পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৭৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬৯: Full Model Test - 6
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৮ প্রশ্ন

.
'কবুতর' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. নোটন
  2. লোটন
  3. কপোত
  4. পরাবত
সঠিক উত্তর:
পরাবত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাবত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

• 'কবুতর' এর সমার্থক শব্দ নয় - পরাবত। 


• 'কবুতর' এর সমার্থক শব্দ:
- কপোত,
- পায়রা,
- পারাবত,
- লোটন, 
- নোটন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'অনূঢ়া' বলতে কী বোঝায়?
  1. যে নারীর কোনো সন্তান হয় না
  2. যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে
  3. যে নারীর বিয়ে হয়নি
  4. যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত
সঠিক উত্তর:
যে নারীর বিয়ে হয়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে নারীর বিয়ে হয়নি
ব্যাখ্যা
• 'যে নারীর বিয়ে হয়নি' = অনূঢ়া।

• আরো নারী সংক্রান্ত কতিপয় এক কথায় প্রকাশ:
- যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় - স্বয়ংবরা।
- যে নারীর সন্তান বাঁচে না - মৃতবৎসা।
- যে নারীর কোনো সন্তান হয় না - বন্ধ্যা।
- যে নারীর বিয়ে হয় নি - অনূঢ়া।
- যে নারী সূর্যকে দেখে না (অন্তঃপুরে থাকে) - অসূর্যম্পশ্যা।
- যে নারী একবার সন্তান প্রসব করেছে - কাকবন্ধ্যা।
- যে নারী দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না - অঙ্গনা।
- যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে - বীরপ্রসূ।
- যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত - বীরা বা পুরন্ধ্রী।
- যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে - অধিবিন্না।
- যে নারীর হাসি সুন্দর - সুস্মিতা।
- যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত - শুচিস্মিতা

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন দুটি যৌগিক শব্দ?
  1. প্রবীণ, সন্দেশ
  2. কর্তব্য, বাবুয়ানা
  3. পঙ্কজ, মহাযাত্রা
  4. গোলাপ, গাছ
সঠিক উত্তর:
কর্তব্য, বাবুয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তব্য, বাবুয়ানা
ব্যাখ্যা
• যৌগিক শব্দ:
- যে সকঅল শব্দের ব্যুৎপত্তি গত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ+তব্য অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য- অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা মারা অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

• রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি বলে।
যেমন:
- হস্তী,
- তৈল,
- গবেষণা,
- প্রবীণ,
- সন্দেশ।  

• যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণ ভাবে সমস্যমান পদশূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে।
- মহাযাত্রা,
- পঙ্কজ,
- রাজপুত,
- জলধি
- তুরঙ্গম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত 'অনল প্রবাহ' একটি-
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্যগ্রন্থ 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ: ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা,  আমীর-অভ্যর্থনা।
- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
- পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

• ভ্রমণ কাহিনী:
-তুরস্ক ভ্রমণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি জয়দেব সম্পর্কে কোনটি সঠিক নয়?
  1. জয়দেব বাংলা ভাষার কবি।
  2. রাজা সেনের সভা কবি ছিলেন।
  3. জয়দেবের বিখ্যাত রচনা গীতগোবিন্দম।
  4. লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম ছিলেন।
সঠিক উত্তর:
জয়দেব বাংলা ভাষার কবি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেব বাংলা ভাষার কবি।
ব্যাখ্যা
• জয়দেব:
- জয়দেব বাংলা ভাষার কবি নন। তিনি সংস্কৃত ভাষার বাঙ্গালি কবি।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অজয়নদের তীরবর্তী কেন্দুবিল্ব বা কেঁদুলি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- কেউ কেউ তাঁকে মিথিলা বা উড়িষ্যার অধিবাসী বলেও মনে করেন।
- তিনি বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভা কবি ছিলেন।
- জয়দেব ছিলেন লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম;
- অপর চারজন হলেন গোবর্ধন আচার্য, শরণ, ধোয়ী ও উমাপতিধর।
- জয়দেবের বিখ্যাত রচনা গীতগোবিন্দম্।
- এটি একটি সংস্কৃত গীতিকাব্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'নবোঢ়া' এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. নবো + ঊঢ়া
  2. নবো + উঢ়া
  3. নব + ঊঢ়া
  4. নব + উঢ়া
সঠিক উত্তর:
নব + ঊঢ়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নব + ঊঢ়া
ব্যাখ্যা
• নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া স্বরসন্ধির উদাহরণ।

• সন্ধির নিয়ম:

- অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয় মিলে ও-কার হয়;ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়।
যেমন-
- অ + উ = ও; সূর্য উদয় = সূর্যোদয়]
- আ + উ = ও; যথা + উচিত = যথোচিত]
- অ + ঊ = ও; গৃহ + ঊর্ধ = গৃহোর্ধ্ব
- আ + ঊ = ও; গঙগা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি
এরূপ - নীলোৎপল, চলোর্মি, ফলোদয়, পরোপকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
.
What does the phrase "dog days" refer to?
  1. A relaxed and peaceful period
  2. A period of extremely hot weather
  3. A streak of bad luck
  4. A time when stray dogs are most active
সঠিক উত্তর:
A period of extremely hot weather
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A period of extremely hot weather
ব্যাখ্যা
• The phrase "dog days" refers to - A period of extremely hot weather.

Dog days
- English Meaning: The hottest period of the year/ a period of stagnation or inactivity.
- Bangla Meaning: বছরের সবচেয়ে গরম দিন/ খারাপ সময়/ অচলাবস্থা।

- Example Sentence: The dog days are perfect for relaxing by the beach with a cold drink.
- Bangla Meaning: গরমের তীব্র দিনে সৈকতে ঠান্ডা পানীয় নিয়ে আরাম করার জন্য সময়টা একদম উপযুক্ত।

Source: Live MCQ Lecture.
.
He used to play football every day. (Make it passive)
  1. Football used to be played every day by him.
  2. Football was used to be played every day by him.
  3. Football is used to be played every day by him.
  4. Football was being used to be played every day by him.
সঠিক উত্তর:
Football used to be played every day by him.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Football used to be played every day by him.
ব্যাখ্যা
Active voice এ Modal Auxiliary Verb থাকলে তা Passive voice করার নিয়ম:
- Modal Auxiliary verb গুলো হলো: Can, Could, May, Might, Will, Would, Shall, Should, Ought to, Used to, Must, ইত্যাদি।
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হিসেবে বসে।
- Active voice এর Modal verb টি বসে।
- be বসে।
- প্রদত্ত মুল verb এর past participle বসে।
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে।

Active Voice: He used to play football every day.
Passive voice: Football used to be played every day by him.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
She will have completed her assignment ___ 12:00 p.m.
  1. since
  2. in
  3. before
  4. for
সঠিক উত্তর:
before
উত্তর
সঠিক উত্তর:
before
ব্যাখ্যা
• ভবিষ্যৎকালের ব্যাপক সময়ের পূর্বে in বসে এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য by অথবা before বসে।

• অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে since অথবা from এবং ব্যাপক সময়ের পূর্বে for বসে।

• প্রদত্ত Sentence টি Future Tense এ আছে এবং 12:00 p.m. উল্লেখ করার কারণে সময়টি নির্দিষ্ট বুঝিয়েছে।
- তাই এখানে in ব্যবহার না হয়ে before ব্যবহার হয়েছে।


Correct answer: She will have completed her assignment before 12:00 p.m.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
১০.
What does the term "Voir Dire" mean?
  1. To lie during a trial
  2. telling the truth
  3. To give final judgment
  4. To show video evidence
সঠিক উত্তর:
telling the truth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
telling the truth
ব্যাখ্যা
• "Voir dire", this French phrase means "to tell the truth."
- English meaning: A preliminary examination to determine the competency of a witness or juror.

• এটি একটি আইনগত পরিভাষা যা সাধারণত আদালতে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রধানত দুটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়:
1. জুরি নির্বাচন: সম্ভাব্য জুরিদের প্রশ্ন করে দেখা হয় তারা পক্ষপাতদুষ্ট কিনা।
2. প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ: বিচারক সিদ্ধান্ত নেন কোনো নির্দিষ্ট সাক্ষ্য বা প্রমাণ আদালতে গ্রহণযোগ্য কিনা।

- এটি "সাক্ষীর প্রমাণ" (evidence of the witness) বোঝায় না, কারণ Voir Dire হল একটি প্রাথমিক পরীক্ষা, যেখানে বিচারক বা আইনজীবীরা সাক্ষী বা জুরিদের যাচাই করেন, কিন্তু এটি সাক্ষ্যের মূল উপস্থাপনা নয়।

Source: Merriam & Webster Dictionary.
১১.
Jonathan Swift is primarily best known for his -
  1. Romantic poetry
  2. Epic poems
  3. Tragedy
  4. Satirical writing
সঠিক উত্তর:
Satirical writing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satirical writing
ব্যাখ্যা
 • Jonathan Swift is primarily known for his "Satirical writing".

