পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২: পার্ট-১) বিষয়: বাংলা ব্যাকরণ টপিক: ১. শব্দপ্রকরণ (সমাস; উপসর্গ ও অনুসর্গ) ২. পদ-প্রকরণ (পদ ও এর শ্রেণিবিভাগ) ৩. বাক্য প্রকরণ (বাক্য ও বাক্যের প্রকারভেদ; বাক্য ও উক্তির পরিবর্তন; কারক ও বিভক্তি; বাচ্য ও বাচ্যের পরিবর্তন।) পার্ট-২) বিষয়: ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক: ১) বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব। ২) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা। পার্ট-৩) বিষয়: মানসিক দক্ষতা টপিক: ১. স্থানাঙ্ক সমস্যা (Space Relation): ২. সংখ্যাগত দক্ষতা (Numerical Ability)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
'দুধে-ভাতে' - কোন সমাস?
  1. একশেষ দ্বন্দ্ব 
  2. বহুপদী দ্বন্দ্ব 
  3. অলুক দ্বন্দ
  4. মিলনার্থক দ্বন্দ্ব 
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ
ব্যাখ্যা

অলুক দ্বন্দ:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনাে সমস্যমান পদের বিভক্তি লােপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন:
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে,
- জলে ও স্থলে = জলে-স্থলে,
- দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে,
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
উপসর্গ সাধিত শব্দ নয় কোনটি?
  1. উনবর্ষা
  2. ভরপেট
  3. তেপায়া
  4. অকাজ
সঠিক উত্তর:
তেপায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেপায়া
ব্যাখ্যা

• তেপায়া- উপসর্গ সাধিত শব্দ নয়; কারণ এখানে 'তে' কোনো ধরনের উপসর্গ নয়।

অন্যদিকে,
উনবর্ষা - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'উন' রয়েছে।
ভরপেট - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'ভর' রয়েছে।
অকাজ - খাঁটি বাংলা উপসর্গ 'অ' রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
নিচের কোনটি অনুসর্গ নয়?
  1. উপরে
  2. ব্যতীত
  3. অতএব
  4. অবধি
সঠিক উত্তর:
অতএব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতএব
ব্যাখ্যা
• উপরে, ব্যতীত, অবধি → এগুলো অনুসর্গ।
অতএব → এটি অব্যয় শব্দ, কিন্তু অনুসর্গ নয়। (যেমন: "সে পরিশ্রম করেছে, অতএব সফল হয়েছে")।

------------------
অনুসর্গ: 

- যেসব শব্দ কোনাে শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন - 
• সে কাজ ছাড়া কিছুই বােঝে না।
এই বাক্যে 'ছাড়া' একটি অনুসর্গ।

• কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ:
- অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, চেয়ে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতাে, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি। 

অনুসর্গকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
- সাধারণ অনুসর্গ ও 
- ক্রিয়াজাত অনুসর্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
.
নিত্য সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. অনুতাপ
  2. দর্শনমাত্র
  3. ক্ষুৎপিপাসা
  4. অনুক্ষণ
সঠিক উত্তর:
দর্শনমাত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দর্শনমাত্র
ব্যাখ্যা

• 'দর্শনমাত্র'- 'নিত্য সমাস'। 

নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদ গুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না তাকে নিত্য সমাস বলে।
যেমন-
- কেবল দর্শন = দর্শনমাত্র,
- অন্য গৃহ = গৃহান্তর,
- কাল তুল্য সাপ = কালসাপ,
- দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই
- অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অনুতাপ- প্রাদি সমাস।
'ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা'; দ্বন্দ্ব সমাস।
'ক্ষণ ক্ষণ' = অনুক্ষণ; অব্যয়ীভাব সমাস।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'বহর' - কোন ধরনের বিশেষ্য পদ?
  1. গুণ বিশেষ্য
  2. জাতিবাচক
  3. সমষ্টিবাচক
  4. ভাববাচক
সঠিক উত্তর:
সমষ্টিবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমষ্টিবাচক
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য:
কোন কিছুর নামকে বিশেষ্যপদ বলে। 

বিশেষ্য সাধারণত ছয় প্রকার:
১. নাম-বিশেষ্য, ২. জাতি-বিশেষ্য, ৩. বস্তু-বিশেষ্য, ৪. সমষ্টি-বিশেষ্য, ৫. গুণ-বিশেষ্য এবং ৬. ক্রিয়া-বিশেষ্য ।
----------------------
সমষ্টি-বিশেষ্য:
- এ ধরনের বিশেষ্য দিয়ে ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টিকে বোঝায়।
যেমন – 
জনতা, পরিবার, ঝাঁক, বহর, বাহিনী, মিছিল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটিতে ক্রিয়াজাত অনুসর্গের প্রয়োগ রয়েছে?
  1. মাথার উপরে নীল আকাশ।
  2. কার কাছে গেলে জানা যাবে?
  3. হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
  4. ভালো করে খেয়ে নাও।
সঠিক উত্তর:
ভালো করে খেয়ে নাও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভালো করে খেয়ে নাও।
ব্যাখ্যা
• সাধারণ অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়া ছাড়া অন্য শব্দ থেকে তৈরি হয়, সেগুলোকে সাধারণ অনুসর্গ বলে।
যেমন:
উপরে: মাথার উপরে নীল আকাশ।
কাছে: কার কাছে গেলে জানা যাবে?
জন্যে: হারানো ঘড়িটার জন্য অনেক কেঁদেছি।
দ্বারা: এমন কাজ তোমার দ্বারা হবে না।
বনাম: আজ বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলা।

