পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[For iPad Mania: Season - 2] -------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান [প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
গোল কৃমি কোন পর্বের প্রাণী?
  1. অ্যানেলিডা
  2. নেমাটোডা
  3. মলাস্কা
  4. প্লাটিহেলমিনথেস
সঠিক উত্তর:
নেমাটোডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেমাটোডা
ব্যাখ্যা
প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস:
- সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।

নেমাটোডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- নলাকার দেহ, পুরু ত্বক দ্বারা আবৃত।
- পৌষ্টিকনালী সম্পূর্ণ, শ্বসনতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্র অনুপস্থিত।
- দেহ গহ্বর অপ্রকৃত বা স্যুডোসিল । বেশির ভাগ একলিঙ্গী।
উদাহরণ- চোখ কৃমি, গোল কৃমি, ফাইলেরিয়া কৃমি ইত্যাদি।

অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য: 
- দেহ নলাকার ও খন্ডায়িত।
- প্রতিটি খন্ডে সিটা থাকে (জোক ব্যতীত)।
- নেফ্রেডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে।
উদাহরণ- কেঁচো, জোক ইত্যাদি। 

প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য: 
- দেহ চ্যাপ্টা। 
- শিখা কোষ (flame cell) নামক রেচন অঙ্গ থাকে। 
উদাহরণ - যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি ইত্যাদি।

মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য: 
- প্রায় সকল প্রাণী সামুদ্রিক।
- দেহ নরম কিন্তু বাইরের দিকে শক্ত খোলসে আবৃত থাকে।
উদাহরণ - শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
.
রক্ত কণিকা কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. হৃৎপিণ্ডে
  2. প্লীহায়
  3. অস্থি মজ্জায়
  4. যকৃতে
সঠিক উত্তর:
অস্থি মজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থি মজ্জায়
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়। 
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ। 
- সাধারণত হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্ত কণিকার জন্ম। 
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা- 
১। লোহিত রক্ত কণিকা, 
২। শ্বেত রক্ত কণিকা এবং 
৩। অণুচক্রিকা। 

- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB। 
.
ডোপামিনের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. স্ট্রোক
  2. পারকিন্‌সন
  3. এপিলেপিস
  4. পক্ষাঘাত
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিন্‌সন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুবিক বৈকল্যজনিত শারীরিক সমস্যা:

পক্ষাঘাত:
- শরীরের কোনো অংশের মাংস পেশির কার্য ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে পক্ষাঘাত বলে।
- সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। 
- আংশিক বা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, যাতে শরীরের এক পাশের কোনো অঙ্গ বা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
যেমন- দু'হাত ও পায়ের পক্ষাঘাত। 

এপিলেপ্‌সি:
- এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ। এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়। 
- আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে। অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়। অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। 
- কোনো কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে মারা যায়। 
- এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে। তবে ৫ থেকে ২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।

পারকিন্‌সন রোগ:
- এ রোগ মস্তিষ্কে এমন এক অবস্থা যাতে হাতে ও পায়ের কাঁপুনী হয় এবং আক্রান্ত রোগী নড়াচড়া, হাঁটাহাটি করতে অপারগ হয়। 
- এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। 
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়
- ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়।
- এছাড়া মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক বলা হয়। এটি একটি মারাত্মক ব্যাধি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উভচর প্রাণীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. দেহত্বক আঁইশযুক্ত
  2. ত্বক নরম, পাতলা ও ভেজা
  3. শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী
  4. পানিতে ডিম পাড়ে
সঠিক উত্তর:
দেহত্বক আঁইশযুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেহত্বক আঁইশযুক্ত
ব্যাখ্যা
উভচর প্রাণী:
- প্রাথমিক অবস্থায় পানিতে বাস করে এবং ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।
- পরবর্তীতে স্থলে বাস করে এবং ফুসফুসের সাহায্যে শ্বসন চালায়।
- দেহত্বক আঁইশবিহীন।
- ত্বক পাতলা, নরম, ভেজা ও গ্রন্থিযুক্ত।
- শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণী।
- পানিতে ডিম পাড়ে।
উদাহরণ- কুনোব্যাঙ, সোনাব্যাঙ ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
.
কোনটি উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ?
  1. বুক ধড়ফড় করা
  2. অল্প পরিশ্রমে হাঁপানি উঠা
  3. নাক দিয়ে রক্ত পড়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্ত চাপ: 
- উচ্চ রক্ত চাপকে নীরব ঘাতক হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্ত চাপকে উচ্চ রক্ত চাপ বলা হয়।
- এক জন পূর্ণ বয়ষ্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে সিস্টোলিক চাপ ১২০ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ বা এর নিচের মাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। 
- এ রক্ত চাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয় তখন তাকে উচ্চ রক্ত চাপ বলে।