Jonathan Swift
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং Clergyman ছিলেন।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা Satirist ছিলেন।
- তার রচিত বিখ্যাত Satire হলো Gulliver’s Travels.
-  এটি 18th Century এর একটি Famous Satire.
- এটি ৪ খণ্ডের একটি রম্য রচনা।
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

His Famous Works
- Gulliver's Travels,
- The Battle of Books,
- A Tale of a Tub (Prose Satire),
- A Modest Proposal (Satiric Essay),
- Argument Against Abolishing Christianity (Essay),
- A Journey to Stella (Collection of letters from Swift to Stella),

তাঁর বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- Every man desires to live long, but no man wishes to be old.
- Book, the children of the brain.
- Poor Nations are hungry, and rich Nations are proud, and Pride and Hunger will ever be at Variance.
- We are so fond of one another because our ailments are the same.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.
১২.
Choose the correct spelling.
  1. Anticipatory
  2. Anticepatory
  3. Anticipetory
  4. Anticepetory
সঠিক উত্তর:
Anticipatory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anticipatory
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is 'Anticipatory' (Adjective).
- English meaning: Done in order to prepare for something that you think might happen.
- Bangla meaning: প্রাথমিক। 

Synonym: Watchful, Expectant, Eager, Enthusiastic.
Antonym: Indifferent, Unconcerned, Apathetic, Unmoved.

Source: English-Bangla dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.
১৩.
একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৬ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ১০ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত? 
  1. ২ লিটার
  2. ৩ লিটার
  3. ৪ লিটার
  4. ৮ লিটার
সঠিক উত্তর:
২ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি জারে দুধ ও পানির অনুপাত ৬ : ১। দুধের পরিমাণ যদি পানি অপেক্ষা ১০ লিটার বেশি হয়, তবে পানির পরিমাণ কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
দুধ : পানি = ৬ : ১ 

ধরি,
দুধের পরিমাণ = ৬x লিটার
এবং পানির পরিমাণ = x লিটার

শর্তমতে,
৬x - x = ১০
বা, ৫x = ১০
বা, x = ১০/৫
∴ x = ২

∴ পানির পরিমাণ = ২ লিটার।
১৪.
a = 4c, a/b = c/d এবং d = 6 হলে b = কত? 
  1. 20
  2. 24
  3. 28
  4. 30
সঠিক উত্তর:
24
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a = 4c, a/b = c/d এবং d = 6 হলে b = কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
a/b = c/d
বা, 4c/b = c/6   [a = 4c এবং d = 6 বসিয়ে] 
বা, bc = 24c 
বা, b = 24c/c 
∴ b = 24
১৫.
পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৯০ বছর। পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দ্বিগুণ। পিতার বয়স কত? 
  1. ৩০ বছর
  2. ৪৮ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৭৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৯০ বছর। পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দ্বিগুণ। পিতার বয়স কত? 

সমাধান: 
মনে করি, 
পিতার বর্তমান বয়স = x বছর 
∴ পুত্রের বর্তমান বয়স = (৯০ - x) বছর 

প্রশ্নমতে, 
x = ২(৯০ - x)
বা, x = ১৮০ - ২x
বা, x + ২x = ১৮০
বা, ৩x = ১৮০
বা, x = ১৮০/৩
∴ x = ৬০

∴ পিতার বর্তমান বয়স = ৬০ বছর।
১৬.
বার্ষিক শতকরা কত হার সুদে ৪২৫ টাকা ৩ বছরে সুদে-আসলে ৪৭৬ টাকা হবে? 
  1. ২%
  2. ৪%
  3. ৬%
  4. ৮%
সঠিক উত্তর:
৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক শতকরা কত হার সুদে ৪২৫ টাকা ৩ বছরে সুদে-আসলে ৪৭৬ টাকা হবে? 

সমাধান: 
এখানে, 
সুদ, I = ৪৭৬ - ৪২৫ = ৫১ টাকা 
আসল, P = ৪২৫ টাকা 
সময়, n = ৩ বছর 
সুদের হার, r =? 

আমরা জানি, 
I = Pnr 
বা, ৫১ = ৪২৫ × ৩ × (r/১০০) 
বা, r = (৫১ × ১০০)/(৪২৫ × ৩) 
বা, r = ৪ 

∴ সুদের হার = ৪%।
১৭.
ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থান ছিল কোন জনপদের?
  1. গৌড়
  2. রাঢ়
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
• রাঢ় জনপদ :
- রাঢ় জনপদ ভাগীরথী নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত ছিল।

- এ উত্তর রাঢ় ও দক্ষিণ রাঢ় নামে দুভাগে বিভক্ত ছিল রাঢ়দেশ।
- এর রাজধানী ছিল কোটীবর্ষ।
- রাঢ়ের এক বড় অংশ সুম্ম নামেও পরিচিত ছিল।
- রাঢ়ের দক্ষিণে বর্তমান মেদিনীপুর জেলায় 'তাম্রলিপ্তি' ও 'দণ্ডভুক্তি' নামে দুটি ছোট বিভাগ ছিল। 

• গৌড় :
- গৌড় রাজ্য ছিল একটি স্বাধীন রাজ্যের ।
- যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। 

• বঙ্গ :
-  বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

• সমতট :
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ সমতটের অবস্থান।
- চীন দেশের পর্যটক হিউয়েন সাং সপ্তম শতকের মাঝামাঝিতে সমতট ভ্রমণ করে একটি বিবরণী লেখেন। 
- সমতটের অন্তর্গত ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালি অঞ্চল। 

উৎস : ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্নজীবনী মূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  2. ছেলেবেলা
  3. বাল্যস্মৃতি
  4. আমার বাল্যকথা
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন।
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন।
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -ছেলেবেলা।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আত্মজীবনী মূলক বই - বাল্যস্মৃতি।
- সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর আত্মজীবনী মূলক বই -  আমার বাল্যকথা।

উৎস: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
শেনজেন ভুক্ত দেশের সংখ্যা কতটি?
  1. ২৯ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ২৬ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• শেনজেন চুক্তি :
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রাথমিকভাবে বেলজিয়াম , ফ্রান্স , পশ্চিম জার্মানি (পরে জার্মানি ), লুক্সেমবার্গ এবং নেদারল্যান্ডস দ্বারা ১৪ জুন, ১৯৮৫ তারিখে লুক্সেমবার্গের শেনজেনে অনুমোদিত হয়েছিল।
-  চুক্তিটির লক্ষ্য ছিল শেনজেন অঞ্চলের মধ্যে দেশগুলির মধ্যে ব্যক্তিদের অবাধ চলাচলের অনুমতি দেওয়া।
- শেনজেন এলাকার ২৯ টি দেশ।
- বুলগেরিয়া এবং রোমানিয়া ছিল যোগদানকারী সর্বশেষ দেশ। ( ১ জানুয়ারী ২০২৫ )

উৎস : ব্রিটানিকা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।
২০.
বিশ্ব খাদ্য দিবস কত তারিখ?
  1. ২২ অক্টোবর
  2. ১৬ অক্টোবর
  3. ১৩ অক্টোবর
  4. ১৮ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৬ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস সমূহ :
- জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস - ২ অক্টোবর।
- শিশু অধিকার দিবস- অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার।
- আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস- ১৩ অক্টোবর।
- বিশ্ব খাদ্য দিবস - ১৬ অক্টোবর।
- জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস - ২২ অক্টোবর।
- জাতীয় যুব দিবস - ১ নভেম্বর।
- বিশ্ব এইডস দিবস - ১ ডিসেম্বর।
- জাতীয় বস্ত্র দিবস - ৪ ডিসেম্বর।
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস - ৯ ডিসেম্বর।
- আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস - ১৮ ডিসেম্বর।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-৭ এপ্রিল।
- মুজিবনগর দিবস - ১৭ এপ্রিল।
- নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস - ২৮ মে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস - ৫ জুন।

উৎস: বাংলাদেশে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন /পালনের পরিপত্র ২০২৫
২১.
কত সালে দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ১৭৭২ সালে
  2. ১৭৯৩ সালে
  3. ১৭৫০ সালে
  4. ১৭১৮ সালে।
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• দ্বৈত শাসন :
- দিল্লি কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে দেওয়ানি বা খাজনা ও কর আদায়ের ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে। 
- ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়, যার চরম মাসুল দিতে হয় এদেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীকে।
- ১৭৭০ সালে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। 
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় তিনি সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন। সারা দেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
-  ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

উুৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২২.
সাম্প্রতিক ভারতে কোথায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে? ( মে ২০২৫)
  1. পাঠানকোট
  2. পহেলগাম
  3. কোকরাঝাড়
  4. ভোপাল
সঠিক উত্তর:
পহেলগাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পহেলগাম
ব্যাখ্যা
- সাম্প্রতিক ভারতের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে - পহেলগাম।
- 22 Apr 2025 পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় ঘটে।
- পহেলগাম জুম্মু কাশ্মীরের একটি অঞ্চল।

• কাশ্মীর ,উত্তর-পশ্চিম ভারতীয় উপমহাদেশের একটি অঞ্চল ।
-  ভারত শাসিত দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব অংশ, জম্মু  কাশ্মীর ।
- পাকিস্তান দ্বারা শাসিত অঞ্চল :আজাদ কাশ্মীর ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Hindustan Times.
২৩.
এস ফোর্স ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন-
  1. মেজর খালেদ মোশাররফের
  2. মেজর জিয়াউর রহমান
  3. মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত
  4. মেজর কেএম সফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মেজর কেএম সফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কেএম সফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• জেড ফোর্স : 
• ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় এবং ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

• এস ফোর্স :
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন মেজর কেএম সফিউল্লাহ।

• কে ফোর্স :
- ৪র্থ, ৯ম এবং ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে কে ফোর্স গঠিত।
- মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয়।

উৎস : বাংলাপিডিয়া।
২৪.
২০২৬ সালে নারী টি-২০ বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ইংল্যান্ড
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ২০২৬ নারী টি২০ বিশ্বকাপের আয়োজক ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড।
-  এই টুর্ণামেন্টে হবে  ১২ দলের ।
-  ছয়টি ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
- ভেন্যুগুলো হলো ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, হেডিংলি, এজবাস্টন, হ্যাম্পশায়ার বোল, দ্য ওভাল ও ব্রিস্টল কাউন্টি গ্রাউন্ড
-  নারী টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ইংল্যান্ডের ঐতিহাসক লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাসস
২৫.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী-
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নদ-নদী : 
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী - পদ্মা।

- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর দৈর্ঘ্য - ৩৪১ কি.মি.।
- নদীটির উৎস মুখ - ভারত। 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী - ইছামতী।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী - গাঙ্গিনা।
- বাংলাদেশ - ভারত এবং বাংলাদেশ -মিয়ানমারের মধ্যে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর - ৫৭টি ।

উৎস : যৌথ নদী কমিশন ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন 

২৬.
'Rioting' এর সংজ্ঞা পেনাল কোডের কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৪১ ধারা
  2. ১৪৬ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬ ধারা
ব্যাখ্যা
The Penal Code, 1860: ধারা ১৪৬- দাঙ্গা:
কখনো কোন বেআইনি সমাবেশ দ্বারা বা এর যে কোন সদস্য দ্বারা এরূপ সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বল বা হিংস্র পদ্ধতি প্রয়ােগ করা হলে, এরূপ সমাবেশের প্রতিটি সদস্য দাঙ্গার অপরাধে অপরাধী হবে।

Section 146- Rioting:
Whenever force or violence is used by an unlawful assembly, or by any member thereof, in prosecution of the common object of such assembly, every member of such assembly is guilty of the offence of rioting

- দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারায়,
যদি কোনো অবৈধ সমাবেশ বা সমাবেশের কোনো সদস্য সহিংসতা বা বল প্রয়োগ করে, এবং সেটি সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য (common object) বাস্তবায়নের জন্য হয়, তাহলে সেটি "Rioting" হিসেবে গণ্য হবে।
২৭.
কোন আদালতের জরিমানার ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধিতে সীমায়িত বা নির্দিষ্ট করা নেই?
  1. দায়রা আদালতের
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

৩২ ধারার বিধান- ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে (CrPC) ম্যাজিস্ট্রেটদের ক্ষেত্রে জরিমানার সীমা নির্ধারিত রয়েছে:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা।
দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা।
তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা।

কিন্তু দায়রা আদালতের জরিমানার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে সীমাবদ্ধ করা হয়নি। তারা বিচারাধীন অপরাধ অনুযায়ী সাজা নির্ধারণ করেন, যা সংশ্লিষ্ট আইনে উল্লেখ থাকে।
২৮.
যদি কেউ একজনকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গুলি করে এবং ভুলবশত অন্য কারও মৃত্যু হয়, তবে-
  1. সে দোষী হবে না
  2. শুধুমাত্র দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য হবে
  3. নরহত্যার অপরাধে শাস্তিযোগ্য হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
নরহত্যার অপরাধে শাস্তিযোগ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরহত্যার অপরাধে শাস্তিযোগ্য হবে
ব্যাখ্যা
 ⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান- যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।

Section 301. Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
২৯.
ডাকাতি চলাকালে যদি খুন সংঘটিত হয়, তাহলে অপরাধীদের সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 396- Dacoity with murder:
If any one of five or more persons, who are conjointly committing dacoity, commits murder in so committing dacoity, every one of those persons shall be punished with death, or imprisonment for life, or rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
৩০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট আমলযোগ্য অপরাধ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৫
  3. ১৫৭
  4. ১৯০
সঠিক উত্তর:
১৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০
ব্যাখ্যা
ধারা ১৫৬: আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases)
(১) কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন, যা সেই থানার এলাকার মধ্যে ঘটে এবং যার বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতের রয়েছে (চ্যাপ্টার XV অনুযায়ী)।

(২) তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রমকে এই যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্তে অধিকারী ছিলেন না।

(৩) ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও উক্ত ধরনের অপরাধে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীনে আদালত কী নির্ধারণ করে?
  1. মালিকানা
  2. বিক্রয়মূল্য
  3. দখলের তারিখ
  4. প্রকৃত দখলদার
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত দখলদার
ব্যাখ্যা
• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
৩২.
Z-কে একটি বাঘ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। A বাঘটিকে গুলি করে, যদিও সে জানে যে গুলিটি Z-কে আঘাত করতে পারে তবুও সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের জন্য গুলি ছোড়ে। কিন্তু গুলিটি Z-কে মারাত্মকভাবে আঘাত করে এবং Z মারা যায়। এক্ষেত্রে A কী অপরাধ করেছে?
  1. মারাত্মক আঘাত
  2. অবহেলাজনিত খুন
  3. সাধারণ আঘাত
  4. কোনো অপরাধ করেনি
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ করেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অপরাধ করেনি
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে A কোনো অপরাধ করেনি, কারণ সে সৎ বিশ্বাসে Z-এর উপকারের উদ্দেশ্যে কাজ করেছে।

ধারা ৯২: কোনো ব্যক্তির উপকারে, সৎ বিশ্বাসে, তার সম্মতি ছাড়াই কাজ করলে তা অপরাধ নয়-
যদি কোনো কাজ সৎ বিশ্বাসে এমন একজন ব্যক্তির উপকারে করা হয় এবং এতে তার কিছু ক্ষতি হলেও, তা অপরাধ হবে না—
যদি ঐ ব্যক্তির পক্ষে সম্মতি দেওয়া সম্ভব না হয়, অথবা সে সম্মতি দিতে অক্ষম হয়, এবং এমন কোনো অভিভাবক বা আইনগত দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না থাকে যার কাছ থেকে সময়মতো সম্মতি নেওয়া সম্ভব।

তবে নিম্নলিখিত শর্তগুলোতে এই ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়ঃ
১ম শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে মৃত্যু ঘটানো বা মৃত্যুর চেষ্টা করা হলে, এই ধারার সুবিধা পাওয়া যাবে না।
২য় শর্ত: যদি কেউ এমন কিছু করে যা সে জানে মৃত্যু ঘটাতে পারে, এবং উদ্দেশ্য যদি মৃত্যু রোধ বা গুরুতর আঘাত প্রতিরোধ বা গুরুতর রোগ সারানো না হয়—তবে এটাও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৩য় শর্ত: ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা বা আঘাতের চেষ্টা করা হলে, এবং উদ্দেশ্য যদি শুধু মৃত্যু বা আঘাত প্রতিরোধ না হয়—তবে সেটিও এই ধারার আওতায় পড়বে না।
৪র্থ শর্ত: যে অপরাধে এই ধারা প্রযোজ্য নয়, সে অপরাধে সহায়তা (abetment) করলে, এই ধারার ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হবে না।
৩৩.
কোন আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারা)-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা আদালত।

তাছাড়া এই ধারা অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৪.
All facts, except the contents of documents, may be proved by _________.
  1. oral evidence
  2. primary evidence
  3. digital evidence
  4. forensic evidence
সঠিক উত্তর:
oral evidence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
oral evidence
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872, Section 59- Proof of facts by oral evidence: 
All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.


⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান- মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ:
দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
৩৫.
Nemo debet bis vexari নীতির সাথে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা সম্পর্কিত?
  1. ৩২ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪৫ ধারা
  4. ৪৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
• "Nemo Debet Bis Vexari" অর্থ হলো:
"No man should be vexed twice" অর্থাৎ একই অপরাধের জন্য কাউকে দুবার বিচার করা যাবে না বা দুইবার সাজা দেওয়া যাবে না: এটাই Doctrine of Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় ২টি নীতির প্রতিফলন হয়েছে। তা হলো:
i) Res-judicata;
ii) Double Jeopardy.

সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারার বিধান:
দ্বিতীয় মোকদ্দমা বা বিচার বন্ধ করার জন্য পূর্ববর্তী রায় প্রাসঙ্গিক: যে রায়, আদেশ বা ডিক্রি আদালতকে আইনত অন্য একটি মামলাকে বিচারার্থে গ্রহণ করতে বা এর বিচার করতে বাধা দেয়, সেই রায় বা আদেশ বা ডিক্রির অস্তিত্ব তখনই প্রাসঙ্গিক বিষয়, যখন প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণ করা বা এর বিচার করা সেই আদালতের পক্ষে উচিত কি না।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারায় যে বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেটিকে Judgment in personam (ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য) বলে।
⇒ এই ধারানুযায়ী পূর্ববর্তী মামলার রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরবর্তী মামলার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে।
⇒ এই ধারার বিধান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২) এবং General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার সাথে প্রাসঙ্গিক।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
৩৬.
The Code of Civil Procedure,1908 এর কত বিধি মোতাবেক আদালত অতিরিক্ত লিখিত জবাব প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. আদেশ-৬ বিধি-৭
  2. আদেশ-৬ বিধি-৯
  3. আদেশ-৮ বিধি-৬
  4. আদেশ-৮ বিধি-৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings):
বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
৩৭.
দেওয়ানি আদালতের নির্দেশে কোনো আটককৃত দলিল কার হেফাজতে রাখা হয়?
  1. পুলিশের
  2. বাদী পক্ষের
  3. আদালতের কোন অফিসারের
  4. শুধুমাত্র বিচারকের নিজ হেফাজতে রাখা যায়
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কোন অফিসারের
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৩ বিধি-৮ এর বিধান: আদালত কোন দলিল আটক করার আদেশ দিতে পারে:
এই আদেশের ৫ কিংবা ৭ বিধি অথবা ৭ম আদেশের ১৭ বিধিতে কোন বিধান নিহিত থাকা সত্ত্বেও আদালত যদি পর্যাপ্ত কারণ রয়েছে বলে মনে করেন, তবে আদালত যথার্থ মনে করে এরূপ সময়ের জন্য এবং শর্ত সাপেক্ষে মোকদ্দমায় ইহার সম্মুখে পেশকৃত কোন দলিল বা বহি আটক করার এবং আদালতের কোন অফিসারের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দান করতে পারে।

Rule.-8: Court may order any document to be impounded- 
Notwithstanding anything contained in rule 5 or rule 7 of this Order or in rule 17 of Order VII, the Court may, if it sees sufficient cause, direct any document or book produced before it in any suit to be impounded and kept in the custody of an officer of the Court, for such period and subject to such conditions as the Court thinks fit.
৩৮.
A এবং B এর মধ্যকার এক মামলায় আদালত এ বিষয়ে ঘোষণামূলক রায় দেয় যে, B হল A-এর স্ত্রী। পরবর্তীতে C নামে একজন ব্যক্তি দাবি করে, B আসলে তার স্ত্রী এবং সে A-এর বিরুদ্ধে মামলা করে B-কে ফিরে পাওয়ার জন্য। এক্ষেত্রে, প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি -
  1. C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  2. C-এর উপর বাধ্যতামূলক নয়
  3. A এর দাবি সাপেক্ষে C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
C-এর উপর বাধ্যতামূলক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C-এর উপর বাধ্যতামূলক নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।

এই ক্ষেত্রে:
প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি C-এর উপর বাধ্যতামূলক (binding) নয়, কারণ সে সেই মামলার পক্ষ ছিল না।
৩৯.
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ কী?
  1. A judgment open to appeal
  2. A case dismissed for lack of evidence
  3. A dispute yet to be adjudicated
  4. A thing settled by judicial decision
সঠিক উত্তর:
A thing settled by judicial decision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A thing settled by judicial decision
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন শব্দ "res judicata" এর অর্থ হলো: "A thing settled by judicial decision"

অর্থাৎ, একটি বিষয় যা আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দ্বারা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং তা পুনরায় একই পক্ষের মধ্যে আদালতে তোলা যাবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবেনা। এই নীতির মূল কথা হলো, একবার নিষ্পত্তিকৃত কোন মোকদ্দমা, পুনরায় বিচারযোগ্য নয়। ১১ ধারার নিয়ম অনুসরণ করা আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।

শর্তসমূহ:
⇒ দুইটি মোকদ্দমা থাকতে হবে। একটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমা এবং অন্যটি পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমা;
⇒ উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় একই;
⇒ পরবর্তী মোকদ্দমাটি যারা দায়ের করেছে, পূর্ববর্তী চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত মোকদ্দমাটি সেই একই পক্ষগণের মধ্যে ছিল বা সেই পক্ষগণের মধ্যে ছিল যাদের মাধ্যমে তারা বা তাদের কোন একজন প্রতিকার দাবী করে;
⇒ উক্ত পক্ষগণ পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একই বিষয়বস্তু নিয়ে মোকদ্দমা দায়ের করেছে;
⇒ এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করেছে।

• এই নীতি আরো পাওয়া যায়:
- সাক্ষ্য আইনের ৪০ ধারা;
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারা;
- সাংবিধানের ৩৫(২) অনুচ্ছেদ।
৪০.
‘প্রশ্নাবলির মাধ্যমে আবিষ্কার’ এর ক্ষেত্রে দেওয়ানি আদালতের অনুমতি ব্যতীত কয় সেট প্রশ্নমালা দাখিল করা যায়?
  1. ১ সেট
  2. ২ সেট
  3. ৩ সেট
  4. ৫ সেট
সঠিক উত্তর:
১ সেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেট
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
- প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
- দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

আদেশ ১১, বিধি ১: জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তথ্য উদ্ঘাটন (Discovery by Interrogatories)-
যেকোনো মামলায়, বাদী বা বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে [ইস্যু নির্ধারণের তারিখ হতে দশ দিনের মধ্যে] প্রতিপক্ষ বা তার মধ্যে যেকোনো একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে লিখিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ (interrogatories) প্রদান করতে পারে পরীক্ষার উদ্দেশ্যে। এই জিজ্ঞাসাবাদগুলো প্রদান করার সময় সেগুলোর নিচে একটি নোট দিতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—প্রত্যেক ব্যক্তি কোন কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য।

শর্তস্বরূপ:
- আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
- এমন কোনও জিজ্ঞাসাবাদ যা মামলার প্রকৃত প্রশ্ন বা বিতর্কিত বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, তা অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে—যদিও তা মৌখিক জেরা (oral cross-examination) চলাকালে গ্রহণযোগ্য হতে পারে।
৪১.
সুনির্দিষ্ট চুক্তির মামলায় আদালতের ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে না মানলে, তা কার্যকর করার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
  1. শুধু সম্পত্তি ক্রোক
  2. শুধু দেওয়ানি কারাগারে আটক
  3. শুধুমাত্র জরিমানা
  4. দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কারাগারে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয়
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার অথবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি:
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য সম্পত্তি ক্রোক, অথবা চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারেই কার্যকর করা যাবে।

যদি কোন কর্পোরেশন হয়, তবে কর্পোরেশনের সম্পত্তি ক্রোক করে অথবা পরিচালকগণকে বা অন্যান্য প্রধান কর্মকর্তাগণকে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে বা ক্রোক এবং আটক উভয় প্রকারেই ডিক্রিটি জারি করা যাবে। কোন ক্রোক ১ বছর যাবৎ বলবৎ থাকলে যদি ডিক্রি দায়িক ডিক্রিটি মান্য না করে থাকে এবং ডিক্রিদার ক্রোককৃত সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের জন্য আবেদন করে থাকে, তবে অনুরূপ সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত ডিক্রিদারকে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
৪২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কাউকে অবৈধভাবে দখলচ্যুত করা হয়, তবে-
  1. কেবল চুক্তির ভিত্তিতে মামলা মামলা করতে পারবে
  2. স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
  3. স্বত্ব প্রমাণ করতে পারলেই কেবল মামলা করতে পারবে
  4. জমির মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে মামলা করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব প্রমাণ না থাকলেও মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।
৪৩.
আদেশ ৪১ বিধি ৩ অনুসারে, যদি আপিলের স্মারকলিপি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্রণীত না হয়, তাহলে আদালত কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র প্রত্যাখ্যান করতে পারে
  2. শুধুমাত্র সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
  3. আদালতের কোন এখতিয়ার নেই
  4. প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাখ্যান বা সংশোধনের জন্য ফেরত দিতে পারে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।
২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।
৪৪.
মৃত বাদীর বৈধ প্রতিনিধিকে স্থলাভিষিক্ত করার আবেদন এর ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬:
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৪৫.
'রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয় তাই আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।'- কোন মামলার রায়ে বলা হয়েছে?
  1. Hossain Chy v/s Bangladesh
  2. Kazi Mukhlesur Rahman v/s Bangladesh
  3. Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
  4. Sheikh Abdus Sabur v/s Returning officer
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kudrat-E-Elahi Panir v/s Bangladesh
ব্যাখ্যা

