পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ---------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
DBMS-এর কোন বৈশিষ্ট্য ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে?
  1. Security
  2. Integrity
  3. Usability
  4. Redundancy
ব্যাখ্যা

- Integrity হলো ডাটার অখণ্ডতা বা সঠিকতা বজায় রাখার নীতি।
- অর্থাৎ, ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্য সবসময় সঠিক, পূর্ণাঙ্গ এবং বিশ্বাসযোগ্য থাকে।

Integrity-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Entity Integrity: প্রতিটি রেকর্ড বা সারির একটি ইউনিক পরিচয় থাকতে হবে।
- Referential Integrity: Foreign key এর মাধ্যমে টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক সঠিক থাকতে হবে। ভুল বা অকার্যকর রেফারেন্স থাকতে পারবে না।
- Domain Integrity: একটি নির্দিষ্ট কলামে কী ধরনের ডাটা রাখা যাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
যেমন: Age কলামে কেবল সংখ্যা থাকবে, নাম থাকবে না।

অপরদিকে,
- Security ডাটাকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করে।
- Usability হলো ব্যবহারকারীর জন্য ডাটাবেস ব্যবহারের সহজতা নিশ্চিত করা।
- Redundancy হলো ডাটার পুনরাবৃত্তি কমানো।

উৎস: Encyclopedia Britannica. [লিংক]।

.
নেটওয়ার্কে ডেটা চুরি রোধের জন্য কার্যকর উপায় কোনটি?
  1. ফিশিং
  2. এনক্রিপশন
  3. হ্যাকিং
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

- নেটওয়ার্কে তথ্য আদান–প্রদান করার সময় ডেটা সবসময় আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে। হ্যাকাররা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডেটা চুরি করতে পারে, যেমন: প্যাকেট স্নিফিং, ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ, বা অননুমোদিত প্রবেশ। 
- এই ধরনের ঝুঁকি থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার অন্যতম কার্যকর উপায় হলো Encryption (এনক্রিপশন)।

- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয় ।
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম: সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)।

• অন্যান্য অপশন:
- ফিশিং হলো একটি আক্রমণ পদ্ধতি যেখানে প্রতারণামূলক লিঙ্ক বা ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য চুরি করা হয়।
- হ্যাকিং হলো অননুমোদিতভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করা।
- ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ডাটা চুরি, নষ্ট বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় ডাটা কমানোর জন্য কোন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার হয়? 
  1. Redundancy
  2. Normalization
  3. Encryption
  4. Backup
ব্যাখ্যা

- Normalization হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডাটাবেজে অপ্রয়োজনীয় বা পুনরাবৃত্ত ডাটা দূর করা হয়।
- এতে ডাটা টেবিলগুলো এমনভাবে ভাগ করা হয় যাতে প্রতিটি তথ্য একবারই সংরক্ষিত থাকে এবং সম্পর্ক বজায় থাকে।

Normalization-এর প্রধান উদ্দেশ্য:
- একই তথ্য একাধিক জায়গায় না রাখা (redundancy কমানো)।
- ডাটার সঠিকতা (integrity) ও সংগতি (consistency) বজায় রাখা।
- ডাটাবেজ আপডেট বা পরিবর্তনের সময় ভুল বা বিভ্রান্তি রোধ করা।

Normalization এর স্তর (Normal Forms):
- 1NF (First Normal Form): প্রতিটি সেলে কেবল একক মান থাকবে।
- 2NF (Second Normal Form): সমস্ত নন-কী অ্যাট্রিবিউট সম্পূর্ণভাবে প্রাইমারি কী-এর উপর নির্ভর করবে।
- 3NF (Third Normal Form): নন-কী অ্যাট্রিবিউটের মধ্যে কোনো ট্রান্সিটিভ নির্ভরতা থাকবে না।

- Encryption হলো তথ্যকে কোড বা সংকেতে রূপান্তর করা যাতে অননুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে না পারে।
- Backup হলো ডাটার একটি কপি রাখা যাতে মূল তথ্য হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধার করা যায়।

উৎস: Database System Concepts: Silberschatz, Korth & Sudarshan. 

