পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ১৫ রিভিশন পরীক্ষা (১১ - ১৪)"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
যদি x + (1/x) = √3 হয়, তবে x2 + x- 2 এর মান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 4
  4. 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x + (1/x) = √3 হয়, তবে x2 + x- 2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x + (1/x) = √3

∴ প্রদত্ত রাশি = x2 + x- 2
= x2 + (1/x2)
= {x + (1/x)}2 - 2 · x · (1/x)
= (√3)2 - 2
= 3 - 2
= 1
.
{m + (1/m)}2 = 5 হলে, m3 + (1/m3) এর মান কত?
  1. 2√5
  2. 0
  3. 8√5
  4. √5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: {m + (1/m)}2 = 5 হলে, m3 + (1/m3) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
{m + (1/m)}2 = 5
⇒ [√{m + (1/m)}2] = √5
⇒ m + (1/m) = √5

প্রদত্ত রাশি = m3 + (1/m3)
= {m + (1/m)}3 - 3 · m · (1/m){m + (1/m)}
= (√5)3 - 3√5
= 5√5 - 3√5
= 2√5
.
x - (8/x) = 1 হলে, 8/(x2 - x - 1) এর মান কত?
  1. 6/7
  2. 8/7
  3. 5/4
  4. 1/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - (8/x) = 1 হলে, 8/(x2 - x - 1) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
x - (8/x) = 1
⇒ (x2 - 8)/x = 1
⇒ x- 8 = x
⇒ x2 - x = 8

এখন,
8/(x2 - x - 1)
= 8/(8 - 1)
= 8/7
.
2x + (2/x) = 6 হলে, x4 + (1/x4) এর মান কত?
  1. 51
  2. 47
  3. 119
  4. 54
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x + (2/x) = 6 হলে, x4 + (1/x4) এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
2x + (2/x) = 6
⇒ x + (1/x) = 3

∴ প্রদত্ত রাশি = x4 + (1/x4)
= (x2)2 + (1/x2)2
= {x2 + (1/x2)}2 - 2 · x2 · 1/x2 
= [{x + (1/x)}2 - 2 · x · (1/x)]2 - 2
= (32 - 2)2 - 2
= (9 - 2)2 - 2
= 72 - 2
= 49 - 2
= 47
.
a2 - b2 = 32 এবং a - b = 4 হলে, ab এর মান কত?
  1. 12
  2. 14
  3. 28
  4. 22
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a2 - b2 = 32 এবং a - b = 4 হলে, ab এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
 a - b = 4
এবং a2 - b2 = 32
⇒ (a + b)(a - b) = 32
⇒ (a + b) × 4 = 32
∴ a + b = 8

আমরা জানি,
ab = {(a + b)- (a -b)2}/4
⇒ ab = {(8)2 - (4)2}/4
⇒ ab = (64 - 16)/4
⇒ ab = 48/4
∴ ab = 12
.
a + b + c = 6 এবং a2 + b2 + c2 = 14 হলে, ab + bc + ca এর মান কত?
  1. 11
  2. 13
  3. 16
  4. 20
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b + c = 6 এবং a2 + b2 + c2 = 14 হলে, ab + bc + ca এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b + c = 6
এবং a2 + b2 + c2 = 14

আমরা জানি,
(a + b + c)2 = a2 + b2 + c2 + 2(ab + bc + ca)
⇒ 62 = 14 + 2(ab + bc + ca)
⇒ 36 = 14 + 2(ab + bc + ca)
⇒ 36 - 14 = 2(ab + bc + ca)
⇒ 22 = 2(ab + bc + ca)
∴ ab + bc + ca = 11
.
a - b = 5 এবং ab = 14 হলে, a3 - b3 এর মান কত?
  1. - 85
  2. 90
  3. 335
  4. 104
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - b = 5 এবং ab = 14 হলে, a3 - b3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a - b = 5
এবং ab = 14