'Kudrat-E-Elahi Panir v Bangladesh' মামলায় আদালত রায় দিয়েছে যে- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ আইন নয়, তাই এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়।

মামলার নাম:
কুদরত-ই-এলাহী পনির  বনাম বাংলাদেশ সরকার 44 DLR (AD) 319

প্রেক্ষাপট:
- ১৯৮২ সালে সামরিক শাসনামলে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে নির্বাচিত চেয়ারম্যান কুদরত-ই-এলাহী পনির ও আহসানুল্লাহ।
- মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৯১ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হয়, যা ১৯৯২ সালে সংসদে আইন হিসেবে গৃহীত হয়।
- আপিলকারীগণ এই বিলুপ্তি সংক্রান্ত আইনকে সংবিধানবিরোধী দাবি করে রিট করেন।

মূল ইস্যুগুলো:
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ লঙ্ঘন করেছে কি না।
- উপজেলা পরিষদগুলো অনুচ্ছেদ ৫৯ অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কি না।
- রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা (ধারা ৯৩) সংসদীয় আইন প্রণয়নের বিকল্প কি না।
- উক্ত আইনটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ (Colorable Legislation) কি না।

আপিলকারীদের যুক্তি:
সংবিধানের মূলনীতির (বিশেষত অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯, ৬০) পরিপন্থী হওয়ায় বিলুপ্তি আইনটি অবৈধ।
উপজেলা পরিষদগুলো ছিল সাংবিধানিক স্বীকৃত স্থানীয় সরকার সংস্থা।
রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন শুরুর আগে অধ্যাদেশ দিয়ে আইন পাশ করার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
এই আইন একটি ‘ছদ্মবেশী আইন’ যা প্রকৃত অর্থে ক্ষমতা সরকারের হাতে কেন্দ্রীভূত করেছে।

বিবাদীপক্ষের যুক্তি:
উপজেলা পরিষদগুলো কার্যকর ও স্বনির্ভর ছিল না, তাই বিলুপ্ত করা হয়।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন করাই উদ্দেশ্য ছিল, রাজনৈতিক কোনো গোপন উদ্দেশ্য নয়।
উপজেলা কখনোই সংবিধানের ১৫২(১) অনুযায়ী "প্রশাসনিক অঞ্চল" ছিল না, তাই সেগুলো সাংবিধানিক স্থানীয় সরকার ছিল না।
আইনটি ছদ্মবেশী নয়, কারণ এতে উপজেলা ব্যবস্থা রক্ষার কোনো গোপন প্রচেষ্টা ছিল না।

আদালতের রায় ও পর্যবেক্ষণ:
প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ:
- সংবিধানের মূলনীতি (Part II) আদালত দ্বারা বলবৎযোগ্য নয় (অনুচ্ছেদ ৮(২))।
- উপজেলা প্রশাসনিক অঞ্চল না হওয়ায় সেগুলো ৫৯ ধারা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নয়।
- বিলুপ্তি আইন সংবিধানবিরোধী নয়, বরং প্রশাসনিক পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে করা হয়।
- যেহেতু অধ্যাদেশ পরে সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়েছে, তাই এটি আর একাডেমিক প্রশ্ন ছাড়া কিছু নয়।

বিচারপতি মোস্তাফা কামাল:
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি ‘আইন’ নয়, ‘নীতিমালা’। আদালত এগুলো বলবৎ করতে পারে না।

বিচারপতি নঈমুদ্দীন আহমদ (ভিন্নমত):
- যদি কোনো আইন সরাসরি মূলনীতির পরিপন্থী হয়, তাহলে আদালত সেটি বাতিল করতে পারে।

ছদ্মবেশী আইন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত:
- এটি কোনো Colorable Legislation নয়; কারণ এতে কোনো গোপন বা পরোক্ষ উদ্দেশ্য ছিল না।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:
- আপিল বিভাগ সরকারের পক্ষে রায় দেন।
- বিলুপ্তি-সংক্রান্ত আইন সংবিধানের ৯, ১১, ৫৯ ও ৬০ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী নয়।
- উপজেলা পরিষদগুলো সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় সরকার ছিল না, কারণ উপজেলা কখনোই প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে নির্ধারিত হয়নি।

৪৬.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের কোন দায়িত্বকে “প্রাথমিক কর্তব্য” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. শিল্পায়ন
  2. শিক্ষা বিস্তার
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
৪৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Doctrine of Pleasure’ নীতির উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬
  2. ১০৪
  3. ১৩৪
  4. ১৪১
সঠিক উত্তর:
১৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৩৪: কর্মের মেয়াদ-
এই সংবিধানের দ্বারা অন্যরূপ বিধান না করা হইয়া থাকিলে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।

Article 134: Tenure of office-
Except as otherwise provided by this Constitution every person in the service of the Republic shall hold office during the pleasure of the President.

কিছু কিছু পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে থাকে। রাষ্ট্রপতি যতদিন চাইবেন কোন ব্যক্তি উক্ত পদে ততদিন বহাল থাকতে পারবেন। সংবিধানের ভাষায় একে 'Doctrine of Pleasure'. সংবিধানের ১৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবে। তাই বলা যায়, ১৩৪ অনুচ্ছেদেই 'Doctrine of pleasure' নীতিটি বর্ণিত হয়েছে।
৪৮.
নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল __________ অধীন হইবেন।
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সংবিধানের
  3. মন্ত্রিপরিষদের
  4. সংবিধান ও আইনের
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান ও আইনের
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮- নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা:
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।
৪৯.
আপীল বিভাগের আদেশ, রীট ইত্যাদি জারির ক্ষমতা কোন পরিস্থিতিতে প্রয়োগ করা হয়?
  1. জরুরি অবস্থায়
  2. শুধুমাত্র আপীল শুনানির সময়
  3. রাষ্ট্রপতির আদেশে
  4. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৪- আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ-
কোন ব্যক্তির হাজিরা কিংবা কোন দলিলপত্র উদ্ঘাটন বা দাখিল করিবার আদেশসহ আপীল বিভাগের নিকট বিচারাধীন যে কোন মামলা বা বিষয়ে সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের জন্য যেরূপ প্রয়োজনীয় হইতে পারে, উক্ত বিভাগ সেইরূপ নির্দেশ, আদেশ, ডিক্রী বা রীট জারী করিতে পারিবেন।
৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগে সমতার সুযোগের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৮ অনুচ্ছেদে
  2. ১৯ অনুচ্ছেদে
  3. ২৮ অনুচ্ছেদে
  4. ২৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২৯ (সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা):
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।

(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।
৫১.
The Maxim 'Ignorantia juris non excusat' means-
  1. Ignorance of the law is a excuse
  2. Ignorance of the law is no excuse
  3. Ignorance of fact is an excuse
  4. Ignorance of fact is no excuse
সঠিক উত্তর:
Ignorance of the law is no excuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ignorance of the law is no excuse
ব্যাখ্যা
Ignorantia juris non excusat: "ignorance of the law is no excuse." 
অর্থ: আইন জানলে না, তা অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারে না।

ব্যাখ্যা: আইনগত ভুল (Mistake of Law) মানে হল যে কোনো ব্যক্তি আইন সম্পর্কিত ভুল ধারণা বা ভুল জানার কারণে অপরাধ করেছে। তবে এটি কোন অজুহাত হিসেবে গণ্য হবে না। আইন জানার ভুল বা অজ্ঞতা অপরাধের দায় থেকে মুক্তি দেয় না।

উদাহরণ: যদি কেউ আইন জানে না বা ভুলভাবে ধারণা করে এবং সেই অনুযায়ী কোনো অপরাধ করে, তাকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে। যেমন, যদি কেউ মাদক গ্রহণের বিষয়ে আইন জানে না এবং সে তা গ্রহণ করে, তবে তার অজ্ঞতা দোষমুক্তির কারণ হবে না।
৫২.
কোন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. যখন সংসদ চলমান থাকে
  2. যখন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়
  3. যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
  4. যখন প্রধান বিচারপতির পদ শূণ্য থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সংসদ ভেঙে যায় বা অধিবেশন থাকে না
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৩- অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে: তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,

