পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ বিষয়: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য - ১ ব্যাকরণ অংশের টপিক: ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ। উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
'ক্স' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক্ + র
  2. ক্ + স
  3. ক্ + ম
  4. ক্‌ + য
ব্যাখ্যা
• যুক্তবর্ণ:
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যে সকল যুক্তবর্ণ দেখলে সহজে চেনা যায় তাদের কে স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে। যে সকল যুক্তবর্ণ দেখলে সহজে চেনা যায় না তাদের কে অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ বলে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- ক্ + স = ক্স,
- ক্ + ষ = ক্ষ,
- হ্+ ম = হ্ম,
- হ্ + ন = হ্ন,
- ষ + ণ= ষ্ণ,
- ক্ + ষ + ম = ক্ষ্ম। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১)।
.
'পবন' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. সূর্য
  2. আগুন
  3. বাতাস
  4. বিদ্যু
ব্যাখ্যা
• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
 বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।

অন্যদিকে,
• 'অগ্নি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
আগুন, পাবক, বৈশ্বানর, সর্বশুচি, হুতাশন, বহ্নি, অনল প্রভৃতি।

• 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

• 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ কোনটি?
  1. পহেলা
  2. তেহাই
  3. একত্রিশে
  4. একাদশ
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ তিন প্রকার। যথা:
১. সাধারণ পূরণবাচক,
২. তারিখ পূরণবাচক,
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম)। 

- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়। যথা: উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম)...নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), পঞ্চমী (৫মী), ষষ্ঠী (৬ষ্ঠী), সপ্তমী (৭মী), অষ্টমী (৮মী), নবমী (৯মী), দশমী (১০মী), একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী), ত্রয়োদশী (১৩শী), চতুর্দশী (১৪শী), পঞ্চদশী (১৫শী), ষোড়শী (১৬শী), সপ্তদশী (১৭শী), অষ্টাদশী (১৮শী) ইত্যাদি।

-------------------------
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'Graphem' শব্দের অর্থ কী?
  1. ধ্বনিমূল
  2. বাক্যমূল
  3. বর্ণমূল
  4. শব্দমূল
ব্যাখ্যা
• 'Graphem' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ - বর্ণমূল/লিপিমূল।

অন্যদিকে,
• 'Phoneme' অর্থ - ধ্বনিমূল।
• 'Stem' অর্থ - শব্দমূল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।
.
'গ্রাহ্য' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. অনাগ্রাহ্য
  2. অগ্রহ্য
  3. অবগ্রহ্য
  4. অগ্রাহ্য
ব্যাখ্যা
• 'গ্রাহ্য' এর বিপরীত শব্দ - অগ্রাহ্য।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
উন্মীলন - নিমীলন। 
করাল - সোম্য। 
ঐহিক - পারত্রিক। 
উপরোধ - অনুরোধ। 
তস্কর - সাধু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
.
'থলে' শব্দে 'থ' কোন ধরনের স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন?
  1. তালু স্পৃষ্ট
  2. কণ্ঠ স্পৃষ্ট
  3. দন্ত স্পৃষ্ট
  4. ওষ্ঠ স্পৃষ্ট
ব্যাখ্যা
'থলে' শব্দের 'থ' দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনের উদাহরণ। 

-------------------
• স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন:

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি বাক্‌প্রত্যঙ্গ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা তৈরি করে, সেগুলোকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। এগুলো স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি নামেও পরিচিত।
যথা:
ফল, থলে, ঠাণ্ডা, ছুরি, খেলা শব্দের ফ, থ, ঠ, ছ, খ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি।

উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
• ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ।
দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ।
• মূর্ধা স্পষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ।
• তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ।
• কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
.
'হাতি' কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. তৎসম শব্দ
  2. তদ্ভব শব্দ
  3. দেশি শব্দ
  4. বিদেশি শব্দ
ব্যাখ্যা
• উৎস বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ:
উৎস বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চার শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি। এর মধ্যে তৎসম ও তদ্ভব শ্রেণিকে নিজস্ব উৎসের এবং দেশি ও বিদেশি শ্রেণিকে আগন্তুক উৎসের শব্দ হিসেবে গণ্য করা হয়।

১. তৎসম শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। যথা: পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ। সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়। যথা: অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

২. তদ্ভব শব্দ: প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

৩. দেশি শব্দ: বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়। উদাহরণ: কুড়ি, পেট, চুলা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

৪. বিদেশি শব্দ: ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হওয়ায় সেসব দেশের বহু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, এই শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দ বলে। এসব বিদেশি শব্দের মধ্যে রয়েছে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, ফরাসি, ওলন্দাজ, তুর্কি, হিন্দি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
.
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয়-
  1. কার
  2. অণু
  3. ফলা
  4. রেফ
ব্যাখ্যা
• কারবর্ণ:
স্বরবর্ণের মোট ১০টি সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে, স্বরবর্ণের এ সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় সংক্ষিপ্ত স্বর বা 'কার'। কারবর্ণগুলো হলো: া,ি, ী, ু, ূ , ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ ।

