পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
পার্ট-১) পদ, সন্ধি, প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি। পার্ট-২) ১) কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর ইত্যাদি। ২) কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, এএলইউ ইত্যাদি। ৩) কম্পিউটারের পারঙ্গমতা। ৪) দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৫) কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা। পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
পদে পরিণত হবার সময়ে শব্দের সঙ্গে যেসকল শব্দাংশ যুক্ত হয় তাদের কী বলে?
  1. ক) উপসর্গ
  2. খ) অনুসর্গ
  3. গ) লগ্নক
  4. ঘ) যুক্তবর্ণ
ব্যাখ্যা

- শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে তখন তাঁর নাম হয় পদ।
- পদে পরিণত হবার সময়ে শব্দের সঙ্গে যেসকল শব্দাংশ যুক্ত হয় তাদের লগ্নক বলে।
- লগ্নক ৪ প্রকার। যথা-
বিভক্তি
নির্দেশক
বচন
বলক
-বাক্যের যেসব পদে লগ্নক থাকে তাদের সংলগ্নক পদ এবং যেসব পদে লগ্নক থাকে না তাদের অলগ্নক পদ বলে ।
যেমন, 'ছেলেরা ক্রিকেট খেলে' এ বাক্যে 'ছেলেরা' ও 'খেলে' সংলগ্নক এবং 'ক্রিকেট' অলগ্নক পদ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

.
‘নিখাদ’ শব্দে ‘নি’ উপসর্গ দ্বারা কী অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?
  1. ক) নিখুদ
  2. খ) খাঁটি
  3. গ) নেই এমন
  4. ঘ) পরিষ্কার
ব্যাখ্যা

- যে অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠণ করে তাকে উপসর্গ বলে।
- শব্দের অর্থ পরিবর্তন করা উপসর্গের একটি কাজ।
যেমন, নি+খাদ = নিখাদ শব্দে নি শব্দাংশটি 'নেই এমন' অর্থে প্রকাশ হয়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিম্নের কোন শব্দটি বাক্যে ব্যবহার সঠিক?
  1. ক) উপরোল্লিখিত
  2. খ) পূর্বোল্লিখিত
  3. গ) প্রেক্ষিত
  4. ঘ) উল্লেখিত
ব্যাখ্যা

- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'উল্লেখিত' শব্দ হতে পারে না। অভিধানে এই শব্দ খুঁজে পাওয়া যাবে না। শব্দটি তৈরি হয়েছে এভাবে: উৎ + লিখিত = উল্লিখিত। উৎ মানে - উপরে বা আগে। আর লিখিত মানে যা লেখা হয়েছে এমন। তাঁর মানে উল্লেখিত শব্দের অর্থ দাঁড়ালো 'উপরে লিখিত' বা 'পূর্বে লিখিত'। তাঁর মানে 'উপরে উল্লেখিত, 'উপরোল্লিখিত' বা 'পূর্বোল্লিখিত' ভুল ব্যবহার।

- পরিপ্রেক্ষিত বোঝাবার জন্য 'প্রেক্ষিত' শব্দটি অনেকদিন যাবত ভুলভাবেই সবাই ব্যবহার করছে। 'প্রেক্ষিত' শব্দটি এসেছে 'প্রেক্ষণ' শব্দ থেকে।
- প্রেক্ষণ বিশেষ্য পদ অর্থ দৃষ্টি। এ থেকে তৈরি হয়েছে বিশেষণ পদ 'প্রেক্ষিত' অর্থ দর্শিত বা যা দেখা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

.
নিম্নের কোন বানানটি সঠিক?
  1. ক) ইয়িত্বা
  2. খ) ইয়ত্ত্বা
  3. গ) ইয়াত্ত্বা
  4. ঘ) ইয়ত্তা
ব্যাখ্যা

- ইয়িত্বা, ইয়ত্ত্বা, ইয়াত্ত্বা শব্দ তিনটির শুদ্ধ রূপ - ইয়ত্তা
ইয়ত্তা (বিশেষ্য)
পরিমাণ; সংখ্যা।

