পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য [মানবদেহ ও এর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, মাইক্রোবায়োলজি, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি - এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার ইত্যাদি।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা কোনটি?
  1. পিসিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. এপিকালচার
  4. হর্টিকালচার
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার
ব্যাখ্যা
• এপিকালচার: 
- যে পদ্ধতিতে কৃত্রিম ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়, তাকে এপিকালচার বলা হয়।
- এটি কৃষির একটি বিশেষায়িত শাখা যেখানে মৌমাছির প্রজনন, পরিচর্যা এবং মধু, মোম, পরাগরেণু, রয়্যাল জেলি ও প্রোপোলিসের মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়। 
- মধু উৎপাদন বা মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার। 
- এটি কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৌমাছি পালন একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।

• এপিকালচারের গুরুত্ব:
→ অর্থনৈতিক উপকারিতা:
- মধু ও মৌমাছির অন্যান্য উপজাত দ্রব্য (যেমন মোম, প্রোপোলিস) বিক্রি করে আয় করা যায়।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক পেশা।

→ পরাগায়নে ভূমিকা:
- মৌমাছি ফসলের পরাগায়নে সাহায্য করে, যা কৃষি উৎপাদন ২০-৩০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।

→ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা:
- মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে,
• পিসিকালচার- এটি হলো আধুনিক কৃষির একটি বিশেষ শাখা যেখানে মাছ চাষ, ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।

• সেরিকালচার- এ শাখায় রেশমকীট পালন ও রেশম উৎপাদন অর্থাৎ রেশম চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়। 

• হর্টিকালচার- আধুনিক কৃষির এ শাখায় ফলমূল, শাকসবজি ও ফুলের চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- FAO (Food and Agriculture Organization).
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।
.
মস্তিস্কের কোন অংশটি হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. থ্যালামাস
  2. হাইপোথ্যালামাস
  3. পনস
  4. মেডুলা অবলংগাটা
সঠিক উত্তর:
মেডুলা অবলংগাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেডুলা অবলংগাটা
ব্যাখ্যা
• মেডুলা অবলংগাটা হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রন করে। 

• মেডুলা অবলংগাটা (Medulla oblongata) বা মেডুলা (Medulla):
- মানুষের মস্তিস্কের পশ্চাৎ অংশের ৩ টি প্রধান অংশ হলো সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংগাটা এবং পনস। 
- মেডুলা অবলংগাটা (Medulla Oblongata) হলো মানব মস্তিষ্কের সবচেয়ে পেছনের দিকের অংশ।  এর সামনের অংশ পনস এবং পেছনের অংশ সুষুম্নাকাণ্ডের সম্মুখ প্রান্তের সাথে সংযুক্ত। 
- এটি পনস-এর নিচের কিনারা ঘেঁষে প্রসারিত, অনেকটা পিরামিড আকৃতির দন্ডাকার অংশ যা লম্বায় প্রায় ৩ সেমি. চওড়ায় ২ সেমি. এবং স্থূলত্বে ১.২ সেমি.।

• কাজ:
(ⅰ) হৃৎস্পন্দন, শ্বসন গলাধঃকরণ, কাশি, রক্তবাহিকার সঙ্কোচন, লালাক্ষরণ প্রভৃতির স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
(ii) বমন, মল-মূত্রত্যাগ রক্তচাপ, পৌষ্টিকনালির পেরিস্ট্যালসিস প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে।
(iii) সুষুমাকান্ড ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে।
(iv) মেডুলা অবলংগাটা IX, X, XI ও XII নং করোটিক স্নায়ুর উৎসস্থল হিসেবে কাজ ও সংশ্লিষ্ট স্নায়ুর কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 

• মধ্যমস্তিষ্ক, পনস ও মেডুলা অবলংগাটাকে একত্রে ব্রেইন স্টেম (brain stem) বলা হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
.
জৈব কৃষিতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না?
  1. কেঁচো সার
  2. রাসায়নিক সার
  3. কম্পোস্ট
  4. সবুজ সার
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক সার
ব্যাখ্যা
• জৈব কৃষি তে রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় না। 

• জৈব কৃষি:

- জৈব কৃষি (Organic Farming) হলো একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে।

