১.
'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি / আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি / তার বুকে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল।’- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
ব্যাখ্যা
• আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি:
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। গ্রন্থটিতে ৩৯টি কবিতা স্থান পেয়েছে।
- বাঙালি জাতিসত্তার মৃত্তিকামূলে শিকড় সঞ্চার করে এ কাব্যগ্রন্থে কবি ঐক্যবদ্ধ চেতনায় সাহসী মানুষের সম্ভাবনার ছবি এঁকেছেন।
- এই কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় আছে : ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি / আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি / তার বুকে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল-'।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- একজন কবি, সরকারি কর্মকর্তা।
- তিনি ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত নরী হার (১৯৫৫)।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮১সালে প্রকাশিত হয়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে ৩৯টি কবিতা স্থান পেয়েছে।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থসমূহ :
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। গ্রন্থটিতে ৩৯টি কবিতা স্থান পেয়েছে।
- বাঙালি জাতিসত্তার মৃত্তিকামূলে শিকড় সঞ্চার করে এ কাব্যগ্রন্থে কবি ঐক্যবদ্ধ চেতনায় সাহসী মানুষের সম্ভাবনার ছবি এঁকেছেন।
- এই কাব্যগ্রন্থের নাম কবিতায় আছে : ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি / আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি / তার বুকে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল-'।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- একজন কবি, সরকারি কর্মকর্তা।
- তিনি ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর-ক্ষুদ্রকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত নরী হার (১৯৫৫)।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮১সালে প্রকাশিত হয়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে ৩৯টি কবিতা স্থান পেয়েছে।
• আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থসমূহ :
- কখনো রং কখনো সুর,
- কমলের চোখ,
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,
- বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।