পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৫
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৫০তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৫ প্রশ্ন

.
নিচের কোন জেলা হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. কুমিল্লা
  2. ঢাকা
  3. নোয়াখালী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ১৪.২৩%
  2. ১৭.৩৭%
  3. ২০.৮৫%
  4. ২৩.৭১%
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

⇒ উল্লেখ্য:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

.
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সমতা
  2. সততা
  3. অসাম্প্রদায়িকতা
  4. দলীয় সমর্থন 
সঠিক উত্তর:
দলীয় সমর্থন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলীয় সমর্থন 
ব্যাখ্যা

⇒ সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পরিচালনার মূলনীতির মধ্যে দলীয় সমর্থন অন্তর্ভুক্ত নয়।

সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৭
  2. অনুচ্ছেদ ৯৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
  1. ডালহৌসি
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. রর্বাট ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ত্রিপুরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. বিজু
  3. বৈসু
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

.
প্রথম কোন জেলায় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচী চালু করা হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. রংপুর
  4. লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও-১
  2. বান্দরবান-১
  3. পঞ্চগড়-১
  4. কক্সবাজার-১
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়-১
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা: ৩৫০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন: ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন সংখ্যা: ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যেক জেলায় একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 

- জাতীয় সংসদের ১ নং আসন: পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০.
বর্তমানে দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে?
  1. সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ
  2. মনন রেজা নীড়
  3. মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান
  4. আবু সুফিয়ান শাকিল
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- বাংলাদেশ দাবা দল দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নেয় ১৯৮৪ সালে৷
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন ।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয় ৷
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।
- আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন

উল্লেখ্য:
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- মনন রেজা নীড়কে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা৷

১১.
'দিওয়ান-ই-আম' কোন মুঘল সম্রাটের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. আকবর
  2. হুমায়ুন
  3. বাবর
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৩.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

⇒ কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত। যথা:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখার ঘোষণা রয়েছে?
  1. ২য় ভাগে
  2. ৩য় ভাগে
  3. ৪র্থ ভাগে
  4. ৫ম ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ ভাগে
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য় - মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য় - শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ - সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম - গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন ছিলেন কে? 
  1. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. নুরুল আমিন
  4. ইসমাইল ইব্রাহিম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিরোজ খান নুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ছাত্ররা মিছিল করে।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

⇒ উল্লেখ্য:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

১৭.
রাস (Rasa) নৃত্য কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য?
  1. লুসাই
  2. মণিপুরী
  3. মারমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৮.
নিচের কোন দেশটি ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১৯.
ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

⇒ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

⇒ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

⇒ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

২০.
২০২৫ সালে 'প্রতিবাদী তারুণ্য' ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আবু সাইদ
  2. মীর মুগ্ধ
  3. আবরার ফাহাদ
  4. ওসমান হাদী
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

২১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কোন ব্রিগেড ফোর্স?
  1. কে ফোর্স
  2. এস ফোর্স
  3. জেড ফোর্স
  4. এল ফোর্স
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত?
  1. ৪,০০,০০০ টাকা 
  2. ৪,৫০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪,৭৫,০০০ টাকা। 

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩,৭৫,০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

২৩.
বিরোধী দলের কাজ নয় নিচের কোনটি?
  1. গণতন্ত্র রক্ষা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা
  3. প্রার্থী মনোনয়ন
  4. সরকার গঠন
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
ব্যাখ্যা

⇒ সরকার গঠন বিরোধী দলের কাজ নয়।

বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

⇒ বিরোধী দলের কাজ:
• সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা।
• জনগণের অধিকার বাস্তবায়ন।
• গণতন্ত্র রক্ষা।
• প্রার্থী মনোনয়ন।
• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ।
• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

২৫.
ওয়াটারলু যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

২৬.
বিশ্ব আবহাওয়া দিবস প্রতি বছর কবে পালিত হয়?
  1. ২২ এপ্রিল
  2. ২৩ মার্চ
  3. ১৬ সেপ্টেম্বর
  4. ৫ জুন
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব আবহাওয়া দিবস প্রতি বছর ২৩ মার্চপালিত হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ WMO কনভেনশন কার্যকর হওয়ার স্মরণে এই দিনটি পালিত হয়।

WMO:

- WMO-এর পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২৩ মার্চ, ১৯৫০।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৭ মার্চ, ১৯৫১।
- এর বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো (আর্জেন্টিনা)।
- বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।
- ১৮৭৩ সালে International Meteorological Organization (IMO) গঠিত হয়। এই সংস্থার উত্তরসূরী হিসাবে WMO গঠিত হয়।

উৎস: WMO ওয়েবসাইট।

২৭.
নিচের কোনটির সাথে UNEP-এর সাথে সম্পর্কিত রয়েছে?
  1. Human Development Report
  2. World Economic Outlook
  3. Global Environment Outlook 
  4. Global Financial Stability Report
সঠিক উত্তর:
Global Environment Outlook 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Environment Outlook 
ব্যাখ্যা

- UNEP দ্বারা প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন : Global Environment Outlook (GEO)
-  UNEP-এর প্রধান ফ্ল্যাগশিপ রিপোর্ট যা বিশ্বের পরিবেশের সামগ্রিক অবস্থা তুলে ধরে।

UNEP:

- পূর্ণরূপ- United Nations Environment programme.
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP).
- প্রতিষ্ঠিত হয়:- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- UNEP সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। 
- UNEP এর প্রতিষ্ঠার দিন ৫ জুনকে "বিশ্ব পরিবেশ দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।

এছাড়াও,
- ২০০৪ সালে থেকে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার দেয়া হয়।
- ২০১৫ সালে বাংলাদেশ 'পলিসি লিডারশিপ' ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ' পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- Human Development Report:  UNDP এর প্রকাশিত। 
- World Economic Outlook: IMF (International Monetary Fund)-এর বার্ষিক রিপোর্ট।
- Global Financial Stability Report: IMF-এর আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং সেক্টরের ঝুঁকি, মূল্যায়ন সংকট ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়।

উৎস: UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৮.
নাগোয়া প্রটোকল (Nagoya Protocol) প্রধানত কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  2. ওজোন স্তর রক্ষা
  3. গ্রিনহাউস গ্যাস নিয়ন্ত্রণ
  4. জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

- নাগোয়া প্রটোকল (Nagoya Protocol) প্রধানত জৈব বৈচিত্র্য ও জেনেটিক সম্পদের সুবিধা বন্টন সাথে সম্পর্কিত।

নাগোয়া প্রটোকল:

- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি।
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।

• এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্‌ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে
জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

২৯.
২০২৫ সালে G-7 সম্মেলন কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে G-7 সম্মেলন কানাডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

• ২০২৫ সালের G-7 সামিট:

- সময়: ১৫ থেকে ১৭ জুন, ২০২৫।
- স্থান: কানাডার আলবার্টা প্রদেশের কানানাস্কিস।
- সভাপতি দেশ: কানাডা।
- এটি G7-এর ৫১তম শীর্ষ সম্মেলন।

G-7:
- ১৯৭৩ সালে G7 গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়।
- ১৯৭৫ সালে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্প দেশগুলির সরকার প্রধান এবং মন্ত্রীদের একত্রিত করে একটি অনানুষ্ঠানিক ফোরাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এর কোন সদরদপ্তর নেই।
- G7 সদস্য হল ৭টি দেশ,
- কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য।

- ২০২৬ সালে G-7 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ফ্রান্সে।

উৎস: G-7  ওয়েবসাইট।

৩০.
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল (Rotary International) মূলত কী ধরনের সংগঠন?
  1. পরিবেশবাদী সংস্থা
  2. আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন
  3. আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
  4. বর্ণিত কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
ব্যাখ্যা

- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

Rotary International:

- বিশ্বব্যাপী মানবসেবায় এক অগ্রগামী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠার সাল: ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯০৫।
- প্রতিষ্ঠাতা: Paul P. Harris.
- প্রথম ক্লাব: Rotary Club of Chicago, Illinois, USA.
- প্রধান কার্যালয় Evanston, Illinois, United States.
- প্রধান ভাষা: ইংরেজি (কিন্তু বিভিন্ন দেশে স্থানীয় ভাষায় কার্যক্রম পরিচালিত হয়)।
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- পেশাগত ও সমাজসেবামূলক কাজে নেতাদের একত্র করা।
- Service Above Self (নিজ স্বার্থের ঊর্ধ্বে সেবা)।
- আন্তর্জাতিক সেবা, মানবিক সহায়তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শান্তি ও নৈতিকতা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩১.
ভেনেজুয়েলা ও গায়ানার মধ্যে কোন অঞ্চলটি নিয়ে বিরোধ রয়েছে? 
  1. পাতাগোনিয়া
  2. চাকো অঞ্চল
  3. এসেকুইবো
  4. লাইলা দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
এসেকুইবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসেকুইবো
ব্যাখ্যা

- এসেকুইবো অঞ্চল গায়ানার প্রায় ১৬০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা,
- যা তেল এবং অন্যান্য খনিজ সমৃদ্ধ।
- ভেনেজুয়েলা এটিকে ঐতিহাসিকভাবে তাদের অংশ বলে দাবি করে,
- এবং ২০২৩-২০২৪ সালে এই বিরোধ তীব্রতর হয়েছে—ভেনেজুয়েলা একটি রেফারেন্ডামের মাধ্যমে দাবি জোরদার করেছে,
- যার ফলে সামরিক উত্তেজনা এবং সীমান্তে টেনশন সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) এটি নিয়ে শুনানি চালাচ্ছে।

বিখ্যাত কয়েকটি  বিরোধপূর্ণ দ্বীপ
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ ও শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়া কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ দখল করে নেয়।
- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- সিনাই উপদ্বীপ একটি মরুভূমি অঞ্চল। ১৯৫৬ সালে ইসরাইল দখল করেছিল।
- পেরেজিল বা লাইলা দ্বীপ নিয়ে বিরোধ রয়েছে স্পেন ও মরক্কোর মধ্যে।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩২.
টিউলিপ বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. জর্জিয়ায়
  2. ফ্রান্সে
  3. ইউক্রেনে
  4. কিরগিজস্থানে
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিরগিজস্থানে
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- সাংস্কৃতিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় চীনে ১৯৬৬- ১৯৭৬ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- নীল বিপ্লব: সংঘটিত হয় মিসরে ২০১১ সালে।
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

উৎস: Britannica.

৩৩.
IPCC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০
  2. ১৯৮৮
  3. ১৯৮৫
  4. ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮
ব্যাখ্যা

- IPCC ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

IPCC: 

- এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকারি প্যানেল।
- প্রতিষ্ঠিত: ১৯৮৮ সালে।
- ২০০৭ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
- IPCC ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন ভাইস-প্রেসিডেন্ট আল গোর একত্রে নোবেল পায়।
- পুরস্কারের কারন: "মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে অধিকতর জ্ঞান গড়ে তোলা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস, এবং এই পরিবর্তনের প্রতিকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ভিত্তি স্থাপনের জন্য।"
- প্রতিষ্ঠান: জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ও বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) I
- সমর্থন দেয়: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ৬ ডিসেম্বর ১৯৮৮-এর রেজোলিউশন।
প্রাথমিক দায়িত্ব ছিল:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান।
- এর সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব।
- ভবিষ্যতের কোনো আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তির উপাদান সম্পর্কে।

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।

৩৪.
ওয়ারশ প্যাক্ট মূলত কোন জোটের বিপরীত ব্যবস্থা হিসেবে গঠিত হয়েছিল?
  1. ANZUS
  2. CENTO
  3. SEATO
  4. NATO
সঠিক উত্তর:
NATO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NATO
ব্যাখ্যা

- সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তার মিত্র দেশগুলো উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটোর মোকাবিলায় ওয়ারশ প্যাক্ট  গঠন করে।

ওয়ারশ প্যাক্ট:

- ওয়ারশ প্যাক্ট এর পুরো নাম Warsaw Pact Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে গঠিত হয়। -
- ওয়ারশ চুক্তি সংক্ষেপে ওয়ারশ প্যাক্ট হিসেবে পরিচিত।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পাশাপাশি জোটে পূর্ব জার্মানি, পোল্যান্ড, চেকোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া এবং আলবেনিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- মূল লক্ষ্য ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা গড়ে তোলা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের সঙ্গে সঙ্গে এই জোট ভেঙে যায়।

উৎস: Britannica.com.

৩৫.
’মুকালা সমুদ্র বন্দর’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরান
  3. কাজাখস্তান
  4. ইয়েমেন
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

- মুকালা সমুদ্র বন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত

মুকালা সমুদ্র বন্দর:

- মুকালা সমুদ্র বন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- এটি আরব সাগরের তীরে হাদরামাউত গভর্নরেটের একটি প্রধান বন্দর ও রাজধানী শহর।
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩৬.
নিচের কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর?
  1. ব্রিটিশ মিউজিয়াম
  2. গ্র্যান্ড ইজিপ্টিয়ান মিউজিয়াম
  3. অ্যাক্রোপলিস মিউজিয়াম
  4. লুভর মিউজিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ্র্যান্ড ইজিপ্টিয়ান মিউজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্র্যান্ড ইজিপ্টিয়ান মিউজিয়াম
ব্যাখ্যা

- বিশ্বের বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর 'দ্য গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়াম'।
- এটি মিশরে অবস্থিত।

• দ্য গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়াম:

- গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়াম (জিইএম) মিশরের গিজায় খুফুর পিরামিডের পাশে অবস্থিত।
- নতুন তৈরি হওয়া জাদুঘর প্রায় ৫ লাখ বর্গমিটারের, যা ৭০টি ফুটবল মাঠের সমান।
- এখানে এক লাখেরও বেশি প্রত্নসামগ্রী রাখা হয়েছে।
- এটিকে বিশ্বের বৃহত্তম প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর বলা হচ্ছে।
- ২০০৫ সাল থেকে দুই দশক ধরে চলেছে এর নির্মাণকাজ।
- প্রায় বারশ কোটি ডলার (১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার) ব্যয়ে তৈরি করা এই জাদুঘর বছরে অন্তত আশি লাখ দর্শনার্থী দেখতে পারবেন।

অন্যদিকে,
- ব্রিটিশ মিউজিয়াম (যুক্তরাজ্য) এটি বিশ্বের প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে সমৃদ্ধ জাদুঘরগুলোর ।
- লুভর মিউজিয়াম (ফ্রান্স): এটি মূলত একটি শিল্পকলা জাদুঘর হলেও এর প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহ বিশ্ববিখ্যাত।
- অ্যাক্রোপলিস মিউজিয়াম (গ্রিস): প্রাচীন গ্রিসের শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো রয়েছে।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।

৩৭.
’জিউস টেলিগ্রাফ এজেন্সি (JTA)’ কোন দেশের সংবাদ সংস্থা? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. ইসরায়েল
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

- ইসরাইলের সংবাদ সংস্থার নাম:  জিউস টেলিগ্রাফ এজেন্সি (JTA)।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্র: এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN, JTAI
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা কানাডিয়া পেস সিপি।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩৮.
এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের (পুরুষ) ১৭তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কোন দল?
  1. বাংলাদেশ
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

- এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের (পুরুষ) ১৭তম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত।
- চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত।
- রানার্স আপ: পাকিস্তান।

১৭তম এশিয়া কাপ, ২০২৫:

- সময়: ৯-১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- মূল আয়োজক: ভারত।
- ভেন্যু: সংযুক্ত আরব আমিরাত (আবুধাবি ও দুবাই)। [ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা হয়েছে।]
- সংস্করণ: টি-টোয়েন্টি।
- টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দল: ৮টি দল; ভারত, ওমান, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, হংকং, শ্রীলঙ্কা।
• চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত।
- রানার্স আপ: পাকিস্তান।
- ম্যান অব দ্য ফাইনাল: তিলক বার্মা (ভারত)।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: অভিষেক শার্মা (ভারত)।

উৎস: ক্রিকইনফো ওয়েবসাইট।

৩৯.
'E-8' কোন ধরনের সংগঠন? 
  1. আটটি বাণিজ্যিক অঞ্চল
  2. আটটি দেশের পরিবেশ দূষণকারী জোট
  3. আটটি বিপন্ন প্রজাতি 
  4. আটটি স্বল্পোন্নত দেশ
সঠিক উত্তর:
আটটি দেশের পরিবেশ দূষণকারী জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটটি দেশের পরিবেশ দূষণকারী জোট
ব্যাখ্যা

- পরিবেশের ক্ষেত্রে 'E-8' দ্বারা পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশের জোটকে বোঝানো হয়।

E-8' বা 'Eco-8': 

- পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশকে একত্রে বলা হয় ই-৮।
- ই-৮ ভুক্ত দেশ সমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন জারি করে।
- বিশ্বব্যাপী পরিবেশ রক্ষা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ই-৮ অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশের মূল লক্ষ্য।
- এই দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কার্বন ও গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী।
- ই-৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, রাশিয়া, চীন, ভারত, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা।

উৎস: Britannica. Brookings.

৪০.
সম্প্রতি, কোন দেশে বিমান দুর্ঘটনায় লিবিয়ার সেনাপ্রধান নিহত হন? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. কানাডা
  2. লেবানান
  3. তুরস্ক
  4.  লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, তুরস্কে বিমান দুর্ঘটনায় লিবিয়ার সেনাপ্রধান নিহত হন।

বিমান দুর্ঘটনায় নিহত সেনাপ্রধান:

- লিবিয়ার সেনাপ্রধান মুহাম্মদ আলী আহমেদ আল-হাদ্দাদ নিহত হন।
- সময়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারার কাছে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত হয়েছেন।
- এসেনবোগা বিমানবন্দর থেকে ত্রিপোলির উদ্দেশে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বহনকারী প্রাইভেট জেটটি বিধ্বস্ত হয়।
- এই দুর্ঘটনায় সেনাপ্রধানসহ আরও চারজন উচ্চপদস্থ লিবীয় সামরিক কর্মকর্তা ও তিনজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার হিসেবে পরিচিত আল-হাদ্দাদ ২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফিবিরোধী বিদ্রোহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ২০২০ সালের আগস্ট থেকে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।

৪১.
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ কোনটি?
  1. আইসল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

- সুইডেন উত্তর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে বৃহত্তম এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে আয়তনে সবচেয়ে বড়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:

- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
• তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য ব হয়।
- নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ ফিনল্যান্ড আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
- অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।
• নর্ডিক অঞ্চলভুক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

উৎস: Worldatlas.com.

৪২.
ন্যাটোর ইতিহাসে ‘আউট অফ এরিয়া’ (Out-of-Area) প্রথম বড় সামরিক অভিযান কোনটি ছিল?
  1. অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম 
  2. লিবিয়া হস্তক্ষেপ
  3. অপারেশন এন্ডুরিং ফ্রিডম
  4. অপারেশন ডেলিবারেট ফোর্স
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেলিবারেট ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন ডেলিবারেট ফোর্স
ব্যাখ্যা

- ন্যাটোর ইতিহাসে ‘আউট অফ এরিয়া’ (Out-of-Area) প্রথম বড় সামরিক অভিযান অপারেশন ডেলিবারেট ফোর্স।
- এটি ১৯৯৫ সালের ৩০ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় (বালকান অঞ্চল) পরিচালিত হয়,
- যা ন্যাটোর প্রথম বড় আকারের বিমান হামলা অভিযান (air campaign) হিসেবে পরিচিত।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সার্ব জাতিসংঘের নিরাপদ এলাকা রক্ষা করা এবং রিপাবলিকা সার্পস্কা সেনাবাহিনীর সামরিক ক্ষমতা দুর্বল করা, যা ডেটন শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করে।

ন্যাটো:

- ন্যাটো (NATO) এর পূর্ণরূপ- North Atlantic Treaty Organization.
- এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে উত্তর আটলান্টিক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে গঠিত হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্ভাব্য আগ্রাসন থেকে পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য দেশ ৩২টি।
- ন্যাটোর প্রধান কাজ হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো।
- ন্যাটো সংস্থার মূল ভিত্তি উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির আর্টিকেল ৫-এ প্রকাশিত হয়েছে।
- যা প্রতিটি সদস্য দেশের প্রতি সম্মিলিত প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করে।
- কোল্ড ওয়ারের পরে ন্যাটো "cooperative-security" সংস্থা হিসেবে পুনর্গঠিত করা হয়েছে যা সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করে।

উৎস: Britannica.

৪৩.
WTO-এর পূর্বসূরি সংস্থার নাম কী ছিল?
  1. IMF
  2. GATT
  3. UNCTAD
  4. ECOSOC
সঠিক উত্তর:
GATT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GATT
ব্যাখ্যা

- WTO-এর পূর্বসূরী হলো General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- পূর্ণরূপ: World Trade Organization (WTO) বা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা।
- WTO-এর পূর্বসূরী হলো General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- ১৯৪৭ সালে GATT প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৮ সালে কার্যকর হয়।
- WTO-তে রূপান্তর: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে GATT-এর বিকল্প হিসেবে WTO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর ছয়টি প্রধান লক্ষ্য হলো:
- বাণিজ্য বিরোধ সমাধান করা।
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা।
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য প্রধান আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করা।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।

৪৪.
WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (SEARO) সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
  2. কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
  3. ঢাকা, বাংলাদেশ
  4. নয়াদিল্লি, ভারত
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি, ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়াদিল্লি, ভারত
ব্যাখ্যা

- WHO-এর দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক সদর দপ্তর ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত।
​​​ -
এটি ডব্লিউএইচও-র ছয়টি আঞ্চলিক অফিসের একটি,
- যা ১১টি সদস্য দেশের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO):

- এর পূর্ণরূপ: World Health Organization.
- গঠিত হয়: ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল।
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ডের, জেনেভায়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- WHO-এর প্রধান উদ্দেশ্য: সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সকল মানুষের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Dr Tedros Adhanom Ghebreyesus.
- মহাপরিচালকের মেয়াদ: ৫ বছর।
- ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।

৪৫.
OPCW কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

• OPCW:

- এর পূর্ণরূপ: Organization for the Prohibition of Chemical Weapons:
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- সমর্থনকারী দেশ – ১৯৩ টি। -
- সদর দপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ড।
- স্বাক্ষর করেনি – দক্ষিণ সুদান, মিশর ও উত্তর কোরিয়া। -
- ইসরাইল স্বাক্ষর করলেও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি।
- বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৭ চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
লক্ষ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ।
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: OPCW ওয়েবসাইট।

৪৬.
’বায়রাক্তার কিজিলেলমা’ (Bayraktar Kızılelma) কোন দেশের মানববিহীন যুদ্ধবিমান? 
  1. ইরান
  2. রাশিয়া
  3. তুরস্ক
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা

- ’বায়রাক্তার কিজিলেলমা’ (Bayraktar Kızılelma) তুরস্কের মানববিহীন যুদ্ধবিমান।

• বায়রাক্তার কিজিলেলমা:

- তুরস্কের প্রথম মানববিহীন যুদ্ধবিমান বায়রাক্তার কিজিলেলমা।
- জেটচালিত 'বায়রাক্তার কিজিলেলমা' মানববিহীন যুদ্ধ বিমান বিশ্বে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লোজ ফরমেশন ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
- এটি তুরস্কের Baykar Technologies কোম্পানি তৈরি করছে।
- এটি জেট চালিত, স্টেলথ ডিজাইনের এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়তে, অবতরণ করতে এবং লক্ষ্য আক্রমণ করতে সক্ষম।
বিমানটিতে আধুনিক রাডার, সেন্সর এবং স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য নির্ধারণের ব্যবস্থা রয়েছে।
- উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পরিচালনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ফ্লাইট সম্পন্ন হয়।
- উত্তর-পশ্চিম তুরস্কের চোরলুতে অবস্থিত আকিনজি ফ্লাইট ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্ট সেন্টারে এই ঐতিহাসিক ফ্লাইটের পরীক্ষা চালানো হয়।

উৎস: বিবিসি নিউজ।

৪৭.
আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা ও ব্রিটিশ শাসনের অবসানের জন্য লড়াই করা গেরিলা সংগঠনের নাম কী?
  1. আইআরএ 
  2. রেড ব্রিগেড
  3. আইটিএ
  4. আইসিএ
সঠিক উত্তর:
আইআরএ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইআরএ 
ব্যাখ্যা

- আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA) হলো আইরিশ জাতীয়তাবাদী সশস্ত্র সংগঠন,

• আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA): 
- এটি আইরিশ জাতীয়তাবাদী সশস্ত্র সংগঠন,
- যা প্রধানত ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছে।
- প্রতিষ্ঠা এবং উদ্দেশ্য: ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত, IRA ইরিশ ভলান্টিয়ার্সের (১৯১৩ সালে গঠিত) উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এর প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ আইরিশ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, বিশেষ করে উত্তর আইরল্যান্ডকে মূল আইরল্যান্ডের সাথে যুক্ত করা।

• আইরিশ স্বাধীনতা যুদ্ধ (১৯১৯-১৯২১): IRA গেরিলা কৌশল (যেমন অ্যাম্বুশ এবং হত্যাকাণ্ড) ব্যবহার করে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এবং লয়ালিস্ট বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- এই যুদ্ধের ফলে ১৯২১ সালে অ্যাঙ্গলো-আইরিশ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা আইরিশ ফ্রি স্টেট তৈরি করে কিন্তু উত্তর আইরল্যান্ডকে ব্রিটেনের অধীনে রাখে।

- 'রেড ব্রিগেড' ১৯৭০-এর দশকে ইতালিতে সক্রিয় একটি চরমপন্থী বামপন্থী সশস্ত্র সংগঠন, যা মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী ছিল। 
- আইটিএ এবং আইসিএ নামক কোনো গেরিলা সংগঠনের নাম নেই।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪৮.
যদি P এবং Q দুটি বিজোড় সংখ্যা হয়, তবে নিম্নের কোনটি অবশ্যই জোড় হবে?
  1. P2 + 2Q
  2. 2P2 + Q
  3. 3Q + 1
  4. 2Q + P
সঠিক উত্তর:
3Q + 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3Q + 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি P এবং Q দুটি বিজোড় সংখ্যা হয়, তবে নিম্নের কোনটি অবশ্যই জোড় হবে?

