পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়16 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 15” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- পরীক্ষা - ৫ বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -------------- টপিক: i) কম্পিউটার ও মোবাইল নেটওয়ার্কিং, টপোলজি, ডাটাবেজ, সংখ্যা পদ্ধতি, লজিক গেইট, সাইবার অপরাধ, ক্লাউড কম্পিউটিং। ii) কম্পিউটারের পেরিফেরালস, সফটওয়্যার, তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান, তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কিত Abbreviation. [নম্বর কাভার - ৮]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
কোনটি ইনপুট ও আউটপুট ফাংশন দুইই করতে সক্ষম?
  1. Printer
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Touch Screen
ব্যাখ্যা

• যে ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম, তা হলো Touch Screen। একটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে ডিভাইসে সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার সুযোগ দেয়, যেমন লেখা বা কমান্ড দেওয়া, যা ইনপুটের কাজ। পাশাপাশি, এটি ব্যবহারকারীকে ভিজ্যুয়াল বা গ্রাফিকাল আউটপুট দেখায়, যেমন অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারফেস বা ছবি প্রদর্শন করা। অন্যদিকে, প্রিন্টার শুধুমাত্র আউটপুট দেয়, মাইক্রোফোন শুধুমাত্র ইনপুট নেয়, এবং মাউস মূলত ইনপুট ডিভাইস। তাই, টাচ স্ক্রিনই একমাত্র ডিভাইস যা একই সঙ্গে তথ্য গ্রহণ এবং প্রদর্শনের কাজ করতে পারে। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারফেস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম কী নামে পরিচিত?
  1. Cloudera
  2. Azure
  3. Bing
  4. AWS
সঠিক উত্তর:
Azure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Azure
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মকে Azure নামে পরিচিত। এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুমুখী ক্লাউড সার্ভিস, যা ডেভেলপার ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং, স্টোরেজ, ডাটাবেস, এবং নেটওয়ার্কিং সুবিধা প্রদান করে। Azure ব্যবহার করে সংস্থাগুলি তাদের অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করতে, বড় ডেটা বিশ্লেষণ করতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং প্রজেক্ট তৈরি করতে পারে। এটি বিভিন্ন প্রকারের ক্লাউড মডেল-পাবলিক, প্রাইভেট, এবং হাইব্রিড ক্লাউড-সাপোর্ট করে। মাইক্রোসফটের Azure বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে দ্রুত, নিরাপদ এবং স্কেলযোগ্য ক্লাউড সেবা প্রদান করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) Azure।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়‍্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড প্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা। (তথ্য: ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত)

উৎস: মাইক্রোসফট এবং তাদের নিজস্ব অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

.
ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Integrated Modem Output
  2. Maximum Input Minimum Output
  3. Multiple Input Multiple Output
  4. Mixed Internet Multi Operation
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
ব্যাখ্যা

• ওয়্যারলেস যোগাযোগে MIMO-এর পূর্ণরূপ হলো Multiple Input Multiple Output। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা একাধিক অ্যান্টেনা ব্যবহার করে একই সময়ে একাধিক ডেটা স্ট্রিম প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। MIMO-এর মাধ্যমে ওয়্যারলেস সিগন্যালের ক্ষমতা ও গতি বৃদ্ধি করা সম্ভব, কারণ এটি সংকেতের বহুবিন্যস্ত পথ (multipath propagation) ব্যবহার করে আরও বেশি ডেটা একসাথে পাঠাতে পারে। ফলে সংযোগের গুণগত মান, ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের দক্ষতা এবং সার্ভিসের নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়। আধুনিক ওয়াইফাই (Wi-Fi) এবং 4G/5G নেটওয়ার্কে MIMO প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) Multiple Input Multiple Output।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

.
কোন দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে?
  1. 84
  2. 88
  3. 86
  4. 82
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

