  3. হাঙ্গেরি
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
- হাঙ্গেরি বলকান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।

বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান রাষ্ট্রগুলি হলো ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একটি গ্রুপ, যা বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে একাধিক দেশের সমষ্টি রয়েছে, এবং এগুলির মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, জাতিগত এবং ঐতিহাসিক বৈচিত্র্য রয়েছে।

বলকান রাষ্ট্রের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হেরজেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টেনেগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া
- সার্বিয়া
- স্লোভেনিয়া
- (গ্রীস ও তুরস্ক ভৌগোলিকভাবে আংশিক বলকান অঞ্চলে অবস্থিত)

উৎস: Britannica
.
প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন ছিল কোনটি?
  1. স্টকহোম সম্মেলন
  2. সাও পাওলো সম্মেলন
  3. রিও সম্মেলন
  4. জেনেভা সম্মেলন
ব্যাখ্যা
স্টকহোম সম্মেলন:
- ১৯৭২ সালে স্টকহোমে প্রথম আন্তর্জাতিক পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিবেশগত সমস্যার ওপর বিশ্বজনীন আলোচনা শুরু করে।
- স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলন, জুন ৫-১৬, ১৯৭২ অনুষ্ঠিত হয়। 
- জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়নের সম্মেলন (UNCED) রিও ডি জেনিরোতে, জুন ৩-১৪, ১৯৯২ অনুষ্ঠিত হয়। 
- স্টকহোম সম্মেলন জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠনে ভূমিকা রাখে। 

উৎস: UN Environment Programme (UNEP)
United Nations
.
ওয়াটার লু’র যুদ্ধ কবে হয়েছিল?
  1. ১৮১৪ সালে
  2. ১৮১২ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১৮১৬ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়াটার লু’র যুদ্ধ:
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে নেপোলিয়ন ফ্রান্সের সম্রাট হন।
- ১৮১৪ সালে প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়াসহ বেশ কিছু দেশের সেনাবাহিনী ফ্রান্স আক্রমণ করে এবং নেপোলিয়নকে ক্ষমতাচ্যুত করে সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেয় (প্রথম নির্বাসন)।
- তবে তিনি আবার ফ্রান্সের ক্ষমতায় আসেন।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন ওয়াটার লু’র যুদ্ধ সংঘটিত হয় বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে।
- নেপোলিয়ন প্রায় ৭২ হাজার সৈন্য নিয়ে ডিউক অব ওয়েলিংটন আর্থার ওয়েলেসলির নেতৃত্বে ৬৮ হাজার সৈন্যবিশিষ্ট ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হন।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ-প্রুশিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়।
- ওয়াটার লু’র যুদ্ধে ডিউক অব ওয়েলিংটনের কাছে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় এবং নেপোলিয়ন শাসনের অবসান ঘটে।
- এরপর তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয় (দ্বিতীয় নির্বাসন) ।

উৎস: i) কালের কণ্ঠ।
ii) Britannica.
.
বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মরুভূমি কোনটি?
  1. সাহারা
  2. গোবি
  3. কারাকুম
  4. থর মরুভূমি
ব্যাখ্যা
থর মরুভূমি:
- গ্রেট ইন্ডিয়ান ডেজার্ট বা থর মরুভূমি হল ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশের একটি বিশাল মরুভূমি।
- এটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করে যেখানে মরুভূমির ৮৫% অংশ ভারতের মধ্যে এবং বাকিটা পাকিস্তানে অবস্থিত।
- থর মরুভূমি হল বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মরুভূমি এবং এর জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৮৩ জন।

উৎস: World Atlas.
.
G-20 শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ আয়োজিত হবে কোন দেশে?
  1. ব্রাজিল
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ভারত
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
G-20:
- G-20 (গ্রুপ অফ টুইেন্টি) হলো একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরাম, যা বিশ্বের ১৯টি দেশ ও ২ টি সংস্থার অর্থনীতির প্রতিনিধিত্ব করে।
- এর সদস্য দেশগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU) ।
- আফ্রিকান ইউনিয়ন ২০২৩ সালে G-20 এর সদস্য হয়।
- G-20 এর সদস্যরা বৈশ্বিক জিডিপির ৮৫%, বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৭৫% এবং বৈশ্বিক জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- G-20 শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫: ২২ নভেম্বর, ২০২৫ - ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ দক্ষিণ আফ্রিকায় আয়োজিত হবে।

