পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩১ Full Model Test - 3
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৫ প্রশ্ন

.
মৈমনসিংহ গীতিকায় কয়টি গীতিকা রয়েছে?  
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ২৫টি 
ব্যাখ্যা

• মৈমনসিংহ গীতিকা:  
- মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
- গ্রন্থটি বিষয়মাহাত্ম্য ও শিল্পগুণে শিক্ষিত মানুষেরও মন জয় করে। 

- মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা রয়েছে। 
যথা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা ও
- দেওয়ানা মদিনা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

.
'বর্ণচোরা' কোন সমাসের উদাহরণ? 
  1. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  2. অলুক তৎপুরুষ সমাস
  3. রূপক কর্মধারয়
  4. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে। যেমন: √চর্‌ > চর (বিচরণ করা অর্থে); √ধর্ > ধর (ধরা অর্থে)।

উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ ধাতু প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়। 
যেমন: 
- 'বর্ণচোরা' এখানে 'চোরা' কৃদন্ত পদ যার মূল ধাতু '√চুর'। 
- তাহলে, বর্ণচোরা = বর্ণ (উপপদ) + √চুর (ধাতু) + আ (প্রত্যয় কৃদন্ত শব্দ) 

- বাস্তু হারিয়েছে যে = বাস্তুহারা; (√বাস্তু + হার্ + আ); 
- খেচর= খ + √চর্ + অ।

যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- পকেট মারে যে = পকেটমার।

এরূপ- সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা  ইত্যাদি। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
'খেয়াপারের তরণী' কবিতাটি  কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. অগ্নিবীণা
  2. প্রলয়শিখা
  3. সিন্ধুহিন্দোল
  4. ছায়ানট
ব্যাখ্যা

- 'খেয়াপারের তরণী' কবিতাটি  কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ: 

- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। 
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী  কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

• অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস, 
- বিদ্রোহী, 
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা, 
- আগমণী, 
- ধূমকেতু, 
- কামাল পাশা, 
- আনোয়ার, 
- রণভেরী, 
- শাত-ইল-আরব, 
- খেয়াপারের তরণী, 
- কোরবানী, 
- মহররম। 

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। 
- তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি' বলা হয়।
- মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
- তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ছায়ানট,
- প্রলয়শিখা,
- চক্রবাক,
- সিন্ধুহিন্দোল।

• কাজী নজরুল ইসলাম এর উপন্যাস-
- বাধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা, 
- কুহেলিকা, 
 
• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- দুর্দিনের যাত্রী ও
- রাজবন্দীর জবানবন্দী।

- ২৯শে আগস্ট ১৯৭৬ সালে কবি ঢাকার পি.জি. হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ-সংলগ্ন প্রাঙ্গণে তাঁকে পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম

.
‘মর্সিয়া’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?  
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. তুর্কি
  4. হিন্দি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
মর্সিয়া (বিশেষ্য) ফারসি থেকে আগত শব্দ।

অর্থ:
- মৃত্যু উপলক্ষ্যে রচিত শোকগাথা
- কারবালার যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শোকগাথা,
- মহরমে গীত শোকগাথা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'স্বর্ণালী' শব্দটি কেন শুদ্ধ নয়?    
  1. রীতিসিদ্ধ কারণে 
  2. বাহুল্যজনিত কারণে
  3. সন্ধিজনিত কারণে
  4. সমাসসাধিত কারণে 
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ-অশুদ্ধ: 
- বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বানানের নিয়ম অনুযায়ী, ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দ সাধারণত বিশেষণ পদ হয়।
- এই প্রত্যয় কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝায়। 
- এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি উদাহরণ। 
- ‘আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে সর্বদা ই-কার বসে, ঈ-কার নয়। 
- তাই 'স্বর্ণালী' শব্দটি অশুদ্ধ। 
- অতিরিক্ত ‘ঈ’ যোগ করার কারণে 'স্বর্ণালী' শব্দটি অপ্রয়োজনীয় বা বাহুল্যজনিত কারণে অশুদ্ধ হয়েছে। 
- আলি’ প্রত্যয়যুক্ত শব্দের কিছু উদাহরণ- 
- সোনালি, রূপালি, মায়ালি, স্বর্ণালি, মিতালি, বর্ণালি, খেয়ালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে / মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" পঙক্তিদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? 
  1. মানসী
  2. কড়ি ও কোমল
  3. শেষলেখা
  4. পুনশ্চ
ব্যাখ্যা

• "মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে 
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই"
- পঙ্‌ক্তিদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থের 'প্রাণ' কবিতার অন্তর্গত।

• 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থ: 
- 'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) সম্পর্কে বলা হয়, এই গ্রন্থের বিষয় বিচিত্র, ভাব সুস্পষ্ট, ভাষা সুদৃঢ়, ছন্দ মধুর। 
- তারুণ্যের উচ্ছলতা, নারীদেহের প্রতি মুগ্ধতা ও মৃত্যুর রহস্যময়তার প্রতি আকর্ষণ-এই তিনটি লক্ষণে কাব্যটি বিশিষ্ট। 
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন "মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি আমার কাব্যের একটি বিশেষ ধারা, নানা বাণিতে যার প্রকাশ। কড়ি ও কোমলেই তার প্রথম উদ্ভব।" 
- ১৮৮৪ সালে বৌদি কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু রবীন্দ্র মনে যে বিরাগের সৃষ্টি করেছিল, সেই প্রভাব 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে আছে।
উল্লেখযোগ্য কবিতা - চুম্বন, বাহু, চরণ, কেন, মোহ।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী, 
- সোনার তরী, 
- চিত্রা, 
- কল্পনা, 
- ক্ষণিকা, 
- গীতাঞ্জলি, 
- বলাকা, 
- পূরবী, 
- পুনশ্চ, 
- পত্রপূট, 
- সেঁজুতি, 
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'সূর্য' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি? 
  1. তপন
  2. মার্তণ্ড
  3. মাতঙ্গ 
  4. সবিতা
ব্যাখ্যা

• 'মাতঙ্গ' হাতি এর প্রতিশব্দ।

• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:

- রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির,  দিনপতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• হাতি এর প্রতিশব্দ: 
- হস্তী, গজ, করী, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরথ, নাগ, বারণ, মাতঙ্গ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

.
‘তেল নুন লকড়ি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি - 
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. উপন্যাস 
ব্যাখ্যা

• ‘তেল নুন লকড়ি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
- প্রবন্ধগ্রন্থটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়।

• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজ পত্র’ পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

.
What does the literary term ‘Personification’ mean?
  1. A word or group of words that is self - contradictory
  2. A brief and brilliant expression intended to produce surprise and pleasure
  3. A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life
  4. The punishment or reward that is deserved by a character based on their actions
ব্যাখ্যা

Correct Answer: গ) A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life

• The literary term 'Personification' means - A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- Personification হল একটি অলংকার (Figure of Speech) যেখানে নির্জীব বস্তু, প্রাণী, প্রকৃতি বা বিমূর্ত ধারণাকে মানবিক গুণাবলি বা সজীব সত্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
Example:
“And Joy, whose hand is ever at his lips Bidding adieu.” (Keats: Ode on Melancholy)
এখানে "Joy"-কে একজন মানুষের মতো কল্পনা করা হয়েছে, যার হাত আছে এবং সে বিদায় জানাচ্ছে।

Other options:
ক) A word or group of words that is self-contradictory - Oxymoron. (পরস্পরবিরোধী শব্দের সংমিশ্রণ।)
খ) A brief and brilliant expression intended to produce surprise and pleasure - Wit. (সংক্ষিপ্ত ও উজ্জ্বল প্রকাশভঙ্গি, যা আনন্দ ও বিস্ময় সৃষ্টি করে।)
ঘ) The punishment or reward that is deserved by a character based on their actions - Poetic justice. (চরিত্রের কাজ অনুযায়ী ন্যায্য শাস্তি বা পুরস্কার প্রাপ্তি।)

Source: Live MCQ Lecture

১০.
Which of the following words is spelled correctly?
  1. Transecontintal
  2. Transconitinantal
  3. Trenscontienental
  4. Transcontinental
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ঘ) Transcontinental.

• Transcontinental (adjective)
English Meaning: 1. crossing a continent 2. on or from the far side of a continent.
Bangla Meaning:  আন্তঃমহাদেশীয়।

Other form:
- Transcontinentally (adverb)

Example Sentence: 
1. The company expanded its business through transcontinental connections.
2. They planned a transcontinental journey across Asia and Europe.
3. The airline operates several transcontinental flights every day.
4. The explorers planned a transcontinental journey that would take several months.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১১.
Which sentence contains a linking verb? 
  1. The dog smells danger.
  2. The flower smells sweet. 
  3. They smell something burning.
  4. She smells the flower carefully.
ব্যাখ্যা

Correct answer: খ) The flower smells sweet.

Linking Verb / Copulative Verb:
Linking verb হলো সেই verb যা subject এবং তার subjective complement-এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে। এটি কোনো কাজ (action) প্রকাশ করে না, বরং subject-এর অবস্থা, গুণ, পরিচয় বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
সহজ কথায়, Linking Verb  বা Copulative Verb হল এমন ক্রিয়া (Verb) যা বাক্যের কর্তা (Subject)-এর সাথে কর্তার গুণ, অবস্থা বা পরিচয় (Subjective Complement)-এর মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এটি কোন কাজ (Action) প্রকাশ করে না, বরং শুধু সম্পর্ক বা অবস্থা দেখায়।

Linking verb-এর বৈশিষ্ট্য:
- Subject এবং subjective complement-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- সাধারণত complement হিসেবে adjective বা noun বসে।
- Linking verb actionless — অর্থাৎ কোনো কাজ করে না, শুধু subject-এর অবস্থা বা পরিচয় বোঝায়।
- Adverb linking verb-এর আগে বসতে পারে, তবে তা verb-কে modify করে, subject-কে নয়।

সাধারণ Linking verb:
- be, become, look, seem, smell, remain, appear, get, grow ইত্যাদি।

Options:
ক) The dog smells danger. - এখানে smells action verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Subject (The dog)-এর কার্যকলাপ (গন্ধ পাওয়া/অনুভব করা) প্রকাশ করছে। Linking verb নয়।
খ) The flower smells sweet. - এখানে smells linking verb হিসেবে কাজ করছে। Subject (The flower)-কে তার quality (sweet)-এর সাথে যুক্ত করছে।
গ) They smell something burning. - এখানে smell action verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Subject (They)-এর কার্যকলাপ (গন্ধ পাওয়া) প্রকাশ করছে। Linking verb নয়।
ঘ) She smells the flower carefully. - এখানে smells action verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Subject (She)-এর কার্যকলাপ (ফুল শোঁকা) প্রকাশ করছে। Linking verb নয়।
 
মূলকথা: Linking verb হল এমন ক্রিয়া যা subject-কে তার complement (adjective, noun বা pronoun) এর সাথে যুক্ত করে এবং কোন কর্ম (action) প্রকাশ করে না, বরং subject-এর অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে।
"Smell" ক্রিয়াটি (verb) দু’ভাবে ব্যবহৃত হতে পারে:
- Action verb হিসেবে – যখন এর অর্থ হয় "গন্ধ নেওয়া" (to perceive a smell actively)।
- Linking verb হিসেবে – যখন এর অর্থ হয় "গন্ধ আছে / মধুর গন্ধযুক্ত" (to have a smell / to be sweet-smelling) এবং পরে adjective বসে।

অর্থাৎ, বাক্য Linking verb কোনো কাজ (action) প্রকাশ করে না, বরং subject-এর অবস্থা, গুণ বা অনুভূতি প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) The flower smells sweet. এখানে smells linking verb, কারণ এটি subject (The flower)-কে তার গুণ (sweet)-এর সাথে যুক্ত করছে, কোনো action নয়।
- অন্য বাক্যগুলোতে smell action verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (গন্ধ পাওয়া বা শোঁকার কাজ বোঝাতে)।

১২.
Who is the author of the statement: "Justice must not only be done, it must be seen to be believed"?
  1. James Mathew
  2. J.B. Morton
  3. Seamus Heaney
  4. Martin Luther King
ব্যাখ্যা

Correct Answer: খ) J.B. Morton.

- "Justice must not only be done, it must be seen to be believed"
- এই বিখ্যাত উক্তিটি ব্রিটিশ লেখক J. B. Morton এর।
- তিনি তাঁর রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক লেখার জন্য পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য উক্তি হলো: "A library is a room where the murders take place."

আরও কিছু উল্লেখযোগ্য উক্তি ও তার author:
“Truth sits upon the lips of dying man.” – Mathew Arnold.
“We make war that we may live in peace.” – Aristotle. (গ্রিক দার্শনিক)
“A perfect democracy is therefore the most shameless thing in the world.” – Edmund Burke.
"Justice is conscience, not a personal conscience but the conscience of the whole humanity." – Alexander Solzhenitsyn.
"No man is above the law and no man is below it." – Theodore Roosevelt. (যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম রাষ্ট্রপতি)
"Justice delayed is justice denied." – William E. Gladstone (ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী)

১৩.
Which part of language is mainly concerned with Morphology?
  1. The study of the forms of words.
  2. The arrangement of words and phrases.
  3. The meaning of a word, phrase, sentence, or text.
  4. The origin of a word and its historical development.
ব্যাখ্যা

Correct answer: ক) The study of the forms of words.