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

.
নিম্নের কোন বাক্যটি সঠিক?
  1. ক) ইহার আবশ্যক নাই।
  2. খ) আশা করি তুমি আরোগ্য লাভ করিয়াছ।
  3. গ) মাতাহীন শিশুর কি দুঃখ ।
  4. ঘ) তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিলেন।
ব্যাখ্যা

- অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ গুলো হচ্ছে -
- ইহার আবশ্যকতা নাই।
- মাতৃহীন শিশুর কি দুঃখ।
- তিনি তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন।
উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিম্নের কোনটি অশুদ্ধ বাক্য?
  1. ক) ইহা আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়।
  2. খ) তিনি আরোগ্য লাভ করিয়াছেন।
  3. গ) গৌরব লোপ হইয়াছে।
  4. ঘ) দেবী অন্তর্ধান হইয়াছেন
ব্যাখ্যা

- অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ গুলো হচ্ছে -
দেবী অন্তর্হিত হইয়াছেন 
উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।

.
নিম্নের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) নির্ণিমেষ
  2. খ) পরায়ণ
  3. গ) প্রণয়ণ
  4. ঘ) প্রণোদন
ব্যাখ্যা

বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ- 
নির্নিমেষ
পরায়ন
প্রণয়ন
প্রণোদন  
উৎস: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি 

.
নিম্নের কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) শ্রীচরণেসু
  2. খ) পরিস্কার
  3. গ) পরিস্ফুট
  4. ঘ) অস্পৃস্য
ব্যাখ্যা

ষ-ত্ব বিধান মতে :
- ঋ-কারের পর সাধারণত মূর্ধন্য হয়। যেমন - ঋশভ, কৃষি, ঋষি, তৃষনা, কিন্তু বুতিক্রম অস্পৃশ্য দৃশ্য, কৃশ,।
- আগে অ আ ছাড়া অন্য স্বর (অর্থাৎ ই, ঈ, উ, ঊ, এ, ও) থাকলে অপরের ‘স’ ‘ষ’ হবে। যেমন- শিষ্য, ঊষা, বিষম, দোষ, শ্রীচরণেষু, চতুশপদ, পরিষ্কার ইত্যাদি।
- ফ- এর সঙ্গে যুক্ত স অপরবর্তত থাকবে। যেমন- পরিস্ফুট, বিস্ফোরণ, বিস্ফুরিত ইত্যাদি। ্কিন্তু নিষ্ফলা, দুষ্ফলা।
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

.
“কাজে তার মন নেই, তাছাড়া সে কাজ পারেও না” বাক্যে ‘তাছাড়া’ শব্দটি কি বাচক বিশেষণ?
  1. ক) কালবাচক
  2. খ) স্থানবাচক
  3. গ) ধরনবাচক
  4. ঘ) বাক্য সংযোজক বাচক
ব্যাখ্যা

ক্রিয়াবিশেষণের অর্থ ও অন্বয়গত শ্রেণিবিভাগ
১. ধারনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - কোনো ক্রিয়া কেমন ভাবে বা কীভাবে সম্পন্ন হয় তা ধরনবাচক ক্রিয়া বিশেষণের মাধ্যমে তা বোঝা যায়। যেমন: টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছে।
২. কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ কখনো বিভক্তিহীন বা শূন্যবিভক্তিযুক্ত হয় অথবা এ/য়/তে বিভক্তি গ্রহণ করে। যেমন: বাবা এখনি ঘরে ফিরবেন।
৩. স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ - স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণে প্রায়শ স্থানবাচক অধিকরণ- বিভক্তি এ/য়/তে যুক্ত হয়। যেমন: সামনে বয়ে চলছে সুরমা নদী।
৪. বাক্য সংযোজক বাচক ক্রিয়াবিশেষণ - এ ক্ষেত্রে দুটি বাক্যের সংযোজক হিসেবে কাজ করে। যেমন: কাজে তার মন নেই, তাছাড়া সে কাজ পারেও না।
৫. না বাচক ক্রিয়াবিশেষণ - না বাচক ক্রিয়াও ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় । যেমন : তিনি আর এখন ক্রিকেট খেলেন না
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১০.
নিম্নের কোনটি ক্রিয়াবিশেষণের পদাণু নয়?
  1. ক) তো
  2. খ) না
  3. গ) কি
  4. ঘ) তে
ব্যাখ্যা