উৎস: G-20 website.
১০.
প্রথম ফারাও হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
  1. রামেসেস
  2. খুফু
  3. মেনেস
  4. তুতেনখাতেন
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশর:
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল।
- এগুলোকে 'নোম' বলা হতো।
- মিশরের প্রথম রাজা বা ফারাও মেনেস বা নারমার এর অধীনে ঐক্যবদ্ধ মিশরের রাজধানী ছিল দক্ষিণ মিশরের মেম্ফিস।
- মিশরীয় 'পের-ও' শব্দ থেকে ফারাও শব্দের জন্ম।
- ফারাওরা ছিলেন অত্যন্ত ক্ষমতাশালী।
- তারা নিজেদেরকে সূর্য দেবতার বংশধর মনে করতেন।
- ফারাও পদটি ছিল বংশানুক্রমিক।
- অর্থাৎ ফারাওয়ের ছেলে হতো উত্তরাধিকার সূত্রে ফারাও।
- পেশার উপর ভিত্তি করে মিশরের সমাজের মানুষকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যেমন: রাজপরিবার, পুরোহিত, অভিজাত, লিপিকার, ব্যবসায়ী, শিল্পী, কৃষক ও ভূমিদাস।
- মিশরের অর্থনীতি মূলত ছিল কৃষি নির্ভর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
পূর্ব তিমুর স্বাধীনতা লাভ করে কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
পূর্ব তিমুর:
- আনুষ্ঠানিক নাম "ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব টিমর-লেস্টে,"
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি তিমুর দ্বীপের পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- দেশটির আয়তন প্রায় ১৪,৯১৯ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১.৩ মিলিয়ন।
- রাজধানী দিলি, এবং দেশটির প্রধান ভাষা টেটুন এবং পর্তুগিজ।
- পূর্ব তিমুর ২০০২ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির অর্থনীতি কৃষিভিত্তিক এবং প্রধান রপ্তানি পণ্য কফি।
- এটি একটি সংবিধানিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: Britannica
১২.
জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে -
  1. কিয়োটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল:
- Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity
- কার্টাগেনা প্রটোকল হচ্ছে জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- গৃহীত: ২৯ জানুয়ারী, ২০০০ সাল।
- কার্যকর: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ১০৩টি।
- এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে কিন্তু কার্যকর হয় ২০০৩ সালে
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যান্য:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হল ওজোন স্তরকে ক্ষয়কারী পদার্থ (ওডিএস) এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- কিয়োটো প্রটোকল গ্রীন হাউস গ্যাস বিষয়ক ।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) রাসায়নিক অস্ত্র উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা সম্পর্কিত।