সমাধান:
ধরি, P = 1 এবং Q = 1 (যেহেতু P এবং Q দুটিই বিজোড় সংখ্যা)।

এখন অপশনগুলোতে মান বসিয়ে পাই,
(ক) P2 + 2Q = 12 + 2(1) = 1 + 2 = 3 (বিজোড়)

(খ) 2P2 + Q = 2(12) + 1 = 2 + 1 = 3 (বিজোড়)

(গ) 3Q + 1 = 3(1) + 1 = 3 + 1 = 4 (জোড়)

(ঘ) 2Q + P = 2(1) + 1 = 2 + 1 = 3 (বিজোড়)

∴ সঠিক উত্তর: (গ) 3Q + 1

৪৯.
একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১৬ সে.মি. ও ক্ষেত্রফল ৯৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসের অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
  1. ১০ সে.মি.
  2. ১২ সে.মি.
  3. ১৪ সে.মি.
  4. ১৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১২ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য ১৬ সে.মি. ও ক্ষেত্রফল ৯৬ বর্গ সে.মি. হলে, রম্বসের অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
 
সমাধান:
ধরি, অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = a সে.মি.

আমরা জানি, 
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
বা, ৯৬ = (১/২) × a × ১৬
বা, ৯৬ = ৮a
বা, a = ৯৬/৮
∴ a = ১২

∴ অপর কর্ণের দৈর্ঘ্য = ১২ সে.মি.

৫০.
১৬ টাকায় ৪টি করে পেয়ারা কিনে ৩০০ টাকায় কয়টি পেয়ারা বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হবে?
  1. ৬০ টি
  2. ৭৫ টি
  3. ৮০ টি
  4. ৯০ টি
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১৬ টাকায় ৪টি করে পেয়ারা কিনে ৩০০ টাকায় কয়টি পেয়ারা বিক্রয় করলে ২৫% লাভ হবে?

সমাধান:
২৫% লাভে,
৪টি পেয়ারার বিক্রয়মূল্য = ১৬ × (১২৫/১০০) টাকা = ২০ টাকা

২০ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = ৪ টি পেয়ারা
∴ ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = ৪/২০ টি পেয়ারা
∴ ৩০০ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = (৪/২০) × ৩০০ টি পেয়ারা
= (৪ × ৩০০)/২০ টি
= ১২০০/২০ টি
= ৬০ টি পেয়ারা

∴ ৩০০ টাকায় বিক্রয় করতে হলে ৬০ টি পেয়ারা বিক্রি করতে হবে।

৫১.
যদি x + (1/x) = 3 হয়, তবে (x)5 + (1/x)5 এর মান কত?
  1. 117
  2. 123
  3. 145
  4. 163
সঠিক উত্তর:
123
উত্তর
সঠিক উত্তর:
123
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x + (1/x) = 3 হয়, তবে (x)5 + (1/x)5 এর মান কত?

সমাধান:

৫২.
কামরুল সাহেব ২০০০০ টাকা একটি সঞ্চয়পত্রে জমা রাখলেন। ৬ বছর পর তিনি আসল টাকার ৩/৫ অংশ সুদ পেলেন। বার্ষিক সরল সুদের হার কত?
  1. ৮%
  2. ১০%
  3. ১২.৫%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কামরুল সাহেব ২০০০০ টাকা একটি সঞ্চয়পত্রে জমা রাখলেন। ৬ বছর পর তিনি আসল টাকার ৩/৫ অংশ সুদ পেলেন। বার্ষিক সরল সুদের হার কত?

সমাধান:
আসল টাকা, P = ২০০০০ টাকা
সময়, n = ৬ বছর
সুদ = (৩/৫) × ২০০০০ = ১২০০০ টাকা
সুদের হার, r = ?

আমরা জানি,
SI = (P × r × n)/১০০
⇒ ১২০০০ = (২০০০০ × r × ৬)/১০০
⇒ ১২০০০ = (১২০০০০ × r)/১০০
⇒ ১২০০০ × ১০০ = ১২০০০০ × r
⇒ ১২০০০০০ = ১২০০০০ × r
⇒ r = ১২০০০০০/১২০০০০
⇒ r = ১২০/১২০
∴ r = ১০

∴ সুদের হার ১০%

৫৩.
  1. 8
  2. 13
  3. 12
  4. 9
সঠিক উত্তর:
13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:
প্রশ্ন:

৫৪.
f(x) = x2 + bx + 2x - 6 হলে, b এর কোন মানের জন্য f(2) = 0?
  1. 2
  2. - 1
  3. - 4
  4. 3
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(x) = x2 + bx + 2x - 6 হলে, b এর কোন মানের জন্য f(2) = 0?

সমাধান:
দেওয়া আছে, g(x) =f(x) = x2 + bx + 2x - 6

∴  f(2) = (2)2 + b(2) + 2(2) - 6
= 4 + 2b + 4 - 6 
= 2b + 2

প্রশ্নমতে,
f(2) = 0
বা, 2b + 2 = 0
বা, 2b = - 2
বা, b = - 2/2
∴ b = - 1

৫৫.
2 + 5 + 8 + 11 +......... ধারাটির n পদের সমষ্টি কত?
  1. n(3n - 1)/2
  2. n(n + 1)
  3. n(3n + 1)/2
  4. 3n2
সঠিক উত্তর:
n(3n + 1)/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n(3n + 1)/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2 + 5 + 8 + 11 +......... ধারাটির n পদের সমষ্টি কত?
 
সমাধান:
এটি একটি সমান্তর ধারা।
দেওয়া আছে,
প্রথম পদ, a = 2
সাধারণ অন্তর, d = 5 - 2 = 3

আমরা জানি, সমান্তর ধারার প্রথম n সংখ্যক পদের সমষ্টি,
Sn = n/2 [2a + (n - 1)d]
∴ Sn = n/2 [2 × 2 + {(n - 1) × 3}]
= n/2 (4 + 3n - 3)
= n/2 (3n + 1)
= n(3n + 1)/2

সুতরাং, ধারাটির n পদের সমষ্টি হলো n(3n + 1)/2

৫৬.
6 জন পুরুষ ও 4 জন মহিলার মধ্য হতে কতভাবে 4 সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা যাবে যেখানে ঠিক 2 জন পুরুষ ও 2 জন মহিলা থাকবে?
  1. 90
  2. 100
  3. 210
  4. 150
সঠিক উত্তর:
90
উত্তর
সঠিক উত্তর:
90
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6 জন পুরুষ ও 4 জন মহিলার মধ্য হতে কতভাবে 4 সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা যাবে যেখানে ঠিক 2 জন পুরুষ ও 2 জন মহিলা থাকবে?

সমাধান:
6 জন পুরুষ থেকে 2 জন বাছাইয়ের উপায় = 6C2
= 6!/(2! × 4!)
= (6 × 5)/(2 × 1)
= 15

4 জন মহিলা থেকে 2 জন বাছাইয়ের উপায় = 4C2
= 4!/(2! × 2!)
= (4 × 3)/(2 × 1)
= 6

∴ মোট কমিটি গঠনের উপায় = 15 × 6 = 90

৫৭.
নিচের কোনটি 12p2 - 38p + 20 এর একটি উৎপাদক নয়?
  1. (2p - 5)
  2. (p - 4)
  3. 2
  4. (3p - 2)
সঠিক উত্তর:
(p - 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(p - 4)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি 12p2 - 38p + 20 এর একটি উৎপাদক নয়?

সমাধান:
12p2 - 38p + 20
= 2(6p2 - 19p + 10)
= 2(6p2 - 15p - 4p + 10)
= 2{3p(2p - 5) - 2(2p - 5)}
= 2(2p - 5)(3p - 2)

∴12p2 - 38p + 20 এর উৎপাদকগুলি হলো 2, (2p - 5) এবং (3p - 2)।

৫৮.
যদি log4[log3(log2b)] = 0, তাহলে b এর মান কত?
  1. 4
  2. 8
  3. 12
  4. 15
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log4[log3(log2b)] = 0, তাহলে b এর মান কত?

সমাধান:
log4[log3(log2b)] = 0
⇒ log3(log2b) = 40 [সূত্র: logbM = c ⇒ M = bc]
⇒ log3(log2b) = 1
⇒ log2b = 31 [সূত্র: logbM = c ⇒ M = bc]
⇒ log2b = 3
⇒ b = 23 [সূত্র: logbM = c ⇒ M = bc]
⇒ b = 8
∴ b = 8

৫৯.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অন্তর ৮ মিটার এবং তাদের মধ্যে লম্ব দূরত্ব ১০ মিটার। ট্রাপিজিয়ামটির ক্ষেত্রফল ১৭০ বর্গ মিটার হলে, বৃহত্তম বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১১ মিটার
  2. ১৫ মিটার
  3. ২১ মিটার
  4. ২৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের অন্তর ৮ মিটার এবং তাদের মধ্যে লম্ব দূরত্ব ১০ মিটার। ট্রাপিজিয়ামটির ক্ষেত্রফল ১৭০ বর্গ মিটার হলে, বৃহত্তম বাহুটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ধরি, ক্ষুদ্রতম বাহু = ক মিটার
∴ বৃহত্তম বাহু = (ক + ৮) মিটার

আমরা জানি, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১/২) × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি) × উচ্চতা
∴ ক্ষেত্রফল = (১/২) × ১০ × (ক + ক + ৮)
= ৫(২ক + ৮)

প্রশ্নমতে,
৫(২ক + ৮) = ১৭০
⇒ ২ক + ৮ = ১৭০/৫
⇒ ২ক + ৮ = ৩৪
⇒ ২ক = ৩৪ - ৮
⇒ ২ক = ২৬
⇒ ক = ১৩

∴ বৃহত্তম বাহুটির দৈর্ঘ্য = ১৩ + ৮ = ২১ মিটার

৬০.
একটি গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদটি 80 এবং অষ্টম পদটি 640 হলে, সাধারণ অনুপাত কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 1/2
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার পঞ্চম পদটি 80 এবং অষ্টম পদটি 640 হলে, সাধারণ অনুপাত কত?

সমাধান:
ধরি, ধারাটির ১ম পদ = a এবং সাধারণ অনুপাত = r

আমরা জানি,
একটি গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = a × rn - 1

∴ পঞ্চম পদ = a × r5 - 1 = a × r4 = 80 .............(1)
অষ্টম পদ = a × r8 - 1 = a × r7 = 640  ............(2)

(2) নং সমীকরণকে (1) নং সমীকরণ দ্বারা ভাগ করে পাই,
ar7/ar4 = 640/80
⇒ r3 = 8
⇒ r3 = 23
⇒ r = 2

∴ সাধারণ অনুপাত হলো 2

৬১.
x2+ x - 20 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?
  1. (- ∞, - 5) ∪ (4, ∞)
  2. (- 5, 4)
  3. (- 4, 5)
  4. (- ∞, - 4) ∪ (5, ∞)
সঠিক উত্তর:
(- ∞, - 5) ∪ (4, ∞)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(- ∞, - 5) ∪ (4, ∞)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x2+ x - 20 > 0 অসমতাটির সমাধান কোনটি?

সমাধান:
 x2 + x - 20 > 0
⇒ x2 + 5x - 4x - 20 > 0
⇒ x(x + 5) - 4(x + 5) > 0
⇒ (x + 5)(x - 4) > 0

এই অসমতার সমাধান বিন্দু দুটি হলো x = -5 এবং x = 4।

(x + 5)(x - 4) > 0 এর গুণফল ধনাত্মক হয়, যখন:

উভয় উৎপাদকই ধনাত্মক (অর্থাৎ x > 4) অথবা
উভয় উৎপাদকই ঋণাত্মক (অর্থাৎ x < -5)

অর্থাৎ, x < -5 অথবা x > 4।

ব্যবধি আকারে লিখলে হয়: (-∞, -5) ∪ (4, ∞)

৬২.
একটি 17 মিটার লম্বা মই দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে। মইয়ের এক প্রান্ত দেয়াল থেকে 8 মিটার দূরে থাকলে, মইয়ের অপর প্রান্ত দেয়ালের কত উচ্চতায় স্পর্শ করেছে?
  1. 13 মিটার
  2. 15 মিটার
  3. 21 মিটার
  4. 25 মিটার
সঠিক উত্তর:
15 মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি 17 মিটার লম্বা মই দেয়ালের সাথে হেলান দিয়ে রাখা হয়েছে। মইয়ের এক প্রান্ত দেয়াল থেকে 8 মিটার দূরে থাকলে, মইয়ের অপর প্রান্ত দেয়ালের কত উচ্চতায় স্পর্শ করেছে?

সমাধান:

ধরি, মইয়ের অপর প্রান্ত দেয়ালের x মিটার উচ্চতায় স্পর্শ করেছে।
দেওয়া আছে,
মইয়ের দৈর্ঘ্য = 17 মিটার
দেয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব = 8 মিটার
দেয়ালের উচ্চতা, AB = x

যেহেতু দেয়াল মাটির সাথে 90° কোণ উৎপন্ন করে,
∴ পিথাগোরাসের সূত্রানুসারে,
(দেয়ালের উচ্চতা)2 + (দেয়াল থেকে মইয়ের দূরত্ব)2 = (মইয়ের দৈর্ঘ্য)2
⇒ x2 + 82 = 172
⇒ x2 + 64 = 289
⇒ x2 = 289 - 64
⇒ x2 = 225
⇒ x = √225
⇒ x = 15

∴ মইয়ের অপর প্রান্ত দেয়ালের 15 মিটার উচ্চতায় স্পর্শ করেছে।

৬৩.
ABC ত্রিভুজের AD একটি মধ্যমা এবং G ভরকেন্দ্র। যদি মধ্যমা AD-এর দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. হয়, তাহলে AG-এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 12 সে.মি.
  2. 36 সে.মি.
  3. 16 সে.মি.
  4. 18 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
16 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ABC ত্রিভুজের AD একটি মধ্যমা এবং G ভরকেন্দ্র। যদি মধ্যমা AD-এর দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. হয়, তাহলে AG-এর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
কোনো ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র তার মধ্যমাকে 2 : 1 অনুপাতে বিভক্ত করে।

এখানে, AD মধ্যমা এবং G ভরকেন্দ্র।
∴ AG : GD = 2 : 1

মোট অনুপাত = 2 + 1 = 3
মধ্যমা AD-এর দৈর্ঘ্য = 24 সে.মি.
ভরকেন্দ্র G, মধ্যমা AD-কে দুটি অংশে বিভক্ত করেছে: AG এবং GD।

∴ AG-এর দৈর্ঘ্য = 24 এর (2/3) অংশ
= 24 × (2/3) সে.মি.
= 8 × 2 সে.মি.
= 16 সে.মি.

সুতরাং, AG-এর দৈর্ঘ্য 16 সে.মি.

৬৪.
ক, খ ও গ ৩৬০ টাকা নিয়ে কারবার শুরু করল। ক ও খ এর মূলধন সমান কিন্তু গ এর মূলধন ৩০ টাকা কম। মোট ৭২ টাকা লাভ হলে, গ কত টাকা লাভ পাবে?
  1. ২০ টাকা
  2. ১৬ টাকা
  3. ২৪ টাকা
  4. ৩০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক, খ ও গ ৩৬০ টাকা নিয়ে কারবার শুরু করল। ক ও খ এর মূলধন সমান কিন্তু গ এর মূলধন ৩০ টাকা কম। মোট ৭২ টাকা লাভ হলে, গ কত টাকা লাভ পাবে?

সমাধান:
ধরি,
ক ও খ এর মূলধন = x টাকা
∴ গ এর মূলধন = (x - ৩০) টাকা

প্রশ্নমতে,
x + x + (x - ৩০) = ৩৬০
বা, ৩x - ৩০ = ৩৬০
বা, ৩x = ৩৬০ + ৩০
বা, ৩x = ৩৯০
বা, x = ৩৯০/৩
∴ x = ১৩০

ক, খ ও গ এর মূলধনের অনুপাত:
= x : x : (x - ৩০)
= ১৩০ : ১৩০ : (১৩০ - ৩০)
= ১৩০ : ১৩০ : ১০০
= ১৩ : ১৩ : ১০

∴ অনুপাতটির রাশিগুলোর সমষ্টি = ১৩ + ১৩ + ১০ = ৩৬

মোট লাভ = ৭২ টাকা
∴ গ এর লাভ = (১০/৩৬) × ৭২ টাকা
= ২০ টাকা

সুতরাং, গ ২০ টাকা লাভ পাবে।

৬৫.
4, 6, 3, 7 তথ্যসারির ভেদাঙ্ক কত?
  1. 2.5
  2. 3.5
  3. 4.5
  4. 5.5
সঠিক উত্তর:
2.5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4, 6, 3, 7 তথ্যসারির ভেদাঙ্ক কত?

সমাধান:
এখানে,
তথ্য সংখ্যা, n = 4

∴ গাণিতিক গড় = (4 + 6 + 3 + 7)/4
= 20/4
= 5

∴ ভেদাঙ্ক = {(4 - 5)2 + (6 - 5)2 + (3 - 5)2 + (7 - 5)2}/4
= {(- 1)2 + (1)2 + (- 2)2 + (2)2}/4
= (1 + 1 + 4 + 4) / 4
= 10/4
= 2.5

∴ তথ্যসারিটির ভেদাঙ্ক = 2.5

৬৬.
6 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট কোনো অর্ধবৃত্ত দ্বারা আবদ্ধ বৃহত্তম ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
  1. 18 বর্গ সে.মি.
  2. 36 বর্গ সে.মি.
  3. 54 বর্গ সে.মি.
  4. 72 বর্গ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
36 বর্গ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36 বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 6 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট কোনো অর্ধবৃত্ত দ্বারা আবদ্ধ বৃহত্তম ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?

সমাধান:

অর্ধবৃত্তের ব্যাসার্ধ, r = 6 সে.মি.
তাহলে, অর্ধবৃত্তের ব্যাস = 2 × 6 = 12 সে.মি.

আমরা জানি, অর্ধবৃত্তের ভেতরে অবস্থিত বৃহত্তম ত্রিভুজটির ভূমি হবে অর্ধবৃত্তের ব্যাস এবং উচ্চতা হবে অর্ধবৃত্তের ব্যাসার্ধের সমান।

অতএব, ত্রিভুজটির ভূমি, b = 12 সে.মি.
ত্রিভুজটির উচ্চতা, h = 6 সে.মি.

∴ ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
= (1/2) × 12 × 6 বর্গ সে.মি.
= 6 × 6 বর্গ সে.মি.
= 36 বর্গ সে.মি.

সুতরাং, বৃহত্তম ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল 36 বর্গ সে.মি.

৬৭.
তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একযোগে নিক্ষেপ করা হলো। এই পরীক্ষায় কেবলমাত্র দুইটি হেড (H) এবং একটি টেইল (T) আসার প্রতিকূলে সম্ভাবনা কত? 
  1. 1/4
  2. 3/8
  3. 7/8
  4. 5/8
সঠিক উত্তর:
5/8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5/8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একযোগে নিক্ষেপ করা হলো। এই পরীক্ষায় কেবলমাত্র দুইটি হেড (H) এবং একটি টেইল (T) আসার প্রতিকূলে সম্ভাবনা কত? 

সমাধান:
তিনটি মুদ্রা একযোগে নিক্ষেপ করা হলে নমুনা ক্ষেত্র হবে,
S = {HHH, HHT, HTH, THH, HTT, THT, TTH, TTT}

এখানে মোট নমুনা বিন্দুর সংখ্যা n(S) = 8

কেবলমাত্র দুইটি হেড ও একটি টেল আসার অনুকূল ফলাফলগুলো হলো:
{HHT, HTH, THH}

∴ অনুকূল ফলাফলের সংখ্যা, n(A) = 3

∴ ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা, P(A) = n(A)/n(S) = 3/8

আমরা জানি,
কোনো ঘটনা প্রতিকূলে অর্থাৎ, না ঘটার সম্ভাবনা: P(A') = 1 - P(A)
= 1 - 3/8
= 5/8

৬৮.
পৃথিবীতে বিদ্যমান অধিকাংশ শক্তির উৎস কী?
  1. বায়ু শক্তি
  2. সৌরশক্তি
  3. ভূ-তাপীয় শক্তি
  4. জ্বালানি তেল
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরশক্তি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীতে বিদ্যমান অধিকাংশ শক্তির প্রধান এবং চূড়ান্ত উৎস হল সূর্য। সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তিই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত শক্তির উৎসকে চালনা করে। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোকে ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে, যা বায়োমাস শক্তি হিসেবে জমা থাকে। জীবাশ্ম জ্বালানি, যেমন: জ্বালানি তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস- এগুলোতেও মূলত লক্ষ লক্ষ বছর ধরে সঞ্চিত সূর্যের শক্তিই বিদ্যমান

সৌরশক্তি: 

- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি। 
- সূর্য সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকে আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
যেমন- আধুনিক সভ্যতার ধারক জীবাশ্ব জ্বালানিতে আসলে বহুদিনের সঞ্চিত সৌরশক্তি আছে। 
- এছাড়া সৌরশক্তিকে শীতের দেশে ঘরবাড়ি গরম রাখার কাজে ব্যবহার করা হয়। 
- শস্য, মাছ, সবজি ইত্যাদি শুকানোর কাজে সৌরশক্তি ব্যবহৃত হয়, মাছ শুকিয়ে শুটকি তৈরি করে তা বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। 
- সৌরশক্তি দ্বারা বয়লারে বাষ্প তৈরি করে তার দ্বারা তড়িৎ উৎপাদনের জন্য টার্বাইন ঘুরানো হয়। 
- আধুনিক কৌশল ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে সৌরকোষ। সৌরকোষের বৈশিষ্ট্য হলো এর উপর সূর্যের আলো পড়লে তা থেকে সরাসরি তড়িৎ পাওয়া যায়। এছাড়া সৌরকোষের রয়েছে নানা রকমের ব্যবহার।
যেমন: কৃত্রিম উপগ্রহে তড়িৎশক্তি সরবরাহের জন্য সৌরকোষ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৬৯.
কাপড় কাচার জন্য সাধারণত কোন ধরণের সাবান ব্যবহার করা হয়?
  1. সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  2. পটাশিয়াম স্টিয়ারেট 
  3. সোডিয়াম কার্বোনেট
  4. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম স্টিয়ারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম স্টিয়ারেট
ব্যাখ্যা

- কাপড় কাচার জন্য সাধারণত সোডিয়াম স্টিয়ারেট ব্যবহার করা হয়। সোডিয়াম স্টিয়ারেট (Sodium stearate) হলো স্টিয়ারিক অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ এবং এটি সবচেয়ে সাধারণ ধরণের সাবান। কাপড় কাচা সাবান বা লন্ড্রি সোপ সাধারণত সোডিয়াম লবণ দিয়ে তৈরি শক্ত সাবান হয়। এই সোডিয়াম লবণগুলো পানিতে দ্রবণীয় এবং পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহৃত হয়। 

সাবান: 
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK)। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয়। 
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম। 
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি। 
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়। 
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়। 

উৎস: রসায়ন ও বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭০.
প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন ডি-এর অভাবে প্রধানত কোন রোগ হতে পারে?
  1. স্কার্ভি 
  2. ডায়াবেটিস
  3. অস্টিওমালেসিয়া
  4. হার্ট অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
অস্টিওমালেসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্টিওমালেসিয়া
ব্যাখ্যা