উচ্চ রক্ত চাপের লক্ষণ:
- মাথা ব্যথা, বিশেষ করে মাথার পেছন দিকে ব্যথা করা। 
- মাথা ঘোরা, ঘাড় ব্যথা। 
- বুক ধড়ফড় করা ও দুর্বল বোধ করা। 
- রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়া, 
- অনিদ্রা এবং 
- অল্প পরিশ্রমে হাঁপানি উঠা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি পৌষ্টিক গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে?
  1. যকৃত
  2. বৃক্ক
  3. পিত্তথলি
  4. গলবিল
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
পৌষ্টিক গ্রন্থি:
- যে সব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয় তাদেরকে পরিপাক গ্রন্থি বা পৌষ্টিক গ্রন্থি বলে। 
- মানবদেহের পরিপাক গ্রন্থিগুলো হলো- লালা গ্রন্থি, যকৃত, অগ্ন্যাশয়, গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি ও আন্ত্রিক গ্রন্থি। 

যকৃত:
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ।

পিত্তথলি:
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে।
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট।

গলবিল:
-  মুখ গহ্বর ও অন্ননালির মধ্যবর্তী ছোট অংশকে গলবিল বলে।
- গ্যালেট নামক ছিদ্রের মাধ্যমে মুখ গহ্বর গলবিলে যুক্ত হয়।

বৃক্ক: 
- বৃক্ক হচ্ছে উন্নত প্রাণীদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি জেনেটিক ডিসঅর্ডার নয়?
  1. ডাউন সিন্ড্রোম
  2. থ্যালাসেমিয়া
  3. হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ
  4. বর্ণান্ধতা
সঠিক উত্তর:
হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ
ব্যাখ্যা
জেনেটিক ডিসঅর্ডার:
-  বংশগতির অনিয়মের কারণে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটে। বংশগতির এ অনিয়মকে বলা হয় জেনেটিক ডিসঅর্ডার। এটি এক প্রকার অস্বাভাবিকতা। 
- এর ফলে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দেয়।
যেমন- বর্ণান্ধতা, থ্যালাসেমিয়া, ডাউন সিন্ড্রোম, পাটাও সিন্ড্রোম, এডওয়ার্ড সিন্ড্রোম, ক্লাইনফেল্টার ও ডাবল ওয়াই সিন্ড্রোম, ট্রিপলো-X সিন্ড্রোম, টার্নার সিন্ড্রোম, হানটিংটনস সিন্ড্রোম, সিকিল সেল (রক্তশূন্যতা) ইত্যাদি।

- এছাড়া, হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ হলো লেপ্রসি বা কুষ্ঠ রোগ।
- হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ কোনো জেনেটিক  ডিসঅর্ডার নয়
- শত সহস্র বছর ধরে এ রোগকে কেন্দ্র করে নানাবিধ অলীক ধারণা ও কুসংস্কার চলে আসছে, কোথাও এটাকে মনে করা হয়েছে বিধাতার অভিশাপ, কোথাও বা পাপাচারের ফসল। 
- ১৮৭৩ সালে নরওয়ের বিজ্ঞানী গেরহার্ড হ্যানসেন প্রমাণ করেন, কুষ্ঠ আসলে একটি জীবাণুঘটিত রোগ, যা একটি ধীরলয়ে বংশ বিস্তার করা ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঘটে। 
- এই ব্যাকটেরিয়াটি Mycobacterium leprae নামে পরিচিত। 
- সেই থেকে এ রোগটি হ্যানসেনস্‌ ডিজিজ নামেও পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দি ডেইলি স্টার বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১। [লিঙ্ক]
.
শুক্রাশয় গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন কোনটি?
  1. অ্যাড্রানালিন
  2. অ্যান্ড্রোজেন
  3. রিলাক্সিন
  4. প্রোজেস্টেরন
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্ড্রোজেন
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোন: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশী বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে। দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোন গ্রন্থি গুলো হলো- পিটুইটারী গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি, ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি। 
• পিটুইটারী গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন।