.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণে “Disk Defragmentation” এর কাজ কী?
  1. ভাইরাস অপসারণ
  2. ফাইল গুছিয়ে রাখা ও সিস্টেম দ্রুত করা
  3. ডিস্ক মুছে ফেলা
  4. নতুন OS ইনস্টল করা
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার যখন হার্ড ড্রাইভে (HDD) ফাইল সংরক্ষণ করে, তখন সেটি ডেটাকে ব্লক আকারে সংরক্ষণ করে।
- সময়ের সাথে সাথে যখন আপনি কোনো ফাইল সংরক্ষণ, সম্পাদনা বা মুছে ফেলা হয়, তখন নতুন ডেটা আগের জায়গায় না বসে বিভিন্ন খালি স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এই অবস্থাকে বলা হয় Fragmentation (ডিস্কের খণ্ডিত অবস্থা)।

- Disk Defragmentation হলো এমন একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া, যা হার্ড ডিস্কের ফাইল ও ডেটাগুলোকে পুনর্গঠন করে ধারাবাহিকভাবে  সাজায়।

এতে ফাইলের সব অংশ কাছাকাছি অবস্থানে চলে আসে, ফলে- 

- কম্পিউটার দ্রুত ফাইল পড়তে ও লোড করতে পারে।
- সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি পায়।
- হার্ড ডিস্কের উপর চাপ কমে এবং আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায়।
- বুট টাইম বা প্রোগ্রাম চালুর সময় কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

.
“Malware” শব্দটি কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Malicious Hardware
  2. Malicious Software
  3. Manageable Software
  4. Manual Software
ব্যাখ্যা

- Malware শব্দটি এসেছে দুটি ইংরেজি শব্দ থেকে -
- Malicious (অর্থ: ক্ষতিকর)।
- Software (অর্থ: প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার)।

Malware এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অজান্তে সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং এই কাজগুলো করতে পারে-
- নিজের কপি তৈরি করে অন্য ফাইলকে সংক্রমিত করে।
- নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, ফাইল ছাড়াই সংক্রমণ ঘটাতে পারে।
- ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ ও ডেটা নজরদারি করে।
- ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করে।
- অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখায় ও ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করে।

Malware প্রতিরোধের উপায়:
- অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিম্যালওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা (যেমন Windows Defender, Avast, Bitdefender)।
- অজানা ইমেইল বা লিংকে ক্লিক না করা।
- নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা।
- নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সফটওয়্যার ডাউনলোড করা।
- Firewall সক্রিয় রাখা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশোনাল)।

.
নিরাপদ ওয়েবসাইটের URL শুরু হয় সাধারণত কী দিয়ে?
  1. http://
  2. https://
  3. ftp://
  4. mail://
ব্যাখ্যা

- URL (Uniform Resource Locator) হলো ইন্টারনেটে কোনো ওয়েবসাইট বা ওয়েবপেজের ঠিকানা।
- যেমন: https://www.educationboard.gov.bd.

- HTTP (Hyper Text Transfer Protocol):
- এটি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ প্রোটোকল।
- http:// দিয়ে শুরু ওয়েবসাইটে ডেটা এনক্রিপশন থাকে না, অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষ সহজেই তথ্য চুরি করতে পারে।

- HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure):
- এটি HTTP-এর নিরাপদ সংস্করণ।
- এখানে “S” মানে Secure, অর্থাৎ ডেটা এনক্রিপশন (Encryption) পদ্ধতিতে প্রেরণ করা হয়।
- এর মাধ্যমে ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে তথ্য SSL/TLS (Secure Sockets Layer / Transport Layer Security) ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়।

- ftp:// (File Transfer Protocol) ব্যবহার করা হয় ফাইল আদান-প্রদানের জন্য, এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য নয়।
- mail:// ইমেইল সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Encyclopedia britannica. [লিংক]।

.
UPDATE ও ALTER কমান্ডদ্বয় যথাক্রমে কোন ধরনের স্টেটমেন্ট? 
  1. DML , DDL
  2. DDL , DML
  3. DML , DML
  4. DDL , DDL
ব্যাখ্যা

- ডেটাবেজ টেবিলে তথ্য (Insert) ইনসার্ট, (Update) আপডেট এবং ডিলিট (Delete) করার জন্য ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DML ব্যবহার করা হয়।

• DML এর সাহায্যে ডেটাবেজে নিম্নলিখিত কাজ করা হয়:

- টেবিলে নতুন কোনো তথ্য ইনসার্ট করা: ইনসার্ট অপারেশন (Insert).
- টেবিলের কোনো তথ্য ডিলিট করা: ডিলিট অপারেশন (Delete).
- টেবিলের তথ্য আপডেট করা: আপডেট অপারেশন (Update).