• ক্রিয়াজাত অনুসর্গ:
যেসব অনুসর্গ ক্রিয়াপদ থেকে তৈরি হয়েছে, সেগুলোকে ক্রিয়াজাত অনুসর্গ বলে।
যেমন-
করে: ভালো করে খেয়ে নাও।
থেকে: ঢাকা থেকে বরিশাল যেতে পদ্মা নদী পার হতে হয়।
দিয়ে: মন দিয়ে লেখাপড়া করা দরকার।
ধরে: বহুদিন ধরে অপেক্ষা করে আছি।
বলে: সে সঙ্গে যাবে বলে তৈরি হয়ে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
.
তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ-
  1. কদ
  2. দুর
  3. ইতি
  4. আন
সঠিক উত্তর:
দুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- খাটি বাংলা উপসর্গ,
- সংস্কৃত বা তৎসম,
- বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে।
- সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
- যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়।
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
- যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

- তবে বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. হাতঘরি
  2. আলুসিদ্ধ
  3. মাথায়পাগড়ি
  4. চতুর্ভুজ
সঠিক উত্তর:
মাথায়পাগড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথায়পাগড়ি
ব্যাখ্যা

• 'মাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি' - অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। 
--------------------
অলুক বহুব্রীহি:
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয়না তাই অলুক বহুব্রীহি সমাস।
যেমন:
গায়ে এসে পড়ে যে - গায়ে পড়া।
মাথায় পাগড়ি যার - মাথায়পাগড়ি।

অন্যদিকে,
হাতে পরা হয় যে ঘড়ি = হাতঘরি; মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
সিদ্ধ যে আলু = আলুসিদ্ধ; কর্মধারয় সমাস।
​সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস: চার ভুজ যে ক্ষেত্রের = চতুর্ভুজ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"আমাকে একটি কলম দাও।" — এটি কোন ধরনের বাক্য?
  1. প্রশ্নবাচক
  2. অনুজ্ঞাবাচক
  3. আবেগবাচক
  4. বিস্ময়বাচক
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুজ্ঞাবাচক
ব্যাখ্যা
• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
আদেশ, নিষেধ, অনুরােধ, প্রার্থনা ইত্যাদি বােঝাতে অনুজ্ঞাবাচক বাক্য হয়।
যেমন-
• আমাকে একটি কলম দাও।
• তার মঙ্গল হােক।
• আমাকে একটু জল দাও।
• বিপদে ধৈর্য ধর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১০.
কোনটি বিভক্তিহীন অনুসর্গ?
  1. কারণে
  2. পরে
  3. সম্মুখে
  4. নাগাদ
সঠিক উত্তর:
নাগাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগাদ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) নাগাদ।

----------------------
বিভক্তির ভিত্তিতে বাংলা ব্যাকরণের অনুসর্গ গুলোকে বিভক্তিহীন ও বিভক্তিযুক্ত এ দুই অবস্থায় দেখা যায়।
যথা:

• বিভক্তিহীন অনুসর্গ:
কিছু অনুসর্গ গঠনের দিক থেকে বিভক্তিহীন।
যেমন: অপেক্ষা, অবধি, কর্তৃক, ছাড়া, দ্বারা, নাগাদ, পর্যন্ত, প্রতি, বিনা, ব্যতীত, মতো। ফারসি অনুসর্গ বিভক্তিহীন : দরুন, বনাম, বরাবর, বাবদ।

• বিভক্তিযুক্ত অনুসর্গ:
এ জাতীয় অনুসর্গের অধিকাংশই নাম অনুসর্গ '-এ' বিভক্তিযুক্ত।
যেমন: আগে, পরে, কাছে, কারণে, দিকে, নিচে, পাশে, পেছনে, বাইরে, ভেতরে, মধ্যে, মাঝে, সঙ্গে, সাথে, সামনে, সম্মুখে

- ক্রিয়া অনুসর্গগুলো '-ইয়া জাত-এ' বিভক্তিযুক্ত।
যেমন-করে, চেয়ে, থেকে, দিয়ে, লেগে, হতে। কোনে কোনো ফারসি অনুসর্গ 'এ' বিভক্তি যোগে গঠিত। যেমন-বদলে, বাদে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১১.
'অপ্রতিবিধান' শব্দটিতে কয়টি উপসর্গ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• 'অপ্রতিবিধান' শব্দটিতে - তিনটি উপসর্গ রয়েছে।

