পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
Bangla - 03: সমাস, কারক-বিভক্তি, ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়াপদ, বাচ্য, যতিচিহ্ন
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
একশেষ দ্বন্দ্বের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) দুধে-ভাতে
  2. খ) কায়মনােবাক্যে
  3. গ) আমরা
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
একশেষ দ্বন্দ্ব:
যে সমাসে অন্যান্য পদের বিলুপ্তি ঘটিয়ে প্রধান পদটির সঙ্গে শেষপদটির সামঞ্জস্য রচিত হলে তাকে বলা হয় একশেষ দ্বন্দ্ব।
যেমন-
জায়া ও পতি = দম্পতি,
তুমি, সে ও আমি = আমরা ইত্যাদি।

দুধে-ভাতে ⇒ অলুক দ্বন্দ্ব। 
কায়, মনাে এবং বাক্যে = কায়মনােবাক্যে ⇒ বহুপদবিশিষ্ট দ্বন্দ্ব।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ধাতুর সঙ্গে কী যুক্ত করে ক্রিয়া হয়?
  1. ক) অনুসর্গ
  2. খ) উপসর্গ
  3. গ) বিভক্তি
  4. ঘ) প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
বাক্যে উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যে পদ দিয়ে তাকে ক্রিয়া বলে।
যেমন -
- রাজীব খেলছে।
- বৃষ্টি হতে পারে।
ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হয়ে ক্রিয়া গঠিত হয়।
যেমন -
পড়্‌ + ই = পড়ি,
পড়্‌ + এ = পড়ে,
পড়্‌ + ছে = পড়ছে,
পড়্‌ + বে = পড়বে 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
করণ কারকের উদাহরণ কোনটি?
  1. আমার দেখা পাবে না।
  2. বসন্তে কোকিল ডাকে।
  3. টাকায় কি না হয়।
  4. সুখের চেয়ে স্বস্তি বড়।
ব্যাখ্যা
করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়ােগ- 
করণ কারকে ‘দ্বারা বিভক্তি (অনুসর্গ) -তােমাদের দ্বারা দেশের ক্ষতি হবে।
করণ কারকে ‘দিয়া বিভক্তি (অনুসর্গ) - তােমার লােক দিয়ে কাজটা করাবে।
করণ কারকে শূন্য (০) বা অ-বিভক্তি – রফিক তাস খেলে।
করণ কারকে এ-বিভক্তি – গ্যাসে গাড়ি চলে।
করণ কারকে তে-বিভক্তি – তার কথা যেন মধুতে মাখা।

বসন্তে কোকিল ডাকে - অধিকরণ কারক। 
সুখের চেয়ে স্বস্তি বড় - অপাদান কারক। 
আমার দেখা পাবে না - কর্ম কারক। 