উৎস: Bangladesh Biosafety Website.
Britannica.
UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।
১৩.
"অপারেশন ওভারলোড" কী?
  1. হিটলারের পরিকল্পনা
  2. জার্মান হামলা
  3. মিত্র বাহিনীর নরম্যান্ডি অভিযান
  4. জাপানের পার্ল হারবার হামলা
ব্যাখ্যা
নরম্যান্ডির ডি ডে ল্যান্ডিং:
- জার্মান অধিকৃত ফ্রান্সের ভূখণ্ডে দুর্দান্ত হামলা চালিয়ে হিটলারের বাহিনীকে অনেকটাই নাজেহাল করে ছাড়ে মিত্রবাহিনী।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৪ সালে নরম্যান্ডি উপকূলে মিত্রবাহিনী এ হামলা চালায়।
- তুমুল লড়াইয়ে জার্মানরা ফ্রান্সের ওই অঞ্চল ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- মিত্রবাহিনী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এসে সরাসরি নরম্যান্ডি উপকূলে হামলা চালায় যাকে ইতিহাসে ডি ডে ল্যান্ডিং তথা অপারেশন ওভারলোড নামে স্থান দেয়া হয়েছে।
- এক্ষেত্রে প্রায় ১২টি দেশের ৩০ লাখ সৈন্য গিয়ে হামলা চালায় নরম্যান্ডিতে।
- অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, চেকোশ্লোভাকিয়া, ফ্রান্স, গ্রিস, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই ১২ দেশের সৈন্যরা একসাথে হামলা চালায় ৬ জুন।
- সেদিন রাতের বেলা ছত্রীসেনা অবতরণ, গ্লাইডার অবতরণ থেকে শুরু করে জঙ্গি ও বোমারু বিমানের পাশাপাশি যুদ্ধজাহাজ থেকে বোমা ও গোলাবর্ষণের মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিত্র বাহিনীর ৩৭ হাজার নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয় দেড় লক্ষাধিক।
- অন্যদিকে জার্মানদের ২ লক্ষ সৈন্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি ২ লাখ আত্মসমর্পণ করে।
- তবে ফিল্ড মার্শাল রোমেলের ৩৫২ তম ডিভিশন এখানে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- প্রচণ্ড প্রতিরোধ যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে জার্মানদের পরাজয় আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভাগ্য অনেকটা এখানেই নির্ধারণ করে দেয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোন দেশটি আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র?
  1. ইরান
  2. কাজাখস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:
- আয়তনে মধ্য এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ।
- আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রজাতন্ত্র।
- ১৯৯১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- রাজধানী: আস্তানা।
- ২০১৯ সালে নাম পরিবর্তন করে নূর সুলতান রাখা হয়।
- ২০২২ সালে পুনরায় আস্তানা নাম রাখা হয়।
- কাজাখস্তানে ব্যবহৃত মুদ্রার একক হল টেঙ্গে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Official website of the President of the Republic of Kazakhstan.
১৫.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে কোন চুক্তিটি গৃহীত হয়েছে?
  1. NPT চুক্তি
  2. NRT চুক্তি
  3. CTBT চুক্তি
  4. CWC চুক্তি
ব্যাখ্যা
Non-Proliferation Treaty - NPT:
- নন-প্রোলিফারেশন ট্রিটি (NPT) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য গৃহীত হয়েছে।
- এটি ১৯৭০ সালের ৫ মার্চ কার্যকর হয়।
- NPT-তে বর্তমানে ১৯১টি দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল এই চুক্তিতে যোগ দেয়নি।
- উত্তর কোরিয়া চুক্তি থেকে সরে গেছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৯ সালে NPT-তে যোগ দেয়। এটি দেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে।
- এটি পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার ভিত্তি।
- IAEA-এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর কার্যক্রম মনিটর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) রাসায়নিক অস্ত্র উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা সম্পর্কিত।
- CTBT হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করে। 

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট। 
IAEA ওয়েবসাইট। 
Arms Control Association ওয়েবসাইট। 
১৬.
ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষের নাম কী?
  1. হাউজ অব কমন্স
  2. সিনেট
  3. পার্লামেন্ট হাউস
  4. হাউজ অব লর্ডস
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ আইন সভা:
- আইন সভার নাম পার্লামেন্ট।
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট: উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ।
- উচ্চ কক্ষের নাম হাউজ অব লর্ডস।
- ব্রিটিশ আইন সভার নিম্ন কক্ষের নাম হাউজ অব কমন্স।

অন্যদিকে –
- সিনেট যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ কক্ষের নাম।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ যুক্তরাষ্ট্রের নিম্ন কক্ষের নাম।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
রামসার কনভেনশন এর উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রীন হাউজ নিঃসরণ রোধ
  2. পারমাণবিক যুদ্ধ রোধ
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন (১৯৭১):
- পূর্ণনাম Ramsar Convention on Wetlands.
- চুক্তির স্থান: রামসার, ইরান।
- গৃহীত হয়: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১ সাল।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- এর উদ্দেশ্য: আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি সংরক্ষণ করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি (Wetlands) তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়, যা রামসার সাইট নামে পরিচিত।
- বর্তমান সদস্য: ১৭২টি দেশ।
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে টেকসই উন্নয়ন প্রচারের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি।