• Morphology (noun): 
English Meaning - The study of the form of words and phrases. 
Bangla Meaning - (ভাষাবিজ্ঞান) ভাষার রূপমূলসমূহ কীভাবে সংযুক্ত হয়ে শব্দ গঠন করে, এতদ্বিষয়ক বিদ্যা; রূপতত্ত্ব।

Other options:
খ) The arrangement of words and phrases. → এটি Syntax (বাক্যতত্ত্ব বা বাক্যরীতি)-এর বিষয়। শব্দ ও বাক্য গঠনের ক্রমবিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে।
গ) The meaning of a word, phrase, sentence, or text. → এটি Semantics (বাগর্থবিজ্ঞান)-এর আলোচ্য বিষয় যা শব্দ, বাক্যাংশ, বাক্য বা পাঠ্যের অর্থ নিয়ে গবেষণা।
ঘ) The origin of a word and its historical development. → এটি Etymology (শব্দব্যুৎপত্তি)-এর বিষয় যা শব্দের উৎস ও ঐতিহাসিক বিকাশ নিয়ে গবেষণা।

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

১৪.
Identify the statement that is not true of English Romantic Poetry.
  1. Ordinary life
  2. Everyday language
  3. Inane and gaudy phraseology
  4. Expression of feelings rather than action or plot 
ব্যাখ্যা

Correct answer: গ) Inane and gaudy phraseology.

Romantic Poetry এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো William Wordsworth-এর Preface to Lyrical Ballads (১৮০০)-এ স্পষ্টভাবে বর্ণিত। এটি রোমান্টিক যুগের ম্যানিফেস্টো হিসেবে পরিচিত।

- Inane and gaudy phraseology (অর্থহীন ও অতিরঞ্জিত, চটকদার ভাষা) — এটা রোমান্টিক কবিতার বৈশিষ্ট্য নয়।
বরং Wordsworth এই ধরনের ভাষাকে সমালোচনা করেছেন। তিনি ১৮শ শতাব্দীর neoclassical কবিতার "gaudiness and inane phraseology" (চটকদার ও অর্থহীন ভাষা)-কে প্রত্যাখ্যান করে রোমান্টিক যুগ শুরু করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের ভাষা অনুভূতি প্রকাশের জন্য অযোগ্য এবং কৃত্রিম।

রোমান্টিক কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য:
ক) Ordinary life (সাধারণ জীবন): কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে humble and rustic life (সাধারণ মানুষের জীবন) বেছে নেয়া।
খ) Everyday language (প্রতিদিনের ভাষা): কবিতায় artificial বা fancy ভাষা নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রকৃত কথ্য ভাষা (language really used by men) ব্যবহার।
ঘ) Expression of feelings rather than action or plot (অনুভূতির প্রকাশ, কাহিনি বা অ্যাকশনের চেয়ে বেশি): Wordsworth বলেন, "all good poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings" — কবিতা মূলত শক্তিশালী অনুভূতির স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ, যা শান্ত মনে স্মরণ করে লেখা হয়।

---------------
• Preface to Lyrical ballads লিখেছিলেন William Wordsworth.
- এর প্রকাশনা English Literature এর উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছিল, বিশেষত Subject and Style এর ক্ষেত্রে। 
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে প্রকাশিত কবিতাগুলো বিষয়বস্তুর দিকে যেমন সরল তেমনি শব্দের ব্যবহারের দিক দিয়েও উচ্চাঙ্গের কিছু না।
- অন্যভাবে বললে, এই কবিতাগুলো অলংকার বিবর্জিত এবং কৃত্রিমতা বিহীন।
- সাধারণ মানুষের মুখে যে ভাষা প্রচলিত ছিল সেসব শব্দই তিনি এই কবিতাতে ব্যবহার করেন।

• The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
-  ১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং S. T Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় 
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগের স্থায়িত্বকাল মাত্র ৩৪ বছর (1798-1832).

Source: 
- Britannica.
- Live MCQ English Essence.

১৫.
Choose the correct meaning of the idiom "Below the belt":
  1. Very low in height
  2. To follow the rules strictly 
  3. In close proximity to the ground
  4. Extremely unfair and hurtful
ব্যাখ্যা

Correct answer: ঘ) Extremely unfair and hurtful.

- Idiom "Below the belt" এর অর্থ হলো - অত্যন্ত অন্যায্য এবং আঘাতদায়ক। 
- প্রশ্নের অপশন- ঘ) Extremely unfair and hurtful - অর্থ: অত্যন্ত অন্যায্য ও আঘাতমূলক।

• Below the belt (idiom)
- English Meaning: disregarding the rules; unfair; very insulting and unfair.
- Bangla Meaning: অন্যায়ভাবে; খুবই অপমানজনক এবং অন্যায্য।

Other Options:
ক) Very low in height - খুব নিচু উচ্চতায়।
খ) To follow the rules strictly - নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে মেনে চলা।
গ) In close proximity to the ground - মাটির কাছাকাছি অবস্থান।

Example Sentence:
1. His comment about her family was really below the belt and hurtful.
→ তার পরিবারের বিষয়ে তার মন্তব্যটি সত্যিই অন্যায় ও অপমানজনক ছিল।
2. Criticizing someone’s appearance during a debate is considered below the belt.
→ বিতর্কের সময় কারও চেহারা নিয়ে সমালোচনা করা অন্যায্য ও অপমানজনক বলে গণ্য হয়।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৬.
What is the closest meaning of the word "Trepidation"?
  1. Anxiety
  2. Curiosity
  3. Calmness
  4. Confidence
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ক) Anxiety.

• Trepidation (Noun)
English Meaning: An uncomfortable feeling of nervousness or worry about something that is happening or might happen in the future.
Bangla Meaning: সচকিত উত্তেজিত মনোভাব।

• Synonyms:
- Anxiety - ভবিষ্যৎ বিষয়ে ভয় ও অনিশ্চয়তাবোধ; উদ্বেগ; দুশ্চিন্তা।
- Apprehension - আশঙ্কা; ভবিষ্যৎ বিষয়ে উৎকণ্ঠার অনুভূতি; উপলব্ধি; চেতনা; বোধ।
- Disquietude - মানসিক অস্থিরতা বা উদ্বেগ।

• Antonyms:
- Assurance - আত্মপ্রত্যয়; আত্মবিশ্বাস।
- Calmness - শান্ততা, বিশ্রান্ততা।
- Equanimity - মনমেজাজের প্রশান্তি।
- Composure - শান্তি; স্থৈর্য; আত্মসংবরণ।

• Other Option:
- Curiosity- ঔৎসুক্য।
- Confidence - আত্মবিশ্বাস; দৃঢ়তা; সাহস; আস্থা।

• Example Sentence:
1. The villagers faced the storm with trepidation but stood united.
2. Despite his trepidation, he agreed to try skydiving for the first time.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

১৭.
A person who loves books is called-
  1. Bibliopole
  2. Biologist
  3. Bibliographer
  4. Bibliophile
ব্যাখ্যা

Correct Answer: ঘ) Bibliophile.

• A person who loves books is called - Bibliophile.

• Bibliophile (noun)
- English Meaning: a lover of books especially for qualities of format. a person who loves or collects books.
- Bangla Meaning: গ্রন্থমনস্ক বা গ্রন্থপ্রিয় ব্যক্তি।

Other Options:
ক) Bibliopole - (a bookseller) বইয়ের বিক্রেতা।
খ) Biologist - (​a scientist who studies biology) যে ব্যক্তি জীববিজ্ঞানে গবেষণা করে বা জীববিজ্ঞানী।
গ) Bibliographer - (​a person who studies the history of books and their production) গ্রন্থপঞ্জি রচয়িতা বা গ্রন্থতালিকা প্রস্তুতকারী।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary, Cambridge Dictionary, live MCQ lecture.

১৮.
Which sentence contains a present participle? 
  1. I love reading books. 
  2. Reading improves knowledge.
  3. The reading room is open now. 
  4. He is interested in reading historical books.
ব্যাখ্যা

Correct answer: গ) The reading room is open now.

Present participle:
- Present participle হলো verb + ing রূপ, যা continuous tense তৈরি করতে বা adjective হিসেবে noun-কে বিশেষিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত দুইভাবে ব্যবহৃত হয়:
প্রথমত, Continuous tense গঠনে। Auxiliary verb (be verb) এর সাথে যুক্ত হয়ে কাজের চলমান অবস্থা প্রকাশ করে। যেমন: He is running fast. এখানে running present participle।
দ্বিতীয়ত, Adjective হিসেবে। এটি noun-কে বিশেষিত করে adjective-এর কাজ করে। যেমন: The running water is cold. এখানে running noun (water)-কে বিশেষিত করছে।

Gerund:
- Gerund হলো verb-এর সাথে -ing যোগ করে তৈরি হওয়া একটি রূপ, যা বাক্যে noun হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এটি একইসঙ্গে verb-এর বৈশিষ্ট্য বহন করে, আবার noun-এর কাজও করে। এটি কোনো কাজ বা ক্রিয়ার নাম প্রকাশ করে, কিন্তু সরাসরি action বোঝায় না। বরং noun হিসেবে subject, object, complement বা preposition-এর object হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
- As Subject: Reading is a great way to relax. → এখানে Reading subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- As Object: I hate waiting in line. → এখানে waiting object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- As Object of a Preposition: She is interested in learning new skills. → এখানে learning preposition-এর object।
- As Complement: His favorite activity is painting. → এখানে painting complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

Options:
ক) I love reading books. - এখানে reading verb-এর object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। noun-এর কাজ করছে → Gerund.
খ) Reading improves knowledge. - এখানে Reading বাক্যের subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। noun-এর কাজ করছে → Gerund.
গ) The reading room is open now. - এখানে reading noun (room)-কে বিশেষিত করছে, adjective-এর কাজ করছে। এটি → Present participle.
ঘ) He is interested in reading historical books. - এখানে reading preposition (in)-এর object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। noun-এর কাজ করছে → Gerund.

- Present participle হলো verb-এর সাথে -ing যোগ করে তৈরি হওয়া শব্দ, যা সাধারণত adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয় অথবা continuous tense গঠনে সাহায্য করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) The reading room is open now. এখানে reading adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি Present participle.

Sources: Oxford English Grammar & Cambridge Grammar of English.

১৯.
অটোয়া চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি:
- এর আরেক নাম স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention)।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।
- এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত, পাকিস্তান এবং রাশিয়াসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ল্যান্ডমাইন উৎপাদক এবং ব্যবহারকারী দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি।
- বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।

২০.
‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করা হয় কত তারিখে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয় - ৩০ নভেম্বর, ২০২৫।

-
অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করিবার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত এ অধ্যাদেশ।

- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে খসড়া অনুমোদনের পর আজ রোববার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এখন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ–সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে এই সচিবালয়।

- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

উৎস: সংবিধান এবং প্রথম আলো।

২১.
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষস্থানে রয়েছে কোন দেশ? 
  1. সুইজারল্যান্ড 
  2. কাতার
  3. সিঙ্গাপুর 
  4. লিচেনস্টাইন 
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ ফাউন্ডেশন প্রকাশিত ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর। 

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৫:
- প্রকাশক: যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন (The Heritage Foundation)।
- প্রকাশের সময়: ফেব্রুয়ারি, ২০২৫।
- ১৯৯৫ সালে চালু হয় অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এই সূচক।
- মূলত চারটি নীতির বিস্তৃত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশকে মূল্যায়ন করা হয়। এগুলো হলো আইনের শাসন, সরকারের আকার, নিয়ন্ত্রক দক্ষতা ও উন্মুক্ত বাজারে ব্যবস্থাপনা।
- ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ সিঙ্গাপুর এবং সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া।
- সূচকে ৫৪.৭ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১২২তম।

⇒ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ:
১. সিঙ্গাপুর (পয়েন্ট ৮৪.১)।
২. সুইজারল্যান্ড (পয়েন্ট ৮৩.৭)।
৩. আয়ারল্যান্ড (পয়েন্ট ৮৩.১)।
৪. তাইওয়ান (পয়েন্ট ৭৯.৭)।

উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।

২২.
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হিসেবে কে নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ফারহান আলী
  2. সফিউল্লাহ চৌধুরী
  3. সোমা সাঈদ
  4. ফারহানা হক
ব্যাখ্যা

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হয়েছেন সোমা এস সাঈদ।

- সোমা সাঈদ বাংলাদেশের টাঙ্গাইল জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবা আফতাব উদ্দিন সাঈদ ছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট এবং মা ছিলেন একজন প্রধান শিক্ষিকা।

- ২০২১ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্স কাউন্টি থেকে সিভিল কোর্টের বিচারক হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর থেকে তিনি আইনি ও নাগরিক সমাজে একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

২৩.
ওয়াটারলু যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম কী?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. আর্থার ওয়েলেসলি
  3. হরিয়েট লাফায়েট
  4. মার্শাল নেয়ার
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

- ওয়েলিংটনের ডিউকের আসল নাম ছিল আর্থার ওয়েসলি।
- ওয়েলিংটনের ডিউক ছিলেন একজন ব্রিটিশ সামরিক বীর।
- ওয়াটারলু যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিরুদ্ধে জয়লাভের জন্য তাকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয় ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪.
আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
  1. ১২ ডিসেম্বর 
  2. ৯ ডিসেম্বর 
  3. ৫ ডিসেম্বর 
  4. ৪ ডিসেম্বর 
ব্যাখ্যা

৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক গণহত্যা স্মরণ ও প্রতিরোধ দিবস। 
- ১৯৪৮ সালের ৯ ডিসেম্বর জাতিসংঘ প্রথমবারের মতো গণহত্যা প্রতিরোধ ও এ সংক্রান্ত শাস্তি বিষয়ক একটি প্রথা গ্রহণ করে। 