- প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন ডি-এর অভাবে যে রোগটি হতে পারে তা হলো অস্টিওমালেসিয়া, যা হাড় নরম ও দুর্বল করে তোলে এবং হাড়ে ব্যথা ও পেশী দুর্বলতার কারণ হয়; এটি শিশুদের রিকেটসের প্রাপ্তবয়স্কদের রূপ, যেখানে হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। 

ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- এই ভিটামিন সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি -এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওমালেসিয়া রোগ হয়, যেখানে হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়। 
- দৈনিক চাহিদার থেকে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার ফলে বমি, দুর্বলতা, মূত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি, হাড়ের ব্যথা এবং কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- স্কার্ভি (Scurvy) ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাব ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি অভাবজনিত রোগ নয়। 
- দীর্ঘস্থায়ী ভিটামিন ডি-এর অভাব হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি অভাবজনিত রোগ নয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭১.
নিচের কোনটি একমুখী যোগাযোগ মাধ্যমের উদাহরণ?
  1. ই-মেইল
  2. টেলিফোন
  3. মোবাইল ফোন
  4. রেডিও 
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও 
ব্যাখ্যা

- রেডিও একমুখী যোগাযোগের একটি নিখুঁত উদাহরণ (যাকে ব্রডকাস্ট বা সিমপ্লেক্স মোডও বলা হয়), কারণ এখানে তথ্য শুধুমাত্র একজন প্রেরক (রেডিও স্টেশন) থেকে একাধিক প্রাপকের (শ্রোতা) কাছে প্রবাহিত হয় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সুযোগ থাকে না।  

রেডিও (Radio): 
- রেডিও এমন একটি যন্ত্র যার সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গে রূপান্তরিত করে একস্থান হতে অন্য স্থানে পাঠানো হয়। 
- রেডিও আবিষ্কারে করেছেন ইতালির মার্কনী ও বাংলাদেশের জগদীশ চন্দ্ৰ বসু। 
- রেডিও এর সাহায্যে আমরা দূর-দূরান্ত হতে সম্প্রচারিত বিভিন্ন ধরনের খবর, বিতর্ক অনুষ্ঠান, গান, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি শুনতে পাই। 
- রেডিও হচ্ছে একমুখী গ্রাহক যন্ত্র। 
- রেডিওতে শুধু শোনা যায় কিন্তু শোনার পরে কোন মন্তব্য বলে পাঠানো সম্ভব নয়। 

অন্যদিকে, 
- ই-মেইল হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার একটি উদাহরণ, যেখানে প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ই বার্তা আদান-প্রদান করতে পারে।
- টেলিফোন হলো দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থার উদাহরণ, কারণ এটি দুইজন ব্যক্তিকে একই সময়ে কথা বলতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে।
- মোবাইল ফোনও টেলিফোনের মতোই দ্বিমুখী যোগাযোগ (ফুল-ডুপ্লেক্স) ব্যবস্থা ব্যবহার করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৭২.
প্রতিটি জীবদেহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. পেশি 
  2. নেফ্রন অণু 
  3. টিস্যু 
  4. কোষ 
সঠিক উত্তর:
কোষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ 
ব্যাখ্যা

- কোষ হলো জীবনের মৌলিক গাঠনিক ও কার্যকরী একক। কিছু জীব এককোষী, আবার কিছু জীব বহুকোষী, কিন্তু প্রত্যেকের ভিত্তি হল কোষ। 

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত। 
- একটি মাত্র কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় এককোষী জীব এবং একাধিক কোষ দ্বারা গঠিত জীবকে বলা হয় বহুকোষী জীব। 
- কোষ জীবদেহের গাঠনিক এবং কার্যকরী একক। 
- কোষের অভ্যন্তরেই জীবের জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দে বোতলের কর্ক পরীক্ষাকালে মৌচাকের ন্যায় অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এবং পরস্পর সংযুক্ত প্রকোষ্ঠ দেখতে পান। তিনি প্রকোষ্ঠগুলোর নাম দেন "Cell"। 
- Cell এর বাংলা অর্থ কুঠুরী বা কোষ। 

কোষের প্রকারভেদ: 
(ক) অবস্থান এবং কাজের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) দেহ কোষ এবং (ii) জনন কোষ। 

(খ) নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (i) আদি কোষ এবং (ii) প্রকৃত কোষ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
বুধকে প্রথম ছবি পাঠানোর মহাশূন্যযান কোনটি?
  1. মেরিনার-১০
  2. ভয়েজার-১
  3. মেরিনার-১
  4. ভয়েজার-২
সঠিক উত্তর:
মেরিনার-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিনার-১০
ব্যাখ্যা

- নাসার (NASA) পাঠানো মেরিনার-১০ (Mariner-10) মহাকাশযানটিই প্রথম বুধ গ্রহের কাছ থেকে ছবি তুলে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল। ১৯৭৪ সালের ২৯শে মার্চ এটি বুধের প্রথম ঘনিষ্ঠ ছবি তোলে। 

বুধ (Mercury): 

- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ। 
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার এবং এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করে আসতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন।
সুতরাং, বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে না।
- এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি, সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি আছে।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি এবং নাসা ওয়েবসাইট।

৭৪.
নিচের কোনটি গ্যালভানাইজিংয়ের বিকল্প ধাতু হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সোনা 
  2. টিন
  3. কপার 
  4. লোহা 
সঠিক উত্তর:
টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন
ব্যাখ্যা

- গ্যালভানাইজিংয়ে সাধারণত দস্তা (জিঙ্ক) ব্যবহার করা হয়। গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় টিন (Tin) ধাতুটিকে একটি বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৭৫.
ভাইরাসের ক্যাপসিডে কোনটি থাকে?
  1. একাধিক লিপিড স্তর
  2. একাধিক শর্করা অণু
  3. একাধিক নিউক্লিয়াস 
  4. একাধিক প্রোটিন অণু
সঠিক উত্তর:
একাধিক প্রোটিন অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক প্রোটিন অণু
ব্যাখ্যা

- ভাইরাসের ক্যাপসিড (capsid) অসংখ্য প্রোটিন অণু বা সাবইউনিট (যাদের ক্যাপসোমেয়ার বলা হয়) দিয়ে গঠিত একটি আবরণ। এই প্রোটিন আবরণটি ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান (DNA বা RNA) কে রক্ষা করে

ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন থাকে। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের।
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
উত্তল লেন্সের আরেকটি নাম কী?
  1. অপসারী লেন্স
  2. ক্ষীণ লেন্স
  3. অভিসারী লেন্স
  4. অবতল লেন্স 
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
ব্যাখ্যা

- উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে আলো যাওয়ার সময় তা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে একত্রিত হয়, অর্থাৎ আলোকরশ্মিগুলি অভিসারী হয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে উত্তল লেন্সকে অভিসারী লেন্স বলা হয়। 

লেন্স (Lens): 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- সাধারণত লেন্স কাচের তৈরি হয়। তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, কোয়ার্টজ এমন কী তরল পদার্থ বা অর্ধতরল পদার্থ দিয়েও লেন্স তৈরি হতে পারে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স (Convex Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে উত্তল লেন্স বা অভিসারী লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্য ভাগ উঁচু বা মোটা এবং প্রান্ত ভাগ সরু, তাই একে স্থূল মধ্য বা উত্তল লেন্সও বলে। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স (Concave Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী বা অবতল লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্যভাগ সরু বা পাতলা এবং প্রান্ত ভাগ মোটা তাই একে ক্ষীণ মধ্য বা অবতল লেন্সও বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত লবণ নিচের কোনটি? 
  1. CuSO4
  2. NH4NO3
  3. Na2CO3
  4. KNO3
সঠিক উত্তর:
CuSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4
ব্যাখ্যা

- কপার সালফেট (CuSO4) যা তুঁতে নামে পরিচিত, এটি কৃষিতে ব্যাপকভাবে একটি ব্যাকটেরিয়ানাশক এবং ছত্রাকনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যাকটেরিয়া এবং কিছু ভাইরাসের বিরুদ্ধে এর কার্যকারিতার কারণে বহুল ব্যবহৃত হয়। 

লবণ: 

- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

লবণের ব্যবহার: 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় যা মূলত লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৮.
পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয় কোন তাপমাত্রায়?
  1. 0° C
  2. 0° K
  3. 4° C
  4. 100° C
সঠিক উত্তর:
4° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° C
ব্যাখ্যা

- সাধারণত তাপমাত্রা কমলে যেকোনো তরলের ঘনত্ব বাড়ে, কিন্তু পানির ক্ষেত্রে 4° C (সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। এই তাপমাত্রায় পানির অণুগুলো সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে থাকে, যে কারণে আয়তন সর্বনিম্ন হয় এবং ঘনত্ব সর্বাধিক হয় 

ঘনত্ব: 

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে। 
- গাণিতিকভাবে বলা যায়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V . 
- বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার, সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)। ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা gcm-3) বহুল প্রচলিত। এটি S.I এককের উপগুণিতক। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। 
যেমন- [ρ] = ML-3 .
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1 gm/cc. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
VLSI-এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Variable Light System Integrated
  2. Very Low Scale Integrated
  3. Variable Large Scale Integrated
  4. Very Large Scale Integrated
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
ব্যাখ্যা

- VLSI-এর পূর্ণ রূপ হল Very Large Scale Integrated Circuit.

সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন-
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits), 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits) এবং 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
রক্তের কোন অংশ রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে?
  1. রক্তরস
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. হিমোগ্লোবিন 
  4. লোহিত রক্ত কণিকা
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা

- শ্বেত রক্ত কণিকা (White blood cells) শরীরকে সংক্রমণ এবং রোগ থেকে রক্ষা করার জন্য দায়ী। তারা রোগজীবাণু (যেমন-ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ছত্রাক) শনাক্ত করে এবং ধ্বংস করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গঠন করে। 

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। 
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়। 
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়। লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 

রক্তের কাজ: 
- রক্ত দেহের বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। 
যথা- 
- খাদ্য পরিপাকের পর তার সারাংশ রক্তের সাথে মিশ্রিত হয়। রক্ত সেই খাদ্যসারকে দেহের সকল অংশে নিয়ে যায়। এভাবে জীবকোষগুলো পুষ্টি সাধন করে। 
- রক্তের লোহিত কণিকাস্থ হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনকে ফুসফুস হতে দেহের বিভিন্ন কোষে পৌঁছায় এবং কোষগুলো হতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বহন করে এনে ফুসফুসের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেয়। 
- দেহের মধ্যে সর্বদাই দহনক্রিয়া সম্পাদিত হচ্ছে। তাতে বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে যে বিভিন্ন তাপমাত্রার সৃষ্টি হয়, তা রক্তের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত হয় এবং এভাবে দেহে তাপের সমতা রক্ষা পায়। 
- নালীবিহীন গ্রন্থিগুলোতে অন্তঃনিসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশে, এ রসকে হরমোন বলে। সঞ্চালিত রক্তের দ্বারা হরমোন প্রয়োজন অনুযায়ী দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ হয়। 
- রক্তের শ্বেত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় প্রবেশকৃত অবৈধ ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেহকে রোগমুক্ত রাখে। 
- দেহের কোনো স্থান কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে, ফলে রক্তপাত বন্ধ হয়। 
- রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রকার দুষিত পদার্থ ও বর্জ্য উপাদান ফুসফুস, মূত্রাশয় ও ত্বকে নিয়ে আসে ও সেখান হতে তাদের নিষ্কাশন করতে সহায়তা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে আপনার কী করা উচিত?
  1. রেফারেন্স ব্যবহার না করা
  2. শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা
  3. একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করা
  4. সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
সঠিক উত্তর:
সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা
ব্যাখ্যা

• প্ল্যাজিয়ারিজম এড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ব্যবহৃত সব তথ্যের উৎস সঠিকভাবে উল্লেখ করা। কোনো বই, প্রবন্ধ, ওয়েবসাইট বা গবেষণা থেকে ধারণা, তথ্য বা উদ্ধৃতি নিলে অবশ্যই তার রেফারেন্স দিতে হয়। শুধু কয়েকটি শব্দ পরিবর্তন করা বা একাধিক ওয়েবসাইট থেকে কপি করলেও প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানো যায় না। আবার রেফারেন্স ব্যবহার না করাও সম্পূর্ণ ভুল। সঠিকভাবে উৎস উল্লেখ করলে মূল লেখকের প্রতি সম্মান দেখানো হয় এবং নিজের লেখার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। তাই প্ল্যাজিয়ারিজম এড়ানোর সঠিক উপায় হলো সব উৎস যথাযথভাবে উল্লেখ করা।
 
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৮২.
নিম্নলিখিত কোন বিবরণ EEPROM-এর সাথে সবচেয়ে উপযুক্ত?
  1. ভোলাটাইল মেমরি, যা পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা হারায়
  2. নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
  3. মেমরি যা কেবল একবার প্রোগ্রাম করা যায়
  4. সিপিইউ দ্বারা ব্যবহৃত ক্যাশ মেমরি
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
ব্যাখ্যা

• EEPROM-এর সাথে সবচেয়ে উপযুক্ত বিবরণ হলো খ) নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়। EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি বিশেষ ধরনের মেমরি, যা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে ফেলা এবং পুনরায় প্রোগ্রাম করার সুবিধা দেয়, যা ফ্ল্যাশ মেমরির মতো প্রয়োজনীয়। EEPROM সাধারণত ছোট আকারের ডেটা সংরক্ষণ, কনফিগারেশন সেটিংস, বা ফার্মওয়্যার আপডেটের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একবার প্রোগ্রাম করা রোম বা সিপিইউ ক্যাশ মেমরির সাথে মিলিত নয়, কারণ সেগুলি ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে।

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৮৩.
একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করতে মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইনফ্রারেড লাইট বা LED
  2. আল্ট্রাসনিক ওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মেকানিক্যাল বল
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড লাইট বা LED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড লাইট বা LED
ব্যাখ্যা

• একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করার জন্য মূলত ইনফ্রারেড লাইট বা LED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অপটিক্যাল মাউসের তলার দিকে ছোট একটি LED থাকে যা কাজের পৃষ্ঠের ওপর আলো ফেলে। সেই আলো থেকে প্রতিফলিত আলো একটি সেন্সর ক্যাপচার করে। মাউসের গতি অনুযায়ী পৃষ্ঠের বীট বা প্যাটার্ন পরিবর্তিত হয়, এবং সেন্সর সেই পরিবর্তনগুলোকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে। এই সিগনাল কম্পিউটার প্রসেসর মাউসের কার্সরের অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার করে। তাই অপটিক্যাল মাউস মেকানিক্যাল বলের বদলে লাইট বেসড সেন্সর ব্যবহার করে, যা দ্রুত, নির্ভুল এবং ময়লা-প্লে সম্বন্ধে কম সংবেদনশীল। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ইনফ্রারেড লাইট বা LED.
 
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
-  এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

৮৪.
NVIDIA কোন দেশভিত্তিক টেক কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. চীন 
  4. রাশিয়া 
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• NVIDIA একটি দেশভিত্তিক প্রযুক্তি কোম্পানি যা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে। এটি মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসর ইউনিট (GPU) এবং চিপসেট তৈরি করে যা গেমিং, এআই, ডেটা সেন্টার এবং পেশাদার ভিজ্যুয়ালাইজেশনে ব্যবহৃত হয়। ১৯৯৩ সালে জেন-হুয়াং এবং তার সহকর্মীরা প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন, এবং তখন থেকে এটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। NVIDIA-এর সদর দফতর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি এবং GPU আর্কিটেকচারের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত, বিশেষ করে GeForce, Quadro এবং Tesla সিরিজের জন্য। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) যুক্তরাষ্ট্র।

• এনভিডিয়া (NVIDIA):

- বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার তথা ৪ লাখ কোটি ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া।
- মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তির চাহিদা বাড়তে থাকায় এই কোম্পানির শেয়ারদরও বেশ বেড়েছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এই কোম্পানিটি ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্যে পৌঁছায়।
- তারপর থেকে তাদের শেয়ারের দাম দ্রুত বাড়তে থাকে।

উল্লেখ্য,
- NVIDIA ১৯৯৩ সালে জেনসেন হুয়াং (Jensen Huang), ক্রিস মালাকোভস্কি (Chris Malachowsky), এবং কার্টিস প্রিয়েম (Curtis Priem) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার গ্রাফিক্স, গেমিং, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (AI) ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- NVIDIA-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য হলো GPU (Graphics Processing Unit), যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র-
- NVIDIA website.

৮৫.
VR সফটওয়্যারে, “6DoF” নিচের কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Six Degrees of Freedom 
  2. Six Data Operations
  3. Six Devices of Fidelity
  4. Six Dimensions of Function
সঠিক উত্তর:
Six Degrees of Freedom 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Six Degrees of Freedom 
ব্যাখ্যা

• VR সফটওয়্যারের “6DoF” হলো “Six Degrees of Freedom” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহারকারীর মুভমেন্ট বা অবস্থান বোঝায়। 6DoF ব্যবহারকারীর অবস্থা ছয়টি ভিন্ন দিক থেকে ট্র্যাক করতে সক্ষম: তিনটি অনুবর্তন (forward/backward, up/down, left/right) এবং তিনটি ঘূর্ণন (pitch, yaw, roll)। অর্থাৎ ব্যবহারকারী কেবল সামনে বা পিছনে নয়, উঁচু বা নিচে, বামে বা ডানে সরতে পারে, এবং একই সাথে তার মাথা বা দেহ ঘুরাতে পারে। এটি VR অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে এবং ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল জগতে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নেভিগেট করার ক্ষমতা দেয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Six Degrees of Freedom.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৮৬.
ক্রিপার ভাইরাসকে কোন ধরনের প্রোগ্রামের প্রথম উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়?
  1. স্পাইওয়্যার
  2. র‌্যানসমওয়্যার
  3. ট্রোজান
  4. কম্পিউটার ওয়ার্ম
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ওয়ার্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

• ক্রিপার ভাইরাসকে সাধারণত কম্পিউটার ওয়ার্ম (ঘ) হিসেবে ধরা হয়। এটি ১৯৭১ সালে রবার্ট থমাস দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি নিজেই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্যান্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। ক্রিপারের মূল কাজ ছিল নিজেকে কপি করে অন্য কম্পিউটারে পৌঁছে দেওয়া এবং একটি বার্তা প্রদর্শন করা, যা বলছিল “I’m the creeper, catch me if you can!”। এটি ব্যবহারকারীর ফাইল ক্ষতি বা অর্থনৈতিক ক্ষতির জন্য তৈরি হয়নি, বরং এটি কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের ধারণা প্রদর্শনের একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করেছিল। সুতরাং, ক্রিপারকে কম্পিউটার ওয়ার্মের প্রথম উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৮৭.
নিচের কোনটিকে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা যায়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Microsoft Excel
  3. Adobe Photoshop
  4. Microsoft Word
সঠিক উত্তর:
Microsoft Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Excel
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীদের ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ, গণনা, বিশ্লেষণ এবং চিত্রায়িত করার সুবিধা দেয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হিসাব, চার্ট, গ্রাফ তৈরি করা যায় এবং সূত্র ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল নির্ণয় করা যায়। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে, Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার। এটি সারি ও কলামে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে, ফর্মুলা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় হিসাব করতে সক্ষম এবং ব্যবহারকারীর জন্য বিশ্লেষণাত্মক চার্ট ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, Mozilla Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার এবং Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Microsoft Excel.

 
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.

২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.

৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮.
একটি অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) বলতে কী বোঝায়?
  1. ফাইল সিস্টেমের একটি ধরন
  2. ইনপুট বা আউটপুটের জন্য যন্ত্রাংশ
  3. ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়
  4. এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়
ব্যাখ্যা

• একটি অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা দেয়। শেলের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করা এবং সেই কমান্ড অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দেশ প্রদান করা। এটি একটি ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারী টেক্সট-ভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল কমান্ডের মাধ্যমে ফাইল ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম চালানো, এবং অন্যান্য সিস্টেম ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। সহজভাবে বলা যায়, শেল ব্যবহারকারী এবং OS-এর মধ্যে একটি মাধ্যম, যা ব্যবহারকারীকে OS-এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায় সরবরাহ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়।


​অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

Shell:
- Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সুযোগ দেয়।
- ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.

​Scheduler:
- CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।

API:
- সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।

Kernel:
- এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

​উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৮৯.
কোন লজিক গেট ব্যবহার করে একটি সাধারণ সিকিউরিটি সিস্টেম তৈরি করা যায় যা কেবল তখনই এলার্ম বাজায় যখন দুটি সেন্সর একসাথে সক্রিয় হয়?
  1. AND
  2. NOR
  3. NAND
  4. OR
সঠিক উত্তর:
AND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND
ব্যাখ্যা

• একটি সাধারণ সিকিউরিটি সিস্টেমের উদাহরণ ভাবুন যেখানে দুটি সেন্সর থাকে, যেমন দরজা এবং জানালার সেন্সর। আমাদের লক্ষ্য হলো এলার্ম কেবল তখনই বাজানো, যখন উভয় সেন্সর একসাথে সক্রিয় হয়। লজিক গেটের সাহায্যে এটি করা যায়। এখানে, AND গেট ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত, কারণ AND গেট কেবল তখনই আউটপুট দেয় “1” বা সক্রিয়, যখন এর সমস্ত ইনপুট “1” থাকে। অর্থাৎ, যদি এক সেন্সর সক্রিয় হয় কিন্তু অন্যটি না হয়, এলার্ম বাজবে না। তবে উভয় সেন্সর সক্রিয় হলে AND গেট আউটপুট “1” দেয় এবং এলার্ম চালু হয়। অন্য গেটগুলো যেমন OR, NAND বা NOR এই নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারে না। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) AND.
 
অ্যান্ড (AND) গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:
 

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০.
URL-এর 'http://www.xyz.com' অংশে '.com' অংশটিকে কী বলা হয়?
  1. IP Address
  2. Top-Level Domain (TLD)
  3. Directory
  4. Host Name
সঠিক উত্তর:
Top-Level Domain (TLD)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Top-Level Domain (TLD)
ব্যাখ্যা

• ডোমেইন নেম সিস্টেমের (DNS) ক্রমানুসারে একটি ডোমেইন নামের একদম ডানদিকের বা শেষের অংশটিকে Top-Level Domain (TLD) বলা হয়।
- এটি মূলত ওয়েবসাইটটির প্রকৃতি (যেমন বাণিজ্যিক বা শিক্ষা সংক্রান্ত) বা ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশ করে।
- এটি ডোমেইন সাফিক্স (Suffix) বা ডোমেইন এক্সটেনশন হিসেবেও পরিচিত।

- একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য দুইটি জিনিসের ধারণা থাকতে হবে, প্রথমটি হলো ডোমেইন নাম এবং দ্বিতীয়টি ওয়েব হোস্টিং।
- ডোমেইন নাম হলো একটি ওয়েবসাইটের নাম যেমন- youtube.com, google. com, Wikipedia.org ইত্যাদি।
- ডোমেইন নাম ক্লায়েন্ট কম্পিউটারকে ওয়েবসার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।
- প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের একটি নির্দিষ্ট আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) অ্যাড্রেস (যেমন- 180.102.434.8) থাকে।
- কিন্তু এধরনের সংখ্যা বা নিউমেরিক ভ্যালু মনে রাখা মানুষের জন্য কষ্টকর বিধায় এই আইপি অ্যাড্রেসকে নির্দিষ্ট ডোমেইন নাম বা ক্যারেক্টার দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডোমেইন নাম এর দুইটি অংশ থাকে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং টপ লেভেল ডোমেইন, যেমন- youtube.com-এর youtube হচ্ছে সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন এবং.com হচ্ছে টপ লেভেল ডোমেইন।
- একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের অংশ যে কয়টি থাকতে পারে সেভাবে লেভেল হবে। যেমন- টপ লেভেল, সেকেন্ড লেভেল, থার্ড লেভেল ইত্যাদি।
- www.example.gov.bd এখানে টপ লেভেল ডোমেইন.bd-এর আওতায় সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন হচ্ছে.gov এবং.gov.bd-এর আওতায় থার্ড লেভেল ডোমেইন হলো example.