উৎস: Ramsar Convention Official Website
১৮.
হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমা কবে ফেলা হয়?
  1. ৮ আগস্ট ১৯৪৫ সাল
  2. ৯ আগস্ট ১৯৪৫ সাল
  3. ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সাল
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
হিরোশিমা ও নাগাসাকির ট্র্যাজেডি:
- ১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলেও জাপানের সম্রাট হিরোহিতোর বাহিনী ছিল নাছোড়বান্দা।
- তারা সমান তালে লড়ে যাচ্ছিল মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবারে হামলার জন্য মিত্রবাহিনীর অন্যতম অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের চরম ক্ষোভ ছিল জাপানের ওপর।
- মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনার নজির স্থাপন করে ৬ ও ৯ আগস্ট যথাক্রমে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা হয় লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামের দুটি ধ্বংসাত্মক পারমাণবিক বোমা।
- ৬ আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হিরোশিমায় প্রথম বোমাটি নিক্ষেপ করা হলে তাৎক্ষণিক প্রাণ যায় ১ লাখ বিশ হাজার মানুষের। আর তার দ্বিগুণ মানুষ মারা যায় এর একটু পরে।
- স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের এ পাশবিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন।
- এনোলা গে নামের বিমানটি থেকে হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিক্ষেপ করা হয়।
- জাপানিরা ১৫ আগস্ট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
বিশ্বের প্রাচীনতম ইংরেজি ভাষাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
  1. হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি
  2. কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি
  3. অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি
  4. আল-কারাওইন ইউনিভার্সিটি
ব্যাখ্যা
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি:
- অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি (University of Oxford) বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি।
- এটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড শহরে অবস্থিত এবং ১০৯৬ সালের দিকে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়।
- অক্সফোর্ড বিশ্বের প্রাচীনতম ইংরেজি-ভাষাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়।
- ১২শ শতাব্দীতে এটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।
- এটি একটি কলেজ-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে ৩৯টি স্বতন্ত্র কলেজ রয়েছে।
- কলেজগুলো শিক্ষার্থীদের আবাসন, খাদ্য, এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সুযোগ প্রদান করে।
- অক্সফোর্ড নিয়মিতভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
- গবেষণা ও শিক্ষার মানে এটি স্বীকৃত।
- অক্সফোর্ড থেকে বহু নোবেল বিজয়ী, রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, এবং সাহিত্যিক শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছেন স্যার উইনস্টন চার্চিল, স্টিফেন হকিং, এবং মালালা ইউসুফজাই।
- অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- মরক্কোর ফেজে অবস্থিত আল কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ফাতিমা আল-ফিহরি এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Oxford University Official Website
Times Higher Education
Britannica Encyclopedia
২০.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কবে?
  1. জুলাই, ১৯৬১ সালে
  2. জুলাই, ১৯৭১ সালে
  3. জুলাই, ১৯৬৬ সালে
  4. জুলাই, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সিমলা চুক্তি: 
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। 
- সময়: ২ জুলাই, ১৯৭২ সালে। (চুক্তির দলিল স্বাক্ষরের তারিখ রেকর্ড করা হয় ১৯৭২ সালের ২ জুলাই। তবে বাস্তবে ৩ জুলাই সকালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এই চুক্তি)
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল ১৯৭১ সালের যুদ্ধ-পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং পারস্পরিক বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে কাশ্মীর সীমান্তে "লাইন অফ কন্ট্রোল" (এলওসি) প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো
২১.
পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয়?
  1. আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট
  2. দারিয়াস
  3. সাইরাস দ্য গ্রেট
  4. জরথ্রুস্ত্র
ব্যাখ্যা
সাইরাস দ্য গ্রেট: 
- পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সাইরাস দ্য গ্রেট। 
- জন্ম: খ্রিষ্টপূর্ব ৫৯০–৫৮০, মৃত্যু: আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫২৯
- সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন একজন বিজয়ী শাসক যিনি পারস্যভিত্তিক আখেমেনীয় সাম্রাজ্য (Achaemenid Empire) প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য এজিয়ান সাগর থেকে ইন্দুস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- প্রাচীন পার্সীয়রা তাঁকে বলত “জনগণের পিতা”।
- গ্রিক লেখক জেনোফন তাঁর জীবনী লিখেছেন ‘সাইরোপেডিয়া’ নামে, যেখানে তিনি ছিলেন একজন সহনশীল ও আদর্শ রাজা।
- বাইবেলে তাঁকে ব্যবিলনে বন্দি ইহুদিদের মুক্তিদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- সাইরাস দ্য গ্রেট ইতিহাসে স্মরণীয় একজন শাসক যিনি রাজ্য জয় করার পাশাপাশি ধর্মীয় সহনশীলতা ও মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন প্রাচীন গ্রিক রাজ্য ম্যাসিডনের রাজা।
- দারিয়াস ছিলেন হাখমানেশি সাম্রাজ্যের ৩য় পারস্য সম্রাট।
- জরথুস্ত্রীয় বা পারসিক ধর্মের প্রবর্তক জরথুস্ত্র।