• "84" দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন সম্পর্ক ব্যবহার করে রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত হতে পারে?
  1. Many-to-many
  2. Self-referencing
  3. One-to-one
  4. One-to-many
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে “একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হওয়া” বোঝাতে One-to-many সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এতে একটি টেবিলের এক রেকর্ড (Parent) অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডের (Child) সাথে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Teacher টেবিলের এক শিক্ষকের সাথে অনেক Student রেকর্ড যুক্ত থাকতে পারে। এখানে Teacher হলো Parent এবং Student হলো Child। One-to-many সম্পর্ক বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত চাইল্ড টেবিলে Parent এর প্রাইমারি কী কে ফরেন কী হিসেবে রাখা হয়। এটি ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে এবং ডাটাবেজে লজিকাল সম্পর্ক সহজে অনুসরণ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-many।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন কম্পোনেন্ট CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে?
  1. RAM
  2. Registers
  3. Hard Drive
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
Registers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Registers
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য দ্রুততম তথ্য পড়ার সক্ষমতা প্রদান করে Registers। Registers হল ছোট, খুব দ্রুতগতির স্টোরেজ ইউনিট যা সরাসরি CPU-এর ভেতরে থাকে। যখন CPU কোনো গণনা বা প্রসেসিং করে, তখন এটি প্রথমে Registers থেকে তথ্য পড়ে, কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। RAM একটি অপেক্ষাকৃত বড়, কিন্তু ধীরগতি স্টোরেজ যা CPU-এর সাথে মধ্যবর্তী স্তরে কাজ করে। Hard Drive বা SSD অনেক বড় কিন্তু অনেক ধীর এবং প্রাথমিকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM সাধারণত স্থায়ী তথ্য রাখে এবং এটি শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই দ্রুততম অ্যাক্সেসের জন্য Registers অপরিহার্য।

- উত্তর: খ) Registers.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

.
সব ধরনের লজিক গেট কোন দুটি গেট ব্যবহার করে তৈরি করা যায়?
  1. OR এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. AND এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

• সব ধরনের লজিক গেট সাধারণত কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। কিন্তু বিশেষভাবে, কিছু গেটকে ব্যবহার করে অন্য সব গেট তৈরি করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, AND, OR, NOT হল বেসিক গেট, কিন্তু এককভাবে NAND বা NOR দিয়ে সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়। কারণ NAND এবং NOR উভয়ই “সার্বজনীন” গেট। অর্থাৎ, শুধু NAND ব্যবহার করেও AND, OR, NOT, XOR সহ সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা সম্ভব। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও সব গেট তৈরি করা যায়। তাই যদি প্রশ্নে বলা হয় কোন দুটি গেট ব্যবহার করে সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা যায়, সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে ঘ) NAND এবং NOR, কারণ এগুলো সার্বজনীন এবং যেকোনো লজিক গেটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
চার লাইনের ডিকোডার ব্যবহার করলে কতটি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়?
  1. ৪টি 
  2. ৬৪টি 
  3. ১৬টি 
  4. ৩২টি 
সঠিক উত্তর:
১৬টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি 
ব্যাখ্যা

• চার লাইনের ডিকোডার বলতে এমন একটি ডিজিটাল সার্কিটকে বোঝায় যেখানে ৪টি ইনপুট লাইন থাকে। ডিকোডারের মূল নিয়ম হলো, ইনপুট লাইনের সংখ্যা যদি n হয়, তবে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 2n , এখানে n = 4 হওয়ায় আউটপুট লাইনের সংখ্যা হয় 24 = ১৬। অর্থাৎ ৪টি ইনপুট লাইনের বিভিন্ন বাইনারি সমন্বয়ের জন্য মোট ১৬টি আলাদা আউটপুট লাইন সক্রিয় হতে পারে। তাই চার লাইনের ডিকোডার ব্যবহার করলে ১৬টি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬টি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 24
= 16 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
WiMAX বলতে কী বোঝায়?
  1. Worldwide Interoperability for Microwave Access
  2. Worldwide Interpenetration for Microwave Access
  3. Worldwide Interprovincial for Microwave Excess
  4. Worldwide Interchangeable for Microwave Excess
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• WiMAX বলতে বোঝায় Worldwide Interoperability for Microwave Access, যা সঠিক উত্তর ক)। এটি একটি বেতার ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়। WiMAX প্রযুক্তি মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে কাজ করে এবং তারবিহীনভাবে ডেটা আদান–প্রদান সম্ভব করে। গ্রাম ও শহর উভয় এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বিস্তারের জন্য এটি কার্যকর। বিভিন্ন ডিভাইস ও নেটওয়ার্কের মধ্যে আন্তঃকার্যক্ষমতা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে নির্ভরযোগ্য ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা পেতে পারে।

