পরীক্ষা আর্কাইভ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

পরীক্ষাখাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
পরীক্ষা – ০৬ বিষয়: বাংলা টপিক: সাহিত্য অংশ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জসীমউদ্দীন, বাংলা সাহিত্যের পঞ্চপাণ্ডব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিহারীলাল চক্রবর্তী, বেগম রোকেয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, জহির রায়হান, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, দীনবন্ধু মিত্র, অন্নদাশঙ্কর রায়, অমিয় চক্রবর্তী, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ও অন্যান্য। ব্যাকরণ অংশ: শব্দ প্রকরণ [শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ] বাগ্‌ধারা; সমার্থক শব্দ/প্রতিশব্দ; বিপরীতার্থক শব্দ; শব্দজোড় ও প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ; এক কথায় প্রকাশ/বাক্য সংক্ষেপ বিবিধ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি

খাদ্য অধিদপ্তর নিয়োগ প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন' - উপন্যাসটি কোন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা?
  1. ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  3. ১৯৪৭ এর দেশভাগ
  4. ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
- আরেক ফাল্গুন জহির রায়হানের লেখা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি উপন্যাস।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক রচিত সাহিত্যকর্ম গুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা সাহিত্য হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই বইটিকে।
- সিপাহী বিদ্রোহের নির্মম স্মৃতি বিজরিত ভিক্টোরিয়া পার্কের বর্ননা দিয়ে ঔপন্যাসিক উপন্যাসের সূচনা করেন।
- এই উপন্যাসের কাহিনীর স্থিতিকাল মাত্র তিনদিন দুই রাত। 
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৬৮ সালে।

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ৮ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
        iii) শিক্ষক বাতায়ন।
.
জসীম উদ্‌দীনের জন্ম কোথায়?
  1. ফরিদপুর জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে
  2. মাদারীপুর জেলার শিবচর
  3. ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে
  4. কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
-  তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন প্রতিষ্ঠান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেয়?
  1. ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ
  2. হিন্দু কলেজ
  3. প্রেসিডেন্সি কলেজ
  4. সংস্কৃত কলেজ
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
.
বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা কোনটি?
  1. স্বপ্নদর্শন
  2. সঙ্গীতশতক
  3. বঙ্গসুন্দরী
  4. বন্ধু বিয়োগ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী  আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল। 

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাসটি কে লিখেছেন?
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মাহমুদুল হক
  3. শওকত ওসমান
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'একটি কালো মেয়ের কথা' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস- 'একটি কালো মেয়ের কথা'।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ খ্রিষ্টব্দে। এটি তাঁর সর্বশেষ উপন্যাস।

• উপন্যাসের পট উন্মোচিত হয়েছে নাজমা নামের একটি কালো মেয়েকে নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম কালে 'স্পাই' হিসেবে ধরা পড়া ডেভিড আর্মস্ট্রং-এর ভারতীয় পুলিশ-অফিসারের সামনে জবানবন্দি উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে। এই নাজমাই পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর তাঁবেদার এক পাঞ্জাবির বলাৎকারের শিকার হয়। নির্যাতিতা ও সন্তানহারা কালো মেয়ে নাজমা ১৯৭১-এর বাংলাদেশের প্রতিরূপক হয়ে উঠেছে উপন্যাসে।

---------------
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বিংশ শতাব্দীর একজন বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক ছিলেন।
• তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার লাভপুর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চৈতালী ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- গণদেবতা,
- পঞ্চগ্রাম,
- কবি,
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা,
- একটি কালো মেয়ের কথা।

উল্লেখ্য,
- মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস।
- ‘দুই সৈনিক’ শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থ।
- ‘নিষিদ্ধ লোবান’ সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থ।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. গিরিশচন্দ্র ঘোষ
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. অন্নদাশঙ্কর রায়
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক — নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।
---------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে ১৮৩০ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ১৮৭১ সালে লুসাই যুদ্ধের সময় দীনবন্ধু কাছাড়ে সফলভাবে ডাক বিভাগ পরিচালনা করেন, যার জন্য সরকার তাঁকে ‘রায়বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। 

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
- সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক 

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অন্নদাশঙ্কর রায় ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. অনিলা দেবী
  2. অল্পদর্শী
  3. লীলাময় রায়
  4. হাবু শর্মা
সঠিক উত্তর:
লীলাময় রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লীলাময় রায়
ব্যাখ্যা
• অন্নদাশঙ্কর রায় 'লীলাময় রায়' ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন।