• 'অপ্রতিবিধান' শব্দের উপসর্গ বিশ্লেষণ:
অপ্রতিবিধান = অ + প্রতি + বি।

এখানে,
অ, প্রতি, বি- তিনটি উপসর্গ।

উৎস:
১। ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 
২। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
১২.
"কুসুমকোমল" শব্দটি কোন ধরনের সমাসের উদাহরণ? 
  1. উপমিত কর্মধারয়
  2. উপমান কর্মধারয়
  3. মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
উপমান কর্মধারয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপমান কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

• উপমান কর্মধারয় সমাস:
যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলোকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন:
- কাজলের মতো কালো = কাজলকালো,
- শশের মতো ব্যস্ত = শশব্যস্ত,
- কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।

১৩.
যে বাচ্যের কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে কোন বাচ্য বলে?
  1. কর্তৃবাচ্য
  2. ভাববাচ্য
  3. কর্মবাচ্য
  4. কর্ম-কর্তৃবাচ্য
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাববাচ্য
ব্যাখ্যা
ভাববাচ্য:
- যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
- ভাববাচ্যের ক্রিয়া সর্বদাই নাম পুরুষের হয়।
- ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয়া বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন-
- আমার (কর্তায় ষষ্ঠী) খাওয়া হলো না।
- আমাকে (কর্তায় দ্বিতীয়া) এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা (কর্তায় তৃতীয়) এ কাজ হবে না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৪.
"আমি এখানে টানা পাঁচটি বছর কাজ করেছি।" - এখানে 'পাঁচটি' কোন পদ?
  1. গুণবাচক বিশেষণ
  2. অবস্থাবাচক বিশেষণ
  3. সংখ্যাবাচক বিশেষণ
  4. অংশবাচক বিশেষণ
সঠিক উত্তর:
সংখ্যাবাচক বিশেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যাবাচক বিশেষণ
ব্যাখ্যা
• "আমি এখানে টানা পাঁচটি বছর কাজ করেছি।" - এখানে 'পাঁচটি' সংখ্যাবাচক বিশেষণ পদ।

• নাম  বিশেষণ:
- যে বিশেষণ পদ কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদকে বিশেষিত করে, তাকে নাম বিশেষণ বলে।

• নাম বিশেষণের প্রকারভেদ:
ক. রূপবাচক: নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, কালো মেঘ।
খ. গুণবাচক: চৌকস লোক, দক্ষ কারিগর, ঠাণ্ডা হাওয়া।
গ. অবস্থাবাচক: তাজা মাছ, রোগা ছেলে, খোঁড়া পা।
ঘ. সংখ্যাবাচক: হাজার লোক, দশ দশা, শ টাকা।
ঙ. ক্রমবাচক: দশম শ্রেণি, সত্তর পৃষ্ঠা, প্রথমা কন্যা।
চ. পরিমাণবাচক: বিঘাটেক জমি, পাঁচ শতাংশ ভূমি, হাজার টনী জাহাজ, এক কেজি চাল, দু কিলোমিটার রাস্তা।
ছ. অংশবাচক: অর্ধেক সম্পত্তি, ষোল আনা দখল, সিকি পথ।
জ. উপাদানবাচক: বেলে মাটি, মেটে কলসি, পাথুরে মূর্তি।
ঝ. প্রশ্নবাচক: কতদূর পথ? কেমন অবস্থা?
ঞ. নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক: এই লোক, সেই ছেলে, ছাব্বিশে মার্চ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৫.
"মেঘে মেঘে ঢেকে গেছে আকাশ।" - এ বাক্যে "মেঘে মেঘে" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. অধিকরণে ৭মী
  2. কর্মে শূন্য
  3. করণে ৭মী
  4. অধিকরণে শূন্য
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করণে ৭মী
ব্যাখ্যা
• "মেঘে মেঘে ঢেকে গেছে আকাশ।" - এ বাক্যে "মেঘে মেঘে" করণ কারকে ৭মী বিভক্তির উদাহরণ।  

• করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে।
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে। 
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে 'কীসের দ্বারা' বা 'কী উপায়ে' প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক। 

• একবচনে ব্যবহৃত ৭মী বিভক্তি: এ, য়, তে, এতে ইত্যাদি। 

• বাক্যটি - মেঘে মেঘে ঢেকে গেছে আকাশ।
- এখানে "কিসের দ্বারা ঢেকে গেছে?" প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'মেঘে মেঘে'।
- এবং ৭মী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। 
- সে অনুসারে এখানে 'মেঘে মেঘে' হচ্ছে করণে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষাশিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
১৬.
'বেআইন' শব্দে ব্যবহৃত 'বে' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. হৃত
  2. বহির্ভূত
  3. ভিন্ন
  4. বিশেষ
সঠিক উত্তর:
বহির্ভূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহির্ভূত
ব্যাখ্যা
• বে + আইন = বেআইন (এখানে 'বে' উপসর্গটি 'বহির্ভূত' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে)। 