• WiMAX: 
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। 
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন এবং বৈশিষ্ট্য কীভাবে চিনবেন?
  1. গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা
  2. অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা ক্ষতি সাধন করা
  3. ভাইরাস দ্বারা ডাটা মুছে ফেলা
  4. সিস্টেম ক্র্যাশ করা
সঠিক উত্তর:
গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান অ্যাটাকের চিহ্ন ও বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করতে কিছু সাধারণ লক্ষণ লক্ষ্য করা যায়। প্রথমত, ট্রোজান গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে, ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ফাইল অ্যাক্সেস, সফটওয়্যার ইনস্টল বা তথ্য চুরি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, এটি অবৈধ আর্থিক বিনিময় বা আর্থিক ক্ষতি সাধন করতে পারে, যেমন ব্যাংক তথ্য চুরি বা অননুমোদিত লেনদেন। তৃতীয়ত, ট্রোজান ভাইরাস ডাটা মুছে ফেলতে বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল হারানোর ঝুঁকি থাকে। চতুর্থত, সিস্টেম ধীর হয়ে যাওয়া, হঠাৎ ক্র্যাশ বা অস্বাভাবিক আচরণ ট্রোজান আক্রমণের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করে কাজ করে?
  1. PROM
  2. DRAM
  3. SRAM
  4. SDRAM
সঠিক উত্তর:
SRAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SRAM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহার করে কাজ করে, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো গ) SRAM। ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। এই উচ্চগতির জন্য SRAM ব্যবহার করা হয়, কারণ এতে রিফ্রেশ করার প্রয়োজন নেই এবং DRAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। যদিও SRAM ব্যয়বহুল ও ধারণক্ষমতা কম, তবুও প্রসেসরের কর্মদক্ষতা বাড়াতে এটি সবচেয়ে উপযোগী। PROM, DRAM বা SDRAM ক্যাশ মেমোরির মতো দ্রুত ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম নয়।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১২.
নিচের কোনটি বেস-৮ সংখ্যা?
  1. 85
  2. 9A
  3. 76
  4. 58
সঠিক উত্তর:
76
উত্তর
সঠিক উত্তর:
76
ব্যাখ্যা

• বেস-৮ (অক্টাল) সংখ্যা পদ্ধতিতে কেবলমাত্র ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ কোনো সংখ্যায় ৮ বা তার চেয়ে বড় অঙ্ক থাকলে তা বেস-৮ সংখ্যা হতে পারে না। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে 85 সংখ্যাটিতে ৮ ও ৫ আছে, যেখানে ৮ গ্রহণযোগ্য নয়। 9A সংখ্যাটিতে ৯ ও A আছে, যা অক্টাল পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ অবৈধ। 58 সংখ্যাটিতে ৮ রয়েছে, সেটিও গ্রহণযোগ্য নয়। কেবলমাত্র 76 সংখ্যাটিতে ৭ ও ৬ আছে, যা ০–৭ সীমার মধ্যে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) 76.

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩.
Operating System কোন ক্যাটাগরির সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. System Software
  2. Virus
  3. Utility Software
  4. Application Software
সঠিক উত্তর:
System Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
System Software
ব্যাখ্যা

• Operating System হলো System Software ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত। কারণ অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। এটি কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লোড হয় এবং মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ফাইল ম্যানেজমেন্ট, ইনপুট–আউটপুট নিয়ন্ত্রণসহ মৌলিক সব কার্যক্রম পরিচালনা করে। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কোনো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। Virus ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, Utility Software সহায়ক টুল এবং Application Software ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) System Software.

• Operating System (OS):
- Operating System (OS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ইউজারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- যেমন: Windows, Linux, macOS, Android, ইত্যাদি।
- এটি System Software শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত কারণ এটি কম্পিউটারের মূল কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে, যেমন:
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট
- ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট
- ডিভাইস কন্ট্রোল

- Application Software ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন MS Word, Excel, Photoshop ইত্যাদি।
- Utility Software হলো সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সহায়ক সফটওয়্যার, যেমন Antivirus, Disk Cleaner, ইত্যাদি।
- Virus কোনো সফটওয়্যার শ্রেণি নয়; এটি একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম (Malicious Software)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৪.
বর্তমানে Google কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. Alphabet Inc.
  2. Amazon Web Services
  3. Microsoft Corporation
  4. Meta Platforms
সঠিক উত্তর:
Alphabet Inc.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alphabet Inc.
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে Google পরিচালিত হয় Alphabet Inc.-এর অধীনে, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Alphabet Inc.। ২০১৫ সালে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগলের কর্পোরেট কাঠামো পুনর্গঠন করে Alphabet Inc. নামে একটি হোল্ডিং কোম্পানি গঠন করেন। এর মাধ্যমে Google মূল সার্চ, ইউটিউব, অ্যান্ড্রয়েড ও বিজ্ঞাপন ব্যবসায় মনোযোগ দেয়, আর অন্যান্য উদ্ভাবনী প্রকল্প যেমন Waymo, Verily ইত্যাদি Alphabet-এর অধীনে আলাদা সত্তা হিসেবে পরিচালিত হয়। Amazon Web Services অ্যামাজনের ক্লাউড শাখা, Microsoft Corporation মাইক্রোসফটের মূল কোম্পানি এবং Meta Platforms ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান-এগুলো Google-এর সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট নয়।