কারবর্ণের স্বতন্ত্র ব্যবহার নেই। এগুলো ব্যঞ্জনবর্ণের আগে, পরে, উপরে, নিচে বা উভয় দিকে যুক্ত হয়।
কোনো ব্যঞ্জনের সঙ্গে কারবর্ণ বা হসন্তচিহ্ন  না থাকলে ব্যঞ্জনটির সঙ্গে একটি [অ] আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
• অনুবর্ণ:
ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ। অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
.
'Security' এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. আমানত
  2. জামানত
  3. বন্ধক
  4. ইজারা
ব্যাখ্যা
• 'Security' এর পারিভাষিক শব্দ - জামানত।

অন্যদিকে, 
• 'Mortgage' অর্থ - বন্ধক।
• 'Deposit' অর্থ - আমানত।
• 'Lease' অর্থ - ইজারা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১০.
উচ্চারণস্থান অনুসারে 'র, ল, স' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. দন্তমূলীয় ধ্বনি
  2. জিহ্বামূলীয় ধ্বনি
  3. তালব্য ধ্বনি
  4. মূর্ধন্য ধ্বনি
ব্যাখ্যা
দন্তমূলীয় ধ্বনি:
উপর পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে জিভের ডগা লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারিত হয় তাদের দন্তমূলীয় ধ্বনি বলে।
যেমন- ন, র, ল, স।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১১.
'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীতর্থক শব্দ কোনটি?
  1. সংকুচিত
  2. একবর্ণা
  3. সংহত
  4. প্রসারণ
ব্যাখ্যা
• 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - প্রসারণ।

অন্যদিকে, 
---------------
- 'সংকুচিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - প্রসারিত।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - বিভক্ত।
- 'বিচিত্র' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - একবর্ণা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১২.
'জ্বলজ্বল' কোন ধরনের দ্বিরুক্ত শব্দ?
  1. অনুকার দ্বিত্ব
  2. পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব
  3. ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব
  4. পদাত্মক দ্বিত্ব
ব্যাখ্যা
• ধ্বন্যাত্মক শব্দ:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।
যেমন:
কুট কুট, খক খক, সাঁই-সাঁই, খুটুর খুটুর, টুং টুং, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস, থকথক, শোঁ শোঁ, চকচক, ভটভট, ধুপধুপ টুপটাপ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৩.
'রাজীব' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পানি
  2. পদ্ম
  3. মেঘ
  4. বৃক্ষ
ব্যাখ্যা
• রাজীব [বিশেষ্য পদ],
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- পদ্ম,
- কমল।

• 'পদ্ম' শব্দের অন্যান্য সমার্থক শব্দ:
কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪.
জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী 'ও' এর অবস্থান কোনটি?
  1. মধ্য
  2. সম্মুখ
  3. পশ্চাৎ
  4. নিম্ন মধ্য
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।

• জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী-
সম্মুখ- ই, এ, অ্যা,
মধ্য- আ;
পশ্চাৎ- উ, ও, অ।

• জিভের উচ্চতা অনুযায়ী-
উচ্চ- ই, উ।
উচ্চ-মধ্য- এ, ও।
নিম্ন-মধ্য- অ্যা, অ।
নিম্ন- আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৫.
'বিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. অনুগ্রহ
  2. সন্ধি
  3. নিগ্রহ
  4. প্রতিগ্রহ
ব্যাখ্যা
•  'বিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - সন্ধি।

অন্যদিকে:
• 'প্রতিগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - অপ্রতিগ্রহ।
• 'অনুগ্রহ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - নিগ্রহ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
কোনটি চ-বর্গীয় ধ্বনি?
ব্যাখ্যা
• ক-বর্গীয় ধ্বনি: ক, খ, গ, ঘ, ঙ- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণ জিহ্বার গোড়ার দিকে নরম তালুর পশ্চাৎ ভাগ স্পর্শ করে। এগুলো জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্য স্পর্শধ্বনি।

• চ-বর্গীয় ধ্বনি: চ, ছ, জ, ঝ, ঞ-এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার অগ্রভাগ চ্যাপটাভাবে তালুর সম্মুখ ভাগের সঙ্গে ঘর্ষণ করে। এদের বলা হয় তালব্য স্পর্শধ্বনি।