• থাইরয়েড গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো থাইরক্সিন হরমোন।

• অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি - এ গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো অ্যাড্রানালিন হরমোন।

• শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি - এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন ।
 
কাজ - শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায় ।

•ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি - এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং রিলাক্সিন।
কাজ - নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

 অমরা নিঃসৃত হরমোন হলো- গোনাডোট্রপিক এবং প্রোজেস্টেরন। 
কাজ- ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
BMR এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Body Measurement Rate
  2. Basal Metabolic Rate
  3. Basal Measurement Ratio
  4. Body Metabolic Ratio
সঠিক উত্তর:
Basal Metabolic Rate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Basal Metabolic Rate
ব্যাখ্যা
বিএমআর (BMR): 
- পূর্ণ বিশ্রামরত অবস্থায় বেসাল মেটাবলিক রেট (BMR- Basal Metabolic Rate) মানব শরীরে ব্যবহৃত শক্তির পরিমাণ নির্দেশ করে।
- BMR এর মান নির্ণয়- বিএমআর এর মান বের করা কিছুটা জটিল। 
- এর সমীকরণ লিঙ্গ ও বয়সভেদে পার্থক্য রয়েছে। 
- হ্যারিস বেনেডিক্ট এর সূত্রটি ব্যবহার করে লিঙ্গ ও বয়সভেদে এর পার্থক্য সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
যেমন-
মেয়েদের বিএমআর = ৬৫৫ + (৯.৬ × ওজন কেজি) + (১.৮ × উচ্চতা সেমি) - (৪.৭ × বয়স বছর)।
ছেলেদের বিএমআর = ৬৬ + (১৩.৭ × ওজন কেজি) + (৫ × উচ্চতা সেমি) – (৬.৮ × বয়স বছর)। -
যেমন- ধরা যাক,
একজন মহিলার বয়স ৩৩ বছর, উচ্চতা ১৬৫ সেমি, ওজন ৯৪ কেজি।
সুতরাং তার বিএমআর = ৬৫৫ + (৯.৬ × ৯৪) + (১.৮ × ১৬৫) - (৪.৭ × ৩৩)
= ৬৫৫ + ৯০২.৪ + ২৯৭ – ১৫৫.১
= ১৬৯৯.৩ ক্যালরি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কোন ধমনি কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত রক্ত হৃদপিন্ড থেকে ফুসফুসে পরিবহন করে?
  1. ইলিয়াক ধমনি
  2. পালমোনারি ধমনি
  3. মেসেন্টেরিক ধমনি
  4. সিলিয়াক ধমনি
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি ধমনি
ব্যাখ্যা
ধমনি: 
- যে সকল রক্তনালির মাধ্যমে সাধারণত অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ড থেকে সারাদেহে বাহিত হয় তাদের ধমনি বলে। কিন্তু পালমোনারি বা ফুসফুসীয় ধমনি এর ব্যতিক্রম, এটি কার্বন ডাই অক্সাইড যুক্ত রক্ত হৃদপিন্ড থেকে ফুসফুসে পরিবহন করে।
এছাড়া, 
- ইলিয়াক ধমনি পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহ করে।
- মেসেন্টেরিক ধমনি অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
- সিলিয়াক ধমনি পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১.
নিম্নের কোন রোগের ফলে হৃদপিন্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. ডেঙ্গু
  2. বাতজ্বর
  3. জন্ডিস
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
বাতজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতজ্বর
ব্যাখ্যা
বাতজ্বর: 
- স্ট্রেপটোকক্কাস নামক অণুজীবের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগ।
- এর ফলে শ্বাসনালীর প্রদাহ, ফুসকুড়িযুক্ত সংক্রামক জ্বর, টনসিলের প্রদাহ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