---------------------
• অন্নদাশঙ্কর রায়:
- একজন স্বনামধন্য ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও চিন্তাবিদ।
- আমেরিকার টেকসাসের বিদুষী তরুণী অ্যালিস ভার্জিনিয়া ওনডর্ফ ১৯৩০ সালে ভারতে আসেন ভারতীয় সঙ্গীত বিষয়ে গবেষণার জন্য।
- লেখক ভবানী মুখোপাধ্যায়ের মাধ্যমে অ্যালিসের সঙ্গে অন্নদাশঙ্করের পরিচয় ঘটে এবং পরে তাঁরা বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন।
- সে সময় অন্নদাশঙ্কর ‘লীলাময় রায়' ছদ্মনামে লিখতেন।
- রবীন্দ্রনাথ অ্যালিসের নতুন নামকরণ করেন ‘লীলা রায়'।
- অন্নদাশঙ্করের জীবনে লীলা রায়ের প্রভাব ব্যাপক।
- বহু ভাষায় পারদর্শী লীলা রায় নিজেও সাহিত্যিক এবং অনুবাদক হিসেবে খ্যাতিলাভ করেন।

অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস:
- অসমাপিকা,
- আগুন নিয়ে খেলা,
- পুতুল নিয়ে খেলা,
- সত্যাসত্য ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'অনিলা দেবী'- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
• আবু জাফর শামসুদ্দিন 'অল্পদর্শী' ছদ্মনামে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শিরোনামে দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় কলাম লিখতেন।
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম- 'হাবু শর্মা'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. দেশভাগ
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
'চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাস:
- ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস এর লেখা।
- এটি তার একটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস। 
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই। উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র ওসমান।
- কোন বাড়ির চিলেকোঠায় বাস করেও স্বাধীনতার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর আন্দোলনের জোয়ারে সেদিন মিলিত হয়েছিল ওসমান।
- এখানে ইতিবাচক রাজনীতির উপস্থাপনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অব্যবহিত পূর্বরূপটি ওঠে এসেছে।

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস:
- ১৯৪৩ সালে গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি চিলেকোঠার সেপাই, খােয়াবনামা নামে দুটি মহাকাব্যোচিত উপন্যাস রচনা করেছেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চিলেকোঠার সেপাই,
- খােয়াবনামা।

তাঁর রচিত ছােটগল্প:
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি,
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. দীনবন্ধু মিত্র
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এ পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হত।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
'বাংলাদেশ' নামক কবিতাটি কে লিখেছেন?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ' কবিতা:
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বাংলাদেশ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বিখ্যাত কবিতা ‘বাংলাদেশ’ অনিঃশেষ (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।
- কবিতাটি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

অমিয় চক্রবর্তী:
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
 
তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
'নগদ' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. তৎসম
  4. দেশি
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
• নগদ (বিশেষ্য): 
- 'আরবি' ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: তৎক্ষাণাৎ মূল্য পরিশোধের শর্তে ক্রয়বিক্রয় (নগদ বিক্রি)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আরবি শব্দ: 
- আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ঈদ, উকিল, কলম, নগদ, বাকি, আদালত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
সংস্কৃত ধাতু কোনটি?
  1. কাট্
  2. স্থা
  3. কাঁদ্‌
  4. জান্‌
সঠিক উত্তর:
স্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থা
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ধাতু - স্থা।

• বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
(ক) বাংলা,
(খ) সংস্কৃত এবং
(গ) বিদেশি ধাতু।

বাংলা ধাতু:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
যেমন - কাট্, কাঁদ্‌, জান্‌, নাচ্ ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু:
বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে।
যেমন - কৃ, গম্, ধৃ, গঠ্‌, স্থা, খাদ্‌ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
'ভুক্ত' শব্দের সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √ ভুজ্ + ত
  2. √ ভুছ্ + ক্ত
  3. √ ভুজ্ + ক্ত
  4. √ ভুচ্ + ক্ত
সঠিক উত্তর:
√ ভুজ্ + ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√ ভুজ্ + ত
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ভুক্ত' এর সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয় - √ ভুজ্ + ত। 

• তবে,
মাধ্যমিক ব্যাকরণ নবম- দশম শ্রেণির পুরাতন সংস্করণ অনুসারে,
- 'ভুক্ত' এর সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয় √ভুজ্‌ + ক্ত = ভুক্ত দেয়া আছে। 