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাচ্যের প্রকারভেদ নয় কোনটি ?
  1. ক) কর্তাবাচ্য
  2. খ) কর্মবাচ্য
  3. গ) কর্মকর্তৃবাচ্য
  4. ঘ) ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা
প্রকাশভঙ্গির ভিন্নতা অনুযায়ী বাচ্য তিন প্রকার: 
- কর্তাবাচ্য, 
- কর্মবাচ্য ও 
- ভাববাচ্য।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
লজ্জা পাওয়া, কষ্ট পাওয়া ইত্যাদি কোন ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. ক) সরল ক্রিয়া
  2. খ) প্রযোজক ক্রিয়া
  3. গ) সংযােগ ক্রিয়া
  4. ঘ) যৌগিক ক্রিয়া
ব্যাখ্যা
সংযােগ ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক শব্দের পরে করা, কাটা, হওয়া, দেওয়া, ধরা, পাওয়া, খাওয়া, মারা প্রভৃতি ক্রিয়া যুক্ত হয়ে সংযােগ ক্রিয়া গঠিত হয়।
করা ক্রিয়া যােগে: গান করা, গরম করা, ঠনঠন করা, ব্যাট করা;
কাটা ক্রিয়া যােগে: সঁতার কাটা, বিপদ কাটা
হওয়া ক্রিয়া যােগে: উদয় হওয়া, বড়াে হওয়া, রাজি হওয়া
দেওয়া ক্রিয়া যােগে: কথা দেওয়া, মন দেওয়া, দোষ দেওয়া
ধরা ক্রিয়া যােগে: ভাঙন ধরা, মরচে ধরা, ক্যাচ ধরা
পাওয়া ক্রিয়া যােগে: লজ্জা পাওয়া, কষ্ট পাওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া
খাওয়া ক্রিয়া যােগে: আছাড় খাওয়া, মার খাওয়া, ডিগবাজি খাওয়া
মারা ক্রিয়া যােগে: উকি মারা, পকেট মারা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
.
স্থায়ী সত্য বা চিরসত্য প্রকাশে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) দুই আর তিন পাঁচ হয়।
  2. খ) কাশীরাম দাস ভণে শুনে পুণ্যবান।
  3. গ) ১৯৭১ সালে আমাদের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
  4. ঘ) কে জানে আজ ফেরি পার হতে পারব কিনা।
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল:
স্বাভাবিক বা অভ্যাস বােঝালে সাধারণ বর্তমান কালের ক্রিয়াকে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যেমন-
সকালে সূর্য ওঠে।-স্বাভাবিকতা, আমি রােজ সকালে চা খাই।- অভ্যাস।
নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়ােগ:
১. ঐতিহাসিক বর্তমান কাল: অতীতের কোনাে ঐতিহাসিক ঘটনার বর্ণনায় যদি নিত্য বর্তমান কালের প্রয়ােগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে। যেমন: ১৯৭১ সালে আমাদের দেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
২. স্থায়ী সত্য বা চিরসত্য প্রকাশে: দুই আর তিন পাঁচ হয়।
৩, অনিশ্চয়তা প্রকাশে: কে জানে আজ ফেরি পার হতে পারব কিনা।
৪. কাব্যের ভণিতায়: “মহাভারতের কথা অমৃত সমান। | কাশীরাম দাস ভণে শুনে পুণ্যবান।'
৫. যদি, যখন, যেন প্রভৃতি শব্দের প্রয়ােগে: অতীত ও ভবিষ্যৎ কাল জ্ঞাপনের জন্য সাধারণ বর্তমান কালের ব্যবহার হয়।
যেমন- বিপদ যখন আসে, তখন এমনি করেই আসে।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'পাগলে কিনা বলে' - বাক্যে 'পাগলে' কোন কারকে কোন বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তি
  2. খ) কর্মকারকে ৭মী বিভক্তি
  3. গ) কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তি
  4. ঘ) করণকারকে তৃতীয়া বিভক্তি
ব্যাখ্যা
'পাগলে কিনা বলে' - বাক্যে কর্তৃকারকে/কর্তাকারকে ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 

কর্তৃকারকে বিভক্তির প্রয়োগের উদাহরণ- 
- পাখি সব করে রব = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- আমার দ্বারা এ কাজ হবে না সাধন = কর্তৃকারকে তৃতীয়া বিভক্তির 
- পাছে লােকে কিছু বলে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- বুলবুলিতে ধান খেয়েছে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির
- ঘােড়ায় গাড়ি টানে = কর্তৃকারকে ৭মী বিভক্তির 
- মানুষ ভাবে এক হয় আর এক = কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির
- সবাইকে একদিন মরতে হবে = কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন ক্ষেত্রে সমাসের প্রয়োজনীয়তা নেই?
  1. ক) শব্দের অর্থ পরিবর্তনে
  2. খ) পরিভাষা রচনার
  3. গ) গুণ সংযােজন
  4. ঘ) ভাষার অলঙ্করণ
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণে রূপতত্ত্ব অংশে সমাস আলােচিত হয়েছে।
- শব্দগঠনের তিনটি প্রক্রিয়া সংযােজন, বিয়ােজন ও অর্থপরিবর্তন।
- এ তিনটির মধ্যে সমাস হলাে সংযােজন প্রক্রিয়ার অন্তর্গত।
- সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন ও একাধিক পদের একপদীকরণ।
- সমাস শব্দের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য হলাে একত্রে অবস্থান বা সংক্ষেপণ।
- সুতরাং ভাষায় সমাসের প্রধান কাজ হলাে শব্দ ও বাক্য সংক্ষিপ্তকরণ।
- সমাস ভাষাকে শ্রুতিমধুর করে।
- ভাষার অলঙ্করণ, গুণ সংযােজন ও পরিভাষা রচনার ক্ষেত্রে সমাসের প্রয়ােজনীয়তা বিদ্যমান।
- তাই বলা যায়, বাংলাভাষাকে সংক্ষিপ্ত, শ্রুতিমধুর ও সাবলীল করার জন্য সমাসের ভূমিকা অপরিসীম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিবাহসভায় চারি দিকে হট্টগােল তাহারই মাঝখানে কন্যার কোমল হাতখানি আমার হাতের উপর পড়িল এমন আশ্চর্য আর কী আছে আমার মন বারবার করিয়া বলিতে লাগিল আমি পাইলাম আমি ইহাকে পাইলাম - অনুচ্ছেদটিতে কয়টি বিরামচিহ্ন বসবে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
বিরামচিহ্নযুক্ত অনুচ্ছেদটি নিম্নরূপ- 

