পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
Exam - 9 The Code of Civil Procedure, 1909 - 1 Topic: Section 1-158
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
দেওয়ানী কার্যবিধি আইন ১৯০৮ একটি_____?
  1. মূল আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. ক+খ উভয়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা
• যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে l
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ একটি পদ্ধতিগত আইন।
• সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়।
• বর্তমানে ১৯০৮ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫ নং আইন হিসাবে পরিচিত।
• ১৯০৯ সালে ১লা জানুয়ারী এই আইন কার্যকর হয়।
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এ মোট ৫টি তফসিল আছে।
• বর্তমানে বলবৎ ৩টি তফসিল এর মধ্যে ১ম তফসিলে ৫১ টি আদেশ আছে।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় এবং ৫ম তফসিলটি বাতিল করা হয়েছে।
• এই আইনে অধ্যায় ১১টি, ধারা ১৫৮ টি, প্রস্তাবনা ১টি।
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ এবং আদেশ ও বিধি সমূহ সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ ও সুপ্রীম কোর্ট উভয়ে।
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের কোন ধারায় “মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরে ক্ষমতা” বিধান রয়েছে?
  1. ২১ ধারা
  2. ২০ ধারা
  3. ২৪ ধারা
  4. ২২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ২২ ধারায় বলা হয়েছে যে, শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে।
• যদি মোকদ্দমাটি ২ বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
• বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে সম্ভাব্য ১ম সুযোগে বা যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় বা পূর্বে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করা যায়।
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে সমন দিতে হয়।?
  1. ২১ ধারা
  2. ২৭ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের  ২৭ ধারা অনুযায়ী সমন হলো আদালত কর্তৃক ইস্যুকৃত কোন নোটিশ যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ থাকে এবং লিখিত জবাব দাখিল করার বিধান থাকে।

•মোকদ্দমার দায়ের করার ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে সমন ইস্যু করতে হয়। (আদেশ ৫ অনুযায়ী)
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৫৮ ধারার বিষয়বস্তু কি?
  1. গ্রেফতার ও আটক
  2. আটক ও মুক্তি
  3. খোরপোষ ভাতা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক ও মুক্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮  আইনের  ৫৮ ধারা অনুযায়ী কোন দেনাদারকে আটক ও মুক্তির বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ৫০ টাকার বেশি পরিশোধের জন্য ৬ মাস এবং ৫০ টাকার কম পরিশোধের জন্য  ৬ সপ্তাহ আটক রাখা যাবে ।
• তবে দেনাদার অর্থ পরিশোধ করলে তাকে মুক্তি দিবেন।
.
‘ক’ এর দায়ের করা মোকদ্দমায় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ লাভ করে। পরবর্তীতে প্রমানিত হয় ‘খ’ এর বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। বিবাদী ক্ষতিপূরন বাবদ পাবে?
  1. অনধিক ২০০০ টাকা
  2. অনধিক ১০০০০ টাকা
  3. অনধিক ৫০০০ টাকা
  4. অনধিক ২০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী বিবাদীকে যদি অপর্যাপ্ত কারনে গ্রেফতার, ক্রোক ও নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেয়, তাহলে যদি প্রমাণিত হয় যে বিবাদীকে অপর্যাপ্ত কারনে এই গুলোর আদেশ দেওয়া হয়েছে তাহালে আবেদনের প্রেক্ষিতে বাদীর বিরুদ্ধে অনধিক ১০০০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিবেন।
.
‘ক’ চট্টগ্রামে বসবাস করে। ঢাকাতে ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে মানহানির বক্তব্য পেশ করেছে। ‘খ’ ‘ক’ এর বিরুদ্ধে কোথায় মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. শুধু চট্টগ্রামে
  2. শুধু ঢাকাতে
  3. একই সাথে উভয় জেলার আদালতে
  4. চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের আদালতে আথবা ঢাকার আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরন সম্পর্কে মামলা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে তা বলা আছে।