• ট-বর্গীয় ধ্বনি: , ঠ, ড, ঢ, ণ এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার অগ্রভাগ কিঞ্চিৎ উল্টিয়ে ওপরের মাড়ির গোড়ার শক্ত অংশকে স্পর্শ করে। এগুলোর উচ্চারণে জিহ্বা উল্টা হয় বলে এদের নাম দন্তমূলীয় প্রতিবেষ্টিত ধ্বনি। আবার এগুলো ওপরের মাড়ির গোড়ার শক্ত অংশ অর্থাৎ মূর্ধায় স্পর্শ করে উচ্চারিত হয় বলে এদের বলা হয় মূর্ধন্য ধ্বনি।

• ত-বর্গীয় ধ্বনি: ত, থ, দ, ধ, ন- এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বা সম্মুখে প্রসারিত হয় এবং অগ্রভাগ ওপরের দাঁতের পাটির গোড়ার দিকে স্পর্শ করে। এদের বলা হয় দন্ত্য ধ্বনি।

• প-বর্গীয় ধ্বনি: প, ফ, ব, ভ, ম এ পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে। এদের ওষ্ঠ্যধ্বনি বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৭.
'সৌম্য' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. কোমল
  2. উগ্র
  3. কঠিন
  4. বিরাগী
ব্যাখ্যা
• 'সৌম্য' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - উগ্র।

অন্যদিকে, 
--------------
- 'দুরন্ত' এর বিপরীত শব্দ - শান্ত।
- 'কোমল' এর বিপরীত শব্দ - কঠিন/কঠোর।
- 'অনুরাগী 'এর বিপরীত শব্দ - বিরাগী। 

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১৮.
'Executive' এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. নির্বাহী
  2. সহযোগী
  3. ব্যবস্থাপক
  4.  উপাচার্য
ব্যাখ্যা
• 'Executive' এর বাংলা পরিভাষা - নির্বাহী।

অন্যদিকে,
• 'Associate' অর্থ - সহযোগী।
• 'Manager' অর্থ - ব্যবস্থাপক।
• 'Vice Chancellor' অর্থ -  উপাচার্য। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
১৯.
নাসিক্য বর্ণ কোনটি?
ব্যাখ্যা
• নাসিক্য বর্ণ:
ধ্বনির উচ্চারণে নাক ও মুখ দিয়ে কিংবা কেবল নাক দিয়ে ফুসফুস তাড়িত বাতাস বের হয় বলে এদের বলা হয় নাসিক্য ধ্বনি এবং প্রতীকি বর্ণগুলোকে বলা হয় নাসিক্য বর্ণ।
যেমন: ঙ, ঞ, ণ, ন, ম।

অন্যদিকে,
উষ্ম ব্যঞ্জন - স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ। 
পার্শ্বিক ব্যঞ্জন- ল পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২১-সংস্করণ)।
২০.
'Demography' শব্দের বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. পরতন্ত্র
  2. জনতত্ত্ব
  3. রাজতন্ত্র
  4. স্বতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• 'Demography' শব্দের বাংলা পরিভাষা - জনতত্ত্ব।

অন্যদিক, 
• 'Subservient; obedient' অর্থ - পরতন্ত্র। 
• 'Monarchy' অর্থ - রাজতন্ত্র। 
• 'Independent' অর্থ - স্বতন্ত্র। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা এবং  অভিগম্য অভিধান।
২১.
'চুল' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. লোচন
  2. শর্বরী
  3. কুন্তল
  4. বিভাবরী
ব্যাখ্যা
• 'চুল' শব্দের সমার্থক শব্দ: কেশ, অলক, চিকুর, কুন্তল, কবরী।

অন্যদিকে,
-------------------
• 'চোখ' শব্দের সমার্থক শব্দ: চক্ষু, নয়ন, আঁখি, অক্ষি, নেত্র, লোচন।
• 'রাত্রি'র সমার্থক শব্দ: রাজনী; যামিনী; রাত; নিশা; নিশীথিনী; ক্ষণদা; শর্বরী; বিভাবরী

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২২.
গঠন বিবেচনায় 'পাখি' কোন ধরনের শব্দ?
  1. সাধিত শব্দ
  2. রূঢ়ি শব্দ
  3. মৌলিক শব্দ
  4. যোগরূঢ় শব্দ
ব্যাখ্যা
গঠন বিবেচনায় শব্দের শ্রেণিবিভাগ-
গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে মৌলিক এবং সাধিত এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন: গাছ, পাখি, ফুল, হাত, গোলাপ ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ।

অন্যদিকে,
- অর্থানুসারে শব্দ তিন প্রকার।
যথা:
(ক) যৌগিক শব্দ,
(খ) রূঢ়ি শব্দ এবং
(গ) যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
২৩.
'Patois' এর পারিভাষিক শব্দ -
  1. বিভাষা
  2. আঞ্চলিক ভাষা
  3. সাধু ভাষা
  4. চলিত ভাষা
ব্যাখ্যা
• 'Patois' এর পারিভাষিক শব্দ - আঞ্চলিক ভাষা।