প্রদত্ত রাশি = a3 - b3
= (a - b)3 + 3ab(a - b)
= 53 + 3 · 14 · 5
= 125 + 210
= 335
.
a + b = 6 এবং a2 + b2 = 20 হলে, a3 + b3 এর মান কত?
  1. 56
  2. 64
  3. 72
  4. 80
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 6 এবং a2 + b2 = 20 হলে, a3 + b3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = 6
এবং a2 + b2 = 20
⇒ (a + b)- 2ab = 20
⇒ - 2ab = 20 - (a + b)2
⇒ - 2ab = 20 - (6)2
⇒ - 2ab = - 16
∴ ab = 8

∴ a3 + b3 = (a + b)3 - 3ab(a + b)
= (6)3 - 3 · 8 · 6
= 216 - 144 = 72
.
a = √6 + √5 হলে, a2 + a- 2 এর মান কত?
  1. 18
  2. 22
  3. 28
  4. 32
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = √6 + √5 হলে, a2 + a- 2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a = √6 + √5
⇒ 1/a = 1/(√6 + √5)
⇒ 1/a = (√6 - √5)/(√6 + √5)(√6 - √5)
⇒ 1/a = (√6 - √5)/(√6)2 - (√5)2
⇒ 1/a = √6 - √5
∴ a + (1/a) = √6 + √5 + √6 - √5 = 2√6

প্রদত্ত রাশি = a2 + a- 2
= a2 + (1/a2)
= {a + (1/a)}2 - 2 · a · (1/a)
= (2√6)2 - 2
= 4 × 6 - 2
= 22
১০.
যদি (a/b) + (b/a) = 4 হয়, (a2/b2) + (b2/a2) এর মান কত?
  1. 14
  2. 18
  3. 21
  4. 26
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (a/b) + (b/a) = 4 হয়, (a2/b2) + (b2/a2) এর মান কত?

সমাধান:
(a/b) + (b/a) = 4

এখন, (a2/b2) + (b2/a2)
= (a/b)2 + (b/a)2
= {(a/b) + (b/a)}2 - 2 · (a/b) · (b/a)
= 42 - 2
= 16 - 2
= 14
১১.
গুণ ও বৃদ্ধি বলা হয় -
  1. নাম-প্রকৃতির পরিবর্তনকে
  2. প্রাতিপদিকের পরিবর্তনকে
  3. কৃৎ-প্রকৃতির আদিস্বরের পরিবর্তনকে
  4. কৃৎ-প্রকৃতির অন্তস্বরের পরিবর্তনকে
ব্যাখ্যা
গুণ ও বৃদ্ধি:
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৃৎ- প্রত্যয় যোগ করলে কৃৎ- প্রকৃতির আদিস্বর পরিবর্তিত হয়। এ পরিবর্তনকে বলা হয় গুণ ও বৃদ্ধি।
- কৃৎ প্রত্যয় ব্যবহৃত হওয়ার সময় পরিবর্তন হওয়ার নিয়ম ২টি- গুণ ও বৃদ্ধি।

গুণ:
- ই/ঈ-স্থলে এ ; √চিন + আ = চেনা, √নী + আ = নেওয়া।
- উ/ঊ-স্থলে ও ; √ধু + আ = ধোয়া।
- ঋ-স্থলে অর ; √কৃ + তা = করতা ˃ ক্রেতা।

বৃদ্ধি:
- অ-স্থলে আ ; √পচ + ণক(অ = পাচক।
- ই/ঈ-স্থলে ঐ ; √শিশু + ষ্ণ = শৈশব।
- উ/ঊ-স্থলে ঔ ; √যুব + অন = যৌবন।
- ঋ-স্থলে আর ; √কৃ + ঘ্যণ(য-ফলা) = কার্য।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
উপজীবিকা অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় কোনটি?
  1. ব্যাপারি
  2. জেলে
  3. চাষি
  4. ডাক্তারি
ব্যাখ্যা
ইয়া> এ-প্রত্যয়:
(ক) তৎকালীনতা বোঝাতে: সেকাল + এ = সেকেলে, একাল + এ = একেলে, ভাদর + ইয়া = ভাদরিয়া> ভাদুরে (কইমাছ)।
(খ) উপকরণ বোঝাতে: পাথর-পাথরিয়া> পাথুরে, মাটি-মেটে, বালি-বেলে।
(গ) উপজীবিকা অর্থে: জাল-জালিয়া>জেলে, মোট-মুটে।
(ঘ) নৈপুণ্য বোঝাতে: খুন-খুনিয়া>খুনে, দেমাক-দেমাকে, না (নৌকা) – নাইয়া> নেয়ে।
(ঙ) অব্যয়জাত বিশেষণ গঠনে: টনটন- টনটনে (জ্ঞান), কনকন-কনকনে (শীত), গনগন- গনগনে (আগুন), চকচক- চকচকে (জুতা)।