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এর উত্তর অধিক গ্রহণযোগ্য বিধায় আমরা উত্তর হিসেবে 'ভুক্ত' এর সঠিক প্রকৃতি- প্রত্যয় '√ ভুজ্ + ত' নিয়েছি।  
 - আধুনিক ব্যাকরণ অনুসারে, 'ক্ত' প্রত্যয় 'ত' হবে।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
'গায়ে পড়া’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ কী?
  1. ব্যথা পাওয়া
  2. অযাচিত
  3. শরীর খারাপ
  4. ঝগড়া করা
সঠিক উত্তর:
অযাচিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অযাচিত
ব্যাখ্যা
• ‘গায়ে পড়া’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অযাচিত।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: 
• 'রামগরুড়ের ছানা' - গোমড়ামুখো লোক। 
• 'লগন চাঁদা' - ভাগ্যবান। 
• 'কালে ভদ্রে' - কদাচিৎ।
• 'ঝিঙেফুল ফোটা' - 'আয়ু ফুরিয়ে আসা' 
• 'গয়ংগচ্ছ' - 'ঢিলেমি।
• 'বুদ্ধির ঢেঁকি' - নির্বোধ লোক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাগধারা বাগবিধি মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
১৫.
"নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার" — এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. ক্ষণস্থায়ী
  2. নশ্বর
  3. অবিনশ্বর
  4. অস্থায়ী
সঠিক উত্তর:
নশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নশ্বর
ব্যাখ্যা
• "নষ্ট হওয়া স্বভাব যার" এর এক কথায় প্রকাশ- নশ্বর।

গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- 'যার বাসস্থান নেই' = অনিকেত,
- 'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার' = উদ্বাস্তু,
- 'যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে' = উদ্বাস্তু,
- 'নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার' = অবিনশ্বর
- 'যা চিরস্থায়ী নয়' = নশ্বর,
- 'যা কখনো নষ্ট হয় না' = অবিনশ্বর,
- 'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' = ক্ষণস্থায়ী,
- 'যা স্থায়ী নয়' = অস্থায়ী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
‘যার বাসস্থান নেই’— এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. অনাথ
  2. নিঃস্ব
  3. অনিকেত
  4. আশ্রয়হীন
সঠিক উত্তর:
অনিকেত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিকেত
ব্যাখ্যা
• 'যার বাসস্থান নেই' এর এক কথায় প্রকাশ - অনিকেত।

আরো কয়েকটি বাক্য সংকোচন:
-'স্থায়ী ঠিকানা নেই যার' - উদ্বাস্তু।
-'যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে' - উদ্বাস্তু।
-'ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী' - ক্ষণস্থায়ী।
-'যা স্থায়ী নয়' - অস্থায়ী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
১৭.
'পর্বত' এর সমার্থক শব্দ-
  1. প্রস্তর
  2. মেদিনী
  3. গিরি
  4. উপল
সঠিক উত্তর:
গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরি
ব্যাখ্যা
• 'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- মহীধর, পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধ্র, ভূভূৎ, নগ।

অন্যদিকে,
• পৃথিবী: জগৎ, ভুবন, সংসার, বিশ্ব, ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুমতী, মর্ত্য, বসুধা, অবনী, মহী, মেদিনী, ক্ষিতি।

• পাথর: পাষাণ, প্রস্তর, শিলা, উপল, অশ্ব, কঙ্কর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৮.
'বৃক্ষ' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. তরু
  2. শাখী
  3. মহীরুহ
  4. কানন
সঠিক উত্তর:
কানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানন
ব্যাখ্যা
• 'বৃক্ষ' এর সমার্থক শব্দ: 
- গাছ, 
- তরু
- দ্রুম,
- শাখী,
- পাদপ,
- মহীরুহ,
- উদ্ভিদ,
- অটবি,
- বিটপী,
- পর্ণী,
- গাছপালা,
- পল্লবী ইত্যাদি 
   
