পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
চুনের পানিতে লিটমাস পেপার ডুবালে কী হয়?
  1. ক) লাল লিটমাস নীল হয়
  2. খ) নীল লিটমাস লাল হয়
  3. গ) লাল লিটমাস সাদা হয়
  4. ঘ) নীল লিটমাস কালো হয়
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি --> ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
Ca(OH)2, স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত। এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে। স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2, পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
আর, পানিতে Ca(OH)2, এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়।

লিটমাস পেপার এসিডে ডুবালে নীল লিটমাস লাল হয়।
আবার, ক্ষারকের দ্রবণে ডুবালে লাল লিটমাসকে নীল করে।

চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার ক্ষারকীয় দ্রবণ। তাই এতে লিটমাস পেপার ডুবালে লাল লিটমাস নীল হবে।
.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) সকল ক্ষারকই ক্ষার কিন্তু সকল ক্ষার ক্ষারক নয়।
  2. খ) সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।
  3. গ) সকল ক্ষারকই পানিতে দ্রবীভূত হয়।
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
খ) সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সকল ক্ষারই ক্ষারক কিন্তু সকল ক্ষারক ক্ষার নয়।
ব্যাখ্যা
- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।
- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক। সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।
- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।

সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
.
সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের ____ লবণ।
  1. ক) সোডিয়াম
  2. খ) ক্যালসিয়াম
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) বেরিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
- সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি
.
ইলেক্ট্রনের আপেক্ষিক ভর -
  1. ক) 9.11 × 10-31 kg
  2. খ) 9.11 × 10-28 kg
  3. গ) 1.6 × 10-19 kg
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনের ভর =  9.11 × 10-31 kg
- এই ভর প্রোটন ও নিউট্রনের তুলনায় ১৮৪০ গুণ কম। তাই ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর 0 ধরা হয়।
- ইলেক্ট্রনের চার্জ = 1.60217662 × 10-19 coulombs অথবা,  - 1.6 × 10-19 C
- ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে জে থমসন।

উৎসঃ রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভূপৃষ্ঠে যে ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমানে আছে -
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)।
লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।

Source: space.com
.
উড়োজাহাজের বডি তৈরিতে কোন সংকর ধাতু ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নাইটিনল
  2. খ) ক্রায়োলাইট
  3. গ) ডুরালমিন
  4. ঘ) গান মেটাল
সঠিক উত্তর:
গ) ডুরালমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডুরালমিন
ব্যাখ্যা
উড়োজাহাজের বডি, বাইসাইকেলে পার্টস ইত্যাদিতে সংকর ধাতু ডুরালমিন ব্যবহৃত হয়৷
ডুরালমিনে আছে ৯৫% এলুমিনিয়াম, ৪% কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও লোহা ১%৷

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) সংযোজক
  4. ঘ) বিজারক
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
.
ড্রাই সেলে ধনাত্মক পাত হিসেবে কাজ করে -
  1. ক) কার্বন দণ্ড
  2. খ) সীসার কৌটা
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন দণ্ড
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ কোষ প্রধাণত দুই প্রকার। যথা- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ ও শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষ।

শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে দস্তার তৈরি চোঙ এবং একটি কার্বন দন্ড ব্যবহৃত হয়। দস্তার চোঙে নিশাদল, কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের মিশ্রণের সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে লেই বা কাদার মত অবস্থায় দস্তার চোঙের মধ্যে ভর্তি করা হয়। চোঙের মধ্যে একি কার্বনের দন্ড এমনভাবে বসানো হয় যাতে তা চোঙটিকে স্পর্শ না করে।
কার্বন দন্ডটির মাথায় পিতলের টুপি লাগানো থাকে। কার্বন দন্ডের চারপাশে গালা বা পিচের স্তর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

এ কোষের দস্তার চোঙটি ঋণ-মেরু এবং কার্বন দন্ড ধন-মেরু হিসেবে কাজ করে। এ কোষে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড পোলারন নিবারনের কাজ করে।
এতে সাধারণত ১.৫ ভোল্ট চাপের বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
.
নিচের কোন জৈব যৌগটিতে হাইড্রোজেনের উপস্থিতি নেই?
  1. ক) ফরমালিন
  2. খ) বিউটিন
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) ইথাইন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা
- গ্যামাক্সিন, হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, পাইরিন, ক্লোরোপিক্রিন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি হলো হাইড্রোজেনবিহীন জৈব যৌগ।
- ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১০.
কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) n- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  2. খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  3. গ) z- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমানো হলে বিদ্যুৎ খরচ -
  1. ক) কম হয়
  2. খ) বেশি হয়
  3. গ) একই হয়
  4. ঘ) হয় না বললেই চলে
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম হয়
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমেই আমরা বৈদ্যুতিক পাখার কার্যপ্রণালী সম্পর্কে কিছুটা জেনে নিবো।