• জৈব কৃষির মূল ধারণা:
- প্রকৃতির ভারসাম্য: জৈব কৃষি প্রকৃতির নিয়ম মেনে কাজ করে, যেখানে মাটি, জল, এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।  
- প্রাকৃতিক উপাদান: জৈব সার, জৈব কীটনাশক, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার করা হয়।  
- মাটির স্বাস্থ্য:  জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করা হয়।
- জৈব বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরনের ফসল এবং পশুপাখি পালন করে জৈব বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়।  
- পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ কমানো হয়।  
- খাদ্য নিরাপত্তা: নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়।  
- অর্থনৈতিক লাভ: জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

• জৈব কৃষিতে ব্যবহৃত উপাদান:
কেঁচো সার (Vermicompost):
- কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বাড়ায়।

কম্পোস্ট (Compost):
- গোবর, পাতা, খড় ইত্যাদি পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়।

সবুজ সার (Green Manure):
- ধইঞ্চা, সেসবানিয়া ইত্যাদি ফসল মাটিতে চাষ করে পুঁতে দেওয়া হয়।
- নাইট্রোজেন স্থিরকরণ ও মাটির গঠন উন্নত করে।

• জৈব কৃষিতে অব্যবহৃত উপাদান:
রাসায়নিক সার (Chemical Fertilizers):
- ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি কৃত্রিম সার জৈব কৃষিতে নিষিদ্ধ।
- এগুলো মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
.
কোভিড-১৯ কোন ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে?
  1. SARS-CoV-1
  2. SARS-CoV-2
  3. MERS-CoV
  4. Influenza A
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SARS-CoV-2
ব্যাখ্যা
কোভিড-১৯ রোগটি নভেল করোনা ভাইরাস বা SARS-CoV-2 (Severe Acute Respiratory Syndrome Coronavirus 2) এর সংক্রমনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 

• এটি ২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত হয়।
- এটি SARS-CoV-1 (২০০৩ সালের SARS ভাইরাস) এর সাথে জেনেটিকভাবে সম্পর্কিত, তাই এর নামকরণ করা হয় SARS-CoV-2।
- ICTV (International Committee on Taxonomy of Viruses) কর্তৃক ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামকরণ করা হয় ।

• রোগের লক্ষণসমূহ:
(i)  জ্বর। 
(ii) শুকনো কাশি । 
(iii) শ্বাসকষ্ট। 
(iv) এ ছাড়া সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, দুর্বলবোধ, পাতলা পায়খানা, এমন কি মাংশপেশিতে ব্যথা।
(iv) শেষ পর্যন্ত নিউমোনিয়ার মতো জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

• করোনা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে (ক্ষেত্র বিশেষে ২৭ দিনের মধ্যে) রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- এজন্য সন্দেহভাজন (যার লক্ষণ প্রকাশিত হয় নাই কিন্তু আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে) ব্যক্তিকে ১৪ দিন কোয়ারেনটাইনে রাখতে হয়।
- কোয়ারেনটাইন হলো নিজেকে একটি ঘরে সম্পূর্ণভাবে আবদ্ধ করে রাখা। এ সময় কারো সাথে দেখা সাক্ষাৎ, মেলামেশা না করা। এ অবস্থায় বাড়িতে থাকলে বলা হয় হোম কোয়ারেনটাইন।
- হাসপাতাল বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে থাকলে তাকে বলা হয় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইন।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
পতঙ্গনাশক হিসেবে কোন ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করা হয়?
  1. Bacillus thuringiensis
  2. Lactobacillus
  3. Escherichia coli
  4. Bacillus megaterium
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bacillus thuringiensis
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী একদল আণুবীক্ষণিক জীব।

- Bacillus thuringiensis (Bt) হলো একটি গ্রাম-পজিটিভ, মাটি-বাসি ব্যাকটেরিয়া, যা প্রাকৃতিকভাবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের কীটপতঙ্গ ধ্বংস করতে সক্ষম।
- এটি জৈবিক পতঙ্গনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি এমন একটি প্রোটিন তৈরি করে যা নির্দিষ্ট পোকামাকড়ের লার্ভা বা শূককীট (larvae) ধ্বংস করে দেয়।

• ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা:
জীবনের জন্য প্রয়োজনীয়:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন পরিবেশে, যেমন- মাটি, জল, বাতাস এবং মানুষের শরীরে, বসবাস করে এবং জীবন্ত জিনিসের জন্য প্রয়োজনীয় কাজ করে।  

খাদ্য উৎপাদনে সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া, যেমন ল্যাক্টোব্যাসিলাস, দই ও পনির তৈরিতে সাহায্য করে.  