এছাড়াও অন্যান্য দিবস সমূহ:
- আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস - ১৮ ডিসেম্বর।
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস - ০৯ ডিসেম্বর।
- জাতীয় জীববৈচিত্র্য দিবস - ২৯ ডিসেম্বর।
- জাতীয় প্রবাসী দিবস - ৩০ ডিসেম্বর।
- জাতীয় বস্ত্র দিবস - ০৪ ডিসেম্বর।
- বড়দিন - ২৫ ডিসেম্বর।
- বিজয় দিবস  -  ১৬ ডিসেম্বর।
- বিশ্ব এইডস দিবস  -  ১ ডিসেম্বর।
- বিশ্ব মানবাধিকার দিবস  -  ১০ ডিসেম্বর।
- বেগম রোকেয়া দিবস - ০৯ ডিসেম্বর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৫.
Rotary International- এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. ইলিনয়
ব্যাখ্যা

Rotary International:
- বিশ্বব্যাপী মানবসেবায় এক অগ্রগামী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫।
- প্রতিষ্ঠাতা: Paul P. Harris.
- প্রথম ক্লাব: Rotary Club of Chicago, Illinois, USA.
- প্রধান কার্যালয়: ইভানস্টন, ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- প্রধান ভাষা: ইংরেজি (কিন্তু বিভিন্ন দেশে স্থানীয় ভাষায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়)।
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পেশাগত ও সমাজসেবামূলক কাজে নেতাদের একত্র করা।
- Service Above Self (নিজ স্বার্থের ঊর্ধ্বে সেবা)।
- আন্তর্জাতিক সেবা, মানবিক সহায়তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শান্তি ও নৈতিকতা।

উৎস: ব্রিটানিকা ।

২৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে? (ফেব্রুয়ারি -২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  3. বেগম তাহমিদা আহমদ
  4. আব্দুর রহমানেল মাছউদ
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
- তিনি ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে সুপরিচিত। 

উল্লেখ্য,
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন এবং একই বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। 

- এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ১৯৭৯ সালে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিসিএস (কর) ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন।
- বর্ণাঢ্য চাকুরি জীবনে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - তিনি ২০১০ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরি হতে অবসর গ্রহণ করেন। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৭.
ডেভিড সা–লাই কোন উপন্যাসের জন্য ২০২৫ সালের বুকার পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. All That Man Is
  2. Turbulence
  3. The Innocent
  4. Flesh 
ব্যাখ্যা

⇒ হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা–লাই তাঁর উপন্যাস ‘ফ্লেশ’–এর জন্য  বুকার পুরস্কার-২০২৫ জিতেছেন।
-  উপন্যাসে একজন নির্যাতিত হাঙ্গেরিপ্রবাসীর জীবনের গল্প বলা হয়েছে; যিনি অর্থ উপার্জন করেন এবং তা হারিয়েও ফেলেন।

- ‘আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার’–এ পৃথক ক্যাটাগরিতে ভারতীয় লেখক ও কর্মী বানু মুস্তাককে পুরস্কৃত করা হয়।
- তাঁর উপন্যাস ‘হার্ট ল্যাম্প’–এ দক্ষিণ ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়ের নারীদের দৈনন্দিন জীবনের ১২টি গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• বুকার পুরস্কার (Booker Prize) - একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- বুকার পুরস্কারের প্রচলন হয় ১৯৬৯ সালে। 

উৎস: বুকার পুরস্কার ওয়েবসাইট এবং 

২৮.
পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

- সাম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পানগাঁও নৌ টার্মিনাল আগামী ২২ বছরের জন্য পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রধান করে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগকে। 
-  চুক্তির আওতায় সরকার বছরে ১ কোটি ১ লাখ টাকা ফি পাবে। পাশাপাশি প্রতি একক কনটেইনার থেকে ২৫০ টাকা মাশুল পাবে সরকার।
- এ টার্মিনালে মোট ৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে মেডলগ।
- তৈরি করা হবে কটন ওয়্যারহাউস। নিজস্ব বার্থ জাহাজ এবং ট্রাক ও ফ্রিজিং ট্রাক ক্রয় করা হবে টার্মিনালটির জন্য।
- এত দিন ধরে বছরে ২২ কোটি টাকা লোকসানে ছিল পানগাঁও নৌ টার্মিনালটি।

উৎস: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।

২৯.
একটি খুঁটির ৩/৮ অংশ কালো এবং বাকি অংশ লাল। খুঁটির কালো এবং লাল অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য ৮ মিটার হলে, সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪০ মিটার
  2. ৫২ মিটার
  3. ৩২ মিটার
  4. ২৪ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি খুঁটির ৩/৮ অংশ কালো এবং বাকি অংশ লাল। খুঁটির কালো এবং লাল অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য ৮ মিটার হলে, সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
সম্পূর্ণ খুঁটির দৈর্ঘ্য = ১ অংশ

খুঁটির কালো অংশ = ৩/৮ অংশ
খুঁটির লাল অংশ = ১ - (৩/৮) অংশ
 = (৮ - ৩)/৮ অংশ
= ৫/৮ অংশ

কালো এবং লাল অংশের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য = (৫/৮) - (৩/৮) অংশ
 = (৫ - ৩)/৮ অংশ
= ২/৮ অংশ
= ১/৪ অংশ

প্রশ্নমতে,
১/৪ অংশ = ৮ মিটার
∴ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ = (৪ × ৮)/১ মিটার
= ৩২ মিটার

∴ সম্পূর্ণ খুঁটির দৈর্ঘ্য ৩২ মিটার।

৩০.
মানবদেহের ত্বক ও কোষঝিল্লীর সজীবতা রক্ষা করে কোন ভিটামিন?
  1. ভিটামিন বি
  2. ভিটামিন এ
  3. ভিটামিন ডি
  4. ভিটামিন ই
ব্যাখ্যা

ভিটামিন এ মানবদেহের ত্বক ও কোষঝিল্লীর সজীবতা রক্ষা করে।

ভিটামিন এ :
- ভিটামিন এ এর রাসায়নিক নাম রেটিনল।
- এরা চোখের রেটিনা অর্থাৎ অক্ষিপট ও যকৃতে জমা থাকে।
- প্রাণিজ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ রেটিনল এবং উদ্ভিজ্জ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ ক্যারোটিনরূপে পাওয়া যায়।
- ভিটামিন এ বর্ণহীন, তাপে স্থিতিশীল, অম্ল ও ক্ষারে অবিকৃত থাকে।
- রান্নার সময় ভিটামিন এ বজায় রাখতে হলে মৃদু তাপে ঢাকনাসহ রাঁধতে হবে।

ভিটামিন এ এর উৎস:
- ভিটামিন এ প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ্জ উৎস হতে পাওয়া যায়।
- প্রাণিজ উৎস: ডিমের কুসুম, মাছের তেল। যকৃত বা কলিজা, দুধ, ডিম, ঘি, মাখন ইত্যাদি এর ভালো উৎস। প্রাণিজ উৎসে ভিটামিন এ রেটিনলরূপে পাওয়া যায়।
- উদ্ভিজ্জ উৎস: হলুদ, কমলা ও গাঢ় সবুজ বর্ণের শাকপাতা, ফল ও সবজি ভিটামিন এ এর ভালো উৎস। উদ্ভিদে ভিটামিন এ ক্যারোটিন রূপে থাকে। যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, মিষ্টি আলু, পাকা পেঁপে, আম, কাঁঠাল, ধনে পাতা ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ক্যারোটিন থাকে।

ভিটামিন এ এর কাজ :
১। ভিটামিন এ দেহের আবরক কলা গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে।
২। ত্বক ও কোষঝিল্লীর সজীবতা রক্ষা করে।
৩। দৃষ্টি শক্তি প্রখর রাখে।
৪। চোখের নানারকম রোগ হতে চোখকে রক্ষা করে।
৫। চোখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
৬। অল্প আলোতে দেখতে সাহায্য করে।
৭। প্রজনন তন্ত্রের গঠন ও কার্যকারিতা রক্ষায় ভূমিকা রাখে।
৮। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করে।

ভিটামিন এ এর অভাবজনিত অবস্থা :
১। জরায়ু, মূত্রাশয়, শ্বাসনালী ইত্যাদি স্থানের আবরককলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
২। ত্বক শুষ্ক ও খসখসে হয়।
৩। চোখের উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়।
৪। অল্প আলোতে দেখার ক্ষমতা কমে যায়।
৫। চোখের প্রদাহ হয়।
৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
৭। দীর্ঘ দিনের মারাত্মক অভাবে রাতকানা, জেরোপথ্যালমিয়াসহ চোখের জটিল রোগ সৃষ্টি হয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
x2 - 2x - 48 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় হবে -
  1. - 5, 8
  2. - 6, 6
  3. - 6, 8
  4. 6, 8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2 - 2x - 48 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় হবে -

সমাধান:
x2 - 2x - 48 = 0
⇒ x2 - 8x + 6x - 48 = 0
⇒ x(x - 8) + 6(x - 8) = 0
⇒ (x + 6)(x - 8) = 0

হয়, x + 6 = 0 
বা, x = - 6

অথবা, x - 8 = 0
বা, x = 8

∴ সমীকরণের মূলদ্বয় হবে - 6, 8

৩২.
এপিলেপসি মূলত শরীরের কোন অঙ্গের ব্যাধি?
  1. হৃদপিণ্ড
  2. ফুসফুস
  3. মস্তিষ্ক
  4. যকৃৎ
ব্যাখ্যা

• এপিলেপসি মূলত মস্তিষ্কের একটি রোগ।

এপিলেপসি:
- এটি মস্তিষ্কের একটি রোগ।
- এ রোগকে মৃগী রোগও বলা হয়।
- আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খিঁচুনী বা কাঁপুনি দিতে থাকে।
- অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়।
- অনেক সময় রোগী হঠাৎ সাময়িকভাবে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে এবং শরীরে কাঁপুনি দিতে দিতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
- কোন কারণে রোগী পানিতে পড়লে নিজ শক্তিতে উঠতে পারে না। ফলে ডুবে মারা যায়।
- এ রোগ যে কোনো বয়সে হতে পারে।
- তবে ৫-২০ বছর বয়সে ব্যাপকতা বেশি দেখা যায়।

কারণ:
- এপিলেপসির মূল কারণ এখনও সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি।
- তবে প্রধান কারণ হলো- মস্তিষ্কের অবস্থাগত কারণ, ইসকেমিক' স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে, মাথায় আঘাতজনিত কারণ, যেমন মেনিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, এইডস, মস্তিষ্কের বিকৃতি, টিউমার ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
৪২ টাকায় ১৪ টি কলা বিক্রয় করায় ২৫% ক্ষতি হলে, ২৮ টি কলার ক্রয়মূল্য কত?
  1. ১২০ টাকা
  2. ১৪০ টাকা
  3. ১১২ টাকা
  4. ১৬৮ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪২ টাকায় ১৪ টি কলা বিক্রয় করায় ২৫% ক্ষতি হলে, ২৮ টি কলার ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ২৫) = ৭৫ টাকা

বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০/৭৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৪২ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০/৭৫) × ৪২ টাকা
= ৫৬ টাকা

এখন,
১৪ টি কলার ক্রয়মূল্য ৫৬ টাকা
১ টি কলার ক্রয়মূল্য (৫৬/১৪) টাকা
∴ ২৮ টি কলার ক্রয়মূল্য (৫৬/১৪) × ২৮ টাকা
= ১১২ টাকা

৩৪.
দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে ৭ সে. মি. ও ৪ সে. মি. হলে কেন্দ্র দুটির মধ্যে দূরত্ব কত হবে?
  1. ১১ সে. মি.
  2. ২ সে. মি.
  3.  ৫ সে. মি.
  4.  ৩ সে. মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে ৭ সে. মি. ও ৪ সে. মি. হলে কেন্দ্র দুটির মধ্যে দূরত্ব কত হবে?

সমাধান:

আমরা জানি,
দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ করলে তাদের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব হবে বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের বিয়োগফলের সমান।

মনে করি,
A কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ, AC = ৭ সে. মি
B কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ, BC = ৪ সে. মি.
∴ কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব, AB = AC - BC
= (৭ - ৪) সে. মি.
= ৩ সে. মি.

∴ কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৩ সে. মি.

৩৫.
তরঙ্গস্থিত কোনো কণা একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় নেয়, তাকে ঐ তরঙ্গের কী বলে?
  1. স্পন্দন
  2. পর্যায়কাল 
  3. কম্পাঙ্ক
  4. দশা
ব্যাখ্যা

• পর্যায়কাল (Time period):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায় কাল বলে।
- পর্যায়কালকে T' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)।

• পূর্ণ কম্পন বা স্পন্দন (Complete Vibration):
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোন বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণ স্পন্দন বলে।

• কম্পাঙ্ক (Frequency):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ, সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।

• দশা (Phase):
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থাকে তার দশা বলে।
- কোনো একটি মুহূর্তের গতির অবস্থা বলতে ঐ বিশেষ মুহূর্তে কণাটির সরণ, বেগ, ত্বরণ ইত্যাদি বুঝায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
log2√6 + log2√(2/3) = কত?
  1. 7
  2. 4
  3. 2
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log2√6 + log2√(2/3) = কত?

