পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়36 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৩ পার্ট-১) বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: কাজী নজরুল ইসলাম, জসীম উদ্দীন, জহির রায়হান, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু মিত্র, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, হাসান আজিজুল হক, হাসান হাফিজুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, হুমায়ূন আহমেদ। ২. অন্যান্য লেখকগণ: কাজী মোতাহার হোসেন, কামিনী রায়, কালীপ্রসন্ন সিংহ, কুসুমকুমারী দাশ, কায়কোবাদ, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, গোলাম মোস্তফা, চণ্ডীচরণ মুনশী, জাহানারা ইমাম, জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন, জন ক্লার্ক মার্শম্যান, জোশুয়া মার্শম্যান, হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার, দাউদ হায়দার, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, দীনেশচন্দ্র সেন, রফিক আজাদ, হুমায়ুন কবির, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। পার্ট-২) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক: i) বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল; ii) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ; iii) নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি; iv) বিভিন্ন গোয়েন্দা, গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট [FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপানলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর - ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19] পার্ট-৩) গাণিতিক যুক্তি টপিকসমূহ: জ্যামিতি: [i) রেখা, কোণ ও বৃত্ত সম্পর্কিত সমস্যা ও সমাধান; ii) ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত সমস্যা ও সমাধান।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' কোন ধরনের পত্রিকা?
  1. মাসিক
  2. সান্ধ্য দৈনিক
  3. সাপ্তাহিক
  4. ত্রৈমাসিক
সঠিক উত্তর:
সান্ধ্য দৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান্ধ্য দৈনিক
ব্যাখ্যা
• 'নবযুগ' পত্রিকা:
- নবযুগ কলকাতা থেকে প্রকাশিত এক পাতার একটি সান্ধ্য দৈনিক। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালের ১২ জুলাই, কলকাতার ৬ নং টার্ন স্ট্রিট থেকে। পত্রিকাটির মূল্য ছিল এক পয়সা।

- এর মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক কাজী নজরুল ইসলাম ও কমরেড মুজফ্ফর আহমদ। পত্রিকায় পরিচালকের নাম মুদ্রিত হতো, কিন্তু সম্পাদকের নাম থাকত না। স্বাধীনচেতা, অসাম্প্রদায়িক ও গণমুখী পত্রিকা হিসেবে এটি পরিচিত ছিল।

- ফজলুল হক কৃষক প্রজা পার্টি গঠনের মানসে একটি পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন; একই সময়ে নজরুল ইসলাম, মুজফ্ফর আহমদ ও কতিপয় সমমনা ব্যক্তি ব্রিটিশবিরোধী গণজাগরণের লক্ষ্যে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রকাশেরও চিন্তাভাবনা করছিলেন। এ ব্যাপারে ফজলুল হকের বাসভবনে একাধিকবার সভা হয় এবং তাতে পত্রিকার নামসহ অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা হয়। শেষপর্যন্ত নজরুলের প্রস্তাব অনুযায়ী পত্রিকার নাম হয় নবযুগ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র কোনটি?
  1. রহিমুদ্দিন
  2. আজহার
  3. বছির
  4. রূপাই
সঠিক উত্তর:
রূপাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপাই
ব্যাখ্যা
• 'নক্সী কাঁথার মাঠ' কাব্য:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীম উদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন। গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

অন্যদিকে, 
• জসীম উদ্‌দীন রচিত 'বোবা কাহিনী' উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: বছির, আজহার, আরজান, রহিমুদ্দিন।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'আর কতদিন' উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. জহির রায়হান
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
•  'আর কতদিন' উপন্যাস:
- মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজ ব্যবস্থার চিত্র পাওয়া যায় জহির রায়হান রচিত 'আর কতদিন' উপন্যাসে।
- যুদ্ধকালীন বাস্তবতা, লাঞ্ছিত মানবতার আর্তি ও শান্তির স্বপক্ষে জোরালো আবেদন জানিয়ে জহির রায়হানের 'আর কতদিন' উপন্যাসটি ১৯৭০ সালে প্রথম প্রকাশ পায়।
- গ্রন্থটির প্রকাশকাল ও ঘটনা বিন্যাসের আলোকে বুঝতে পারা যায় যে মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সময়ের অস্থির সমাজিক রাজনৈতিক আন্দোলন মুখ প্রেক্ষাপটে আসন্ন যুদ্ধের একটি ভয়াবহ সম্ভাবনা লেখকের হৃদয়ে উদয় হয়েছিল।
- শান্তি ও ভালোবাসার জন্য মানুষের চিরন্তন অন্বেষা উপন্যাসটির মূল উপজীব্য। আর উপন্যাসটির চরিত্র ইভা ও তপু শাশ্বত শান্তি ও ভালোবাসার মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে।

জহির রায়হানের অন্যান্য উপন্যাস:
- হাজার বছর ধরে,
- আরেক ফাল্গুন,
- বরফ গলা নদী,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- তৃষ্ণা,
- কয়েকটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'আরো দুটি মৃত্যু' হাসান হাফিজুর রহমানের কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. প্রবন্ধ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্প
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
গল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্প
ব্যাখ্যা

• ‘আরো দুটি মৃত্যু’ হাসান হাফিজুর রহমান রচিত দাঙ্গাবিরোধী গল্প। গল্পটির প্রাসঙ্গিকতা এখনো সমানভাবে বিদ্যমান।

------------------------
হাসান হাফিজুর রহমান রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,
- মূল্যবোধের জন্য,
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

