পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বি.সি.এস. প্রিলি সিলেবাসের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহের উপর বিশেষ পরীক্ষা - ০৭ টপিক - ১: বাংলা সাহিতের প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যকর্ম, সাহিত্য বিষয়ক পত্রিকা ও সাময়িকী, কবি-সাহিত্যিকদের ছদ্মনাম। [২৫ নম্বর]; টপিক - ২: বাংলাদেশ বিষয়াবলি - আদমশুমারি, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, জাতীয় বাজেট, পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ। [১৫ নম্বর] দ্রষ্টব্য: ১০ জুন, ২০২২ তারিখ থেকে ৪৫তম বি.সি.এস. প্রস্তুতির নতুন রুটিন শুরু হবে। ডেইলি কুইজ ও নতুনদের বি.সি.এস. বাটনে একযোগে পরীক্ষা চলবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
'শূণ্যপুরান' কোন ধরনের রচনা?
  1. ক) কাব্য
  2. খ) কাব্যগ্রন্থ
  3. গ) গদ্য
  4. ঘ) গানের সংকলন
ব্যাখ্যা
- রামাই পণ্ডিত রচিত বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বীয় কাব্যগ্রন্থের নাম ‘শূন্যপুরাণ’।
- শূন্যপুরাণ বিশেষভাবে ধর্মপূজা পদ্ধতি।
- কাব্যগ্রন্থটি ৫১ টি অধ্যায়ে বিভক্ত।
- শূন্যপুরাণ চম্পুকাব্যের নিদর্শন।
- গদ্য ও পদ্য মিশ্রিত কাব্যকে চম্পুকাব্য বলে।
- বিশ্বকোষ প্রণেতা নগেন্দ্রনাথ বসু তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে ১৩১৪ বঙ্গাব্দে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ’ থেকে শূন্যপুরাণ নামকরণ করে প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'কড়চা' বলতে কী বুঝেন?
  1. ক) ছড়া
  2. খ) এক প্রকার চটুল কাব্য
  3. গ) জীবনী সাহিত্য
  4. ঘ) ডায়েরি
ব্যাখ্যা
- 'কড়চা' কথাটির আধুনিক অর্থ দাড়িয়েছে দিনিলিপি বা ডায়েরি। 
- তবে মুরারি গুপ্ত ও স্বরুপ দামোদারের কল্যানে চৈতন্যজীবনি গ্রন্থ কড়চা বলে অভিহিত হয়েছে। 
- তাঁরা  চৈতন্যজীবন কাহিনি শ্লোকে পরিবেশন করে কড়চা বলে নির্দেশ করেছেন। 
- সুকুমার সেনের মতে, "কড়চা শব্দটি আসিয়াছে প্রাকৃত 'কটকচ্চ' সংস্কৃত 'কৃতকৃত্য' হইতে। কট শব্দটি প্রাচীন অনুশাসনে 'খসড়া লেখা' (original draft)অর্থেই পাওয়া গিয়াছে। কড়চার অর্থও এই বুৎপত্তির অনুরূপ খসড়া রচনা , স্মারকলিপি, সংক্ষিপ্ত বক্তব্য।"

উৎস:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিম্নোক্ত কোন সময়টি 'চৈতন্য যুগ' হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ১২০০-১৩০০
  2. খ) ১২০১-১৩৫০
  3. গ) ১৫০০-১৭০০
  4. ঘ) ১৮০১ - বর্তমান
ব্যাখ্যা
- ১৫০০- ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ সময়কে বাংলা সাহিত্যের চৈতন্য যুগ বলা হয়।
- ১২০১-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়। 
- ১৮০১ - বর্তমান আধুনিক যুগ বলা হয়। 

- ৬৫০ - ১২০০ খ্রিস্টাব্দ সময়কে প্রাচীন যুগ বলা হয়।

উৎস:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘প্রগতি’ মাসিকপত্রটি প্রকাশিত হয়-
  1. ক) ঢাকা থেকে
  2. খ) কুষ্টিয়া থেকে
  3. গ) কলকাতা থেকে
  4. ঘ) রংপুর থেকে
ব্যাখ্যা
- 'প্রগতি' ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- মাসিকপত্র ‘প্রগতি’ র  সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, ‘প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে-
  1. ক) ৭.৪০%
  2. খ) ৮.১৫%
  3. গ) ৮.৪১%
  4. ঘ) ৮.৫১%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা
- মাথাপিছু আয় - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর

- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল- ৭.৪০%।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.১৫%।


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
.
আউশ ধান রোপনের সময়-
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
  3. গ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ঘ) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট

আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল-
  1. ক) ১৯৭২-১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৩-১৯৭৮
  3. গ) ১৯৭৩-১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৭৪-১৯৭৮
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০-২০২৫।

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।

- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ  -  সদস্য
 - সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ - সদস্য-সচিব


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা বিভাগ এবং শিক্ষা পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা , এম এড প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে?
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৭ টি
  4. ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
.
'আদমশুমারি-২০১১' অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ১.৩৭%
  2. খ) ১.৩০%
  3. গ) ১.১%
  4. ঘ) ১.২%
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭% (প্রাথমিক রিপোর্টে ১.৩৪% ছিল)
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩৭%।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩০%।
- বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিলের ২০২০ সালের রিপোর্ট অনুসারে ছিল ১.১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১০.
তরমুজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদন হয় খুলনা বিভাগে (৮৫,১৪১ মে.টন)।
- দ্বিতীয় – বরিশাল (৮৩,৬৬৭ মে.টন)

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদন হয় খুলনা জেলায় (৭৫,৭৬২ মে.টন)।
- দ্বিতীয় – ভোলা জেলা (৫৯,৮৯৩ মে. টন)

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০