- পদাণু হচ্ছে আপাত অর্থহীন পদখণ্ড যা পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ বা ইঙ্গিত প্রকাশ করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ক্রিয়াবিশেষণ পদাণুগুলি (Adverbial clitic) হচ্ছে: ‘তো’, ‘না’, ‘কি’, ‘যে’ ‘বা’ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১১.
“আজ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার খেলা” - এখানে ‘বনাম’ শব্দটি কোন প্রকার অনুসর্গের উদাহরণ?
  1. ক) সংস্কৃত অনুসর্গ
  2. খ) আবর্তিত অনুসর্গ
  3. গ) বিবৃত অনুসর্গ
  4. ঘ) ফারসি অনুসর্গ
ব্যাখ্যা

ব্যুৎপত্তি অনুসারে অনুসর্গগুলিকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায় 
১। নাম বা বিশেষ্য অনুসর্গ
২। ক্রিয়াজাত অনুসর্গ
ঐতিহাসিক উৎস অনুসারে বিশেষ্য অনুসর্গকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায় । যথা- ক. সংস্কৃত অনুসর্গ, খ. বিবৃত অনুসর্গ, গ. ফারসি অনুসর্গ। 

সংস্কৃত অনুসর্গ: সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। যেমন; প্রাণের অপেক্ষা প্রিয় কি আর আছে?

বিবৃত অনুসর্গ:
 বিবৃত অর্থাৎ তদ্ভব অনুসর্গের মধ্যে রয়েছে;আগে, কাছে, ছাড়া, তরে, পানে, পাশে, বই, ভেতর, মাঝে, সাথে, সামনে ইত্যাদি। যেমন, “আমার কাছে এর জবাব নেই।”

ফারসি অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ফারসি অনুসর্গ এর মধ্যে রয়েছে- দরুন, বদলে, বনাম, বাদে, বাবদ, বরাবর ইত্যাদি। যেমন, “আজ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকার খেলা” 

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১২.
একের বেশি সংখ্যা বুঝাতে যেসকল লগ্নক ব্যবহৃত হয় তাদেরকে কী বলে?
  1. ক) নির্দেশক
  2. খ) বচন
  3. গ) যোজক
  4. ঘ) আবেগ
ব্যাখ্যা

একের বেশি সংখ্যা বুঝাতে যেসকল লগ্নক ব্যবহৃত হয় তাদের কে বচন বলে। 
- যেসকল শব্দের শেষে বহুবচন লগ্নক যুক্ত হয় না তাদের একবচন শব্দ।
যেসকল শব্দের শেষে বহুবচন লগ্নক যুক্ত হয় তাদের বহুবচন শব্দ।
'রা' - ছাত্ররা, ধনী
'এরা' - ভাইয়েরা, শিক্ষকেরা।
'গণ; - সদস্যগণ, সচিবগণ, 
'বৃন্দ''- শিক্ষকবৃন্দ, দর্শকবৃন্দ ইত্যাদি
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৩.
‘বরঞ্চ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) বরন + চয়
  2. খ) বরন + চ
  3. গ) বরম্‌ + চ
  4. ঘ) বরং + চ
ব্যাখ্যা

বরঞ্চ (বরোন্‌চ):
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - বরম্‌ + চ
শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় আগত।
শব্দটির অর্থ - বরং।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৪.
কোন বাক্যে ‘কি/কী’ এর ব্যবহারের অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়!
  2. খ) তোমার বাড়ির কাজ কি শেষ হয়েছে?
  3. গ) কি লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
  4. ঘ) কী কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ল?
ব্যাখ্যা