অপরদিকে,
• 'বন' এর সমার্থক শব্দ: বনানী, কানন ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯.
'রামগরুড়ের ছানা' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. খুব সুন্দর
  2. কাঁদুনে স্বভাব
  3. গোমড়ামুখো লোক
  4. অলস লোক
সঠিক উত্তর:
গোমড়ামুখো লোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোমড়ামুখো লোক
ব্যাখ্যা
• 'রামগরুড়ের ছানা' বাগ্‌ধারার অর্থ- গোমড়ামুখো লোক।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা হলো:
• 'ইতুনিদকুঁড়ে' বাগ্‌ধারার অর্থ - অলস।
• ‘গোল্লায় যাওয়া’ বাগ্‌ধারার অর্থ - নষ্ট হওয়া।
• 'জগাখিচুড়ি' বাগ্‌ধারার অর্থ - বিশৃঙ্খল।
• ‘গা ঢাকা দেওয়া’ বাগ্‌ধারার অর্থ - পলায়ন করা।
• ‘চুলোয় যাওয়া’ বাগ্‌ধারার অর্থ - নষ্ট হওয়া।
• ‘উড়োকথা’ বাগ্‌ধারার অর্থ - গুজব।
• ‘ঘোড়ার ডিম’ বাগ্‌ধারার অর্থ - কিছুই না।
• ‘উড়োচিঠি’ বাগ্‌ধারার অর্থ - বেনামি চিঠি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
‘হাজির’ শব্দের বিপরীত কোনটি?
  1. গমন
  2. বেহাজির
  3. প্রস্থান
  4. গরহাজির
সঠিক উত্তর:
গরহাজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরহাজির
ব্যাখ্যা
• 'হাজির' এর বিপরীত শব্দ- 'গরহাজির'।

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ- বিবাদ, বিগ্রহ, 
- 'হরদম' এর বিপরীত শব্দ- 'কদাচিৎ', 
- 'সরস' এর বিপরীত শব্দ- 'নীরস', 
- 'মুক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'আবদ্ধ',
- 'মুখ্য' এর বিপরীত শব্দ- 'গৌণ'।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
"সে বইটি পড়েছে।" - কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ বর্তমান কাল
  2. ঘটমান বর্তমান কাল
  3. পুরাঘটিত বর্তমান কাল
  4. পুরাঘটিত অতীত কাল
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত বর্তমান কাল
ব্যাখ্যা
• পুরাঘটিত বর্তমান কাল:
ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবং তার ফল এখনও বর্তমান থাকলে, পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত
হয়।
যেমন:
- এবার আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
- সে বইটি পড়েছে।
- এতক্ষণ আমি অঙ্ক করেছি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
'চীর' ও 'চির' এই শব্দগুচ্ছের অর্থ হলো যথাক্রমে-
  1. দীর্ঘকাল; ফাটল
  2. দীর্ঘকাল; ছেঁড়া কাপড়
  3. ছেঁড়া কাপড়; দীর্ঘকাল
  4. ফাটল; দীর্ঘকাল
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া কাপড়; দীর্ঘকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছেঁড়া কাপড়; দীর্ঘকাল
ব্যাখ্যা
• 'চীর' ও 'চির' এই শব্দগুচ্ছের অর্থ হলো যথাক্রমে-
চীর -ছেঁড়া কাপড়;
চির - দীর্ঘকাল।

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,




উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
কোনটি দেশি শব্দ?
  1. বালতি
  2. দাম
  3. ডামাডোল
  4. সূর্য
সঠিক উত্তর:
ডামাডোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডামাডোল
ব্যাখ্যা
• 'ডামাডোল' - দেশি ভাষার শব্দ।


• দেশি শব্দ:
- বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের (যেমন: তামিল, কোল প্রভৃতি) ভাষার কিছু কিছু শব্দ বাংলায় রক্ষিত হয়েছে। এসব শব্দকে 'দেশি শব্দ' বলে।
- অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ধারণ করা যায় না; কিন্তু কোন ভাষা থেকে এসেছে তার হদিস মেলে।

• দেশি ভাষার কয়েকটি শব্দ হলো:
যথা: কুড়ি, পেট, চুলা, চালতা, কুলা, ডাব, টোপর, ঢেঁকি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ‘বালতি’ পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
• ‘দাম’ গ্রিক ভাষার শব্দ।
• ‘সূর্য’ সংস্কৃত ভাষার শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
‘ইদানীন্তন’ শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. সমকালীন
  2. তদানীন্তন
  3. চিরন্তন
  4. অতীন্দ্রিয়
সঠিক উত্তর:
তদানীন্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদানীন্তন
ব্যাখ্যা
• 'ইদানীন্তন' এর বিপরীত শব্দ - তদানীন্তন।

এখানে,
ইদানীন্তন = বর্তমান সময়।
তদানীন্তন = অতীত সময়।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
• 'আকস্মিক' এর বিপরীত শব্দ - চিরন্তন।
• 'উৎকর্ষ' এর বিপরীত শব্দ - অপকর্ষ।
• 'আকুঞ্চন' এর বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
• 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।