রোগ প্রতিরোধে সহায়ক:
- ব্যাকটেরিয়া থেকে প্রাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন- স্ট্রেপ্টোমাইসিন, টেট্রাসাইক্লিন) রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে.  

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সাহায্য:
- কিছু ব্যাকটেরিয়া বর্জ্য পদার্থ, যেমন- পচনশীল পদার্থ এবং তেল দূষণকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে.  

জৈবপ্রযুক্তিতে ব্যবহার:
- ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন জৈবপ্রযুক্তিগত কাজে, যেমন- জিন প্রযুক্তি, এবং অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়.  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
.
মানবদেহের দীর্ঘতম হাড় কোনটি?
  1. হিউমেরাস
  2. ফিমার
  3. টিবিয়া
  4. রেডিয়াস
সঠিক উত্তর:
ফিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিমার
ব্যাখ্যা
• ফিমার (Femur):
- নিম্নবাহুর প্রথম অস্থিকে ফিমার বলা হয়।

• এটি মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং শক্তিশালী হাড়। ।
- এর ঊর্ধ্বপ্রান্তে একটি গোল হেড (মস্তক), নেক (গ্রীবা) এবং ছোট ও বড় ট্রোক্যান্টার অবস্থিত।
- দেহটি শক্ত ও নলাকার। এর পশ্চাত্তল একটি অমসৃণ আলযুক্ত।
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কন্ডাইলবিশিষ্ট। দুই কন্ডাইলের মাঝখানে থাকে আন্তঃকন্ডাইলার ছিদ্র, প্যাটেলার সংযোগী তল এবং দুপাশে একটি করে এপিকন্ডাইল নামে সামান্য উঁচু জায়গা।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
.
মৃত জীবাণু ভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা কোনটি?
  1. পোলিও
  2. কলেরা
  3. BCG
  4. হাম
সঠিক উত্তর:
কলেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলেরা
ব্যাখ্যা
• মৃত জীবাণু ভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা হলো কলেরা, ইনফ্লুয়েঞ্জা। 

• নিষ্প্রাণ টিকা তৈরি করা হয় মৃত বা নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু দিয়ে, যা রোগ সৃষ্টি করতে পারে না কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে।

• মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন।
 এগুলো হলো-
- নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা (Attenuated live vaccine)- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন।
- মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা (killed vaccine)- এধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন।
- নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা (Toxoid vaccine)- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। উদাহরণ-ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন।
- দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু (Surface chemical molecule)- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি।
- ডিএনএ টিকা (DNA vaccine)- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।

তথ্যসূত্র:
- প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রাকৃতিক অনাক্রম্যতাকে কী বলা হয়?
  1. Natural Passive Immunity
  2. Innate Immunity
  3. Artificial Passive Immunity
  4. Acquired Immunity
সঠিক উত্তর:
Innate Immunity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Innate Immunity
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক অনাক্রম্যতা-
- মানবদেহে যে প্রতিরক্ষা অমরার মাধ্যমে প্রাপ্ত ও জন্মের সময় থেকে আজীবন উপস্থিত থাকে এবং প্রতিরক্ষায় দ্রুত কার্যকর হয় তাকে সহজাত প্রতিরক্ষা বলা হয়।
- এটি নন স্পেসিফিক ইমিউনিটি।
- সহজাত অনাক্রম্যতা বা Innate Immunity কে প্রাকৃতিক অনাক্রম্যতাও বলা হয়। 

• মানবদেহে সহজাত প্রতিরক্ষায় কতগুলো উপাদান সক্রিয় অংশগ্রহণ করে।
→ এগুলো হলো-
- প্রতিবন্ধক,
- প্রদাহ,
- কমপ্লিমেন্ট,
- ইন্টারেরন,
- সহজাত মারণকোষ,
- সহজীবী ব্যাকটেরিয়া। 

