পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
Exam - 21 The Code of Criminal Procedure, 1898: Subject Final Topic ➝ CrPC-Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কার অধীনস্থ?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

নির্বাহী, জুডিসিয়াল ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের অধীনতা (ধারা ১৭, The Code of Criminal Procedure, 1898)
(১) ধারা ১০ ও ১২(১)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান (Code) অনুযায়ী বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন, যাতে ওই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(২) ধারা ১১ ও ১২(৩)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান এবং সরকারের দ্বারা ধারা ১৬-এর অধীনে প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৩) ধারা ১২(৫)-এর অধীনে নিয়োজিত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যার মধ্যে অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত) এবং ধারা ১৯-এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন। চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সময় সময় এই বিধান ও ধারা ১৬-এর অধীনে সরকারের প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন, যাতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলোর মধ্যে কাজের বণ্টন নির্ধারিত হয়।

(৪) সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ) দায়রা জজের অধীন হবেন; এবং সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ) মেট্রোপলিটন দায়রা জজের অধীন হবেন।

.
ফৌজদারি কার্যবিধি কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. পদ্ধতিগত আইন
  3. সিভিল আইন
  4. বিশেষ মূল আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

.
পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'Justices of the Peace' কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. এটর্নি জেনারেল
  4. সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিগণ
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস-
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন
এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.

.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কত বছরের কম বয়সের কোনো শিশুর অপরাধ (মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধ ব্যতীত) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করতে পারেন?
  1. ১২ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।

.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন অভিযোগকে নালিশ (Complaint) হিসেবে গণ্য করা হবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত অভিযোগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অভিযোগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা-৪(জ): নালিশ (Complaint)-
"নালিশ" বলতে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক অথবা লিখিতভাবে এই মর্মে অভিযোগ করা যে, জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি একটি অপরাধ করেছে।

অর্থাৎ, অপরাধ সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে। কিন্তু অপরাধ সম্পর্কে পুলিশ অফিসারের নিকট মৌখিক অথবা লিখিত অভিযোগ নালিশ (Complaint) বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-4(h)-
"complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person, whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police officer:

.
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বাধিক কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারবেন?
  1. ১ লক্ষ টাকা
  2. ২ লক্ষ টাকা
  3. ৩ লক্ষ টাকা
  4. ৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।

.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কখন আইনজীবীর সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: 

যে পুলিশ কর্মকর্তা বা ব্যক্তি কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করবেন, তাকে-
(ক) নিজের নাম ও পরিচয় স্পষ্টভাবে বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়।

(খ) নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে, এবং চাইলে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

(গ) একটি গ্রেপ্তার স্মারক (memorandum of arrest) প্রস্তুত করতে হবে, যা-
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী (অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তি) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে;
(ii) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকতে হবে (যদি তিনি অস্বীকার না করেন)।

(ঘ) অভিযুক্তকে যদি বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে তার পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/মনোনীত বন্ধুকে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান ও হেফাজতের জায়গা জানাতে হবে।

(ঙ) যদি অভিযুক্তের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকে, তবে ডাক্তারের পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, ডাক্তারের সনদ সংগ্রহ করতে হবে, এবং আঘাতের কারণ লিখে রাখতে হবে।

(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে চাইলে আইনজীবীর সাথে দেখা করার বা আত্মীয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ দিতে হবে, অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

.
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে, আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবে?
  1. মামলাটি স্থগিত করবে
  2. অভিযুক্তকে কারাগারে প্রেরণ করবে
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেবে
  4. অভিযুক্তকে খালাস দেবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 248: Withdrawal of complaint:
If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint, the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

.
অতিরিক্ত দায়রা জজ কী ধরণের দণ্ড দিতে পারেন?
  1. মৃত্যুদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
  2. আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বছরের কারাদণ্ড ব্যতীত যেকোনো দণ্ড
সঠিক উত্তর:
আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।


(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

১০.
ধারা ৬৩ এর অধীনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন অব্যাহতি দেয়া যেতে পারে
  1. কোনো শর্ত ছাড়াই
  2. পুলিশের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
  4. মামলার তদন্ত শেষ হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি:-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.

