পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষে ঘুরে আসতে যা সময় লাগে তাকে বলা হয় -
  1. ক) সৌরবর্ষ
  2. খ) আলোকবর্ষ
  3. গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
  4. ঘ) পালসার ইয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যালাকটিক ইয়ার
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আর সূর্য মিল্কি-ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
এই মধ্যবিন্দুর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে পৃথিবীর ২২৫-২৫০ মিলিয়ন বছর সময় লাগে, এই সময়টাকেই কসমিক ইয়ার বা গ্যালাকটিক ইয়ার বলে।
অর্থ্যাৎ ছায়াপথের নিজ অক্ষে আবর্তনকালকে কসমিক ইয়ার বলে।
সোর্সঃ ব্রিটানিকা
.
'ওয়ার্ম হোল' নামটির প্রচলন করেন কে?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
  3. গ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  4. ঘ) জন নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জন আর্চিবল্ড হুইলার
ব্যাখ্যা
জন আর্চিবল্ড হুইলার প্রখ্যাত মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব নিয়ে আইনস্টাইনের সাথে কাজ করেছিলেন । তিনি ব্ল্যাক হোল, ওয়ার্ম হোল এবং It from Bit নামগুলোর প্রণেতা হিসেবে পরিচিত।

ওয়ার্মহোল হল তাত্ত্বিকভাবে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি স্থানের বা স্থান-কালের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য তৈরি একটি টানেল স্বরূপ। এটির মাধ্যমে মহাবিশ্বের একটি স্থান থেকে অন্য একটি স্থানে কম সময়ের মাঝেই ভ্রমণ করা যায়। কেননা এটি প্রায় কয়েক বিলিয়ন আলোকবর্ষের পার্থক্যে থাকা মহাবিশ্বের দুটি বিন্দুকে মাত্র কয়েক মিটারের একটি টানেলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে দিতে পারে!
.
হিগস বোসন কণার নামের সাথে কোন বাঙালীর নাম সম্পৃক্ত?
  1. ক) জগদীশ্চন্দ্র বসু
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. গ) জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা
পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে শক্তি হিসেবে এমন একটি কণার ধারণা দেন যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং যার ফলে এ মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে এ কণাটিই হলো হিগের কণা। হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'। বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা। হিগস বোসন কণার অপর নাম- ঈশ্বর কণা। হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
.
বারিমণ্ডলের কতভাগ পানি সমুদ্র ধারণ করে?
  1. ক) ৯৭.২৫%
  2. খ) ৯৫.৬০%
  3. গ) ৯৮.৩৫%
  4. ঘ) ৯৬.৭৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টনঃ
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
জোয়ার-ভাটা তৈরিতে সূর্যের ক্ষমতা চন্দ্রের ক্ষমতার তুলনায়-
  1. ক) দ্বিগুণ
  2. খ) সমান
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) অর্ধেক
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্ধেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্ধেক
ব্যাখ্যা
চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত মহাকর্ষীয় শক্তির (প্রধানত চাঁদের কেননা,জোয়ার উৎপাদনে সূর্যের ক্ষমতা চন্দ্রের ৪/৯ ভাগ / প্রায় অর্ধেক। অর্থাৎচন্দ্রের ক্ষমতা সূর্যের ক্ষমতার দ্বিগুণ ) প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানি ফুলে ওঠাকে জোয়ার ও নেমে যাওয়ার ঘটনাকে ভাঁটা (একত্রে জোয়ার-ভাটা) বলা হয়।
.
ওজোন গ্যাস বায়ু মণ্ডলের কোন স্তরে বেশি পরিমাণে আছে?
  1. ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  2. খ) ট্রপোস্ফিয়ার
  3. গ) আয়নোস্ফিয়ার
  4. ঘ) এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
এই স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনো রকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
ঝড়-বৃষ্টি থাকেনা বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি
.
"একসময় পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল, কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে।" - এই তত্ত্বকে বলা হয় -
  1. ক) বিগ ব্যাং তত্ত্ব
  2. খ) সম্প্রসারণ তত্ত্ব
  3. গ) সঞ্চালন তত্ত্ব
  4. ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
- জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মতে, বহুকাল আগে পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একত্রে একটি মহাদেশ ছিল (প্যানজিয়া), কালের আবর্তে যা টেকটনিক প্লেট নামক প্লেটগুলোর নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই তত্ত্বটিকে বলা হয় মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব।
- ১৯১২ সালে আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব থেকেই টেকটনিক প্লেট ধারণাটির জন্ম হয়।
.
সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন কে?
  1. ক) চার্লস ডারউইন
  2. খ) ল্যামার্ক
  3. গ) জেনোফেন
  4. ঘ) হার্বার্ট স্পেন্সার
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনোফেন
ব্যাখ্যা
- ল্যামার্ক 'বায়োলজি’ শব্দটির প্রতিষ্ঠাতা এবং তিনি প্রথম বিবর্তন বা অভিব্যক্তির ওপর বিশ্লেষণী তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। এ বিষয়টি তিনি ১৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর লেখা 'ফিলােসােফিক জুওলজিক' নামে একটি বইতে লিপিবদ্ধ করেন।