• Google:
- Google একটি আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি, যা ১৯৯৮ সালে সার্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৫ সাল থেকে গুগল Alphabet Inc. নামক একটি হোল্ডিং কোম্পানির অধীনস্থ।
- গুগল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ৭০% এর বেশি অনলাইন সার্চ রিকোয়েস্ট পরিচালনা করে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে।
- গুগলের সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত।
- গুগল শুরুতে শুধুমাত্র অনলাইন সার্চ ফার্ম হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল।

- বর্তমানে গুগল ৫০টিরও বেশি ইন্টারনেট পরিষেবা ও পণ্য সরবরাহ করে, যেমন:
• ইমেইল,
• অনলাইন ডকুমেন্ট তৈরি,
• মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেটের জন্য সফটওয়্যার।
- ২০১২ সালে Motorola Mobility অধিগ্রহণের মাধ্যমে গুগল মোবাইল ফোনের মতো হার্ডওয়্যার বিক্রেতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫.
কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে প্রবেশ করে অর্থনৈতিক বা তথ্য সম্পর্কিত ক্ষতি করে?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  4. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• সিস্টেমে অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে অর্থনৈতিক ক্ষতি, তথ্য চুরি, ডেটা নষ্ট বা সাইবার অপরাধমূলক কার্যক্রম যারা পরিচালনা করে, তারা হলো ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সম্পূর্ণভাবে অসৎ উদ্দেশ্যে কাজ করে এবং ব্যক্তিগত লাভ, অর্থ আদায়, গোপন তথ্য বিক্রি কিংবা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তারা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার করে সিস্টেমে আক্রমণ চালায়। অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কাজ করে, গ্রে হ্যাট মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে এবং ডার্ক হ্যাট শব্দটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাটের সাথেই সম্পর্কিত। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার।

• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৬.
কোন কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করা সম্ভব?
  1. রেজিস্টার
  2. এনকোডার
  3. অ্যাডার
  4. ডিকোডার
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার কাজটি যে কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে করা হয়, সেটি হলো অ্যাডার। অ্যাডার সার্কিট বাইনারি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইনপুট বিটগুলোর ওপর ভিত্তি করে আউটপুট হিসেবে সম ও ক্যারি প্রদান করে। হাফ অ্যাডার ও ফুল অ্যাডার হলো অ্যাডারের দুটি প্রধান ধরন, যা ছোট ও বড় সংখ্যার যোগে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণে, এনকোডার তথ্য রূপান্তরে এবং ডিকোডার সংকেত বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

- এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

- ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭.
ALU-এর সম্পূর্ণ রূপ কীভাবে লেখা হয়?
  1. Application Logic Unit
  2. Array Logic Unit
  3. Arithmetic Lock Unit
  4. Arithmetic Logic Unit
সঠিক উত্তর:
Arithmetic Logic Unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arithmetic Logic Unit
ব্যাখ্যা

• ALU-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Arithmetic Logic Unit। এটি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংখ্যাত্মক (Arithmetic) এবং যৌক্তিক (Logic) উভয় ধরনের কাজ সম্পাদন করে। অঙ্ক ও যুক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি ALU-এর মাধ্যমে করা হয়। কম্পিউটার সিপিইউতে ALU মূল প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট হিসেবে কাজ করে, যা ডেটা প্রসেসিং এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে। তাই ALU সিপিইউ-এর কার্যক্ষমতার একটি মৌলিক উপাদান, যা কম্পিউটারকে দ্রুত এবং সঠিকভাবে গণনা ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Arithmetic Logic Unit।

ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ): 
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit. 
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে। 
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি। 
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে। 
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা কতটি বিট উপস্থাপন করতে পারে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো ১৬ ভিত্তির সংখ্যা, যেখানে প্রতিটি অঙ্ক ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ককে বাইনারি (বিট) হিসেবে প্রকাশ করা যায়। যেহেতু ২ এর ঘাতের সংখ্যা দ্বারা বাইনারি প্রকাশ করা হয়, তাই ১৬ ভিত্তির প্রতিটি অঙ্ককে ৪টি বিট দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক F কে বাইনারিতে লিখলে হয় 1111, যা মোট ৪টি বিট। সুতরাং, একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা ৪টি বিট উপস্থাপন করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ) ৪।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. ফাইল কম্প্রেশন টুল
  3. অ্যান্টিভাইরাস
  4. ব্যাকআপ সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• উক্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না। ইউটিলিটি প্রোগ্রামগুলি মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা, নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়। যেমন, ফাইল কম্প্রেশন টুল ফাইলের আকার ছোট করতে সাহায্য করে, অ্যান্টিভাইরাস ভাইরাস সনাক্ত ও দূর করতে কাজ করে, এবং ব্যাকআপ সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, DBMS হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠন এবং পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। তাই DBMSকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).

- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).

- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
লিনিয়ার টপোলজি শব্দটি কোন কনসেপ্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• লিনিয়ার টপোলজি মূলত বাস টপোলজি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এই টপোলজিতে সমস্ত নোড বা ডিভাইস একটিমাত্র কেবল বা লাইন বরাবর যুক্ত থাকে। ডিভাইসগুলো একটি সরল লাইনের মতো কেবলের সাথে সংযুক্ত থাকে, এবং তথ্য প্রেরণ এই লাইন বরাবর ঘটে। এই কাঠামো সহজ এবং খরচ কম, তবে যদি মূল কেবলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কে সমস্যা দেখা দিতে পারে। লিনিয়ার টপোলজির মাধ্যমে নেটওয়ার্ক ডিজাইন সহজ হয়, কারণ নতুন ডিভাইস সহজেই লাইনের শেষে যুক্ত করা যায়। সুতরাং, লিনিয়ার টপোলজি বলতে বোঝানো হয় বাস টপোলজি।

- উত্তর: গ) বাস টপোলজি।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
- অর্থাৎ যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি টপোলজি:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেস টপোলজি এবং
৬. হাইব্রিড টপোলজি।

• বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।

• মেশ টপোলজি:
মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
কোন প্রযুক্তি PAN-এ সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN routers 
  2. Fiber optic cable
  3. Satellite 
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা

• PAN বা Personal Area Network হলো ব্যক্তিগত বা সীমিত এলাকার ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক। এর মধ্যে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা হেডফোনের মতো ডিভাইস সংযুক্ত থাকে। PAN-এ সাধারণত সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই ক্ষেত্রে Bluetooth প্রযুক্তি অন্যতম প্রধান মাধ্যম, কারণ এটি কম শক্তি ব্যবহার করে ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন WAN routers, fiber optic cable বা satellite বেশি দূরত্বের নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, PAN-এর সীমিত দূরত্ব এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য Bluetooth সবচেয়ে উপযুক্ত। তাই PAN-এ সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রযুক্তি হলো Bluetooth।
 
Personal Area Network (PAN):
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus ও Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 111
  2. 119
  3. 113
  4. 105
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা

• 157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান 111 হয়।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৩.
মোবাইল প্রযুক্তি সংক্রান্ত NEIR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Electronics Inspection Record
  2. National Equipment Identity Register
  3. Network Equipment Information Repository
  4. New Equipment Identification Report
সঠিক উত্তর:
National Equipment Identity Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Equipment Identity Register
ব্যাখ্যা

• মোবাইল প্রযুক্তিতে NEIR-এর পূর্ণরূপ হলো National Equipment Identity Register। এটি একটি জাতীয় ডাটাবেস যা মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয় সংরক্ষণ করে, যেমন IMEI নম্বর। NEIR-এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুরি বা হারানো মোবাইল ডিভাইস সনাক্ত করা এবং সেগুলোর নেটওয়ার্ক ব্যবহার সীমিত করা। যখন কোনো মোবাইল ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় হয়, তখন NEIR এর মাধ্যমে ডিভাইসটির আইডেন্টিটি যাচাই করা হয়। এটি মোবাইল নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে এবং অবৈধ ব্যবহারেরোধ করে। এছাড়া, NEIR বিভিন্ন দেশের মধ্যে তথ্য বিনিময় করতেও সাহায্য করে, যা আন্তর্জাতিকভাবে চুরির ঘটনা কমাতে কার্যকর। তাই NEIR মোবাইল ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

- উত্তর: খ) National Equipment Identity Register.

• NEIR (National Equipment Identity Register):
- NEIR হলো একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ডিভাইস পরিচয় নিবন্ধন ব্যবস্থা, যেখানে চুরি, হারানো বা ব্লক করা মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষিত থাকে।  
- এটি মূলত মোবাইল নেটওয়ার্কে অবৈধ, ক্লোন বা ব্ল্যাকলিস্টেড ডিভাইস প্রবেশ ঠেকাতে ব্যবহৃত হয়।  
- কোনো মোবাইল ডিভাইস চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে তার IMEI এই রেজিস্ট্রিতে ব্লক করা যায়।  
- একবার ব্লক করা হলে সেই ফোন বিশ্বের যেকোনো মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা যায় না।  
- বিভিন্ন দেশের টেলিকম রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ NEIR ব্যবহার করে মোবাইল নিরাপত্তা ও প্রতারণা প্রতিরোধ করে।  
- এটি মোবাইল ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• NEIR কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- চুরি হওয়া মোবাইল পুনরায় বিক্রি বা সক্রিয় করা বন্ধ করে।  
- নেটওয়ার্কে ক্লোন বা জাল IMEI যুক্ত ডিভাইস শনাক্ত করা যায়।  
- ব্যবহারকারীর ডেটা ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখে।  
- মোবাইল চুরি-সংক্রান্ত অপরাধ কমাতে সহায়তা করে।