১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা সংবাদে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. সাক্ষীর
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার
  4. সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদ জ্ঞাপনকারীর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

১২.
বর্তমানে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪ ধারায় পুলিশ কয়টি পরিস্থিতিতে ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ) ১১টি পরিস্থিতিতে।

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪- "কখন পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে" (When police may arrest without warrant):

(১) যেকোনো পুলিশ অফিসার ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং ওয়ারেন্ট ছাড়াই নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারেন:

প্রথমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে একটি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেন; 

দ্বিতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে, বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে, বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের কম মেয়াদের বা সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, যদি নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হয়, যথা:-
(i) পুলিশ অফিসারের কাছে এই ধরনের অভিযোগ, তথ্য বা সন্দেহের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন; এবং

(ii) পুলিশ অফিসার সন্তুষ্ট হন যে এই ধরনের গ্রেপ্তার করা নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজনীয়:
(ক) ওই ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধ করা থেকে বিরত রাখা; বা
(খ) অপরাধের যথাযথ তদন্তের জন্য; বা
(গ) ওই ব্যক্তিকে অপরাধের প্রমাণ অদৃশ্য করা বা কোনোভাবে সেই প্রমাণ নষ্ট করা থেকে বিরত রাখা; বা
(ঘ) ওই ব্যক্তিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে পরিচিত কোনো ব্যক্তিকে প্ররোচনা, হুমকি বা প্রতিশ্রুতি দেওয়া থেকে বিরত রাখা, যাতে তিনি আদালতে বা পুলিশ অফিসারের কাছে সেই ঘটনা প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকেন; বা
(ঙ) যেহেতু ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার না করলে, যখনই প্রয়োজন হবে তখন আদালতে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করা যাবে না; এবং পুলিশ অফিসার এই ধরনের গ্রেপ্তার করার সময় তার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, যে সকল ক্ষেত্রে এই উপ-ধারার বিধানাবলী অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে পুলিশ অফিসার গ্রেপ্তার না করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন;

তৃতীয়ত, যে কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে যে তিনি এমন একটি আমলযোগ্য অপরাধ করেছেন যা সাত বছরের বেশি মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হতে পারে, জরিমানা সহ বা ছাড়া, বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় এবং পুলিশ অফিসারের কাছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে ওই ব্যক্তি উল্লিখিত অপরাধ করেছেন;

চতুর্থত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে বৈধ অজুহাত ব্যতীত, যে অজুহাত প্রমাণের ভার তার উপর বর্তাবে, ঘর ভাঙার কোনো সরঞ্জাম থাকে;

পঞ্চমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে এই কোডের অধীনে বা সরকারের আদেশ দ্বারা অপরাধী হিসাবে ঘোষিত করা হয়েছে;

ষষ্ঠত, যে কোনো ব্যক্তি যার দখলে এমন কিছু পাওয়া যায় যা যুক্তিসঙ্গতভাবে চুরি করা সম্পত্তি বলে সন্দেহ করা যেতে পারে এবং যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে সেই জিনিস সম্পর্কিত অপরাধ করার জন্য সন্দেহ করা যেতে পারে;

সপ্তমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি একজন পুলিশ অফিসারকে তার দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, বা যিনি আইনানুগ হেফাজত থেকে পালিয়েছেন বা পালানোর চেষ্টা করছেন;

অষ্টমত, যে কোনো ব্যক্তি যাকে যুক্তিসঙ্গতভাবে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর একজন পলাতক সৈনিক বলে সন্দেহ করা হয়;

নবমত, যে কোনো ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের বাইরের কোনো স্থানে সংঘটিত কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, বা যার বিরুদ্ধে যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ করা হয়েছে বা বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পাওয়া গেছে বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ বিদ্যমান যে তিনি এমন কোনো কাজের সাথে জড়িত ছিলেন, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, এবং যার জন্য তিনি কোনো প্রত্যর্পণ আইন (extradition law) বা অন্য কোনো আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে গ্রেপ্তার বা আটক হওয়ার যোগ্য;