• ‘ক’ চট্টগ্রামে বসবাস করে কিন্তু ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ঢাকায় মানহানির বক্তব্য দেয় তাই ‘ক’ এর বিরুদ্ধে ঢাকা বা চট্টগ্রামের যে কোন একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।
.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে ১ লক্ষ টাকার একটি ডিক্রী পেলো। ডিক্রী জারীর মাধ্যমে ‘ক’ অর্থ আদায় করলো। উক্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে ‘খ’ আপীল করায় আপীলের রায় ‘খ’ এর পক্ষে আসে। রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ উক্ত টাকা পরিশোধের তারিখ হতে সুদ সহ উক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবে। উক্ত নীতিটি হলো ?
  1. প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. জরিমানা
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পন বা পুনরুদ্ধার বিষয়ে বলা হয়েছে অর্থাৎ ১ম ডিক্রী কার্যকরে পরে আপীলের রায় পরিবর্তন হলে সম্পত্তি বা সম্পদ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
• এখানে প্রথমে ‘খ’ অর্থ পরিশোধ করে পরে ‘খ’ এর আপীলের প্রেক্ষিতে রায় পরিবর্তন হওয়ায় ‘খ’ এর সম্পদ ‘ক’ পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দিবে।
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় খোরপোষ ভাতার বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ১৪৯ ধারা
  2. ৫০ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৫৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, খোরপোষ হলো কাউকে দেওয়ানী জেলে আটক রাখলে তার ব্যয়ভার।
• খোরপোষ ভাতা নির্ধারন করবেন সরকার (গোত্র, পদমর্যাদা, জাতীয়তা বিবেচনায় খোরপোষ ভাতা নির্ধারন হবে।
• তবে যার আবেদনের প্রেক্ষিতে কাউকে দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয় তাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে।
১০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল দায়ের করা যেতে পারে?
  1. আপীলে প্রদত্ত ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  2. প্রাথমিক ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  3. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল বলতে বুঝায় উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পর্যালোচনা।
• আইনে অন্য কিছু  বলা না থাকলে প্রত্যেক মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল করা যায়। (আদেশ-৪১)
১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় আপীল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে?
  1. ৯৬ ধারা
  2. ১০৭ ধারা
  3. ১০৪ ধারা
  4. ১০৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৭ ধারায় আপীল আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা রয়েছে। ১০৭ ধারা  অনুযায়ী আপীল আদালতের ৪টি ক্ষমতা যথাঃ

১। মোকদ্দমা চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি করতে পারে
২। মোকদ্দমা পুনঃ বিচারের জন্য পাঠাতে পরে
৩। বিচার্য বিষয় গঠন এবং তা বিচারের জন্য প্রেরণ
৪। অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ।
১২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় অসুস্থতার অযুহাতে মুক্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৫৫ ধারা
  2. ৫৮ ধারা
  3. ৫৯ ধারা
  4. ৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী দেনাদারকে গ্রেফতার করার পর কোন ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হইলে তাকে মুক্তি দেওয়আড় বিধান আছে এবং পরবর্তীতে পূনরায় তাকে গ্রেফতার করতে কোন বাধা নাই।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে?
  1. ৮৮(গ) ধারা
  2. ৯০ ধারা
  3. ৯৪ উভয়
  4. ৯৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯৩ ধারায় এটর্নি জেনারেল (Attorney General) এর ক্ষমতা প্রদানের বিধান রয়েছে।
• ৯২ ও ৯৩ ধারা অনুযায়ী এটর্নি জেনারেল (Attorney General) কে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তা সরকারের অনুমতিক্রমে কালেক্টর বা সরকার নিযুক্ত অন্য কর্মকর্তাও তা প্রয়োগ করতে পারবে।
১৪.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে তাদের পিতার সম্পত্তি বাটোয়ারার মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। বিরোধীয় সম্পত্তির মূল্য ২৪,৫০,০০০/- টাকা, তাহলে ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. সহকারী জজ আদালতে
  2. সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
  3. যুগ্ন জেলা জজ আদালতে
  4. জেলা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, আর্থিক ও আঞ্চলিক এখতিয়ার সম্পন্ন  সর্বনিম্ন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
• ৬ ধারায় আর্থিক এখতিয়ার বিষয়ে বর্ণনা আছে।  