• সহজাত অনাক্রম্যতার প্রধান কাজ-
- সংক্রমণ স্থানে অনাক্রম্য কোষগুলোকে নিযুক্ত করে সাইটোকাইনস (cytokines)-এর মতো রাসায়নিক দূত উৎপাদন করা।
- কমপ্লিমেন্ট তন্ত্রকে সক্রিয় করে ব্যাকটেরিয়াকে শনাক্ত করা এবং মৃত কোষ পরিস্কার করা।
- অঙ্গ, কলা বা লসিকাতে উপস্থিত বহিরাগত বস্তুগুলোকে বিশেষ শ্বেতরক্তকণিকা দিয়ে শনাক্ত করা ও বর্জন করা।
- অর্জিত ইমিউন তন্ত্রকে সক্রিয় করে তোলা।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 
- প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া?
  1. ই. কোলাই
  2. স্ট্যাফাইলোকক্কাস
  3. সালমোনেলা
  4. ভিব্রিও
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাফাইলোকক্কাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যাফাইলোকক্কাস
ব্যাখ্যা
• গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া হলো স্ট্যাফাইলোকক্কাস। 

• গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতি:

- ১৮৮৪ সালে ড্যানিশ চিকিৎসক Hans Christian Gram ব্যাকটেরিয়ার জন্য একটি রঞ্জন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন, যাকে বলা হয় Gram staining বা গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতি।
- স্লাইডে ব্যাকটেরিয়া স্মিয়ার (Smear) নিয়ে তাতে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রং দিতে হবে, এরপর আয়োডিন দিতে হবে। এরপর এটি অ্যালকোহলে ধুয়ে স্যাফ্রানিন-এর লাল রং-এ কাউন্টার স্টেইন করতে হবে।

• গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া:
- যে সকল ব্যাকটেরিয়া গ্রাম রঞ্জন পদ্ধতিতে ক্রিস্টাল ভায়োলেট রং ধরে রাখতে পারে তাদেরকে গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
- ল্যাকটিক অ্যাসিড ব্যাকটেরিয়া, ক্লসট্রিডিয়াম, স্ট্রেপ্টোকক্কাস, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রাম পজিটিভ।

• গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া:
- যে সকল ব্যাকটেরিয়াতে ভায়োলেট রং ধুয়ে চলে যাবে এবং স্যাফ্রানিনের লাল রং ধরে রাখবে তাদেরকে বলা গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া বলা হয়।
 - এনটেরোব্যাকটেরিয়া, সকল সায়ানোব্যাকটেরিয়া, শিগেলা, সালমোনেলা, রাইজোবিয়াম, ভিব্রিও, ই. কোলাই ইত্যাদি গ্রাম নেগেটিভ।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে গ্রাম স্টেইনিং অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
- পেনিসিলিন বা পেনিসিলিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর উপাদান পেপটিডোগ্লাইকান উৎপাদন বন্ধ করে দেয়, ফলে নতুন সৃষ্ট কোষ টিকে থাকতে পারে না।
- আবার টেট্রাসাইক্লিন, স্ট্রেস্টোমাইসিন জাতীয় ওষুধ গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়, তাই নতুন সৃষ্ট কোষ টিকে থাকতে পারে না। এভাবে রোগী আরোগ্য হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১০.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার EPI কার্যক্রমের আওতায় কোন টিকাটি প্রদান করা হয় না?
  1. BCG
  2. HIV
  3. Hepatitis B
  4. HPV
সঠিক উত্তর:
HIV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HIV
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার EPI কার্যক্রমের আওতায় HIV টিকা প্রদান করা হয় না। 

• টিকা দেওয়া বা ভ্যাকসিনেশন (Vaccination):

- ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দেহের মধ্যে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়ার পদ্ধতিতে ভ্যাকসিনেশন বলে।

• টিকাকরণের নীতি (Priciples of Vaccination)-
- রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে নষ্ট করে দেহে প্রবেশ করিয়ে ইমিউনিটি গড়ে তোলা হয়।
- এই পদ্ধতিতে সক্রিয় অনাক্রমীকরণের মাধ্যমে ইমিউনোলজিক্যাল মেমোরির (immunological memory) সৃষ্টি হয়।
- পরবর্তীতে রোগ সংক্রামক জীবাণু শরীরে প্রবশে করলে দেহ দ্রুততার সঙ্গে প্রবিষ্ট জীবাণুকে ধ্বংস করে।

• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায়  ১৩ টি টিকার অনুমোদন দেওয়া হয় ।
সেগুলো হলো -
- যক্ষ্মা (BCG),
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিং কাশি (pertussis),
- টিটেনাস (tetanus),
- Haemophilus influenzae type B (Hib),
- Hepatitis B (HepB),
- পোলিও (Polio),
- হাম (Measles),
- Rubella,
- Pneumococcal disease (PNC),
- Rotavirus (Rota),
- Human papillomavirus (HPV),
- COVID-19 (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য)।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
- WHO [লিংক] 
১১.
পোলিও ভাইরাসের প্রকৃতি কোনটি?
  1. DNA ভাইরাস
  2. RNA ভাইরাস
  3. রেট্রোভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিওফাজ
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RNA ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• পোলিও একটি RNA ভাইরাস।

• RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ- HIV, TMV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস এবং নভেল করোনা ভাইরাস। 

• পোলিও (Poliomyelitis) একটি সংক্রামক রোগ, যা Poliovirus দ্বারা সৃষ্ট।
- এই ভাইরাসটি Enterovirus গণভুক্ত এবং এটি Picornaviridae পরিবারভুক্ত।
- Poliovirus মানুষের অন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায় এবং স্নায়ুতন্ত্রে আক্রমণ করে পঙ্গুত্ব ঘটাতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- ব্রিটানিকা। 
১২.
মানুষের বৃদ্ধি হরমোন কী নামে পরিচিত?
  1. গ্লুকাগন
  2. সোমাটোস্ট্যাটিন
  3. সোমাটোট্রপিন
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রপিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রপিন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের বৃদ্ধিতে দুটি হরমোন প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- একটি হচ্ছে পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত গ্রোথ হরমোন (Growth Hormone, GH) এবং অন্যটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন (Thyroxine)।

• বৃদ্ধি হরমোন: 

- যে হরমোন দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে তাকে গ্রোথ হরমোন বলা হয়। 
- মানুষের গ্রোথ হরমোন সাধারনভাবে সোমাটোট্রপিন নামে পরিচিত। 

• দেহের বৃদ্ধিতে গ্রোথ হরমোনের ভূমিকা:
- গ্রোথ হরমোন ১৯১টি অ্যামিনো এসিড নিয়ে গঠিত এক শিকল বিশিষ্ট একটি ক্ষুদ্র প্রোটিন অণু।
- মানুষের উচ্চতা ও ওজন বৃদ্ধিতে এ হরমোন প্রধান ভূমিকা রাখে বলে একে গ্রোথ হরমোন বলা হয়।

• মানুষের বৃদ্ধিজনিত অধিকাংশ শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ এ হরমোন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়। যেমন-
- পেশির বৃদ্ধি: এ হরমোনের প্রভাবে প্রোটিন পরিপাকের ফলে সৃষ্ট সরল ও তরল অ্যামিনো এসিড কোষে গৃহীত হয় ও এদের গ্রহণ মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে, কোষে প্রোটিন সংশ্লেষের হার বেড়ে যায় ও পেশির বৃদ্ধি সাধন ঘটে।
-  দেহের ক্ষয়রোধ: সাধারণত ক্ষুধার্ত অবস্থায় রক্তে গ্লুকোজ ও ফ্যাটি এসিডের পরিমাণ কমে যায়। এ অবস্থায় গ্রোথ হরমোনের প্রভাবে রক্তে গ্লুকোজ ও ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দেহের ক্ষয় রোধ হয়।
- কঙ্কালতন্ত্রের বৃদ্ধি: তরুণাস্থির আয়তন বৃদ্ধি, অস্টিওরাস্টের আবির্ভাব, অস্থিতে ক্যালসিয়াম আয়ন সঞ্চয়, কনড্রিওসাইট ও অস্টিওসাইটের পূর্ণতা প্রাপ্তি ইত্যাদি সব কার্যক্রম এ হরমোন দিয়েই নিয়ন্ত্রিত হয়।
- আয়ন বৃদ্ধি: এ হরমোনের প্রভাবে খাদ্যবস্তু থেকে সৃষ্ট বিভিন্ন আয়ন বিশেষ করে ক্যালসিয়াম আয়ন পৌষ্টিকনালি থেকে শোষিত হয় এবং বৃক্ক থেকে বিভিন্ন আয়ন শোষণের মাধ্যমে দেহে আয়ন বৃদ্ধি ঘটায়। এসব আয়ন দৈহিক বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যক।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
১৩.
টেকসই কৃষির মূলনীতি কোনটি?
  1. পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি
  2. উচ্চ ফলনশীল বীজ
  3. রাসায়নিক সারের ব্যবহার
  4. একফসলী চাষ
সঠিক উত্তর:
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• টেকসই কৃষির অন্যতম মূলনীতি হলো পরিবেশবান্ধব চাষ পদ্ধতি। 