• কাব্যগ্রন্থ:
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- ভবিতব্যের বাণিজ্য তরী,
- শোকার্ত তরবারি ইত্যাদি।

• গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  2. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
  3. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  4. সব কিছু ভেঙে পড়ে
সঠিক উত্তর:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

----------------
• হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে [হুমায়ুন আজাদের 'সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে'র বিষয় নারীপুরুষের শারীরিক ও হৃদয়সম্পর্কের কাঠামোটি।]
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার
- জ্বলো চিতাবাঘ
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য কোনটি?
  1. বীরাঙ্গনা কাব্য
  2. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
  3. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
  4. মেঘনাদবধ কাব্য
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা
• বীরাঙ্গনা কাব্য:
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য। এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম। এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুসরণে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছে এই কাব্যে।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. আহমদ ছফা
সঠিক উত্তর:
হাসান আজিজুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান আজিজুল হক
ব্যাখ্যা
• 'একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা' উপন্যাস:
- হাসান আজিজুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ- একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা।
- কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক তাঁর দেখা একাত্তরের ভাষ্য শুরু করেছেন নিস্পৃহ নিরাবেগ ভঙ্গিতে।

বইয়ের সূচনাবাক্যে তিনি লিখেছেন:
'আমার জানা ছিল না যে পানিতে ভাসিয়ে দিলে পুরুষের লাশ চিৎ হয়ে ভাসে আর নারীর লাশ ভাসে উপুড় হয়ে। এই জ্ঞান আমি পাই '৭১ সালের মার্চ মাসের একেবারে শেষে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি হুমায়ূন আহমেদের লেখা সায়েন্স ফিকশন?
  1. বহুব্রীহি
  2. তারা তিনজন
  3. নক্ষত্রের রাত
  4. কোথাও কেউ নেই
সঠিক উত্তর:
তারা তিনজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারা তিনজন
ব্যাখ্যা
• 'তারা তিনজন':
- 'তারা তিনজন' হুমায়ূন আহমেদের লেখা একটি সায়েন্স ফিকশন।
- এই কাহিনির মূল চরিত্র তিনজন, আয়ু, লী ও নীম। এরা তিনজনেই ভিনগ্রহের অত্যান্ত বুদ্ধিমান প্রাণী।
- এরা নিজেদের শক্তি আলো থেকে গ্রহন করে।

--------------------
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

• স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- আশাবরী, 
- কোথাও কেউ নেই। 

• সায়েন্স ফিকশন:
- তোমাদের জন্য ভালোবাসা,
- তারা তিনজন।

• আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- হোটেল গ্রেভারইন,
- আমার ছেলেবেলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য-সমাজ' প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কে?
  1. রফিক আজাদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. জাহানারা ইমাম
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
কাজী মোতাহার হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা
• কাজী মোতাহার হোসেন:
- তিনি ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক।
- তার জীবনের অন্যতম কীর্তি হচ্ছে ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য-সমাজ' প্রতিষ্ঠা।
- তিনি 'শিখা' পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে কাজ করেন।
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বার্ষিক মুখপত্র - শিখা পত্রিকা।
- শিখা স্ত্রিকার মুখবাণী ছিল -"জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব"।

তাঁর উলেখযোগ্য অন্যান্য প্রকাশনাসমূহ হচ্ছে:
-নজরুল কাব্য পরিচিতি,
- সে পথ লক্ষ্য করে,
- সিম্পোজিয়াম,
- গণিত শাস্ত্রের ইতিহাস,
- আলোক বিজ্ঞান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
কামিনী রায় রচিত সনেট সংগ্রহ কোনটি?
  1. গুঞ্জন
  2. অম্বা
  3. জীবনপথে
  4. মাল্য ও নির্মাল্য
সঠিক উত্তর:
জীবনপথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনপথে
ব্যাখ্যা
• 'জীবনপথে' কামিনী রায় রচিত একটি সনেট সংগ্রহ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে।

-----------------
• কামিনী রায়:
- কামিনী রায় ছিলেন কবি ও সমাজকর্মী। ১৮৬৪ সালের ১২ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের বাসন্ডা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা চণ্ডীচরণ সেন ছিলেন একজন ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখক ও পেশায় বিচারক।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ আলো ও ছায়া প্রকাশিত হয় ১৮৮৯ সালে। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভূমিকা লিখে দেন।
- বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী পদক (১৯২৯) লাভ করেন। 

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নির্মাল্য,
- পৌরাণিকী,
- গুঞ্জন (শিশুকাব্য),
- ধৰ্ম্মপুত্র (অনুবাদ),
- মাল্য ও নির্মাল্য,
- অশোকসঙ্গীত (সনেট),
- অম্বা (নাট্যকাব্য),
- বালিকা শিক্ষার আদর্শ,
- ঠাকুরমার চিঠি,
- দীপ ও ধূপ,
- জীবনপথে (সনেট)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
কালীপ্রসন্ন সিংহ ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. কালকূট
  2. হুতোম পেঁচা
  3. বনফুল
  4. টেকচাঁদ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
হুতোম পেঁচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুতোম পেঁচা
ব্যাখ্যা
• কালীপ্রসন্ন সিংহ এর ছদ্মনাম - হুতোম পেঁচা।