- সাধারণত শিশুকালেই এই রোগের আক্রমণ শুরু হয় এবং দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিশেষ করে হৃদপিন্ড আক্রান্ত হয়।
- হৃদপিন্ড পুরোপুরি আক্রান্ত না হলেও হৃদপেশি ও হৃদপিন্ডের কপাটিকা অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- ফলে হৃদপিন্ড যথাযথ ভাবে রক্ত পাম্প করতে সক্ষম হয় না এবং দেহে রক্ত প্রবাহের পরিমাণ কমে যায়।
এছাড়া,
স্ট্রোকের ফলে মস্তিষ্ক, জন্ডিসের ফলে যকৃত এবং নিউমোনিয়ার ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১২.
রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ বেড়ে গেলে কোন রোগ হয়?
  1. থ্যালাসেমিয়া
  2. লিউকেমিয়া
  3. অ্যানিমিয়া
  4. থ্রম্বোসিস
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- মানবদেহে কয়েক প্রকার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- এদের আকার অনিয়মিত, বড় এবং সংখ্যায় লোহিত রক্ত কণিকার চেয়ে কম। 
- প্রতি কিউবিক মিলিমিটারে ৫ থেকে ১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- লাল অস্থিমজ্জা ও লসিকাগ্রন্থিতে শ্বেত কণিকা তৈরি হয়। 
- এরা বর্ণহীন কিন্তু এদের নিউক্লিয়াস আছে। 
- এদের আকার পরিবর্তন হতে পারে এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। 
- এরা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ক্ষণপদ সৃষ্টির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ভক্ষণ করতে পারে। 
- রক্তে এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে লিউকেমিয়া রোগ হয়। 
- শ্বেত রক্ত কণিকা দেহে প্রহরীর মতো কাজ করে রোগ জীবাণু ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করে। 
এছাড়া, থ্যালাসেমিয়া একটি রক্ত সম্পর্কিত জেনেটিক ডিসঅর্ডার।
- অ্যানিমিয়া হলো রক্তশূন্যতা এবং 
- থ্রম্বোসিস হলো রক্ত জমাট বাঁধা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
'বাঁধাকপি'তে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন বি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন ডি 
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস:
- ভিটামিন এ - দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
- ভিটামিন বি - ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদাম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদ্পিণ্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ।
- ভিটামিন সি - পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসবজি ইত্যাদি।
- ভিটামিন ডি - ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন 'ই' ও ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
নিচের কোনটি মেরুদন্ডী প্রাণী?
  1. মানুষ
  2. হাইড্রা
  3. তারা মাছ
  4. কাঁকড়া
সঠিক উত্তর:
মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ
ব্যাখ্যা
মেরুদণ্ডী প্রাণী:
- প্রাণীজগতে কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে পরিচিত।
- এদের ভ্রূণীয় দশায় নটোকর্ড থাকে। 
মেরুদণ্ডের উপস্থিতিতে প্রাণিজগতকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- 
ক। মেরুদণ্ডহীন প্রাণী- যে সকল প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই তাদেরকে মেরুদণ্ডহীন প্রাণী বলে।
যেমন- হাইড্রা, তারা মাছ, সমুদ্র শশা, কাঁকড়া ইত্যাদি।
খ। মেরুদণ্ডী প্রাণী- যে সকল প্রাণীর মেরুদণ্ড রয়েছে তাদেরকে মেরদণ্ডী প্রাণী বলে।
যেমন- মানুষ, গরু, সি হর্স্‌ ইত্যাদি।


উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।
১৫.
মানুষের রক্তে সাধারণত কত শতাংশ LDL থাকে?
  1. ৫৫%
  2. ৬০%
  3. ৬৫%
  4. ৭০%
সঠিক উত্তর:
৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০%
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ।
- এটি প্রাণী কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়।
- কোলেস্টেরল তিন প্রকার। 
- একটিকে এলডিএল (Low density lipoprotein) বলা হয়। অনেকে একে খারাপ কোলেস্টেরল বলে। 
- সাধারণত আমাদের রক্তে ৭০% LDL থাকে। ব্যক্তি বিশেষে এর পার্থক্য দেখা যায়। 
- রক্তে এইচডিএল (High density lipoprotein) কে সাধারণত ভাল কোলেস্টেরল বলা হয়। HDL হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
- তৃতীয় ধরনের লিপোপ্রোটিনকে ট্রাই গ্লিসারাইড বলা হয়। এ কোলেস্টেরল আমাদের খাদ্যে এবং শরীরে চর্বি হিসেবে থাকে।

অপকারিতা: 
- রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল থাকলে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়।
যেমন-
ক। অ্যাথারোস্ক্লেরোসিস (ধমনিতে রক্ত চলাচলের জায়গা কমে যাওয়া)।
খ। করোনারি হৃদরোগ বেড়ে যায়।
গ। হৃদপিন্ডের ক্রিয়াকলাপের ব্যাঘাত ঘটে।
ঘ। হৃদপিন্ডের রক্ত চলাচল কমে যাবার ফলে বুকে ব্যথা অনুভূত হয়।

উপকারিতা: 
ক। কোলেস্টেরল কোষ প্রাচীর তৈরি ও রক্ষার কাজ করে।
খ। কোষের ভেদ্যতা নির্ণয় করে বিভিন্ন দ্রব্যাদি কোষে প্রবেশ বা বাধা প্রদান করে।
গ। মানব দেহের জনন হরমোন এন্ড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন তৈরিতে সাহায্য করে।
ঘ। অ্যাডরেনাল গ্রন্থির হরমোন তৈরিতে কোলেস্টেরল ব্যবহৃত হয়।
ঙ। কোলেস্টেরল পিত্ত তৈরি করে। 
চ। সূর্যালোকের উপস্থিতিতে চামড়ায় কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'D' তৈরি হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
জাইগোট সর্বদা-
  1. হ্যাপ্লয়েড
  2. ডিপ্লয়েড
  3. ট্রিপ্লয়েড
  4. ট্রেট্রাপ্লয়েড
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিপ্লয়েড
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের প্লয়িডি লেভেল:
- মানুষের শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু উভয়েই হ্যাপ্লয়েড (n) অর্থাৎ একপ্রস্থ ক্রোমোজোম বিশিষ্ট।
- শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মিলনকে নিষেক বলে।
- নিষেকের ফলে জাইগোট তৈরি হয়।
- জাইগোট ডিপ্লয়েড (2n) বা দুই প্রস্থ ক্রোমোজোম বিশিষ্ট।
- সস্যের এন্ডোস্পার্ম ট্রিপ্লয়েড (3n) বা তিন প্রস্থ ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১৭.
হৃদপিণ্ড সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. বক্ষগহবরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝে অবস্থিত
  2. চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট
  3. উপরের প্রকোষ্ঠ দুইটিকে অলিন্দ এবং নিচের দুইটিকে নিলয় বলে
  4. অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
সঠিক উত্তর:
অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ড: 
- পেশিবহুল ত্রিকোণাকার, ফাপা, চার প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো যন্ত্র যার সংকোচন ও প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয় তাকে হৃদপিণ্ড বলে।

হৃদপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য: 
- বক্ষগহবরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝে অবস্থিত।
- হৃদপেশি নামক বিশেষ অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- পেরিকার্ডিয়াম নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। 
- চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরের প্রকোষ্ঠ দুইটিকে অলিন্দ এবং নিচের দুইটিকে নিলয় বলে।
- অলিন্দের প্রাচীর পাতলা এবং নিলয়ের প্রাচীর পুরু।
- ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে তিন পাল্লাবিশিষ্ট ট্রাই কাসপিড কপাটিকা এবং বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে দুই পাল্লা বিশিষ্ট বাই কাসপিড কপাটিকা বিদ্যমান।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।