পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৪ বিষয়: ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ---------------- টপিক: i) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ ii) ভৌগোলিক বিষয়সমূহ (জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নদ-নদী, খাল, চ্যানেল, হাওড় ইত্যাদির উৎপত্তি ও অবস্থান), iii) আন্তর্জাতিক সীমানা, সাগর-মহাসাগর, দ্বীপ, বিশ্বের বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম ইত্যাদি। iv) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া, জলবায়ু, জোয়ার-ভাটা, আধুনিক ভূগোল সংক্রান্ত বিষয়াবলি। [নম্বর কাভার - ৭]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ -
  1. মাউন্ট এলব্রুস
  2. মাউন্ট এটনা
  3. মাউন্ট ম্যাককিনলি
  4. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এলব্রুস
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপের ক্ষুদ্রতম দেশ হল ভ্যাটিকান সিটি।
- যদিও রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে বিস্তৃত, তবে এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত বলে ধরা হয়।
- ইউরোপের দীর্ঘতম নদী ভলগা, এর দৈর্ঘ্য ৩,৬৮৭ কিলোমিটার, এবং এর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস।

এছাড়াও,
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট,
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কিলিমাঞ্জারো,
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট ডেনালি এবং
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ অ্যাকাঙ্কাগুয়া। 
- মাউন্ট এটনা – এটি ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত ইউরোপের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি।

উৎস: WorldAtlas.
.
পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
  2. দ্য ব্রিটিশ লাইব্রেরি
  3. প্যারিস ন্যাশনাল লাইব্রেরি
  4. নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি
সঠিক উত্তর:
লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি অব কংগ্রেস।

বৃহত্তম লাইব্রেরি:
- লাইব্রেরি অব কংগ্রেস যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি. শহরে অবস্থিত এবং এটি ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় লাইব্রেরি হিসেবে পরিচিত এবং পৃথিবীর বৃহত্তম লাইব্রেরি।

এছাড়াও,
- ব্রিটিশ লাইব্রেরি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম লাইব্রেরি, এটি গ্রেট বৃটেনের জাতীয় লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করে।
- ব্রিটিশ লাইব্রেরি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাগারও।

সূত্র - Britannica.
.
পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল হচ্ছে -
  1. সুয়েজ খাল
  2. পানামা খাল
  3. গ্রান্ড খাল
  4. ম্যানচেস্টার খাল
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রান্ড খাল
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল গ্রান্ড খাল। 

গ্রান্ড খাল:

- গ্রান্ড খাল পৃথিবীর বৃহত্তম কৃত্রিম খাল হিসেবে পরিচিত।
- এটি চীনের বেইজিং এবং হ্যাংচ্যাং এর মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮০০ কিলোমিটার।
- গ্রান্ড খালকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এই খালটি প্রথমে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছিল, তবে ৬০৭ সালে এটি পুনঃউদ্বোধন করা হয়।

এছাড়াও, 
পানামা খাল:
- পানামা খাল (Panama Canal) পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃত্রিম জলপথ।
- খালটি উত্তর আমেরিকাকে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- খালটি তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।

উৎস: Britannica ও প্রত্রিকা নিউজ। 

.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে এটি আবিষ্কৃত হয় এবং
- ১৯৮৭ সালে এখান থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, 
- প্রাথমিক জরিপের হিসাব অনুযায়ী, হরিপুর তেলক্ষেত্রে অন্তত ১ কোটি (বা ১০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ তেলক্ষেত্রে যে মজুত, তার মাত্র ৫ শতাংশ তেল উত্তোলন করা হয়। মাটির নিচে রয়ে যায় বাকি প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল।

সূত্র: প্রথম আল [লিঙ্ক]। 

.
জোয়ার-ভাটায় মরা কটাল (Neap Tide) কখন হয়?
  1. অষ্টমীতে
  2. দশমী
  3. পঞ্চমীতে
  4. অমাবস্যায়
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা

মরা কটাল (Neap Tide):
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে না।
- এ সময় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- এই সময় তারা পৃথিবীকে আড়াআড়ি আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বেগ কম হয়।
- এ সময় চন্দ্রের আকর্ষণে চন্দ্র ও তার বিপরীত দিকে জোয়ার হয়।
- কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্য হতে বেশি বলে সূর্য ও তার বিপরীত দিকে ভাঁটা হয়।
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে জোয়ারের তীব্রতা সবচেয়ে কম থাকায় এইরূপ জোয়ারকে বলা হয় মরা কটাল। 

এছাড়াও,
- চন্দ্রের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে মুখ্য ও গৌণ জোয়ার হয়। অন্যদিকে পানির উচ্চতার উপর ভিত্তি করে সংঘটিত হয় মরা কটাল এবং ভরা কটাল। মুখ্য জোয়ারকে বলা হয় প্রত্যক্ষ জোয়ার এবং চন্দ্রের বিপরীতে সৃষ্ট জোয়ারকে বলা হয় গৌণ জোয়ার। পূণির্মা ও অমাবস্যায় চন্দ্রের আকর্ষণের ভরা কটাল সংঘটিত হয়। আবার সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংঘটিত হয়। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. মোনাকো
  2. সান মারিনো
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. নাউরু
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ হল ভ্যাটিকান সিটি।

ভ্যাটিকান সিটি: 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র, 
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সরকারের সঙ্গে লাতেরান চুক্তির আওতায় এই পোপীয় রাষ্ট্রের সৃষ্টি।
- ভ্যাটিকান সিটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের অন্যতম তীর্থস্থান।
- এই দেশ ২০০৪ সাল থেকে ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে গ্রহণ করেছে আর এর অফিশিয়াল ভাষা হচ্ছে লাতিন।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা?
  1. চীন ও নেপাল
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও চীন
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীনের তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে কূটনৈতিক সীমারেখা,
- এটা ১৯১৪ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথক করেছে ম্যাকনামারা লাইন।
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করেছে সিগফ্রেড লাইন।
- জার্মানি ও পোল্যান্ডকে পৃথক করেছে হিনডেন বার্গ লাইন।
- ভারত ও চীন এর মধ্যবর্তী লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে ৩৮তম প্যারালাল লাইন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

.
নিচের কোনটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. অগ্নিকান্ড
  3. বন্যা
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ:
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।
যেমন:
ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
হোয়াংহো নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ব্ল্যাক ফরেস্ট
  2. কুয়েনলুন পর্বত
  3. আন্দিজ পর্বত
  4. কারাকোরাম পর্বত
সঠিক উত্তর:
কুয়েনলুন পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েনলুন পর্বত
ব্যাখ্যা

- চীনের কুয়েনলুন পর্বত থেকে হোয়াংহো নদীর উৎপত্তি হয়েছে, এটি চীনের অন্যতম প্রধান নদী। 

বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল:
- যুক্তরাষ্ট্রের মিনোসোটার হ্রদ থেকে মিসিসিপি নদীর উৎপত্তি হয় এবং এটি উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদীগুলোর মধ্যে একটি।
- ইউরোপের দানিয়ুব নদী ব্ল্যাক ফরেস্ট থেকে উৎপন্ন হয়ে মহাদেশজুড়ে বিস্তৃত।
- অস্ট্রেলিয়ার মারে ডার্লিং নদী কোমিয়াস্কে অঞ্চল থেকে প্রবাহিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষিভিত্তিক অঞ্চল গঠন করেছে।
- ভারত ও বাংলাদেশে প্রবাহিত তিস্তা নদীর উৎপত্তি সিকিমের পর্বত অঞ্চলে। 
- দক্ষিণ আমেরিকার বিখ্যাত আমাজান নদীর উৎস আন্দিজ পর্বতমালায়।

সূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Britannica.