অন্যদিকে, 
- সমরেশ বসুর ছদ্মনাম 'কালকূট'।
- বনফুল ছদ্মনামে লিখতেন 'বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়'।
- প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম ছিল টেকচাঁদ ঠাকুর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
'বিদ্যাভূষণ' কার উপাধি?
  1. চণ্ডীচরণ মুনশী
  2. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. কায়কোবাদ
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ:
- কায়কোবাদ ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। 'কায়কোবাদ' তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কবি কায়বোবাদকে কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
মহাকাব্যের কবি বলা হয় কাকে?
  1. দাউদ হায়দার
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কবি ও আইনজীবী। তিনি হুগলির গুলিটা গ্রামে ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে হেমচন্দ্র আইনজীবী হিসেবেই প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
- তাঁকে বলা হয় মহাকাব্যের কবি। বাংলার মিল্টন' তাঁর উপাধি।

হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এর রচিত কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো-
- বীরবাহু,
- আশাকানন,
- ছায়াময়ী,
- দশমহাবিদ্যা,
- চিত্তবিকাশ,
- চিন্তাতরঙ্গিণী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'সুধা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার:
- বাংলা শিশুসাহিত্যের ধারায় সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাম দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।
- প্রধানত 'ঠাকুরমার ঝুলি' শীর্ষক অবিস্মরণীয় গ্রন্থের জন্যই বাঙালি পাঠকসমাজে সমধিক পরিচিত তিনি।
- ১৮৭৭ সালের ১৫ এপ্রিল (১২৮৪ বঙ্গাব্দের ২ বৈশাখ) ঢাকা জেলার অন্তর্গত সাভারের উলাইল গ্রামের সম্ভ্রান্ত মিত্র মজুমদার বংশে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০১ সালে দক্ষিণারঞ্জনের সম্পাদিত মাসিক 'সুধা' পত্রিকা প্রকাশিত হয়। চার বছর ধরে গোটা বিশেক সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
- দক্ষিণারঞ্জনের প্রথম গ্রন্থ 'উত্থান' কাব্য প্রকাশিত হয় ১৯০২ সালে।

তাঁর উল্লাখযোগ্য গ্রন্থ:
- ঠাকুরমার ঝুলি,
- ঠাকুরদাদার ঝুলি,
- দাদা মশায়ের থলে,
- বাংলার সোনার ছেলে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
নিচের কোন দেশ Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না?
  1. যুগোস্লাভিয়া
  2. চেকোস্লোভাকিয়া
  3. হাঙ্গেরি
  4. রোমানিয়া
সঠিক উত্তর:
যুগোস্লাভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগোস্লাভিয়া
ব্যাখ্যা
যুগোস্লাভিয়া Warsaw Pact-এর সদস্য ছিল না।

Warsaw Pact:
- Warsaw Pact-এর পূর্ণরূপ: Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance.
- এটি একটি প্রতিরক্ষা ও সহোযোগিতা চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ মে, ১৯৫৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: ওয়ারশ, পোল্যান্ড।
- সদস্য সংখ্যা ছিলো: ৮টি (সোভিয়েত ইউনিয়ন, আলবেনিয়া, বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া। 
- উদ্দেশ্য: পশ্চিমা দেশের (বিশেষত ন্যাটো) বিরুদ্ধে সামরিক সুরক্ষা এবং পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব বৃদ্ধি।
- এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে একটি সামরিক জোট, যা পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত প্রভাব শক্তিশালী করতে সাহায্য করেছিল।

উল্লেখ্য,
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের ৮টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- মূলত ন্যাটো জোটের বিপরীত জোট হিসেবে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ প্যাক্ট নামে সামরিক জোট গঠন করে।
- যদিও আলবেনিয়া ১৯৬৮ সালে এই জোট থেকে সড়ে আসে।

⇒ পূর্ব ইউরোপের রাষ্ট্র পোল্যান্ডের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ওয়ারশ এর নাম অনুসারে চুক্তিটির নামকরণ করা হয়।
- ১৯৯১ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তির পরপরই ওয়ারশ চুক্তি ভেঙে যায়।
- ১৯৯১ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি ওয়ারশ চুক্তির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। 
- চেকোস্লোভাক রাষ্ট্রপতি ভ্যাক্লাভ হ্যাভেল ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এর সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

উৎস: i) NATO ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
১৬.
আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়া কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. বলকান
  2. মধ্য আফ্রিকা
  3. উত্তর ইউরোপ
  4. ককেশাস
সঠিক উত্তর:
ককেশাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ককেশাস
ব্যাখ্যা
আবখাজিয়া ও দক্ষিণ ওসেটিয়া অঞ্চল:
- আবখাজিয়া ও দক্ষিণ ওসেটিয়া ককেশাস অঞ্চলের দুইটি বিতর্কিত অঞ্চল।
- বিশ্বের অধিকাংশ দেশ তাদের জর্জিয়া রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- অন্য দিকে রাশিয়া, ভেনিজুয়েলা, নিকারাগুয়া, নাউরু ও সিরিয়া তাদের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
- ২০০৮ সালের রুশ ও জর্জীয় যুদ্ধের পরে রাশিয়া কর্তৃক আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়ার স্বাধীনতার প্রাথমিক স্বীকৃতি ঘটে।
- দুটি বিতর্কিত অঞ্চলসহ জর্জিয়ার আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সমর্থন করে।

⇒ ককেশাস অঞ্চল:
- ককেশাস বা ককেসিয়া ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- মূলত কৃষ্ণ সাগর এবং কাস্পিয়ান সাগরের মাঝে এর অবস্থান।
- ককেশাস অঞ্চলে রয়েছে ৪টি দেশ।
- দেশগুলো: রাশিয়া, জর্জিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া।

