১.
খাঁটি মঙ্গলকাব্যের ধারা নয় কোনটি?
ব্যাখ্যা
• মঙ্গলকাব্য:
- মানুষের বিশ্বাস মতে, দেবদেবীর মাহাত্ম্য নির্ভর যে কাব্য রচনা, পাঠ ও শ্রবণ করলে নিজের, প্রতিবেশীর ও সমাজের মঙ্গল বা কল্যাণ সাধন হয় তাকে মঙ্গলকাব্য বলে।
- পনের থেকে আঠারো শতকের শেষ অবধি এই ধারার কাব্য বাংলায় রচিত হয়।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান শাখা ৩টি। যথা:
• মনসামঙ্গল,
• চণ্ডীমঙ্গল,
• অন্নদামঙ্গল।
- একটি সম্পূর্ণ মঙ্গলকাব্যে সাধারণত ৫টি অংশ থাকে। যথা:
• বন্দনা,
• আতত্মপরিচয়,
• দেবখণ্ড,
• মর্ত্যখণ্ড,
• শ্রুতিফল।
- মঙ্গলকাব্যে ৬২ জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়।
• বিষয়বস্তু অনুসারে মঙ্গলকাব্যকে দুটি ধারায় বিভক্ত যায়।
- একটি খাঁটি মঙ্গলকাব্যের ধারা, অপরটি পুরাণাশ্রয়ী ধারা।
- চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল মনসামঙ্গল, ও কালিকামঙ্গল প্রথম ধারায় অন্তর্ভুক্ত।
- অপ্রধান শ্রেণি হিসেবে শীতলামঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, রায়মঙ্গল, বাশুলীমঙ্গল প্রভৃতি।
- দ্বিতীয় ধারাটি বিশুদ্ধ পুরাণকেন্দ্রিক; যেমন-দেবীমাহাত্ম্য, চত্তিকাবিজয়, দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণী, গৌরীমঙ্গল ও গঙ্গামঙ্গল প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
- মানুষের বিশ্বাস মতে, দেবদেবীর মাহাত্ম্য নির্ভর যে কাব্য রচনা, পাঠ ও শ্রবণ করলে নিজের, প্রতিবেশীর ও সমাজের মঙ্গল বা কল্যাণ সাধন হয় তাকে মঙ্গলকাব্য বলে।
- পনের থেকে আঠারো শতকের শেষ অবধি এই ধারার কাব্য বাংলায় রচিত হয়।
- মঙ্গলকাব্যের প্রধান শাখা ৩টি। যথা:
• মনসামঙ্গল,
• চণ্ডীমঙ্গল,
• অন্নদামঙ্গল।
- একটি সম্পূর্ণ মঙ্গলকাব্যে সাধারণত ৫টি অংশ থাকে। যথা:
• বন্দনা,
• আতত্মপরিচয়,
• দেবখণ্ড,
• মর্ত্যখণ্ড,
• শ্রুতিফল।
- মঙ্গলকাব্যে ৬২ জন কবির সন্ধান পাওয়া যায়।
• বিষয়বস্তু অনুসারে মঙ্গলকাব্যকে দুটি ধারায় বিভক্ত যায়।
- একটি খাঁটি মঙ্গলকাব্যের ধারা, অপরটি পুরাণাশ্রয়ী ধারা।
- চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল মনসামঙ্গল, ও কালিকামঙ্গল প্রথম ধারায় অন্তর্ভুক্ত।
- অপ্রধান শ্রেণি হিসেবে শীতলামঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, রায়মঙ্গল, বাশুলীমঙ্গল প্রভৃতি।
- দ্বিতীয় ধারাটি বিশুদ্ধ পুরাণকেন্দ্রিক; যেমন-দেবীমাহাত্ম্য, চত্তিকাবিজয়, দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণী, গৌরীমঙ্গল ও গঙ্গামঙ্গল প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।