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি। [২০২৩ সংস্করণ], ব্রিটানিকা। [link]

৯১.
ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কোন সেবার জন্য পরিচিত?
  1. ভিডিও স্ট্রিমিং
  2. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা
  4. ওয়েব হোস্টিং
সঠিক উত্তর:
কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• ক্লাউডফ্লেয়ার মূলত কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) এবং DDoS সুরক্ষার জন্য পরিচিত। এটি একটি ইন্টারনেট নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো কোম্পানি যা ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর দ্রুততা, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ক্লাউডফ্লেয়ারের CDN ব্যবহারকারীর নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট সরবরাহ করে লোড সময় কমায়, আর DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ করে ওয়েবসাইটকে অফলাইনে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি SSL, ফায়ারওয়াল এবং অন্যান্য সাইবার নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। তাই মূলত ক্লাউডফ্লেয়ার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স উন্নত করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়, শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং বা সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়।

- সঠিক উত্তর: গ) কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক এবং DDoS সুরক্ষা।

- সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী (অক্টোবর - নভেম্বর, ২০২৫) এ, AWS outage এবং Cloudflare outage জনিত সমস্যা দেখা যায়। 
- AWS outage → যে অ্যাপ বা ওয়েবসাইট AWS (Amazon Web Services)-এ হোস্ট করা, সেগুলো সাময়িকভাবে কাজ না করে।
- Cloudflare outage → Cloudflare-এর মাধ্যমে যেসব সাইট চলে, অনেকগুলো একসাথে সমস্যা করে।

• Cloudflare এবং কনটেন্ট ডেলিভারি ও ওয়েব সিকিউরিটি (Content Delivery & Web Security):
- Cloudflare মূলত একটি CDN (Content Delivery Network) ও ওয়েব সিকিউরিটি পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট দ্রুত ডেলিভারি করে, সার্ভারের লোড কমায় এবং DDoS, বট এটাক ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Cloudflare বিভিন্ন সার্ভিস দেয় যেমন CDN, DNS সার্ভিস, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল (WAF), SSL/TLS সাপোর্ট, এবং পারফরম্যান্স অপটিমাইজেশন।
- ফলে Cloudflare ওয়েব পারফরম্যান্স ও নিরাপত্তার জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।

উৎস:
- Cloudflare website.

৯২.
IEEE 802.11-এ RTS/CTS প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কোলিশন রোধ করা
  2. এনক্রিপশন উন্নত করা
  3. রেঞ্জ বাড়ানো
  4. সিগন্যালের শক্তি বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কোলিশন রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কোলিশন রোধ করা
ব্যাখ্যা

• IEEE 802.11-এ RTS/CTS (Request to Send / Clear to Send) প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কোলিশন রোধ করা। ওয়্যারলেস চ্যানেলে একাধিক ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করলে সংকেতের সংঘর্ষ (collision) ঘটতে পারে, বিশেষ করে “hidden node” সমস্যা থাকলে। RTS/CTS প্রক্রিয়ায়, একটি ডিভাইস আগে RTS বার্তা পাঠায়, যা প্রেরণ ইচ্ছার সংকেত দেয়। এরপর রিসিভার CTS বার্তা পাঠিয়ে অনুমতি দেয়। এটি নেটওয়ার্কে অন্য ডিভাইসকে জানায় যে চ্যানেলটি ব্যস্ত এবং এই সময় তারা প্রেরণ থেকে বিরত থাকবে। ফলে ডেটা কোলিশনের সম্ভাবনা কমে যায় এবং নেটওয়ার্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে কোলিশন রোধ করা।

 
• Wi-Fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.15

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ কী?
  1. গাড়ি চালানো
  2. সঙ্গীত শোনা
  3. খাবার তৈরি
  4. পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা 
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা 
ব্যাখ্যা

• একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ হল পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা। এই রোবটগুলি সাধারণত শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত হয় এবং তারা মানুষকে ভারী, ঝুঁকিপূর্ণ বা সময়সাপেক্ষ কাজ থেকে মুক্তি দেয়। যেমন: অ্যাসেম্বলি লাইন, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং বা প্যাকেজিং। এই রোবটগুলির প্রোগ্রাম অনুযায়ী নির্দিষ্ট ধাপ এবং কার্যাবলী বারবার সম্পন্ন হয়, ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং ত্রুটি কমে। অন্য দিকে, গাড়ি চালানো, সঙ্গীত শোনা বা খাবার তৈরি করা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের প্রধান কাজ নয়, এগুলো সাধারণত অন্যান্য বিশেষায়িত প্রযুক্তি বা ডিভাইসের জন্য উপযুক্ত।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করা।


• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯৪.
L, M এর চেয়ে বয়সে ছোট; P, O এর চেয়ে বয়সে বড়; O, N এর চেয়ে বয়সে বড়; M, O এর চেয়ে বয়সে ছোট; N, M এর চেয়ে বয়সে বড় হলে, বয়সে সবচেয়ে বড় কে?
  1. P
  2. N
  3. M
  4. L
সঠিক উত্তর:
P
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: L, M এর চেয়ে বয়সে ছোট; P, O এর চেয়ে বয়সে বড়; O, N এর চেয়ে বয়সে বড়; M, O এর চেয়ে বয়সে ছোট; N, M এর চেয়ে বয়সে বড় হলে, বয়সে সবচেয়ে বড় কে?

সমাধান:
L, M এর চেয়ে বয়সে ছোট → L < M
P, O এর চেয়ে বয়সে বড় → O < P
O, N এর চেয়ে বয়সে বড় → N < O
M, O এর চেয়ে বয়সে ছোট → M < O
N, M এর চেয়ে বয়সে বড় → M < N

অর্থাৎ, L < M < N < O < P

সুতরাং, বয়সে সবচেয়ে বড় হচ্ছে - P

৯৫.
আজ রাহাতের জন্মদিন। তার জন্মদিনের ৬৩ দিন পর তার বাবার জন্মদিন পালিত হয়। আজ শনিবার হলে রাহাতের বাবার জন্মদিন কোন দিন পালিত হবে?
  1. সোমবার
  2. শুক্রবার
  3. শনিবার
  4. রবিবার
সঠিক উত্তর:
শনিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনিবার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আজ রাহাতের জন্মদিন। তার জন্মদিনের ৬৩ দিন পর তার বাবার জন্মদিন পালিত হয়। আজ শনিবার হলে রাহাতের বাবার জন্মদিন কোন দিন পালিত হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
যেকোনো তারিখ হতে ৭ দিন পর পর (৮ম দিনে) একই বার পাওয়া যায়।
অর্থ্যাৎ, শনিবারের ৭ দিন পর বা ৮ম দিনে গিয়ে আবার শনিবার পাওয়া যাবে।

৬৩ দিনের পরের দিন = ৬৪ তম দিন
৬৪ দিন = (৭ × ৯) + ১ দিন

৬৪ তম দিন = শনিবার

সুতরাং, রাহাতের বাবার জন্মদিন শনিবার পালিত হবে।

৯৬.
1 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে এবং 2 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 4 নং গিয়ারটি ঘুরবে-
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. যেকোনো দিকেই হতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে এবং 2 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে 4 নং গিয়ারটি ঘুরবে-


 

সমাধান: 
- 1 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে,
2 নং গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

- 2 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে,
3 নং গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার দিকে।

- 3 নং গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে,
4 নং গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

সুতরাং, 4 নং গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

৯৭.
‘Canberra’-এর সাথে অস্ট্রেলিয়া যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে ‘Caracas’ -এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?
  1. Venezuela 
  2. Colombia
  3. Uganda
  4. Brazil
সঠিক উত্তর:
Venezuela 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Venezuela 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ‘Canberra’-এর সাথে অস্ট্রেলিয়া যেভাবে সম্পর্কিত, ঠিক সেভাবে ‘Caracas’ -এর সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?

সমাধান:
Canberra হলো অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী।
Caracas হলো ভেনেজুয়েলার রাজধানী।

অতএব, Caracas, Venezuela-র সাথে সম্পর্কিত।

অপশন আলোচনা:
ক) Venezuela - Caracas হলো Venezuela-এর রাজধানী। 
খ) Colombia - Colombia-র রাজধানী Bogotá.
গ) Uganda - Uganda-র রাজধানী Kampala.
ঘ) Brazil - Brazil-এর রাজধানী Brasília.

৯৮.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন চিত্রটি উপযুক্ত হবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কোন চিত্রটি উপযুক্ত হবে?

 
সমাধান:

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 4 নং চিত্রটি বসবে।

৯৯.
হাবিব একটি 5 × 5 গ্রিডের অঙ্কন করল। হাবিব তার বন্ধুকে বলল উক্ত গ্রিডের আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা নির্ধারন করতে। গ্রিডে বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা কত?
  1. 55
  2. 44
  3. 33
  4. 66
সঠিক উত্তর:
55
উত্তর
সঠিক উত্তর:
55
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হাবিব একটি 5 × 5 গ্রিডের অঙ্কন করল। হাবিব তার বন্ধুকে বলল উক্ত গ্রিডের আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা নির্ধারন করতে। গ্রিডে বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা কত?
  
সমাধান:
গ্রিডের ধরন:
হাবিবের 5 × 5 গ্রিড মানে:
- 5টি সারি এবং 5টি কলাম
- মোট সেল সংখ্যা = 5 × 5 = 25

বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা গণনা:
1 × 1 বর্গক্ষেত্র: মোট সেল = 5 × 5 = 25

2 × 2 বর্গক্ষেত্র: উপরের-বাম কোণ 4×4 গ্রিডে রাখা যায় → 4 × 4 = 16

3 × 3 বর্গক্ষেত্র: উপরের-বাম কোণ 3×3 গ্রিডে রাখা যায় → 3 × 3 = 9

4 × 4 বর্গক্ষেত্র: উপরের-বাম কোণ 2×2 গ্রিডে রাখা যায় → 2 × 2 = 4

5 × 5 বর্গক্ষেত্র: পুরো গ্রিড = 1

মোট বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা:
25 + 16 + 9 + 4 + 1 = 55

∴ গ্রিডে বর্গক্ষেত্রের সংখ্যা = 55

১০০.
"Delusional (Delulu)" শব্দের অর্থ কী? 
  1. আনন্দদায়ক
  2. কার্যকর
  3. গুরুত্বপূর্ণ
  4. বিভ্রান্তিকর
সঠিক উত্তর:
বিভ্রান্তিকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভ্রান্তিকর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "Delusional (Delulu)" শব্দের অর্থ কী? 

সমাধান:
- “Delusional” বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়ে থাকে “Delulu” শব্দটি মূলত মানসিক অবস্থা বা মনোভাব বোঝায়, যেখানে কেউ বাস্তবতার সঙ্গে মিল না খাওয়া কোনো বিশ্বাস বা ধারণা পোষণ করে। 
- অর্থাৎ, ব্যক্তিটি এমন কিছু বিশ্বাস করে যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয় বা সম্ভব নয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ ভাবতে পারে যে একটি পরিচিত ব্যক্তি তার প্রেমে পড়েছে, অথচ বাস্তবে তা ঘটেনি। 

- সোশ্যাল মিডিয়ায় “Delulu” অনেক সময় হাস্যরসের সঙ্গে ব্যবহার হয়, যেখানে বন্ধুরা বা ভক্তরা কারো অত্যন্ত অবাস্তব বা অতিরিক্ত আশা বা ফ্যান্টাসি নিয়ে কথা বলার সময় এই শব্দটি ব্যবহার করে।
- এটি মানসিক সমস্যা নয়, বরং কারও অতিমাত্রায় ভুল বিশ্বাসকে হালকাভাবে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- কথ্য ও অনলাইন সংস্কৃতিতে “Delulu” শব্দটি অনেক সময় হালকা-ফুলকা বা হাস্যরসাত্মক অর্থেও ব্যবহৃত হয়, তবে মূলত এটি ভুল ধারণা বা বিভ্রান্তিকর বিশ্বাস বোঝায়। 
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বিভ্রান্তিকর।

১০১.
যদি ঘ × K = 44 হয়, তবে জ × V = ?
  1. 178
  2. 176
  3. 182
  4. 186
সঠিক উত্তর:
176
উত্তর
সঠিক উত্তর:
176
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি ঘ × K = 44 হয়, তবে জ × V = ?

সমাধান:
 
 
ঘ × K = 4 × 11 = 44

একইভাবে, 
জ × V  = 8 × 22 = 176

১০২.
"বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।" -
এখানে, "উর্দি" শব্দের অর্থ কী? 
  1. ধনীদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
  2. পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
  3. যুবকদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
  4. কর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।" -
এখানে, "উর্দি" শব্দের অর্থ কী? 

সমাধান:
"বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি।" -

এখানে, "উর্দি" শব্দের অর্থ - কর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক। 

১০৩.
২৮৬ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য হয়:
  1. ৭৬ টাকা
  2. ৭৮ টাকা
  3. ৮০ টাকা
  4. ৮২ টাকা
সঠিক উত্তর:
৭৮ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৮৬ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য হয়:

সমাধান:
মোট অংশ = ২ + ৪ + ৫ = ১১
প্রতি অংশের মান = ২৮৬/১১ = ২৬

∴ ক্ষুদ্রতম অংশ = ২ × ২৬ = ৫২
∴ বৃহত্তম অংশ = ৫ × ২৬ = ১৩০

∴ পার্থক্য = ১৩০ - ৫২ = ৭৮ 

সুতরাং, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য = ৭৮ টাকা

১০৪.
ইলেভেন তার টেলিকাইনেটিক শক্তি ব্যবহার করে 20 কেজির একটি বাক্স উলম্বভাবে 5 মিটার উপরে তুললো। তিনি মাধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কত কাজ করেছেন? (g = 10 m/s2)
  1. 50 J
  2. 100 J
  3. 200 J
  4. 1000 J
সঠিক উত্তর:
1000 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000 J
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ইলেভেন তার টেলিকাইনেটিক শক্তি ব্যবহার করে 20 কেজির একটি বাক্স উলম্বভাবে 5 মিটার উপরে তুললো। তিনি মাধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কত কাজ করেছেন? (g = 10 m/s2)

সমাধান:
দেওয়া আছে:

বাক্সের ভর: m = 20 কেজি
উঁচুতে তোলা: h = 5 মিটার
অভিকর্ষজ ত্বরণ: g = 10 মি/সে2

মহাকর্ষের বিরুদ্ধে কাজের পরিমাণ:
W = m × g × h
⇒ W = 20 × 10 × 5
⇒ W = 1000 জুল

১০৫.
প্রদত্ত চিত্রটি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন সংখ্যক সরলরেখা কয়টি হবে? 
 
 
  1. 16
  2. 17
  3. 18
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রটি তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন সংখ্যক সরলরেখা কয়টি হবে? 

 
সমাধান:
চিত্রটি বিভিন্ন বর্ণ অনুযায়ী লেবেল করা হয়েছে।



অনুভূমিক রেখাগুলি হলো IK, AB, HG এবং DC: অর্থাৎ মোট 4 টি।

উল্লম্ব রেখাগুলি হলো AD, EH, JM, FG এবং BC:  অর্থাৎ মোট 5টি।

তির্যক রেখাগুলি হলো IE, JE, JF, KF, DE, DH, FC এবং GC: অর্থাৎ মোট 8টি।

সুতরাং, চিত্রটিতে মোট সরলরেখার সংখ্যা = ৪ + ৫ + ৮ = 17 টি।

১০৬.
হাসানের কাছে দশটি ৫০ পয়সার মুদ্রা, ৮টি ২৫ পয়সার মুদ্রা আছে। আর কয়টি ১০ পয়সার মুদ্রা হলে মোট ১০ টাকা হবে?
  1. ৩৫ টি
  2. ২০ টি
  3. ২৫ টি
  4. ৩০ টি
সঠিক উত্তর:
৩০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হাসানের কাছে দশটি ৫০ পয়সার মুদ্রা, ৮টি ২৫ পয়সার মুদ্রা আছে। আর কয়টি ১০ পয়সার মুদ্রা হলে মোট ১০ টাকা হবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
১০০ পয়সা = ১ টাকা

৫০ পয়সার মুদ্রায় মোট টাকা = (৫০/১০০) × ১০ = ৫ টাকা
২৫ পয়সার মুদ্রায় মোট টাকা = (২৫/১০০) × ৮ = ২ টাকা

৫০ পয়সা ও ২৫ পয়সায় মোট টাকা = ৫ + ২ টাকা
= ৭ টাকা

∴ ১০ টাকা হতে ১০ পয়সার মুদ্রা লাগবে = {১০ - ৭}/০.১০
= ৩/০.১০
= ৩০ টি

১০৭.
"UNUK" শব্দের বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. একটি সাগর
  2. একটি শহর 
  3. একটি প্রাণী
  4. একটি দেশ
সঠিক উত্তর:
একটি শহর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি শহর 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "UNUK" শব্দের বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?

সমাধান:
'UNUK' শব্দের বর্ণগুলোকে নতুন করে সাজালে 'NUUK' পাওয়া যাবে। 
গ্রিনল্যান্ডেরর রাজধানী শহর হচ্ছে NUUK.

১০৮.
ডটেড লাইন অনুসারে X চিত্রটি ভাঁজ করলে কোন চিত্রটি গঠিত হবে?
 
  1. 4
  2. 3
  3. 2
  4. 1
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ডটেড লাইন অনুসারে X চিত্রটি ভাঁজ করলে কোন চিত্রটি গঠিত হবে?
 
সমাধান: 

∴ 4 নং চিত্রটি পাওয়া যাবে।

১০৯.
খনার বচনে কী প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. বিজ্ঞান
  2. ব্যবসা
  3. আবহাওয়া
  4. প্রাচীন কৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়া
ব্যাখ্যা

• ডাক ও খনার বচন:
ডাক ও খনার বচনকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি বলে বিবেচনা করা হয়। এগুলো যে রূপে সৃষ্টি হয়েছে তাঁর কোন লিখিত নিদর্শন নেই এবং তা মুখে মুখে প্রচলিত থাকার ফলে তার ভাষাও হয়ে পরেছে আধুনিক যুগের মত। ছড়া জাতীয় এসব নমুনাকে লোকসাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

- ড. দীনেশচন্দ্র সেন ডাক ও খনার বচন রচনার কাল অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতক বিবেচনা করেছেন।
- ডাক ও খনার বচনের বিষয়বস্তুর মধ্যে ঐক্য থাকলেও ডাকের বচনে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা প্রাধান্য পেয়েছে।
- খনার বচনে - "কৃষি ও আবহাওয়ার" কথা প্রাধান্য পেয়েছে। 

• খনার বচনের একটি উদাহরণ নিম্নরূপ - 
'খাটে খাটায় লাভের গাঁতি।
তার অর্ধেক কাঁধে ছাতি।।
ঘরে বসে পুছে বাত।
তার ভাগ্যে হাভাত।।'

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।

১১০.
"নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।" - কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অন্তর্গত?
  1. বিদ্রোহী 
  2. ধূমকেতু
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. খেয়াপারের তরণী
সঠিক উত্তর:
খেয়াপারের তরণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খেয়াপারের তরণী
ব্যাখ্যা

• "নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।" - কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'খেয়াপারের তরণী' কবিতার অংশ।
--------------------------

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। 
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত। 

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- সাম্যবাদী,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা ইত্যাদি।

•'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ: 
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী  কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
 - কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।

খেয়াপারের তরণী- কবিতা,
কাজী নজরুল ইসলাম।

যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,
বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?
প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!
ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে!

নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!
মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!
নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,
ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে।

অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।
কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া; 'অগ্নিবীণা' কাব্য, কাজী নজরুল ইসলাম।

১১১.
কালীপ্রসন্ন সিংহের সৃষ্ট একটি বিখ্যাত চরিত্র-
  1. টেনিদা 
  2. দনুবানু
  3. ঘনাদা 
  4. ফেলুদা
সঠিক উত্তর:
দনুবানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দনুবানু
ব্যাখ্যা

কালীপ্রসন্ন সিংহ:
- বাংলা সাহিত্যে 'হুতোমী বাংলা' রীতির প্রবর্তক কালীপ্রসন্ন সিংহ।
- 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে কালীপ্রসন্ন সিংহ পরিচিত।
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন কলকাতার জোড়াসাকোয় ১৮৪০ সালে।
- 'হুতোমী বাংলা' ভাষা রীতি অনুসরণ করে তিনি সাহিত্য রচনা করেন।

হুতোম প্যাঁচার নকশা:
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের গোড়াপত্তনকালীন পর্যায়ে রচিত একটি গদ্য উপাখ্যান। কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা। গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
- যা তিনি 'হুতোম প্যাঁচা' ছদ্মনামে লিখেছেন।
- এটি মূলত ব্যঙ্গ-বিদ্রূপাত্মক সামাজিক নকশা জাতীয় রচনা।
- বিখ্যাত চরিত্র: দনুবানু।

কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ হলো:
- হুতোম প্যাঁচার নকশা,
- সংস্কৃত মহাভারতের গদ্য-অনুবাদ।

অন্যদিকে,
• ‘ফেলুদা', 'প্রফেসর শংকু’ সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টি করা অনন্য স্বকীয় চরিত্র।
• 'টেনিদা' নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এক অমর সৃষ্টি।
• প্রেমেন্দ্র মিত্রের সৃষ্ট চরিত্র ‘ঘনাদা'।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১১২.
জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৭ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৭ সালে
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন:
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজ জীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।

• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কিত আলোচনা:

- কবি জসীম উদ্‌দীন প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- তাঁর বিখ্যাত কবর কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৩.
"বিপ্রদাস পিপিলাই" - কোন ধারার কবি?
  1. মনসামঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা

• মনসামঙ্গল কাব্য ধারার কবি:
- কানাহরি দত্ত,
- নারায়ণদেব,
- বিজয়গুপ্ত,
- বিপ্রদাস পিপিলাই,
- দ্বিজ বংশীদাস,
- কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।

• চণ্ডীমঙ্গল ধারার কয়েকজন কবি:
- মানিকদত্ত,
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী,
- দ্বিজ মাধব,
- দ্বিজরাম দেব,
- মুক্তরাম সেন প্রমুখ।

• ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার কবি:
- ময়ূর ভট্ট,
- আদিরূপরাম,
- খেলারাম চক্রবর্তী,
- শ্যাম পণ্ডিত,
- ঘনরাম চক্রবর্তী,
- নরসিংহ বসু।

• 'অন্নদামঙ্গল’ ধারার কবি - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

১১৪.
"অন্তরে অমৃত না থাকলে মুখ দিয়ে এত গরল উগরে দিতে পারতো না।" - মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকে-উক্তিটি কোন দ্বৈততার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অনুযোগ-অভিমান
  2. প্রেম-ঘৃণা
  3. ধর্ম-অধর্ম
  4. রাগ-বিরাগ 
সঠিক উত্তর:
প্রেম-ঘৃণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম-ঘৃণা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: খ) প্রেম–ঘৃণা।

--------------------------
ব্যাখ্যা:

• উক্তিটি নাটকের প্রথম অঙ্কের দ্বিতীয় দৃশ্যে হিরণবালা (তরুণী) চরিত্রের মুখে উচ্চারিত হয়।

• উক্তিটি - "অন্তরে অমৃত না থাকলে মুখ দিয়ে এত গরল উগরে দিতে পারতো না।"

• মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকে উক্ত বাক্যটি গভীর মানসিক দ্বৈততা প্রকাশ করে— “অন্তরে অমৃত না থাকলে মুখ দিয়ে এত গরল উগরে দিতে পারতো না।”

এখানে—
- অমৃত → অন্তরের গভীর ভালোবাসা/প্রেম/আবেগ।
- গরল → বাহ্যিকভাবে প্রকাশিত কঠোরতা, তীব্র ভাষা, ঘৃণা।

অর্থাৎ,
চরিত্রটি বাইরে যতই বিষাক্ত ভাষা ব্যবহার করুক না কেন, তার অন্তরে আসলে এক ধরনের ভালোবাসা বা গভীর আবেগ কাজ করছে।
এই বিপরীত দুই অনুভূতির সহাবস্থানই হলো প্রেম–ঘৃণার দ্বৈততা।
-------------------
• ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকে উক্ত বাক্যটির প্রসঙ্গ:
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রাক্কালে দশোহরার উৎসবের রাতে ইব্রাহিম কার্দি তার স্ত্রী জোহরা বেগমকে ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় (কারণ সে মারাঠা বাহিনীর সাথে যুদ্ধে যোগ দেবে)। জোহরা এতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়ে কার্দিকে তীব্র কটু কথা বলে চলে যায়। কার্দি এই ঘটনা হিরণবালার কাছে বললে হিরণবালা বলেন:
“অন্তরে অমৃত না থাকলে মুখ দিয়ে এত গরল উগরে দিতে পারতো না।”
অর্থাৎ: জোহরার অন্তরে কার্দির প্রতি যদি গভীর প্রেম (অমৃত) না থাকতো, তাহলে তার মুখ থেকে এত তীব্র ঘৃণা, বিষাক্ততা ও কটুতা (গরল) বের হতো না।
নাট্যকার এখানে প্রেম ও ঘৃণার দ্বৈততা (love-hate duality) দেখিয়েছেন: প্রেম যত গভীর ও অমৃতময় হয়—বিচ্ছেদ, বিশ্বাসঘাতকতা বা স্বজাত্যবোধের কারণে তা ঘৃণায় রূপান্তরিত হয়ে আরও তীব্র ও বিষাক্ত হয়ে ওঠে।
জোহরার চরিত্রে এই দ্বৈততা সবচেয়ে স্পষ্ট—তার প্রেমের গভীরতাই ঘৃণাকে এত তীব্র করে তুলেছে।এটি নাটকের মানবিক সম্পর্কের ট্র্যাজিক দিকের একটি শক্তিশালী প্রতীক।