পদ ভেদে কি/কী এর ব্যবহার নিম্নরূপ-
কি - প্রশ্নবোধক, সমতাবিধায়, সংশয়সূচক এবং বিস্ময়বোধক অব্যয়।
কী - প্রশ্নবোধক সর্বনাম এবং বিস্ময়বোধক অব্যয়।

উপরোক্ত বাক্যের সঠিক প্রয়োগ - কী লিখেছ, আমাকে একটু পড়ে শুনাও না।
উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১৫.
নিম্নের কোন বাক্যে শব্দের সঠিক প্রয়োগ ঘটেছে?
  1. ক) এমনকি হতে পারে না যে সে-ই খুন করেছে?
  2. খ) তার মতো নিরীহ লোক জনগনকে খেপিয়ে তুওলছে, এমনকি হওয়া সম্ভব?
  3. গ) এমনকি তার মতো দজ্জাল শাশুড়িকেও ঐ একরত্তি মেয়ে বস করে ফেলেছে!
  4. ঘ) বাপের সম্পত্তি তো খেয়েইছে , এখন এমন কি ঘরদোর বিক্রি করতে চাইছে, এমনই ছন্নছাড়া।
ব্যাখ্যা

বাক্যে শব্দের সঠিক প্রয়োগ গুলো নিম্নরূপ-
এমন কি
হতে পারে না যে সে-ই খুন করেছে?
তার মতো নিরীহ লোক জনগনকে খেপিয়ে তুওলছে, এমন কি হওয়া সম্ভব? 
বাপের সম্পত্তি তো খেয়েইছে , এখন এমনকি ঘরদোর বিক্রি করতে চাইছে, এমনই ছন্নছাড়া।

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১৬.
শব্দের সঠিক প্রয়োগ কোনটি?
  1. ক) বক্তব্য রাখা
  2. খ) ঘোষনা দেয়া
  3. গ) ফোন দেয়া
  4. ঘ) বক্তব্য পেশ করা
ব্যাখ্যা

বাক্যে শব্দের সঠিক প্রয়োগ গুলো নিম্নরূপ-
বক্তব্য পেশ করা
ঘোষনা করা
ফোন করা

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ

১৭.
সম্মান এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) সম্‌+ মাণ
  2. খ) সম্‌ + মান
  3. গ) স + মান
  4. ঘ) সন্‌+ মান
ব্যাখ্যা

ব্যাঞ্জনধ্বনিত্ব একটি ধ্বনির প্রভাবে পার্শ্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন হয়।

যেমন, সম্‌ + মান = সম্মান।
বাক্‌+ দান = বাগদান
ষষ্‌ + থ = ষষ্ঠ
সম্‌ + চয় = সঞ্চয়
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৮.
নিম্নের কোনটি ব্যঞ্জনসন্ধির গঠনের প্রকার নয়?
  1. ক) ব্যঞ্জন + স্বর
  2. খ) ব্যঞ্জন + বিসর্গ
  3. গ) স্বর + ব্যঞ্জন
  4. ঘ) ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জনসন্ধির গঠনের প্রকার ৩ টি -
ব্যঞ্জন + স্বর
স্বর + ব্যঞ্জন
ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
বিসর্গসন্ধি তে কয় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

বিসর্গসন্ধি তে ৫ ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়
১। বিসর্গ বিদ্যমান থাকে
২। বিসর্গ ও হয়ে যায়
৩। বিসর্গ 'র' হয়ে যায়, 
৪। বিসর্গ স/শ/ষ হয়ে যায়
৫। কিছু কিছু সন্ধিতে পুর্ববর্তি স্বর দীর্ঘ হয়