• টেকসই কৃষি:

- টেকসই কৃষি (Sustainable agriculture) হল এমন একটি কৃষি পদ্ধতি যা বর্তমান খাদ্য ও বস্ত্রের চাহিদা পূরণ করে, কিন্তু একই সাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
- এটি পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব কমিয়ে, প্রাকৃতিক সম্পদকে রক্ষা করে এবং টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার করে। 

• টেকসই কৃষির মূলনীতি :- 
→ পরিবেশবান্ধব চাষপদ্ধতি যেমন:
- জৈব সার ও কম্পোস্ট ব্যবহার। 
- কীটনাশকের ব্যবহার  কমানো বা বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল। 
- জলসঞ্চয় ও মাটির উর্বরতা রক্ষা। 

→ বৈচিত্র্যময় চাষ (Crop diversification)। 

→ স্থানীয় সম্পদ ও জ্ঞানকে কাজে লাগানো। 

→ নবায়নযোগ্য সম্পদের ব্যবহার।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১৪.
জিএম ফসলের প্রধান সুবিধা কী?
  1. পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
  2. কম পানি প্রয়োজন
  3. স্বাদ বৃদ্ধি
  4. দ্রুত বর্ধনশীলতা
সঠিক উত্তর:
পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• জিএম ফসলের অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো পোকামাকড় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। 

• জিএম ফসল:

- জিএম ফসল (Genetically Modified Crops) হলো এমন ফসল যাদের জিনগত গঠনে পরিবর্তন (Genetic Engineering) করে বিশেষ বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো পোকামাকড়, রোগ, আগাছা, এবং পরিবেশগত চাপ থেকে ফসলকে রক্ষা করা।

• জিএম ফসলের প্রধান সুবিধাসমূহ:
→ পোকামাকড় প্রতিরোধ:
- উদাহরণ: Bt cotton, Bt brinjal – এতে Bacillus thuringiensis ব্যাকটেরিয়ার জিন ঢুকিয়ে পোকা মারার ক্ষমতা দেওয়া হয়।

→ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা:
- কিছু জিএম ফসলে ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে জিন সংযোজন করা হয়।

→ রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। 

→ ফসলের উৎপাদন ও লাভ বৃদ্ধি পায়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- ব্রিটানিকা। 
১৫.
ম্যালেরিয়া নিরাময়ের ওষুধ কুইনাইন কোন গাছ হতে তৈরি করা হয়?
  1. গজার
  2. সিনকোনা
  3. শাল
  4. উলফিয়া
সঠিক উত্তর:
সিনকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনকোনা
ব্যাখ্যা
• সিনকোনা গাছের বাকল হতে ম্যালেরিয়া নিরাময়ের ওষুধ কুইনাইন তৈরি করা হয়। 

• ম্যালেরিয়া:
- ম্যালেরিয়া একটি মশকীবাহিত রোগ। 

• ম্যালেরিয়া রোগীর চিকিৎসা (Treatment):
- ম্যালেরিয়া রোগীকে অবশ্যই উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা আবশ্যক। রোগ শনাক্ত করা ও উপযুক্ত চিকিৎসা প্রদান করলে ম্যালেরিয়া রোগ হতে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।
- সিনকোনা গাছের বাকল হতে তৈরি কুইনাইন ম্যালেরিয়া নিরাময়ের মূল ওষুধ।
- এ কুইনাইন দ্বারাই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি হয়েছে। যেমন-ক্লোরোকুইন, নিভাকুইন, কেমোকুইন, অ্যাভলোক্লোর, ম্যাপাক্রিন, প্যালুড্রিন ইত্যাদিসহ ম্যালেরিয়া পরজীবী ধ্বংসের ভালো মানের বেশ কিছু ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।