পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পদার্থের অবস্থা, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক যন্ত্রপাতি, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। [এই পরীক্ষা থেকে পড়া শুরু করলে আগামী ১৫০ দিনে বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাস কাভার হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
তেজস্ক্রিয় বিকিরণে কোন কণিকা নির্গত হয়?
  1. ক) ইলেকট্রন ও প্রোটন
  2. খ) প্রোটন ও নিউট্রন
  3. গ) প্রোটন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য :
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ।  এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। 
- গামা রশ্মি তড়িৎ নিরপেক্ষে।  গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
তাপ সঞ্চালনের দ্রুততম প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) পরিচলন
  3. গ) বিকিরণ
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন হয় তিন প্রক্রিয়ায়।
১) পরিবহন,
২) পরিচলন,
৩) বিকিরণ।
পরিবহন এবং পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, এবং এই দুই পদ্ধতিতে মাধ্যমকে উত্তপ্ত করে তাপ সঞ্চালন করতে হয়।
কিন্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। সূর্য থেকে তাপ পৃথিবীতে এভাবেই আসে।
তাই বলা যায় তাপ সঞ্চালনের দ্রুততম প্রক্রিয়া হচ্ছে বিকিরণ।
.
দুটি চার্জিত সংযুক্ত বস্তুর মধ্যে চার্জ প্রবাহিত হতে থাকে যতক্ষণ না তাদের -
  1. ক) বিভব সমান হয়।
  2. খ) চার্জ সমান হয়।
  3. গ) সঞ্চিত শক্তি সমান হয়।
  4. ঘ) ধারকত্ব সমান হয়।
ব্যাখ্যা
- আমরা জানি যে, কোনো নির্দিষ্ট বস্তুতে যত আধান দেয়া হবে তার বিভব তত বৃদ্ধি পাবে।
- সুতরাং একই আকারের দুটি বস্তুতে একই জাতীয় (ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক) সমমানের আধান প্রদান করলে বস্তু দুিটতে সমান বিভব সৃষ্টি হবে।
- কিন্তু ভিন্ন মানের আধান প্রদান করলে বস্তু দুিটতে ভিন্ন মানের বিভব সৃষ্টি হবে।
- এই অবস্থায় বস্তু দুটিকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে আধান প্রবাহিত হতে থাকবে ।
- যতক্ষণ বিভব পার্থক্য থাকবে ততক্ষণ আধান প্রবাহিত হবে। বস্তু দুটির বিভব সমান হলে আধান প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে। 
উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. ক) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) মাইকেল ফ্যারাডে
  4. ঘ) ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
কোন কোন ধাতুর উপর আলাে পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয়, একে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া বলে।
আলাের তরঙ্গ ধর্মের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না।
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।
সেজন্য তাঁকে ১৯২১ সালে নােবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয়?
  1. ক) 100 K
  2. খ) - 273 K
  3. গ) 273 K
  4. ঘ) 0 K
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 0 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি জমে বরফে পরিণত হয়।
সেলসিয়াস স্কেলের নিম্ন স্থিরাঙ্ক ০ ডিগ্রী, ঊর্ধ্ব স্থিরাঙ্ক ১০০ ডিগ্রী ধরে মৌলিক ব্যবধানকে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয়।
কেলভিন স্কেলে নিম্ন স্থিরাঙ্ক ২৭৩ এবং ঊর্ধ স্থিরাঙ্ক ৩৭৩ ধরে মৌলিক দৈর্ঘ্যকে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
তাই ০ ডিগ্রী সেলসিয়াস আর ২৭৩ কেল্ভিন একই তাপমাত্রা নির্দেশ করে।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
আলো কী ধরণের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে?
  1. ক) তরঙ্গ
  2. খ) কণা
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গতত্ত্ব অনুসারে আলো তরঙ্গ এবং কণাতত্ত্ব অনুসারে আলো কণা দিয়ে গঠিত৷
- আসলে আলো তরঙ্গ এবং কণা দুই ধরণের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে৷