দশমত, কোনো মুক্ত দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি যিনি ৫৬৫ ধারার উপ-ধারা (৩) এর অধীনে প্রণীত কোনো বিধি লঙ্ঘন করেন;

একাদশত, যে কোনো ব্যক্তি যার গ্রেপ্তারের জন্য অন্য একজন পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে চাহিদা (requisition) পাওয়া গেছে, যদি ওই চাহিদা পত্রে গ্রেপ্তারযোগ্য ব্যক্তির বিবরণ এবং যে অপরাধ বা অন্য কারণে গ্রেপ্তার করতে হবে তা নির্দিষ্ট করা থাকে এবং তা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যে অফিসার চাহিদা পত্রটি জারি করেছেন তিনি ওয়ারেন্ট ছাড়াই আইনত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারতেন। 

(২) কোনো পুলিশ অফিসার এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিরোধমূলক আটকের (preventive detention) বিধানকারী কোনো আইনের অধীনে আটক করার উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করবেন না।

১৩.
মহানগর এলাকায় সামরিক শক্তির মাধ্যমে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করাতে পারেন কে?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. দায়রা আদালত
  4. যেকোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৯ ধারায় দেয়া আছে:
কোন বেআইনি সমাবেশ যদি অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ করা না যায় এবং জন নিরাপত্তার জন্য যদি উহা ছত্রভঙ্গ করা দরকার মর্মে গণ্য হয়, সেক্ষেত্রে উপস্থিত সর্বোচ্চ পদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা মহানগর এলাকা হলে, সেখানকার পুলিশ কমিশনার সামরিক শক্তির মাধ্যমে উহা ছত্রভঙ্গ করাতে পারবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 129- Use of military force:
If any such assembly cannot be otherwise dispersed. and if it is necessary for the public security that it should be dispersed, the Executive Magistrate of the highest rank who is present or the Police Commissioner in a Metropolitan Area may cause it to be dispersed by military force.

১৪.
ধারা ৯৬ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৯৬- কখন তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করা যেতে পারে:

১. পরোয়ানা বা আদেশের কারণে:
যে কোনো আদালত বিশ্বাস করার কারণ পায় যে, যাকে ৯৪ ধারার অধীনে সমন বা ৯৫ ধারার (১) উপ-ধারার অধীনে রিকুইজিশন জারি করা হয়েছে বা হতে পারে, সে ব্যক্তি উক্ত সমন বা রিকুইজিশনের মাধ্যমে যে দলিল বা বস্তু দাখিল করতে হবে তা দাখিল করবে না বা সম্ভবত দাখিল করবে না।

২. অজানা দখল:
যদি আদালত জানে না যে উক্ত দলিল বা বস্তু কোনো ব্যক্তির দখলে আছে।

৩. সাধারণ অনুসন্ধান প্রয়োজন:
যদি আদালত মনে করে যে, এই কার্যবিধির অধীনে পরিচালিত কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সাধারণ তল্লাশি বা পরিদর্শন প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে, আদালত তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবে। যাকে এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে, সে উক্ত পরোয়ানার অনুসারে তল্লাশি বা পরিদর্শন করতে পারবে এবং পরবর্তী বিধান অনুসরণ করবে।

সীমাবদ্ধতা:
এই ধারার অধীনে কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তল্লাশি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এটি করার অনুমতি নেই, বিশেষ করে ডাকঘর বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা দলিল, পার্সেল বা অন্য কোনো বস্তু তল্লাশির জন্য।

১৫.
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে যথাযথ চেষ্টা সত্ত্বেও খুঁজে পাওয়া না গেলে, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০ অনুযায়ী কার কাছে সমনের কপি দেয়া হবে?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির মনোনীত প্রতিনিধির নিকট
  2. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ সদস্যর নিকট
  3. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
  4. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বসবাসকৃত এলাকার স্থানীয় থানায়
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক যেকোন সদস্যর নিকট
ব্যাখ্যা

ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৭০-এ বলা আছে,
যদি কোনো ব্যক্তিকে সমন দেয়ার সময় তাকে খুঁজে না পাওয়া যায়, তাহলে সমনের একটি কপি তার পরিবারের কোনো প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য-এর কাছে সমন দেয়া যেতে পারে।

[Where the person summoned cannot by the exercise of due diligence be found, the summons may be served by leaving one of the duplicates for him with some adult member of his family, and the person with whom the summons is so left shall, if so required by the serving officer, sign a receipt therefore on the back of the other duplicate.]