উৎস: Britannica.
২২.
কোন দেশটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. সুইডেন
  2. লিথুয়ানিয়া
  3. লাটভিয়া
  4. এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
- সুইডেন বাল্টিক রাষ্ট্র নয়। 

বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States):

- বাল্টিক রাষ্ট্র (Baltic States) বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তিনটি দেশ এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়াকে বোঝানো হয়, যেগুলি বাল্টিক সাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- ভৌগোলিক সীমা: পশ্চিম ও উত্তরে বাল্টিক সাগর, পূর্বে রাশিয়া, দক্ষিণ-পূর্বে বেলারুশ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে পোল্যান্ড ও রাশিয়ার একটি বিচ্ছিন্ন অংশ (exclave)।
- এলাকা জুড়ে রয়েছে ৭,০০০টির বেশি হ্রদ এবং অসংখ্য পিট জমি (peat bogs), জলাভূমি ও দোয়াশ (marshes)
- প্রধান নদী: নেমান নদী (লিথুয়ানিয়া), ওয়েস্টার্ন ডভিনা নদী (লাটভিয়া)।
- এই নদীগুলো উত্তর-পশ্চিম দিকে বাল্টিক সাগরে পতিত হয়

উৎস: Britannica
২৩.
শ্লিফেন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. রাশিয়াকে প্রথমে আক্রমণ
  2. ফ্রান্সকে দ্রুত পরাজিত করা
  3. ইউক্রেন দখল
  4. ইতালিকে জয় করা
ব্যাখ্যা
শ্লিফেন পরিকল্পনা (The Schlieffen Plan):
- শ্লিফেন পরিকল্পনা ছিল জার্মান সামরিক কৌশল, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহারের জন্য জার্মান জেনারেল আলফ্রেড ভন শ্লিফেন দ্বারা ১৯০৫ সালে প্রণীত হয়েছিল।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত এবং কার্যকরভাবে পশ্চিমে ফ্রান্সকে পরাজিত করা এবং পরে পূর্বে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো।

পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্য:
- দুই-মুখী যুদ্ধের এড়ানো: জার্মানি একই সাথে ফ্রান্স এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে না পারায় প্রথমে ফ্রান্সকে দ্রুত পরাজিত করার উপর জোর দেওয়া হয়।
- বেলজিয়ামের মাধ্যমে আক্রমণ: জার্মানি নিরপেক্ষ বেলজিয়ামের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে প্রবেশের পরিকল্পনা করেছিল, কারণ এটি দ্রুততম পথ ছিল।
- প্যারিসে অভিযান: প্যারিস দখল এবং ফ্রেঞ্চ বাহিনীর প্রধান অংশ ধ্বংস করার মাধ্যমে ফ্রান্সকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার পরিকল্পনা করা হয়।
- পরবর্তী ধাপে রাশিয়া: ফ্রান্স পরাজিত হওয়ার পর পুরো জার্মান বাহিনী পূর্ব দিকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মোতায়েন করা হবে।