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

২০.
‘উ/ঊ + অন্য স্বর‘ সূত্র দ্বারা কোন সন্ধিটি সিদ্ধ?
  1. ক) স্বল্প
  2. খ) প্রত্যেক
  3. গ) মরুদ্যান
  4. ঘ) নাবিক
ব্যাখ্যা

‘উ/ঊ + অন্য স্বর = অব্‌ + স্বর = স্বল্প
প্রত্যেক =প্রতি+এক, ই/ঈ + অন্য স্বর = য্‌ স্বর
মরু + উদ্যান= মরূদ্যান
উ/ঊ = মরু + উদ্যন
ঔ + অন্য স্বর = আব স্বর = নাবিক
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
শয়ন এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি ?
  1. ক) শে + অন
  2. খ) শ + অন
  3. গ) শব + অন
  4. ঘ) শ + ন
ব্যাখ্যা

এ + অন্য স্বর = অয়্‌ স্বর সুত্র দ্বারা  আলোচ্য সন্ধি টি সিদ্ধ।
যেমন- শে + অন=শয়ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

২২.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) তত্তাবধায়ক
  2. খ) তত্বাবধায়ক
  3. গ) তত্ত্বাবধায়ক
  4. ঘ) ত্বত্ত্বাবধায়ক
ব্যাখ্যা

 শুদ্ধ রূপ:
তত্ত্বাবধায়ক (বিশেষণ)
তত্ত্বাবধান করে যে ব্যক্তি; পরিদর্শক; পরিচালক।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) তত্ত্ব+অবধায়ক}

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ , বাংলা একাডেমি বানান ও আধুনিক বাংলা অভিধান

২৩.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ক) মাহাত্ম্য
  2. খ) মুহুর্মুহু
  3. গ) মুদ্রণ
  4. ঘ) মুণিঋষি
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বানানের শুদ্ধ রূপ:
মুনি (বিশেষ্য) ঋষি; তপস্বী; যোগী 
{(তৎসম বা সংস্কৃত) √মন্‌+ই}

ঋষি (বিশেষ্য)
১ শাস্ত্রজ্ঞ তপস্বী; মুনি; যোগী; দরবেশ; সুফি।
২ শাস্ত্রপ্রণেতা; বেদমন্ত্র দ্রষ্টা।
ঋষী (স্ত্রীলিঙ্গ)।
আর্ষ (বিশেষণ)।
আর্য প্রয়োগ (বিশেষ্য) ব্যাকরণের নিয়মে ভুল হলেও ঋষি কর্তৃক ব্যবহৃত বলে স্বীকৃত শুদ্ধ প্রয়োগ।
ঋষিকল্প, ঋষিতুল্য, ঋষিসদৃশ্য বিশেষণ ঋষির ন্যায় জ্ঞানী ও শ্রদ্ধার্হ।
ঋষিপ্রোক্ত (বিশেষণ) ১ ঋষি কর্তৃক উক্ত বা নির্দেশিত।
২ আর্ষ; আর্ষপ্রয়োগ।
{সংস্কৃত √ঋষ্+ই(ইন্)}

উৎস: বাংলা ভাষার নিয়ম কানুন, হায়াৎ মাহমুদ , বাংলা একাডেমি বানান ও আধুনিক বাংলা অভিধান

২৪.
নিম্নের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) তপ্ত ভাতে নুন জুটেনা, ঠাণ্ডা ভাতে ঘি।
  2. খ) ভাত ছড়ালে শালিকের অভাব হয় না
  3. গ) যার লাঠি, তার ঘাঁটি।
  4. ঘ) বুনো ওল, বাঘা তেতুল।
ব্যাখ্যা

অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধ রূপ:
- তপ্ত ভাতে নুন জুটেনা, পান্তা ভাতে ঘি।
- ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না
- যার লাঠি, তার মাটি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।