• উদাহরণ:
- টেবিলের রেকর্ড পরিবর্তন / আপডেট করতে:
- গঠন: UPDATE SET Column =  WHERE Condition
- উদাহরণ: UPDATE student SET Age = 05 WHERE Roll = 063
- ব্যাখ্যা: Student নামের টেবিলে Age=05 পরিবর্তন করা হবে যে রেকর্ডের Roll = 063

- ডেটাবেজে টেবিল তৈরি, টেবিল সংশোধন, টেবিল বাদ দেয়া ইত্যাদির জন্য যে SQL স্টেটমেন্ট ব্যবহার হয় তাকে ডেটা ডেফিনিশন/ডেসক্রিপশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DDL বলা হয়।
- ডেটার কাঠামো নির্ধারণ, ইউজারের সুবিধার্থে নতুন টেবিল তৈরি করা, টেবিল সংশোধন করা, ডেটার টাইপ পরিবর্তন করা, টেবিল বাদ দেয়া ইত্যাদির ক্ষেত্র DDL এ পড়ে।
- DDL এর মাধ্যমে ডেটাবেজ/ডিসক্রিপশনে কাঠামোগত কাজগুলো করা হয়।

• উদাহরণ:
- টেবিলের কলাম পরিবর্তন করতে:
- গঠন: SQL > ALTER TABLE ADD/ DROP Column definitions
- উদাহরণ: SQL > ALTER TABLE student ADD Age NUMBER (3)
- ব্যাখ্যা: এখানে student নামের টেবিলে Age নামে একটি নতুন কলাম যোগ হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

.
ডাটাবেজে Foreign Key কী নির্দেশ করে?
  1. অন্য টেবিলের Primary Key
  2. একই টেবিলের Index
  3. টেবিলের নাম
  4. একটি Temporary Key
ব্যাখ্যা

- Foreign Key হলো একটি টেবিলের কলাম (বা কলামগুলোর সেট), যা অন্য টেবিলের Primary Key এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি ডাটাবেসে সম্পর্ক (Relationship) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্য সঠিকভাবে সংযুক্ত থাকে।
- এটি টেবিলের মধ্যে referential integrity নিশ্চিত করে।
- মানে, Foreign Key-এর মান সবসময় সেই টেবিলের Primary Key-এর সাথে মিলতে হবে।

Foreign Key-এর সুবিধা:
- ডেটা consistency: নিশ্চিত করে যে কোনো অবৈধ মান Foreign Key-তে ঢুকবে না।
- টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন: Master-Detail সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়ক।
- Cascade Operations: Parent টেবিলে update বা delete হলে child টেবিলে প্রভাব পড়তে পারে (CASCADE OPTION ব্যবহার করলে)।

- Index: এটি শুধুমাত্র দ্রুত অনুসন্ধান ও সাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, সম্পর্ক নির্দেশ করে না।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

.
স্প্যাইওয়্যার কী কাজ করে?
  1. কম্পিউটার দ্রুত করে
  2. ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করে
  3. ফাইল সংরক্ষণ করে
  4. সফটওয়্যার ইনস্টল করে
ব্যাখ্যা

- স্প্যাইওয়্যার হলো এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে কম্পিউটার বা মোবাইলে ঢুকে ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, ব্যাঙ্কিং তথ্য, কি-স্ট্রোক ইত্যাদি) চুরি করে হ্যাকার বা তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠায়। - এর মূল কাজই হলো গুপ্তচরবৃত্তি করা এবং তথ্য চুরি করা।

স্প্যাইওয়ারের কাজ:
- ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং ডেটা চুরি করা: যেমন লগইন তথ্য, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ডিটেইলস।
- কীস্ট্রোক লগিং (Keystroke Logging): ব্যবহারকারী কোন কী চাপছে তা রেকর্ড করে।
- পরিচিতি চুরি (Identity Theft): ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণা বা ব্যাংক লেনদেন করা।
- অ্যাড ইনস্টলেশন ও বিজ্ঞাপন দেখানো: কিছু স্প্যাইওয়্যার ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া অ্যাডওয়্যারও ইনস্টল করে।