উৎস: Britannica.
১৭.
INTERPOL-এর 'রেড নোটিস' কী?
  1. সাইবার অপরাধ ডাটাবেস
  2. অর্থ পাচার সতর্কতা
  3. সন্ত্রাসী তালিকা
  4. আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা: জোহানেস স্কোবার (Dr Johannes Schober) [অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান]।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (Major General Ahmed Naser Al-Raisi) [২০২১-২০২৫]। 
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (Valdecy Urquiza) [ব্রাজিল]।
- ইন্টারপোলের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন দেশের পুলিশ বাহিনীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে বৈশ্বিক নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলা করা।

⇒ পূর্ব নাম: International Criminal Police Commission.
- বর্তমান নাম International Criminal Police Organization গ্রহণ করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ রেড নোটিস: আন্তর্জাতিক গ্রেফতারি অনুরোধ।
- বিশ্বব্যাপী পুলিশি সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি হয়েছে। ইন্টারপোলের নিজস্বভাবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটক করার ক্ষমতা নেই। তবে ইন্টারপোল একটি আন্তর্জাতিক নোটিস ব্যবস্থার সমন্বয় করে। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পুলিশ একে অন্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। এটি একটি সদস্য দেশ এজন্য করে থাকে যে সে চায় অন্য দেশগুলো তাকে একজন অপরাধীর অবস্থান খুঁজে পেতে এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সহায়তা করুক।

এছাড়াও,
- ইন্টারপোল একটি নিরাপদ বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদান সহজ করে তোলে। এই নেটওয়ার্কের নাম ‘I-24/7’। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলো যেকোনো সময়, কেন্দ্র বা দূরবর্তী স্থান থেকে ইন্টারপোলের ডাটাবেইজ ও অন্যান্য সম্পদে সরাসরি প্রবেশাধিকার পায়।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১৮.
'গুড ফ্রাইডে' চুক্তি কোন দেশের শান্তির জন্য সম্পাদিত হয়েছিল?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বেলফাস্ট চুক্তি:
- 'বেলফাস্ট চুক্তির' অপর নাম গুড ফ্রাইডে' চুক্তি বা Good Friday Agreement.
- গুড ফ্রাইডে' চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি প্রতিষ্ঠা।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষর: ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮।
- চুক্তি কার্যকর: ডিসেম্বর, ১৯৯৯।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: বেলফাস্ট, উত্তর আয়ারল্যান্ড।
- চুক্তির পক্ষ: ব্রিটিশ সরকার, আয়ারল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের কয়েকটি রাজনৈতিক দল।
- চুক্তির মধ্যস্থতাকারী: লর্ড ট্রিম্বল (যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাবেক ফার্স্ট মিনিস্টার)।

⇒ শুক্রবারে সই হওয়ায় এটি গুড ফ্রাইডে চুক্তি (জিএফএ) নামেই বেশি পরিচিতি।
- এই চুক্তির শর্তানুযায়ী, উত্তর আয়ারল্যান্ডে সরকার পরিচালনায় প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে সরকার গঠনের বিধান গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবিধানিক মর্যাদা স্বীকার করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সংযুক্ত আয়ারল্যান্ড গঠন করার একটি নীতিও গ্রহণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
১৯.
Article-5 অনুযায়ী NATO-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান কী?
  1. সীমান্ত উন্মুক্ত করা
  2. নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভূক্তি
  3. জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা
  4. সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণকে সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা
সঠিক উত্তর:
সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণকে সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সদস্য রাষ্ট্রে আক্রমণকে সকলের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।

• NATO'র অনুচ্ছেদ ৫- “জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে।
- অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে।
- ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে।
- নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা ,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ.১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
২০.
নিচের কোনটি RAW-এর মূল দায়িত্ব?
  1. বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
  2. সীমান্ত রক্ষা
  3. রাজ্য পুলিশকে সহায়তা
  4. সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ
ব্যাখ্যা
RAW:
- RAW-এর পূর্ণরূপ: Research and Analysis Wing.
- ভারতীয় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৬৮ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন: রামেশ্বর নাথ কাও।
- এর বর্তমান প্রধান: রবি সিংহ (Ravi Sinha)।
- প্রধান কার্যালয়: নয়াদিল্লি, ভারত।
- RAW সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট রিপোর্ট করে। 
- RAW-এর সাথে সম্পর্কিত গোপন সংকেত Cabinet Secretariat ও Aviation Research Centre।

⇒ মূল দায়িত্ব:
- বিদেশে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা;
- জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশ্লেষণমূলক তথ্য প্রদান করা;
- সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে সহযোগিতা করা;
- দেশের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক শত্রুদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উৎস: Council on Foreign Relations.
২১.
কোন কোন দেশসমূহের মধ্যে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া
  2. বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
  3. ফ্রান্স-বসনিয়া-সার্বিয়া
  4. রাশিয়া-সার্বিয়া-ক্রোয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর।
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

উল্লেখ্য,
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.
২২.
১৯৮৪ সালে সিয়াচেন হিমবাহের নিয়ন্ত্রণ নিতে ভারত কোন অভিযান চালায়?
  1. অপারেশন হলোকাস্ট
  2. অপারেশন রেইনবো
  3. অপারেশন মেঘদূত
  4. অপারেশন ব্লু স্টার
সঠিক উত্তর:
অপারেশন মেঘদূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন মেঘদূত
ব্যাখ্যা
সিয়াচেন হিমবাহ: 
- সিয়াচেন হিমবাহ কারাকোরাম পর্বতশ্রেণীর পূর্বাংশে অবস্থিত, যা হিমালয়ের একটি উপশ্রেণী।
- ‘সিয়াচেন হিমবাহ’ অবস্থিত উত্তর কাশ্মীরে।
- সিয়াচেন হিমবাহ পৃথিবীর উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র বলে পরিচিত।
- 'সিয়াচেন হিমবাহ' পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।