সূত্র - prothom-alo. [link]

২৪.
কোনো লেখকের লেখা নিয়ে নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করলে তাকে কী বলা হয়?
  1. স্ফুফিং
  2. ফিশিং
  3. স্প্যামিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• কোনো লেখকের লেখা নিয়ে নিজের নাম দিয়ে প্রকাশ করা হলে তাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি একটি অনৈতিক কর্মকাণ্ড, যেখানে কেউ অন্যের কাজ বা লেখাকে নিজের সৃষ্টি হিসেবে উপস্থাপন করে। প্লেজিয়ারিজম শুধুমাত্র লেখা নয়, ছবি, গান, বা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজেও হতে পারে। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে, গবেষণায় এবং পেশাগত জীবনে গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে। এমন কাজের কারণে লেখকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় এবং কপিরাইট আইনেও শাস্তিযোগ্য। সুতরাং, অন্যের লেখা ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই উৎস উল্লেখ করতে হয়, আর নিজের কাজের ক্ষেত্রে সততা বজায় রাখা অপরিহার্য।

- সঠিক উত্তর: ঘ) প্লেজিয়ারিজম।

• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

২৫.
কোনটি অনলাইন স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Photos
  2. USB Flash Drive
  3. Backblaze
  4. Apple iCloud
সঠিক উত্তর:
USB Flash Drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
USB Flash Drive
ব্যাখ্যা

• অনলাইন স্টোরেজ বা ক্লাউড স্টোরেজ হলো এমন একটি সেবা যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল, ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। Google Photos, Backblaze এবং Apple iCloud এই ধরনের ক্লাউড সেবা, যেখানে ব্যবহারকারী যেকোনো স্থানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। তবে USB Flash Drive অনলাইন স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয়। এটি একটি ফিজিক্যাল ডিভাইস, যেখানে তথ্য সংরক্ষণ করা হয় এবং সরাসরি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহার করতে হয়। তাই USB Flash Drive ক্লাউড বা অনলাইন স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, এটি শুধুমাত্র লোকাল বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।

- উত্তর: খ) USB Flash Drive.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৬.
HDD-তে থাকা একটি বৈশিষ্ট্য যা SSD-তে নেই, তা কী?
  1. ফ্ল্যাশ চিপ
  2. কন্ট্রোলার
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. মেকানিক্যাল অংশ
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেকানিক্যাল অংশ
ব্যাখ্যা

• HDD (Hard Disk Drive) এবং SSD (Solid State Drive)-এর মধ্যে মূল পার্থক্য হলো তাদের তথ্য সংরক্ষণের প্রযুক্তি। HDD-তে মেকানিক্যাল অংশ থাকে, যেমন ঘূর্ণমান ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড, যা তথ্য পড়া ও লেখা নিশ্চিত করে। SSD-তে এই মেকানিক্যাল অংশ থাকে না, কারণ SSD সম্পূর্ণ ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। HDD-এর মেকানিক্যাল অংশের কারণে এটি তুলনামূলকভাবে ধীর এবং বেশি শব্দ করে, আবার SSD দ্রুত এবং নিঃশব্দ। অন্যদিকে, ফ্ল্যাশ চিপ, কন্ট্রোলার এবং ক্যাশ মেমোরি SSD-তে বিদ্যমান। তাই HDD-এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য যা SSD-তে নেই, তা হলো মেকানিক্যাল অংশ।

- উত্তর: ঘ) মেকানিক্যাল অংশ।

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Microsoft.