স্প্যাইওয়ারের উপসর্গ / লক্ষণ:
- কম্পিউটার হঠাৎ ধীরগতিতে কাজ করা।
- ব্রাউজারে অজানা টুলবার বা অ্যাডস দেখা।
- লগইন তথ্য অননুমোদিতভাবে চুরি হওয়া বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ।
- মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত রিডাইরেকশন ও পপ-আপ বিজ্ঞাপন।

স্প্যাইওয়ারের প্রতিকার:
- অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার / অ্যান্টি-স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ইমেইল ক্লিক না করা।
- সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করা।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও দুই-ধাপ যাচাই ব্যবহার করা।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

১০.
Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডেটা ডিলিট করা
  2. ডেটা দেখতে সার্চিং দ্রুত করা
  3. ইনডেক্সিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা
  4. ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

- Primary Key হলো টেবিলের এমন একটি ক্ষেত্র বা কলাম  যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
- কোনো টেবিলে একটি মাত্র Primary Key থাকতে পারে।
- Primary Key-এর মান null (ফাঁকা) হতে পারে না এবং একই মান (duplicate) রাখা যায় না।

উদাহরণ:
 ধরা যাক Student টেবিলে Student_ID হলো Primary Key।

টেবিলে অন্য কোনো কলাম যেমন Name ডুপ্লিকেট হতে পারে, কিন্তু Primary Key ইউনিক।
এখানে Student_ID ইউনিক হওয়ায় 101 আবার দেওয়া যাবে না।

উৎস: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১১.
ফায়ারওয়াল এর কাজ কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস প্রবেশে সাহায্য করে
  2. অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সিস্টেম সুরক্ষা করে
  3. গেম দ্রুত চালায়
  4. ব্যাকআপ তৈরি করে 
ব্যাখ্যা

- ফায়ারওয়াল হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Network Security System), যা ইনকামিং ও আউটগোয়িং নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে।

- ফায়ারওয়াল প্রতিটি ডেটা প্যাকেট পরীক্ষা করে দেখে সেটি নিরাপদ কিনা।
- যদি কোনো সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর সংযোগ পাওয়া যায়, ফায়ারওয়াল তা ব্লক করে দেয়।
- এটি “filter” হিসেবে কাজ করে। 

ফায়ারওয়ালের ধরন:
- Hardware Firewall: রাউটার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসে ইনস্টল থাকে, পুরো নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।
- Software Firewall: অপারেটিং সিস্টেমে (যেমন Windows Defender Firewall) ইনস্টল থাকে, একক কম্পিউটারকে সুরক্ষা দেয়।

ফায়ারওয়ালের মূল কাজের স্তর (Layers of Protection):
- Packet Filtering (প্যাকেট ফিল্টারিং): কেবল আইপি ঠিকানা, প্রটোকল (TCP/UDP), ও পোর্ট নম্বর দেখে প্যাকেট অনুমোদন/ব্লক করে। (সবচেয়ে বেসিক)
- Stateful Inspection: সংযোগের অবস্থা (session) বুঝে— একটি প্যাকেট কনফার্ম্ড কানেকশনের অংশ কিনা দেখে সিদ্ধান্ত নেয়।
- Application-level / Proxy Firewall: অ্যাপ্লিকেশনের লেভেলে (যেমন HTTP, FTP) কন্টেন্ট পর্যবেক্ষণ করে — URL, কুকি, HTTP হেডার ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয়।
- Next-Generation Firewall (NGFW): স্টেটফুল + অ্যাপ্লিকেশন চিনতে পারে + ইনট্রুশন প্রিভেনশন (IPS), URL ফিল্টারিং, ইউজার-লোভাল পলিসি ইত্যাদি একসাথে করে।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

১২.
ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য আহরণ করতে কোন ভাষা ব্যবহার করা হয়? 
  1. HTML
  2. SQL
  3. CSS
  4. XML
ব্যাখ্যা

- SQL- এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language.
- এটি একটি ডাটাবেজ ভাষা, যা ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং অনুসন্ধান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

SQL-এর মূল কার্যকারিতা:
- SELECT → ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করা।
- INSERT → নতুন তথ্য যোগ করা।
- UPDATE → বিদ্যমান তথ্য পরিবর্তন করা।
- DELETE → তথ্য মুছে ফেলা।

