পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৩ টপিক: বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পাস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং বিবিধ বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব [Live Class – 17 & 18]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ ও কোন দেশের যৌথ উদ্যোগে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- অবস্থান: পায়রা, পটুয়াখালী।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- ২০১৬ সালে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়।
- উৎপাদন ক্ষমতা- ১৩২০ মেগাওয়াট।
- ২১ মার্চ, ২০২২ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: ২১ মার্চ, ২০২২, বিবিসি বাংলা নিউজ।
.
নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় কত তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ৩৩তম
  2. ৪৭তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার নকশায় ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- এটি ১১ মে, ২০১৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যায়। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
.
ঐতিহাসিক জেলহত্যা ঘটনায় বাংলাদেশের কয় জন জাতীয় নেতাকে হত্যা করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
জেলহত্যা:
- জেলহত্যা ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে 'জেলহত্যা' নামে পরিচিত।

- হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
• তাজউদ্দীন আহমদ,
• ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং
• এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

উল্লেখ্য,
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে প্রতি বছর ৩রা নভেম্বর 'জেলহত্যা দিবস' পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
.
সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারের ক্ষমতা চর্চা কীভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে?
  1. আদালতের মাধ্যমে
  2. সাংবাদিকতার মাধ্যমে
  3. প্রশাসনিক বিভাগের মাধ্যমে
  4. রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক দল:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের ক্ষমতাচর্চা সাংবিধানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে, যা তাত্ত্বিকভাবে জনগণের হাতে থাকলেও বাস্তবে রাজনৈতিক দলগুলো দ্বারা পরিচালিত হয়।
- উন্নত গণতন্ত্রে কার্যকর বিরোধী দলগুলো ক্ষমতাসীন দলগুলোর চেয়ে বেশি অবদান রাখে।
- সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
- সরকার ও বিরোধী দলের সৌহার্দপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে।
 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য যে,
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
পদ্মা সেতুর মাধ্যমে ঢাকার সাথে দেশের কোন অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরীয়তপুর জেলার জাজিরা প্রান্ত সংযোগকারী সেতু।
- পদ্মা সেতুর মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে।

একনজরে:
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- প্রথম স্প্যান বসানো হয় ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
.
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন বিষয় সংক্রান্ত বিরোধের অবসান হয়?
  1. ছিটমহল সংক্রান্ত
  2. সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
  3. স্থল ভূমির সীমানা নির্ধারন
  4. বন্দী বিনিময় সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র জয়:
- সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০০৯ সালে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
- মিয়ানমারের সঙ্গে মামলার রায়ে আদালতে মোট বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের সার্বভৌম অঞ্চল বলে রায় দেয়।
- আবার ভারতের সঙ্গে মোট ২৫ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে, বাংলাদেশ প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার অর্জন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
'শহীদ জননী' হিসেবে খ্যাত কে?
  1. কামিনী রায়
  2. সুফিয়া কামাল
  3. জাহানারা ইমাম
  4. নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
• জাহানারা ইমাম:
- জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি 'শহীদ জননী' হিসেবে খ্যাত।
- তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য শহীদ শফি ইমাম রুমীর মা।
- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জাহানারা ইমাম।
- ১৯৯২-এর ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করে গঠন করেছিলেন 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'।
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মিবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম '৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।
- জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বাংলাদেশি দুই বার এভারেস্ট জয় করেন?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহীম। নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- এম এ মুহিত একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেছেন।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

উল্লেখ্য,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো- ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ- ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলি স্টার- ১৯ মে, ২০২৪।
১০.
২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কয়টি ছিটমহল সংযুক্ত হয়?
  1. ৫১টি
  2. ৭১টি
  3. ১১১টি
  4. ১৩০টি
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।

অন্যদিকে,
- ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের ৫৯টির অবস্থান ছিল লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে ৪টি।
- বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এর ৪৭টি কোচবিহার এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১১.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আপেল মাহমুদ
  3. গাজী আনোয়ার
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আলতাফ মাহমুদ:
- আলতাফ মাহমুদ একাধারে একজন সংগীতশিল্পী, সুরকার, সংস্কৃতিকর্মী, চিত্রশিল্পী, ভাষাসৈনিক ও স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ হলেও পরবর্তী সময়ে আলতাফ মাহমুদের সুরটিই গৃহীত হয়।
- এই সুরটি ১৯৬৯ সালে জহির রায়হান তাঁর চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’তে ব্যবহার করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তাঁর বাসায় গোপন ক্যাম্প স্থাপন করেন।
- বাংলা সংস্কৃতি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য ১৯৭৭ সালে আলতাফ মাহমুদকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।