সমাধান:
log2√6 + log2√(2/3)
= log2{√6 × √(2/3)}
= log2 √(6 × 2/3)
= log2 √(12/3)
= log2 √4
= log2 2
= 1

৩৭.
মানবদেহে ফুসফুস থেকে ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে কোন রক্ত কণিকা?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. অণুচক্রিকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্ত কণিকা কোষগুলো ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে হৃদযন্ত্র, ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

মানব দেহের রক্তের কাজ পরিচালনায় বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা:
 - তিন প্রকারের রক্ত কণিকা (যেমন- লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা এবং অণুচক্রিকা) তথা রক্ত কোষ প্রাণী দেহে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে।
- ধমনী, শিরা এবং কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা কোষগুলো ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে হৃদযন্ত্র, ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- শ্বেত রক্ত কণিকা জীবাণু ধ্বংস করে আত্মরক্ষায় অংশ নেয়, রোগ প্রতিরোধ করে এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গ গঠনেও অংশ নেয়।
- অণুচক্রিকা কোষগুলো রক্ততঞ্চন অথবা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসস্থানে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কোন সময়ের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে? 
  1. সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত
  2. সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত
  3. সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত
  4. শুধুমাত্র সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(১)-এর প্রথম প্রভিশন (Provided, firstly) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise.
- অর্থাৎ, জজমেন্ট-ডেবটরকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে কোনো বাসগৃহে (dwelling-house) সূর্যাস্তের পর এবং সূর্যোদয়ের আগে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) সূর্যাস্তের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত (অর্থাৎ রাতের বেলা প্রবেশ নিষেধ)।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:

Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:

Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

৩৯.
‘ক’ বেআইনীভাবে ‘খ’-এর জমি দখল করে চাষ করে মুনাফা অর্জন করে। ‘খ’ এই মুনাফার দাবি করতে পারে—দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর কোন ধারায় এই দাবির সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ধারা ২(৭)
  2. ধারা ২(১২)
  3. ধারা ২(১৪)
  4. ধারা ২(১৭)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২(১২) এ "মধ্যবর্তী মুনাফা" (Mesne Profits)-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া আছে। এই ধারা অনুযায়ী, মধ্যবর্তী মুনাফা বলতে বোঝায়:বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তি থেকে যে মুনাফা বাস্তবে অর্জিত হয়, অথবা সাধারণ প্রজ্ঞা অনুযায়ী অর্জন করা সম্ভব ছিল, এবং সুদসহ—সবই মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে। তবে বেআইনী দখলদারের ব্যক্তিগত উন্নয়নের কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত লাভ মধ্যবর্তী মুনাফার মধ্যে পড়ে না।
- এই ক্ষেত্রে ‘ক’ অবৈধভাবে ‘খ’-এর জমি দখল করে চাষাবাদ করে যে লাভ করেছে, তা ধারা 2(12) অনুসারে মধ্যবর্তী মুনাফা হিসেবে ‘খ’ দাবি করতে পারে।
- সুতরাং, মধ্যবর্তী মুনাফার (Mesne Profits) দাবির আইনি সংজ্ঞা দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(১২)-এ সন্নিবেশিত আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।

ব্যতিক্রম:-
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908: Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession.

৪০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আদায়ের মামলার তামাদি কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৬ অনুসারে,
যখন কোনো বিধি, আইন, প্রবিধান বা উপ-আইনের আওতায় কোনো জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হয়, তখন সেই জরিমানা বা বাজেয়াপ্তি আরোপিত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা মূলত কোন বিষয়টি নির্দেশ করে?
  1. নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের শাস্তি
  2. নিষেধাজ্ঞার প্রকারভেদ
  3. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের শর্তাবলী
  4. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারার শিরোনাম "Injunction when refused" বা "নিষেধাজ্ঞা যখন মঞ্জুর করা হয় না" এবং এই ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার ১১টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে। 

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
-এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.

৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুসারে, আদালতের প্লিডিং সংশোধনের আদেশে সময়সীমা উল্লেখ না থাকলে সংশোধন কার্য কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৪ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী, আদালত যদি প্লিডিং সংশোধনের আদেশ দেন কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না করেন, তবে সংশোধন আদেশের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যদি এই সময়সীমা অতিক্রান্ত হয় এবং আদালত সময় বাড়ানোর অনুমতি না দেয়, তবে সংশোধনের অনুমতি হারিয়ে যায়।
- অর্থাৎ, সর্বোচ্চ সময়সীমা ১৪ দিন, যদি না আদালত বিশেষভাবে মেয়াদ বাড়ান।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে: কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908,Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

৪৩.
বাংলাদেশে ADR-এর জন্য কোন আইনের মধ্যে প্রত্যক্ষ বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  3. অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩
  4. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩
ব্যাখ্যা

⇒ Alternative Dispute Resolution (ADR) বলতে বোঝায় আদালতের বাইরে আইনি স্বীকৃত উপায়ে (যেমন: মধ্যস্থতা, সালিশ, আপস) বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া, যেখানে পক্ষগণ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধ মেটাতে পারেন।

খ) ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (CrPC):এই আইনটি মূলত ফৌজদারি অপরাধ আমল, তদন্ত, বিচার এবং শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এতে মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য কোনো সাধারণ বা সরাসরি বিধান নেই।
গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য: এই আইনের ধারা ৩৪৫-এ "অপরাধ আপস" (Compounding of Offences) এর বিধান আছে, যার মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে বাদী ও বিবাদীর মধ্যে আপসের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তি করা যায়। তবে এটিকে ADR বলা যায় না, কারণ এটি শুধুমাত্র আইন দ্বারা স্বীকৃত কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি সীমিত আইনি প্রক্রিয়া, ADR-এর মতো একটি ব্যাপক ও নমনীয় বিবাদ নিষ্পত্তি পদ্ধতি নয়।

অন্য অপশন গুলা:
ক)  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (CPC): এই আইনে ADR-এর সরাসরি ও বাধ্যতামূলক বিধান রয়েছে। ধারা ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) অনুযায়ী, দেওয়ানি মামলা দায়েরের পর আদালত মধ্যস্থতা, সালিশ বা সমঝোতার মাধ্যমে বিবাদটি নিষ্পত্তির জন্য পক্ষদ্বয়কে উৎসাহিত করবে এবং প্রয়োজনে এর জন্য সময় বেঁধে দেবে।
গ) অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩: এই আইনেও মামলা নিষ্পত্তির জন্য ADR-এর ব্যবস্থা রয়েছে।
আইনে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিবাদ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ঘ) পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো পারিবারিক বিবাদগুলো আপস ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা।
আইনের ধারা ১১ ও ১৪-এ পারিবারিক বিবাদ নিষ্পত্তিতে আপস ও মধ্যস্থতার ব্যবস্থা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ সরাসরি ADR সংক্রান্ত কোনো বিধান নেই।

৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ-১৭, বিধি-১(৩) অনুযায়ী, একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মামলা মুলতবি করার আবেদন করতে পারে?
  1. একবার
  2. তিনবার
  3. চারবার
  4. ছয়বার
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭, বিধি ১(৩) (Order XVII, Rule 1(3)) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনী (Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025) এর মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে যে: একটি পক্ষ কোনো মামলা সর্বোচ্চ চারবার (4 বার) খরচ ছাড়া (without cost) মুলতবি করার আবেদন করতে পারবে।
- সংশোধনের আগে এই সংখ্যা ছিল ছয়বার, কিন্তু Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 অনুযায়ী, sub-rule (3)-এ “six” শব্দের পরিবর্তে “four” শব্দটি প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।
---------
 ⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 17 Rule-1.Court may grant time and adjourn hearing:
(1) The Court may, if sufficient cause is shown, at any stage of the suit grant time to the parties or to any of them, and may from time to time adjourn the hearing of the suit.
Costs of adjournment:
(2) In every such case the Court shall fix a day for the further hearing of the suit, and may make such order as it thinks fit with respect to the costs occasioned by the adjournment:
Provided that, when the hearing of evidence has once begun, the hearing of the suit shall be continued from day to day until all the witnesses in attendance have been examined, unless the Court finds the adjournment of the hearing beyond the following day to be necessary for reasons to be recorded.
(3) Notwithstanding anything contained in sub-rules (1) and (2), the Court shall not grant more than four adjournments in a suit before peremptory hearing at the instance of either party to the suit, and any adjournment granted to a party beyond the aforesaid limit shall make such party liable to pay a cost of not less than two hundred taka and not more than one thousand taka to the other party, within time to be specified by it; noncompliance with which, by the plaintiff shall render the suit liable to be dismissed and, by the defendant shall render the suit liable to be disposed of ex parte:
Provided that the Court shall not grant more than three adjournments to a party even with cost under this rule.

৪৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীর প্যানেল তৈরি করবেন কার সাথে পরামর্শ করে?
  1. জেলা প্রশাসকের সাথে
  2. জেলা পুলিশ সুপারের সাথে
  3. স্থানীয় সরকার চেয়ারম্যানের সাথে
  4. জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুসারে, জেলা জজ মধ্যস্থতাকারীদের (Mediators) প্যানেল প্রস্তুত করার জন্য জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করবেন। এই প্যানেলে উকিল, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি এবং অন্যান্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের (যারা সরকারি চাকরিতে লাভজনক পদে নেই) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই প্যানেলটি সময়ে সময়ে হালনাগাদ করা হয় এবং জেলা জজের প্রশাসনিক এখতিয়ারের অধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯ক(১০) অনুযায়ী "জেলা জজ, জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির সাথে পরামর্শ করে মধ্যস্থতাকারীদের একটি প্যানেল প্রস্তুত করবেন (যা সময় সময় আপডেট করা হবে)। এই প্যানেলে আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, মধ্যস্থতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত নয় এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।"
এবং জেলা জজ নিজ প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানি আদালতকে এই প্যানেল সম্পর্কে অবহিত করবেন।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section-(10) For the purposes of this section, the District Judge shall, in consultation with the President of the District Bar Association, prepare a panel of mediators (to be updated from time to time) consisting of pleaders, retired judges, persons known to be trained in the art of dispute resolution, and such other person or persons, except persons holding office of profit in the service of the Republic, as may be deemed appropriate for the purpose, and shall inform all the Civil Courts under his administrative jurisdiction about the panel: 
Provided that, a mediator under this sub-section shall not act as a mediator between the parties if he had ever been engaged by either of the parties as a pleader in any suit in any Court.

৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা “Equity sees that as done which ought to be done” – maxim টির  সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৬ ধারা 
  2. ৮ ধারা 
  3. ৯ ধারা 
  4. ১২ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এই ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত এমনভাবে বিবেচনা করে যে যা করা উচিত তা ইতোমধ্যে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা ধারা ১২ এর প্রধান বিষয়।
⇒ ধারা ১২ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) নিয়ে আলোচনা করে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি পক্ষ চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে।
- এই ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে বাধ্য এবং যা করা উচিত তা পূরণ করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো বিক্রেতা সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এই ক্ষেত্রে এই ম্যাক্সিম অনুসরণ করে চুক্তিটি পূরণ করা উচিত বলে বিবেচনা করে এবং বিক্রেতাকে তা পালনে বাধ্য করে।
- ধারা ১২ এর উপ-ধারাগুলো (১২(খ), ১২(গ), ১২(ঘ)) এই ম্যাক্সিমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চুক্তির আংশিক পালন বা ব্যতিক্রমের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, যেখানে “equity looks to the substance of the contract” এর নীতি প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ৬ ধারা: Preventive relief (Injunction) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫ এর clause (c) অনুযায়ী যে প্রতিকার দেওয়া হয়, তাকে ধারা ৬-এ তাকে “Preventive Relief” (নিবারণমূলক প্রতিকার) বলা হয়েছে।
খ) ৮ ধারা: এই ধারাটি স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করে, যেখানে কোনো ব্যক্তি অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ হলে দখল ফিরিয়ে পেতে পারে। এটি সুনির্দিষ্ট পালন বা এই ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
গ) ৯ ধারা: এই ধারাটি বলে যে সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করা যাবে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না।

⇒ বাংলাদেশে, ধারা ১২ এর অধীনে এই ম্যাক্সিমটি বিশেষ করে স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয়, ইজারা চুক্তি, বা অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, যেখানে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত প্রতিকার নয়।
অর্থাৎ “Equity sees that as done which ought to be done” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত, কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালন নিশ্চিত করার জন্য ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে। এই ধারাটি বাংলাদেশের আদালতে চুক্তি সম্পর্কিত বিরোধে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪৭.
তামাদি আইনের ধারা ৪ অনুসারে আদালত বন্ধ থাকাকালীন তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, আবেদন দাখিলের সঠিক সময় কবে?
  1. আদালতের অনুমতিতে যে-কোনো দিন
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন
  4. তামাদির মেয়াদ শেষের আগের দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ৪-এর সরাসরি বিধান হলো: যদি তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকে, তাহলে মামলা/আপিল/দরখাস্ত আদালত যেদিন পুনরায় খুলবে, সেদিন দায়ের করা যাবে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) আদালত পুনরায় খোলার দিন।

⇒ তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।

⇒ The Limitation Act,1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.

৪৮.
মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক প্রক্রিয়া নয়?
  1. সংবাদ লিপিবদ্ধ করা
  2. সংবাদ দাতাকে তা পড়ে শোনানো
  3. সংবাদ দাতার স্বাক্ষর নেওয়া
  4. পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুসারে, মৌখিকভাবে দেওয়া আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ লিপিবদ্ধ করার পর সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে (Informant) তা পড়ে শোনাতে হবে এবং সংবাদদাতাকেই তা স্বাক্ষর করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তার কাজ হলো সংবাদটি লিপিবদ্ধ করা ও পড়ে শোনানো, না হয়ে সংবাদদাতার পরিবর্তে নিজে স্বাক্ষর করা নয়। তাই "পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই সংবাদে স্বাক্ষর করা" সঠিক প্রক্রিয়া নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শোনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-154. Information in cognizable cases: Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.