⇒ কারাকোরাম পর্বতের সিয়াচেন হিমবাহ দখলে রাখা নিয়ে দুই চিরবৈরী দেশ ভারত আর পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হয় আশির দশকের গোড়া থেকে।
- তবে দ্বন্দ্বের বীজ লুকিয়ে ছিল দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া করাচি আর সিমলা চুক্তি দুটির মধ্যেই – যেখানে ‘এন জে ৯৮৪২’ নামের একটি অবস্থানের পরে নিয়ন্ত্রণ রেখা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি মানচিত্রে।
- মনে করা হত ওই এলাকার আবহাওয়া এতটাই প্রতিকুল, যেখানে কোনও মানুষ থাকতে পারবে না।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৪ সালে ভারত অপারেশন মেঘদূতের (Operation Meghdoot) মাধ্যমে সিয়াচেন হিমবাহের ৭০% নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২৩.
কোন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী Arms Trade Treaty ধারণার প্রাথমিক প্রবক্তা ছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. অস্কার অ্যারিয়াস
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. মালালা ইউসুফজাই
সঠিক উত্তর:
অস্কার অ্যারিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্কার অ্যারিয়াস
ব্যাখ্যা
ATT চুক্তি:
- ATT-এর পূর্ণরূপ হলো: Arms Trade Treaty.
- এটি প্রচলিত আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ চুক্তি। 
- এটির প্রস্তাবক জাতিসংঘ।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ এপ্রিল, ২০১৩  (জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে)।
- কার্যকর হয়: ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৪।
- চুক্তিটি অনুমোদনকারী দেশ: ১১৬টি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু এখনও অনুমোদন করেনি: ২৬টি।
- উদ্দেশ্য: প্রচলিত অস্ত্রের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও মানবাধিকার রক্ষা।

উল্লেখ্য,
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কোস্টারিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি অস্কার অ্যারিয়াস (Oscar Arias) ATT ধারণার মূল প্রবক্তা ছিলেন।
- যুক্তরাজ্য ২০০৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ATT প্রস্তাব জাতিসংঘে উত্থাপন করে।
- অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং অক্সফাম ATT এর পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালায়।
- ATT ২০১৩ সালে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) Arms Trade Treaty ওয়েবসাইট।
২৪.
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কোন দেশগুলোর মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া
  2. ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া
  3. চীন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান
  4. চীন, জাপান, তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
চীন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ:
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি প্রায় ১৩০টি প্রবাল দ্বীপ ও প্রাচীর নিয়ে গঠিত।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চীন এবং ভিয়েতনাম এর মধ্যে দ্বন্দ্ব বিদ্যমান।
- এছাড়া, তাইওয়ানও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের অধিকার দাবি করে থাকে।
- প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় মানব বসতিহীন।
- এখানে তেল এবং গ্যাসের সম্ভাব্য ভাণ্ডার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিভিন্ন দেশ বিরোধে লিপ্ত ছিল বহু শত বছর ধরে।
- বিশেষ করে সম্প্রতি চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।



উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
২৫.
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention) অনুযায়ী কবে সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention:
- Chemical Weapons Convention হলো আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ (প্যারিসে)।
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি দেশ।
- নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা: Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons (OPCW)।
- সদর দপ্তর: দ্য হেগ, নেদারল্যান্ডস।

⇒ মূল উদ্দেশ্য:
- রাসায়নিক অস্ত্র নির্মাণ ও মজুদ নিষিদ্ধকরণ। 
- বিদ্যমান রাসায়নিক অস্ত্রের ধ্বংস নিশ্চিত করা। 
- রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ। 
- শিল্পখাতে রাসায়নিকের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- CWC-এর আওতায় রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসের হার ৯৮%।
- রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) অনুযায়ী, সব ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ধ্বংসের কাজ ৭ জুলাই ২০২৩-এ সম্পন্ন হয়।
- এই দিনে যুক্তরাষ্ট্র, শেষ ঘোষক রাষ্ট্র হিসেবে তার ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে, যা OPCW দ্বারা যাচাই করা হয়।
- এটি CWC-এর অধীনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল যা বিশ্বের সমস্ত ঘোষিত রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ অপসারণের সূচনা করে।
- তবে অঘোষিত মজুদ এবং অ-সদস্য রাষ্ট্রের (যেমন, মিশর, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান) সম্ভাব্য মজুদ নিয়ে উদ্বেগ এখনও রয়ে গেছে।

উৎস: i) OPCW ওয়েবসাইট। [link] 
ii) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
২৬.
হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. অপারেশন সিনাই
  2. অপারেশন প্রোটেক্টিভ এজ
  3. অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
  4. অপারেশন ডিফেন্সিভ শিল্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- মুল অবস্থান: গাজা ভূখণ্ড (২০০৭ সাল থেকে নিয়ন্ত্রণ)।
- সামরিক শাখা: আল-কাসাম ব্রিগেড।

উল্লেখ্য,
- হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানের নাম হলো অপারেশন গিডিয়ন’স চ্যারিয়টস (Operation Gideon’s Chariots)।
- এই অভিযানটি গাজা উপত্যকায় ২০২৫ সালের মে মাসে শুরু হয়, যার লক্ষ্য ছিল হামাসের সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা এবং গাজায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করা।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.
iii) CIA World Factbook.
২৭.
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (NPT) কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।