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত কত হয়?
  1. ক) ৮৯ এর বেশি
  2. খ) ৮২ এর বেশি
  3. গ) ১০৫ এর বেশি
  4. ঘ) ৮৫ এর বেশি
ব্যাখ্যা
- কোনো প্রাকৃতিক পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা ঘটলে সেসব পদার্থকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- যেমন- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল।
- এসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত ৮২ বা তার থেকে বেশি হয়ে থাকে। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
তাপমাত্রার বৈশিষ্ট্য হলো -
  1. ক) এটি অনুভব করা যায়।
  2. খ) এটি এক ধরনের শক্তি।
  3. গ) উষ্ণতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
  4. ঘ) এটি পরিমাপযোগ্য।
ব্যাখ্যা
তাপ হলো এক প্রকার শক্তি, যার কারণে কোনো কিছুকে ঠান্ডা বা গরম হিসাবে অনুভব করা যায়। এটি এক ধরনের শক্তি- কোনো পদার্থ নয়। তাই এটি বল প্রয়োগে কোন বাঁধা প্রদান করে না।
তাপমাত্রা কোনো কিছুর তাপীয় অবস্থাকে প্রকাশ করে৷ তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায়।
তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য সেলসিয়াস স্কেল, ফারেনহাইট স্কেল, কেলভিন স্কেল ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের স্কেল রয়েছে।

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণি।
.
চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
  1. ক) বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
  2. খ) আলোর বিচ্ছুরণে
  3. গ) অপাবর্তনে
  4. ঘ) মরীচিকা
ব্যাখ্যা
- চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে।
- দিগন্তের কাছে তা অধিক পরিমাণে বেঁকে যায় বলেই চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায়।
১০.
তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে বাতাসে শব্দের বেগ কতটুকু বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) ০.৩১ মিটার/সেকেন্ড
  2. খ) ০.৬০ মিটার/সেকেন্ড
  3. গ) ১.০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ঘ) ০.৫ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।
কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১১.
সিমেন্স কিসের একক?
  1. ক) রোধ
  2. খ) আপেক্ষিক রোধ
  3. গ) পরিবাহিতা
  4. ঘ) ধারকত্ব
ব্যাখ্যা
- SI(International System of Units) পদ্ধতিতে পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S);
- আধানের একক কুলম্ব(C); 
- তড়িৎ প্রবাহের একক এম্পিয়ার;
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট;
- রোধের একক ওহম 

[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
১২.
কোন পদার্থটি কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তন হ্রাস পায়?
  1. ক) মোম
  2. খ) তামা
  3. গ) বরফ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
(ক) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়। যেমন: মোম, তামা ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।

(খ) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়। যেমন: লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়। অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ না অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) গলনাঙ্ক
  2. খ) স্ফুটনাঙ্ক
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।
১৪.
নিচের কোনটির বিপরীত রাশি হলো পরিবাহকত্ব?
  1. ক) পরিবর্তনশীল রোধ
  2. খ) আপেক্ষিক রোধ
  3. গ) স্থির রোধ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক রোধ: স্থির তাপমাত্রায় একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল এবং একক দৈর্ঘ্যরে কোনো পরিবাহীর বিপরীত দুই পৃষ্ঠের
রোধকে ঐ পরিবাহীর উপাদানের আপেক্ষিক রোধ বলে।
পরিবাহকত্ব: স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পদার্থের একক দৈর্ঘ্যরে এবং একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের পরিবাহিতাকে
পরিবাহকত্ব বলে।
আপেক্ষিক রোধের বিপরীত রাশিকে পরিবাহকত্ব বলে। 
উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
নিম্নের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. ক) আইসোটোপে ভর সংখ্যা অভিন্ন হয়।
  2. খ) আলফা, বিটা, গামা তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
  3. গ) নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি (α-কণা), বিটা রশ্মি (β-কণা) ও গামা রশ্মি (γ-কণা) হলো তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
এ সব রশ্মির বিকিরণের ফলেই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন প্রকৃতির নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। এরা হলোঃ
ক) নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া
খ) নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া 

- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সংঘঠিত হলে অনেক বেশি তাপ শক্তির উদ্ভব ঘটে। এ তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের ভারী নিউক্লিয়াসকে উচ্চগতি সম্পন্ন নিউট্রন দ্বারা আঘাত করার ফলে দুটি ভিন্ন ভর ও পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়।
এ প্রক্রিয়াতে প্রচুর তাপের সৃষ্টি হয়। এ তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