৪৯.
দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, কোনো সমাবেশকে বেআইনি হিসেবে গণ্য করার মূল ভিত্তি কী?
  1. সমাবেশের স্থান
  2. সমাবেশের সময়
  3. সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা
  4. সমাবেশকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশ তখনই বেআইনি বলে গণ্য হবে, যদি উক্ত সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের সাধারণ উদ্দেশ্য নিম্নে উল্লিখিত যেকোনো একটির সঙ্গে সম্পর্কিত হয়:
১. সরকার বা জনসেবককে ভীতি প্রদর্শন
২. আইন বা আইনি প্রক্রিয়ার বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া
৩. দুষ্কর্ম বা অপরাধ সংঘটন
৪. বলপ্রয়োগ করে সম্পত্তি দখল বা অধিকার হরণ
৫. বলপ্রয়োগ করে কোনো ব্যক্তিকে তার আইনি দায়িত্ব না করতে বা অধিকার প্রয়োগ থেকে বিরত রাখা

সুতরাং, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সাধারণ উদ্দেশ্য। শুধু পাঁচজনের বেশি লোক একত্রিত হলেই (যা একটি প্রাথমিক শর্ত) তা বেআইনি হয় না; তাদের সাধারণ উদ্দেশ্যই চূড়ান্ত নির্ধারক।

⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-
প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা
দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা
তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা
চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা
পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly:
An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is:
First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or
Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or
Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or
Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or
Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.

Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.

৫০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. ধারা ১২০
  2. ধারা ১২২
  3. ধারা ১২৩
  4. ধারা ১২৬
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২২ অনুযায়ী, বিবাহকালীন স্বামী বা স্ত্রীকে পারস্পরিক বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করতে বাধ্য করা যাবে না। তবে একজন পক্ষের বিরুদ্ধে অপরজনের দোষে বা দেওয়ানি মামলায় এই তথ্য আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ করা যেতে পারে।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারা: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না; বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে।

⇒ The Evidence Act, 1872, Section 122- Communications during marriage:
No person who is or has been married shall be compelled to disclose any communication made to him during marriage by any person to whom he is or has been married: nor shall he be permitted to disclose any such communication, unless the person who made it, or his representative in interest, consents, except in suits between married persons, or proceedings in which one married person is prosecuted for any crime committed against the other.

৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৫৪
  2. ধারা ১৬৭
  3. ধারা ১৬৯
  4. ধারা ১৭০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তের পর যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ বা যুক্তিসংগত সন্দেহের ভিত্তি নেই, তাহলে তিনি আসামিকে (হেফাজতে থাকলে) একটি মুচলেকা (Bond) সম্পাদন করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন।
সুতরাং, সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার সরাসরি বিধান রয়েছে ধারা ১৬৯-এ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.

৫২.
দণ্ডবিধির ধারা ৫৫ অনুসারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কে হ্রাস করতে পারে?
  1. পুলিশ
  2. সরকার
  3. আদালত
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫৫ ধারা ("Commutation of sentence of imprisonment for life") অনুযায়ী: সরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির শাস্তি অনূর্ধ্ব ২০ (সর্বোচ্চ ২০) বছর কারাদণ্ডে রূপান্তর করতে পারেন। এটি অপরাধীর সম্মতি ছাড়াই করা যায়। রূপান্তরিত দণ্ড সশ্রম (Rigorous) বা বিনাশ্রম (Simple) কারাদণ্ড হতে পারে।
- সরকার ২০ বছরের বেশি মেয়াদ নির্ধারণ করতে পারবেন না।

⇒ দণ্ডবিধির ৫৫ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:- যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
--------
⇒ The Penal Code, 1860- Section- 55. Commutation of sentence of imprisonment for life:- In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

৫৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারার কোন উপ-ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ না পাওয়া যায়, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে (shall be released)?
  1. উপ-ধারা (১)
  2. উপ-ধারা (২)
  3. উপ-ধারা (৪)
  4. উপ-ধারা (৫)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২)-এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো পর্যায়ে তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকালে আদালত বা কর্মকর্তা মনে করেন যে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, তবে তার বিরুদ্ধে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন থাকলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে — অর্থাৎ "shall be released on bail".
অর্থাৎ, যদি তদন্ত/বিচারের যেকোনো পর্যায়ে মনে হয় যে আসামির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই (not reasonable grounds), তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া বাধ্যতামূলক (shall be released)।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী, বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন কার কাছে পাঠাতে হবে?
  1. পুলিশের কাছে
  2. আদালতের কাছে
  3. অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে
  4. যে পক্ষ তাকে নিয়োগ করেছে তার কাছে
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুসারে – বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন সরাসরি আদালতের কাছে পাঠাতে হবে, যেকোনো পক্ষের কাছে নয়। এর উদ্দেশ্য হলো বিশেষজ্ঞের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করা। তিনি আদালতের সহায়ক হিসাবে কাজ করেন।
- সুতরাং, সাক্ষ্য আইনের ধারা ৪৫ক(২) অনুযায়ী বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন অবশ্যই আদালতের কাছে পাঠাতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence.-
( 1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.
(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

৫৫.
'A' একটি চুরি করা ল্যাপটপ 'B'-এর কাছে নিয়ে আসে। 'B' জানে যে ল্যাপটপটি চুরি করা। পুলিশের হাত থেকে 'A' কে বাঁচাতে, 'B' ইচ্ছাকৃতভাবে ওই ল্যাপটপটি তার ঘরের মেঝেতে লুকিয়ে রাখে। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, 'B'-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে? 
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড
  2. ২ বছরের কারাদ
  3. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ 'B'-এর কাজটি দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪-এর আওতায় পড়ে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে এমন কোনো সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা নিষ্পত্তি করতে সাহায্য করে, যে সম্পত্তি সম্পর্কে তার জানা আছে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে যে সেটি চুরিকৃত, তবে সে এই ধারায় শাস্তিযোগ্য হবে। শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), বা অর্থদণ্ড, বা উভয়ই।
- সুতরাং, 'B' ধারা ৪১৪-এর অধীনে দোষী সাব্যস্ত হলে তার শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে (voluntarily), চুরিকৃত সম্পত্তি লুকানো, অপসারণ বা বিক্রয়ে সহায়তা করে, এ সময় জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে সম্পত্তিটি চুরিকৃত, তাহলে তার শাস্তি হবে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 414: Assisting in concealment of stolen property: Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

৫৬.
যদি অপরাধীর উদ্দেশ্য থাকে ‘ক’ ব্যক্তিকে হত্যা করা কিন্তু ভুলবশত ‘খ’ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তবে দণ্ডবিধির কোন ধারায় এটি শাস্তিযোগ্য নরহত্যা হিসেবে গণ্য হবে?
  1. ধারা ২৯৯
  2. ধারা ৩০০ 
  3. ধারা ৩০১
  4. ধারা ৩০৪ক
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩০১-এর শিরোনামই হল "যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন"। এই ধারাটি বিশেষভাবে "স্থানান্তরিত দূষিত অভিপ্রায়" (Doctrine of Transferred Malice) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যখন কোনো ব্যক্তি 'ক' কে হত্যার উদ্দেশ্য বা জ্ঞান নিয়ে কোনো কাজ করে, কিন্তু সেই কাজের ফলে ভুলবশত 'খ' ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে, তখন অপরাধটি ধারা ৩০১-এর অধীনে গণ্য হবে। এই ক্ষেত্রে অপরাধী 'খ' এর মৃত্যুর জন্য ঠিক ততটাই দায়ী হবে, যতটা দায়ী হতো যদি সে 'ক' এর মৃত্যু ঘটাত। অর্থাৎ, শাস্তির মাত্রা অপরাধীর মূল উদ্দেশ্য (যে ব্যক্তিকে হত্যা করতে চেয়েছিল) অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, যে ব্যক্তির প্রকৃত মৃত্যু হয়েছে তার পরিচয় অনুযায়ী নয়।
- অর্থাৎ ধারা ৩০১ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি যার মৃত্যু ঘটাতে সে ইচ্ছুক ছিল, তার উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কারো মৃত্যু ঘটে, তবে তার অপরাধও যেমন হত যদি সে উদ্দেশ্যপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে হত্যা করত, ঠিক সেই রকম শাস্তিযোগ্য হবে।
অর্থাৎ, ভুলবশত বা অন্য কারো মৃত্যু ঘটলেও অপরাধের ধরন অপরিবর্তিত থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.

৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারা অনুযায়ী, কোনো দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা কার নেই?
  1. দণ্ডাদেশদাতা জজ
  2. দণ্ডাদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মামলার অপরাধ তদন্তকারী কর্মকর্তা
  4. দণ্ডাদেশদাতা জজের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৯ শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের দণ্ডাদেশ কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেয়:
১. দণ্ডাদেশদাতা জজ (ক)
২. দণ্ডাদেশদাতা ম্যাজিস্ট্রেট (খ)
৩. দণ্ডাদেশদাতা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি (ঘ)

- তদন্তকারী কর্মকর্তা (গ) — যিনি মামলার তদন্ত করেন (যেমন: পুলিশের উপ-পরিদর্শক/এসআই, তদন্ত কর্মকর্তা) — ধারা ৩৮৯ অনুযায়ী পরোয়ানা জারির কোনো ক্ষমতা নেই।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা ইসু করতে পারবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 389: Who may issue warrant:
- Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.

৫৮.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলার বিচার শেষ করতে ব্যর্থ হয়, তবে কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে?
  1. ৭ কার্যদিবস
  2. ১০ কার্যদিবস
  3. ১৫ কার্যদিবস
  4. ৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনালকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টকে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।

৫৯.
'A' নামের একজন যুবক 'B' নামের ১৭ বছরের মেয়েকে “আমি তোকে বিয়ে করবই” বলে প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। এখানে 'A' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর কোন ধারায় অভিযুক্ত হবে?
  1. ৯ ধারায়
  2. ৯ক ধারায়
  3. ৯খ ধারায়
  4. ১০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৯খ অনুযায়ী কেউ যদি বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ঘটনাস্থলে পারস্পরিক আস্থা বা সম্পর্ক থাকে, এবং যদি নারী ষোল বছরের বেশি বয়সী হয়, তবে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

৬০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ১ এপ্রিল ২০০২
  2. ১০ এপ্রিল ২০০২
  3. ১৫ এপ্রিল ২০০২
  4. ১ জানুয়ারি ২০০৩
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১(২) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আইন ১০ এপ্রিল, ২০০২ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি আইনটি প্রণয়নের তারিখ বা সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তির তারিখ হিসাবে বিবেচ্য।
- আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ বাংলাদেশের একটি বিশেষ আইন, যা ১০ এপ্রিল ২০০২ তারিখে কার্যকর হয়।
- আইনটি প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (যেমন: চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাচলে বাধা, সম্পত্তি ধ্বংস, ছিনতাই, সন্ত্রাসী তৎপরতা ইত্যাদি) দ্রুত বিচার করার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা।
আইনের ধারা ১(১) এ আইনের নাম উল্লেখ রয়েছে এবং ধারা ১(২) এ কার্যকর হওয়ার তারিখ দেওয়া আছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর খ) ১০ এপ্রিল ২০০২।

৬১.
লিগ্যাল এইড অফিসার যখন মিমাংসা সভা (মেডিয়েশন) আয়োজন করেন, তখন জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কত দিনের মধ্যে পক্ষগুলোর ঠিকানায় জারি করতে হবে?
  1. অনধিক ৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৬২.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের বিচারকার্য সম্পন্ন করার জন্য নির্ধারিত মূল সময়সীমা কত?
  1. ১৮০ দিন
  2. ২৪০ দিন
  3. ৩৬০ দিন
  4. ৪২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২(১) অনুযায়ী, শিশু-আদালত শিশুর প্রথম উপস্থিতির তারিখ থেকে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে বাধ্য। যদি বিশেষ কারণে সময় বাড়ানোর প্রয়োজন হয়, তবে ধারা ৩২(২) অনুযায়ী আরও ৬০ দিন বাড়ানো যেতে পারে, কিন্তু মূল সময়সীমা ৩৬০ দিন।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩২: বিচার সমাপ্তির সময়সীমা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে।
(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 
তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।

৬৩.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬-এর অধীনে কে বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি করতে পারে? 
  1. সরকার
  2. BFIU
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ধারা ২৬(১) এ স্পষ্ট ভাষায় বলা আছে: এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু-পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে।
অর্থাৎ সরকার (Government) সরাসরি বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি করার ক্ষমতা রাখে।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ধারা ২৬(৩) অনুযায়ী বিদেশী সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক (Memorandum of Understanding - MoU) স্বাক্ষর করতে পারে, যা সরাসরি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির সমতুল্য নয়।
- তাই সঠিক উত্তর ক) সরকার।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা-২৬: বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি:
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার দ্বি-পাক্ষিক বা বহু পাক্ষিক চুক্তি, কনভেনশন বা আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত অন্য কোনভাবে কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তি করিতে পারিবে। 
(২) এই ধারার অধীন সরকার কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সহিত চুক্তিবদ্ধ হইলে মানিলন্ডারিং অপরাধ প্রতিরোধে সরকার— 
(ক) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী রাষ্ট্র এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৩) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট অথবা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করিতে পারিবে এবং স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিএফআইইউ— 
(ক) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট বা সংস্থার নিকট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি চাহিতে পারিবে; এবং 
(খ) উক্ত বিদেশী ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট এবং সংস্থা কর্তৃক যাচিত তথ্যাদি, জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকি না হইলে, সরবরাহ করিবে। 
(৪) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোন চুক্তির অধীন কোন বিদেশী রাষ্ট্রের আদালতের কোন আদেশ কার্যকর করিবার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত কোন সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করিবার বা ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হইলে এটর্নী জেনারেলের অফিসের আবেদনক্রমে আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ আদেশ প্রদান করিতে পারিবে; একইভাবে বাংলাদেশে আদালতের বাজেয়াপ্তকরণ আদেশ বা উক্ত সম্পত্তি ফেরত আনয়নের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি বা সমঝোতা স্মারকের অধীনস্থ রাষ্ট্রকে এটর্নী জেনারেলের অফিস অনুরোধ করিতে পারিবে। 
(৫) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতার আওতায় কোন বিদেশী রাষ্ট্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে প্রাপ্ত দলিলাদি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয় হইবে।