• অন্যান্য অপশন
- HTML: এটি একটি মার্কআপ ভাষা; ওয়েবপেজ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ডাটাবেজের তথ্য আহরণের জন্য নয়।
- CSS: Cascading Style Sheets, যা ওয়েবপেজের স্টাইল (রঙ, ফন্ট, লেআউট) নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটাবেজের তথ্যের জন্য নয়।
- XML: eXtensible Markup Language, এটি তথ্যের স্টোরেজ এবং ট্রান্সপোর্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডাটাবেজ থেকে সরাসরি অনুসন্ধানের জন্য নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশোনাল)।

১৩.
ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার নিয়ম কোনটি? 
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফি 
  2. স্টেগানোগ্রাফি
  3. ইনফরমেট্রিক্স
  4. ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা

- ডেটা বা তথ্যের এনক্রিপশন (encryption) এবং ডিক্রিপশন (decryption) হলো তথ্যকে নিরাপদ রাখার পদ্ধতি।
- এনক্রিপশন: মূল তথ্যকে একটি কোড বা সিক্রেট ফরম্যাটে রূপান্তর করা, যাতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি এটি পড়তে না পারে।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা তথ্যকে পুনরায় মূল বা পাঠযোগ্য ফরম্যাটে রূপান্তর করা।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে Cryptography বলা হয়। Cryptography মূলত তথ্য নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- স্টেগানোগ্রাফি (Steganography): তথ্যকে অন্য কোনো মিডিয়ার মধ্যে লুকানো, যেমন ছবি, অডিও বা ভিডিও।
- ইনফরমেট্রিক্স (Informetrics): তথ্যের পরিমাণ, প্রবাহ ও ব্যবহারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ।
- ইনডেক্সিং (Indexing): ডাটাবেস বা তথ্য থেকে দ্রুত তথ্য অনুসন্ধানের জন্য ইনডেক্স তৈরি করা।

উৎস: Kurose, James F., and Keith W. Ross: Computer Networking.

১৪.
ভাইরাস শব্দের পূর্ণরূপ কী?
  1. Virtual Internal Resource User System
  2. Vital Information Resources Under Siege
  3. Very Important Resource Utility Software
  4. Visual Internal Resource Update System
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা কোড যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের ফাইল, সফটওয়্যার, বা অপারেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করে।
- ভাইরাস শব্দের পূর্ণরূপ: Vital Information Resources Under Siege.

উদ্দেশ্য:
- তথ্য চুরি করা: ব্যাংক তথ্য, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা।
- ফাইল ধ্বংস করা বা পরিবর্তন করা: গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা সফটওয়্যার ক্ষতি করা।
- সিস্টেম অকার্যকর করা: কম্পিউটার ধীর বা ক্র্যাশ করা।
- নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়া: ভাইরাসটি অন্যান্য কম্পিউটারেও সংক্রমণ ঘটায়।

ভাইরাসের প্রকারভেদ:
- ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস (File Infector Virus): এক্সিকিউটেবল ফাইলে সংক্রমণ ঘটায়।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজে নেটওয়ার্কে ছড়ায়, মূল ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): ক্ষতিকর কার্যক্রম লুকিয়ে রাখে, ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে।
- ম্যালওয়্যার (Malware): ভাইরাস, ওয়ার্ম ও ট্রোজান সহ অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রামের সমষ্টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল কে প্রস্তাব করেন?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. বিল গেটস
  3. এডগার এফ. কড
  4. অ্যালান টিউরিং
ব্যাখ্যা

● ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশনাল ডাটা মডেল অনুযায়ী সমম্বরিতভাবে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বোঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবক্তা বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ— Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটে রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়? 
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ওয়ার্ম
  3. স্টেন
  4. এভিজি
ব্যাখ্যা

- এভিজি একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
-  কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি থেকে নিরাপদ রাখে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম, স্টোন হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৭.
ডাটাবেজে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ ও উপস্থাপনের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. রিলেশন শিট
  2. ডেটা চার্ট
  3. ই.আর. ডায়াগ্রাম
  4. ডেটা লগ
ব্যাখ্যা

- ই.আর. (Entity Relationship) ডায়াগ্রাম হলো একটি গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন যা দেখায় কিভাবে ডাটাবেজের বিভিন্ন এন্টিটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।