১৬.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ উভয়
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা;
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা; এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ওয়ারেন্টসহ গ্রেফতার
  2. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
  3. আদালতের আদেশে আটক
  4. নির্বাহী আদেশে আটক
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১৮.
ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কোন আদালত নিতে পারেন?
  1. সেশন জজ
  2. হাইকোর্ট
  3. বিচারিক আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

১৯.
সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি যদি ৫৪ ধারার বিধানের অধীনে হয়, তখন কী করা হবে?
  1. তাকে আদালতে পাঠানো হবে
  2. তাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে
  3. পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবে
  4. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার পুনরায় গ্রেফতার করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।

২০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭৩ক ধারার অধীনে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেন কে?
  1. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তা
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. স্থানীয় থানার অফিসার ইন চার্জ
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্তকারী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।

(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।

(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

২১.
ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, জরিমানার পরিমাণ সর্বোচ্চ কত পর্যন্ত হলে আপিল করা যাবে না?
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলায় আপিল নয়:
এতে পূর্বে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, যে মামলাগুলিতে একটি দায়রা আদালত শুধুমাত্র এক মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড প্রদান করেন, বা যে মামলাগুলিতে একটি দায়রা আদালত বা [চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট] [বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট] বা প্রথম শ্রেণির অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র [পাঁচ হাজার টাকা] এর বেশি নয় এমন জরিমানা প্রদান করেন, সেই মামলাগুলিতে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির কোনো আপিল চলবে না।

ব্যাখ্যা: যখন জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের কোনো মূল সাজা (substantive sentence) দেওয়া হয়নি, তখন ওই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে কোনো আপিল চলবে না।

২২.
অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. তাকে প্রতিনিধির মাধ্যমে হওয়ার জন্য নির্দেশ দিবে
  2. তার মামলা বাতিল করবেন
  3. তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
  4. তার মামলার শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করবে
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭ – অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়, এবং নির্ধারিত দিনে বা পরে কোনো দিন (যে দিনে শুনানি মুলতবি করা হতে পারে) অভিযুক্তের উপস্থিতির জন্য, অভিযোগকারী হাজির না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেটকে নিম্নরূপ কাজ করতে হবে:

ম্যাজিস্ট্রেট, এতে পূর্বে যা কিছু বিধান অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, অভিযুক্তকে খালাস দেবেন, শুধুমাত্র তখনই ব্যতিক্রম ঘটবে যখন ম্যাজিস্ট্রেট মনে করবেন শুনানি অন্য কোনো দিনে মুলতবি করা উপযুক্ত।

শর্ত:
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মকর্তা (public servant) হন এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরি বাধ্যতামূলক না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলাটি চালিয়ে যেতে পারেন।

২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, গ্রেফতারের ঘটনা কোথায় নথিভুক্ত করতে হবে?
  1. থানার সাধারণ ডায়েরিতে
  2. আদালতের রেজিস্টারে
  3. পুলিশের নিজস্ব কেইস ডায়েরিতে
  4. তদন্তকারী অফিসারের প্রতিবেদনে
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

২৪.
ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. অব্যাহতি না পাওয়া অভিযুক্তের ক্ষেত্রে
  2. শুধুমাত্র পুলিশের তদন্তের ক্ষেত্রে
  3. ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০৩ বা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা অভিযোগে
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী,
যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা সেশন জজ ধারা ৪৩৫-এর অধীনে বা অন্য কোনোভাবে কোনো নথি পরীক্ষা করেন, তখন তারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিতে পারেন যাতে তিনি নিজে বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত তদন্ত সম্পন্ন করেন। এই তদন্ত করা যেতে পারে এমন অভিযোগে যা ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুযায়ী খারিজ করা হয়েছে, অথবা এমন মামলায় যেখানে কোনো অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজেও এই ধরনের তদন্ত করতে পারেন, অথবা তাঁদের অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে তা করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