• আরো কিছু উপসর্গের ব্যবহার: 
- বে + দখল = বেদখল (এখানে 'বে' উপসর্গটি 'হৃত' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে)।
- বি + ভুঁই = বিভুঁই ('বি' উপসর্গটি 'ভিন্ন' অর্থে ব্যবহৃত)।
- বি + জ্ঞান = বিজ্ঞান ('বি' উপসর্গটি 'বিশেষ' অর্থে ব্যবহৃত)।
- বি + বর্ণ = বিবর্ণ ('বি' উপসর্গটি 'অভাব' অর্থে ব্যবহৃত)।
- বি + চরণ = বিচরণ ('বি' উপসর্গটি 'গতি' অর্থে ব্যবহৃত)।
- বি + কার = বিকার ('বি' উপসর্গটি 'অপ্রকৃতস্থ' অর্থে ব্যবহৃত)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
১৭.
'মধুমাখা' - কোন সমাস?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস 
  4. বহুব্রীহি সমাস 
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা
তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
- পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তির (দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপে যে সমাস হয়, তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
- যথা:
- মন দিয়ে গড়া = মনগড়া,
- শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ,
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা ৷

- ঊন, হীন, শূন্য প্রভৃতি শব্দ উত্তরপদ হলেও তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।
- যথা:
- এক দ্বারা ঊন = একোন,
- বিদ্যা দ্বারা হীন = বিদ্যাহীন, 
- জ্ঞান দ্বারা শূন্য = জ্ঞানশূন্য,
- পাঁচ দ্বারা কম = পাঁচ কম।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
১৮.
"শরতের পরে আসে বসন্ত" – এখানে ‘পরে’ অনুসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. স্বল্প বিরতি
  2. ব্যাপ্তি
  3. কারণে
  4. দীর্ঘ বিরতি
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ বিরতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ বিরতি
ব্যাখ্যা
• "শরতের পরে আসে বসন্ত"- বাক্যে 'পরে' অনুসর্গটি ‘দীর্ঘ বিরতি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। 

অন্যদিকে,
- স্বল্প বিরতি অর্থে 'পরে' অনুসর্গটির প্রয়োগ - এই ঘটনার পরে আর এখানে থাকা চলে না। 

--------------------------
অনুসর্গ:
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে, তাকে অনুসর্গ বলে।

অনুসর্গের আরও উদাহরণ :
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্য, পর্যন্ত ইত্যাদি।

আরো কিছু অনুসর্গের ব্যবহার:
• ‘সীমার মাঝে অসীম তুমি।' - 'মধ্যে' অর্থে অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে। 
• 'এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল।' - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'একদেশিক' অর্থে' ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'আছ তুমি প্রভু, জগৎ মাঝারে।' - 'মাঝারে' অনুসর্গটি 'ব্যাপ্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'সীমার মাঝে অসীম তুমি।' - এখানে 'মাঝে' অনুসর্গটি 'মধ্যে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
• 'নিমেষ মাঝেই সব শেষ।' - 'মাঝে' অনুসর্গটি 'ক্ষণকাল' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
ঘূর্ণিঝড়ের আগে বায়ু কেমন থাকে?
  1. উষ্ণ ও আর্দ্র
  2. শীতল ও আর্দ্র
  3. শুষ্ক ও ঝড়ো
  4. শীতল ও ঝড়ো
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone। এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে, যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে বড় প্রভাব ঘটে আবহাওয়াতে।
- ঘূর্ণিঝড় শুরু হওয়ার আগে বায়ু শান্ত, উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে।
- ঘূর্ণিঝড়ের মূল অংশ যখন আসে তখন প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও ঘন মেঘসহ মুষলধারে বৃষ্টি হয়।
- আর কেন্দ্রের ভিতরে অবস্থানকারী চোখ শান্ত আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চাৎভাগে পৌঁছানোর পর আবারও ঘন মেঘ, বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হয়।
- এ সময় বায়ু অগ্রবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের বিপরীত দিক থেকে প্রবাহিত হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য:
- সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
- মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
- উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত।
- এর কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. হালদা নদী 
  2. টাঙ্গুয়ার হাওড় 
  3. হাকালুকি হাওড়
  4. পদ্মা নদী 
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী 
ব্যাখ্যা

হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী।
- এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

⇒ হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

২১.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে ‘খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল’ বলা হয়?
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. দক্ষিণাঞ্চল
  4. পশ্চিমাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