ই.আর. ডায়াগ্রামের মূল উপাদানসমূহ
- এন্টিটি (Entity):
- ডাটাবেজে কোনো বাস্তব জগতের বস্তু বা ঘটনা।
- প্রতিটি এন্টিটি সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।
- উদাহরণ: Student, Teacher, Course, Department

- অ্যাট্রিবিউট (Attribute)
- এন্টিটির বৈশিষ্ট্য বা তথ্য।
- উদাহরণ: Student এন্টিটির জন্য: Student_ID, Name, DOB
- Course এন্টিটির জন্য: Course_ID, Course_Name
- Primary Key: একটি অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি এন্টিটিকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে, যেমন Student_ID

- রিলেশনশিপ (Relationship)
- দুই বা ততোধিক এন্টিটির মধ্যে সম্পর্ক।
- One-to-One (১:১): একজন শিক্ষক একটি কোর্স পরিচালনা করে।
- One-to-Many (১:অনেক): একটি বিভাগে অনেক শিক্ষক থাকতে পারে।
- Many-to-Many (অনেক:অনেক): একজন শিক্ষার্থী অনেক কোর্সে ভর্তি হতে পারে এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে।

ই.আর. ডায়াগ্রামের গুরুত্ব
- ডাটাবেজ ডিজাইন: ডাটাবেজের কাঠামো আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
- ডাটা অখণ্ডতা (Data Integrity): ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটা সঠিক রাখে।
- কমিউনিকেশন টুল: ডেভেলপার, ডিজাইনার ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বোঝাপড়া সহজ করে।
- ডাটাবেজ মডেলিং: SQL টেবিল ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

১৮.
রিলেশনাল ডাটাবেজ কী?
  1. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  4. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

১৯.
সফটওয়্যার পাইরেসি রোধে কোন সংস্থা গঠিত হয়েছে?
  1. BSA
  2. BCS
  3. BSTI
  4. BTRC
ব্যাখ্যা

- BSA (Business Software Alliance) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা সফটওয়্যার সংক্রান্ত কপিরাইট লঙ্ঘন এবং পাইরেসি রোধে কাজ করে।
- বাংলাদেশে সফটওয়্যার পাইরেসি এই সংস্থা মূল ভূমিকা পালন করছে।
- তারা নিয়মিত সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম, আইনগত পদক্ষেপ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে।

- BCS (Bangladesh Computer Society): এটি মূলত বাংলাদেশের কম্পিউটার পেশাজীবী ও শিক্ষাব্যক্তিদের সমিতি, পাইরেসি রোধের জন্য নয়।
- BTRC (Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission): এটি টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, মূলত ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ নীতি ও লাইসেন্স তদারকি করে।
- BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution): এটি মূলত বাংলাদেশে মান নির্ধারণ ও পণ্য/সেবা পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন সংস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২০.
Boot Disk Failure- বার্তা দেখা দিলে কি বোঝায়?
  1. হার্ড ডিস্ক নেই বা কাজ করছে না
  2. মাউস কাজ করছে না 
  3. র‍্যাম পূর্ণ
  4. CPU বন্ধ
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় BIOS (Basic Input Output System) বা UEFI সিস্টেম একটি “boot device” খুঁজে বের করে, যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন: Windows, Linux ইত্যাদি) লোড হয়।
- যখন কম্পিউটার Boot Disk Failure বার্তা দেখায়, তখন এর অর্থ হচ্ছে-
-  সিস্টেম নির্ধারিত হার্ড ডিস্ক বা বুট ড্রাইভ খুঁজে পাচ্ছে না, অথবা
- সেই ডিস্কে থাকা অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট বা অনুপস্থিত।

এটি সাধারণত নিচের কারণে হতে পারে:
- হার্ড ডিস্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ঢিলা হয়ে যাওয়া।
- হার্ড ডিস্ক সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া (corrupted বা damaged)।
- BIOS-এ ভুল বুট অর্ডার সেট থাকা (যেমন: CD/DVD বা USB প্রথমে সেট করা আছে)।
- সিস্টেম ফাইল বা বুট সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২১.
DBMS-এর “Concurrency Control” কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. একাধিক ব্যবহারকারীর সমসাময়িক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে
  2. টেবিল মুছে ফেলার জন্য
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য
  4. ডেটা ব্যাকআপের জন্য
ব্যাখ্যা