তবে কোনো আদালত discharged ব্যক্তির বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে না যতক্ষণ না সেই ব্যক্তিকে যথাযথভাবে সুযোগ দেওয়া হয়েছে কেন এই নির্দেশ দেওয়া উচিত নয়। 

২৫.
ফৌজদারি মামলায় Shown arrest অনুমোদনের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. মামলার অভিযোগ দাখিল করা
  2. অভিযুক্তকে হাজির করা
  3. অভিযোগকারীকে হাজির করা
  4. উপযুক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে হাজির করা
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১৬৭ক : shown arrest ও আটক সংক্রান্ত ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব:
(১) কোনো মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যদি চান যে, কোনো ব্যক্তি যিনি ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় আটক আছেন, তাঁকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো (Shown arrest) হোক, তবে ম্যাজিস্ট্রেট এমন প্রার্থনা অনুমোদন করবেন না, যদি না-
- ওই আটক ব্যক্তিকে তাঁর সামনে হাজির করা হয়,
- ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি দাখিল করা হয়,
- অভিযুক্তকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেওয়া হয়, এবং আবেদনে যৌক্তিক ভিত্তি পাওয়া যায়।

(২) যদি পুলিশ রিপোর্ট থেকে বোঝা যায় যে গ্রেপ্তার শুধুমাত্র প্রতিরোধমূলক আটক (preventive detention) আইনের অধীনে কাউকে আটক রাখার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কাউকে বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর অনুমতি দেবেন না।

(৩) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো কর্মকর্তা, যিনি আইনগত ক্ষমতার বলে কাউকে আটক রাখার অধিকারী, তিনি বেআইনিভাবে কাজ করেছেন, তবে তিনি ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২২০ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

২৬.
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ- সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে। A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে। এক্ষেত্রে আদালত ধরে নিতে পারে যে-
  1. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বহীন
  2. অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
  3. অভিযোগ বৈধ থাকবে
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগের ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ
ব্যাখ্যা

ধারা ২২৫- অভিযোগে ভুলের প্রভাব (Effect of Errors)
অভিযোগে অপরাধের নাম বা অপরাধ সম্পর্কিত বিবরণ উল্লেখ করতে গিয়ে কোনো ভুল (error) হলে, বা কোনো তথ্য বাদ (omission) গেলে, সেই ভুল বা বাদ দেওয়া বিষয়টি মামলার কোনো পর্যায়েই গুরুত্বপূর্ণ (material) বলে গণ্য হবে না —
যতক্ষণ না এটি প্রকৃতপক্ষে অভিযুক্তকে বিভ্রান্ত করেছে (misled) এবং এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে।

উদাহরণ:
A-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ — সে B-কে প্রতারণা করেছে। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়নি কোন লেনদেনের কথা বলা হচ্ছে।
A ও B-এর মধ্যে বহু লেনদেন ছিল, ফলে A বুঝতে পারেনি কোন ঘটনাটি নিয়ে বিচার চলছে, এবং সে আত্মপক্ষ সমর্থনও করেনি।
→ এই অবস্থায় আদালত ধরে নিতে পারে যে, অভিযোগের এই ভুলটি গুরুত্বপূর্ণ (material error), কারণ এতে অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয়েছে।

২৭.
ধারা ৫০২ অনুযায়ী মুচলেকা বাতিলের পর জামিনদারকে কী দেওয়া হয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. জেলশাস্তি
  3. ক্ষতিপূরণ
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।

২৮.
'It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৪৬গ
  2. ধারা ৪৬ঘ
  3. ধারা ৪৬ঙ
  4. ধারা ৪৬চ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898: section 46D: Health and safety of arrested person:
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

ধারা ৪৬ঘ - গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা:
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকা ব্যক্তির কর্তব্য হবে তার স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারায় মামলা বা আপিল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কে নিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপিল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারি আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারি আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপিল স্থানান্তরিত আপিল, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলত সেখানেই উক্ত মামলা বা আপিল আপিল করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।