বিবাহসভায় চারি দিকে হট্টগােল; তাহারই মাঝখানে কন্যার কোমল হাতখানি আমার হাতের উপর পড়িলএমন আশ্চর্য আর কী আছে আমার মন বারবার করিয়া বলিতে লাগিল, আমি পাইলাম, আমি ইহাকে পাইলাম।"

উৎস: হৈমন্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১০.
অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. ক) তিলে তৈল হয়।
  2. খ) তিলে তৈল আছে।
  3. গ) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয়।
  4. ঘ) বিপদে মাের রক্ষা কর।
ব্যাখ্যা
মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি

অপাদান কারক
- এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
- তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি
- তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি
- পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- বিপদে মাের রক্ষা কর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- লােভে পাপ পাপে মৃত্যু = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি 
- ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি

- তিলে তৈল আছে = অধিকরন কারকে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
"এবার বাঁশিটি বাজানাে হােক।" বাক্যটি কর্তাবাচ্যে কী হবে?
  1. ক) এবার বাঁশিটি বাজাও।
  2. খ) এবার বাঁশিটি বাজানো হচ্ছে।
  3. গ) তাঁর কর্তৃক বাঁশিটি বাজে।
  4. ঘ) সে বাঁশি বাজায়।
ব্যাখ্যা
ভাববাচ্য থেকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তর
ভাবাচ্যের বাক্যকে কর্তাবাচ্যে রূপান্তরিত করতে হলে ক্রিয়াকে কর্তার অনুসারী করতে হয়।
যেমন -
ভাববাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসা যাক।
কর্তাবাচ্য: একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
ভাববাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজানাে হােক।
কর্তাবাচ্য: এবার বাঁশিটি বাজাও।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১২.
'কখনও মিথ্যা বলবে না।' - বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. ক) সাধারন বর্তমান
  2. খ) নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  3. গ) বর্তমান অনুজ্ঞা
  4. ঘ) নিত্যবৃত্ত অতীত
ব্যাখ্যা
 বর্তমান অনুজ্ঞা:
- আদেশ, অনুমতি, অনুরােধ, উপদেশ, প্রার্থনা ইত্যাদির ভাব বােঝাতে ক্রিয়াপদের যে রূপ হয় তাকে বলে অনুজ্ঞা।
- আর যে ক্রিয়াপদে বর্তমান কালের অনুজ্ঞা প্রকাশ পায় তাকে বর্তমান অনুজ্ঞা বলে।
- এক্ষেত্রে ক্রিয়ার শেষে অ, ও, উন, এন যুক্ত হয়।
যেমন: 
- আদেশ- তােমরা এখনি চলে যাও।
- অনুমতি- আপনি ভেতরে আসুন।
- অনুরােধ- আমাকে এক গ্লাস পানি দেবেন।
- উপদেশ- কখনও মিথ্যা বলবে না।

উৎস:
উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ নিম্নের কোনটি?
  1. ক) ছেলেরা মাঠে খেলছে।
  2. খ) মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছে।
  3. গ) তোমার সাঁতার কাটা শেখা উচিত।
  4. ঘ) এগিয়ে চলতে হবে।
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন - মরে যাওয়া, কমে আসা, এগিয়ে চলা, হেসে ওঠা, উঠে পড়া, পেয়ে বসা, সরে দাঁড়ানাে, বেঁধে দেওয়া, বুঝে নেওয়া, বলে ফেলা, করে তােলা, চেপে রাখা ইত্যাদি।
'এগিয়ে চলতে হবে' তাই যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ। 

ছেলেরা মাঠে খেলছে = সরল ক্রিয়া
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছে = প্রযোজক ক্রিয়া 
তোমার  সাঁতার কাটা শেখা উচিত = সংযোগ ক্রিয়া 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।