৬৪.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০ অনুযায়ী, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকার জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ লাখ টাকা জরিমানা
  2. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২ কোটি টাকা জরিমানা
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ কোটি টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০(২) এর বিধান অনুসারে: (২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
সুতরাং, সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হলো—দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে বা উভয় দণ্ড একসাথে প্রযোজ্য হতে পারে।
অতএব, সঠিক উত্তর খ) ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১ কোটি টাকা জরিমানা।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২০: সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার নিমিত্ত কোনো পোর্টাল বা অ্যাপস বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৬৫.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনারের মামলায় শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য কী করা বাধ্যতামূলক?
  1. আপিল আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  2. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের সম্পূর্ণ অর্থ জমা দিতে হবে।
  3. শাস্তিদানকারী আদালতে চেকের পরিমাণের অন্তত ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
  4. আপিল দায়েরের পর যেকোনো এক সময় চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ জমা দিতে হবে।
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপিল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লিখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপিল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
----------
⇒ The Negotiable Instruments Act, 1881, Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৬৬.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের সর্বনিম্ন পদমর্যাদা কী?
  1. কনস্টেবল
  2. এএসআই
  3. এসআই
  4. ইন্সপেক্টর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৩ অনুযায়ী, পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার পদমর্যাদা থাকা কর্মকর্তাদের প্রদান করা হয়েছে।
- অর্থাৎ পুলিশের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পদমর্যাদা হলো উপ-পরিদর্শক (SI)। কনস্টেবল, এএসআই (সহকারী উপ-পরিদর্শক)-এর এই ক্ষমতা নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) এসআই।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়:-
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;
(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;
(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং
(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।

৬৭.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ অনুযায়ী, একজন আটক ব্যক্তির আটক স্থান নির্ধারণের কর্তৃপক্ষ কে?
  1. পুলিশ 
  2. আদালত
  3. সরকার
  4. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ধারা ৫ অনুযায়ী, সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্ধারণ করে যে, আটক ব্যক্তিকে কোন স্থানে রাখা হবে এবং কোন শর্তাবলীর অধীনে রাখা হবে।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং
(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, Section-5. Power to regulate place and conditions of detention:
Every person in respect of whom a detention order has been made shall be liable- 
(a) to be detained in such place and under such conditions, including conditions as to discipline and punishment for breaches of discipline, as the Government may, by general or special order specify; and 
(b) to be removed from one place of detention to another place of detention by order of the Government.

৬৮.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুসারে কত বছর যাবৎ স্বামী স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবে?
  1. চার বছর
  2. তিন বছর
  3. দুই বছর
  4. এক বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(১)(ii)অনুযায়ী, যদি স্বামী দুই বছর যাবত স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হন বা অবহেলা করেন, তবে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবেন।
- সঠিক উত্তর: গ) দুই বছর।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলমান বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারার বিধান: বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রির হেতুবাদ:
নিম্নলিখিত যে কোন এক বা একাধিক হেতুবাদে মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহিতা কোন মহিলা তাহার বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি লাভের অধিকারিণী হইবেন, যথা:

i) চার বছর যাবত্‍ স্বামী নিরুদ্দেশ হইলে;
ii) স্বামী দুই বছর যাবত স্ত্রীর ভরণ-পোষণ দানে অবহেলা প্রদর্শন করিলে অথবা ব্যর্থ হইলে;
ii-ক) স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ব্যবস্থা লঙ্ঘন করিরা অতিরিক্ত স্ত্রী গ্রহণ করলে;
iii) স্বামী সাত বছর বা তদূর্ধ্ব সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইলে;
iv) স্বামী কোন যুক্তসঙ্গত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবত্‍ তাহার দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হইলে;
v) বিবাহকালে স্বামীর পুরুষত্বহীনতা থাকিলে এবং উহা বর্তমানেও চলিতে থাকলে;
vi) দুই বছর  যাবত্‍ স্বামী পাগল হইয়া থাকিলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে কিংবা ভয়ানক ধরণের উপদংশ রোগে ভুগিতে থাকলে;
vii) আঠার বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেতাহাকে তাহার পিতা অথবা অন্য অভিভাবক বিবাহ করাইয়া থাকিলে এবং উণিশ বছর বয়স পূর্ণ হইবার পূর্বেই সে উক্ত বিবাহ অস্বীকার করিয়া থাকিলে; তবে, অবশ্য ঐসময়ের মধ্যে যদি দাম্পত্য মিলন অনুষ্ঠিত না হইয়া থাকে;
viii) স্বামী তাহার (স্ত্রীর) সহিত নিষ্ঠুর আচরণ করিলে, অর্থাৎ
ক) অভ্যাসগতভাবে তাহাকে আঘাত করিলে বানিষ্ঠুর আচরণ দ্বারা, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়িলও, তাহার জীবনশোচনীয় করিয়া তুলিয়াছে এমন হইলে;.
খ) স্বামীর দূর্নাম রহিয়াছে বা কলঙ্কিত জীবন যাপন করে এমন স্ত্রীলোকদের সহিত মেলামেশা করিলে, অথবা
গ) তাহাকে দূর্ণীত জীবন যাপনে বাধ্য করিবার চেষ্টা করিলে, অথবা
ঘ) তাহার সম্পত্তি হস্তান্তর করিলে অথবা উহার উপর তাহার বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করিলে, অথবা
ঙ) তাহার ধর্মীয় কর্তব্য পালনে বাধা সৃষ্টি করিলে, অথবা
চ) একাধিক স্ত্রী থাকিলে, সে কোরানের নির্দেশ অনুযায়ী ন্যায়পরায়ণতার সহিত তাহার সঙ্গে আচরণ না করিলে;
ix) মুসলিম আইন অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য বৈধ হেতু হিসাবে স্বীকৃত অন্য যে কোন কারণেঃ
তবে অবশ্য-
ক) কারাদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ৩ নং হেতু বাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না,
খ) ১ নং হেতুবাদে প্রদত্ত ডিক্রিটি উহারপ্রদানের তারিখ হইতে ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকরী হইবে না এবং স্বামী উক্ত সময়ের মধ্যে স্বয়ং অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কো এজেন্টের মাধ্যমে উপস্থিত হইয়া এইমর্মে যদি আদালতকে খুশী করিতে পারে যে, দাম্পত্য কর্তব্য পালনে প্রস্তুতরহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত ডিক্রিটি রদ করিবেন; এবং
গ) ৫ নং হেতুবাদে ডিক্রি প্রদানের পূর্বে, স্বামীর আবেদনক্রমে আদালতের আদেশের এক বছরের মধ্যে যে পুরুষত্বহীনতাহইতে মুক্তি লাভ করিয়াছে বা তাহার পুরুষত্বহীনতার অবসান ঘটিয়াছে এই মর্মেআদালতকে সন্তুষ্ট করিবার জন্য আদালত তাহাকে আদেশ দান করিতে পারেন এবং যদিসে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে পারে, তাহা হইলে উক্তহেতুবাদে কোন ডিক্রি প্রদান করা যাইবে না।

৬৯.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭ অনুযায়ী, তালাকের ঘোষণার পর তা কার্যকর হতে কত দিন সময় লাগে?
  1. ১২০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৭(৩) এ বলা হয়েছে: “তালাক, যদি এর আগে প্রত্যাহার না করা হয় (স্পষ্ট বা পরোক্ষভাবে), তবে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে নব্বই (৯০) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না।
অর্থাৎ স্বামী তালাক উচ্চারণ করার পর যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীর কাছেও একটি কপি পাঠাতে হবে।
- চেয়ারম্যান নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিশি পরিষদ (Arbitration Council) গঠন করবেন, যার মূল উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পুনর্মিলন ঘটানো।
- তালাকের নোটিশ দেওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিন পার হওয়ার আগে তালাক কার্যকর হয় না। এই সময়টিকে এক ধরনের “Cooling-off Period” বা সমঝোতার সুযোগ বলা যায়।
- যদি স্ত্রী নোটিশ দেওয়ার সময় গর্ভবতী থাকেন, তবে ৯০ দিন পূর্ণ হওয়ার পরেও গর্ভকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।

⇒ মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৭ ধারার বিধান: তালাক (Talaq):
১) কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে ইচ্ছা করলে সে কোন প্রকারেই হোক তালাক উচ্চারণ করার পরেই সে তালাক দিয়েছে বলে চেয়ারম্যানকে লিখিত নোটিশের মাধ্যমে জানাবে এবং তার স্ত্রীকেও একটি কপি পাঠাবে।
২) উপর্যুক্ত বিধান লঙ্ঘনের শান্তি- ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৩) অন্য কোনোভাবে প্রকাশ্যে কিংবা অপ্রকাশ্যে কোন তালাক প্রত্যাহার না করা হলে চেয়ারম্যানের নিকট প্রেরিত নোটিশের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৪) নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের ভিতরে চেয়ারম্যান পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পুনর্মিলন স্থাপনের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করবেন ও এই কাউন্সিল পুনর্মিলন ঘটানোর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
৫) তালাক প্রদানের সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৩নং উপধারায় উল্লিখিত মেয়াদ বা গর্ভকাল এই দুই এর মধ্যে যা পরে শেষ হবে, তা অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হবে না।
৬) এই ধারা অনুযায়ী কার্যকর তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে সেই স্ত্রীর তৃতীয় কোনো ব্যক্তির সাথে মধ্যবর্তী বিবাহ ছাড়া তার পূর্বের স্বামীর সঙ্গে পুনর্বিবাহে কোনো বাধা থাকবে না, যদি না বিবাহবিচ্ছেদ তৃতীয়বারের মত কার্যকর হয়ে থাকে।

৭০.
পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বাধিক অর্থদণ্ড কত হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3.  ২০০০ টাকা
  4.  ৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ২৩(২) অনুসারে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যায়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ২৩ ধারার বিধান:- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।

৭১.
What is the primary nature of marriage under Hindu law?
  1. A civil contract
  2. A temporary union
  3. A social agreement
  4. A sacred sacrament
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইন ও ঐতিহ্য অনুসারে, বিবাহকে প্রধানত একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বন্ধন হিসেবে গণ্য করা হয়, কোনো সাধারণ দেওয়ানী চুক্তি নয়। নিচের দিকগুলি লক্ষণীয়:
১. ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান:
হিন্দু বিবাহে সপ্তপদী (সাত পাক), হোমযজ্ঞ, মন্ত্রোচ্চারণ ইত্যাদি ধর্মীয় রীতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি শুধু আইনি নিবন্ধন নয়, বরং একটি পবিত্র ধর্মীয় কর্তব্য (ধর্ম)।
২. জন্মজন্মান্তরের বন্ধন:
হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, বিবাহের বন্ধন শুধু এই জন্মের জন্য সীমিত নয়, বরং এটি পূর্বজন্ম ও পরজন্মেও বিস্তৃত। এজন্যই একে "অবিচ্ছেদ্য" বলা হয়।
৩. কর্তব্য ও ধর্মের অংশ:
হিন্দু শাস্ত্রে বিবাহকে একটি ধর্মীয় কর্তব্য হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, বিশেষ করে গ্রিহস্থাশ্রম (গৃহস্থ জীবন) পালনের জন্য। এটি পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পূরণের পথ।
৪. চুক্তি নয়:
অন্যান্য কিছু ব্যক্তিগত আইন (যেমন মুসলিম আইনে বিবাহ একটি দেওয়ানী চুক্তি) এর বিপরীতে, হিন্দু বিবাহ চুক্তির বৈশিষ্ট্য বহন করে না। তাই এটি ক) দেওয়ানী চুক্তি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
৫. তালাকের অনুপস্থিতি:
ঐতিহ্যগত হিন্দু আইনে তালাকের কোনও স্থান নেই, যা প্রমাণ করে এটি কোনো অস্থায়ী বা সামাজিক চুক্তি নয়। বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ এখনো আইনত অবিচ্ছেদ্য হিসেবে স্বীকৃত।

অর্থাৎ হিন্দু বিবাহের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর পবিত্র, ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক প্রকৃতি, যা একে "পবিত্র বন্ধন" বা Sacrament করে তোলে। এজনই সঠিক উত্তর ঘ) A sacred sacrament।

৭২.
মুসলিম আইনের কোন মতবাদে মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়?
  1. হানাফি মতবাদ
  2. মালিকি মতবাদ
  3. শাফেয়ি মতবাদ
  4. হাম্বলি মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রহ.) প্রতিষ্ঠিত মালিকি মতবাদ-এর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো মদিনার অধিবাসীদের প্রথা ও রীতিনীতি (‘আমলু আহলিল মদীনা)-কে ইসলামী আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা। ইমাম মালিক (রহ.)-এর মতে, মদিনাবাসীদের ঐকমত্য্যপূর্ণ চর্চা নবী করিম (সা.)-এর সুন্নাহর ধারাবাহিক প্রকাশ, তাই এটি কুরআন ও হাদিসের পরই প্রামাণ্য। অন্যান্য মাযহাব এই বিশেষ উৎসকে এতটা গুরুত্ব দেয়নি।
অর্থাৎ মালিকি মতবাদে কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতি আইনের মূল উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