২৭.
নিম্নলিখিত কোনটি RDBMS হিসেবে কাজ করে?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা

• RDBMS বা Relational Database Management System হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধান করতে সক্ষম। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোতে মাইএসকিউএল (MySQL) হলো একটি RDBMS। এটি ডেটাবেস তৈরি, ডেটা সংরক্ষণ, আপডেট, মুছে ফেলা এবং জটিল কুয়েরি সম্পাদনের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে, অ্যাডোবি ফটোশপ একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, গুগল ক্রোম হলো ওয়েব ব্রাউজার, এবং এমএস ওয়ার্ড হলো টেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার প্রোগ্রাম। এই সব সফটওয়্যার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের কাজ করে না, তাই এগুলো RDBMS হিসেবে কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো মাইএসকিউএল।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
কোন ধরণের সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে তার কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য অর্থ দিতে বাধ্য করে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়‍্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম 
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের তাদের ব্যবহার বা তথ্যের জন্য অর্থ দিতে বাধ্য করা হয় এমন সফটওয়্যারকে র‍্যানসমওয়্যার বলা হয়। এটি একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর ফাইল বা পুরো সিস্টেমকে ব্লক করে রাখে এবং পুনরায় অ্যাক্সেসের জন্য অর্থ দাবি করে। সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার ইমেইল সংযুক্তি, সন্দেহজনক লিঙ্ক, বা অনলাইন ডাউনলোডের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। ব্যবহারকারী যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা না দেয়, তবে ফাইলগুলো স্থায়ীভাবে হারানোর ঝুঁকি থাকে। এটি শুধু আর্থিক ক্ষতি নয়, তথ্যের নিরাপত্তার উপরও গুরুতর প্রভাব ফেলে। তাই র‍্যানসমওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা এবং অজানা সোর্স থেকে সফটওয়্যার ইনস্টল না করাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

- সঠিক উত্তর: খ) র‍্যানসমওয়্যার।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

২৯.
আর্থিক ক্ষেত্রে iBAS++ এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Internet-Based Accounting Standard
  2. Internal Business Audit System
  3. International Banking Accounting System
  4. Integrated Budget and Accounting System
সঠিক উত্তর:
Integrated Budget and Accounting System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Integrated Budget and Accounting System
ব্যাখ্যা

• iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Budget and Accounting System। এটি সরকারী বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। iBAS++ ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। এছাড়া, এটি সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ অন্যান্য আর্থিক প্রক্রিয়া iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই, এটি বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন।

• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।

সূত্র: iBAS++ website.

৩০.
“Big Blue” নামে পরিচিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি কোনটি?
  1. Microsoft
  2. Intel
  3. Yahoo
  4. IBM
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা

• “Big Blue” নামে পরিচিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি হলো IBM. IBM বা International Business Machines Corporation হল একটি বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং ক্লাউডভিত্তিক সেবা প্রদান করে। ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘকাল ধরে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। IBM এর নীল রঙের লোগো এবং প্রফেশনাল ইমেজের কারণে এটি সাধারণত “Big Blue” নামে পরিচিত। এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে, বিশেষ করে সুপারকম্পিউটার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আইটি সল্যুশন ক্ষেত্রগুলোতে। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ঘ) IBM.

​আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩১.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেল কয়টি স্তর নিয়ে গঠিত?
  1. ১০
  2. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI (Open Systems Interconnection) মডেল মূলত যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে স্তরভিত্তিকভাবে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি ৭টি স্তর নিয়ে গঠিত, যা একে অপরের উপর নির্ভরশীলভাবে কাজ করে। এই সাতটি স্তর হলো: ফিজিক্যাল, ডাটা লিঙ্ক, নেটওয়ার্ক, ট্রান্সপোর্ট, সেশন, প্রেজেন্টেশন এবং অ্যাপ্লিকেশন স্তর। ফিজিক্যাল স্তর মূলত ডিভাইসের হার্ডওয়্যার সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটা লিঙ্ক স্তর ত্রুটি শনাক্তকরণ ও ফ্রেমিং দেখাশোনা করে, নেটওয়ার্ক স্তর ডেটা রাউটিং নিশ্চিত করে, আর ট্রান্সপোর্ট স্তর ডেটা ট্রান্সফারের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। সেশন, প্রেজেন্টেশন ও অ্যাপ্লিকেশন স্তর ব্যবহারকারীর সরাসরি যোগাযোগ ও ডেটা উপস্থাপনা সহজ করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ৭।

OSI মডেল:
- OSI (Open System Interconnection): OSI মডেল মূলত একটি ওপেন স্ট্যান্ডার্ডস যার উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্কিং ডিভাইস সমূহ তৈরি করা হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে OSI মডেলের স্তর ৭ টি।
- উপরের ৩টি লেয়ারকে Upper Layer এবং নিচের ৪টি লেয়ারকে Lower layer বলে।

- OSI মডেলের স্তর গুলো হল:
Layer 7- Application Layer,
Layer 6- Presentation Layer,
Layer 5- Session Layer,
Layer 4- Transport Layer,
Layer 3- Network Layer,
Layer 2- Data Link Layer,
Layer 1- Physical Layer.