- Concurrency Control হলো DBMS-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে একাধিক ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রাম একসাথে ডাটাবেসে কাজ করলেও ডেটা সঠিক এবং consistent থাকে।
- উদাহরণ: দুই ব্যবহারকারী একই সময়ে একই ছাত্রের তথ্য আপডেট করতে চাচ্ছে। Concurrency Control ছাড়া একে অপরের পরিবর্তন overwrite হতে পারে।

মূল উদ্দেশ্য:
- ডেটার Integrity বজায় রাখা: একাধিক ব্যবহারকারী যখন একই ডেটা পড়ে বা পরিবর্তন করে, তখন ডেটা consistency এবং সঠিকতা বজায় থাকে।
- Deadlock এবং Race Condition প্রতিরোধ: এটি নিশ্চিত করে যে ডাটাবেসে দুই বা ততোধিক ট্রানজেকশন একই রিসোর্সের জন্য একসাথে আটকে না যায়।

Concurrency Control-এর ধরন:
- Pessimistic Concurrency Control: যখন একজন ব্যবহারকারী ডেটা পরিবর্তন করছে, অন্যরা তা পরিবর্তন করতে পারে না।
Lock mechanism ব্যবহার করে।
- Optimistic Concurrency Control: প্রথমে সব ব্যবহারকারী ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। Commit করার সময় যদি কোনো conflict হয়, DBMS সেই conflict handle করে।
- উদাহরণ:
- Banking System: একজন ব্যবহারকারী একই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা transfer করছে এবং অন্যজন একই সময়ে balance check করছে।
- Concurrency Control নিশ্চিত করে যে, একই সময়ে একাধিক ট্রানজাকশন চললেও ডেটাবেসে কোনো আপডেট হারিয়ে যাবে না, সব আপডেট সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে এবং ডেটা করাপশন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হবে না।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

২২.
Creeper ভাইরাস কোন নেটওয়ার্কে তৈরি হয়েছিল?
  1. ARPANET
  2. Internet Explorer
  3. LAN Network
  4. Google Server
ব্যাখ্যা

- Creeper Virus হলো বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস, যা ১৯৭১ সালে Bob Thomas তৈরি করেছিলেন।
- এটি ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)-এ চলত।
- ARPANET-ই পরে পরিণত হয় বর্তমানের ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে।

Creeper ভাইরাস কীভাবে কাজ করত:
- এটি Tenex operating system-এ চলত।
- Creeper এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ARPANET-এর মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতো।
- কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর এটি একটি বার্তা দেখাত:
- “I’m the creeper, catch me if you can!”
- ভাইরাসটি ক্ষতিকর কিছু করত না; বরং এটি একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম ছিল, যাতে দেখা যায় একটি প্রোগ্রাম কি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজে নিজে ছড়াতে পারে কি না।

- Creeper ভাইরাসের পরে একই প্রতিষ্ঠানে Reaper নামক আরেকটি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যা Creeper ভাইরাসকে খুঁজে বের করে মুছে ফেলত।
- তাই Reaper-কে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

২৩.
রেসিডেন্ট ভাইরাস (Resident Virus) এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. শুধুমাত্র একবার চলে
  2. মেমোরিতে অবস্থান করে এবং নিজে থেকে ছড়ায়
  3. অপসারণের পর থাকে না
  4. মোবাইল ডিভাইসে কাজ করে
ব্যাখ্যা

- Resident Virus হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস, যা কম্পিউটারের মেমোরিতে (RAM) স্থায়ীভাবে অবস্থান করে থাকে।
- একবার এটি সক্রিয় হলে, কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় নিজে থেকেই অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

কাজের প্রক্রিয়া (Working Mechanism):

- যখন ব্যবহারকারী কোনো সংক্রমিত ফাইল চালায়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে মেমোরিতে নিজের কোড কপি করে রাখে।
- এরপর ব্যবহারকারী যখন অন্য কোনো ফাইল খুলে, ভাইরাসটি সেই ফাইলগুলোর কোডে নিজের কপি সংযোজন করে।
- এভাবে এটি সিস্টেম ফাইল, এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe, .com), এমনকি বুট সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- কিছু রেসিডেন্ট ভাইরাস অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামকেও প্রতারিত করে, কারণ তারা মেমোরিতে লুকিয়ে থেকে নিজেদের অস্তিত্ব গোপন রাখে।

রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রকারভেদ (Types of Resident Virus):
- Fast Resident Virus:
- খুব দ্রুত ছড়ায়।
- প্রতিটি ফাইল খোলার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমিত করে।
- উদাহরণ: CMOS-RAM Virus
- Slow Resident Virus:
- ধীরে ধীরে সংক্রমিত করে যাতে ব্যবহারকারী বুঝতে না পারে।
- সাধারণত তখনই ছড়ায় যখন কোনো নির্দিষ্ট কাজ হয় (যেমন: কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম খোলা)।

রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রভাব (Effects on System):
- কম্পিউটার ধীরগতি হয়ে যায় কারণ মেমোরির অংশ ভাইরাস দখল করে।
- ফাইল নষ্ট বা করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে।
- ডেটা হারানো বা বিকৃত হওয়া ঘটতে পারে।
- কখনও অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
- সিস্টেম ক্র্যাশ বা বুট ফেইলিউর হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

২৪.
ডাটাবেজে টেবিলের কলামকে কী বলা হয়?
  1. Tuple
  2. Attribute
  3. Row
  4. Instance
ব্যাখ্যা

- একটি রিলেশনাল ডাটাবেজের টেবিলে সাধারণত সারি (rows) ও কলাম (columns) থাকে।
- একটি সারি একটি রেকর্ড বা রেকর্ডসেট (tuple) কে প্রতিনিধিত্ব করে। 
- আর একটি কলাম হলো একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা প্রপার্টি যা প্রতিটি সারিতে তথ্য ধরে রাখে-  উদাহরণস্বরূপ, রোল, নাম, বিভাগ ইত্যাদি।
- এই কলামকে Attribute বলা হয়। 
তাই “টেবিলের কলাম” = “অ্যাট্রিবিউট (Attribute)” কারণ এটি সারির প্রতিটি রেকর্ডে সেই নির্দিষ্ট তথ্য রাখে।

Tuple:
- একটি সারি বা রেকর্ড বোঝায়, যা টেবিলের একক ডেটাসেট নির্দেশ করে।

Row:
- এটি ডাটাবেজে এক ব্যক্তির বা এক রেকর্ডের সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: ছাত্র টেবিলে প্রতিটি Row একজন ছাত্রের তথ্য প্রকাশ করে।

Instance:
- Instance বলতে বোঝায় কোনো টেবিলের একটি নির্দিষ্ট সময়ের ডেটার অবস্থা।
- প্রতিটি কলামের একটি মান (যেমন “রাফি”)-ও একটি Data Instance হিসেবে ধরা যায়।
- উদাহরণ: “Name” Attribute-এর একটি Instance হতে পারে “রাফি”।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

২৫.
Antivirus সফটওয়্যার কোনটি ব্যবহার করে ভাইরাস শনাক্ত করতে?
  1. Signature-based detection
  2. Behavior-based detection
  3. Heuristic analysis
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- Antivirus সফটওয়্যার ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য Signature-based, Behavior-based, এবং Heuristic analysis- এই তিনটি পদ্ধতিই ব্যবহার করে।

- Signature-based detection:
-এই পদ্ধতিতে পরিচিত ভাইরাসগুলোর একটি signature database রাখা হয়।
- সফটওয়্যার প্রতিটি ফাইল বা প্রোগ্রামের কোড এই ডাটাবেসের সাথে তুলনা করে দেখে কোনো পরিচিত ভাইরাসের কোডের সাথে মেলে কিনা।
- এটি সবচেয়ে প্রচলিত ও দ্রুততম পদ্ধতি, তবে নতুন (unknown) ভাইরাস শনাক্ত করতে পারে না।

Behavior-based detection:
- এখানে প্রোগ্রামের আচরণ বা কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- যেমন— ফাইল ডিলিট করা, সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করা বা অন্য ফাইল সংক্রমিত করার চেষ্টা ইত্যাদি।
- কোনো সন্দেহজনক আচরণ দেখা গেলে সফটওয়্যার সতর্ক করে বা ব্লক করে।

Heuristic analysis:
- এটি একটি অ্যালগরিদমিক ও বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি, যা প্রোগ্রামের কোডের ধরন ও গঠন বিশ্লেষণ করে নতুন বা পরিবর্তিত ভাইরাস শনাক্ত করে।
- এটি unknown বা modified ভাইরাস সনাক্ত করতে সক্ষম।

উৎস: Britannica. [লিংক]।