⇒ এর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে NPT দ্বারা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হিসাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র (NWS) হলো ৫টি।
- চুক্তিটি এই দেশগুলির পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে স্বীকৃতি দেয়।
- কিন্তু NPT-এর ৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের চিরস্থায়ীভাবে এই ধরনের অস্ত্র তৈরি এবং বজায় রাখার উল্লেখ নেই।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান এবং ইসরায়েল কখনই NPT-এ যোগ দেয়নি। কিন্তু দেশগুলি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী বলে পরিচিত।
- উত্তর কোরিয়া একটি অ-পারমাণবিক অস্ত্র রাষ্ট্র হিসাবে NPT-এ যোগদান করেছিল। কিন্তু ২০০৩ সালে NPT থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিল।

উৎস: i) Arms Control Association ওয়েবসাইট।
ii) UNODA ওয়েবসাইট।
২৮.
NATO-এর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় GDP-এর কত শতাংশ রাখার লক্ষ্য রয়েছে?
  1. ২%
  2. ৩%
  3. ৪%
  4. ৫%
সঠিক উত্তর:
২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২%
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ ন্যাটোর মূলনীতি হলো- ‘ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় জোটের এক বা একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণকে জোটের সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’
- NATO-এর সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যয় তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) ন্যূনতম ২ শতাংশ রাখার লক্ষ্য রয়েছে।
- এই লক্ষ্যমাত্রা ২০০৬ সালে নির্ধারণ করা হয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রতিটি দেশ জিডিপির ২ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত।
- কিন্তু বেশিরভাগ সদস্য দেশ এ লক্ষ্য এ লক্ষ্য পূরণ করছে না।
- ন্যাটোর সাম্প্রতিক এক হিসাবে, ২০২১ সালে সাতটি সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিরক্ষা খাতের বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ দিয়েছে। দেশগুলো হলো—গ্রিস, যুক্তরাষ্ট্র, ক্রোয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া এবং ফ্রান্স।
- ২০২৪ সালে, ৩২টি সদস্য দেশের মধ্যে ২৩টি এই ২ শতাংশ লক্ষ্য পূরণ করেছে বা অতিক্রম করেছে বলে প্রত্যাশিত।
- NATO-এর মহাসচিব মার্ক রুটে ২০২৫ সালে বলেছেন যে ভবিষ্যতে এই লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৩ শতাংশ বা তার বেশি করার প্রয়োজন হতে পারে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট। [link]
২৯.
Camp David চুক্তির ফলে ইসরাইলের সাথে কোন দুটি আরব রাষ্ট্র পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে?
  1. জর্ডান ও মিশর
  2. কুয়েত ও বাহরাইন
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন
  4. মিশর ও মরক্কো
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান ও মিশর
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল: মিশর ইসরাইলের স্বীকৃতি দেয়, সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে, সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: i) Middle East Forum.
ii) Britannica.
৩০.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. হেলমুট কোল
  2. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  3. হোর্স্ট টেল্টশিক
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
হোর্স্ট টেল্টশিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোর্স্ট টেল্টশিক
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) হলো একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা মূলত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আয়োজন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে সর্বপ্রথম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নিরাপত্তা সম্মেলন হিসেবে বিবেচিত।
- এর লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা এবং সমাধান খোঁজা।
- এটি প্রতি বছর ফেব্রুয়ারিতে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কূটনীতিক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই সম্মেলনে অংশ নেন।

উল্লেখ্য,
⇒ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা ছিলেন এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক। 
- প্রথম এক দশক এই সম্মেলনে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোই অংশ নিত।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন।
- তারপর থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কেরা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিয়ে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক ও সমস্যা নিয়ে আলোচনা করছেন।

⇒ ২০২৫ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন:
- ২০২৫ সালে ৬১তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

উৎস: Munich Security Conference ওয়েবসাইট।
৩১.
৯০° কোণের সম্পূরক কোণের মান কত?
  1. ৯০°
  2. ০°
  3. ১৮০°
  4. ৩০°
সঠিক উত্তর:
৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৯০° কোণের সম্পূরক কোণের মান কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
দুইটি কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০° হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।

∴ ৯০° কোণের সম্পূরক কোণ (১৮০ - ৯০)° = ৯০°

৩২.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণের মান-
  1. ৫০°, ৫০°, ৮০°
  2. ৭০°, ৭০°, ৭০°
  3. ৫০°, ৬০°, ৭০°
  4. ৬০°, ৬০°, ৬০°
সঠিক উত্তর:
৬০°, ৬০°, ৬০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০°, ৬০°, ৬০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি কোণের মান-

সমাধান:
- সমবাহু ত্রিভুজে প্রতিটি বাহু সমান এবং প্রতিটি কোণ পরস্পর সমান।
- সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান ৬০°

উল্লেখ্য,
- একটি ত্রিভুজের ৩ কোণের সমষ্টি = ১৮০°
- সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের দুই বাহু ও দুইটি কোণ পরস্পর সমান।

৩৩.
একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা ১২৮ মিটার হলে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৯৬০ বর্গমিটার
  2. ১০২৪ বর্গমিটার
  3. ১০৮০ বর্গমিটার
  4. ১২২৫ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১০২৪ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা ১২৮ মিটার হলে, বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ১২৮ মিটার
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ক মিটার

বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = ৪ × ক = ১২৮
⇒ ক = ১২৮ / ৪
∴ ক = ৩২ মিটার

∴ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ক
= ৩২
= ১০২৪ বর্গমিটার

৩৪.
২৮০° কোণকে কী কোণ বলে?
  1. সন্নিহিত কোণ
  2. পূরক কোণ
  3. প্রবৃদ্ধ কোণ
  4. সম্পূরক কোণ
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৮০° কোণকে কী কোণ বলে?