৩০.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষী বা অভিযোগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. কেবল আবেদনের ভিত্তিতে
  2. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে
  3. কেবল স্বপ্রণোদিত হয়ে
  4. স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: "অভিযোগকারী, সাক্ষী এবং ভুক্তভোগীদের ব্যয় এবং সুরক্ষা" (Expenses and protection of complainants, witnesses and victims):
(১) সরকার কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আদেশ সাপেক্ষে, যে কোনো ফৌজদারি আদালত, যদি উপযুক্ত মনে করে, এই কোডের অধীনে তার সামনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারার উদ্দেশ্যে উপস্থিত কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত ব্যয় সরকার কর্তৃক পরিশোধ করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যে কোনো আদালত, সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে, একটি ফৌজদারি কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে, কোনো তথ্য প্রদানকারী, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

৩১.
পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কিনা- তা ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে উল্লেখ থাকে?
  1. ৩য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৫ম কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই সারণীতে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।

১ম কলাম: উল্লেখ থাকে যে, দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

২য় কলাম: প্রদত্ত ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ লেখা থাকে।

৩য় কলাম: নির্দেশ করা হয় পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ অপরাধটি আমলযোগ্য (Cognizable) নাকি আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।

৪র্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে কি না, তা নির্ধারণ করা হয়।

৫ম কলাম: দেখানো হয় অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) নাকি জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।

৬ষ্ঠ কলাম: উল্লেখ থাকে অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না, অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলে কি সেটি মিটমাট করতে পারবে।

৭ম কলাম: প্রদত্ত ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ দেখানো হয়।

৮ম কলাম: বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে।

৩২.
ধারা ২৬৪ক অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়া কোথায় করা যেতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আদালতের কক্ষে
  2. শুধুমাত্র জেল হেফাজতে
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের এখতিয়ারাধীন যেকোনো স্থানে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৬৪ক – সংক্ষিপ্ত বিচারের বিশেষ প্রক্রিয়া (Special Procedure for Summary Trials)
ধারা ২৬২-এ যা কিছু থাকুক না কেন, চার্জ তৈরি করা, প্রমাণ রেকর্ড করা, অভিযুক্তের পরীক্ষা (ধারা ৩৪২ অনুযায়ী), এবং রায় ঘোষণার কাজ যদি সম্ভব হয়, তবে একই সেশনে এবং আদালতের এখতিয়ারাধীন যে কোনো স্থানে সম্পন্ন করা যেতে পারে।

৩৩.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের একাধিক অপরাধ কত সময়ের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে বিচার করা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয়

আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

৩৪.
অভিযুক্ত যদি আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন, তাহলে তার হাজির হওয়ার জন্য আদেশ কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. জাতীয় দৈনিকে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে
  3. জাতীয় বাংলা দৈনিকে এবং সরকারি ওয়েবসাইট উভয় স্থানে
  4. উল্লিখিত কোথাও না
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত কোথাও না।

ধারা ৩৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন বা হাজির হতে ব্যর্থ হন, তাহলে উপ-ধারা (১)-এ বর্ণিত জাতীয় দৈনিক বা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
এই ক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-তে যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক অথবা নিজেকে এমনভাবে গোপন করে রেখেছে যাতে তাকে গ্রেফতার করে বিচারার্থে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা নেই, তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচার গ্রহণকারী আদালত, জাতীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারিত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেবে। এবং যদি উক্ত ব্যক্তি ওই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শর্তসাপেক্ষে, আদালত প্রয়োজনে আরও নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, প্রধান বিচারিক হাকিম আদালত, প্রধান মহানগর হাকিম আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইট—যার জনসাধারণের কাছে ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে—সেখানে প্রকাশ করা হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারায় যখন অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য হিসেবে স্বীকার করে, তখন কে স্বাক্ষর করবে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. শুধুমাত্র অভিযুক্ত
  3. শুধুমাত্র ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ
  4.  অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
 অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অভিযুক্ত এবং আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ উভয়ে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