ব্যর্থতা: শ্লিফেন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, কারণ:
- বেলজিয়ামের প্রতিরোধ জার্মানির অগ্রযাত্রা ধীর করে দেয়।
- ব্রিটিশ বাহিনী দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়।
- রাশিয়া পূর্ব ফ্রন্টে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়।
- ফ্রান্স মার্ন যুদ্ধের সময় সফলভাবে জার্মানদের থামিয়ে দেয়।
- এই পরিকল্পনার ব্যর্থতা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী trench warfare-এ রূপান্তরে ভূমিকা রাখে।

উৎস: Britannica.
২৪.
নিচের কোনটি চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল?
  1. হংকং
  2. ম্যাকাও
  3. তাইওয়ান
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
চীন (China):
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি বৃহৎ দেশ।
- চীন হলো পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ।
- এটি পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক-চতুর্দশ অংশ দখল করে আছে।
- আকারে এটি পুরো ইউরোপ মহাদেশের সমান।
- বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর একটি।
- ২০২৩ সালে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ভারত জনসংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে যায়।
- তাইওয়ান ১৯৪৯ সাল থেকে আলাদা প্রশাসনের অধীনে রয়েছে।
- বেইজিং: রাজধানী, সাংস্কৃতিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- সাংহাই: প্রধান শিল্পনগরী।
- হংকং: প্রধান বানিজ্যিক ও বন্দর নগরী।
- চীন একটি প্রাচীন সভ্যতার দেশ, যার রয়েছে বিশাল ভূখণ্ড, সমৃদ্ধ ইতিহাস, এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি।

প্রশাসনিক বিভাগ: চীনে মোট ৩৩টি প্রশাসনিক একক আছে—
- ২২টি প্রদেশ
- ৫টি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল
- ৪টি পৌর এলাকা (বেইজিং, সাংহাই, তিয়ানজিন, চোংকিং)
- ২টি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (হংকং ও ম্যাকাও)