(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।

(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে।

(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।
৫৩.
"Advocate" সংজ্ঞাটি The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় সংজ্ঞায়িত হয়েছে?
  1. ধারা ৩(১ক)
  2. ধারা ৩(২ক)
  3. ধারা ৩(কক)
  4. ধারা ৩(৪ক)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২ক)
ব্যাখ্যা
ধারা ৩(২ক): (The General Clauses Act, 1897)
"অ্যাডভোকেট" অর্থ এমন ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর অধীন অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত (enrolled) হয়েছেন।
"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী কবে পাস হয়েছিল?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
৫৫.
'ক' তাঁর বাসায় কাজ করা ৮ বছর বয়সী শিশু মিঠুনকে না খাইয়ে, মারধর করে এবং প্রচণ্ড ঠান্ডায় বাইরে আটকে রাখে। এতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় 'ক' এর সর্বোচ্চ কী দণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার দণ্ড- (ধারা ৭০, শিশু আইন ২০১৩)
কোন ব্যক্তি যদি তাহার হেফাজতে, দায়িত্বে বা পরিচর্যায় থাকা কোন শিশুকে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, অরক্ষিত অবস্থায় পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যার কাজে ব্যবহার বা অশালীনভাবে প্রদর্শন করে এবং এইরূপভাবে আঘাত, উৎপীড়ন, অবহেলা, বর্জন, পরিত্যাগ ব্যক্তিগত পরিচর্যা বা প্রদর্শনের ফলে উক্ত শিশুর অহেতুক দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাস্থ্যের এইরূপ ক্ষতি হয়, যাহাতে সংশ্লিষ্ট শিশুর দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়, শরীরের কোন অঙ্গ বা ইন্দ্রিয়ের ক্ষতি হয় বা কোন মানসিক বিকৃতি ঘটে, তাহা হইলে তিনি এই আইনের অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৬.
Who has the authority to revoke or modify a detention order under The Special Powers Act, 1974?
  1. The Supreme Court
  2. The Government
  3. The District Magistrate
  4. The Police Officer-in-Charge
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974 - ধারা ১৩: আটকাদেশ বাতিল সংক্রান্ত বিধান-
সরকার যে কোন সময় আটকাদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারে।
[A detention order may, at any time, be revoked or modified by the Government.]
৫৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ আছে?
  1. ১০ ধারায়
  2. ১১ ধারায়
  3. ১৫ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১১ ধারা- অ্যালকোহল পান, ইত্যাদি সম্পর্কে বিধি-নিষেধ:
(১) পারমিট ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন না এবং চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন অথবা সরকারি মেডিক্যাল কলেজের অন্যূন কোনো সহযোগী অধ্যাপকের লিখিত ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পান করিবার জন্য পারমিট প্রদান করা যাইবে না। 

(২) মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক তাড়ি ও পচুঁই পান করিবার ক্ষেত্রে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসমূহ এবং অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কর্তৃক ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত অথবা প্রস্তুতকৃত মদ পান করিবার ক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন- 
(ক) লাইসেন্সপ্রাপ্ত বার-এ বসিয়া বিদেশি ও পারমিটধারী দেশিয় নাগরিকগণ অ্যালকোহল পান করিতে পারিবেন; এবং 
(খ) কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বিদেশি নাগরিকরা শুল্ক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পাস বইধারী অথবা প্রচলিত ব্যাগেজ রুলসের দ্বারা স্বীকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, অ্যালকোহল আমদানি, রপ্তানি, ক্রয়, বহন, সংরক্ষণ অথবা পানের ব্যাপারে কোনো কিছুই প্রযোজ্য হইবে না। 

(৪) অ্যালকোহল সংক্রান্ত সকল শুল্কমুক্ত কার্যক্রম (Duty Free Operations) এই আইনের অধীন প্রদত্ত লাইসেন্সবলে সম্পাদিত হইবে।
৫৮.
অসচ্ছল ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় অনধিক কত হলে সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য হবে?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ১,০০,০০০ টাকা
  3. ১,৫০,০০০ টাকা
  4. ২,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ ব্যক্তিগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা 'আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ নামে' নীতিমালা প্রণয়ন করে।

উক্ত নীতিমালার অনুচ্ছেদ ২ অনুযায়ী, এই নীতিমালার অধীন নিম্নবর্ণিত ব্যক্তিগণ আইনগত সহায়তা পাবার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন-

⇒ অসচ্ছল বা আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তির বার্ষিক গড় আয় অনধিক ১,৫০,০০০ টাকা (সুপ্রীম কোর্টে আইনগত সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে ) এবং অন্যান্য আদালতের ক্ষেত্রে ১,০০,০০০ টাকা।
⇒ কর্মে অক্ষম, আংশিক কর্মক্ষম, কর্মহীন কোন ব্যক্তি;
⇒ অক্ষম কোন মুক্তিযোদ্ধার বাৎসরিক আয় অনধিক ১,৫০,০০০ টাকা; এবং
⇒ কোন শ্রমিক যার বার্ষিক গড় আয় অনধিক ১,০০,০০০ টাকা।
৫৯.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আপীল দায়েরের পূর্বে সর্বনিম্ন কত শতাংশ অর্থ জমা দিতে হবে?
  1. ১০%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
⇒ হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান- আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:
১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
- চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
- চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।

NI Act Section-138A. Restriction in respect of appeal:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
৬০.
প্রিন্সিপাল অপ্রকৃতিস্থ হলে, এজেন্সির কী হবে?
  1. সমাপ্ত হবে
  2. কার্যকর থাকবে
  3. কেবল স্থগিত থাকবে
  4. হস্তান্তর করা হবে
সঠিক উত্তর:
সমাপ্ত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাপ্ত হবে
ব্যাখ্যা
⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান- প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency): প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।

Section 201. Termination of agency:
An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.
৬১.
"Continuing guarantee" is a guarantee that -
  1. Is given only once
  2. Extends to a single transaction
  3. Extends to a series of transactions
  4. Is given without any consideration
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Extends to a series of transactions
ব্যাখ্যা
⇒ The Contract Act, 1872- Section 129. "Continuing guarantee"-
A guarantee which extends to a series of transactions is called a "continuing guarantee".

চুক্তি আইনের ১২৯ ধারার বিধান: "ধারাবাহিক জামিন":
যে জামিন ধারাবাহিক লেনদেনে কার্যকর হয় তাকে ধারাবাহিক জামিন বলে।
৬২.
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা _______ ইজারা বলে গন্য হবে।
  1. বার্ষিক
  2. মাসিক
  3. দৈনিক
  4. চুক্তিভিত্তিক
সঠিক উত্তর:
মাসিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসিক
ব্যাখ্যা
• ধারা ১০৬: লিখিত চুক্তি বা স্থানীয় রীতির অবর্তমানে কতিপয় ইজারার মেয়াদ
কৃষি কার্য বা শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা বছর হতে বছরের ইজারা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এই ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার বছরের শেষ দিন হতে ৬ মাস পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে সমাপ্তিযোগ্য।
অন্য কোন উদ্দেশ্যে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলে তা মাস হতে মাসের ইজারা হিসেবে গণ্য হবে এবং তা ইজারাদাতা ও গ্রহীতার মধ্যে যে কোন পক্ষ কর্তৃক ইজারার মাসের শেষ দিন হতে ১৫ দিন পূর্বে দেওয়া নোটিশ মূলে বাতিলযোগ্য।

এই ধারার আওতায় প্রত্যেকটি নোটিশ অবশ্যই লিখিত এবং নোটিশ দাতা বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত হতে হবে এবং এই নোটিশ ডাকযোগে বা অর্পণের মাধ্যমে বা ব্যক্তিগত ভাবে প্রদান করতে হবে অথবা তার পরিবারের কোন সদস্যকে বা তার বাসভবনের কোন কর্মচারীকে তা প্রদান করতে হবে। অথবা যদি এরূপ সম্ভব না হয় তাহলে সম্পত্তির প্রকাশ্য স্থানে লটকিয়ে দিতে হবে।