২৫.
বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৬০
  2. খ) ১৯৬৪
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]
২৬.
MICR লেখার জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) জেল পেন
  2. খ) পেন্সিল কালি
  3. গ) চৌম্বক কালি
  4. ঘ) লেজার রিডেবল কালি
ব্যাখ্যা
- MICR এর সঠিক পূর্ণরূপ হচ্ছে Magnetic Ink Character Recognition।
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালির সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল তফসিলি ব্যাংক MICR যুক্ত চেক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট ইউনিট, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং আউটপুট ইউনিট।
- কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইসকে বলা হয় হার্ডওয়্যার।
- কম্পিউটারের সাংগঠনিক কাঠামোর যে সকল যন্ত্রপাতি আমরা দেখতে পারি, স্পর্শ করতে পারি, যার বস্তুগত আয়তন আছে, তার সমষ্টিকেই হার্ডওয়্যার বলে।
- হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অচল, এর কোন মূল্য নেই।
২৮.
নিচের কোনটি সিপিইউ এর অংশ নয়?
  1. ক) গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ ইউনিট
  3. গ) রেজিস্টার স্মৃতি
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ
• গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
• নিয়ন্ত্রণ ইউনিট,
• রেজিস্টার স্মৃতি।

- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- এই সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
২৯.
নিচের কোনটি ৬৪ বিট প্রসেসর?
  1. ক) Xeon
  2. খ) Intel Itanium
  3. গ) Celeron
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium, Xeon, Celeron হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি ও intel.com
৩০.
নিচের কোনটি সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
  3. গ) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
৩১.
1 টেরাবাইট = ?
  1. ক) 26 গিগাবাইট
  2. খ) 29 মেগাবাইট
  3. গ) 210 মেগাবাইট
  4. ঘ) 210 গিগাবাইট
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩২.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. ক) অ্যাড্রেস বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।

বাস দুই প্রকার।
যথা -
১. সিস্টেম বাস: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস
২. এক্সপানশনস বাস: লোকাল বাস
৩৩.
রিফ্রেশ রেট কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) হার্টজ
  2. খ) পিক্সেল
  3. গ) বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
৩৪.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার নয়?
  1. ক) 1111
  2. খ) 1026
  3. গ) 1568
  4. ঘ) 3232
ব্যাখ্যা
অক্টাল পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 এই ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।
1568 এই সংখ্যাটি অক্টাল নাম্বার নয় কারণ অক্টাল পদ্ধতিতে 8 ও 9 ব্যবহার করা হয় না।
৩৫.
ভুল নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) (5EB)16
  2. খ) (1011)10
  3. গ) (1101)2
  4. ঘ) (281)8
ব্যাখ্যা
নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণঃ
হেক্সাডেসিমাল - (5EB)16
দশমিক - (1011)10
বাইনারি - (1101)2
অক্টাল - (271)8 [অক্টাল নাম্বারে 8 ও 9 থাকে না।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩৬.
বিসিডি কোড কয় বিট বিশিষ্ট?
  1. ক) 2
  2. খ) 4
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
ব্যাখ্যা
- BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- 4টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- 4টি বিট দ্বারা  24 বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৭.
IPC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Information Performance Cycle
  2. খ) Information Per Code
  3. গ) Instructions Period Cycle
  4. ঘ) Instructions Per Cycle
ব্যাখ্যা
In computer architecture, instructions per cycle (IPC), commonly called instructions per clock is one aspect of a processor's performance: the average number of instructions executed for each clock cycle. It is the multiplicative inverse of cycles per instruction.

Source:
Computer Architecture: A Quantitative Approach
By - John L. Hennessy, David A. Patterson
৩৮.
কোন পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি কম্পিউটার এর দুই পাশের দুটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) রিং টপোলজি
  2. খ) বাস টপোলজি
  3. গ) স্টার টপোলজি
  4. ঘ) ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো ডাটা বা সংকেত বৃত্তাকার পথে (একমুখী প্রবাহ) কম্পিউটারগুলোর মধ্যে ঘুরতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত না নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডাটা গ্রহণ করে।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান, প্রত্যেকটি কম্পিউটার স্বাধীন।

সূত্রঃ তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়