অন্য অপশন বিশ্লেষণ
ক) অনুযোগ-অভিমান → এটি প্রেমের মধ্যে সাধারণ রাগ-অভিযোগের মিশ্রণ; কিন্তু উক্তি “গরল” (বিষাক্ত, তীব্র ঘৃণা) বলে অনেক বেশি গভীর ও নেতিবাচক রূপান্তর দেখায়।
গ) ধর্ম-অধর্ম → নাটকের পুরো পটভূমিতে হিন্দু-মুসলিম দ্বন্দ্ব আছে, কিন্তু এই নির্দিষ্ট উক্তি সরাসরি প্রেম-ঘৃণার দ্বৈততা নিয়ে; ধর্মীয় দ্বন্দ্ব নিয়ে নয়।
ঘ) রাগ-বিরাগ → রাগ-বিরাগ প্রেমের অংশ হতে পারে, কিন্তু উক্তি প্রেমের অমৃত না থাকলে গরল বের হয় না—অর্থাৎ প্রেমের উপস্থিতিই ঘৃণার কারণ। এটি দ্বৈততা নয়, ফলাফল।

সুতরাং, উক্তিটি প্রেম-ঘৃণার দ্বৈততার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতীক।

উৎস: ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের প্রেক্ষাপট (কলেজ সংস্করণ); মুনীর চৌধুরীর সাহিত্যকর্ম; বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১৫.
সুকুমার বড়ুয়া বাংলা সাহিত্যের কোন শাখায় অবদানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত?
  1. ছোটোগল্প
  2. নাটক
  3. ছড়া
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
ছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছড়া
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) ছড়া।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
সুকুমার বড়ুয়া বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত ছড়াকার হিসেবে। তিনি মূলত শিশুসাহিত্য ও ছড়ার জগতে স্বতন্ত্র স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর ছড়ায়—
- শিশুমনের স্বাভাবিক কৌতুক ও কল্পনা;
- সহজ, সাবলীল ও সুরেলা ভাষা;
- ছন্দের নিপুণ ব্যবহার;
- শিক্ষামূলক অথচ আনন্দমুখর ভাব;
—স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

তিনি ছোটোগল্প বা উপন্যাস রচনায় পরিচিত নন, নাটক রচনাতেও তাঁর প্রধান খ্যাতি নেই। বরং ছড়ার মাধ্যমেই তিনি পাঠকসমাজে সুপরিচিত ও স্বীকৃত।
-----------------
• সুকুমার বড়ুয়া:

- জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানায়।
- ছড়া লিখে সুকুমার বড়ুয়া 'ছড়ারাজ', 'ছড়াশিল্পী', 'ছড়াসম্রাট' ইত্যাদি নানা অভিধায় অভিষিক্ত হয়েছেন।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৭ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে।
- মৃত্যু: ২ জানুয়ারি ২০২৬ সালে।

উল্লেখ্য,
সুকুমার বড়ুয়ার প্রথম বই - "পাগলা ঘোড়া" প্রকাশিত হয় ১৯৭০ সালে।
১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর ছড়ার বই - ভিজে বেড়াল।
আর ওই দুটি বইয়ের জন্যই তিনি ১৯৭৭ সালে অর্জন করেন ‘বাংলা একাডেমি শিশুসাহিত্য পুরস্কার’।

তাঁর ১৮টি বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য -
- পাগলা ঘোড়া,
- ভিজে বেড়াল,
- চন্দনা রঞ্জনার ছড়া,
- সুকুমার বড়ুয়ার ১০১টি ছড়া;
- এলোপাতাড়ি,
- নানা রঙের দিন,
- চিচিং ফাঁক । 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট; দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

১১৬.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ”উৎসর্গ” কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে। 
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী।
- ঠাকুর বাড়ির অনুকূল পরিবেশে শৈশবেই রবীন্দ্রনাথের কবি-প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। 
- ১৯০১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়।'
- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• উৎসর্গ' কাব্যগ্রন্থ:

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ”উৎসর্গ” একটি কাব্যগ্রন্থ।
- বিজ্ঞানাচার্য শ্রীযুক্ত জগদীশচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করা হয়।

- ১৯০৩-০৪- এ মোহিতচন্দ্র সেন যখন বিষয় অনুসারে ভাগ করে রবীন্দ্রনাথের কব্য সম্পাদনা করেছিলেন তখন রবীন্দ্রনাথ প্রত্যেকটি বিষয়ের জন্যে একটি প্রবেশক কবিতা রচনা করেন।
- সেই কবিতাগুলোর সঙ্গে পরে আরও ২৪টি কবিতা যোগ করে ”উৎসর্গ” কাব্য রচিত হয়।
- রচনাকাল হিসেবে উৎসর্গ কাব্য স্মরণ ও শিশু কাব্যগ্রন্থের সমসাময়িক।
- ভাবের দিক থেকে নৈবেদ্য ও খেয়া কাব্যের মাধ্যমিক।
- উৎসর্গের কবিতাগুলির অধিকাংশে কবি স্বরূপের পুনরাত্মপ্রকাশ লক্ষ করা যায়।
--------------------------------------

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চোখের বালি,
- গোরা,
- ঘরে বাইরে,
- যোগাযোগ,
- শেষের কবিতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- প্রভাতসঙ্গীত্
- মানসী;
- সোনার তরী;
- চিত্র;
- চৈতালী;
- কল্পনা;
- ক্ষণিকা;
- গীতাঞ্জলি;
- বলাকা;
- পুনশ্চ;

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
"নেজাম ডাকাতের পালা" - কোন ধরনের লোকসাহিত্য?
  1. মৈমনসিংহ গীতিকা 
  2. নাথগীতিকা
  3. পূর্ববঙ্গ-গীতিকা
  4. কবিগান 
সঠিক উত্তর:
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা
ব্যাখ্যা

• 'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা':
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন। পূর্ববাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালাগুলো সংগ্রহ করা হয়। এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীম উদ্‌দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।

পূর্ববঙ্গ-গীতিকাগুলো হলো:
- ভেলুয়া,
- মইষাল বন্ধু,
- কমলারাণী,
- দেওয়ান ঈসা খাঁ,
- নেজাম ডাকাতের পালা,
- ফিরোজ খাঁ দেওয়ান,
- আয়না বিবি,
- শ্যামরায়,
- শিলাদেবী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা রয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে,
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই), মলুয়া (চন্দ্রাবতী), চন্দ্রাবতী ও জয়চন্দ্র (নয়ানচাঁদঘোষ), কমলা (দ্বিজ ঈশান) কঙ্ক ও লীলা, রূপবতী, । নিজাম ডাকাতের পালা, কাফন চোরা, চৌধুরীর লড়াই, আয়না বিবি, ভেলুয়া ইত্যাদি পূর্ববঙ্গ গীতিকা উপাখ্যান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

১১৮.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর চর্যাগীতির পুথি আবিষ্কারের কত বছর পর নবচর্যাপদের অনুসন্ধান শুরু হয়?
  1. প্রায় ২৫ বছর
  2. প্রায় ৩০ বছর
  3. প্রায় অর্ধশতক বছর
  4. প্রায় এক শতক
সঠিক উত্তর:
প্রায় অর্ধশতক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় অর্ধশতক বছর
ব্যাখ্যা

• নবচর্যাপদ:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক চর্যাগীতির পুথি আবিষ্কারের প্রায় অর্ধশতক বছর পর ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত নেপাল থেকে ২০টি পুথি অবলম্বনে ২৫০টি চর্যাগীতি খুঁজে বের করেন।
- এগুলোর মধ্য থেকে ৯৮টি চর্যাগীতি নবচর্যাপদ নামে প্রকাশের উদ্যোগ নেন তিনি।
- কিন্তু তাঁর আকস্মিক মৃত্যু ঘটলে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে সেগুলো প্রকাশিত হয়।

এই গ্রন্থে সংকলিত চর্যাগীতিপুথির প্রথম ১৯টির রচনাকাল দশম থেকে দ্বাদশ শতক। পরবর্তী ৪৪টি চর্যাগীতি ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের রচনা। বাকি ৩৫টি চর্যাগীতির রচনাকাল পঞ্চদশ শতক।

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নবচর্যাপদগুলির বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতক সম্পর্কে সাধারণ ধারণা, বাংলা সাহেিত্যর তথাকথিত এই অন্ধকার কালপঠে এদেশে সাহিত্য রচিত হয় নি। কিন্তু নবচর্যাগীতিগুলি আবিষ্কারের পর এ প্রমাণ পাওয়া গেছে সেসময়ও সাহিত্য রচনা অব্যাহত ছিল।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ- ড. মাহবুবুল হক।

১১৯.
কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পাদনায় কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. মাসিক মোহাম্মদী
  2. লহরী
  3. হিতকরী
  4. নয়া সড়ক
সঠিক উত্তর:
হিতকরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিতকরী
ব্যাখ্যা

• 'হিতকরী' পত্রিকা:
- 'হিতকরী' পত্রিকা ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে এর সম্পাদক হন মোসলেম উদ্দীন খান।
- বাঙালি মুসলিমদের মাতৃভাষা বাংলাচর্চা এবং হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ও প্রবন্ধ ছাপা হয় পত্রিকাটিতে।

অন্যদিকে,
-----------------
• 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকা:
- মোহাম্মদী একটি বাংলা মাসিক পত্রিকা।
- ১৯০৩ সালের আগস্ট মাসে মোহাম্মদ আকরম খাঁর সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কিছুদিন বন্ধ থাকার পর ১৯২৭ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়।
- পরে আবার দুই বছর বন্ধ থাকার পর ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি ঢাকা থেকে পুনঃপ্রকাশিত হয় এবং ১৯৭০ সাল পর্যন্ত এর প্রকাশনা অব্যাহত থাকে।
- আকরম খাঁর পরে মুজিবুর রহমান খাঁ ও বদরুল আনাম খাঁ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী, আখতারুল আলম, আ.ন.ম গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ প্রমুখ তরুণ সাংবাদিক-সাহিত্যিক এর সম্পাদনা-সহযোগীর দায়িত্ব পালন করেন।

• 'লহরী' পত্রিকা:
- লহরী' নামক 'নানা বিষয়িনী কবিতাময়ী সমালোচনী পত্রিকা' মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় ১৯০০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- পত্রিকাটিতে কেবল কবিতাই প্রকাশিত হতো। সম্পাদক হিন্দু কবিগণের কবিতা স্থান দিতেন।
- 'লহরী'তে প্রকাশিত কবিতাগুলোর যে পরিচয় পাওয়া যায় তাতে, কবির আত্মগত ভাবকল্পনাকে আশ্রয় করে খণ্ড কবিতা, মুসলমানদের জাতীয় গৌরব, তুরস্কের মহিমা প্রভৃতি বিষয় অবলম্বনে এবং সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন সমস্যাকে অবলম্বন করে কবিতা দেখা যায়।' - পত্রিকাটি কিছুকাল পরেই অকালমৃত্যুর অধীন হয়েছিল।

• 'নয়া সড়ক' পত্রিকা:
- 'নয়া সড়ক' একটি বার্ষিক সাহিত্যপত্র।
- ১৯৪৮ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ হয় আবু জাফর শামসুদ্দীন ও মোহাম্মদ নাসির আলির যৌথ সম্পাদনায়।
- মনে করা হয়, ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের পর এটিই স্বাধীন পূর্ববাংলার প্রথম বাংলা সাহিত্যপত্র। পত্রিকার নামকরণেই বোঝা যায় নতুনের দিকে যাত্রার প্রত্যাশী ছিলেন আয়োজকগণ।
- এই সাহিত্যপত্রে মূলত মুসলিম লেখকদের লেখা ছিল। এই লেখকদের অনেকেই পরবর্তীকালে স্বনামে খ্যাত হয়েছিলেন। এই সাহিত্যপত্রটি আজ দুর্লভ।
- বাংলা একাডেমীর 'দুষ্প্রাপ্য' বিভাগে এর প্রথম সংখ্যাটি রক্ষিত আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২০.
‘নাটুকে নারায়ণ’ উপাধি কার?
  1. নারায়ণ দেব
  2. নারায়ণ পণ্ডিত
  3. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় 
  4. রামনারায়ণ তর্করত্ন
সঠিক উত্তর:
রামনারায়ণ তর্করত্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামনারায়ণ তর্করত্ন
ব্যাখ্যা

রামনারায়ণ তর্করত্ন:
- তিনি একজন নাট্যকার।
- ১৮২২ সালের ২৬ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার হরিনাভি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- বাংলা মৌলিক নাটক রচয়িতা হিসেবেই রামনারায়ণের মুখ্য পরিচয়।

• 'কুলীনকুলসর্বস্ব' নাটক সম্পর্কিত তথ্য:
- নাট্যকার হিসেবে রামনারায়ণ তর্করত্ন প্রভূত খ্যাতিলাভের পশ্চাতে রয়েছে তাঁর সামাজিক নাটক ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪) সালে অভিনয় সাফল্য লাভ করে।
- তাঁর ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটক তৎকালীন নাট্যসাহিত্যে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।
- ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটক রচনার জন্য রামনারায়ণ রংপুরের জমিদার কালীচন্দ্র রায়চৌধুরী ঘোষিত পঞ্চাশ টাকা পুরস্কার লাভ করেন।
- এই নাটকের মাধ্যমে দর্শকদের প্রবলভাবে মাতিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল।
- সে কারণে তিনি ‘নাটুকে নারায়ণ’ নামে খ্যাতি লাভ করেছিল।

রামনারায়ণ তর্করত্ন যেসকল নাটক অনুবাদ করেন:
- অভিজ্ঞান শকুন্তলা,
- রত্নাবলী,
- মালতীমাধব,
- বেণীসংহার।

রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত নাটক:
- রুক্ষ্মিণীহরণ,
- কংসবধ,
- ধর্মবিজয়।

উল্লেখ্য,
• ১৮৫২ সালে যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্তের ‘কীর্তিবিলাস’ এবং তারাচরণ শিকদারের ‘ভদ্রার্জুন’ নামক দুটি মৌলিক নাটক প্রকাশিত হয়। ‘কীর্তিবিলাস’ হচ্ছে বিয়োগান্ত নাটক রচনার প্রথম প্রচেষ্টা। আর ‘ভদ্রার্জুন’ ইংরেজি ও সংস্কৃতের যুক্ত আদর্শে রচিত প্রথম মৌলিক মধুরান্তিক বাংলা নাটক।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক কৃষ্ণকুমারী। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক।
-------------------------
অন্যদিকে,
• 'নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের' ছদ্মনাম 'সুনন্দ'।
- 'টেনিদা' নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এক অমর সৃষ্টি।

• নারায়ণ দেব:
- নারায়ণ দেব মধ্যযুগের মনসামঙ্গল কাব্যের একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি।
- কবি নারায়ণ দেবের উপাধি ছিল 'সুকবি বল্লভ'।
- তাঁর কাব্যের নাম 'পদ্মপুরাণ'।

• হিতোপদেশ গ্রন্থটি নারায়ণ পণ্ডিতের রচনা, যা তিনি পঞ্চতন্ত্রের অনুকরণে রচনা করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১২১.
‘আর্তনাদ’ উপন্যাসটি কার লেখা এবং কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. সেলিনা হোসেন, মুক্তিযুদ্ধ
  2. শওকত ওসমান, ভাষা আন্দোলন
  3. নীলিমা ইব্রাহীম, ভাষা আন্দোলন
  4. সৈয়দ শামসুল হক, মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান, ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান, ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• 'আর্তনাদ' উপন্যাস:
দেশভাগের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারে দগ্ধ জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ ঔপন্যাসিক শওকত ওসমানের লেখা উপন্যাসের নাম 'আর্তনাদ'।
- 'আর্তনাদ' শওকত ওসমান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস। এটি প্রথম ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীন প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনায় বেড়ে ওঠা জনগোষ্ঠী ও পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাচীন চিন্তাধারায় বিশ্বাসী ও ধর্মাশ্রয়ী শাসকগোষ্ঠীর আচরণ- এই দুই মেরুদণ্ডে গড়ে উঠেছে এ উপন্যাসের কাঠামো।

- অপেক্ষাকৃত দুর্বল মেরুদণ্ডটির ভাঙন শুরু হলো একুশের চেতনার মধ্য দিয়ে। যার ফলপ্রসূ সমাপ্তি ঘটল একাত্তরের বিজয়ের মধ্য দিয়ে।
- এ ভূখণ্ডে শহুরে সভ্যতার সূচনালগ্নের তরুণ আলী জাফর এই উপন্যাসের ব্যক্তি চরিত্র। আলী জাফরের মতো তখন গ্রাম ছেড়ে শহরে আসছে শত শত মানুষ, যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই।

• কয়েকটি ভাষা আন্দলন ভিত্তিক উপন্যাস:
- আরেক ফাল্গুন -জহির রায়হান,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি - সেলিনা হোসেন,
- যাপিত জীবন - সেলিনা হোসেন।
-------------

শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।

শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- নেকড়ে অরণ্য,
- দুই সৈনিক,
- জাহান্নম হইতে বিদায় এবং
- জলাঙ্গী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও 'আর্তনাদ' উপন্যাস শওকত ওসমান।

১২২.
"কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।" - চর্যাপদের ভাষার বৈশিষ্ট্য অনুসারে এই পঙ্‌ক্তিটিতে “পাঞ্চ বি ডাল” দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
  1. পাঁচটি ধর্মীয় পথ 
  2. পাঁচটি গুণ
  3. পাঁচটি ইন্দ্রিয়
  4. পাঁচটি তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি ইন্দ্রিয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচটি ইন্দ্রিয়
ব্যাখ্যা

• ''কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল
চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।।'' — পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা: লুইপা।
 — এটি চর্যাপদের প্রথম পদ।

• পদটির আধুনিক বাংলায় রূপান্তর এরকম — 
''কায়া তরুর মত, পাঁচটি তার ডাল
চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করেছে।।''

অন্তর্নিহিত ভাব:
মানুষের দেহকে একটি গাছের সাথে তুলনা করা হয়েছে , যার পাঁচটি শাখা হল পঞ্চ ইন্দ্রিয়। শরীরের পাঁচ ইন্দ্রিয় পাঁচটি ডালস্বরূপ। এই পঞ্চেন্দ্রিয় দ্বারা বাইরের বস্তুজগতের সঙ্গে মানুষের নিত্য জানাশোনার পালা চলছে।য় (চোখ, কান, নাক, জিহ্বা, ত্বক)।
অর্থ্যাৎ, 
চর্যাপদের গূঢ়/রহস্যমূলক ভাষায় “তরু”= দেহ, “ডাল/শাখা”= ইন্দ্রিয়। চর্যাপদের ভাষার বৈশিষ্ট্য অনুসারে “পাঞ্চ বি ডাল” বলতে দেহ-তরুর — পাঁচটি ইন্দ্রিয় (চক্ষু, কর্ণ, ঘ্রাণ, জিহ্বা, ত্বক) বোঝানো হয়েছে।
--------------------
'লুইপা' সম্পর্কিত তথ্য:
- তিনি প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের কবি ছিলেন।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত ছিলেন।
- তিনি চর্যাপদে — দুটি পদ লিখেছেন।
- লুইপা চর্যাপদের — ১ ও ২৯ নং পদ রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; চর্যাগীতিকা- মুহম্মদ আদুল হাই ও আনোয়ার পাশা; চর্যাগীতি পাঠ- ড. মাহবুবুল হক।

১২৩.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত "How to Cook Beans" গ্রন্থটির সাহিত্যিক প্রকৃতি কী?
  1. প্রবন্ধ 
  2. উপন্যাসিকা
  3. ছোটোগল্প
  4. ব্যঙ্গ-রচনা 
সঠিক উত্তর:
উপন্যাসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাসিকা
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে তাঁর জন্ম।
- পিতা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফরাসি নাগরিক এ্যান মেরির সঙ্গে ওয়ালীউল্লাহ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন।
- মিসেস মেরি ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু' ফরাসি ভাষায় অনুবাদ করেন।
- পরবর্তীতে এটি Tree Without Roots নামে ইংরেজিতেও অনূদিত হয়।
- আবু শরিয়া ছদ্মনামে তিনি ইংরেজিতেও উপন্যাস/গল্প লিখেছেন। তাঁর এমন একটি উপন্যাস কদর্য এশীয় আর একটি উপন্যাসিকা শিম কীভাবে রান্না করতে হয়। দুটিরই অনুবাদক শিবব্রত বর্মন।

• 'শিম কীভাবে রান্না করতে হয়':
- "হাউ টু কুক বিনস" (How to Cook Beans) - একটি উপন্যাসিকা যা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ লিখেছেন।
- তিনি আবু শারিয়া (Abu Sharya) ছদ্মনামে লিখেন ''How to Cook Beans''.
- এর মূল চরিত্র এক প্রাচ্যবাসী, গল্পের কথকও তিনি।

এক আলিশান এশিয়ান হোটেলের ডাইনিং রুমে বসে প্রাচ্যবাসী দেখলেন, এক ফরাসি ভদ্রলোক ওয়েটারকে ধমকে বলছেন, শিম এভাবে রাঁধতে হয় না, শেফকে ডাকুন। হন্তদন্ত হয়ে হোটেলের শেফ এলেন।ফরাসি ভদ্রলোক তাঁকে শিম রান্নার কৌশল বাতলে দিলেন। প্রাচ্যবাসী এর কিছু বুঝতে পারলেন না। তিনি আকস্মিকভাবে ঠিক করলেন, যে দেশের মানুষ নিখুঁতভাবে শিম রাঁধতে জানে, তাঁকে সেই দেশে যেতে হবে।শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর ফরাসি দেশে অভিযাত্রার কৌতুককর বর্ণনা দিয়েছেন লেখক।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর।
- তরঙ্গভঙ্গ।
- সুড়ঙ্গ।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- লালসালু।
- চাঁদের অমাবস্যা।
- কাঁদো নদী কাঁদো।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা।
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'শিম কীভাবে রান্না করতে হয়' উপন্যাসিকা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২৪.
"তুমি বই আর কেউ আসেনি।" - এখানে 'বই' কী?
  1. বিশেষ্য
  2. যোজক
  3. অনুসর্গ
  4. বলক
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুসর্গ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) অনুসর্গ।

ব্যাখ্যা:
বাক্যটি: “তুমি বই আর কেউ আসেনি”।
- এখানে ‘বই’ শব্দটি একটি অনুসর্গ হিসেবে কাজ করছে।

অনুসর্গের কাজ:
বিশেষ্য/সর্বনামের পরে বসে তার সঙ্গে অন্য শব্দের সম্পর্ক স্থাপন করে (যেমন: সঙ্গে, সহ, ছাড়া, বাদে ইত্যাদি)।
এখানে ‘বই’ অর্থ ‘ছাড়া’ / ‘ব্যতীত’ / ‘সমেত নয়’।
অর্থাৎ: তুমি ছাড়া আর কেউ আসেনি।
বাংলা ব্যাকরণে ‘বই’ একটি সাধারণ অনুসর্গ (অনুসর্গের মধ্যে অন্যতম প্রচলিত)।

• বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে: প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, পর্যন্ত, মতো, নামে, পানে, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, ভিতর, পাছে, চেয়ে ইত্যাদি।


উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ); বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৫.
"তালাচাবি" কোন ভাষার শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত?
  1. আরবি + তৎসম
  2. আরবি + আরবি
  3. বাংলা + পর্তুগিজ
  4. ফারসি + আরবি
সঠিক উত্তর:
বাংলা + পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা + পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'তালাচাবি' শব্দটি "বাংলা (তালা) এবং পর্তুগিজ (চাবি) শব্দের সংমিশ্রণে গঠিত।