৩৬.
'Provisions for completion of investigation'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সংযোজিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৬৭ক
  2. ধারা ১৭৩ক
  3. ধারা ১৭৩খ
  4. ধারা ১৭৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩খ
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সমাপ্তির বিধানাবলী (Provisions for completion of investigation):
(১) এই কোডে যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য প্রাপ্তির তারিখ থেকে ষাট কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

(২) যেখানে যুক্তিসঙ্গত কারণে উপ-ধারা (১)-এ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না, সেখানে তদন্তকারী অফিসার বিলম্বের কারণ কেস ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন, সুনির্দিষ্ট কারণ এবং প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে সময় বাড়ানোর জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করবেন এবং এই আবেদনের একটি অনুলিপি তদন্ত তদারককারী ঊর্ধ্বতন অফিসারের নিকট পাঠাবেন।

(৩) উপ-ধারা (২)-এর অধীনে করা আবেদনটি বিবেচনার পর, ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দ্বারা, যুক্তিসঙ্গত মনে হলে, তদন্তের জন্য সময় বাড়িয়ে দিতে পারেন এবং তদন্তকারী অফিসার বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করবেন।
(৪) যেখানে উপ-ধারা (৩)-এর অধীনে বর্ধিত সময়ের মধ্যেও তদন্ত সম্পন্ন হয় না, সেখানে তদন্তকারী অফিসার ওই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর লিখিতভাবে কারণগুলি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট রিপোর্ট করবেন এবং এর একটি অনুলিপি তদন্ত তদারককারী ঊর্ধ্বতন অফিসারের নিকট পাঠাবেন।

(৫) উপ-ধারা (৪)-এর অধীনে দাখিলকৃত ব্যাখ্যা বিবেচনার পর, অথবা যেখানে তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক কোনো ব্যাখ্যা দাখিল করা হয় না, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট—
(ক) তদন্তটি অন্য কোনো অফিসার দ্বারা পরিচালনার নির্দেশ দিতে পারেন;
(খ) এই ধরনের বিলম্বকে তদন্তকারী অফিসারের অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসাবে গণ্য করতে পারেন, অফিসারের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) তা লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করতে পারেন এবং প্রাসঙ্গিক চাকরির বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারেন।

(৬) যদি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর, নথিতে থাকা উপাদানগুলি বিবেচনা করে আদালত সন্তুষ্ট হন যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্ত হিসাবে নামভুক্ত কোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করা উচিত, তবে আদালত সেই মর্মে আদেশ দিতে পারেন এবং ওই ব্যক্তি মামলায় সাক্ষী হিসাবে গণ্য হবেন।

(৭) যদি বিচার শেষে আদালত দেখতে পান যে, তদন্তকারী অফিসার অবহেলাবশত বা কোনো ব্যক্তিকে ফৌজদারি দায় থেকে রক্ষা করার অভিপ্রায়ে—
(i) কোনো গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য সংগ্রহ বা বিবেচনা করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) এমন কোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে গণ্য করেছেন যাকে অভিযুক্ত করা উচিত ছিল; অথবা
(iii) যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন,
আদালত সেই মর্মে একটি সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এই ধরনের কাজ বা বাদ পড়াকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসাবে গণ্য করতে পারেন এবং আইন অনুযায়ী অফিসারের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারেন।

৩৭.
Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৫(৮) ধারায় আদালত কখন সমঝোতা চুক্তি বাস্তবায়নের আদেশ দেবে না?
  1. যদি চুক্তি বৈধ না হয়
  2. যদি অভিযুক্ত চুক্তি অস্বীকার করে
  3. যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
  4. যদি উভয় পক্ষ রাজি থাকে
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তৃতীয় পক্ষের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩৪৫:
(৮) এই ধারায় যা কিছু অন্তর্ভুক্ত থাকুক না কেন, যেখানে উভয় পক্ষ কোনো আপসযোগ্য মামলা আপস করতে সম্মত হয়, সেখানে আদালত পক্ষগুলির মধ্যে আপসের প্রক্রিয়া সহজতর করতে পারেন অথবা Legal Aid Act, 2000 (২০০০ সালের আইন নং ২০)-এর অধীনে নিযুক্ত সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসারের কাছে, বা পক্ষগণ কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবীদের কাছে, অথবা যেখানে কোনো আইনজীবী নিযুক্ত হননি সেখানে পক্ষ বা পক্ষদের নিজেদের কাছে আপসের জন্য বিষয়টি পাঠাতে পারেন; এবং যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে, এই ধরনের আপসের সমর্থনে পক্ষগণ একটি আইনানুগ চুক্তি সম্পাদন করেছেন, তবে আদালত সেই চুক্তিটি নথিতে সংরক্ষণ করতে পারেন এবং এর শর্তাবলী বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন, তবে শর্ত থাকে যে, এই ধরনের বাস্তবায়ন কোনো তৃতীয় পক্ষের অধিকার বা স্বার্থের প্রতি ক্ষতিকর হবে না। 