২২.
লবণাক্ততার প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে কোন ধরণের প্রতিকূলতা দেখা যাচ্ছে?
  1. জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে যাচ্ছে
  2. সুপেয় পানির অভাব দেখা দিচ্ছে
  3. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

লবণাক্ততা (Salinity):
- লবণাক্ততা বলতে মাটি ও পানিতে লবণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে যে অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকে বুঝায়।
- সাধারণত লবণাক্ততার মাত্রা পরিমাপ করা হয় Parts Per Thousand বা পিপিটি (PPT) দ্বারা।
- সমুদ্রের পানিতে লবণাক্ততার গড় মাত্রা ৩৫পিপিটি অর্থাৎ ১ কিলোগ্রাম পানিতে প্রায় ৩৫ গ্রাম লবণ থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাটি ও পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- বঙ্গোপসাগরের পানি জোয়ারের সময় নদীর মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমিতে প্রবেশ করে লবণাক্ততা সৃষ্টি করে।
- সাধারণত আগস্ট মাস থেকে লবণাক্ততা শুরু হয় এবং ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে।
- উপকূলীয় ১৬টি জেলার ৬৪টি উপজেলায় লবণাক্ততা দেখা যায়।
- এর মধ্যে সর্বাধিক লবণাক্ততায় আক্রান্ত খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা জেলা।
- এছাড়া বরিশাল, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, ফেনী প্রভৃতি জেলা লবণাক্ততায় আক্রান্ত।

লবণাক্ততার কারণ:
- সাধারণত উপকূলীয় অঞ্চলের ভূমি ও পানিতে লবণাক্ততার জন্য জোয়ার-ভাটা ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিকে দায়ী করা হয়।
- আর সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডকেই দায়ী করা হয়।

⇒ লবণাক্ততার প্রভাব -
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমি কৃষিকাজের অনুপযোগী হয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়া;
২. সুপেয় পানির অভাব দেখা দেওয়া;
৩. উদ্বাস্তু লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি;
৪. সম্পদহানি ও দারিদ্রতা বৃদ্ধি;
৫. বিভিন্ন রোগব্যাধির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া;
৬. ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি;
৭. মিঠা পানির মাছের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস;
৮. গাছপালায় মড়ক লাগা ও ফসলের গোড়া পচে যাওয়া;
৯. সামাজিক বন্ধনে শিথিল হওয়া প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
কোনটি মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য?
  1. গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও বজ্রপাত
  2. অল্প বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো বায়ুপ্রবাহ
  3. বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
  4. সমুদ্র উপকূলে ঝড়ের আঘাত
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বজ্রপাত ও অতি বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst):
- ক্লাউডবার্স্ট হল অল্প সময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট স্বল্প জায়গায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত সহ অতি বৃষ্টিপাত।
- এর ফলে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধ্বস হতে পারে।
- সাধারণত যখন ১০ বর্গকিলোমিটার (৩.৮৬ বর্গ মাইল) অঞ্চলে এক ঘন্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটার (৩.৯৪ ইঞ্চি) এর বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তাকে ক্লাউড বিস্ফোরণ বা ক্লাউডবার্স্ট বলে থাকে।
- এটি হিমালয়ান অঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকায় বেশি ঘটে থাকে।
- সাধারণত ক্লাউডবার্স্ট বর্ষা ঋতুতে হয়ে থাকে।
- তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য:
- মেঘ বিস্ফোরণ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং খুব কম সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- এটি সাধারণত খুব ছোট এলাকা জুড়ে ঘটে।
- মেঘ বিস্ফোরণের পরিধি কয়েক বর্গ কিলোমিটারের বেশি হয় না।
- মেঘ বিস্ফোরণের ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়।
- কখনও কখনও এটি এতটাই প্রবল হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নদী এবং জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, যা বন্যার সৃষ্টি করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।
২৪.
পাট চাষের জন্যে উপযোগী তাপমাত্রা -
  1. ১৫০ - ৩০° সেলসিয়াস
  2. ১৫০ - ৩৩° সেলসিয়াস
  3. ১৬০ - ২৮° সেলসিয়াস
  4. ১৮০ - ৩৩° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
১৮০ - ৩৩° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ - ৩৩° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।
- পাট চাষের জন্যে উপযোগী তাপমাত্রা ১৮০ - ৩৩° সেলসিয়াস

⇒ পাট আঁশপ্রধানত দুটি প্রজাতি, সাদাপাট (Corchorus capsularis) ও তোষাপাট (Corchorus olitorius) থেকে উৎপন্ন হয়।
- ৫.০-৮.৬ পর্যন্ত অম্লমানের (pH) মাটিতে পাট ফলানো যায়।
- ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, যশোর, ঢাকা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জামালপুর অঞ্চলে পাট চাষের পরিমান বেশি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার স্থায়িত্বকাল কত?
  1. ৫-৬ ঘণ্টা 
  2. ২৪-৪৮ ঘণ্টা 
  3. ৫-৬ দিন
  4. ১০-১২ দিন 
সঠিক উত্তর:
৫-৬ ঘণ্টা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫-৬ ঘণ্টা 
ব্যাখ্যা

আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
- পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার স্থায়িত্বকাল ৫-৬ ঘন্টা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।

⇒ ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
২৭.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সারা বছর তুষারপাত হয়
  2. সারা বছর গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য ও ভারী বৃষ্টিপাত হয়
  3. গ্রীষ্মে শুষ্ক ও শীতে বৃষ্টিপাত হয়
  4. তাপমাত্রার তারতম্য অনেক বেশি হয়
সঠিক উত্তর:
সারা বছর গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য ও ভারী বৃষ্টিপাত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারা বছর গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য ও ভারী বৃষ্টিপাত হয়
ব্যাখ্যা

নিরক্ষীয় জলবায়ু:
-  নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান করে।

⇒ অবস্থান ও দেশসমূহ:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত। সূর্যের উত্তরায়ন ও দক্ষিণায়নের ফলে এ অঞ্চলে দুইবার মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রা দেখা যায়। কোনো কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার উত্তর ও দক্ষিণে ১০° অক্ষাংশের সীমা পর্যন্ত নিরক্ষরেখা বিস্তৃত। বিষুবরেখার পার্শ্ববর্তী ৯৬৫ কি. মি. এলাকাজুড়ে এই জলবায়ুর প্রভাব বিস্তৃত।
- আফ্রিকার কঙ্গো নদী অববাহিকা ও গিনি উপকূলীয় এলাকা, মধ্য আমেরিকার পূর্ব উপকূলের পানামা, হন্ডুরাস, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল এই জলবায়ু অঞ্চলের অর্ন্তগত। এছাড়াও নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থিত দেশগুলো যেমন: মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ফিলিপাইন, আমাজান নদীর অববাহিকা, পেরু, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চল জুড়েও এই জলবায়ু প্রভাব বিস্তার করে।

⇒ নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
- নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়। অত্যধিক সূর্য তাপ ও আর্দ্রতা এবং সামান্য মেঘাচ্ছন্নতার জন্য তাপমাত্রার পার্থক্য কম। এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে। শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।
১. সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে।
২. অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। দৈনিক প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, বিশেষ করে পরিচলন বৃষ্টি। 
৩. অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
৪. অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। 
৫. এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
'বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত এবং আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন পর্যায়ের অংশ?
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. পুনরুদ্ধার
  3. উন্নয়ন
  4. প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান।
- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।

⇒ পূর্বপ্রস্তুতি:
- পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র, টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহন, যেমন- বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত স্কুল ও ঘরবাড়ি নির্মাণ, নদী খনন ইত্যাদি বুঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যথেষ্ট ব্যয়বহুল, যা বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বৈদেশিক সাহায্য ব্যতীত তৈরি করা কষ্টসাধ্য। অপরদিকে, অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

⇒ প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

⇒ সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন। সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

⇒ পুনরুদ্ধার:
- :দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুন:নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

⇒ উন্নয়ন:
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
নিম্নের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ নয়?
  1. নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা
  2. শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা
  3. পারমানবিক দুর্ঘটনা
  4. নদী ভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ভাঙ্গন
ব্যাখ্যা

আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।

৩০.
নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
  1. ১৫
  2. ২১
  3. ২৭
  4. ২৯
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?

সমাধান:
২৯ সংখ্যাটি মৌলিক।

আমরা জানি,
মৌলিক সংখ্যা সমূহ ঐ সংখ্যা এবং ১ ব্যতীত অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়।

প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে ২৯ সংখ্যাটি ২৯ এবং ১ ব্যতীত অন্যকোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়। 
অর্থাৎ ২৯ সংখ্যাটি মৌলিক। 
৩১.
খ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং গ এর পশ্চিম দিকে। ঘ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং খ এর পশ্চিম দিকে।  গ এর সাপেক্ষে ঘ এর অবস্থান কোনদিকে?
  1. পূর্ব 
  2. পশ্চিম 
  3. দক্ষিণ 
  4. উত্তর 
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: খ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং গ এর পশ্চিম দিকে। ঘ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং খ এর পশ্চিম দিকে।  গ এর সাপেক্ষে ঘ এর অবস্থান কোনদিকে?