•The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-
• সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge )  = ১৫ লক্ষ পর্যন্ত 
• সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)  = ২৫ লক্ষ পর্যন্ত
• যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)  =  ২৫ লক্ষ এর উপরে 

•তাই এই মামলাটি মূল্যমান ২৪,৫০,০০০/-  হওয়ায় অত্র মামলাটি সিনিঃ সহঃ জজ আদালতে দায়ের করতে হবে।
১৫.
‘ক’ একজন পার্লামেন্ট সদস্য। ‘ক’ কে পার্লামেন্ট চলাকালীন সময় দেওয়ানী প্রক্রিয়ায়-
  1. গ্রেফতার করা যাবে
  2. গ্রেফতার করা যাবে না
  3. কারাগারে আটক রাখা যাবে
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, সংসদের অধীবেশন চলাকালীন সময়ে সংসদ সদস্যকে দেওয়ানী পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না বা কারাগোরে আটক রাখা যাবে না।

• ‘ক’ যেহেতু সংসদ সদস্য তাই সংসদ চলাকালীন সময়ে গ্রেফতার করা যাবে না।
১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যায় না?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৫ (খ) ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, জজ, ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে মোকদ্দমা পরিচালনার সময় বা আদালত থেকে ফেরার সময় দেওয়া পরোয়ানার অধীন গ্রেফতার করা যাবে না।
১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি/মধ্যস্থতা (Mediation) এর বিধান রয়েছে?
  1. ৮৮ ধারা
  2. ৭৭ ধারা
  3. ৭৯ (ক) ধারা
  4. ৮৯ (ক) ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৯ (ক) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৯ (ক) ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৯ (ক) ধারায় বলা হয়েছে যে, লিখিত জবাব দাখিলের পর যদি মোকদ্দমার উভয় পক্ষ নিজে / আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে হাজির হয় তাহলে আদালত শুনানী মুলতবী রেখে মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করবেন।
•মধ্যস্থতার ১০ দিনের মধ্যে উভয় পক্ষ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে ব্যর্থ হইলে আদালত পরবর্তীতে ৭ দিনের মধ্যে সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করিবেন।
• মধ্যস্থতার সময় হবে ৬০ দিন তবে সর্বাধিক ৯০ দিনের বেশি নয়।
১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৭৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে কমিশন নিয়োগের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৪ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি 1908 সালের আইন এর ৭৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ৪টি ক্ষেত্রে আদালত কমিশন নিয়োগ দিতে পারে,
(১) স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য
(২) স্থানীয় তদন্তের জন্য
(৩) হিসাব পরীক্ষা ও সমন্বয় করার জন্য
(৪) বাটোয়ারা করার জন্য।
১৯.
‘ক’ একজন মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা। ‘ক’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মন্ত্রনালয়ের বরাবরে নোটিশ দিতে হবে মোকদ্দমা দায়েরের কত দিন পূর্বে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে মামলা দায়ের করা ২ মাস পূর্বে সরকারে সচিব বা জেলা কালেক্টরের বরাবর নোটিশ দিতে হবে।

• ‘ক’ যেহেতু মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তা তাই মামলা দায়েরর ২ মাস পূর্বে তাকে নোটিশ দিতে হবে।
২০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় হলফনামা শপথ পরিচালনা হওয়ার বিধান আছে?
  1. ১৩৫ ধারা
  2. ১৩৭ ধারা
  3. ১৩২ ধারা
  4. ১৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৩৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন আদালত বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন ব্যক্তি বা অফিসার বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ব্যক্তি হলফনামা শপথ করবে।
২১.
‘ক’ ঢাকায় বসবাস করে। ‘খ’ কুমিল্লা বসবাস করে। উভয়ের মধ্যে খুলনায় একটি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। ‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে মামলা করতে চায়। উক্ত মামলাটি কোন জেলায় দায়ের করবে?
  1. ঢাকার আদালতে
  2. কুমিল্লার আদালতে
  3. খুলনার আদালতে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
খুলনার আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনার আদালতে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, সম্পত্তি বা মোকদ্দমার বিষয়বস্তু যে আদালতের এখতিয়ারাধীন সে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