উৎস: Britannica.
২৫.
‘ওয়েটাঙ্গি চুক্তি’ (১৮৪০) কারা স্বাক্ষর করেছিল?
  1. নিউজিল্যান্ড সরকার ও চীন
  2. ব্রিটিশ সরকার ও অস্ট্রেলিয়ান আদিবাসী
  3. ব্রিটিশ সরকার ও মাওরি জনগণ
  4. মাওরি জনগণ ও ফরাসি উপনিবেশবাদী
ব্যাখ্যা
ওয়েটাঙ্গি চুক্তি (Waitangi Treaty):
- ১৮৪০ সালে নিউজিল্যান্ডের মাওরি জনগণ এবং ব্রিটিশ ক্রাউন (যুক্তরাজ্য সরকার)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক চুক্তি।
- এটি নিউজিল্যান্ডের প্রতিষ্ঠার মূল নথি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সাক্ষরের স্থান: ওয়েটাঙ্গি, নিউজিল্যান্ড।
- উদ্দেশ্য:নিউজিল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা।
- মাওরি জনগণের ভূমি অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
- চুক্তিটি ইংরেজি এবং মাওরি ভাষায় রচিত, তবে উভয় ভাষার মধ্যে ব্যাখ্যাগত পার্থক্য আছে।
- মাওরি জনগণের ভূমি, সম্পদ এবং স্বায়ত্তশাসনের স্বীকৃতি দিলেও বাস্তবে ব্রিটিশ উপনিবেশ স্থাপনে মাওরি অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়।
- এই চুক্তি নিয়ে বিতর্ক এবং পুনর্বিবেচনার দাবি আজও চলছে।
- ওয়েটাঙ্গি চুক্তি নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস, আইন এবং সংস্কৃতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: NZ History Gov Website.
২৬.
আজটেক সভ্যতা ধ্বংসের জন্য কে দায়ী ছিলেন?
  1. আলেকজান্ডার
  2. হারনান কর্তেজ
  3. কলম্বাস
  4. ড্রেক
ব্যাখ্যা
হারনান কর্তেজ:
- হারনান কর্তেজ (হার্নান্দো কর্তেজ) ছিলেন অ্যাজটেক সাম্রাজ্য বিজয়ী স্প্যানিশ অভিযাত্রী। 
- হারনান কর্তেজ জন্মগ্রহণ করেন ১৪৮৫ সালে, স্পেনের মেদেলিন শহরে।
- তিনি ছিলেন একজন স্প্যানিশ কনকিস্তাদর (দখলদার যোদ্ধা)।
- ১৫১৯-২১ সালে তিনি অ্যাজটেক সাম্রাজ্য ধ্বংস করে মেক্সিকো জয় করেন।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৫১৯ সালে কোর্তেস ১১টি জাহাজ, ৫০০ সৈন্য, ১৬টি ঘোড়া নিয়ে ইউকাটান উপকূলের দিকে যাত্রা করেন।
- টাবাসকোতে অবতরণ করে স্থানীয়দের সমর্থন ও উপহার পান, যার মধ্যে মালিনচে নামে এক নারীও ছিলেন, যিনি পরে তার অনুবাদক, সহচর এবং সন্তানের জননী হন।
- কোর্তেস ভেরাক্রুজ শহর প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে “ক্যাপ্টেন জেনারেল” ঘোষণা করে কিউবার গভর্নর ভেলাসকেজের অধীনতা প্রত্যাখ্যান করেন।
- সৈন্যদের পালানোর পথ রোধ করতে নিজের সব জাহাজ ডুবিয়ে দেন, যেটি ছিল তার জয়ের জন্য এক চূড়ান্ত পদক্ষেপ।
- কোর্তেস যুদ্ধের পাশাপাশি কূটনৈতিক উপায়ে বিভিন্ন উপজাতিকে তার পক্ষে টানেন, বিশেষ করে ত্লাসকালা গোষ্ঠী।
- ৮ নভেম্বর, ১৫১৯ সালে মাত্র ১,০০০ ত্লাসকালান সহযোগী ও কিছু স্প্যানিশ সৈন্য নিয়ে তিনি অ্যাজটেক রাজধানী টেনোচতিতলানে প্রবেশ করেন।
- কোর্তেস অ্যাজটেক সম্রাট মন্তেজুমাকে বন্দি করেন যেন রাজাকে দিয়ে দেশ শাসন করা যায়।
- পরে কিউবা থেকে পাঠানো নারভায়েজ নামক এক স্প্যানিশ নেতাকে পরাজিত করে তার সৈন্যদের দলে নেন।
- এদিকে, কোর্তেসের অনুপস্থিতে টেনোচতিতলানে বিদ্রোহ শুরু হয়। কোর্তেস ফিরে এসে শহর ত্যাগ করেন – যেটি ছিল "নিশীথে কান্নার রাত" (La Noche Triste) নামে পরিচিত।
- ডিসেম্বর ১৫২০-তে কোর্তেস আবার অভিযান শুরু করেন।
- ১৩ আগস্ট, ১৫২১-তে টেনোচতিতলান সম্পূর্ণরূপে দখল করেন, যা অ্যাজটেক সাম্রাজ্যের পতন ঘটায়।
- তিনি মেক্সিকোর বৃহৎ অংশের একচ্ছত্র শাসক হন।
- স্পেনের রাজা কার্লোস পঞ্চমের কাছে পাঁচটি চিঠিতে অভিযানের বিবরণ পাঠান, যাতে তার ভূমিকার স্বীকৃতি আদায় করা যায়।
- যদিও তিনি একটি স্বাধীন রাজ্য গঠনের সুযোগ পেয়েছিলেন, তবুও রাজভক্ত থাকার কারণে স্পেনের অধীনেই থেকে যান।