সমাধান:
গ এর সাপেক্ষে ঘ এর অবস্থান পশ্চিম দিকে। 


যেহেতু খ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং গ এর পশ্চিম দিকে,
অর্থাৎ খ এর অবস্থান ক ও গ এর মাঝখানে।

আবার,
ঘ এর অবস্থান ক এর পূর্বদিকে এবং খ এর পশ্চিম দিকে,
অর্থাৎ ঘ এর অবস্থান ক ও খ এর মাঝখানে।

গ এর সাপেক্ষে ক, খ ও ঘ এর অবস্থান পশ্চিম দিকে।

৩২.
1, 4, 9, 16, 25, ? অনুক্রমটির প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?
  1. 32
  2. 36
  3. 39
  4. 42
সঠিক উত্তর:
36
উত্তর
সঠিক উত্তর:
36
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1, 4, 9, 16, 25, ? অনুক্রমটির প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

সমাধান:
প্রদত্ত অনুক্রমটিতে ,
12 = 1
22 = 4
32 = 9
42 = 16
52 = 25

অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা হবে 
62 = 36

৩৩.
ভোরবেলায় এক ব্যক্তি হাঁটতে বের হওয়ার সময় সূর্যের অবস্থান ছিলো তার সামনের দিকে।  কিছুক্ষন পর তিনি বামে ঘুরলেন এবং কয়েক মিনিট  পর তিনি ডান দিকে ঘুরলেন। ঐ ব্যক্তি এখন কোনদিকে মুখ করে আছেন?
  1. পূর্ব
  2. পশ্চিম
  3. উত্তর
  4. দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ভোরবেলায় এক ব্যক্তি হাঁটতে বের হওয়ার সময় সূর্যের অবস্থান ছিলো তার সামনের দিকে।  কিছুক্ষন পর তিনি বামে ঘুরলেন এবং কয়েক মিনিট পর আবার তিনি ডান দিকে ঘুরলেন। ঐ ব্যক্তি এখন কোনদিকে মুখ করে আছেন?

সমাধান:
ঐ ব্যক্তি এখন পূর্বদিকে মুখ করে আছেন। 

ভোরবেলা সূর্যকে সামনে রেখে হাঁটলে ঐ ব্যক্তির দিক হবে পূর্বদিকে। 
কিছুক্ষণ পর তিনি বামদিকে ঘুরলে তার দিক হবে উত্তরদিকে।
এরপর আবার ডানদিকে ঘুরলে  তার দিক হবে পূর্বদিক। 

৩৪.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 17
  2. 21
  3. 26
  4. 29
সঠিক উত্তর:
26
উত্তর
সঠিক উত্তর:
26
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যা = 26

প্রথম চিত্রে, 
(5 × 9) + (3 × 6)
= 45 + 18 = 63

দ্বিতীয় চিত্রে,
(4 × 3) + (7 × 2)
= 12 + 14 = 26

৩৫.
দ্বিতীয় চিত্রের প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 13
  2. 19
  3. 24
  4. 32
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দ্বিতীয় চিত্রের প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যাটি = 24

প্রথম চিত্রে,
(56 + 12) - (23 + 13)
= 68 - 36 = 32

দ্বিতীয় চিত্রে,
(48 + 38) - (51 + 11)
= 86 - 62 = 24

৩৬.
49 : 81 : : 100 : ?
  1. 12
  2. 64
  3. 144
  4. 169
সঠিক উত্তর:
144
উত্তর
সঠিক উত্তর:
144
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 49 : 81 : : 100 : ?

সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যা- 144

সম্পর্কটি হল x2 : (x + 2)2

72 : 92 : : 102 : (10 + 2)² 
⇒ 72 : 92 : : 102 : 122
⇒ 49 : 81 : : 100 : 144

৩৭.
চিত্রটি আঁকতে সর্বনিম্ন কয়টি সরল রেখা প্রয়োজন?
  1. ৬ টি 
  2. ৭ টি 
  3. ৮ টি 
  4. ৯ টি 
সঠিক উত্তর:
৯ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ টি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চিত্রটি আঁকতে সর্বনিম্ন কয়টি সরল রেখা প্রয়োজন?


সমাধান:

চিত্রটির বাহিরের অংশে সর্বনিম্ন সরলরেখা প্রয়োজন টি AB, BC, CD, DE, EA অর্থাৎ ৫ টি 
ভেতরের অংশে সর্বনিম্ন সরলরেখা প্রয়োজন AF, BE, BD, CE অর্থাৎ ৪ টি

∴ মোট সরলরেখা প্রয়োজন = (৫ + ৪) টি = ৯ টি

৩৮.
কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?
  1. ৩/৪ 
  2. ১৭/২০ 
  3. ১২/১৫ 
  4. ১১/১৪ 
সঠিক উত্তর:
৩/৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩/৪ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম?

