পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
১) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা : রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা। ২) বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা : আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার। ৩) বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন যুগ: প্রাচীন বাংলার জনপদ, বিভিন্ন রাজ্য ও রাজবংশ। মধ্যযুগ: মুসলমান শাসন (দিল্লী সালতানাত, মুঘল আমল, সুলতানি আমল, নবাবী আমল ইত্যাদি)। সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাইটের সাধারণ তথ্যাবলী।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কী বলে?
  1. ক) Bailout
  2. খ) Walkout
  3. গ) Strike
  4. ঘ) Blackout
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংসদ চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে ওয়াকআউট বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং Cambridge Dictionary।

.
জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনীসহ সর্বশেষ প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি
  2. খ) ২০০৮ সালের ১১ জানুয়ারি
  3. গ) ২০১০ সালের ১১ জানুয়ারি
  4. ঘ) ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের কার্যক্রম সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত ও অনুমোদিত কার্যপ্রণালী বিধি কাঠামো।
- সংবিধানের ৭৫(১) (ক) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সংসদ কর্তৃক গঠিত কমিটির পেশকৃত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রণীত।
- কার্যপ্রণালী বিধি ১৯৭৪ সালের ২২ জুলাই সর্বপ্রথম গৃহীত হয়।
- কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধনীসহ সর্বশেষ প্রকাশিত হয় ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি।
- কার্যপ্রণালী বিধি ২৯ টি অংশে বিভক্ত। এতে রয়েছে ৩১৮ টি ধারা ও ৪ সিডিউল।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মহিলা এমপি নির্বাচিত হয় কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) নবম
  3. গ) দশম
  4. ঘ) একাদশ
ব্যাখ্যা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সব নির্বাচনের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ।
- এ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৯ জন।
- বিজয়ী নারীদের মধ্যে ১৯ জনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের।
- বাকী ৩ জনের মধ্যে ২ জন জাতীয় পার্টি ও ১ জন জাসদের।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট (আর্কাইভ)।

.
সংসদে বাজেট পাশ করা হয় কখন?
  1. ক) জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার
  2. খ) জুন মাসের শেষ রবিবারে
  3. গ) জুন মাসের শেষ মঙ্গলবারে
  4. ঘ) জুন মাসের শেষ সোমবার
ব্যাখ্যা

- জুন মাসের শেষ রবিবারে সংসদে বাজেট পাশ করা হয়
- মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার।
- পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক ( ECNEC , NEC ) অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবারে।
- ক্রয়সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবারে।
- জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং দৈনিক প্রথম আলো।

.
বাকশালে জাতীয় দলের জন্য কত সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১৫
  2. খ) ১২০
  3. গ) ২০
  4. ঘ) ১৫
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বাকশালের চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় দলের জন্য ১৫ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি এবং ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করেন।
- এছাড়া জাতীয় কৃষক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, জাতীয় মহিলা লীগ, জাতীয় যুবলীগ ও জাতীয় ছাত্রলীগ নামে দলের পাঁচটি অঙ্গ সংগঠনকে মনোনয়ন দান করা হয়।
- নির্বাহী কমিটির সদস্যরা মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগের অধিকারী ছিলেন।
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর দেশের প্রশাসন ব্যবস্থাকে গণমুখী করার লক্ষ্যে ঢেলে সাজানোই ছিল বাকশাল পরিকল্পনার উদ্দেশ্য।
- বাকশাল ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

.
তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় কেন?
  1. ক) এরশাদের ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদানের জন্য
  2. খ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি জন্য
  3. গ) অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদানের জন্য
  4. ঘ) জিয়ার ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা

- ইনডেমনিটি হলো কোন বিচারকার্যকে বাধা প্রধান সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বা আইন। কোনো অভিযান বা অভ্যুত্থানের ক্ষয়ক্ষতি আদালতের বহির্ভূত রাখার জন্য আইনসভা যে বিল পাস করে তাকেই ইনডেমনিটি বিল বলে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের জারিকৃত সকল প্রকার সামরিক আইন,অধ্যাদেশ,বিধি-নির্দেশ ইত্যাদিকে ও বৈধতাদানের উদ্দেশ্য ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।
- ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মোট কতজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়?
  1. ক) ১১ জন
  2. খ) ১২ জন
  3. গ) ১৪ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়৷
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা ও জওয়ান এই হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন৷ - ২ অক্টোবর, ১৯৯৬: হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
- ১৯ নভেম্বর ২০০৯: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।

.
নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত ফোর্সকে কি বলে ?
  1. ক) এলিট ফোর্স
  2. খ) এস ফোর্স
  3. গ) কে ফোর্স
  4. ঘ) টাস্কফোর্স
ব্যাখ্যা