অন্যদিকে,
ই/ঈ-প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ: বৃত্তি বা ব্যবসায় অর্থে: ডাক্তার-ডাক্তারি, মােক্তার-মােক্তারি, পােদ্দার-পােদ্দারি, ব্যাপার- ব্যাপারি, চাষ-চাষি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০১৯)।
১৩.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. মালদ্বিপ
  2. পর্তুগিজ
  3. বাঙালি
  4. গ্রিস
ব্যাখ্যা
• যে কোন দেশ, ভাষা ও জাতির নাম লিখতে ই/ঈ কার দেয়ার প্রশ্ন এলে তাতে নিশ্চিন্তে ই-কার (ি)) দেওয়া যাবে।
যেমন-
দেশ:
- গ্রিস, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি ইত্যাদি।
- ব্যতিক্রম- মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা।

জাতি:
- বাঙালি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি।

ভাষা:
- হিন্দি, আরবি, ফারসি ইত্যাদি।

উৎস:
১) লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩) বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
'যুক্ত' অর্থে কোন প্রত্যয়জাত শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ডিঙা
  2. বাঘা
  3. বেতো
  4. টেকো
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় যোগ করলে শব্দের অর্থ অনেক সময় বদলে যায়:
- বৃহৎ অর্থে: ডিঙি → ডিঙা।
- সদৃশ অর্থে: বাঘ→ বাঘা।
- রোগগ্রস্থ অর্থে: বাত → বেতো।
- যুক্ত অর্থে: টাক → টেকো

তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের সঙ্গে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- যেমন: চোর+আ = চোরা, কেষ্ট+আ = কেষ্টা, ডিঙি+আ = ডিঙা, বাঘ্+আ = বাঘা, হাত্+আ = হাতা

বাংলা ভাষায় তদ্ধিত প্রত্যয় তিন প্রকার। যথা:
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম - দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২১।
১৫.
সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে 'কী' শব্দটি ______ দিয়ে লেখা হবে।
  1. উ-কার
  2. ঊ-কার
  3. ই-কার
  4. ঈ-কার
ব্যাখ্যা
• সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও যোজক পদরূপে কী শব্দটি ঈ-কার দিয়ে লেখা হবে।
যেমন:
- এটা কী বই?
- কী আনন্দ!
- কী আর বলব?
- কী করছ?
- কী করে যাব?
- কী খেলে?
- কী জানি?

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
১৬.
'মাতা' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি?
  1. √মা + তৃচ্‌
  2. √মাতা + তৃচ্‌
  3. √মাতৃ + আ
  4. √মাতা + তৃ
ব্যাখ্যা
• নিয়ম: তৃচ,-প্রত্যয় ('চ ইত 'তৃ' থাকে) প্রথমা একবচনে 'তৃ' স্থলে 'তা' হয়।
যেমন:
- √দা + তৃ্‌চ = √দা + তৃ = √দা + তা = দাতা, 
- √মা + তৃচ্‌ = মাতা, 
- √ক্রী + তৃচ্‌ = ক্রেতা।

কৃৎ প্রত্যয়:
- ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত সেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
যেমন-
√চল + অন্ত = চলন্ত।
√পড়ু + আ = পড়ুয়া।
√কৃ + তব্য = কর্তব্য।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ভলগা
  2. দানিয়ুব 
  3. ইউরাল
  4. নিপার 
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব নদী:

• ইউরোপের প্রধান নদীসমূহ:
- ভলগা (ইউরোপের দীর্ঘতম নদী),
- দানিয়ুব,
- ইউরাল,
- নিপার,
- ডন। 

• দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী। 
• এর উৎপত্তি জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট এবং পতনস্থল কৃষ্ণসাগর ।
• এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৮৫৭ কিলোমিটার।
• এটি ইউরোপের ১০টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
• এই নদীর তীরে বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড, ভিয়েনা, ব্রাটিস্লাভা সহ অনেক বিখ্যাত শহর অবস্থিত।
• এজন্যে এটি আন্তর্জাতিক নদী নামে পরিচিত।
• এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথ। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং World Atlas. 
১৮.
এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. মাদাগাস্কার
  3. বোর্নিও
  4. সিসিলি
ব্যাখ্যা
এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ:

• 'বোর্নিও' এশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ। 
• বোর্নিও পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
• কেবল নিউগিনি এবং গ্রিনল্যান্ড এর চেয়ে বড়।


Image Source: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

অপরদিকে, 
• পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ হলো গ্রিনল্যান্ড।
• এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
• গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীন।
• গ্রিনল্যান্ডের মোট আয়তন প্রায় ২১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার।
• গ্রিনল্যান্ডের অধিকাংশ বরফাচ্ছাদিত।
• মাদাগাস্কার আফ্রিকার বৃহত্তম দ্বীপ।
• ইতালির সিসিলি দ্বীপটি ভুমধ্যসাগরে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯.
নিচের কোনটি এশিয়ার স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র নয়?
  1. তাজিকিস্তান
  2. থাইল্যান্ড
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
♦ স্থলবেষ্টিত দেশ:

- স্থলবেষ্টিত দেশ হচ্ছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র যার কোনো মহাসাগরে সরাসরি প্রবেশাধিকার নেই।
- বর্তমানে ৪৪টি ল্যান্ডলকড দেশ রয়েছে। 

• এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ ১২টি। যথা:

- আফগানিস্তান,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

এছাড়াও, 
- উজবেকিস্তানকে দ্বিগুণ স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয় কারণ এর প্রতিবেশী দেশগুলোও স্থলবেষ্টিত দেশ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং World Atlas.
২০.
নিচের কোন সার্বভৌম রাষ্ট্রটি অন্য আরেকটি রাষ্ট্র দ্বারা বেষ্টিত নয়?
  1. স্যানমেরিনাে
  2. লেসােথাে
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র:

- যে দেশের অভ্যন্তরে এক বা একাধিক স্বাধীন দেশ অবস্থিত,তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে।
- পৃথিবীতে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র ২টি। যথা- ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- স্যানমেরিনাে এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালির অধিভুক্ত, অর্থাৎ এই দুটি রাষ্ট্র ইতালি দ্বারা বেষ্টিত। 
- অপরদিকে, লেসােথাে সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত।

- সারা বিশ্বে মাত্র তিনটি দেশ আছে, যারা অপর একটি দেশ দ্বারা সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত।
- এগুলাে হলাে লেসােথাে, স্যানমেরিনাে এবং ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটি, ভ্যাটিকান সিটির সম্পূর্ণ রাজ্যে, ইতালীয় ধর্মীয় রাজ্য, রোমান ক্যাথলিক চার্চের আসন এবং টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত রোমের একটি ছিটমহল। 
- ভ্যাটিকান সিটি আয়তন ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর একটি ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
২১.
'হ্যামারফাস্ট' কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. মিয়ানমার
  2. বেলজিয়াম
  3. নরওয়ে
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
বিশ্বের বিখ্যাত কয়েকটি সমুদ্র বন্দর: 

- আকাবা : জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া : সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব : মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- হাইফা : ইসরাইলের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প : বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা : ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।
- হ্যামারফাস্ট : নরওয়ের সমুদ্রবন্দর। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২২.
‘সেন্ট হেলেনা’ দ্বীপটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:

- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- সেন্ট হেলেনার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য (দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তরপূর্ব) 10.5 মাইল (17 কিমি) এবং সর্বাধিক প্রস্থ 6.5 মাইল (10 কিমি)। 
- সেন্ট হেলেনা  এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ,
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ রাজধানী ও বন্দর জেমসটাউন।
- এটি সতেরো শতকে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিকানাধীন ছিল।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- উল্লেখ্য, ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিনি ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে, আটলান্টিক মহাসাগরে অন্তর্গত অন্যান্য দ্বীপসমূহ হলো: 
- সেন্ট হেলেনা, যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, গ্রিনল্যান্ড, কিউবা ইত্যাদি। 


Image Source: ব্রিটানিকা

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২৩.
শ্বাসনালীর ভেতরে আবৃত প্রদাহকে কী বলে?
  1. ডিপথেরিয়া
  2. নিউমোনিয়া
  3. ব্রঙ্কাইটিস
  4. যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
ব্রঙ্কাইটিস:

• ব্রঙ্কাইটিস হলো শ্বাসনালীর ভিতরে আবৃত ঝিল্লিতে প্রদাহ বা সংক্রমণ ।
• শ্বাসনালী হলো ফুসফুসের সাথে বাইরের বাতাসের সংযোগকারী নল।
• ব্রঙ্কাইটিস তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
• অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠান্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকে এ রোগ হতে পারে।

⮚ লক্ষণ:
• কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়।
• কাশির সাথে কফ থাকে।
• জ্বর হয়।
• শরীর ক্রমান্বয়ে দূর্বল হয়।

⮚ প্রতিকার:
• ধূমপান বন্ধ করতে হবে।
• ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে ।


Image: Human Lung (Britannica) 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২৪.
নিচের কোনটি পরিবেশের ১ম স্তরের খাদক?
  1. হরিণ
  2. সাপ
  3. শিয়াল
  4. বাঘ
ব্যাখ্যা
♦ খাদক (Consumer):

- কোনো প্রাণীই পরিবেশের জড় পদার্থ থেকে খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- তারা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- তাই এদের বলা হয় পরভোজী জীব।

প্রথম শ্রেণির খাদক: 
• যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে, তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক।
• যেমন- ঘাস ফড়িং, মুরগি, গরু, ছাগল, হরিণ ইত্যাদি প্রথম শ্রেণির খাদক।


Image Source: পঞ্চম শ্রেণি বিজ্ঞান বই 

দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের বলা হয় গৌণ খাদক বা দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।
• এরা এক ধরনের মাংসাশী প্রাণী।
• যেমন- শিয়াল, বাঘ ইত্যাদি দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।

তৃতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী পৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তারা ও মাংসাশী প্রাণি (carnivorous)।
• এদের বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক।
• যেমন- সাপ, ময়ূর, বাঘ ইত্যাদি তৃতীয় শ্রেণির খাদক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
মানুষের মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশের নাম-
  1. সেরেবেলাম
  2. হাইপোথ্যালামাস
  3. থ্যালামাস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মানুষের মস্তিষ্ক: 

• স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ মস্তিষ্ক।
• প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
• মস্তিষ্কের আবরণীর নাম মেনিনজেস।
• একটি পূর্নাঙ্গ স্নায়ু কোষকে নিউরন বলে।
• মস্তিষ্কে প্রায় ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) নিউরন থাকে।

উল্লেখ্য, 
• মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশের নাম সেরেব্রাম।
• এটি মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে এবং মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশকে ঢেকে রাখে।
• দুটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার সমন্বয়ে সেরেব্রাম গঠিত।
• খণ্ডদুটি ভেতরের দিকে কর্পাস ক্যালোসাম নামে চওড়া স্নাযুগুচ্ছ দিয়ে যুক্ত।
• প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।


Image Source: প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি 

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
‘ইকোলজি’ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন -
  1. আর্নেস্ট হেকেল
  2. লেস্টার ব্রাউন
  3. নরম্যান বোরল্যাগ
  4. আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
বাস্তুবিদ্যা (Ecology):