প্রথমেই দেখা যাক বৈদ্যুতিক পাখা কীভাবে ঘোরে:

একটি পাখায় একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং কয়েকটি ধাতব ব্লেড (সাধারণত ৩টি), সংযুক্ত থাকে। যখন আমরা একটি পাখার সুইচ অন করি, তখন ভোল্টেজের পার্থক্যের জন্য মোটরটির মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ যায় এবং তার ফলাফল হিসাবেই পাখাটি ঘুরতে থাকে। নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর মোটরের ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মোটরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ কমিয়ে বা বাড়িয়ে দেয়।

সুতরাং, একটি পাখার ভোল্টেজর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে তার নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটরের ওপর নির্ভরশীল। আর একটি পাখার ভোল্টেজের পরিমাণ তার ঘূর্ণন গতির সমানুপাতী, অর্থাৎ ভোল্টেজ যত বাড়বে, পাখার গতিও ততটাই বাড়বে।

এখন, বিভিন্ন রেগুলেটর ও তাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা যাক:

এই মুহূর্তে, বাজারে মোটামুটি দুই ধরনের রেগুলেটর পাওয়া যায়—

১) ইলেক্ট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য রোধ বসানো থাকে। যখন পাখার ভোল্টেজ কমানো হয় তখন রোধটি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আর বিদ্যুৎ সরবরাহ কমার কারণে পাখার গতিও কমে যায়। কিন্তু এর ফলে পাখার ভোল্টেজ তথা গতি কমিয়ে যে বিদ্যুৎ বাঁঁচানো হয়, সেই বিদ্যুৎ এই রোধ-মধ্যস্থ তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত, এই রেগুলেটরের মাধ্যমে পাখার গতি কমিয়ে বিদ্যুৎ খরচ বিশেষ কমে না বললেই চলে।ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

২) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর (Electronic Regulator): এই রেগুলেটরগুলিতে পাখার ভোল্টেজ হ্রাস করার জন্য মূলত ট্রায়াক থাকে যার গেটে ট্রিগার নিয়ন্ত্রণ করে ফ্যানের ভোল্টেজের সাইন ওয়েভকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভোল্টেজের আরএমএস ভ্যালুকে পরিবর্তন করে ফ্যানের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এইগুলি কখনই গরম হয়ে ওঠে না, ফলে পাখা যখন কম গতিতে চলে তখন যথেষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। সাধারণত ইলেকট্রনিক রেগুলেটরগুলি ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরগুলির থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ বেশী বিদ্যুতসাশ্রয়ী।

তাই সবশেষে বলা যেতে পারে, বৈদ্যুতিক পাখা কম গতিতে চালালে বিদ্যুৎ খরচ তখনই কম হবে যখন ইলেক্ট্রিক রেগুলেটরের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহৃত হবে।
১২.
ব্ল্যাক হোলের ভর -
  1. ক) প্রায় শূন্য
  2. খ) শূন্য
  3. গ) সসীম
  4. ঘ) অসীম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
১৩.
হাইড্রোজেন পরমাণুর বর্ণালীর ধারণা কোন পরমাণু তত্ত্ব থেকে পাওয়া যায়?
  1. ক) রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল
  2. খ) বোর পরমাণু মডেল
  3. গ) হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্র
  4. ঘ) প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তথ্য
সঠিক উত্তর:
খ) বোর পরমাণু মডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বোর পরমাণু মডেল
ব্যাখ্যা
পরমাণুর ইলেক্ট্রন যখন নিম্ন শক্তি স্তর থেকে উচ্চ শক্তিস্তরে বা উচ্চ শক্তি স্তর থেকে নিম্ন শক্তিস্তরে গমন করে তখন শক্তির শোষণ বা বিকিরণ ঘটে যার কারণে বর্ণালীর উৎপন্ন হয়। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল অনুসারে কোনাে মৌলের পারমাণবিক বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায় না।
কিন্তু বােরের পরমাণু মডেল অনুসারে এক ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণু হাইড্রোজেন (H) এর বর্ণালি ব্যাখ্যা করা যায়।