• যেহেতু ‘ক’ ও ‘খ’ এর মধ্যে বিরোধীয় সম্পত্তিটি খুলনায় অবস্থিত তাই খুলনার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
২২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৭৯ ধারা অনুযায়ী সরকার বাদী/বিবাদী হলে কোন কর্তৃত্বের ব্যবহার হবে?
  1. রাষ্ট্র্র
  2. বাংলাদেশ
  3. সরকার
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, সরকার বাদী বা বিবাদী হলে কর্তৃত্ব হিসাবে নাম হবে বাংলাদেশ।

•তবে ফৌজদারী মোকদ্দমায় কর্তৃত্ব হিসাবে নাম হবে রাষ্ট্র।
২৩.
`X’ `Y’ এর বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের দায়ে ক্ষতিপূরনের মামলা করেছে। আদালত মোকদ্দমাটি `Y’ এর পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে `X’ পুনরায় একই বিষয় নিয়ে `Y’ এর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করেন। আদালত `X’ এর মোকদ্দমাটি?
  1. স্থগিত করবে
  2. আমলে নিবে
  3. খারিজ করবে
  4. ডিক্রী দিবে
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১১ ধারায় বলা হয়েছে আদালত এমন কোন মোকদ্দমার বিচার করবেন না যা পূর্ববর্তী কোন মোকদ্দমার একই পক্ষগণের মধ্যে চূড়ান্তভাবে সমাপ্ত হয়েছে।
• এটি হলো Res Judicata (দোবারা দোষ)। `X’ এর দায়ের করা ১ম মোকদ্দমাটি চূড়ান্ত ভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে তাই `Y’ এর বিরুদ্ধে পরবর্তী মোকদ্দমাটি খারিজ করবে।  এই নীতি আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
• এই নীতি আরো পাওয়া যায়- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা, ফৌঃ কাঃ বিঃ ৪০৩ ধারা, সংবিধানের ৩৫ (২) অনুচ্ছেদ।
২৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৯১ ধারা মতে গণ-উপদ্রব বা গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা এটর্নি জেনারেল ছাড়া আর কে করতে পারে?
  1. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে যে কেহ
  2. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
  3. এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে এক বা একাধিক ব্যক্তি
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভূমি কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটর্নি জেনারেলের লিখিত অনুমতি নিয়ে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৯১ ধারায় বলা হয়েছে যে, এটর্নি জেনারেল বা দুই বা ততোধিক ব্যক্তি লিখিত অনুমতি নিয়ে গণ-উৎপাত প্রতিরোধে নিষেধাজ্ঞার মামলা করবেন ।
•বিশেষ কোন ক্ষতি না হয়ে থাকলেও এই মামলা করা যাবে। তবে এটর্নি জেনারেল ছাড়া অন্য কেহ মামলা করতে হলে এটর্ণি জেনারেলের লিখিত ‍অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।
২৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১৫১ ধারায় বর্ণিত আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়?
  1. সহজাত ক্ষমতা
  2. বিশেষ ক্ষমতা
  3. সাধারন ক্ষমতা
  4. আপীল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহজাত ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১৫১ ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালতের সহজাত ক্ষমতা অর্থাৎ আদালত ন্যায় সংগত ভাবে বিচার কার্য পরিচালনার জন্য • সুনির্দিষ্ট আইনের পাশাপাশি অতিরিক্ত যে ক্ষমতা ব্যবহার করে।
• এই ক্ষমতা কোন আইন থেকে উৎপত্তি হয় নাই। দুটি উদ্দেশ্যে আদালত তার সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
(১) ন্যায় বিচারের স্বার্থে
(২) আদালতের কার্য্যপ্র্রণালীর অপব্যবহার রোধ করতে।
• ফৌঃ কাঃ বিধি ৫৬১ (ক) ধারায় ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতার প্রয়োগ হয়।
২৬.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১০৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  2. মূল ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল
  3. আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
  4. আপীলের বিরুদ্ধে আপীল
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশের বিরুদ্ধে আপীল
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১০৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে সেই ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোন আদেশ হতে আপীল চলবেনা।