১০.
নিচের কোন সীমারেখা ফ্রান্স-জার্মান সীমান্ত বরাবর স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. ম্যাজিনো লাইন
  2. ওডার-নিস লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. সনোরা লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ম্যাজিনো লাইন হলো ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা,
- এটা ফ্রান্স-জার্মানি সীমান্ত বরাবর স্থাপন করা হয়েছিল।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত এই দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষা লাইনটি ১৯৩০-এর দশকে নির্মাণ শুরু করে এবং
- ১৯৩৮ সালে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।  

এছাড়াও,
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: 
- ওডার-নিস লাইন জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সনোরা লাইন যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১১.
কাকে আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. আরিস্টটল
  4. জেমস গ্রেগরি
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট
ব্যাখ্যা
হুমবোল্ট ও রিটারের ধারণা: 
- আধুনিক ভূগোলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আলেকজান্ডার ভন হামবোল্ট এবং কার্ল রিটার—এই দুইজনকে বিবেচনা করা হয়।
- হুমবোল্ট তাঁর গ্রন্থ The Cosmos-এ প্রাকৃতিক বিশ্বের একত্ব ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করেছেন, যা ভূগোলকে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিয়েছে।
- রিটার ভূগোলের মানবিক দিক বিশ্লেষণ করে আঞ্চলিক ভূগোলের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে এই দুই জার্মান মনীষীকে আধুনিক ভূগোলের পথপ্রদর্শক বলা হয়।
 
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোনটি "Biological Disaster" এর উদাহরণ?
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. সুনামি
  4. ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেঙ্গু
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ: 
- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে দুর্যোগঝুঁকির পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা- প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ, মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ এবং জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির (Biological Disaster) পরিবেশ।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত ।
- এছাড়াও বাংলাদেশে মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশের মধ্যে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে প্রায় চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পের দুঘর্টনা উল্লেখযোগ্য।
- "Biological Disaster" এর উদাহরণ হলো ডেঙ্গু।
- এর মধ্যে অন্যান্য উদাহরণ হিসেবে ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাস, ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মাধ্যমে পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
 
সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন মহাদেশে মিসিসিপি নদী অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে
  2. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
  3. এশিয়া মহাদেশে
  4. আফ্রিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী,
- এর দৈর্ঘ্য ৬,২৭০ কিলোমিটার।
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ এবং এর প্রশস্ততম অংশ হলো বেনা।

উল্লেখ্য, 
- বিশ্বের অন্যান্য দীর্ঘতম নদীর মধ্যে নীল নদ ৬,৬৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য নিয়ে আফ্রিকায় অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬,৪০০ কিলোমিটার, এটি বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী হিসেবে পরিচিত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদীর দৈর্ঘ্য ৪,৭০০ কিলোমিটার। 

সূত্র:- Worldatlas.com

১৪.
পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর: 
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর হল প্রশান্ত মহাসাগর,
- এর গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- এর পরেই অবস্থান আটলান্টিক মহাসাগরের, এটি আকারে দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং এর গভীরতম স্থান ন্যায়ার্স বা পুয়ের্তোরিকো ট্রেঞ্চ।

এছাড়াও,
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম স্থান হল সুন্দা ট্রেঞ্চ। 
- ভূমধ্যসাগরের মধ্যে সবচেয়ে গভীর স্থান মাতাপ্যান এবং
- উত্তর মহাসাগরের গভীরতম স্থান ইউরেশিয়ান বেসিন। 

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৫.
বাংলাদেশে কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়? 
  1. পশ্চিম-উত্তরাঞ্চলে
  2. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে
  3. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে
ব্যাখ্যা
আকস্মিক বন্যা (Flash Flood):
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যার সৃষ্টি হয়,
- এটাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
--------------------- 
বন্যা:

- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- সাধারণত বন্যা চার প্রকারের হয়ে থাকে।
- যথা:
১. মৌসুমী বন্যা,
২. আকস্মিক বন্যা,
৩. উপকূলীয় বন্যা,
৪. নগর বন্যা। 

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।