পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes১৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান: (রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক) ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
বরফ গলতে শুরু করে কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়?
  1. ক) ০° সেন্টিগ্রেড
  2. খ) ৪° সেন্টিগ্রেড
  3. গ) ১০° সেন্টিগ্রেড
  4. ঘ) ১০০° সেন্টিগ্রেড
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেন্টিগ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেন্টিগ্রেড
ব্যাখ্যা
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন।
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায়।  আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব।
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক।
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে।
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটির আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) খাবার লবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে।

কঠিন পদার্থ
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়।
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
কঠিন পদার্থ: ইট, কাঠ, পাথর, খাবার লবণ, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি।
তরল পদার্থ: দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি।
বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ: অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাহ্যিক চাপের প্রভাবে সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে একমুখী বের হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) শ্বসন
  2. খ) ব্যাপন
  3. গ) অভিস্রবন
  4. ঘ) নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ:
- নিঃসরণ শব্দের অর্থ হচ্ছে নির্গমন বা বাইরে বেরিয়ে আসা। 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়।
- রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে কোন ধরনের কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সাবান তৈরির উপাদান
  2. খ) পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ
  3. গ) উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- দেহ, কাপড়-চোপড় এবং দ্রব্য সামগ্রীর উপর জমা ময়লা পরিষ্কার করার জন্য যে সব দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয় তাদেরকে পরিষ্কারক সামগ্রী বলে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়।
- সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। 
- এছাড়াও ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং জীবাণুনাশক পদার্থ।
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
কোনটিকে কৃত্রিম তন্তুর প্রথম ও প্রধান তন্তু বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) তুলা
  2. খ) রেশম
  3. গ) রেয়ন
  4. ঘ) পশম
সঠিক উত্তর:
গ) রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেয়ন
ব্যাখ্যা
রেয়ন
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক উদ্ভিজ সেলুলোজ থেকে রেয়ন প্রস্তুত করা হয়। 
- কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে রেয়ন হলো প্রথম ও প্রধান তন্তু। 
- রেয়ন বস্ত্র মোটামুটি টেকসই হলেও বেশ সুন্দর, উজ্জ্বল, অভিজাত ও মনোরম।
- অধিক তাপে রেয়ন গলে যায়। তাই রেয়ন বস্ত্র কম তাপে সতর্কতার সাথে ইস্ত্রি করা উচিত। 
- রেয়ন তৈরির উপজাত পরিবেশের জন্য হুমকি। রেয়ন শিল্পে পরিবেশ বান্ধব প্রস্তুতি নিতে হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
PH এর মান দ্বারা পানিতে কিসের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) ম্যাগনেসিয়াম
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) ক্যালসিয়াম
  4. ঘ) লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
PH স্কেল:
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন PH স্কেল ব্যবহার করেন।
- PH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- PH এর মান দ্বারা পানিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) -এর পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।  
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) -এর ঘনমাত্রার ঋনাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের PH বলে। অর্থাৎ PH= -log[H+
- PH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের PH মাপা হয়।
- PH মিটারে PH স্কেল থাকে।
- দ্রবণের PH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের PH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোন বাক্যটি সত্য নয়?
  1. ক) প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
  2. খ) ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
  3. গ) পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে
  4. ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে অবস্থান করে
ব্যাখ্যা
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান থাকে। নিউট্রন সংখ্যা কখনো সমান আবার কখনো বেশি থাকে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।  

ইলেকট্রন: পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। এর ভর অতি সামান্য। একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। ইলেকট্রনের সংকেত e¯। ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28 g ও -1.60×10 -19 C। আপেক্ষিক আধান -1।

প্রোটন: ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। ইহার সংকেত H+। প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60×10-19 C। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। প্রোটনের আরেকটি সংকেত P। আপেক্ষিক আধান +1।

নিউট্রন: নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n। নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g। আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিম্নের কোনটি বিজারক পদার্থের উদাহরণ?
  1. ক) ফ্লোরিন
  2. খ) ক্লোরিন
  3. গ) সালফিউরিক এসিড
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4 প্রভৃতি জারক পদার্থ। 

- বিজারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়।
- পর্যায় তালিকার গ্রুপ এ অবস্থিত মৌলসমূহ যেমন: H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। এছাড়াও Mg, Ca, SO2, H2S প্রভৃতি বিজারক পদার্থ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পানিতে দ্রবীভূত হয় না নিম্নের কোন লবণটি?
  1. ক) চুনাপাথর
  2. খ) অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট 
  3. গ) অ্যামোনিয়াম ফসফেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) চুনাপাথর ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
মূলত চুনাপাথরের রাসয়নিকের নামই হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

- যে লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে তা হলো- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম গ্লুটামেট (C₅H₈NO₄Na) লবণ।
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য চুনাপাথর (CaCO₃) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ।
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয় তার বেশির ভাগই লবণ। যেমন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH₄)₃PO₄), পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO₃) ইত্যাদি।
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO₄) কৃষিজমিতে ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ, যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
- প্রায় সব লবণই পানিতে দ্রবণীয় তবে কিছু কিছু লবণ আছে যা পানিতে দ্রবীভূত হয় না। যেমন: ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (CaCO₃), সিলভার সালফেট (Ag₂SO₄), সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) ইত্যাদি