• কোন্ কোন্ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে তার বর্ণনা আছে আদেশ ৪৩।
২৭.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর কোন ধারায় “ডিক্রী জারীতে সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের” বিধান রয়েছে?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৫৬ ধারা
  4. ৬৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৬০ ধারায় বলা হয়েছে যে,ডিক্রী জারী করার জন্য দেনাদারের সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যাবে।
 • ডিক্রী জারী করার জন্য কিছু সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করা যায় না।
• পরিধেয় বস্ত্রাদি, বিছানা, রান্না বাসন, চাষির বাসগৃহ, হিসাবের খাতাপত্র ইত্যাদি।
২৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় খরচ (Costs) বিষয়ে বিধান আছে?
  1. ৩৪ ধারা
  2. ৩৫ ধারা
  3. ৩৬ ধারা
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৫ ধারা অনুযায়ী আদালত সাধারন খরচের আদেশ দিতে পারে।
• যে খরচ নির্ধারন করা হবে তার উপর সর্বোচ্চ ৬% বার্ষিক সুদ প্রদানের আদেশ দিতে পারে।
• ৩৫ (ক) ধারায় মিথ্যা বা হয়রানী মূলক মোকদ্দমার ক্ষতিপূরন সর্বোচ্চ ২০০০০ টাকা। ৩৫ (খ)/১ বিলম্বের জন্য খরচ ২০০০ টাকা এবং ৩৫(খ)/২ অনুযায়ী ৩,০০০ টাকা জরিমানা করা যায়।
২৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ১ম আবেদন কত বৎসরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রী জারীর জন্য ১ম আবেদন ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।
• তবে নতুন আবেদন ১২ বছরের মধ্যে করতে হবে। তবে ১২ বছরের পরেও আবেদন করা যায়। যদি দেনাদার প্রতারনা বা শক্তি প্রয়োগ করে ডিক্রী জারীতে বাধা দিয়ে থাকে।
• উল্লেখ্য ২ বৎসরের মধ্যে আবেদন করলে নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজন নাই। তবে ২ বছরে পরে আবেদন করলে দায়িক কে নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
৩০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১১৫ ধারর বিধান কি?
  1. রিভিউ
  2. রিভিশন
  3. রেফারেন্স
  4. আপীল
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
•  দেওয়ানী কার্যবিধি ১১৫ ধারা অনুযায়ী বিধান হলো রিভিশন ।
রিভিশন বলতে বুঝায় উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন করা।
রিভিশন করতে হয় উচ্চ আদালতে।
• ১১৫ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে।
১) জেলা জজ ও
২)হাইকোর্ট বিভাগ
৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ অনুযায়ী প্রত্যেকেটি দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে?
  1. আরজি দাখিলের মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের মাধ্যমে
  3. প্লিডিংস দায়েরের মাধ্যমে
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি দাখিলের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ২৬ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী মোকদ্দমার আরজি পেশ করে বা অন্য কোন নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়ের করতে হয়।