- জীববিজ্ঞানের যে বিশিষ্ট শাখায় পরিবেশে বিন্যস্ত বিভিন্ন জীব ও তার পারিপার্শ্বিক জড় উপাদান এবং তাদের পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি বলে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রধান নিয়ামক : পানি, গাছপালা ইত্যাদি।
- পরিবেশবিজ্ঞানের ইংরেজি পরিভাষা Ecology ইকোলজি। 
- গ্রিক  ওইকোস অর্থাৎ "বাসস্থান" এবং লোগোস অর্থাৎ "বিদ্যা" ইংরেজি Ecology পরিভাষাটি এসেছে।
- ইকোলজি শব্দটি জার্মান বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম প্রণয়ন করেন।
- ‘ইকোলজি’ হলো পরিবেশের সাথে প্রাণীজগতের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যা।
- সুইডিশ বিজ্ঞানী সুভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে সর্বপ্রথম ‘গ্রিনহাউজ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- লেস্টার ব্রাউন প্রথম ‘জলবায়ু শরনার্থী’ সম্পর্কে ধারণা প্রদান করেন।
- নরম্যান বোরলগ সবুজ বিপ্লবের জনক হিসেবে অভিহিত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং অ্যাকাডেমিয়া। 
২৭.
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত পদার্থকে কী বলে?
  1. প্রাণরস
  2. এনজাইম
  3. হরমোন
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ 'গ্রন্থি': যে সমস্ত অঙ্গসমূহ এক বা একাধিক রাসায়নিক যৌগ উৎপাদন এবং ক্ষরণের কাজে নিয়োজিত থাকে তাকে 'গ্রন্থি' বলে । 
- মানবদেহে দুই ধরনের গ্রন্থি রয়েছে- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি।
১. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি - হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারী, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল, প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয় , টেস্টিস, ওভারী, প্লাসেন্টা।
২. বহিঃক্ষরা গ্রন্থি – ঘর্মগ্রন্থি , ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি, স্তন গ্রন্থি, সেরোমিনাস গ্রন্থি, সেবাসিয়াস গ্রন্থি , মেবোমিয়ান গ্রন্থি , যকৃত এবং মিউকাস ।

• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি : প্রাণীদেহের নালীবিহীন গ্রন্থিসমূহ হতে নিঃসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশ্রিত হয়ে রক্ত দ্বারাই দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবাহিত হয়। এ সকল গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে।
• এই রস নির্দিষ্ট পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
• উদাহরণস্বরূপ-থাইরয়েড নামক অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হরমোন 'থাইরক্সিন' প্রাণীর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত করে।

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির বৈশিষ্ট্য:

• কোন নালীপথ নেই। রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ক্রিয়াশীল অঙ্গে পৌঁছায়।
• ক্ষরিত পদার্থ হরমোন বা প্রাণরস নামে পরিচিত।
• এ সব গ্রন্থি হতে নিঃসৃত রস দূরবর্তী নির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২৮.
পানিবাহিত রোগ নয় কোনটি?
  1. ডায়রিয়া
  2. টাইফয়েড
  3. ম্যালেরিয়া
  4. আমাশয়
ব্যাখ্যা
পানিবাহিত রোগ:

• যে সব রোগ দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বা ছড়ায় তাদেরকে পানিবাহিত রোগ বলে।
• পানিবাহিত অনুজীবসমূহ মূলত দেহের পাকস্থলিতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে অভীষ্ট অঙ্গে বা অন্ত্রে স্থানান্তরিত হয়।
• পানিবাহিত রোগসমূহের মধ্যে - ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, কলেরা, পোলিও, হেপাটাইটিস বি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

• ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুবাহী মশা হলো- অ্যানোফিলিস।

• ভেক্টর বাহিত রোগ:
- মশাঃ ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়াসিস।
- মাছি:  উদরাময়, আমাশয়, ক্রিমি সংক্রমণ, কালাজ্বর, চ্যাগাস ডিজিস, স্লিপিং সিকনেস, চোখের কৃমি (deer fly)।

অন্যদিকে, 
- যে সকল রোগ হাঁচি-কাশি বা কথাবার্তা বলার সময় বায়ুতে জীবাণু ছড়ানোর মাধ্যমে হয় সেগুলোকে বায়ুবাহিত রোগ বলে। 
- যেমন: সোয়াইন ফ্লু, হাম, গুটিবসন্ত, যক্ষা এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।