সমাধান:
১৮০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ৩৬০° অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।

• যে কোণের পরিমাণ ৯০° তাকে সমকোণ বলে।

• ৯০° অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।

• ৯০° অপেক্ষা বড় কিন্তু ১৮০° অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থূলকোণ বলে।

∴ ২৮০° কোণটি হলো প্রবৃদ্ধ কোণ।

৩৫.
একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 50π বর্গসেমি হলে, বৃত্তটির পরিসীমা কত?
  1. 10π সেমি
  2. 5π√2 সেমি
  3. 25π সেমি
  4. 10π√2 সেমি
সঠিক উত্তর:
10π√2 সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10π√2 সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল 50π বর্গসেমি হলে, বৃত্তটির পরিসীমা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

প্রশ্নমতে,
πr2 = 50π
⇒ r2 = 50
⇒ r = √50
∴ r = 5√2

∴ বৃত্তের পরিসীমা = 2πr
=  2π × 5√2
= 10π√2 সেমি

৩৬.
নিচের কোন তিনটি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ অঙ্কন করা যাবে না?
  1. ৩ সেমি, ৪ সেমি, ৫ সেমি
  2. ৬ সেমি, ৮ সেমি, ১০ সেমি
  3. ৫ সেমি, ৪ সেমি, ১০ সেমি
  4. ১২ সেমি, ৫ সেমি, ১৩ সেমি
সঠিক উত্তর:
৫ সেমি, ৪ সেমি, ১০ সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ সেমি, ৪ সেমি, ১০ সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন তিনটি বাহু দিয়ে ত্রিভুজ অঙ্কন করা যাবে না?

সমাধান:
ত্রিভুজ অঙ্কনের শর্ত হলো-
ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর সমষ্টি, তার তৃতীয় বাহু অপেক্ষা বৃহত্তর।

অপশন 'ক, খ, ঘ' তে এই নিয়ম মানলেও,
অপশন 'গ' তে, ৫ + ৪ = ৯ < ১০ 
তাই, এইক্ষেত্রে ত্রিভুজ অঙ্কন সম্ভব না।

৩৭.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুটি যথাক্রমে ১৪ সে.মি. ও ৬ সে.মি.। যদি এর ক্ষেত্রফল ১৬০ বর্গ সে.মি. হয়, তবে এর উচ্চতা কত?
  1. ৬ সে.মি.
  2. ১২ সে.মি.
  3. ১৬ সে.মি.
  4. ১৮ সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১৬ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহু দুটি যথাক্রমে ১৪ সে.মি. ও ৬ সে.মি.। যদি এর ক্ষেত্রফল ১৬০ বর্গ সে.মি. হয়, তবে এর উচ্চতা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = (১/২) × সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল × উচ্চতা
⇒ ১৬০ = (১/২) × (১৪ + ৬) × উচ্চতা
⇒ ১৬০ = (১/২) × ২০ × উচ্চতা
⇒ ১৬০ = ১০ × উচ্চতা
⇒ উচ্চতা = ১৬০/১০
∴ উচ্চতা = ১৬ সেমি

৩৮.
একটি কোণ, তার পূরক কোণ অপেক্ষা ১৮ ডিগ্রি বেশি হলে, কোণটির মান কত?
  1. ৩৬°
  2. ৫৪°
  3. ৭২°
  4. ৬৪°
সঠিক উত্তর:
৫৪°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কোণ, তার পূরক কোণ অপেক্ষা ১৮ ডিগ্রি বেশি হলে, কোণটির মান কত?

সমাধান:
মনে করি, কোণটির মান = ক ডিগ্রি
∴ পূরক কোণ = (৯০ − ক) ডিগ্রি

প্রশ্নমতে,
ক = (৯০ − ক) + ১৮
⇒ ক + ক = ৯০ + ১৮
⇒ ২ক = ১০৮
⇒ ক = ১০৮ ÷ ২
⇒ ক = ৫৪

∴ কোণটির মান = ৫৪°

৩৯.
একই চাপের উপর দন্ডায়মান কোনো বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ ৭২° হলে, ঐ বৃত্তের বৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ কত?
  1. ৩৬°
  2. ১৮°
  3. ৭২°
  4. ৫২°
সঠিক উত্তর:
৩৬°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একই চাপের উপর দন্ডায়মান কোনো বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ ৭২° হলে, ঐ বৃত্তের বৃত্তস্থ কোণের পরিমাণ কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বৃত্তের একই চাপের উপর দন্ডায়মান বৃহস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
অর্থাৎ, বৃত্তস্থ কোণ = (১/২) × কেন্দ্রস্থ কোণ

এখানে,
কেন্দ্রস্থ কোণ = ৭২°
∴ বৃত্তস্থ কোণ = (১/২) × ৭২°
= ৩৬°

৪০.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার এবং ১০ মিটার হলে, রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১১০ বর্গমিটার
  2. ১৪০ বর্গমিটার
  3. ১২০ বর্গমিটার
  4. ১৬০ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১২০ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য ২৪ মিটার এবং ১০ মিটার হলে, রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান: 
আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= (১/২) × ২৪ × ১০
= ১২ × ১০
= ১২০ বর্গমিটার

৪১.
প্রদত্ত চিত্রের আলোকে x এর মান কত?
  1. 40°
  2. 110°
  3. 70°
  4. 50°
সঠিক উত্তর:
50°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রের আলোকে x এর মান কত?