উৎস: Britannica.
২৭.
কোন মুদ্রার মান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি?
  1. বাহরাইনি দিনার
  2. কুয়েতি দিনার
  3. মার্কিন ডলার
  4. ওমানি রিয়াল
ব্যাখ্যা
কুয়েতি দিনার (KWD): 
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মূল্যের মুদ্রা হল কুয়েতি দিনার (KWD)। 

- কুয়েতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং তেল-নির্ভর অর্থনীতির কারণে এর মূল্য অনেক বেশি। 
- জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বব্যাপী ১৮০টি মুদ্রাকে স্বীকৃতি দেয়, যা ১৯৫টি দেশে বৈধ দরপত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কুয়েতি দিনার (KWD) বিশ্বের সর্বোচ্চ মূল্যবান মুদ্রার খেতাব ধারণ করে।
- ১৯৬০ সালে প্রবর্তিত এই মুদ্রাটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা হিসেবে ধারাবাহিকভাবে তার অবস্থান বজায় রেখেছে।
- কুয়েতের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, এর বিশাল তেলের মজুদ এবং করমুক্ত ব্যবস্থা দ্বারা শক্তিশালী, এর মুদ্রার উচ্চ চাহিদাকে চালিত করে।

উল্লেখ্য,
- বাহরাইনি দিনার (BHD) বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী মুদ্রা হিসাবে স্বীকৃত।
- ওমানি রিয়াল (OMR) বিশ্বের তৃতীয় সবচেয়ে মূল্যবান মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃত।
-  মার্কিন ডলার (USD) বিশ্বের শক্তিশালী মুদ্রাগুলির মধ্যে দশম স্থানে রয়েছে।

উৎস: ফোর্বস ইন্ডিয়া (২৪ এপ্রিল, ২০২৫)
২৮.
‘রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন’ (CWC) অনুযায়ী রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস ও তদারকির কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IAEA
  2. OPCW
  3. NATO
  4. ICC
ব্যাখ্যা
- CWC বাস্তবায়নের জন্য OPCW (Organization for the Prohibition of Chemical Weapons) গঠিত হয়, যারা রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস ও তদারকির কাজ করে।

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখযোগ্য উদাহরণ:
- সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ এবং OPCW-এর তদন্ত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
২৯.
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কেন্দ্র কোনটি?
  1. কুয়ালালামপুর
  2. মালে
  3. পুত্রজায়া
  4. কলম্বো
ব্যাখ্যা
মালয়েশিয়া:
- মালয়েশিয়া একটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ।
- দেশটি দুটি প্রধান অঞ্চল নিয়ে গঠিত: পশ্চিম মালয়েশিয়া (মালয় উপদ্বীপ) এবং পূর্ব মালয়েশিয়া (বোর্নিও দ্বীপের অংশ)।
- এর মোট এলাকা ৩৩০,৮৭৭ বর্গকিলোমিটার এবং ২০২৪ সালের আনুমানিক জনসংখ্যা ৩৩.২ মিলিয়ন।
- রাজধানী কুয়ালালামপুর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র পুত্রজায়া।
- দেশটির প্রধান ভাষা মালয়, এবং ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম।
- এটি জাতিগতভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ, যেখানে মালয়, চীনা, এবং আদিবাসী সম্প্রদায়দের পাশাপাশি দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠী রয়েছে।
- অর্থনীতিতে পাম তেল, রাবার উৎপাদন, পেট্রোলিয়াম এবং ইলেকট্রনিক পণ্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- মালয়েশিয়া একটি ফেডারাল সাংবিধানিক রাজতন্ত্র, যেখানে প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণে পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- এটি ১৯৫৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
- মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত​।
- মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ থেকে ২০০৩ এবং পরে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তার নেতৃত্বে মালয়েশিয়া এশিয়ার অন্যতম শিল্প অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের ঘনবসতিপূর্ণ রাজধানী হল মালে।
- কলম্বো শ্রীলঙ্কার শহর, নির্বাহী এবং বিচার বিভাগীয় রাজধানী । ( কলম্বোর একটি উপশহর শ্রী জয়বর্ধনেপুরা কোট্টে, আইনসভার রাজধানী।)

উৎস: Britannica.