- প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
- প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমেদ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
- নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠিত হয়।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো সোর্ড অব অনার ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ নৌ সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুর্মিটোলা , ঢাকা
  2. খ) ভাটিয়ারি , চট্রগ্রাম
  3. গ) বনানী, ঢাকা
  4. ঘ) মহাখালী,ঢাকা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ নৌ সদরদপ্তর অবস্থিত -বনানী, ঢাকা।
- প্রতীক-কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা।
- স্লোগান- শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়।
- সর্বোচ্চ পদ এডমিরাল।
- এয়ার ফোর্স একাডেমি - যশোর {১৯৭৩)
- বিএনএস শেখ হাসিনা কার্যত বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি। এটি পেকুয়া,কক্সবাজার,চট্রগ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট।

১০.
সরকারি কাঠামোর বাইরে থেকে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে-
  1. ক) দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) সশ্বস্ত্র বাহিনী
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। এরা হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও এই গোষ্ঠী সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হলো নিজেদের অনুকূলে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- অন্যদিকে, সশ্বস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার কাঠামোর অংশ।
- দুর্নীতি দমন কমিশন - বিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।

১১.
চাণক্যের বিখ্যাত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র কতখন্ডে রচিত?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ১৬
  3. গ) ১৭
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা

- চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ অব্দে জন্ম গ্রহণ করে।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির দিকপাল ও ভারতের ম্যাকিয়াভ্যালি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- চন্দ্রগুপ্তের এবং বিন্দুসারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল অর্থশাস্ত্র ( ১৫ খন্ডে ) ও চাণক্যনীতি।
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতিকৌশলের সার সংক্ষেপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ , বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
‘মা হুয়ান’ বাংলায় আগমন করেন তখন বাংলার শাসক ছিলেন?
  1. ক) সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক
  2. খ) গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ
  3. গ) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  4. ঘ) মীর জুমলা।
ব্যাখ্যা

- মা হুয়ান একজন চীনা পরিব্রাজক।
- তার বাংলায় আগমনের সময় বাংলার শাসক ছিলেন গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ।
- মা হুয়ান পনের শতকের প্রথমার্ধে বাংলায় আসেন।
- ফা হিয়েন বাংলায় আগমনের সময় বাংলার শাসক ছিলেন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৩.
মধ্যযুগে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস বলতে কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. ক) ১২০৪-১৭৫৭
  2. খ) ১২০০-১৫০০
  3. গ) ১২০০-১৬০০
  4. ঘ) ১২০১-১৮০০
ব্যাখ্যা

- বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনাকালকে বাংলায় মধ্যযুগের শুরু বলা হয়।
- মধ্যযুগের বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস বলতে ১২০৪ থেকে ১৭৫৭ পর্যন্ত সময়কে বুঝানো হয় ।
- যার প্রায় পুরোটা সময় জুড়ে ছিল মুসলমানদের আধিপত্য অর্থাৎ ১২০৪-১৭৬৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫৫০ বছর ।
- বাংলার প্রথম মুসলিম শাসক তুর্কী বীর ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি (১২০৪)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সর্বাধিককাল রাজত্ব করেন-
  1. ক) সিকান্দার শাহ
  2. খ) গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

- সিকান্দার শাহ (১৩৫৮-১৩৯৩ খ্রিঃ)
- শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দার শাহ (১৩৫৮-১৩৯৩ খ্রিঃ) বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- সিকান্দার শাহ বাংলাদেশে মুসলিম শাসনের ইতিহাসে সর্বাধিককাল রাজত্ব করেন। সুদীর্ঘ ৩৫ বছরের শাসনকালে তিনি বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- পান্ডুয়ার আদিনা মসজিদের সন্নিকটে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত শাসন করে।
- গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ (১৩৯৩-১৪১১ খ্রি.)।
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ১৪৯৪ -১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনী ও বাংলাপিডিয়া।

১৫.
কোন মুঘল সম্রাটকে পরাজিত করে শের খান ‘শের শাহ’ উপাধি ধারন করেন?
  1. ক) মুঘল সম্রাট বাবর
  2. খ) মুঘল সম্রাট আকবর
  3. গ) মুঘল সম্রাট শাহজাহান
  4. ঘ) মুঘল সম্রাট হুমায়ন
ব্যাখ্যা