⇒ মুসলিম আইনের চার প্রধান মতবাদ (Schools of Islamic Law):
মুসলিম আইনকে চারটি প্রধান সুন্নি মতবাদে বিভক্ত করা হয়েছে। এই মতবাদগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামের প্রাথমিক যুগে, এবং প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট ইমামের অনুসৃত পদ্ধতি ও ব্যাখ্যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে।

হানাফি মতবাদ (Hanafi School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম আবু হানিফা (৭০২–৭৭২ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসের পাশাপাশি ইজতিহাদ (ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ) এবং রায় ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়।
- হানাফি মতবাদ মুসলিম আইনের সবচেয়ে উদার ও সহনশীল।
- স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয়।

মালিকি মতবাদ (Maliki School)
- প্রতিষ্ঠাতা: ইমাম মালিক ইবনে আনাস (৭১১–৭৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- মদিনার মানুষের প্রথা এবং প্রাথমিক মুসলিম সমাজের রীতিনীতিকে আইনের ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- কুরআন ও হাদিস প্রধান উৎস, তবে মদিনার ঐতিহ্য এবং ইজমাও বিবেচ্য।

শাফেয়ি মতবাদ (Shafi'i School)
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ-শাফেয়ি (৭৬৭–৮২০ খ্রিস্টাব্দ)।
- কুরআন ও হাদিসকে প্রধান উৎস হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
- ইজমা (মুসলিম সমাজের ঐক্যমত) এবং কিয়াস (যুক্তিগত বিশ্লেষণ) ব্যবহারের উপর জোর দেয়।

হাম্বলি মতবাদ (Hanbali School)
- ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (৭৮০–৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ)।
- এটি সবচেয়ে রক্ষণশীল সুন্নি মতবাদ।
- কুরআন ও হাদিস ছাড়া অন্য কোনো উৎসকে খুব কম গ্রহণ করে।

৭৩.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন অনুসারে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের তত্ত্বাবধানের জন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. জেলা রেজিস্ট্রার
  3. পারিবারিক আদালত
  4. বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান (HBK) কল্যাণ ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ১৩(১) অনুযায়ী, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের উপর জেলা রেজিস্ট্রার তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রণ করবে। জেলা রেজিস্ট্রার তার দপ্তরের অধীন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের দায়িত্ব এবং কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

⇒  হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ ধারা ১৩ তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ, ইত্যাদি:
(১) প্রত্যেক হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা রেজিস্ট্রারের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে থাকিয়া তাহার দাপ্তরিক ও অর্পিত দায়িত্ব সম্পন্ন করিবেন। 
(২) হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকগণের উপর মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের ক্ষমতা থাকিবে। 
(৩) জেলা রেজিস্ট্রার তাহার স্থানীয় অধিক্ষেত্র এলাকায় যে কোন সময় যে কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকের কার্যালয় পরিদর্শন করিতে পারিবেন। 

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে “মহাপরিদর্শক” অর্থ Registration Act, 1908 এর অধীন নিযুক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন, বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা।

৭৪.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, যদি একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হয় এবং তার কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান না থাকে, তবে তার স্বামীর কত অংশ উত্তরাধিকার সম্পত্তি পাওয়ার অধিকার থাকে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৮ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ১/২ অংশ।
⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফারায়েজ) অনুসারে, একজন বিবাহিত মহিলার মৃত্যু হলে তার স্বামীর প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ নির্ভর করে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) আছে কিনা তার উপর:
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান (নাতি) না থাকে, তাহলে স্বামী অর্ধেক (১/২) অংশ পাবেন।
→ যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী এক-চতুর্থাংশ (১/৪) অংশ পাবেন।
প্রশ্নে উল্লেখ করা হয়েছে যে মৃতার (মৃত ব্যক্তির) কোনো সন্তান বা পুত্রের সন্তান নেই, তাই স্বামী ১/২ অংশ পাবেন।

উদাহরণ:
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সম্পত্তি ১,০০,০০০ টাকা হয় এবং তার কোনো সন্তান বা নাতি না থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ৫০,০০০ টাকা (অর্ধেক)।
যদি মৃতার (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকে, তাহলে স্বামী পাবেন ২৫,০০০ টাকা (এক-চতুর্থাংশ)।

৭৫.
মুসলিম হানাফী আইন অনুসারে সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক কোন শ্রেণীর অগ্রক্রয়ের অধিকারী?
  1. শাফি-ই-শরিক
  2. শাফি-ই-খালিত
  3. শাফি-ই-জার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের (শুফা) তিন শ্রেণির অধিকারী হলেন:
১. শাফি-ই-শরিক → সহ-মালিক (co-sharer)
২. শাফি-ই-খালিত → রাস্তা/নালা/সেচ ইত্যাদি সুবিধার অংশীদার
৩. শাফি-ই-জার → সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী জমির মালিক (vicinal owner / neighbouring owner) 

অর্থাৎ পাশের জমির মালিক হলেন শাফি-ই-জার। তিন শ্রেণির মধ্যে এই শ্রেণিটির অগ্রাধিকার সবচেয়ে কম।

⇒  Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

- অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।

৭৬.
পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিলের পর বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণত কত দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়? 
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২১ দিন
  4. ১৫ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭(১)(ক) অনুসারে, আদালতে আরজি (আবেদন) দাখিলের পর আদালত সাধারণভাবে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করে বিবাদীকে হাজির হওয়ার ও লিখিত জবাব দাখিলের জন্য।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ৭: সমন ও নোটিশ জারিকরণ:
(১) পারিবারিক আদালতে আরজি দাখিল করিবার পর আদালত নিম্নরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবে, যথা:-
(ক) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য সাধারণভাবে অনধিক ৩০(ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্যকরণ;
(খ) বিবাদীর প্রতি নির্ধারিত তারিখে হাজির হইবার এবং জবাব প্রদানের জন্য সমন জারি;
(গ) বিবাদীর নিকট প্রাপ্তিস্বীকারপত্র সংবলিত রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মোকদ্দমার নোটিশ প্রেরণ; এবং
(ঘ) উপরিউক্ত দফা (খ) ও (গ) এর অধীন সমন জারি ও নোটিশ প্রেরণের পাশাপাশি আদালত, বাদী কর্তৃক খরচ বহন করিবার শর্তে, আরজিতে উল্লিখিত বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বাদী কর্তৃক সরবরাহকৃত বিবাদীর ইমেইল ঠিকানায় সমন জারি করিবেন, তবে ইমেইল ঠিকানার সঠিকতা সম্পর্কে আদালত সন্তুষ্ট হইলে উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন জারীকৃত প্রত্যেকটি সমন এবং প্রেরিত নোটিশের সহিত আরজির নকল এবং ধারা ৬ এর উপধারা (৫) ও (৬) এ উল্লিখিত দলিলসমূহের তালিকার অনুলিপি সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৩) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ নং আদেশের বিধি ৯(১), ৯(২), ৯(৪), ৯(৫), ৯এ, ১০, ১১, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯এ, ২০, ২১, ২৩, ২৪, ২৫(১), ২৬, ২৭, ২৮ এবং ২৯ এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করিতে হইবে এবং উক্তরূপে জারীকৃত সমন বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশ বিবাদীর উপর তখনই যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে যখন বিবাদী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রাপ্তিস্বীকারপত্র আদালত কর্তৃক গৃহীত হয় অথবা আদালত নোটিশ বহনকারী ডাকটি ডাক কর্মচারীর এই মর্মে লিখিত মন্তব্যসহ ফেরত পান যে, নোটিশ বহনকারী ডাক বিবাদীকে প্রদানে যাচনা করিবার পর তিনি উহা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়াছেন:
তবে শর্ত থাকে যে, নোটিশ যথাযথভাবে ঠিকানাযুক্ত অগ্রিম প্রদত্ত প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে যথাযথভাবে প্রেরিত হইয়া থাকিলে নোটিশ ডাকে দেওয়ার তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিন অতিবাহিত হইবার পর যদি প্রাপ্তিস্বীকারপত্রটি হারাইয়া যায় বা ভুল ঠিকানায় চলিয়া যায় বা অন্য কোনো কারণে উক্ত সময়ের মধ্যে আদালত কর্তৃক প্রাপ্ত না হয় তাহা হইলে বিবাদীর উপর উহা যথাযথভাবে জারি হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) উপধারা (১) এর দফা (খ) এর অধীন জারীকৃত সমন প্রেরণ সংক্রান্ত খরচ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন সমন জারির খরচের ন্যায় হইবে এবং উপধারা (১) এর দফা (গ) এর অধীন প্রেরিত নোটিশের ডাক খরচ আরজি দাখিলের সময় বাদী কর্তৃক প্রদেয় হইবে।

৭৭.
মুসলিম শরীয়াহ অনুযায়ী, কোরআনিক অংশীদারদের মধ্যে কতজন পুরুষ ও কতজন মহিলা?
  1. ৬ পুরুষ, ৬ মহিলা
  2. ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা
  3. ৫ পুরুষ, ৭ মহিলা
  4. ৩ পুরুষ, ৯ মহিলা
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম শরীয়া আইন অনুযায়ী মোট ১২ জন কোরানিক অংশীদার রয়েছে।
যথা- অংশীদার বলতে কোরানিক অংশীদারদেরকে বুঝানো হয়।
- কোরআনিক অংশীদারদের মোট ১২ জনের মধ্যে পুরুষ ৪ জন এবং মহিলা ৮ জন রয়েছেন।
- পুরুষ (৪ জন):
১. স্বামী (Husband)
২. বাবা (Father)
৩. দাদা (True Grandfather)
৪. বৈপিত্রেয় ভাই (Uterine Brother)

- মহিলা (৮ জন):
১. স্ত্রী (Wife)
২. মা (Mother)
৩. কন্যা (Daughter)
৪. পুত্রের কন্যা (Son's Daughter)
৫. দাদী (True Grandmother)
৬. আপন বোন (Full Sister)
৭. বৈমাত্রেয় বোন (Consanguine Sister)
৮. বৈপিত্রেয় বোন (Uterine Sister)

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৪ পুরুষ, ৮ মহিলা।

৭৮.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় “প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর” এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৩৮
  2. ধারা ৪১
  3. ধারা ৪৩
  4. ধারা ৪০
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৪১-এ "প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর" (Transfer by Ostensible Owner)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত মালিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক হিসাবে থাকে এবং সরল বিশ্বাসে ও যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা নিয়ে কোনো গ্রহীতা মূল্যের বিনিময়ে তা ক্রয় করে, তাহলে হস্তান্তরকারীর প্রকৃত হস্তান্তর ক্ষমতা না থাকলেও হস্তান্তরটি বাতিলযোগ্য হবে না।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
----------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
- Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৭৯.
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ অনুযায়ী, কে টাউট গ্রেফতারের লিখিত আদেশ দিতে পারেন?
  1. সিভিল জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার 
  4. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮০চ(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন।
- অর্থাৎ, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা নিজেই লিখিত আদেশ দ্বারা টাউট গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারেন। এটি নিবন্ধন কার্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তাঁর বিশেষ ক্ষমতা।

⇒ নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-
(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 ----------------
The Registration Act, 1908, Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.

৮০.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারা লঙ্ঘন করে কোনো স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা হলে, সেই বিক্রয়ের ফলাফল কী হবে?
  1. বিক্রয়টি বাতিল হবে
  2. বিক্রয়টি স্থগিতাদেশ যোগ্য হবে
  3. বিক্রেতাকে জরিমানা করা হবে
  4. বিক্রয়টি বৈধ হবে, কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২-এর ধারা ৫৩গ স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, যদি বিক্রেতার নাম (বা উত্তরাধিকারসূত্রে মালিক হলে তাঁর পূর্বসূরির নাম) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর অধীনে প্রস্তুত সর্বশেষ খতিয়ানে উল্লেখ না থাকে, তবে সেই স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় বাতিল (Void) হবে।
অতএব, বিক্রয়টি আইনত অবৈধ এবং বাতিল বলে গণ্য হবে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩গ ধারার বিধান: খতিয়ান না থাকা কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না:
কোন ব্যক্তি কোন অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন না যদি না তার নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে সম্পত্তির মালিক হন, অথবা তার নাম বা তার পূর্বসূরির নাম, যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির মালিক হন, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীনে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ানে সেই সম্পত্তির সম্পর্কে উল্লেখিত থাকে, এবং অন্যথায় কৃত যেকোন বিক্রয় বাতিল হবে।
------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882, Section 53C. Immoveable Property without Khatian not to be sold:
No immoveable property shall be sold by a person unless his name, if he is the owner of the property otherwise than by inheritance, or his name or the name of his predecessor, if he is the owner of the property by inheritance, appears in respect of the property in the latest khatian prepared under the State Acquisition and Tenancy Act, 1950, and any sale made otherwise shall be void.