উৎস: IBM. [link]

৩২.
নিম্নের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়?
  1. Infrastructure as a Service (IaaS)
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Software as a Service (SaaS)
  4. Website as a Service (WaaS)
সঠিক উত্তর:
Website as a Service (WaaS)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Website as a Service (WaaS)
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড সার্ভিস মডেল মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত: IaaS, PaaS, এবং SaaS. Infrastructure as a Service (IaaS) ব্যবহারকারীর জন্য ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার সরবরাহ করে, যেমন সার্ভার ও স্টোরেজ। Platform as a Service (PaaS) ডেভেলপারদের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। Software as a Service (SaaS) ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। তবে, Website as a Service (WaaS) কোনো স্বীকৃত ক্লাউড সার্ভিস মডেল নয়; এটি মূলত একটি বিপণনধর্মী টার্ম যা ওয়েবসাইট হোস্টিং বা ডিজাইন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত।
- তাই ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় ঘ) WaaS.

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
কোন ম্যালওয়্যার অননুমোদিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রোজান
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. ওয়ার্ম
  4. স্পাইওয়্যার
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• অননুমোদিত বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (খ)। এটি একটি ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। অ্যাডওয়্যার সাধারণত বিনামূল্যে সফটওয়্যার বা অবৈধ ডাউনলোডের সাথে লুকিয়ে আসে। এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভ্যাস ট্র্যাক করতে পারে এবং প্রায়ই জটিল, বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা রিডিরেকশন ঘটায়। অ্যাডওয়্যার সরাসরি ক্ষতি না করলেও এটি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা কমায় এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এটি নিরাপত্তার জন্য একটি সমস্যা হিসেবে গণ্য হয়।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার হলো একটি সমষ্টিগত শব্দ, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহৃত ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ​সাধারণত ব্যবহারকারী বিপজ্জনক লিঙ্ক বা ইমেইলের সঙ্গে সংযোগ করলে এটি ডিভাইসে ইনস্টল হয়। 
​- ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান, রুটকিট, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার ইত্যাদি।

ম্যালওয়ারের সাধারণ ধরণ:
• স্পাইওয়্যার (Spyware):
ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গোপনে ইনস্টল করা হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের ইতিহাস, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে।

• ওয়ার্ম (Worm):
একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা নিজেকে অন্যান্য কম্পিউটারে নকল করে সংক্রমিত করে।
ভাইরাসের মতো হোস্ট প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণত মানুষের সাহায্য ছাড়াই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে যায়।

• ​ট্রোজান হর্স (Trojan horse):
অনুমোদিত প্রোগ্রামের মধ্যে গোপনভাবে অননুমোদিত নির্দেশাবলী লুকিয়ে রাখে।
 
​আরও কিছু ​ম্যালওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো: 
• ​রুটকিট (Rootkit):
কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের মূল স্তরে সংক্রমণ ঘটায়, যা ড্রাইভ পুরোপুরি মুছে ফেলা ছাড়া সরানো যায় না।  

• ​​ভাইরাস (Virus):
কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোডের একটি অংশ যা নিজেকে অন্য কোড বা ফাইলের সাথে সংযুক্ত করে নকল করে।
সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে সংযুক্ত হয়ে যায়।

​• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):
ডিভাইস বা ডেটার অ্যাক্সেস ব্লক করে রাখে এবং মালিককে মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
সাধারণত ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফাইল এনক্রিপ্ট করে।

• স্কেয়ারওয়্যার (Scareware):
ভুল সতর্কবার্তা দেখিয়ে ব্যবহারকারীকে আরও ম্যালওয়্যার ডাউনলোড করতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে প্ররোচিত করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৪.
ChatGPT কোন কোম্পানির উদ্যোগে উদ্ভাবন করা হয়েছে?
  1. OpenAI
  2. Microsoft
  3. Google
  4. Apple
সঠিক উত্তর:
OpenAI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OpenAI
ব্যাখ্যা

• ChatGPT একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক চ্যাটবট, যা OpenAI কোম্পানির উদ্যোগে উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটি মূলত প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের সাথে স্বাভাবিক কথোপকথন করতে সক্ষম। ChatGPT বিভিন্ন ধরণের তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে, প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে, লেখা তৈরি করতে পারে এবং শিক্ষামূলক সহায়তা প্রদান করতে পারে। যদিও Microsoft, Google এবং Apple কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে, ChatGPT বিশেষভাবে OpenAI-এর গবেষণা এবং প্রযুক্তির ফলাফল। OpenAI-এর লক্ষ্য হলো নিরাপদ এবং লাভজনক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরি করা, যা মানুষ এবং সমাজের জন্য উপকারী হবে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OpenAI.

• ChatGPT:
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- চ্যাটজিপিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান।

উৎস: Britannica.