সমাধান:
এখানে,
∠AOC + ∠AOD = 180°
⇒ 130° + x = 180°
⇒ x = 180° - 130°
∴ x = 50°

৪২.
একটি ফ্যান প্রতি মিনিটে ৭২ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে ফ্যানটি কত ডিগ্রি অতিক্রম করে?
  1. ৩৬০°
  2. ৪৩২°
  3. ৩০০°
  4. ২৭০°
সঠিক উত্তর:
৪৩২°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩২°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ফ্যান প্রতি মিনিটে ৭২ বার ঘুরে। এক সেকেন্ডে ফ্যানটি কত ডিগ্রি অতিক্রম করে?

সমাধান:
৬০ সেকেন্ডে ঘুরে = ৭২ বার
∴ ১ সেকেন্ডে ঘুরে = (৭২ ÷ ৬০) = ৬/৫ বার

আমরা জানি,
ফ্যান ১ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = ৩৬০°
∴ ৬/৫ বার ঘুরলে অতিক্রম করে = ৩৬০ × (৬/৫) = ৪৩২°

৪৩.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল যদি 36√3 বর্গ সেন্টিমিটার হয়, তবে ত্রিভুজটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. 10 সেমি
  2. 15 সেমি
  3. 17 সেমি
  4. 12 সেমি
সঠিক উত্তর:
12 সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12 সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল যদি 36√3 বর্গ সেন্টিমিটার হয়, তবে ত্রিভুজটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
দেয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল 36√3 বর্গ সেন্টিমিটার

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4 ) × a2

প্রশ্নমতে,
(√3/4) × a2 = 36√3
⇒ a2 = (36√3 × 4)/√3
⇒ a2 = 144
⇒ a = √144
∴ a = 12

∴ ত্রিভুজের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 12 সেমি

৪৪.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের থেকে ১৫ মিটার বেশি। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৫০ মিটার হলে, ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৩৫০ বর্গমিটার
  2. ১৪৫০ বর্গমিটার
  3. ১৫৫০ বর্গমিটার
  4. ১৬৫০ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১৩৫০ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫০ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের থেকে ১৫ মিটার বেশি। আয়তক্ষেত্রটির পরিসীমা ১৫০ মিটার হলে, ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ক মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ক + ১৫ মিটার

∴ আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ × (ক + ক + ১৫)
= ৪ক + ৩০ মিটার

প্রশ্নমতে,
৪ক + ৩০ = ১৫০
⇒ ৪ক = ১২০
⇒ ক = ১২০/৪
∴ ক = ৩০

∴ আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ৩০ মিটার
এবং আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ৩০ + ১৫ = ৪৫

∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ৪৫ × ৩০ বর্গমিটার
= ১৩৫০ বর্গমিটার

৪৫.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ 50% বাড়ানো হলে, এর ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বাড়বে?
  1. 75%
  2. 100%
  3. 125%
  4. 150%
সঠিক উত্তর:
125%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
125%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ 50% বাড়ানো হলে, এর ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বাড়বে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

ব্যাসার্ধ 50% বাড়লে, নতুন ব্যাসার্ধ = r + r এর 50%
= r + (50r/100)
= (3r)/2

∴ নতুন ক্ষেত্রফল = π(3r/2)2
= π × (9r2/4)
= 9πr2/4

∴  ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (9πr2/4) - πr2
= (5πr2)/4

∴  শতকরা বৃদ্ধি = {(5πr2/4)/(πr2)} × 100%
= 125%

৪৬.
একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১০ সেমি হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেমি?
  1. ২৫ বর্গ সেমি
  2. ২০ বর্গ সেমি
  3. ১৫ বর্গ সেমি
  4. ৩০ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর:
২৫ বর্গ সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বর্গ সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১০ সেমি হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেমি?

সমাধান:
ধরি,
সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের সমদ্বিবাহু বাহুর দৈর্ঘ্য = ক
এখানে, অতিভুজ = ১০

পীথাগোরাসের সূত্রমতে,
2 + ক2 = ১০2
⇒ ২ক2 = ১০০
⇒ ক2 = ১০০/২
⇒ ক2 = ৫০
⇒ ক = ৫√২

∴ ক্ষেত্রফল = (১/২) × (৫√২) × (৫√২)
= (১/২) × ৫০ = ২৫ বর্গ সেমি

৪৭.
৭ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৮০ বর্গ সেমি
  2. ৯০ বর্গ সেমি
  3. ৯৮ বর্গ সেমি
  4. ১০০ বর্গ সেমি
সঠিক উত্তর:
৯৮ বর্গ সেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ বর্গ সেমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৭ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্লিখিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:

দেয়া আছে,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৭ সেমি
বৃত্তের ব্যাস = ২ × ৭ = ১৪ সেমি

বৃত্তের ভেতরে বর্গক্ষেত্র অংকিত হলে বর্গক্ষেত্রের কর্ণই হচ্ছে ঐ বৃত্তটির ব্যাস।
∴ বর্গক্ষেত্রের কর্ণ = ১৪ সেমি
⇒ a√২ = ১৪
⇒ a = ১৪/√২
∴ a = ৭√২

∴ ক্ষেত্রফল = a = (৭√২) = ৪৯ × ২ = ৯৮ বর্গ সেমি