৮১.
'A' প্রতিশ্রুতি দিলো যে, সে 'B'-কে টাকা দেবে যদি কোনো জাহাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে ফিরে আসে। যদি ৬ মাসের মধ্যে জাহাজ না ফেরে, তাহলে-
  1. চুক্তি বাতিল হবে
  2. শর্তসাপেক্ষে বৈধ 
  3. চুক্তি কার্যকর থাকবে
  4. আদালত অনুমোদন দিলে কার্যকর হবে
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩৫ অনুসারে, কোনো শর্তসাপেক্ষ চুক্তি (Contingent Contract) যদি একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনো অনিশ্চিত ঘটনা ঘটার উপর নির্ভরশীল হয়, এবং সেই সময়ের মধ্যে ঘটনাটি না ঘটে, তবে চুক্তিটি বাতিল (Void) হয়ে যায়।
উদাহরণ:
'A' প্রতিশ্রুতি দিলো যে, সে 'B'-কে টাকা দেবে যদি কোনো জাহাজ আগামী ৬ মাসের মধ্যে ফিরে আসে। যদি ৬ মাসের মধ্যে জাহাজ না ফেরে, তাহলে চুক্তি বাতিল (Void) হবে।
-------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 35: When contracts become void which are contingent on happening of specified event within fixed time:
- Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event happens within a fixed time become void if, at the expiration of the time fixed, such event has not happened, or if, before the time fixed, such event becomes impossible.

- When contracts may be enforced which are contingent on specified event not happening within fixed time:
Contingent contracts to do or not to do anything if a specified uncertain event does not happen within a fixed time may be enforced by law when the time fixed has expired and such event has not happened or, before the time fixed has expired, if it becomes certain that such event will not happen. 

Illustrations:
(a) A promises to pay B a sum of money if a certain ship returns within a year. The contract may be enforced if the ship returns within the year, and becomes void if the ship is burnt within the year. 
(b) A promises to pay B a sum of money if a certain ship does not return within a year. The contract may be enforced if the ship does not return within the year, or is burnt within the year.

৮২.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কার নিকট?
  1. ভূমি আপীল বোর্ডের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নিকট 
  3. জেলা জজের নিকট
  4. সাব-ডিভিশনাল অফিসারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে জেলা জজের নিকট।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 85A- Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৮৩.
রেজিস্ট্রেশন অফিসে উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট সংরক্ষণের সর্বোচ্চ মেয়াদ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী কত বছর? 
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর 
ব্যাখ্যা

⇒ রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮৫ (Section 85) অনুযায়ী:
“Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.”
অর্থাৎ, উইল ব্যতীত অন্য যেকোনো দলিল যদি ২ বছরের বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রেশন অফিসে অনাদায়ী (unclaimed) অবস্থায় থাকে, তাহলে তা ধ্বংস (destroy) করা যেতে পারে।
তবে এর মানে এই নয় যে ২ বছর পরই সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংস করা হবে—এটা হলো সর্বনিম্ন সংরক্ষণকাল, এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলে তা নষ্ট করতে পারেন।

→ অতএব, ধারা ৮৫ অনুযায়ী, উইল ছাড়া অন্য ডকুমেন্ট ২ বছরের বেশি অদাবিকৃত থাকলে ধ্বংস করা যেতে পারে।

৮৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী কে হবেন?
  1. রায়ত
  2. মালিক
  3. জমিদার
  4. প্রজাস্বত্বধারী
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, আইন কার্যকর হওয়ার পর কোনো এলাকায় কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী হবে ‘মালিক’। এই মালিকদের অধিকার ও দায়িত্ব এই ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
-------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

৮৫.
চুক্তি আইনের কোন ধারায় “সাব-এজেন্ট” এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৯০
  2. ধারা ১৯১
  3. ধারা ১৯৩
  4. ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১৯১-এ "সাব-এজেন্ট" (Sub-agent)-এর সংজ্ঞা স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে। এই ধারা অনুসারে: একজন সাব-এজেন্ট হলেন এমন ব্যক্তি যিনি মূল এজেন্ট কর্তৃক এজেন্সির কাজে নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।

⇒ চুক্তি আইনের ১৯১ ধারা মতে "সাব-এজেন্ট "-এর সংজ্ঞা (Sub-agent defined) সাব-এজেন্ট হচ্ছে এমন কোন ব্যক্তি যিনি এজেন্সির কাজে- মূল এজেন্ট কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং তার নিয়ন্ত্রণে কাজ করেন।
----
⇒ The Contract Act, 1872: Section 191. "Sub-agent" defined:
 A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency.

৮৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্যের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২০
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৪
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১–এ নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নাগরিকদের জন্য—আইন মানা ও জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা, সরকারি কর্মচারীদের জন্য—সর্বদা জনগণের সেবা করা। তাই সঠিক উত্তর অনুচ্ছেদ ২১।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধান নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷ 
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷
----------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-21: Duties of citizens and of public servants:
(1) It is the duty of every citizen to observe the Constitution and the laws, to maintain discipline, to perform public duties and to protect public property. 
(2) Every person in the service of the Republic has a duty to strive at all times to serve the people.

৮৭.
সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী, নিচের কোন ব্যক্তিকে শপথগ্রহণ করানো বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানো সংক্রান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়নি?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা শুধুমাত্র স্পিকার, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান বিচারপতি—এই তিন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তিনি নিজে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেন, কিন্তু অন্য কাউকে শপথ গ্রহণ করানোর ক্ষমতা সংবিধানের তৃতীয় তফশিল অনুযায়ী তার নেই।

⇒ তৃতীয় তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষনাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠ করানোর ক্ষমতা ৩ জন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়ছে।
- যথা- স্পীকার , রাষ্ট্রপতি , প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পীকার কর্তৃক - রাষ্ট্রপতি, সংসদ-সদস্য;
⇒ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক - প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, প্রধান বিচারপতি; 
⇒ প্রধান বিচারপতি কর্তৃক - সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারক, সরকারী কর্মকমিশনের সদস্য, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার।

৮৮.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালন করার সময় কার অধীনে থাকবে?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীন
  2. সুপ্রীম কোর্টের অধীন
  3. সংবিধান ও আইনের অধীন
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।"
- অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং শুধুমাত্র সংবিধান ও আইনের প্রতি জবাবদিহি করবে। এটি কারও প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।
- সঠিক উত্তর: গ) সংবিধান ও আইনের অধীন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।
(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

৮৯.
Vis Major-এর সাথে সবচেয়ে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত আইনি নীতি কোনটি?
  1. Force Majeure
  2. Strict Liability
  3. Res Ipsa Loquitur
  4. Volenti Non Fit Injuria
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) Force Majeure.
⇒ "Vis Major" (Act of God) এবং "Force Majeure" দুটি আইনি ধারণা যা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনিয়ন্ত্রণযোগ্য ঘটনাবলির কারণে দায়মুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে:
১. Vis Major (Act of God): 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন: বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, বজ্রপাত ইত্যাদি।
- মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং অপ্রত্যাশিত ঘটনা।
- দায়মুক্তির শর্ত: ঘটনাটি অনিবার্য এবং যেকোনো রকম সতর্কতা অবলম্বন করলেও এড়ানো সম্ভব ছিল না।
২. Force Majeure:
- Vis Major-এর চেয়ে বিস্তৃত ধারণা।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ (Vis Major) + মানবসৃষ্ট দুর্যোগ যেমন: যুদ্ধ, দাঙ্গা, সরকারি নিষেধাজ্ঞা, শ্রমিক ধর্মঘট ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
- চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হয় (যেমন: "Force Majeure Clause")।
৩. সম্পর্ক: Vis Major, Force Majeure-এর একটি উপসেট। সব Act of God, Force Majeure-এর অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সব Force Majeure ঘটনা Act of God নয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
খ) Strict Liability: এটি একটি দায় নির্ধারণ সংক্রান্ত নীতি, যেখানে কোনো অবহেলা প্রমাণ ছাড়াই ক্ষতির জন্য দায়ী করা হয়। Vis Major কখনও কখনও এর একটি প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করতে পারে, কিন্তু নীতি দুটি মূলত ভিন্ন।
গ) Res Ipsa Loquitur: এটি একটি আইনি প্রমাণের নীতি ("ঘটনাই কথা বলে"), যা অবহেলা প্রমাণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Vis Major-এর সাথে সম্পর্কিত নয়।
ঘ) Volenti Non Fit Injuria: এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক নীতি ("স্বেচ্ছায় ঝুঁকি গ্রহণকারীর ক্ষতি হয় না"), যা সম্মতি ও ঝুঁকির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটিও Vis Major-এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা।

- অর্থাৎ Vis Major এবং Force Majeure উভয়ই অপ্রত্যাশিত বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা যুদ্ধের পরিস্থিতিকে বোঝায় যা কোনো পক্ষের জন্য চুক্তির শর্ত পূরণ করতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

৯০.
“Doctrine of Pleasure” নীতিটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪–এ বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী (during the pleasure of the President) পদে থাকবেন—এটিই Doctrine of Pleasure–এর সরাসরি প্রতিফলন।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

৯১.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে নির্বাচিত হওয়ার পর কতদিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হয়? 
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭(১)(ক) অনুযায়ী, কোনো সংসদ-সদস্য যদি তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ না করেন, তাহলে তার আসন শূন্য হয়ে যায় (যদি না স্পীকার যথার্থ কারণে সময় বাড়ান)।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৭- সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি
(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

৯২.
The General Clauses Act, 1897-এর কোন ধারায় Doctrine of Locus Poenitentiae-এর বিধান আছে?
  1. ধারা ৯ 
  2. ধারা ১৪
  3. ধারা ২১
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ধারা ২১-এ Doctrine of Locus Poenitentiae বা পেনিটেনশিয়ার স্থান আলোচিত হয়েছে, যার অর্থ হল, কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে উক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ থেকে সরে আসা বা বাতিল করা।

⇒The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
-যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
-------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

৯৩.
'একই আইনের মধ্যে পরস্পর অসংগতিপূর্ণ বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করার যাতে ঐ আইনের সবগুলো বিধান একসাথে কার্যকর করা যায়' এই নীতিকে কী বলা হয়? 
  1. Rule of Ejusdem Generis
  2. Rule of Literal Interpretation
  3. Rule of Strict Construction
  4. Rule of Harmonious Construction
ব্যাখ্যা

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত বিবৃতিটি "Rule of Harmonious Construction" বা "আইন ব্যাখ্যার সামঞ্জস্যমূলক নীতি"-এর মূল সংজ্ঞা।
- Rule of Harmonious Construction: এই নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো আইনের দুটি বা ততোধিক বিধান পরস্পরবিরোধী মনে হয়, তবে সেই বিধানগুলোকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যাতে সেগুলো পরস্পরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে এবং একই সাথে কার্যকর হতে পারে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের কোনো অংশকে বাতিল বা অকার্যকর না করে সম্পূর্ণ আইনটিকে একটি সুসংবদ্ধ পুরোটা হিসেবে প্রয়োগ করা।

ভারতীয় সুপ্রীমকোর্ট Rule of Harmonious Construction নীতির নিম্নরূপ ব্যাখ্যা দিয়েছেন:
(১) কোনো আইনে দুটি ধারার প্রয়োগে যদি দেখা যায়, ধারা দু'টি একে অন্যের সাথে বিরোধপূর্ণ; তাহলে ধারা দু'টি এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, যেন ধারা দুটিকে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রয়োগ করা যায়। অর্থাৎ, এমনভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে যেন উভয় ধারা কার্যকর হয়।
(২) একটি ধারার বিধানকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না, যাতে অন্য কোনো ধারার বিধান অকার্যকর বা সাংঘর্ষিক হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো:
ক) Rule of Ejusdem Generis: এই নীতি প্রয়োগ করা হয় যখন কিছু নির্দিষ্ট শব্দের পরে 'অন্যান্য' বা 'প্রভৃতি' জাতীয় সাধারণ শব্দ ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে সাধারণ শব্দটিকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট শব্দগুলোর মতো একই প্রকৃতির বা জাতীয় বস্তুকে বোঝাতে ব্যাখ্যা করা হয়।
খ) Rule of Literal Interpretation: এই নীতি অনুযায়ী, আইনের শব্দগুলোকে তাদের সাধারণ, সাধারণ ও ব্যাকরণগত অর্থে বুঝতে হবে। যদি শব্দের অর্থ পরিষ্কার থাকে, তবে আদালতকে সেই অর্থ অনুযায়ীই রায় দিতে হবে, ফলাফল যাই হোক না কেন।
গ) Rule of Strict Construction: এই নীতিতে আইনের বিধানকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। সাধারণত ফৌজদারি আইন, কর আইন বা কোনো ব্যক্তির অধিকার হরণকারী আইনের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।

৯৪.
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কোন পদে নিযুক্ত ব্যক্তির পরামর্শে সাধারণত তাঁর সকল দায়িত্ব পালন করেন? 
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনী প্রধান 
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ছাড়া রাষ্ট্রপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পালন করেন।
- অতএব, সঠিক উত্তর খ) প্রধানমন্ত্রী।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ এর বিধান রাষ্ট্রপতি:
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন। 
(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন। 
(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।

৯৫.
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে উল্লিখিত মূলনীতিগুলি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়—এই বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ–১৫
  2. অনুচ্ছেদ–২২ 
  3. অনুচ্ছেদ–৮
  4. অনুচ্ছেদ–১৮
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয় (“shall not be judicially enforceable”).
- তাই সঠিক অপশন হলো: অনুচ্ছেদ–৮।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮ এর বিধান: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে।
(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।
------------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh: Article-8. Fundamental principles
(1) The principles of nationalism, socialism, democracy and secularism, together with the principles derived from those as set out in this Part, shall constitute the fundamental principles of state policy.
(2) The principles set out in this Part shall be fundamental to the governance of Bangladesh, shall be applied by the State in the making of laws, shall be a guide to the interpretation of the Constitution and of the other laws of Bangladesh, and shall form the basis of the work of the State and of its citizens, but shall not be judicially enforceable.