 -সর্বপ্রথম, জেনোফেন সময়ের সাথে সাথে জীবদেহের আকার পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে আনেন।
তারপর, এরিস্টটল বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনা করেন।

- হার্বার্ট স্পেন্সার সর্বপ্রথম Evolution শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

- জৈব বিবর্তনের জনক বলা হয় চার্লস ডারউইনকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান, ২০২১
.
কোন তত্ত্বের বিকাশের ফলে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়?
  1. ক) আপেক্ষিকতা
  2. খ) নিউটনীয় বলবিদ্যা
  3. গ) স্ট্রিং থিওরি
  4. ঘ) ক্যাওস থিওরি
সঠিক উত্তর:
ক) আপেক্ষিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আপেক্ষিকতা
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিক তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানে এক আলোড়ন সৃষ্টিকারী তত্ত্ব। এই তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই তত্ত্বের প্রবর্তক আলবার্ট আইনস্টাইন।
আপেক্ষিক তত্ত্বের মতে স্থান,কাল ও জড় বা ভর পরম কিছু নয়, আপেক্ষিক। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এই তত্ত্বের সূচনা করেন ১৯০৫ সালে বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব (special theory of relativity) প্রবর্তনের মাধ্যমে।
ভরের আপেক্ষিকতা ও ভরকে শক্তিতে রূপান্তর,এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে পারমাণবিক যুগের সূচনা হয়।

১০.
E = mc2 সূত্রে m দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ক) শক্তি
  2. খ) আলোর দ্রুতি
  3. গ) বস্তুর ভর
  4. ঘ) বস্তুর ওজন
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুর ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুর ভর
ব্যাখ্যা

E = mc2
এখানে,
E (energy) = শক্তি
M (mass) = ভর
C (Light-velocity) = আলোর বেগ = 3×108 (মি./সে.)
আইনস্টাইনের বিখ্যাত E = mc2 সূত্র দ্বারা, শক্তি ও ভর যে অভিন্নতা নির্দেশ করে।
এই সূত্র অনুসারে m ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ঐ ভরের সাথে আলোর বেগ (c) এর বর্গের গুনফল এর সমান।

১১.
কণা ও তরঙ্গ দ্বৈত ধর্মের অধিকারী -
  1. ক) ইলেক্ট্রন
  2. খ) পজিট্রন
  3. গ) ফোটন
  4. ঘ) বোসন
সঠিক উত্তর:
গ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফোটন
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১২.
আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) ভর-শক্তি সমতা
  2. খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
  3. গ) আপেক্ষিকতা
  4. ঘ) আলোর বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফটো তড়িৎ ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
কোয়ান্টাম তত্ত্বঃ ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।
- এই তত্ত্ব আলোক তড়িৎ ক্রিয়া, ব্লাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে পারলেও আলোর বিচ্ছুরণ, অপবর্তন, ব্যতিচার, সমাবর্তনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
শতকরা হিসেবে সমুদ্রের পানিতে লবণের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২-৩%
  2. খ) ২.৫-৩.৫%
  3. গ) ৩-৩.৫%
  4. ঘ) ২.৫-৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫-৩.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২.৫-৩.৫%
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
পুকুর, নদী বা বিলের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি।
সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ হয়।