-  আইসোটোপ: যেসব মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরমাণুর আইসোটোপ বলে। পারমাণবিক সংখ্যা বলতে মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বোঝায়।
১৬.
একটি পাত্রে ১ লিটার পানি নিয়ে ১০ মিনিট তাপ দেয়ার পর পানির তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। আরো ৩ মিনিট তাপ প্রয়োগ করলে পানির তাপমাত্রা কত ডিগ্রি বৃদ্ধি পাবে?
  1. ক) ১০০ ডিগ্রি
  2. খ) ৫০ ডিগ্রি
  3. গ) ০ ডিগ্রি
  4. ঘ) ২৫ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পানির স্ফুটনাঙ্ক ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাই পানির তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রিতে পৌঁছানোর পর যতই তাপ প্রয়োগ করা হোক না কেন পানির তাপমাত্রা আর বৃদ্ধি পাবে না।
এই অতিরিক্ত প্রযুক্ত তাপ তরল পানিকে বাষ্পে রূপান্তর করে।
তবে পানির উপরে চাপ বৃদ্ধি করলে এর স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। যেমন প্রেসার কুকারে পানি ১২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে।
১৭.
ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্টে কোনো বস্তু দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যালাইডোস্কোপ
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) পেরিস্কোপ
  4. ঘ) মাইক্রোস্কোপ
ব্যাখ্যা
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
[সুত্রঃ বিজ্ঞান ৬ষ্ঠ শ্রেণি]
১৮.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ হ্রাস পায়।
  2. খ) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  3. গ) মাধ্যমের ঘনত্ব হ্রাস পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
পরীক্ষা করে দেখা গেছে আলাের দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3x108 ms-1 নির্দিষ্ট। কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1

তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
 
মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1, পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং লােহার মধ্যে 5220 ms-1 |

বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৯.
সঞ্চালন তারে রোধের কারণে যে তড়িৎ শক্তির অপচয় হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) লোড শেডিং
  2. খ) সিস্টেম লস
  3. গ) B.O.T
  4. ঘ) B.T.U
ব্যাখ্যা
সিস্টেম লস: সঞ্চালন তারে রোধের কারণে যে তড়িৎ শক্তির অপচয় হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।
লোড শেডিং:  যখন প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন কম হয়, সে সময় কোনো কোনো সাবস্টেশনে গ্রাহকের চাহিদার
তুলনায় কম তড়িৎ শক্তি থাকায়, কিছু সময়ের জন্য বাধ্য হয়ে কিছু কিছু এলাকায় তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ রাখে। একে লোড
শেডিং বলে।
B.O.T বা B.T.U: তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্ট (Kilowatt Hour বা  kWh) তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্ট এককে শক্তির পরিমাপ
করে। সারা বিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এ একক ব্যবহার করে। এজন্য এ একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (B.O.T বা  B.T.U) বলে। সংক্ষেপে একে শুধু ইউনিট (unit) বলে।

উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. সমতল
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন-
  1. ক) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  2. খ) হেনরি বেকরেল
  3. গ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  4. ঘ) মেরি কুরি
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- এই তত্ত্ব ব্যবহার করে পরবর্তীতে পরমাণুর স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়েছিলো।
- বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়ন তত্ত্বের সঠিক গাণিতিক ব্যাখ্যা দেন প্রফেসর সত্যেন্দ্রনাথ বসু।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২২.
আমাদের হাতের দুটি তালু পরস্পরের সাথে ঘর্ষণের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়, এটি কোন ধরণের প্রক্রিয়া?
  1. ক) সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  2. খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. গ) রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।
কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৩.
১০০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
  1. ক) ৩৬০০০ জুল
  2. খ) ৩০৬০০০ জুল
  3. গ) ৩৬০০০০ জুল
  4. ঘ) ৩৬০০০০০ জুল
ব্যাখ্যা
এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x ১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।

এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।

অর্থাৎ,
১০০o ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০০ জুল


আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।
রেফারেন্সঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান
২৪.
আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র E = mc2 এর ‘c’ দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ক) আলোর ভর
  2. খ) আলোর বেগ
  3. গ) চার্জের ভর
  4. ঘ) বস্তুর ভর
ব্যাখ্যা
E = mc2 সূত্রের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন।
যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলাের বেগ।
১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।
২৫.
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত ঘটে কোন তত্ত্বের উন্নয়নের মাধ্যমে?
  1. ক) স্ট্রিং থিউরী
  2. খ) কোয়ান্টাম থিউরী
  3. গ) রিলেটিভিটি থিউরী
  4. ঘ) থিউরী অব এক্সপানশন
ব্যাখ্যা
- আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত.১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর (ডার্ক ম্যাটার) বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রদান করেন।

 উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।