•  'তালাচাবি' শব্দের অর্থ:
- বাক্স, কপাট প্রভৃতি খোলার সরঞ্জাম।

আরো কয়েকটি মিশ্র ভাষার শব্দ: 
আদমশুমারি = আরবি + ফারসি,
হেড - মৌলবি = ইংরেজি + আরবি,
ওকালতনামা = আরবি + ফারসি, 
রাজা-উজির =  তৎসম + আরবি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১২৬.
"ভাঁড়ে মা ভবানী" অর্থ - 
  1. স্থূল রসিকতা
  2. শূন্য ভাণ্ডার
  3. ভাঁড়ের আচরণ
  4. ক্ষুদ্র মাটির ভাণ্ড
সঠিক উত্তর:
শূন্য ভাণ্ডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ভাণ্ডার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শূন্য ভাণ্ডার।
--------------------------
ভাঁড়: (বিশেষ্য) ক্ষুদ্র মাটির ভাণ্ড (ভাঁড়ে যদি জল খায়-দাশরথি রায়)।
ভাঁড়: ভাঁড়ে মা ভবানী- শূন্য ভাণ্ডার।
ভাঁড়ানো  : ভাঁড়ের আচরণ; স্থূল রসিকতা।
সেলাম: সেলাম-গাহ (বিশেষ্য) যেখানে দাঁড়িয়ে আগত ব্যক্তি রাজাকে সালাম করে (ভাঁড়ে করে ভাঁড়াই নর্তকে নাচে গায়।

ব্যাখ্যা:
বাগ্‌ধারা “ভাঁড়ে মা ভবানী” এর অর্থ হলো — শূন্য ভাণ্ডার / অর্থশূন্যতা / কিছুই না থাকা / খালি হাত।
- এই বাগধারা ব্যবহার করা হয় যখন কারো কাছে কোনো সম্পদ, অর্থ, সামর্থ্য বা সাহায্য একেবারেই থাকে না।
অর্থাৎ, ভাঁড়ে (পাত্রে) কোনো কিছু নেই, তাই দেবী ভবানীও (মা লক্ষ্মী) সেখানে বসবাস করেন না।
লোকমুখে এর অর্থ: “ভাঁড় খালি থাকলে মা ভবানীও থাকেন না” — অর্থাৎ টাকা-পয়সা/সম্পদ না থাকলে লক্ষ্মী থাকেন না।
উদাহরণ:
“তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এখন ভাঁড়ে মা ভবানী।” (অর্থ: একদম খালি, কিছুই নেই)।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯); বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২৭.
"Erudite" এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. বাজেয়াপ্ত করা 
  2. পাণ্ডিত্যপূর্ণ
  3. গুপ্তচরবৃত্তি 
  4. অতিভোজন 
সঠিক উত্তর:
পাণ্ডিত্যপূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাণ্ডিত্যপূর্ণ
ব্যাখ্যা

• "Erudite" এর বাংলা পরিভাষা- পাণ্ডিত্যপূর্ণ।
------------------------
• 'Erudite' (adjective):
English Meaning: Having or showing a lot of knowledge, especially from reading and studying.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) পাণ্ডিত্যপূর্ণ।

অন্যদিকে,
- Escheat- বাজেয়াপ্ত করা;
- Espionage- গুপ্তচরবৃত্তি;
- Over eating- অতিভোজন।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।

১২৮.
"পুরান চাল ভাতে বাড়ে।"- এখানে ভুল ঘটেছে-
  1. অর্থ ও বচনের 
  2. বানান ও প্রত্যয়ের 
  3. অর্থ ও প্রত্যয়ের
  4. বানান ও বিভক্তির
সঠিক উত্তর:
বানান ও বিভক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানান ও বিভক্তির
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বানান ও বিভক্তির।

ব্যাখ্যা:
বাক্যটি হলো: “পুরান চাল ভাতে বাড়ে।” এই বাক্যে দুটি প্রধান ভুল রয়েছে: বানান এবং বিভক্তি সংক্রান্ত।

এখানে ভুল হয়েছে দুই জায়গায়:

১. বানানের ভুল- "পুরান" ভুল বানান।
সঠিক বানান: পুরাণ (তৎসম শব্দ, অর্থ: পুরাতন/পুরোনো)। বাংলা একাডেমি অভিধান ও প্রমিত বানানে "পুরাণ"ই সঠিক।

২. বিভক্তির ভুল "পুরাণ চালে" এবং "ভাত বাড়ে"  হবে সঠিক রূপ।

এখানে বলা উচিত:
পুরাণ চালে ভাত বাড়ে।

সঠিক বাক্য: "পুরাণ চালে ভাত বাড়ে।" (অর্থ: পুরোনো চাল রান্না করলে ভাতের পরিমাণ বেশি হয়।)

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২৯.
"কল-কারখানা" - কোন অর্থে দ্বন্দ্ব সমাস হয়েছে?
  1. সমার্থে
  2. মিলনার্থে
  3. বিরোধার্থে
  4. বিপরীতার্থে
সঠিক উত্তর:
সমার্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমার্থে
ব্যাখ্যা

দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে সমাসে প্রত্যেক সমস্যমান পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।

সমার্থক শব্দযোগে গঠিত দ্বন্দ্ব সমাস:
- হাট-বাজার,
- ঘর-দুয়ার,
- কল-কারখানা,
- মোল্লা-মৌলভী,
- খাতা-পত্র,
- কাগজ-পত্র ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রায় সমার্থক ও সহচর শব্দযোগে দ্বন্দ্ব সমাস:
যেমন:
• দয়া-মায়া,
• কাপড়-চোপড়,
• ধূতি-চাদর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৩০.
'আমাদের এখনই এ কাজটি শুরু করা উচিত।'- এখানে 'এখনই' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই'-এর ব্যাকরণিক পরিচয় কোনটি?
  1. যোজক 
  2. প্রত্যয়
  3. বলক
  4. বিভক্তি 
সঠিক উত্তর:
বলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বলক।

'আমাদের এখনই এ কাজটি শুরু করা উচিত।'- এখানে 'এখনই' শব্দের সাথে যুক্ত 'ই'- হলো বলক।
--------------
• বাংলা ব্যাকরণে, শব্দ গঠনের বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যেমন উপসর্গ, প্রত্যয়, ধাতু, এবং বলক।

• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে।
যেমন -
'তখনই' বা ‘এখনও' পদের 'ই' বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

অন্য অপশন,

উপসর্গ:
- যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে।
যেমন-
- অজানা (অ + জানা), অভিযােগ (অভিযােগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের ‘অ’, ‘অভি’, ‘বে’ হলাে উপসর্গ।

• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন -
→ বাঘ + আ = বাঘা।
→ দিন + ইক = দৈনিক।
উপরের উদাহরণে 'আ' ও 'ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং 'বাঘা' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
যেমন: ‘লিখ্‌ + আ = লিখা; এখানে, লিখ্‌ হলো ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৩১.
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সে অনুসারে, 'আ' - কোন ধরনের স্বরধ্বনি?
  1. উচ্চ স্বরধ্বনি
  2. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
  3. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
  4. নিম্ন স্বরধ্বনি
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্বরধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা

• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সে অনুসারে, 'আ'- নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি।

------------------------
• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- উচ্চ স্বরধ্বনি [ই], [উ];
- উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি [এ], [ও];
- নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি [অ্যা], [অ];
- নিম্ন স্বরধ্বনি [আ]।
উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

উল্লেখ্য,
• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খােলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।
সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট বেশি খােলে।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২২ সংস্করণ)।

১৩২.
'ধৃষ্ট' - এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পণ্ড
  2. শ্লথ
  3. বিলম্ব
  4. নম্র
সঠিক উত্তর:
নম্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নম্র
ব্যাখ্যা

• 'ধৃষ্ট' - এর বিপরীতার্থক শব্দ - নম্র / বিনয়ী।

অন্য অপশনের বিপরীতার্থক শব্দ:
• 'সফল' - পণ্ড।
• ‘শ্লথ’ - ত্বরিত।
• ‘আশু’ - বিলম্ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ১৯ সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩৩.
'অঞ্চল' শব্দের দ্বারা 'শাড়ির পাড়' না বুঝিয়ে 'এলাকা' বোঝালে অর্থের কী ধরনের পরিবর্তন হয়?
  1. অর্থ প্রসার 
  2. অর্থ বদল
  3. অর্থের ভাবার্থ
  4. অর্থ সংকোচ
সঠিক উত্তর:
অর্থ প্রসার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ প্রসার 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) অর্থপ্রসার।
------------- 
অর্থপ্রসার:
একটি শব্দ পূর্বে যে অর্থ প্রকাশ করতো, তার থেকে আরো ব্যাপক অর্থ প্রকাশ করলে বুঝতে হয়অর্থপ্রসার ঘটেছে।
যেমন,
- 'অঞ্চল' শব্দের মূল অর্থ শাড়ির পাড় । অঞ্চল থেকে উদ্ভূত আঁচল শব্দটি এখনও তা নির্দেশ করে। তবে অঞ্চল শব্দটি এখন শাড়ির পাড় নির্দেশের পাশাপাশি 'এলাকা' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
একইভাবে 'বর্ষ' শব্দের পূর্ববর্তী অর্থ বর্ষাকাল, প্রসারিত অর্থ 'বছর' (ছয় খতু সংবলিত) ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৩৪.
'জীবনে স্বার্থকতা অর্জন করতে চাইলে সংকীর্নতার উর্ধে উঠতে হবে, সব অপগুণগুলো বিসর্জন দিতে হবে। - বাক্যটিতে বানান ভুলের সংখ্যা-
  1. চার
  2. পাঁচ
  3. তিন 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
তিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) তিন।

-------------- 
বাক্যটিতে - ৩টি বানান ভুল আছে। 
১. স্বার্থকতা এর শুদ্ধ বানান → সার্থকতা।
 
২. সংকীর্নতার এর শুদ্ধ বানান → সংকীর্ণতার।
- ণ-ত্ব বিধি অনুসারে 'ঋ, র, ষ' এর পরে 'ণ' হবে।
 
৩. উর্ধে এর শুদ্ধ বানান → ঊর্ধ্বে।
- ঊর্ধ্ব শব্দে 'ধ্ব' যুক্তাক্ষর আছে
 
• সংশোধিত বাক্য:
"জীবনে সার্থকতা অর্জন করতে চাইলে সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে, সব অপগুণগুলো বিসর্জন দিতে হবে।"
 
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩৫.
কোন বাক্যটিতে সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ছেলেরা নিজেরা নিজেরা খেলছে।
  2. একজন এসে খবরটা দিলো।
  3. প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
  4. যেমন গুরু তেমন শিষ্য।
সঠিক উত্তর:
যেমন গুরু তেমন শিষ্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেমন গুরু তেমন শিষ্য।
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) যেমন গুরু তেমন শিষ্য।
------------------
সাপেক্ষ সর্বনাম:

- পরস্পর নির্ভরশীল দুটি সর্বনামকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে।
যেমন:
- যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন (যেমন কর্ম তেমন ফল) ইত্যাদি।

বাক্যটি - ঘ) যেমন গুরু তেমন শিষ্য।
- এখানে যেমন-তেমন = সাপেক্ষ সর্বনাম।
- একটি বাক্যাংশ অপরটির উপর নির্ভরশীল।

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
ক) ছেলেরা নিজেরা নিজেরা খেলছে।
- নিজেরা নিজেরা = আত্মবাচক সর্বনাম।

খ) একজন এসে খবরটা দিলো।
- একজন = অনির্দিষ্ট সংখ্যাবাচক সর্বনাম।

গ) প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
- স্বয়ং = আত্মবাচক সর্বনাম (নিজে, স্বশরীরে)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

১৩৬.
"ওকে দুই কথা শুনিয়ে দিয়েছি।" - এখানে 'কথা' শব্দটি কী নির্দেশ করে?
  1. উক্তি
  2. কাহিনি
  3. পরামর্শ
  4. কটুবাক্য
সঠিক উত্তর:
কটুবাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কটুবাক্য
ব্যাখ্যা

• কথা শব্দটি দিয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা যায়।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
"ওকে দুই কথা শুনিয়ে দিয়েছি।" - এখানে 'কথা' শব্দটি দিয়ে - "কটুবাক্য" নির্দেশ করে।




উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩৭.
কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়?
  1. বর্ধমান 
  2. দারোয়ান
  3. ঘরামি
  4. হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) হাসপাতাল।
---------
খ) হাসপাতাল:
এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত নয়। ‘হাসপাতাল’ ইংরেজি hospital শব্দ থেকে এসেছে। এটি একটি অবিকৃত বিদেশি শব্দ, যা কোনো প্রত্যয় যোগে গঠিত নয়।

ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে, প্রত্যয় হলো এমন শব্দাংশ যা কোনো শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে বা শব্দের অর্থ বা ভাব পরিবর্তন করে।
 
অন্যান্য বিকল্প (প্রত্যয়যোগে গঠিত):

ক) বর্ধমান-
- √বৃধ্ (ধাতু) + মান (শানচ্‌) (প্রত্যয়) = বর্ধমান।
অর্থ: যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খ) দারোয়ান- 
- দার + ওয়ান (প্রত্যয়) = দারোয়ান।
অর্থ: দারপাল, দ্বাররক্ষী।

গ) ঘরামি-
- ঘর + আমি (প্রত্যয়) = ঘরামি।
অর্থ: ঘর তৈরির মজুরি বা খরচ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩৮.
"সুবর্ণ > স্বৰ্ণ" - কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. স্বরাগম
  2. স্বরলোপ
  3. সম্প্রকর্ষ
  4. খ এবং গ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন - বসতি > বস্‌তি, জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

ক. আদিস্বরলোপ (Aphesis): যেমন - অলাবু > লাবু > লাউ, উদ্ধার > উধার > ধার।
খ. মধ্যস্বর লোপ (Syncope): অগুরু > অগ্রু, সুবর্ণ > স্বৰ্ণ ।
গ. অন্ত্যস্বর লোপ (Apocope): আশা > আশ, আজি > আজ, চারি > চার (বাংলা), সন্ধ্যা > সঞঝা > সাঁঝ।

উল্লেখ্য,
- স্বরলোপ বস্তুত স্বরাগমের বিপরীত প্রক্রিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৩৯.
The word 'juvenile' is a/an—
  1. noun
  2. adjective
  3. adverb
  4. both noun and adjective
সঠিক উত্তর:
both noun and adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
both noun and adjective
ব্যাখ্যা

• The word 'juvenile' is- Both noun and adjective.

• Juvenile (noun)

- English Meaning: a young person: youth.
- Bangla Meaning: তরুণ স্বল্পবয়স্ক ব্যক্তি।

- Example: He was still a juvenile when the crime was committed.

• Juvenile (adjective)
- English Meaning: relating to a young person who is not yet old enough to be considered an adult.
- Bangla Meaning: তরুণসুলভ; কৈশোরক, তরুণ বা কিশোরদের পাঠোপযোগী।

- Example:  She criticized his juvenile behavior at the party.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৪০.
Something which is obnoxious indicates that it is-
  1. Very dangerous
  2. Very ugly
  3. Very unpleasant
  4. Very pleasant
সঠিক উত্তর:
Very unpleasant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very unpleasant
ব্যাখ্যা

→ (16th BCS Preli)
• Something which is obnoxious indicates that it is very unpleasant.

• Obnoxious (adjective)
- English Meaning: very unpleasant or rude; highly offensive.
- Bangla Meaning: নোংরা; অত্যন্ত আপত্তিকর।

অন্যদিকে,
• Perilous (adjective)
- English Meaning: Extremely dangerous.
- Bangla Meaning: অত্যন্ত বিপজ্জনক।

• Hideous (adjective)
- English Meaning: Extremely ugly.
- Bangla Meaning: অতি কুৎসিত; কদাকার; করাল; করালদর্শন; বীভৎস; ভয়ানক; বিকট; উৎকট।

• Delightful (adjective)
- English Meaning: Very pleasant
- Bangla Meaning: অত্যন্ত আনন্দদায়ক; আনন্দকর।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৪১.
You've spelled my name wrong.
Here, the underlined word is-
  1. An adverb
  2. A noun
  3. An adjective
  4. A verb
সঠিক উত্তর:
An adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An adverb
ব্যাখ্যা

• You've spelled my name wrong.
- Here, the underlined word is an adverb.

- Here, wrong = in an incorrect way → modifies the verb “spelled”.
- অর্থাৎ, এই বাক্যে “wrong” শব্দটি 'spelled' verb টিকে describe করছে।
- It describes how the action (spelled) was done.

- যেসব Word কোনো verb, adjective, or other adverb-কে describe/modify করে সেগুলো হলো- adverb.

• Wrong (adverb)
- English Meaning: in a way that is not correct.
- Bangla Meaning: ভুলভাবে (সাধারণত শব্দ বা বাক্যের শেষে প্রযুক্ত)।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৪২.
Pick out the incorrectly spelt word.
  1. Transliteration
  2. Transfiguration
  3. Transluscent
  4. Transparent
সঠিক উত্তর:
Transluscent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transluscent
ব্যাখ্যা

• The incorrectly spelt word is- গ) Transluscent.
- The correct spelling is 'translucent' (with -cent, not -scent).

• Translucent (adjective) 
- English Meaning: allowing light to pass through but not completely clear.
- Bangla Meaning: আলোকপ্রবাহী কিন্তু অস্বচ্ছ।

- অন্যদিকে, অন্য শব্দগুলোর spelling সঠিক।
ক) Transliteration - প্রতিবর্ণীকরণ।

খ) Transfiguration - রূপান্তর।

ঘ) Transparent - আলোকভেদ্য; নির্ভুল; সন্দেহহীন।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৩.
What's that you say?
In this sentence, “that” is a/an-
  1. Pronoun
  2. Conjunction
  3. Adjective
  4. Determiner
সঠিক উত্তর:
Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronoun
ব্যাখ্যা

• What's that you say?
- In this sentence, “that” is a Pronoun.

- 'that' এখানে demonstrative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- মূলত আগে কিছু বলা হয়েছে (thing you say) সেটি বুঝাতে pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- প্রশ্ন করা হচ্ছে: "What is that thing (that) you say?"
- অর্থাৎ, "That" এখানে কোনো কিছু point out/indicate করছে।

• Demonstrative Pronoun:
- ব্যক্তি বা বস্তুকে এটি, ওটি, এগুলি, ওইগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয়, তাই এই শব্দগুলোকে demonstrative pronoun বলে।
- Pronouns that point to specific things (বস্তুর ক্ষেত্রে) : ‘‘This is an apple’’, “That is my computer’’
- We can use this/that to introduce people. (ব্যক্তির ক্ষেত্রে) For example, “Who is that?’’ “That is Peter.’’

- তাই, সঠিক উত্তর হলো- pronoun.

অন্যদিকে, 
• That শব্দটি determiner, pronoun, conjunction, adjective এবং adverb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

• That শব্দটি determiner (adjective) হবে যদি এটি কোন noun -কে নির্দেশ করে (সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি)।
- যেমন: That dress of hers is too short.

• That শব্দটি adjective হবে যদি এটি কোন noun-কে modify করত।
- যেমন: That house is mine.

• That শব্দটি adverb হতে পারে। যেমন: Do not go that far.
- এখানে far একটি adverb এবং that শব্দটি এই adverb -কে modify করছে।

• That শব্দটি conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- যেমন: The weather was so bad that I kept indoors.
- এখানে, that relative clause এর শুরুতে বসে দুটি বাক্যকে যুক্ত করেছে।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৪.
He is a leader to depend on.
The underlined part is-
  1. a noun phrase
  2. an adjective phrase
  3. a prepositional phrase
  4. an adverbial phrase
সঠিক উত্তর:
an adjective phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
an adjective phrase
ব্যাখ্যা

• He is a leader to depend on.
- Here, the underlined part is an adjective phrase.

- সে এমন নেতা, যার উপর নির্ভর করা যায়।
- এখানে underlined phrase টি ‘leader’- noun টিকে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase হয়েছে।

• এখানে- 'To' হচ্ছে infinitive marker, Preposition নয়। তাই, Underlined Phrase টিকে prepositional phrase বলা যাবে না।
- In English grammar, the "infinitive marker" is the word "to" that is used before a verb to form the infinitive form of that verb.
- অর্থাৎ, "to depend on" হলো infinitive phrase যা noun "leader" কে modify করার কারণে adjective phrase হিসেবে কাজ করছে।

• More examples:
- He is a man to be trusted.
- This is a book to learn from.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ, কোনো Noun/Pronoun -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Noun/pronoun -এর পর যদি কোনো phrase বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাহলে সেটি Adjective phrase হবে।

অন্যদিকে, 
• Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- যেমন: She bought a very beautiful gift. (verb এর object হিসেবে)

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত verb -কে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কীভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.
- যেমন: Last month he received the mail.

• Prepositional Phrase:
- A prepositional phrase consists of a preposition followed by its object (usually a noun phrase).
- যে phrase - preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb -এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।
- যেমন: We were waiting for the train.

১৪৫.
Identify the antonym for 'Insurgent':
  1. Confident
  2. Obedient
  3. Revolutionary
  4. Sincere
সঠিক উত্তর:
Obedient
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Obedient
ব্যাখ্যা

• The antonym for 'Insurgent'- খ) Obedient.

• Insurgent (adjective, noun) 
- English Meaning: someone who is fighting against the government in their own country; a rebel not recognized as a belligerent.
- Bangla Meaning: (predicative(ly)) বিরল) বিদ্রোহী; অভ্যুত্থানকারী; বিদ্রোহী সৈন্য।

• Given Options:
ক) Confident - আত্মবিশ্বাসী; আস্থাশীল; নিশ্চিত।

খ) Obedient - আজ্ঞানুবর্তী; বাধ্য।

গ) Revolutionary - বিপ্লবী; বৈপ্লবিক।

ঘ) Sincere - আন্তরিক; অকৃত্রিম।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym for 'Insurgent'- খ) Obedient.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৬.
By next month, I _______ Maruf for eleven years.
  1. have known
  2. will have known
  3. will have been known
  4. will know
সঠিক উত্তর:
will have known
উত্তর
সঠিক উত্তর:
will have known
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: By next month, I will have known Maruf for eleven years.

• Explanation:
- বাক্যে ভবিষ্যৎ সময় জ্ঞাপক শব্দ যেমন: By this time, By (time), By next (time, week, month, year) ইত্যাদি থাকলে verb এর future perfect tense হয়।
- অর্থাৎ, "By next month" দ্বারা ভবিষ্যতের 'point of time' নির্দেশ করে এবং এই 'point of time' এর মধ্যে একটি 'period of time' ঘটবে।
- We use Future Perfect Tense to talk about an action that will be completed before a specific future time, especially with durations (for + period).

- Future perfect tense -এর সঠিক structure হলো- Sub + will have + verb এর past participle form + ext.

- সুতরাং, প্রদত্ত শূন্যস্থানে 'will have known' বসবে।

অন্যদিকে,
ক) have known → Present perfect.
- কিন্তু এখানে "by next month" দ্বারা future time নির্দেশ করছে, তাই future perfect ব্যবহার করতে হবে।

গ) will have been known → Passive form.
- এটি ভুল, কারণ বাক্যটি active (I know him).

ঘ) will know → Simple future, doesn't show duration up to a future point.

১৪৭.
The correct passive form of: "People thought that the autocrat was corrupt."
  1. The autocrat is thought to be corrupt.
  2. It is thought that the autocrat was corrupt.
  3. The autocrat was thought to be corrupt.
  4. The autocrat had been thought to be corrupt.
সঠিক উত্তর:
The autocrat was thought to be corrupt.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The autocrat was thought to be corrupt.
ব্যাখ্যা

- Active: People thought that the autocrat was corrupt.
- Passive: The autocrat was thought to be corrupt.

- এই ধরনের complex বাক্যে যেখানে that-clause আছে, সেখানে passive form তৈরির দুটি উপায় আছে:

- প্রথম উপায় (Personal passive):
- সাধারণত Acknowledge, assume, think, claim, believe, know, report, understand, ইত্যাদি verb যুক্ত Active voice এর Passive করার নিয়ম-
- Personal object টিকে subject ধরা হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- মূল verb -এর past participle + to be + direct object + by + subject -এর objective form.
- যেমন:
- Active: People thought that the autocrat was corrupt.
- Passive: The autocrat was thought to be corrupt.

- দ্বিতীয় উপায় (Impersonal passive):
- দ্বিতীয় অংশকে 'It' ধরে। যেমন:
- Active: People thought that the autocrat was corrupt.
- Passive: It was thought that the autocrat was corrupt.

- Subject হিসেবে People থাকলে Passive voice -এ সাধারণত তা লেখা হয় না।
- তবে, দ্বিতীয় অংশে transitive verb থাকলে দ্বিতীয় অংশেরও Passive করতে হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো বিশ্লেষণ:
ক) The autocrat is thought to be corrupt.
- এটি ভুল কারণ, এখানে ভুল tense (is = present, কিন্তু মূল বাক্যে past tense) ব্যবহার হয়েছে।

খ) It is thought that the autocrat was corrupt.
 - এটি ভুল কারণ, এখানে ভুল tense (is না হয়ে was হবে) ব্যবহার হয়েছে।

ঘ) The autocrat had been thought to be corrupt.
- এটি ভুল কারণ, এখানে ভুল tense (had been = past perfect) ব্যবহার হয়েছে।

১৪৮.
What does 'Ab initio' mean?
  1. From the beginning
  2. In the meantime
  3. Alternating correctly
  4. Towards the end
সঠিক উত্তর:
From the beginning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
From the beginning
ব্যাখ্যা

• 'Ab initio' means- From the beginning.