⇒ কোন চুক্তি বা প্রচলিত আইনের অবর্তমানে কৃষিকাজ ব্য শিল্প উৎপাদনের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেয়া হলে তা বার্ষিক ইজারা বলে গণ্য হবে।
কৃষিকাজ বা শিল্প উৎপাদন ব্যতীত অন্য কোন কাজের জন্য স্থাবর সম্পত্তি ইজারা দেওয়া হলে তা মাসিক ইজারা বলে গন্য হবে।
৬৩.
নিবন্ধন অফিসে থাকা কত সময়ের বেশি অদাবিকৃত নথি ধ্বংস করা যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
The Registration Act, 1908 ধারা ৮৫-:
"নিবন্ধন অফিসে দুই বছরের বেশি সময় ধরে অদাবিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকা নথিপত্র (উইল ব্যতীত) ধ্বংস করা যেতে পারে।"
[Documents (other than wills) remaining unclaimed in any registration office for a period exceeding two years may be destroyed.]
৬৪.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. দান প্রত্যাহার
  2. স্থাবর সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন
  3. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
  4. মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে স্থাবর সম্পত্তির দান
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারায় বলা হয়েছে যে-
সপ্তম অধ্যায়ে বর্ণিত দান সংক্রান্ত বিধান মৃত্যুর সম্ভাবনাকালে অস্থাবর সম্পত্তির দান সংক্রান্ত কোন বিধানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান (Donatio martis causa) :
মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে কোন সম্পত্তি দান করা হলে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। মানুষ মরণশীল, তবুও মানুষ জানে না কখন সে মারা যাবে। এমন অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে, যার জন্য সে মনে করতে পারে অতি তাড়াতাড়ি তার মৃত্যু হবে। মানুষ গুরুতর রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যে রোগের কোন চিকিৎসা নেই বা যে রোগের চিকিৎসা কার্যকর হচ্ছে না। রোগ ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করে এমন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে যে, এখনই রোগীর মৃত্যু হবে। চিকিৎসকরা রোগীর জীবনের আসা ত্যাগ করেছেন এবং অবিলম্বে মৃত্যুর সম্ভাবনার কথা বলেছেন। এরূপ অবস্থাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা বলে এবং এই অবস্থায় যদি কেউ দান করে তবে তাকে মৃত্যুর সম্ভাবনা কালে দান বলে। এই ধরণের দান সাধারণতঃ দান করার সাথে সাথে কার্যকর হয় না, দাতার মৃত্যুর পরে কার্যকর হয়। দাতা মৃত্যুবরণ না করে জীবিত থাকলে এই ধরণের দান কার্যকর হবে না। অন্য ভাবে বলা যায়, মৃত্যুর শয্যায় শায়িত অবস্থায় যে দান করা হয় তাকে মৃত্যু সম্ভাবনা কালে দান বলা হয়।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৯ ধারা অনুসারে মৃত্যুর সম্ভাবনাকালীন অস্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে এই আইনের সপ্তম অধ্যায়ের দান সংক্রান্ত বিধান প্রযোজ্য হবে না। তবে স্থাবর সম্পত্তির দানের ক্ষেত্রে এই আইনের বিধান কার্যকর হবে।
৬৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৩(২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ১৪:
"যে কোনো ব্যক্তি কালেক্টরের ধারা ১১-এর উপ-ধারা (২) অথবা ধারা ১৩-এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত বোধ করেন, তিনি ঐ আদেশের তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিক্ষেত্রভুক্ত জেলা জজের নিকট আপিল করতে পারেন; এবং ঐ আপিলের উপর জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।"
৬৬.
রায়াতকে তার অধিকার বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করার জন্য কোন ধরনের আদেশ প্রয়োজন?
  1. সরকারের আদেশ
  2. সিভিল কোর্টের আদেশ
  3. ভূমি অফিসের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসের আদেশ
সঠিক উত্তর:
সিভিল কোর্টের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভিল কোর্টের আদেশ
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ৮৫ - রায়াতের উচ্ছেদের ভিত্তি:
"একটি রায়াতকে তার অধিকার বা অধিকারভুক্ত কোন অংশ থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না, সিভিল কোর্টের একটি উচ্ছেদ আদেশ ছাড়া, যা সম্পূর্ণ অধিকার বা যে কোন অংশের জন্য, যেটি সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে রায়াতের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা আইন লঙ্ঘনের কারণে দেওয়া হয়েছে।"

অর্থাৎ, একটি রায়াতকে তার জমি বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করতে হলে, সেটি কেবল সিভিল কোর্টের আদেশের মাধ্যমে হতে পারে, যেখানে রায়াত কোনো আইনি লঙ্ঘন করেছে বা এই আইনের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছে।
৬৭.
অকৃষি জমির অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে কে আবেদন করতে পারেন?
  1. প্রতিবেশী
  2. সম্পত্তির সহ-অংশীদার
  3. ক্রয়কৃত সম্পত্তির সুবিধাভোগী
  4. পার্শ্ববর্তী জমির মালিক
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সহ-অংশীদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির সহ-অংশীদার
ব্যাখ্যা
NAT ACT 1949 এর ধারা ২৪ (Section 24):

অগ্রক্রয়ের ধারণা:
অগ্রক্রয়ের অধিকার হল একটি অধিকার যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি জমি কিনতে চাওয়া হলে অন্য একটি ব্যক্তি প্রাথমিক অধিকার রাখে সেই জমি কেনার। সাধারণত এটি তখন ঘটে যখন জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধারা ২৪ অনুযায়ী, আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।

আদালতে জমা দিতে হবে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৬৮.
A transfers Tk. 500 to B on condition that she shall murder C. The transfer is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable at option of B
  4. voidable at option of C
সঠিক উত্তর:
void
উত্তর
সঠিক উত্তর:
void
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫: শর্তযুক্ত হস্তান্তর (Conditional Transfer)-
যদি কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে স্বার্থ বা অধিকার সৃষ্টি হয় তা কোনো শর্তের উপর নির্ভরশীল হয়, এবং সেই শর্তটি —
- অসম্ভব হয়, বা
- আইনের দ্বারা নিষিদ্ধ হয়, বা
- এমন প্রকৃতির হয় যে, তা অনুমোদন করলে কোনো আইনের বিধান ব্যর্থ হয়, বা
- প্রতারণাপূর্ণ (fraudulent) হয়, বা
- অন্য কারও ব্যক্তি বা সম্পত্তির ক্ষতি ঘটায়, বা
- আদালত যদি মনে করে যে শর্তটি অনৈতিক বা জননীতির (public policy) বিরুদ্ধে,

তাহলে সেই শর্ত ব্যর্থ হবে এবং সেই শর্তযুক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে।

উদাহরণসমূহ:
(ক) A একটি খামার B-কে ইজারা দেয় এই শর্তে যে B এক ঘণ্টায় ১০০ মাইল হাঁটবে।
- এই চুক্তিটি বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(খ) A, B-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে B, A-এর মেয়ে C-কে বিয়ে করবে। কিন্তু হস্তান্তরের তারিখে C মৃত।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ শর্তটি অসম্ভব।

(গ) A, B-কে ৫০০ টাকা হস্তান্তর করে এই শর্তে যে B, C-কে হত্যা করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল (void), কারণ শর্তটি আইনবিরুদ্ধ এবং অপরাধমূলক।

(ঘ) A, তার ভাগ্নি C-কে ৫০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে সে তার স্বামীকে ত্যাগ করবে।
- এই হস্তান্তর বাতিল, কারণ এটি জননীতির বিরুদ্ধে ও অনৈতিক।
৬৯.
মুসলিম আইনের অধীন কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে, পারিবারিক আদালত কত দিনের মধ্যে চেয়ারম্যানকে ডিক্রির প্রতিলিপি প্রেরণ করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩: ধারা ২৬: মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধানকে প্রভাবিত না করা:
(১) এই আইনের কোনো কিছুই মুসলিম পরিবারিক আইন অথবা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধানকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো পারিবারিক আদালত মুসলিম আইনের অধীন সংঘটিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে আদালত ডিক্রি প্রদানের ৭(সাত) দিনের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের ধারা ৭ এ উল্লিখিত সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে উক্ত ডিক্রির প্রত্যয়িত প্রতিলিপি প্রেরণ করিবে এবং, চেয়ারম্যান উক্ত প্রতিলিপি প্রাপ্ত হইবার পর, এইরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন যেন তিনি উক্ত আইনের অধীন কোনো তালাকের সংবাদ প্রাপ্ত হইয়াছেন।

(৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী অনুষ্ঠিত কোনো বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালত কোনো ডিক্রি প্রদান করিলে যে তারিখে চেয়ারম্যান উপধারা (২) এর অধীন উহার প্রতিলিপি গ্রহণ করিয়াছেন সেই তারিখ হইতে ৯০ (নব্বই) দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত উহা কার্যকর হইবে না:

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত সময়ের মধ্যে পক্ষগণের মধ্যে মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুসারে কোনো আপোষ মীমাংসা কার্যকর হইলে উক্ত ডিক্রির কোনো কার্যকারিতা থাকিবে না।
৭০.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মুসলিম উত্তরাধিকার অনুসারে কখনো উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয় না?
  1. ভাই
  2. কন্যা
  3. দাদা
  4. চাচা
সঠিক উত্তর:
কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্যা
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে সম্পদ বণ্টন একমাত্র মৃত্যুর পরেই কোন ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার উত্তরাধিকারীগণের অধিকার সৃষ্টি হয়, মৃত্যুর পূর্বে নয়। একজন সুন্নি মুসলমানের বৈধ ওয়ারিশগন মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১) প্রধান শ্রেণি (Principal Hairs);
২) অপ্রধান শ্রেণি (Secondary Hairs)।
 
⇒ প্রধান শ্রেণির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে নিম্নে বর্ণিত ব্যক্তিরা কখনো উত্তরাধিকার বঞ্চিত হয় না:
১/ স্বামী;
২/ স্ত্রী;
৩/ পিতা;
৪/ মাতা;
৫/ পুত্র ও
৬/ কন্যা- এই ৬ শ্রেনীর উত্তরাধিকারী কখনো বঞ্চিত হয় না।
৭১.
তালাক-ই-আহসান (Ahsan) কখন কার্যকর হয়?
  1. তৃতীয় তুহর শেষে
  2. তৃতীয় তালাক উচ্চারণের পর
  3. ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পর
  4. তালাক দেওয়ার সাথে সাথে
সঠিক উত্তর:
ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার পর
ব্যাখ্যা
তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক):
তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে;
ক. তালাক আহসান [Ahsan] (সর্বাধিক অনুমোদিত তালাক)
খ. তালাক হাসান [Hasan] (অনুমোদিত তালাক)

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan):
স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক।

- তালাক-ই-হাসান (Hasan):
স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।
৭২.
নিম্নোক্তদের মধ্যে কে অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. সম্পত্তির উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

• অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ
এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৭৩.
ইসতিদলাল বলতে কী বোঝায়?
  1. জনকল্যাণ
  2. ধর্মীয় অনুশীলন
  3. শরিয়া বাতিল করা
  4. যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তিভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ
ব্যাখ্যা
’মুসলিম আইনের প্রধান উৎস চারটি- কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস। আরও কিছু বিষয়কেও ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেগুলো হলো-

ইজতিহাদ:
ইজতেহাদ অর্থ গবেষণা করা। ইসলামি পরিভাষায় শরিয়তের কোনো নির্দেশ সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে সর্বাঙ্গীণ চেষ্টা ও সমাধানের নাম ইজতেহাদ। সাধারণ লোকের চিন্তাধারায় ইজতেহাদ হয় না। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে কিয়াস প্রয়োগ করে ইজতেহাদ করতে হয়।

ইসতিহসান:
পরবর্তী শতাব্দীতে কোনো বিধান কিয়াসের চাহিদা থেকে পৃথক হলে তাকে ইসতিহসান বলা হতো। ইসতিহসান অর্থ বিচার-বিবেচনায় যা মঙ্গলজনক। কিয়াসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান কঠিন মনে হলে জনসাধারণের সাহায্যের জন্য ইসতিহসান করা হয়।

ইসতিসলাহ:
ইসতিহসানের থেকে সহজ ইসতিসলাহ। ইসতিসলাহ অর্থ জনকল্যাণ। এটা জনসাধারণের কল্যাণে সমস্যা সমাধানের সহজ মাধ্যম।

ইসতিদলাল:
ইসলামী আইনে যুক্তিনির্ণীত সিদ্ধান্তকে ‘ইসতিদলাল’ বলে। অন্য কথায় কোনো একটি বিষয় হতে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য একটি অনুরূপ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ইসতিদলাল বলে। ইসতিদলালের মাধ্যমে এক নীতি থেকে যুক্তি-তর্কের সাহায্যে অন্য নীতির প্রবর্তন করা হয়।
৭৪.
'ক' একজম মুসলিম এক সম্পত্তি প্রথমে 'খ' বরাবর উইল করে এবং কিছুদিন পর 'গ' এর নিকট বিক্রি করে দেয়। এক্ষেত্রে -
  1. উইলটি কার্যকর হবে
  2. উইলটি প্রত্যাহার হবে
  3. বিক্রয় অবৈধ হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহার হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলটি প্রত্যাহার হবে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত। আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চূড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে। যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

⇒ উইলের অপরিহার্য উপাদানগুলো হলো-
ক. যে ব্যক্তি উইল করে তাকে অবশ্যই তার জীবনকালের মধ্যেই উইলের ঘোষণা দিতে হবে। উইলকারীকে অবশ্যই উইল করার যোগ্য হতে হবে।
খ. উইলকারীকে অবশ্যই উইলগ্রহীতার পূর্বে মৃত্যুবরণ করতে হবে। অর্থাৎ উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকরী হয়।
গ. উইলকারী মৃত্যুর পর যার বরাবর উইল করা হয়েছে তাকে অবশ্যই উইলটি গ্রহণ করতে হবে। এ তিনটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একটি উইল কার্যকর হয়।

মুসলিম আইনে,
একজন ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় যে সম্পত্তি বিক্রি করতে পারেন, সেটি তার সম্পূর্ণ অধিকার। তবে, যদি তিনি ওই সম্পত্তির কিছু অংশ উইল করেন, তবে ওই উইলটি মৃত্যুর পর কার্যকর হবে। কিন্তু, যদি ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় ওই সম্পত্তি বিক্রি করেন, তাহলে উইলটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রত্যাহৃত হয়ে যাবে, কারণ বিক্রি একটি কার্যকর আইনগত কাজ, যা সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন করে।
৭৫.
একজন হানাফি মুসলিম মা, বাবা ও তিন বোনকে রেখে মৃত্যুবরণ করেন। এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির মা সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ২/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লিখিত ক্ষেত্রে,
⇒ তিন বোন কোনো অংশ পাবে না; (বাবা জীবিত থাকায়, বোনেরা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে);
মা ১/৬ অংশ পাবে ( যেহেতু দুই বা ততোধিক বোন রয়েছে); এবং
⇒ বাবা বাকি ৫/৬ অংশ পাবে (আসাবা হিসেবে)।
৭৬.
নিম্নের কোন পরিস্থিতিতে বিবাহিতা হিন্দু নারী পৃথক বাস করেও স্বামীর নিকট ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হবেন?
  1. স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়
  2. স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে
  3. স্বামী যদি দুরারোগ্য সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন
  4. উল্লিখিত সকল কারণে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল কারণে
ব্যাখ্যা

• ১৯৪৬ সালের "বিবাহিতা নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ" আইন এর ধারা ২ অনুযায়ী, নিম্নলিখিত কারণে বিবাহিতা হিন্দু নারী স্বামী হতে পৃথক থেকেও স্বামীর নিকট হতে ভরণ-পোষণ পাওয়ার অধিকারিণী-

⇒ স্বামী যদি ধর্মান্তর হয়;
⇒ স্বামী যদি পুনরায় বিবাহ করে;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর অনুমতি ব্যতিরেকে তাকে পরিত্যাগ করে;
⇒ স্বামী যদি দুরারোগ্য কুষ্ঠ, সিফলিস ইত্যাদি সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় এবং এই সমস্ত ব্যাধি যদি স্ত্রীর নিকট হতে সংক্রামিত না হয়;
⇒ স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষঠুর আচরণ করে এবং নিষ্ঠুরতা যদি এই প্রকারের হয় যে স্বামীগৃহে তার জীবনাশংকা থাকে;
⇒ স্বামী যদি গৃহে কোন উপ-পত্নী রেখে তার সাথে বসবাস করতে থাকে; এবং
⇒ অন্য কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে।
৭৭.
একজন হিন্দু ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকারী হিসেবে একজন পুত্র, একজন কন্যা এবং একজন মৃত পুত্রের পুত্র রয়েছে। কন্যা কত অংশ পাবে?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ২/৩ অংশ
  4. কোন অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোন অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা
এখানে প্রতিনিধিত্বের নীতি (Doctrine of Representation) অনুসারে,
মৃত পুত্রের পুত্র (পৌত্র) তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, মৃত পুত্রের পুত্র তার পিতার উত্তরাধিকারী হয়ে, পিতার অংশটি গ্রহণ করবে। এ ক্ষেত্রে, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের (পৌত্র) অংশ সমানভাবে ভাগ হবে। তাই, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্রের মধ্যে ১/২ অংশ করে ভাগ হবে। কন্যা কোন অংশ পাবে না।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৭৮.
"হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২" এর অধীনে কোন বয়সের কম হিন্দু পুরুষের বিবাহ নিবন্ধনযোগ্য নয়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ২২ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২: ধারা ৫: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ-
অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ২১ (একুশ) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু পুরুষ বা ১৮ (আঠার) বৎসরের কম বয়স্ক কোন হিন্দু নারী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে উহা এই আইনের অধীন নিবন্ধনযোগ্য হইবে না।