সমাধান:
ক্ষুদ্রতম ভগ্নাংশটি হলো- ৩/৪ 

৩/৪ = ০.৭৫
১৭/২০ = ০.৮৫ 
১২/১৫ = ০.৮০
১১/১৪ = ০.৭৮ 

৩৯.
হারুন সাহেব পশ্চিম দিকে 4 কি.মি. হেঁটে অতঃপর বামদিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটলেন। তারপর তিনি পূর্বদিকে ঘুরে 2 কি.মি. হেঁটে, দক্ষিণ দিকে ঘুরে 3 কি.মি. হাঁটলেন। তারপর তিনি আরো 2 কি.মি. পূর্ব দিকে হেঁটে থামলেন। শুরুর বিন্দু থেকে হারুন সাহেব সরাসরি কত দূরে আছেন?
  1. 6 কি.মি.
  2. ৪ কি.মি.
  3. 12 কি.মি.
  4. 16 কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৪ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হারুন সাহেব পশ্চিম দিকে 4 কি.মি. হেঁটে অতঃপর বামদিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটলেন। তারপর তিনি পূর্বদিকে ঘুরে 2 কি.মি. হেঁটে, দক্ষিণ দিকে ঘুরে 3 কি.মি. হাঁটলেন। তারপর তিনি আরো 2 কি.মি. পূর্ব দিকে হেঁটে থামলেন। শুরুর বিন্দু থেকে হারুন সাহেব সরাসরি কত দূরে আছেন?

সমাধান:

AB = 4
BC = 5
CD = 2
DE = 3
EF = 2

∴ যাত্রা শুরুর স্থান A থেকে হারুন সাহেবের বর্তমান অবস্থান F এর সরাসরি দূরত্ব
 = AF = BC + DE
= 5 + 3
= 8 কি.মি.

৪০.
যদি 3 × 4 = 1520 এবং 2 × 6 = 1030 হয় তবে 5 × 7 = ?
  1. 2042
  2. 2535
  3. 3050
  4. 3045
সঠিক উত্তর:
2535
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2535
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 3 × 4 = 1520 এবং 2 × 6 = 1030 হয় তবে 5 × 7 = ?

সমাধান:
যদি 3 × 4 = 1520 এবং 2 × 6 = 1030 হয় তবে 5 × 7 = 2535

এখানে,
3 × 5 = 15 [ 5 দ্বারা গুণ করে]
4 × 5 = 20 [ 5 দ্বারা গুণ করে]
∴ 3 × 4 = 1520 [ গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে] 

2 × 5 = 10 [ 5 দ্বারা গুণ করে] 
6 × 5 = 30 [ 5 দ্বারা গুণ করে] 
∴ 2 × 6 = 1030 [ গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে] 

একইভাবে,
5 × 5 = 25 [ 5 দ্বারা গুণ করে] 
7 × 5 = 35 [ 5 দ্বারা গুণ করে] 
∴ 5 × 7 = 2535 [ গুণফলদ্বয়কে পাশাপাশি বসিয়ে] 

৪১.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 48
  2. 56
  3. 62
  4. 68
সঠিক উত্তর:
68
উত্তর
সঠিক উত্তর:
68
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যা = 68

প্রথম চিত্রে,
(4 + 6) × 8
= 10 × 8 = 80

দ্বিতীয় চিত্রে,
(7 + 8) × 3
= 15 × 3 = 45 

তৃতীয় চিত্রে,
(8 + 9) × 4
= 17 × 4 = 68 

৪২.
যদি BLACK = DNCEM হয় তবে WHITE = ?
  1. YJKVG
  2. YJKVH
  3. YJLVG
  4. YJKUG
সঠিক উত্তর:
YJKVG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
YJKVG
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি BLACK = DNCEM হয় তবে WHITE = ?

সমাধান:
যদি BLACK = DNCEM হয় তবে WHITE = YJKVG

BLACK শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে 2 ধাপ করে এগিয়ে গিয়ে,
 B + 2 → D,
L + 2 → N,
A + 2 → C,
C + 2 → E,
K + 2 → M
∴ BLACK = DNCEM

অনুরূপভাবে,
WHITE শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে 2 ধাপ করে এগিয়ে গিয়ে,
W + 2 → Y,
H + 2 → J,
I + 2 → K,
T + 2 → V,
E + 2 → G
∴ WHITE = YJKVG

৪৩.
উত্তর দিককে পেছনে রেখে চলমান একটি নৌকা ডানদিকে ১৮০° ঘুরে চলতে শুরু করলে তা কোনদিকে মুখ করে থাকবে?
  1. দক্ষিণ 
  2. উত্তর 
  3. পশ্চিম 
  4. পূর্ব 
সঠিক উত্তর:
উত্তর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: উত্তর দিককে পেছনে রেখে চলমান একটি নৌকা ডানদিকে ১৮০° ঘুরে চলতে শুরু করলে তা কোনদিকে মুখ করে থাকবে?

সমাধান:
নৌকাটি উত্তর দিকে মুখ করে থাকবে।


উত্তর দিককে পেছনে রেখে একটি নৌকা চললে সেটির দিক হবে দক্ষিণ দিক মুখী।
১৮০° ঘুরলে সেটির মুখ হবে সোজা পেছনদিকে অর্থাৎ উত্তর দিক মুখী।