• Ab initio[from Latin] (adverb, adjective)
- English Meaning: starting from the beginning.
- Bangla Meaning: শুরু থেকে।

Examples:
- The ab initio design of a new car.
- The agreement should be declared void ab initio.

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪৯.
Fill in the blank: He seems to _________ his best for the test.
  1. tried
  2. tries
  3. have tried
  4. trying
সঠিক উত্তর:
have tried
উত্তর
সঠিক উত্তর:
have tried
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He seems to have tried his best for the test. 

• পূর্বে কোনো কিছু ঘটেছে এমন কিছু অনুমান করার ক্ষেত্রে see, seem, appear, happen, pretend, ইত্যাদি verb এর পরে সাধারণত perfect infinitive (to+have+ past participle) ব্যবহৃত হয়।
- The structure “seems to + have + past participle” is used when the action appears to be completed already.
- অর্থাৎ, Seem to + have + past participle = অতীতের action সম্পর্কে বর্তমান অনুমান।

- প্রদত্ত বাক্যে বলা হয়েছে যে, "test" এর জন্য preparation সম্পূর্ণ/ইতিমধ্যে নিয়েছে।
- অর্থাৎ, (চেষ্টা করা) অতীতে ঘটেছে, বর্তমানে সেটা সম্পর্কে conclusion করা হচ্ছে।
- তাই, প্রদত্ত শূন্যস্থানে perfect infinitive হিসেবে to এর পরে have tried বসবে।

• More examples:
- She seems to have forgotten my birthday.
- He seems to have misunderstood the instructions.

১৫০.
The idiom 'At a loose end' means-
  1. To be defeated
  2. Having nothing to do
  3. Being in a risky situation
  4. Start losing everything
সঠিক উত্তর:
Having nothing to do
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Having nothing to do
ব্যাখ্যা

• The idiom 'At a loose end' means- Having nothing to do.

• (be) at a loose end (idiom)
- English Meaning: to have nothing to do; not knowing what to do: not having anything in particular to do.
- Bangla Meaning: গুরুত্বপূর্ণ অথবা আনন্দজনক কোনো কিছু করার নেই এমন অবস্থা। (লাক্ষণিক) (ব্যক্তি) কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

Examples:
- With everyone on vacation she was at a loose end.
- If you find yourself at a loose end, you could always clean the bathroom.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫১.
Hold on tight and don't let go!
In this sentence, 'go' is a/an-
  1. infinitive
  2. Verbal noun
  3. gerund
  4. Modal verb
সঠিক উত্তর:
infinitive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
infinitive
ব্যাখ্যা

• Hold on tight and don't let go!
- In this sentence, 'go' is an Infinitive.

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই, go verb-টি হলো to-বিহীন infinitive form.

• Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
• Infinitive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত Infinitive এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• সাধারণত এর অর্থ হয়ে থাকে “করতে/ খেতে/ যেতে/ বলতে” এ রকম। অর্থাৎ- বাংলা ক্রিয়ার শেষে 'তে' যোগ হয়।
• আবার to + verb, noun হিসেবে ব্যবহার হলে ক্রিয়ার শেষে আ-কার যোগ করা হয়। যেমন- to swim = সাতার কাটা ইত্যাদি।

- সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে- infinitive.

১৫২.
Which of the following is the correct sentence?
  1. She did not remember and so did I.
  2. She did not remember and nor do I.
  3. She did not remember and neither did I.
  4. She did not remember and not either I did.
সঠিক উত্তর:
She did not remember and neither did I.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She did not remember and neither did I.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence : She did not remember and neither did I.

• Negative Agreement:
- কারো 'না-সূচক' বাক্যের সাথে মতৈক্য বা একমত প্রকাশ করতে Negative Agreement ব্যবহার করা হয়।
- বাক্যের প্রথম অংশ 'না-সূচক' হলে Agreement অংশে neither, nor, either, ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- 'neither/nor' auxiliary verb-এর পূর্বে এবং 'either' auxiliary verb-এর পরে ব্যবহৃত হয়।

• Negative বাক্যের ক্ষেত্রে agreement এর structure:
• Rule-1: Sub + negative verb + + and + neither/nor + auxiliary verb (tense অনুযায়ী) + sub.
- Example sentence: I did not know the answer and neither/nor did he.

- Rule-2: Sub + negative verb + + and + sub + auxiliary verb (tense অনুযায়ী) + not + either.
- Example sentence: I did not know the answer and he did not either.

• Auxiliary verb টি সর্বদাই প্রথম verb এর tense অনুসারে হবে।
- সাধারণত verb এর repittion এড়ানোর জন্য, বিশেষভাবে short responses with pronoun, subjects এর ক্ষেত্রে এই নিয়মটি ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
ক) 'so did I' ব্যবহৃত হয় positive agreement এর জন্য (She remembered, and so did I).

খ) 'neither do I' main clause past tense -এ তাই auxiliary verb হিসেবে did ব্যবহৃত হবে।

ঘ) 'not either I' ভুল order, সঠিক হবে- I did not either.

১৫৩.
Find out the correct sentence:
  1. Both sides should refrain in actions that would make the situation worse.
  2. Both sides should refrain to actions that would make the situation worse.
  3. Both sides should refrain on actions that would make the situation worse.
  4. Both sides should refrain from actions that would make the situation worse.
সঠিক উত্তর:
Both sides should refrain from actions that would make the situation worse.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both sides should refrain from actions that would make the situation worse.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: Both sides should refrain from actions that would make the situation worse.

• Refrain from doing sth
- English Meaning: stop oneself from doing something.
- Bangla Meaning: বিরত থাকা।

- অর্থাৎ, কোনো কিছু থেকে বিরত থাকা অর্থে refrain- এর পর preposition হিসেবে 'from' বসে এবং তারপর gerund (verb + ing) বসে।

More Examples:
- He has refrained from criticizing the government in public.
- As a conscientious driver, it's essential to refrain from texting while behind the wheel.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

১৫৪.
A famous critical work, "Biographia Literaria" was written by-
  1. Charles Lamb
  2. S. T. Coleridge
  3. P. B. Shelley
  4. William Wordsworth
সঠিক উত্তর:
S. T. Coleridge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S. T. Coleridge
ব্যাখ্যা

• A famous critical work, "Biographia Literaria" was written by S. T. Coleridge.

• Biographia Literaria:
- In full: Biographia Literaria; or Biographical Sketches of My Literary Life and Opinions, হচ্ছে Romantic Period এর বিখ্যাত কবি Samuel Taylor Coleridge এর অন্যতম সৃষ্টি।
- This is known as a critical autobiography.
- It was published in two volumes in 1817.

- Biographia Literaria ছিল ইংরেজি রোমান্টিক যুগের সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা দর্শন ও সাহিত্য সমালোচনাকে এক নতুন উপায়ে একত্রিত করে যা literary criticism এর এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছিল। 
- সাহিত্য জগতে এর প্রভাব বেশ দীর্ঘস্থায়ী।

• Samuel Taylor Coleridge (1772-1834):
- Samuel Taylor Coleridge ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
- তার কবিতায় তিনি একটি সুরুচিপূর্ণ লিরিকাল স্টাইলকে পরিপূর্ণ করেছেন, যা পরবর্তী অনেক কবির মধ্যে প্রতিধ্বনিত হয়েছে।
- Lyrical Ballads (১৭৯৮; with William Wordsworth), যার মধ্যে বিখ্যাত "The Rime of the Ancient Mariner" এবং "Frost at Midnight" অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা ইংরেজি রোমান্টিসিজমের সূচনা করেছিল।
- তিনি Biographia Literaria, (১৮১৭) লেখেন, যা রোমান্টিক যুগের সাধারণ সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

• Notable works:
- Biographia Literaria,
- The Rime of the Ancient Mariner,
- Christabel,
- Kubla Khan,
- Dejection: An Ode,
- Frost at Midnight,
- On the Constitution of the Church and State, etc.

Source: Britannica.

১৫৫.
In Hamlet, who speaks the line "Neither a borrower nor a lender be"?
  1. Gertrude
  2. Polonius
  3. Hamlet
  4. Ophelia
সঠিক উত্তর:
Polonius
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Polonius
ব্যাখ্যা

• In Hamlet, the line "Neither a borrower nor a lender be" is spoken by Polonius.
- এটি Hamlet নাটকের Act I, Scene III–এর একটি বিখ্যাত সংলাপ।
- এই বিখ্যাত উপদেশমূলক উক্তিটি Polonius তাঁর পুত্র Laertes–কে উপদেশ দিতে গিয়ে করেন।

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Some Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৫৬.
"Adam Bede" was the first long novel of-
  1. Thomas Hardy
  2. Edward FitzGerald 
  3. George Eliot
  4. Mark Twain
সঠিক উত্তর:
George Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Eliot
ব্যাখ্যা

• "Adam Bede" was the first long novel of George Eliot.

• Adam Bede:
- Adam Bede, a novel written by George Eliot, was published in three volumes in 1859. 
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র Adam Bede একজন কাঠুরে, যিনি একটি অবিবাহিত মহিলাকে ভালোবাসেন, কিন্তু সেই নারী অন্য একজন পুরুষের সন্তানের জননী হয়।
- যদিও Adam তাকে সাহায্য করতে চায়, শেষ পর্যন্ত সে তাকে হারায়।
- Adam Bede was Eliot’s first long novel.
- তিনি এটি বর্ণনা করেছিলেন "একটি গ্রাম্য কাহিনী—যেখানে গরুর নিঃশ্বাস ও খড়ের গন্ধ মিশে আছে।"
- এই উপন্যাসে প্রকৃত জীবনের নিখুঁত চিত্রণ এবং গ্রামীণ উপভাষার (Derbyshire dialect) ব্যবহারের মাধ্যমে বাস্তবতাকে জীবন্ত করে তোলা হয়েছে।
- এই রচনায় মানবিক সহানুভূতি এবং নৈতিক বিচার-এর এক অনন্য সংমিশ্রণ দেখা যায়, যা ইংরেজি সাহিত্যে নতুন এক মাত্রা যোগ করে।

• George Eliot (1819-1880):
- Also known as: Marian Cross, Marian Evans, Mary Ann Evans.
- She was an English Victorian novelist.
- যিনি আধুনিক কথাসাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ পদ্ধতির বিকাশ ঘটান।
- তিনি তার লেখায় চরিত্রগুলোর মানসিক জগৎ গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতেন, যা তাকে আধুনিক উপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত করেছে।

• Notable Works (novel):
- Adam Bede,
- The Mill on the Floss,
- Silas Marner,
- Middlemarch,
- Daniel Deronda, etc.

Source: Britannica.

১৫৭.
"The Spanish Tragedy" is a tragedy written by-
  1. Ben Jonson
  2. John Dryden
  3. Thomas Kyd
  4. Henrik Ibsen
সঠিক উত্তর:
Thomas Kyd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Kyd
ব্যাখ্যা

• "The Spanish Tragedy" is a tragedy written by Thomas Kyd.

• The Spanish Tragedy:
- The Spanish Tragedy (sometimes called Hieronimo, or Jeronimo, after its protagonist).
- The Spanish Tragedy হলো Thomas Kyd রচিত Elizabethan period -এর একটি বিখ্যাত revenge tragedy.
- এই নাটকটি পরবর্তীকালে Shakespeare-সহ বহু নাট্যকারকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- সাধারণত Senecan tragedy -কে অনুসরণ করে revenge tragedy লেখা হয়।
- Thomas Kyd -এর 'The Spanish Tragedy" -এর মাধ্যমেই তাঁর যুগে অর্থাৎ Elizabethan Period -এ revenge tragedy জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- Revenge Tragedy is a kind of tragedy that presents a quest for vengeance and results in bloodshed and mutilation.

• Summary:
- নাটকটির সূচনা হয় Don Andrea নামক এক স্প্যানিশ সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির ভূত চরিত্র দিয়ে (the ghost of Don Andrea), যিনি সম্প্রতি Portugal যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।
- Don Andrea তার মৃত্যুর পর প্রতিশোধের আত্মা (the spirit of Revenge) -এর সাথে উপস্থিত হন।
- Don Andrea ভূতের মাধ্যমে তার মৃত্যুর কাহিনী বর্ণনা করেন।
- তিনি বলেন যে, Portuguese prince Balthazar -এর সাথে এক যুদ্ধে সম্মুখ লড়াইয়ে তিনি নিহত হন।
- Don Andrea একদিকে যুদ্ধের বর্ণনা দেন, অন্যদিকে তিনি তার প্রেমিকা Bel-Imperia -এর সঙ্গে গোপন প্রেমের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন।
- নাটকটি তার সময়ের দর্শকদের জন্য একটি শক্তিশালী থিম নিয়ে কাজ করেছিল, যেখানে প্রেম, প্রতিশোধ, এবং মর্যাদা প্রাধান্য পেয়েছিল।

• Important characters:
- Hieronimo (The protagonist of the story),
- Bel-Imperia (The main female character of the story),
- Lorenzo,
- Balthazar,
- Horatio,
- Ghost of Don Andrea, etc.

• Famous quotation:
- “The less I speak, the more I meditate.”

• Thomas Kyd (1557-1595):
- He was an English dramatist.
- তিনি Elizabethan Period -এর একজন লেখক।
- He is one of the members of University Wit.
- Thomas Kyd is best known for his contribution to the development of Elizabethan drama, particularly the genre of revenge tragedy.

• Notable works:
- The Spanish Tragedy,
- Cornelia.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৫৮.
Which of these famous poems was written by Edgar Allan Poe?
  1. The Raven
  2. How Do I Love Thee?
  3. The Road Not Taken
  4. Because I could not stop for Death
সঠিক উত্তর:
The Raven
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Raven
ব্যাখ্যা

• "The Raven" was written by Edgar Allan Poe.

• The Raven:
- The Raven হলো Edgar Allan Poe রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৫ সালে।
- অনেকে একে Poe-এর সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম বলে মনে করেন।
- কাব্যটিতে দেখা যায়, কবির প্রেমাস্পদ Lenore-কে হারিয়ে তিনি যে শোক, বেদনা ও মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করেন, তা ফুটে উঠেছে।
- এখানে প্রতীকীভাবে একটি Raven (কাক/কৃষ্ণপক্ষ পাখি) কবির সাথে কথোপকথনে লিপ্ত হয়।
- Raven মূলত মৃত্যুর অন্ধকার ও হতাশার প্রতীক।

• Edgar Allan Poe (1809–49):
- Edgar Allan Poe একজন প্রখ্যাত আমেরিকান লেখক, কবি, সম্পাদক এবং সাহিত্য সমালোচক।
- বিশেষ করে তিনি ছোট গল্প (short-story) লেখার জন্য বিখ্যাত।
- তাকে সাধারণত ভয়ঙ্কর এবং রহস্যজনক সাহিত্য Genres-এর প্রবর্তক হিসেবে ধরা হয়।
- Poe -এর লেখা গল্প ও কবিতাগুলি মানব মনের অন্ধকার দিক, মৃত্যু এবং মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বগুলির উপর ভিত্তি করে রচিত।
- তার লেখা “The Murders in the Rue Morgue” (১৮৪১) আধুনিক গোয়েন্দা কাহিনীর সূচনা করে, এবং তার ভয়াবহতার কাহিনীগুলির পরিবেশ আমেরিকান কথাসাহিত্যে অনন্য।

• Notable works:
• Poems:
- The Raven,
- Annabel Lee,
- Lenore,
- The Bells,
- A Dream Within a Dream,
- Eldorado,
- Ulalume,
- The City in the Sea,
- The Haunted Palace,
- The Valley of Unrest (poetry),
- To One in Paradise (poetry),
- To Helen (poetry).

• Short stories:
- The Murders in the Rue Morgue, 
- The Tell-Tale Heart,
- The Black Cat,
- Morella,
- Eleonora,
- The Purloined Letter,
- The Masque of the Red Death,
- Hop-Frog,
- The Fall of the House of Usher,
- The Cask of Amontillado,
- The Pit and the Pendulum,
- The Oval Portrait.

অন্যদিকে,
- “Because I could not stop for Death” - Emily Dickinson -এর কবিতা।

- “The Road Not Taken” - Robert Frost -এর কবিতা।

- “How Do I Love Thee?” - Elizabeth Barrett Browning -এর কবিতা।

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman.

১৫৯.
Which literary device is found in "All changed, changed utterly"?
  1. Allegory
  2. Anaphora
  3. Simile
  4. Metaphor
সঠিক উত্তর:
Anaphora
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anaphora
ব্যাখ্যা

• "All changed, changed utterly" is an example of 'Anaphora'.

• Anaphora (অনাফোরা):
- Anaphora is when a certain word or phrase is repeated at the beginning of clauses or sentences that follow each other.
- অর্থাৎ, যখন একটি শব্দ বা বাক্যাংশ একাধিক বাক্যাংশ বা বাক্যের শুরুতে পুনরাবৃত্ত হয়।
- This repetition emphasizes the phrase while adding rhythm to the passage, making it more memorable and enjoyable to read.
- যেমন: All changed, changed utterly.
- এখানে, জোর দেয়ার জন্য “changed” repeated হয়েছে।

- উল্লেখ্য যে, এই লাইনটি W. B. Yeats -এর কবিতা 'Easter, 1916' থেকে উদ্ধৃত।
--------
অন্যদিকে,
ক) Allegory (রূপক):
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- রূপক বা প্রতীকাশ্রয়ী কাহিনীর মাধ্যমে কোন কিছুর বর্ণনা করা হয়।
- যেমন: Bunyan’s book “Pilgrim’s Progress” is an allegory.

গ) Simile (উপমা):
• An explicit comparison between two different things is called a simile.
- Usually, as and like are used in it. In simile, the resemblance is explicitly indicated by the words.
- অর্থাৎ, দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: Love is like a battlefield.

ঘ) Metaphor (রূপকালংকার):
- A metaphor is a direct comparison between two unlike things without using “like” or “as”.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
- যেমন: "Life is but a walking shadow."

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১৬০.
Who is the novelist of "Lord of the Flies"?
  1. Rudyard Kipling
  2. William Golding
  3. William Faulkner
  4. William Hunter
সঠিক উত্তর:
William Golding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Golding
ব্যাখ্যা

• William Golding is the novelist of "Lord of the Flies".

• Lord of the Flies:
- এটি William Gerald Golding এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি allegorical novel, যেখানে মানুষের স্বভাব, সভ্যতা ও বর্বরতার সংঘাত গভীরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
- উপন্যাসের কাহিনি কয়েকজন স্কুলপড়ুয়া বালককে কেন্দ্র করে, যারা একটি বিমান দুর্ঘটনার পর একটি নিঃসঙ্গ দ্বীপে আটকা পড়ে।
- শুরুতে তারা নিয়ম-কানুন, শৃঙ্খলা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, কিন্তু ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ভেঙে যায়।
- নৈতিকতা ও নিয়ম-কানুন উপেক্ষা করে, তারা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে এবং সংঘাত শুরু হয়।
- ​The novel satirizes Scottish author R.M. Ballantyne’s The Coral Island: A Tale of the Pacific Ocean (1858). 

• William Gerald Golding (1911–1993):
- William Gerald Golding ছিলেন একজন English novelist, playwright, এবং poet.
- তিনি মানুষের human nature এবং সমাজের অন্ধকার দিকগুলোকে তার সাহিত্যকর্মে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- Golding-এর সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ হলো Lord of the Flies (1954), যা stranded schoolboys-এর মাধ্যমে civilization এবং savagery-এর দ্বন্দ্ব প্রদর্শন করে।
- তার সাহিত্যকর্মের জন্য 1983 সালে তিনি Nobel Prize লাভ করেন।

• Notable works:
- Lord of the Flies,
- Darkness Visible,
- The Pyramid,
- Pincher Martin,
- Free Fall,
- The Inheritors,
- The Spire, etc.

Source: Britannica.

১৬১.
"Full many a flower is born to blush unseen"
-This famous line was written by-
  1. John Keats
  2. Alfred Tennyson
  3. Thomas Gray
  4. Robert Browning
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thomas Gray
ব্যাখ্যা

•"Full many a flower is born to blush unseen"
- This famous line was written by Thomas Gray.

- এটি Thomas Gray -এর বিখ্যাত কবিতা 'An Elegy Written in a Country Church Yard' -এর most celebrated quotation.

• An Elegy Written in a Country Churchyard:
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি।
- “An Elegy Written in a Country Church Yard” is one of the best-known of English lyric poems.
- An Elegy Written in a Country Churchyard is one of the best-known elegies in the language.
- এই কবিতাটি একটি গ্রামীণ গির্জার প্রাঙ্গণে কবির ধ্যানমগ্ন অবস্থায় লেখা।
- কবি সন্ধ্যার নিঃশব্দ পরিবেশে সাধারণ গ্রামীণ মানুষের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনের অসামান্যতা ও অজ্ঞাত মৃত্যু নিয়ে ভাবেন।

• Thomas Gray (1716-1771):
- Thomas Gray was an English poet.
- He is called the Graveyard Poet.
- He belongs to the Age of Sensibility of English Literature.
- যদিও তিনি খুব বেশি সাহিত্য রচনা করেননি, তবুও ১৮শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে (mid-18th century) তিনি অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে বিবেচিত হন।
- He was a precursor of the Romantic movement.

• His famous quotations:
- "Where Ignorance is bliss, it is folly to be wise."
- "Full many a flower is born to blush unseen,
 And waste its sweetness on the desert air."
- "Sorrow never comes too late."
- "The boast of heraldry, the pomp of pow'r,
 And all that beauty, all that wealth e'er gave,
Awaits alike th' inevitable hour,
 The paths of glory lead but to the grave."

• Notable works:
- Elegy Written in a Country Churchyard (1751),
- Alexander's Feast,
- Ode to Adversity,
- The Bard,
- Ode on the Death of a Favourite Cat,
- Ode on a Distant Prospect of Eton College.

Source: Britannica.

১৬২.
Who is the playwright of the play 'Bury the Dead'?
  1. Joseph Addison
  2. Harold Pinter
  3. Henrik Ibsen
  4. Irwin Shaw
সঠিক উত্তর:
Irwin Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Irwin Shaw
ব্যাখ্যা

• Irwin Shaw is the playwright of the play 'Bury the Dead'.

• Bury the Dead:
- “Bury the Dead” হলো আমেরিকান নাট্যকার Irwin Shaw -এর লেখা একটি যুদ্ধ-বিরোধী নাটক।
- এটি মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মানুষের মনস্তত্ত্ব, যুদ্ধের নির্মমতা ও মানবিকতা নিয়ে লেখা।
- নাটকটি দেখায় যে যুদ্ধ শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, বরং মানুষের মানসিক ও নৈতিক ক্ষতি করে।
- He wrote his pacifist one-act play Bury the Dead for a 1935 contest; though it lost, the play appeared on Broadway the next year, the first of his 12 plays that were professionally produced.
- "Bury The Dead" নাটকের অনুসরণে এদেশীয় ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুনীর চৌধুরীর 'কবর' নাটকটি লিখেছেন।

• Irwin Shaw (1913-1984):
- তার প্রকৃত নাম Irwin Gilbert Shamforoff.
- তিনি একজন প্রখ্যাত আমেরিকান সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তিনি গল্প, উপন্যাস ও নাটক লিখেছেন এবং মূলত মানবিক ও সামাজিক বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিচিত।

• Notable Works:
- Bury the Dead (play),
- The Big Game (play),
- Rich Man, Poor Man (novel),
- The Young Lions (novel),
- Two Weeks in Another Town (novel),
- Evening in Byzantium (novel),
- Beggarman, Thief (novel).

Source: Britannica.

১৬৩.
Of the following, who is not a Victorian poet?
  1. Robert Browning
  2. Alfred Tennyson
  3. Alexander Pope
  4. Matthew Arnold
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
ব্যাখ্যা

• Alexander Pope is not a Victorian poet.

• Alexander Pope (1688-1744):
- তিনি Neo-Classical Period- এর 'Augustan Age' -এর একজন কবি ও satirist.
- তার নাম অনুসারে Augustan Age -এর নামকরণ করা হয় 'Age of Pope'.
- তিনি 'Mock Heroic Poet' নামে পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের বুদ্ধিদীপ্ত সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। 
- তিনি গ্রিক কবি Homer -এর কালজয়ী সৃষ্টি 'The Iliad' & 'The Odysse' কাব্যগ্রন্থ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।

• Notable Works:
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- The Rape of the Lock,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- Windsor-Forest,
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- The Imitation of Horace, etc.