- শেরশাহ বিহারের শাসনকর্তা বাহারাম খানের অধীনে কর্মরত থাকাকালীন নিজগুণে তাঁর আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। এ সময় একটি বাঘ হত্যা করে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিলে ফরিদ ‘শের খান’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- পরবর্তীকালে চৌসার যুদ্ধে সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন তিনি ।
- ১৫৪১ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ বাংলা আক্রমণ করে বাংলার সুলতান খিজির খানকে পরাজিত ও বিতাড়িত করেন।
- বাংলায় যাতে বিদ্রোহ সংঘটিত হতে না পারে সে জন্য তিনি বাংলাকে ১৯টি সরকারে বিভক্ত করে প্রত্যেকটির শাসনভার একজন আমিনের উপর ন্যস্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনী ও বাংলাপিডিয়া।

১৬.
কত সালে বক্সারের যুদ্ধ সংগঠিত হয়?
  1. ক) ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন
  2. খ) ১৭৬০ সালের ২২ অক্টোবর
  3. গ) ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৭৬৬ সালের ২৯ জুলাই
ব্যাখ্যা

- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে মেজর মনরো নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- তাদের সম্মিলিত বাহিনী বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়।
- - বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়। ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।
- যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়ে নিদারুণ দুঃখকষ্ট ও দারিদ্র ভোগ করে ১৭৭৭ সালের ৬ জুন জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে শাজাহানাবাদের এক অখ্যাত পল্লীতে মৃত্যুবরণ করেছিলেন মীর কাসিম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
হোসেনি দালান নির্মান করেন কে ?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) মীর মুরাদ
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) মীর জুমলা
ব্যাখ্যা

- ১৭শ শতকে সম্রাট শাহজাহানের আমলে নির্মাণ করা হয় হোসেনি দালান।
- এটি পুরান ঢাকার চাঁনখারপুল হোসেনি দালান রোডে অবস্থিত।
- প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই হোসেনি দালান ইমামবাড়া নামেও পরিচিত।
- হোসেনি দালান বা ইমামবাড়ার প্রাচীরের শিলালিপি থেকে জানা যায়, শাহ সুজার সুবেদারির সময় তার এক নৌ-সেনাপতি মীর মুরাদ এটি নির্মাণ করেন।
- হিজরি ১০৫২ সনে অর্থাৎ ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দের প্রথমে তাজিয়া কোনা নির্মাণ করেন তিনি ।

- ১৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে শায়েস্তা খান হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও নবম-দশম শ্রেণি (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা -৭ম অধ্যায়)।

১৮.
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়-
  1. ক) ১৫২৬ সালে
  2. খ) ১৫৫৬ সালে
  3. গ) ১৭৬১ সালে
  4. ঘ) ১৭৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৫৫৬ সালে আকবরের সেনাপতি বৈরাম খান ও আফগান নেতা হিমুর মধ্যে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে (১৫৫৬ খ্রিঃ) আদিল শাহের সেনাপতি হিমু মুঘল সৈন্যদের নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ ১৪ই জানুয়ারি ১৭৬১ সালে দিল্লির ৯৭ কিলোমিটার উত্তরে পানিপথ নামক স্থানে মারাঠাদের সাথে দোয়াবের আফগান রোহিলা ও আয়ুব এর সম্রাট সুজা-উদ-দৌল্লার যৌথ সমর্থনে আফগানিস্থানের সম্রাট আহমেদ-শা-আবদালির মধ্যে সংঘটিত হয়।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১৯.
কোন শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব হয়?
  1. ক) ৫ম শতক
  2. খ) ৬ ষ্ঠ শতক
  3. গ) ৭ম শতক
  4. ঘ) ৮ম শতক
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব ঘটে।
- মহাবীর প্রবর্তিত ধর্ম হলো জৈন ধর্ম।
- মহাবীরের আসল নাম বর্ধমান। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৮ অব্দে মারা যান বলে অনুমান করা হয়।
- তবে কিছু ঐতিহাসিকের মতে জৈন ধর্মের প্রবর্তক খষভদেব বা আদিনাথ। তাদের মতে জৈন ধর্মের প্রচারক সংখ্যা ২৩ জন এবং এদের মধ্যে মহাবীর হলেন সর্বশেষ প্রচারক।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

২০.
স্বাধীন গৌড়রাজ্য বিস্তৃত ছিল -
  1. ক) বাংলার উত্তর, উত্তর পশ্চিমাংশ ও মগধ
  2. খ) সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গ
  3. গ) বাংলার উত্তর,পূর্ব বঙ্গ
  4. ঘ) তিব্বত ও দাক্ষিণাত্য
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- ষষ্ঠ শতকের শেষের দিকে গৌড়ের পরবর্তী গুপ্তবংশীয় রাজাগণ দুর্বল হয়ে পড়েন। এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে সামন্তরাজা শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দের গোড়ার দিকে গৌড় অঞ্চলে ক্ষমতা দখল করে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।