• প্রত্যেকটি আরজির সঙ্গে যতজন বিবাদী থাকে ততগুলো আরজির অবিকল নকল দিতে হয়।
৩২.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ১২৩ ধারা অনুযায়ী বিধি কমিটি গঠনের সদস্য হবে ৬ জনের।
• সুপ্রিম কোর্টের ৩ জন বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের ২ জন আইনজীবী, হাইকোর্টের অধস্তন দেওয়ানী আাদালতের ১ জন বিচারক, মোট ৬ জন।
• এদের নিয়োগ দিবেন প্রধান বিচারপতি।
৩৩.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৭৪ ধারার বিধান কি?
  1. ডিক্রী জারী করা
  2. অনুরোধ পত্র
  3. কালেক্টর
  4. ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী জারী কার্যে বাধা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৭৪ ধারায় ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দান করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
• ডিক্রী জারী কার্যে বাধা দিলে বাধাদানকারীকে
• অনধিক ৩০ দিন দেওয়ানী কারাগারে আটক 
• সম্পত্তির দাবীদারকে সম্পত্তি স্থানান্তরের আদেশ দিবেন।
৩৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারায় বিধি প্রণয়নে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ১২০ ধারা
  2. ১২১ ধারা
  3. ১২২ ধারা
  4. ১২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ১২২ ধারা অনুযায়ী, সুপ্রীম কোর্টে মাঝে মাঝে সুপ্রীম কোর্টের প্রত্যেক বিভাগ বা নিয়ন্ত্রনাধীন দেওয়ানী আদালতের কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রনকালে পূর্বের প্রকাশনার পরে বিধি প্রণয়ন করতে পারেন।
৩৫.
দেওয়ানী কার্যবিধি আনুসারে "নালিশের কারণ (Cause of Action)" বলতে কি বোঝায়?
  1. অপরাধের কারণ
  2. যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
  3. যে কোন অভিযোগ
  4. মামলার ধরন
সঠিক উত্তর:
যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কারণে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত বিষয়ের উপর নির্ভর করে বাদী একটি মামলায় তার পক্ষে আদালতের প্রতিকার প্রার্থনা করে, সেসব বিষয়ের সমষ্টিকে নালিশের কারণ বা কজ অব এ্যাকশন বলা হয়।
• অন্যভাবে বলা যায়, কজ অব এ্যাকশন হচ্ছে কোন পরিস্থিতি সৃষ্টির কারণ যা থেকে মামলার উদ্ভব হয়েছে।
• অর্থাৎ কোন বিরোধ সৃষ্টির কারন যার জন্য মামলা করা হয় তাকেই কজ অব এ্যাকশন বলে বা মোকদ্দমার কারণ বলে।
• মামলায় ডিক্রি লাভ করার জন্য বাদীকে প্রমাণ করতে হয় এ রকম প্রতিটি তথ্যই কজ অব এ্যাকশন এর অন্তর্ভুক্ত।
• তবে দাবির সমর্থনে মূল বিষয়গুলো প্রমান করতে যে সব সাক্ষ্যের প্রয়োজন সেগুলো কজ অব এ্যাকশন নয়।
৩৬.
‘ক’ একটি সম্পত্তির দখলে আছে। ‘খ’ ও ‘গ’ উক্ত সম্পত্তির দখল দাবী করে। উক্ত সম্পত্তিতে ‘ক’ এর কোন স্বার্থ নেই কিন্তু সে উক্ত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক কে দখলে থাকা সম্পত্তি অর্পন করতে চায়। ‘ক’ কোন ধরনের মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা
  2. স্বত্বের মোকদ্দমা
  3. স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, ২ বা ততোধিক ব্যক্তি কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা দাবি করলে বর্তমান দখলদার ব্যক্তির খরচ ছাড়া অন্য কোন দাবি না থাকলে দখলদার যে মামলা করবে তার নাম Interpleader Suit বা স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা।