-----------
অন্যদিকে, 
- Matthew Arnold হলো- Victorian poet and literary and social critic.
- Robert Browning হলো- Victorian যুগের major English poet যিনি dramatic monologue -এর জন্য বিখ্যাত।
- Alfred Tennyson হলো- Victorian Period এর English poet, he is often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১৬৪.
"Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud!
I fall upon the thorns of life! I bleed!"
-The extract is taken from Shelley's poem-
  1. To a Skylark
  2. Ode to the West Wind
  3. The Cloud
  4. Hymn to Intellectual Beauty
সঠিক উত্তর:
Ode to the West Wind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ode to the West Wind
ব্যাখ্যা

• "Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud!
I fall upon the thorns of life! I bleed!"
-The extract is taken from Shelley's poem 'Ode to the West Wind'.

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।

• Some other notable quotes by P.B. Shelley:
- "If winter comes, can spring be far behind?" (Ode to the West Wind),
- “O wild West Wind, thou breath of Autumn’s being” (Ode to the West Wind),
- "Our sweetest songs are those that tell of saddest thoughts." (Ode to a skylark),
- “Hail to thee, blithe Spirit! / Bird thou never wert” (Ode to a skylark),
- "Poets are the unacknowledged legislators of the world." (A Defence of Poetry),
- "The more we study the more we discover our ignorance." (The Revolt of Islam),
- "Fear not the future, weep not for the past" (The Revolt of Islam),
- "What 'twas weak to do
'Tis weaker to lament, once being done." (The Cenci).

• Notable works (Poems):
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- The Cloud,
- The Revolt of Islam,
- Rosalind and Helen,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১৬৫.
In Shakespeare’s play 'Othello', Othello is a-
  1. King of Cyprus
  2. Jew of Rome
  3. Moor of Venice
  4. Moor of Paris
সঠিক উত্তর:
Moor of Venice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Moor of Venice
ব্যাখ্যা

• In Shakespeare’s play 'Othello', Othello is a Moor of Venice.

• Othello (Also known as: “Othello, the Moor of Venice”):
- এটি Shakespeare রচিত five-act এর Tragedy, যা ১৬০৩-১৬০৪ সালের দিকে লেখা হয়।
- এটি Shakespeare -এর অন্যতম শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় নাটকগুলির মধ্যে একটি।
- It tells the story of 'Othello, A Moor of Venice'.
- নাটকটির মূল চরিত্র Othello, সে ছিল ভেনিসের একজন সেনাপতি।
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello এর Desdemona হচ্ছে নায়িকা।
- Villan চরিত্রে ছিল lago.
- নাটকে Othello তাঁর নিজ স্ত্রীকে সন্দেহ করে এবং তাকে হত্যা করে।
- In this tragedy, Othello, the hero, was affected by Othello Syndrome (a mental disorder of excessive jealousy) যার বর্শবর্তী হয়ে villain, lago -এর প্ররোচনায় Othello 'Desdemona' কে হত্যা করে।

• William Shakespeare -এর "Othello" নাটকে Othello - Desdemona -কে একটি রুমাল (Handkerchief) উপহার দেন, যা তাঁর মায়ের কাছ থেকে পাওয়া এক বিশেষ রুমাল।
- এটি ছিল ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততার প্রতীক। পরে, lago চক্রান্ত করে এই রুমাল ব্যবহার করে Othello -এর মনে সন্দেহ জাগায়, যা শেষ পর্যন্ত ট্র্যাজেডির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

• Main characters:
- Othello,
- Desdemona,
- Brabantio,
- lago,
- Cassio,
- Emilia, etc.

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- Macbeth,
- King Lear,
- Julius Caesar,
- Coriolanus,
- Antony and Cleopatra,
- Timon of Athens (Unfinished Tragedy), etc.

Source: Britannica.

১৬৬.
The Bluest Eye is __________ debut novel.
  1. Arundhati Roy's
  2. Toni Morrison's
  3. Pearl S. Buck's
  4. Harper Lee's
সঠিক উত্তর:
Toni Morrison's
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Toni Morrison's
ব্যাখ্যা

• The Bluest Eye is Toni Morrison's debut novel.

• The Bluest Eye:
- "The Bluest Eye" হলো Toni Morrison -এর প্রথম উপন্যাস।
- এটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি Pecola Breedlove নামের এক আফ্রো–আমেরিকান কিশোরীকে কেন্দ্র করে রচিত।
- এগারো বছর বয়সী Pecola সৌন্দর্য এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে সাদা রঙের সাথে তুলনা করেন; তাই সে “the bluest eye”পেতে কামনা করে।
- It is a powerful and haunting work that explores issues of race, identity, beauty, and the trauma of societal oppression.
- The novel is set in 1940s America, during a time when racial segregation and prejudice were rampant.

• Toni Morrison (1931–2019):
- তার Original নাম হচ্ছে- Chloe Ardelia Wofford.
- Toni Morrison ছিলেন একজন আমেরিকান উপন্যাসক, প্রবন্ধকার, সম্পাদক।
- তাছাড়া তিনি Princeton University এর প্রফেসর ছিলেন।
- তিনি আমেরিকান সাহিত্যে অন্যতম প্রভাবশালী এবং শক্তিশালী কণ্ঠগুলির মধ্যে একজন হিসেবে প্রশংসিত।
- Toni Morrison ১৯৯৩ সালে সাহিত্যে Nobel prize লাভ করেন।
- তিনি মূলত আফ্রিকান-আমেরিকান অভিজ্ঞতা অন্বেষণ করে, (বিশেষ করে পরিচয়, বর্ণ, ইতিহাস এবং দাসত্বের প্রভাবের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে) এমন রচনার জন্য সবচেয়ে পরিচিত।

• Notable works:
- The Bluest Eye,

- Beloved (got pulitzar price in 1988),
- Song of Solomon,
- Sula,
- God Help the Child,
- Home,
- Paradise.
- A Mercy,
- Jazz, etc.

Source: Britannica.

১৬৭.
John Milton wrote the elegy 'Lycidas' on the death of _______.
  1. William Wordsworth
  2. Shakespeare
  3. Edward King
  4. Milton’s wife
সঠিক উত্তর:
Edward King
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edward King
ব্যাখ্যা

• John Milton wrote the elegy 'Lycidas' on the death of Edward king.

• Lycidas:
- এটি John Milton রচিত একটি elegy.
- এটি প্রকাশিত হয় 1638 সালে।
- কবিতাটি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠী Edward King -এর জাহাজ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- The poem mourns the loss of a virtuous and promising young man about to embark upon a career as a clergyman.

-------
• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England, in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet, এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Notable works:
- Paradise Lost (Epic),
- Paradise Regained (Epic),
- Lycidas (Elegy),
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry),
- On Shakespeare (First published poem),
- Samson Agonistes (tragedy; Poetic drama),
- Of Education (Prose),
- Areopagitica (pamhlet), etc.

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

১৬৮.
'Critique of Pure Reason' বইয়ের রচয়িতা কে?
  1. ফ্রিডরিখ নিটশে
  2. জর্জ হেগেল
  3. জন লক
  4. ইমানুয়েল কান্ট
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা

♦ ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।

♦ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Critique of Pure Reason.
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Britannica.com

১৬৯.
নিচের কোনটি মূল্যবোধের শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ
  2. আধুনিক মূল্যবোধ
  3. আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ
  4. আচরনগত মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
আচরনগত মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচরনগত মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

⇒ আচরনগত মূল্যবোধ নামে কোন মূল্যবোধ নেই ৷

♦ মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদন্ড।

⇒ মূল্যবোধের শ্রেণিবিভাগ:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ,
- ধর্মীয় মূল্যবোধ,
- সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ,
- নৈতিক মূল্যবোধ,
- আধুনিক মূল্যবোধ,
- আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭০.
নীতিবিদ্যা হচ্ছে, 'নৈতিকতা, নৈতিক সমস্যা এবং নৈতিক অবধারণ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তা' উক্তিটি কার?
  1. পি. ডব্লিউ. টেইলার
  2. উইলিয়াম কে. ফ্রাংকেনার
  3. উইলিয়াম লিলি
  4. উইলিয়াম কে. টেইলার
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম কে. ফ্রাংকেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম কে. ফ্রাংকেনার
ব্যাখ্যা

♦ নীতিবিদ্যার সংজ্ঞা:
- উইলিয়াম কে. ফ্রাংকেনার বলেছেন নীতিবিদ্যা হচ্ছে, 'নৈতিকতা, নৈতিক সমস্যা এবং নৈতিক অবধারণ সম্পর্কিত দার্শনিক
চিন্তা'।

♦ উল্লেখ্য:
- উইলিয়াম লিলি এর মতে নীতিবিদ্যা হচ্ছে, 'সমাজে বসবাসকারী মানুষের আচরণের একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান যা যথোচিত-অযথোচিত, ভাল-মন্দ কিংবা অনুরূপ পার্থক্যের ভিত্তিতে আচরণের বিচার করে'।
- নীতিবিদ্যাকে নীতি-দর্শনও বলা হয়।
- পি. ডব্লিউ. টেইলার নীতিবিদ্যাকে বলেছেন, 'নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান'।

তথ্যসূত্র - নীতিবিদ্যা,বিএ /বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭১.
মূল্যবোধের প্রধান ও প্রাথমিক উৎস কোনটি?
  1. বিদ্যালয়
  2. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. পরিবার
  4. সমাজ
সঠিক উত্তর:
পরিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবার
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ :
- মূল্যবোধের প্রধান ও প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদন্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।
- এছাড়া সামাজিক রীতিনীতি, প্রথা, ধর্ম, আদর্শ ইত্যাদি মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত।
- মূল্যবোধের প্রধান বৈশিষ্ট্য এর পরিবর্তনশীলতা।
- সমাজ পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধের পরিবর্তন ঘটে।
- এজন্যই অতীতের অনেক মূল্যবোধই এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে।
- অতীতে বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিলো, এখন মানুষ বাল্যবিবাহকে অপছন্দ করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭২.
‘Know Thyself' এটি কার বিখ্যাত উক্তি?
  1. থেলিস
  2. সক্রেটিস
  3. অ্যারিস্টটল
  4. হেরাক্লাইটাস
সঠিক উত্তর:
সক্রেটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সক্রেটিস
ব্যাখ্যা

• সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে- 'Know Thyself' এর অর্থ হচ্ছে- 'নিজেকে জানো'।

⇒ গ্রিক দর্শন ও নীতিবিদ্যা:
- সক্রেটিসকে বলা হয় প্রাশ্চাত্য রাজনৈতিক দর্শনের পিতামহ এবং নীতি শাস্ত্রের পুরোধা।
- গ্রিক দার্শনিকদের যুক্তি, ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধিশালী করে।
- অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলোক বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস।
- এই উক্তিটি মানুষকে নিজের মধ্যে গভীরভাবে দৃষ্টি নিক্ষেপ করার এবং আত্ম-পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে সঠিকভাবে বুঝতে উৎসাহিত
করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে নিজের প্রকৃত স্বভাব, ইচ্ছা, দুর্বলতা ও শক্তিগুলি সম্পর্কে সচেতন করা এবং আত্ম-উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৩.
কিসের মাধ্যমে মানুষ 'নৈতিকতা ও অনৈতিকতা'-এর পার্থক্য নির্ধারণ করে -
  1. সুশাসন
  2. সততা
  3. মূল্যবোধ
  4. কর্তব্যবোধ
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- যেসকল চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সংকল্প ও আদর্শ মানুষের সামগ্রিক আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে, তাদের সমষ্টিকেই মূল্যবোধ বলে ।
- মূল্যবোধ দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা- অনৈতিকতা,সততা, সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি মূল্যায়িত হয়।
- আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ হলো সত্য ও ন্যায়। সার্থকতা, শঠতা, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি হলো চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী।
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি।
- মূল্যবোধ নির্ধারিত হয় আচরণের মাধ্যমে।
- মূল্যবোধের মাধ্যমে মানুষ 'ভুল' ও 'শুদ্ধ' ভাল ও মন্দ-এর পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।
- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭৪.
মূল্যবোধের নির্ধারক হিসেবে পরিচিত -
  1. অভ্যাস
  2. আচরণ
  3. নৈতিকতা
  4. ধর্ম
সঠিক উত্তর:
আচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচরণ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- আচরণ মূল্যবোধের নির্ধারক হিসেবে পরিচিত।
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদণ্ড ও নীতি ।
- শিক্ষার মাধ্যমে মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করা যায় ৷
- জন্মের পর থেকেই মানুষ মূল্যবোধের শিক্ষা লাভ করতে শুরু করে যা আমৃত্যু চলে ৷
- তবে বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মূল্যবোধ শিক্ষারও পরিবর্তন ঘটে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭৫.
অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

আইন ও আইনের উৎস:
- আইন হচ্ছে ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত নিয়মের সমষ্টি যা সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত।

♦ অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি। যথা:
• প্রথা,
• ধৰ্ম,
• বিচারকের রায়,
• ন্যায়বিচার,
• বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, 
• আইনসভা।

♦ ওপেনহাইমের মতে আইনের উৎস ৭টি। যথা:
• প্রথা
• ধর্ম,
•  বিচারকের রায়,
• ন্যায়বিচার,
• বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা,
• আইনসভা,
• জনমত।

♦  জন অস্টিনের মতে আইনের উৎস ১টি। যথা:
• সার্বভৌমের আদেশ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭৬.
বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ K2 কোন পর্বতমালায় অবস্থিত?
  1. কারাকোরাম
  2. আন্দিজ
  3. আল্পস
  4. রকি
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাকোরাম
ব্যাখ্যা

কে২: মাউন্ট গডউইন
- কে২ বা কেটু (K2) এভারেস্ট পর্বতের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা ৮,৬১১ মিটার (২৮,২৫১ ফুট)।
- এটি হিমালয় পর্বতমালার কারাকোরাম পর্বতশ্রেণির অন্তর্গত।
- কে২ পাকিস্তান-চীন সীমান্তে বিস্তৃত।
- পর্বতটি উত্তর পাকিস্তানের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলের বালতিস্তান ও চীনের জিনজিয়াং রাজ্যের ট্যাক্সকোরগান তাজিকের দফদার টাউনশিপের মধ্যে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এটি জংলী পর্বত নামেও পরিচিত। 
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের চেয়ে উচ্চতায় ২০০ মিটার ছোট হলো কে২। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতচূড়া। একে ‘স্যাভেজ পর্বত’ও বলা হয়।
- বিশ্বের মাত্র ১৪টি পর্বতমালার মধ্যে কে২ একটি, যেটির উচ্চতা ৮ হাজার মিটারেরও বেশি।
- কে২ পর্বতশৃঙ্গের সবচেয়ে কুখ্যাত স্থান হলো ‘বাটলনেক’ বা বরফপ্রপাত।

উৎস: Britannica.

১৭৭.
সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন -
  1. পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝে আসে
  2. চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে আসে
  3. সূর্য পৃথিবীর ছায়ায় পড়ে
  4. সূর্য ও চাঁদ বিপরীত দিকে থাকে
সঠিক উত্তর:
চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে আসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে আসে
ব্যাখ্যা

সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন  সূর্যগ্রহণ হয়।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

অন্যদিকে,
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) প্রথম আলো

১৭৮.
বাংলাদেশের একমাত্র কোন জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- উল্লেখ্য ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো – আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা। এদের মধ্যে ৪টির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে। অর্থাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
- ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম উভয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী সাধারণ জেলাও রাঙামাটি।
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭৯.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন অনুযায়ী উপকূলীয় দেশের মহীসোপানের সীমা হবে ভিত্তি রেখা থেকে -
  1. ১২ নটিক্যাল মাইল
  2. ২২ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা

মহীসোপান (Continental Shelf):
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিয়দংশ ক্রমশ সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এরূপ ক্রমনিম্ন স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেশন অনুযায়ী, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের ( Continental shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্র তার ভিত্তিরেখা (baseline) থেকে সর্বোচ্চ ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অথবা ২,৫০০ মিটার গভীরতার আইসোবাথ (isobath) থেকে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান (continental slope) ভোগ করতে পারবে।
- এটি মূলত আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ (UNCLOS) এর আওতায় আসে, যা উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলোর মহীসোপান ও মহাদেশীয় শেলফের অধিকার নির্ধারণ করে।
- এই নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলি তাদের উপকূল থেকে মহীসোপান বা মহাদেশীয় শেলফের বিশেষ অংশে অর্থনৈতিক বা গবেষণামূলক অধিকার দাবি করতে পারে।

⇒ মহীসোপান অংশের পানির গভীরতা সাধারণত ২০০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি এক ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপান অঞ্চলটি সমুদ্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
- মহাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল নিমজ্জিত হওয়ার ফলে অথবা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতার তারতম্য হওয়ার কারণে মহীসোপানের সৃষ্টি হয়।
- আবার অনেক সময় সমুদ্র তরঙ্গ ও ক্ষয়ক্রিয়া মহীসোপান গঠনে সহায়তা করে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এ অংশের বিস্তৃতি সর্বত্র সমান নয়।
- উপকূলভাগের বন্ধুরতার উপর এর বিস্তৃতি নির্ভর করে।
- মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) UNCLOS ওয়েবসাইট।

১৮০.
বাংলাদেশে বজ্রপাতকে কত সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত:
- ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বজ্রপাতকে ১৩তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে।

⇒ আবহাওয়াবিদদের মতে, বাংলাদেশে বজ্রপাতের মূল কারণ দেশটির ভৌগোলিক অবস্থান।
- বাংলাদেশে উত্তরাঞ্চল এবং উত্তর পশ্চিমাঞ্চল বজ্রপাত-প্রবণ এলাকাগুলোর অন্যতম।
- গ্রীষ্মকালে এ অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় এ পরিস্থিতির তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, 
- প্রতিবছর কম বেশী প্রায় ৩০০ হতে ৪০০ জন মানুষ বজ্রপাতে প্রাণ হারায়। অন্যান্য দুর্যোগের তুলনায় বর্তমানে বজ্রপাতে প্রাণহানি বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাই প্রাণহানি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। 
- বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসাবে ঘোষণার পর ২০১৭ সালে বজ্রপাতে প্রাণহানি হ্রাসে সরকার দেশব্যাপী ৬০ লাখ তালগাছ লাগানো হয়। 
- এ ছাড়া বজ্রপাত চিহ্নিতকরণ যন্ত্র লাইটেনিং ডিটেক্টর এবং লাইটেনিং অ্যারেস্টার সেন্সর স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

উৎস: i) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 

১৮১.
মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. গ্রীষ্মে শুষ্ক, শীতকালে আর্দ্র
  2. গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
  3. সব ঋতুতে সমান তাপমাত্রা
  4. সব ঋতুতে সমান বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মে আর্দ্র, শীতকালে শুষ্ক
ব্যাখ্যা

মৌসুমি জলবায়ু:
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।
- ক্যারিবিয়ান সাগর, পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপসমূহের দেশগুলো, পূর্ব আফ্রিকা, পূর্ব ব্রাজিল, উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ চীন ও জাপান, থাইল্যান্ড, কম্পুচিয়া, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিয়ানমার অর্থাৎ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত। এছাড়াও মেক্সিকো উপসাগরের উপকূলবর্তী দেশসমূহ, লাওস, মালাগাছি দ্বীপও এই জলবায়ুর অন্তর্ভুক্ত।

⇒ মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অধিক গরম ও শীতকালে শীত পড়ে। জুলাই মাস সবচেয়ে বেশি গরম ও জানুয়ারি মাসে বেশি শীত পড়ে। গ্রীষ্মকাল আর্দ্র ও শীতকাল শুষ্ক এই জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা গড়ে ২৭° সে. এর বেশি থাকে এবং শীতকালীন গড় তাপমাত্রা ১০ সে. থেকে ২২° সে. এর মধ্যে থাকে। শীত ও গ্রীষ্মে তাপমাত্রার পার্থক্য ৫° সে. থেকে ১০° সে. হয়।

- আবার শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের মকরক্রান্তির নিকট অবস্থান করায় সেখানে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। উত্তর গোলার্ধের স্থলভাগ শীতল হওয়ার জন্য সেস্থানে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয়। উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে বায়ু দক্ষিণে নিম্নচাপে প্রবাহিত হয় বলেই তাকে বলা হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ু এবং স্থলভাগে প্রবাহিত হয় বলে এই বায়ু জলীয়বাষ্পহীন।

- মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত বেশি হয় কিন্তু শীতকাল শুষ্ক থাকে। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১২৫ সে.মি. থেকে ২০০ সে.মি.। তবে অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরাও এই জলবায়ু অঞ্চলে দেখা যায়। কখনো কখনো পর্বতের ঢালে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে বায়ু উপরে উঠে যায় ফলে বৃষ্টিপাত হয়।

- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়। কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

- এই জলবায়ু অঞ্চলে উর্বর ভূমি ও পলিমাটি কৃষিকাজের জন্য উপকারী। উর্বর মাটি ও বৃষ্টিপাত, পর্যাপ্ত সূর্যালোক মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে পর্ণমোচী ও চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমির বিস্তার ঘটায়। চিরহরিৎ বৃক্ষের বনাঞ্চলে ২০০ সে.মি এর বেশি বৃষ্টিপাত হয় এবং তৃণভূমি অঞ্চলে ৫° সে.মি থেকে ১০০ সে.মি পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮২.
শীতলক্ষ্যা নদী কোন নদীর শাখানদী?
  1. পদ্মা 
  2. মেঘনা 
  3. তিস্তা
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

⇒ ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য
- কখনো কখনো বড় কোনো নদী হতে স্রোতধারা বের হয়ে অন্য কোনো নদী, সাগর, হ্রদ বা পুনরায় মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। এরূপ মূল নদী হতে যে সকল নদী বের হয় তাকে শাখানদী বলে।

অন্যদিকে, 
- পদ্মা নদীর শাখা নদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৮৩.
বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলা হয় কোন দিনটিকে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ জুন 
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা

উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল:
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে।

অন্যদিকে,
- ২৩শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে বলে জলবিষুব।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১৮৪.
গুরুমন্ডল প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  2. কার্বন ও আয়রন
  3. অ্যালুমিনিয়াম ও পটাশিয়াম
  4. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা

গুরুমন্ডল:
- কেন্দ্রমন্ডলের ওপর থেকে চতুর্দিকে প্রায় ২৮৮৫ কিলোমিটার পর্যন্ত মন্ডলটিকে গুরুমন্ডল বলে।
- সিলিকন, ম্যাগনেসিয়াম প্রভৃতি ভারী ধাতুর সংমিশ্রণে এ মন্ডলটি গঠিত।
- এর উপরাংশে ১৪৪৮ কিলোমিটার ব্যাসল্ট জাতীয় উপাদান দ্বারা গঠিত বলে একে ব্যাসল্ট অঞ্চল বলে।
- সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দ্বারা গঠিত বলে একে সিমা বলে।
- গুরুমন্ডলের উপরাংশকে অশ্মমন্ডল বা শিলামন্ডল বলা হয়।
- অশ্মম-ল নানা রকম শীলা ও খনিজ দ্বারা গঠিত।
- এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সর্বাপেক্ষা বেশি এবং মহাসাগরীয় অঞ্চলে সর্বাপেক্ষা কম।
- এর গভীরতা স্থান বিশেষ ৩০ কিলোমিটার থেকে ৬৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ধরা হয়।  

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৮৫.
সুন্দরবনের পরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন কোনটি?
  1. লাউয়াছড়া
  2. সাঙ্গু-মাতামুহুরী
  3. রেমা-কালেঙ্গা
  4. টেংরাগিরি
সঠিক উত্তর:
রেমা-কালেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেমা-কালেঙ্গা
ব্যাখ্যা

রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক পাহাড়ি বনাঞ্চল রেমা-কালেঙ্গা।
- এটি সুন্দরবনের পরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বন।

⇒ 
রেমা–কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্র্যে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল।
- এটি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার খুব কাছে এবং ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত সংলগ্ন।

⇒ রেমা–কালেঙ্গা অভয়ারণ্য ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে এটির আরো সম্প্রসারণ করা হয়।
- বনবিভাগের কালেঙ্গা রেঞ্জের চারটি বিটের (কালেঙ্গা, রেমা, ছনবাড়ী আর রশিদপুর) মধ্যে রেমা, কালেঙ্গা আর ছনবাড়ী বিস্তীর্ণ জঙ্গল নিয়ে রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য গঠিত।
- বর্তমানে এই বনে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৬৭ প্রজাতির পাখি, ৭ প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ ও ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা-লতাগুল্ম পাওয়া যায়।
- রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়াশ্রমে আছে ৩৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সাত প্রজাতির উভচর, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ১৬৭ প্রজাতির পাখি। এছাড়া ৬৩৮ প্রজাতির গাছপালা ও লতাগুল্মও আছে।

অন্যদিকে,
- টেংরাগিরি বনাঞ্চলটি সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।