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
চতুর্থ শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ১৮ টি
  4. ঘ) ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
ব্যাখ্যা
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়।
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n² । যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
এ সূত্রানুসারে,
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1, অতএব
K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 1²) টি = 2 টি
- দ্বিতীয় বা L শক্তিস্তরের জন্য n = 2, অতএব
L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 2²) টি = 8 টি
- তৃতীয় বা M শক্তিস্তরের জন্য n = 3, অতএব
M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 3²) টি = 18 টি
- চতুর্থ বা N শক্তিস্তরের জন্য n = 4, অতএব
N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 4²) টি = 32 টি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১.
নিম্নের কোনটিকে তন্তুর রাণি বলা হয়?
  1. ক) তুলা
  2. খ) পশম
  3. গ) রেশম
  4. ঘ) রেয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) রেশম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেশম
ব্যাখ্যা
রেশম:
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- বিলাসবহুল বস্ত্র তৈরিতে রেশম তন্তুর বিকল্প মেলা ভার। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
প্রাকৃতিক উদ্ভিজ তন্তুর মধ্যে সর্বাধিক ব্যবহৃত তন্তু নিম্নের কোনটি?
  1. ক) কার্পাস তুলা
  2. খ) রেশম 
  3. গ) পশম
  4. ঘ) রেয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) কার্পাস তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্পাস তুলা
ব্যাখ্যা
তুলা
- আমাদের সকলেরই সুতি কাপড় পরার অভিজ্ঞতা আছে। তুলা দিয়ে তৈরি সুতার তাপ পরিবহন এবং পরিচালন ক্ষমতা বেশি থাকার কারণে গরমকালে সুতির পোষাক পরে আমরা বেশ স্বস্তি বোধ করি।
- প্রাকৃতিক উদ্ভিজ তন্তুর মধ্যে কার্পাস তুলা সর্বাধিক ব্যবহৃত তন্তু। এই তুলার আঁশ থেকে সুতা তৈরি হয়। 
- অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে সুতার তন্তুটিকে নলের মতো দেখায় এবং এই নলের ভিতরের ফাঁপা অংশটিকে লুমেন (Lumen) বলে। 
- তুলার তন্তুগুলোকে রোদে শুকালে নলাকৃতি তন্তুটি চ্যাপ্টা হয়ে মোচড়ানো ফিতার মতো আকার ধারণ করে। ফিতার মতো প্রতিটি সুতার আঁশে ১০০ থেকে ২৫০ টি পর্যন্ত পাক বা মোচড় থাকে। 
- সুতি কাপড় আপাতদৃষ্টিতে তেমন উজ্জ্বল না হলেও সুতি বস্ত্র বেশ টেকসই হয়। কারণ সুতা বস্ত্র তৈরির সময় তন্তুর মোচড়ানো পাকগুলো একে অন্যের সাথে সুন্দরভাবে মিশে যায়।
- ময়েশ্চারাইজেশন (moisturization) এর মাধ্যমে সুতি কাপড়কে উজ্জ্বল ও চকচকেও করা যায়। 
- সুতি বস্ত্র যথেষ্ট আরামদায়ক, পঁচনশীল এবং পরিবেশ বান্ধব। তাই সুতি বস্ত্রের চাহিদা সারা পৃথিবীতে ক্রমেই বেড়ে চলছে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩.
রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় নিচের কোনটি দ্বারা? 
  1. ক) দুর্বল এসিড
  2. খ) দুর্বল ক্ষার
  3. গ) জলীয় বাষ্প
  4. ঘ) ওজোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার:
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার।
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়। রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী। তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪.
পরমশূন্য তাপমাত্রা কত?
  1. ক) 0°C
  2. খ) -100°C
  3. গ) -273°C
  4. ঘ) 273K
সঠিক উত্তর:
গ) -273°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) -273°C
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে।
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো -273°C। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
১৫.
একটি আদর্শ তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বল সর্বদা-
  1. ক) শূন্য
  2. খ) কম
  3. গ) বেশি
  4. ঘ) একই
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই
ব্যাখ্যা
- সাধারণ বিদ্যুৎ কোষ থেকে বেশ কিছু সময় ধরে তড়িৎ প্রবাহ গ্রহণ করলে এদের তড়িচ্চালক বল ক্রমশ কমতে থাকে। 
- যে তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বল সর্বদা একই থাকে এবং যার সাহায্যে প্রমিতকরণ কাজ সম্পন্ন করা যায় তাকে প্রমাণ বা আদর্শ কোষ বলে। যেমন: ওয়েস্টান-ক্যাডমিয়াম ও ল্যাটিমার ক্লার্ক কোষ এ ধরনের কোষ।
অর্থাৎ যে তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বলের মান সর্বদা একই থাকে এবং যার সাহায্যে অন্য তড়িৎ কোষের বিদ্যুচ্চালক বলের তুলনা করা হয়, তাকে প্রমাণ বা আদর্শ তড়িৎ কোষ বলে।
- একটি আদর্শ তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক বল সর্বদা একই থাকে। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।