•এখানে যেহেতু ‘ক’ দখলে থাকা সম্পত্তি ‘খ’ ও ‘গ’ দাবী করে তাই ‘ক’ স্বার্থ বিহীন মোকদ্দমা দায়ের করবে।
৩৭.
‘ক’ ‘খ’ এর বিরুদ্ধে একটি বিক্রয় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে। আদালত বিচার শেষে সিদ্ধান্ত দেয় যে, ‘খ’ ‘ক’ কে বিক্রয় চুক্তি অনুযায়ী জমিটি অর্পন করবে। যেহেতু আদালতের এই সিদ্ধান্ত পক্ষসমূহের বিরোধ নির্ণয় করেছে। এটি একটি?
  1. ডিক্রী
  2. রায়
  3. আদেশ
  4. খ ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (২) অনুযায়ী ডিক্রী হলো আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যেটা চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষ সমূহের অধিকার নির্ধারন করে।
• যেহেতু উক্ত প্রশ্নে ‘ক’ ও ‘খ’ এর বিরোধীয় বিষয়টি নির্ধারিন করা হয়েছে তাই এটি ডিক্রী।
• ধারা ২(৯) রায় এবং ২ (১৪) আদেশ বিষয়ে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৩২ ধারার বিধান কি?
  1. হাজির না হলে দন্ড
  2. আরজি ফেরত
  3. বিদেশে সমন জারি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির না হলে দন্ড
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর  ৩২ ধারার বিষয়বস্তু হলো ৩০ ধারা অনুযায়ী সমন দেওয়া হলে হাজির না হলে দন্ড।

যদি সমন দেওয়ার পরও হাজির না হলে ৪ ধরনের দন্ড দেওয়া যায়।

• গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

• সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়

• অনধিক ৫০০ টাকা জরিমানা

• হাজির হওয়ার জন্য জামানত দেওয়ার আদেশ
৩৯.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের ধারা ৩ অনুযায়ী আদালত কত প্রকার?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানী আদালত ৫ প্রকার।
১। জেলা জজ
২। অতিঃ জেলা জজ
৩। যুগ্ন জেলা জজ
৪। সিনিঃ সহঃ জজ
৫। সহঃ জজ আদালত
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ দেওয়ানী আদালত হলো জেলা জজ এবং নিম্ন আদালত হলো সহকারী জজ।
• জেলা ও দায়রা জজ একই ব্যক্তি। দেওয়ানী মামলার বিচারের সময় জেলা জজ এবং ফৌজদারী মামলা বিচারের সময় দায়রা জজ নামে পরিচিত।
৪০.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়?
  1. ৮৬ ধারা
  2. ৮৬ ক ধারা
  3. ৮৭ ধারা
  4. ৭৬ ক ধারা
সঠিক উত্তর:
৮৬ ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬ ক ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৮৬ ক ধারা অনুযায়ী কূটনৈতিক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
৪১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী রিভিউ করার বিধান আছে?
  1. ১১৪ ধারা
  2. ১১৩ ধারা
  3. ১১৫ ধারা
  4. ১০৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ১১৪ ধারা অনুযায়ী রিভিউ হলো ডিক্রী প্রদানকারী আদালত বা বিচারক কর্তৃক নিজের সিদ্ধান্তের ভুলসংশোধনের জন্য বিচারিক পর্যালোচনা।
• যে পক্ষ সংক্ষুব্ধ হবে সেই পক্ষ রিভিউ করবে।
• যে আদালত ডিক্রী দিবে সেই আদালতে রিভিউর জন্য আবেদন করতে হবে।

•তামাদি আইনের ১৭৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে রিভিউ করতে হবে।
৪২.
‘ক’ তার এক পুত্র ‘খ’ এবং বিবাহিত এক মেয়ে ‘গ’ কে রেখে মারা গেছে। ‘ক’ কর্তৃক দায়েরকৃত মোকদ্দমা তার মৃত্যুর পর পরিচালিত হতে পারে?
  1. আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র ‘খ’ কর্তৃক খ) আইনানুগ প্রতিনিধি শুধুমাত্র
  2. কর্তৃক
  3. ‘খ’ ‘গ’ এবং ‘গ’ এর স্বামী কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
  4. ‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
‘খ’ এবং ‘গ’ উভয় কর্তৃক আইনানুগ প্রতিনিধি হিসেবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইনের ধারা ২ (১১) বৈধ প্রতিনিধি / আইনানুগ প্রতিনিধি হলো কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর যিনি তার সম্পত্তির অধিকারী হবেন কিংবা মোকদ্দমা পরিচালনার অধিকারী হবেন।

• সুতরাং ‘ক’ এর মৃত্যুর পর তার বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে ‘খ’ এবং ‘গ’ মামলা পরিচালনা করিতে পারবেন।