ব্যাখ্যা: এই উপ-ধারার উদ্দেশ্যে, "পক্ষ" (party) শব্দটি বলতে বোঝাবে যে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ কর্তৃক অপরাধটি আইনানুগভাবে আপসযোগ্য হতে পারে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও।"

৩৮.
প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. Final Report
  2. Complaint
  3. Charge Sheet
  4. Investigation Report
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge Sheet
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
ক) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

খ) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।

৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. ৪৮৯ ধারা
  2. ৪৯০ ধারা
  3. ৪৯১ ধারা
  4. ৪৯৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়

৪০.
ধারা ৪২৮ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে-
  1. পুলিশ অফিসার
  2. বিচারিক আদালত
  3. আপিল আদালত
  4. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামি বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

৪১.
ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী আদালতের ভাষা নির্ধারণ করে কে?
  1. সরকার
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. বিচারিক আদালত
  4. এখতিয়ারাধীন দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 558- Power to decide language of Courts:
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.

৪২.
ফৌজদারি মামলার রিভিশনের কার্যক্রম কত দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. নির্ধারিত সময় উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

৪৩.
ধারা ৫৪০ক(৩) অনুযায়ী, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির তারিখ পর্যন্ত অভিযুক্তের উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে যদি-
  1. তিনি অসুস্থ হন
  2. তিনি পলাতক থাকেন
  3. তিনি আদালতে হাজির হন
  4. তিনি জামিনে থাকেন
সঠিক উত্তর:
তিনি জামিনে থাকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি জামিনে থাকেন
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৪০ক: "নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান":
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি [একজন আইনজীবী] দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।

(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি [একজন আইনজীবী] দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।

(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।

৪৪.
আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে ধারা ৪৯৯(৩) অনুযায়ী মুচলেকা দেয়া যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র কাগজে
  2. মৌখিকভাবে
  3. ফোনে জানিয়ে
  4.  অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
সঠিক উত্তর:
 অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত এবং জামিনদারদের মুচলেকা:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার বা তার নিজের মুচলেকায় মুক্তি দেওয়ার আগে, ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত যে পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট মনে করেন, সেই পরিমাণ অর্থের জন্য ওই ব্যক্তি কর্তৃক একটি মুচলেকা সম্পাদিত হবে, এবং যখন তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট জামিনদার কর্তৃক এই শর্তে মুচলেকা সম্পাদিত হবে যে, ওই ব্যক্তি মুলেকায় উল্লিখিত সময় এবং স্থানে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্ষেত্রমত পুলিশ অফিসার বা আদালত কর্তৃক অন্য কোনো নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে থাকবেন।

(২) যদি মামলার প্রয়োজন হয়, তবে মুচলেকাটি জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত বা অন্য কোনো আদালতে অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য যখনই ডাকা হবে তখনই হাজির হওয়ার জন্যও বাধ্য করবে।

(৩) এই ধারায় উল্লিখিত মুচলেকাটি অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজে, বা তার উকিলের মাধ্যমে, অথবা আদালত কর্তৃক অনুমোদিত হলে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনো উপযুক্ত মাধ্যমে জামিনদারদের পরিচয় এবং যোগ্যতা যাচাই সাপেক্ষে, আদালতে জমা দিতে পারেন।