অন্যদিকে,
• 'Foreign language' অর্থ - বিভাষা। 
• 'Classical language; elegant/ polished/ chaste language' অর্থ - সাধু ভাষা। 
• 'Colloquial language' অর্থ - চলিত ভাষা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড) এবং প্রশাসনিক পরিভাষা; অভিগম্য অভিধান।
২৪.
মধ্যস্বর লোপ পেয়েছে নিচের কোন উদাহরণে?
  1. আশা > আশ
  2. আজি > আজ
  3. অগুরু > অগ্র
  4. উদ্ধার > উধার > ধার
ব্যাখ্যা
• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ।
যেমন- বসতি > বস্‌তি, জানালা > জান্‌লা ইত্যাদি।

• আদি স্বরলোপ:
প্রথম স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে আদি স্বরলোপ বলে।
যেমন:
- অলাবু> লাবু > লাউ,
- উদ্ধার > উধার > ধার।

• মধ্যস্বর লোপ:
শব্দের মধ্যে অবস্থিত স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে মধ্যস্বর লোপ বলে।
যেমন:
- অগুরু > অগ্র,
- সুবর্ণ > স্বর্ণ।

• অন্ত্যস্বর লোপ:
শব্দের শেষে অবস্থিত স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে অন্ত্যস্বর লোপ বলে।
যেমন:
- আশা > আশ,
- আজি > আজ,
- চারি > চার,
- সন্ধ্যা > সঞঝা > সাঁঝ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২৫.
'ক্ম' যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক্‌ + ন = ক্ম
  2. ক্‌ + স = ক্ম
  3. ক্‌ + ম = ক্ম
  4. ক্‌ + ণ = ক্ম
ব্যাখ্যা
• যুক্তবর্ণ:
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, আবার কখনো সহজে চেনা যায় না। যুক্তবর্ণ দুই রকম।
যথা- স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ্জ, জ্ব, ড্ড, ন্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ষ্ঠ, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, ব্দ ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ত (ক্ + ত), ক্ম (ক্ + ম), ক্র (ক্ + র), ক্ষ (ক্ + ষ), ক্ষ্ম (ক্ + ষ + ম), ক্স (ক্ + স), গু (গ্‌ + উ), ন্ধ (গ্‌ + ধ), ঙ্ক (ঙ্‌ + ক), জ্ঞ (জ্‌ + ঞ), ঞ্চ (ঞ্‌ + চ), ঞ্জ (ঞ্‌ + জ), ট্র (ট্ + ট), ত্ত (ত্ + ত), ত্থ (ত্ + থ), ত্র (ত্ + ত্র), দ্ধ (দ্‌ + ধ), ন্ধ (ন্‌ + ধ), ব্ধ (ব্‌ + ধ ), ভ্র ( ভ্‌ + র), ভ্রূ (ভ্‌ + র + ঊ), রু (র্‌ + উ), রূ (র্‌ + ঊ), শু (শ্ + উ), ষ্ণ (ষ্‌ + ণ), হু (হ্‌ + উ), হ্ম (হ্‌ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৬.
'কান্তার' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. হাত
  2. কন্যা
  3. স্ত্রী
  4. বন
ব্যাখ্যা


• 'বন' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বনানী, বনবাদাড়, কুঞ্জ, কান্তার, বিপিন, অটবী।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
'যোজক' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. সমষ্টি
  2. স্বাশত
  3. প্রণালি
  4. মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'যোজক' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রণালি।

অন্যদিকে, 
----------------
ব্যষ্টি - সমষ্টি।
নম্বর - স্বাশত।
শত্রু - মিত্র।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৮.
নিচের কোনটি উচ্চ স্বরধ্বনি?
ব্যাখ্যা
• স্বরধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।

উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা:
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - [ই], [উ]।
২. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি - [এ], [ও]।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - [অ্যা], [অ]।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - [আ]।

- উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
২৯.
যোগরূঢ় শব্দ কোনটি?
  1. বাবুয়ানা
  2. চিকামারা
  3. দৌহিত্র
  4. মহাযাত্রা
ব্যাখ্যা
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতি বিশেষ'।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
---------------------
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
চিকামারা = চিকা + মারা অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩০.
'উদক' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পর্বত
  2. পানি
  3. মেঘ
  4. হাতি
ব্যাখ্যা
• 'পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
জল, নীর, উদক, সলিল, পানি, অপ, প্রানদ, তোয়, জীবন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩১.
'Accused' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. মুলতবি
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. অভিযুক্ত
  4. অভিযোগ
ব্যাখ্যা
• 'Accused' এর পারিভাষিক শব্দ - অভিযুক্ত।

অন্যদিকে, 
- 'Adjournment' অর্থ - মুলতবি।
- 'Allegation' অর্থ - অভিযোগ।
- 'Capital punishment' অর্থ - মৃত্যুদণ্ড।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।