পরীক্ষা আর্কাইভ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২৮ সাধারণ জ্ঞান: পরীক্ষা - ৭ টপিক: গুরুত্বপূর্ণ দেশ-মহাদেশ, মুদ্রা, রাজধানী, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভাস্কর্য, আন্তর্জাতিক দিবস, প্রণালী, সীমারেখা, ভৌগোলিক উপনাম, সাগর-মহাসগর, নদ-নদী, হ্রদ, দ্বীপ, পাহাড়-পর্বত, আগ্নেওগিরি, মরুভূমি, মালভূমি, গুরুত্বপূর্ণ স্থান, ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived]

ইউনিয়ন সমাজকর্মী প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি কোনটি?
  1. তারিম মালভূমি
  2. তিব্বত মালভূমি
  3. পামীর মালভূমি
  4. কলোরাডো মালভূমি
ব্যাখ্যা

তিব্বত মালভূমি:
- পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি তিব্বত মালভূমি।
- সমুদ্র সমতল থেকে অতি উচ্চ বিস্তীর্ণ সমভূমিকে মালভূমি বলে। মালভূমি প্রায়ই পর্বতবেষ্টিত হয়।
- পৃথিবীর বৃহত্তম মালভূমি হল তিব্বতীয় মালভূমি।
- এটি মধ্য এশিয়া ও পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল উচ্চভূমি।
- তিব্বতীয় মালভূমির আয়তন প্রায় ২,৫০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৯৬৫,০০০ বর্গমাইল)। 
- এটি সমুদ্রতল থেকে ১৩,০০০ - ১৫,০০০ ফুট (৪,০০০ - ৫,০০০ মিটার) উঁচু।

⇒ তিব্বত মালভূমির উত্তরে রয়েছে ‘কুনলুন’ পর্বত এবং দক্ষিণে হিমালয়; পশ্চিমে কারাকোরাম পর্বতমালা; পূর্বে হেংতুয়ান পর্বতমালা।
- এখানে আরও রয়েছে গাংদেস পর্বতমালা - নাইনকেন তাংগুলা পর্বতমালা এবং এর শাখা।

উৎস: i) Britannica
ii) World atlas.

.
জাপানের রাজধানী টোকিও কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. হনসু
  2. কিউসু
  3. শিকোকু
  4. হোক্কাইডো
ব্যাখ্যা
দ্বীপরাষ্ট্র জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো: শিকোকু, কিউসু, হনসু ও হোক্কাইডো।
- আয়তনে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত। যা বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ হনসু দ্বীপে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘর্ষ এবং পরাজয়ের পর, জাপান অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করে।
- এটি এখন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় উৎপাদক এবং বাণিজ্যিক শক্তি।
- জাপান তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রযুক্তিগত উন্নতি এবং সাংস্কৃতিক কারণে একটি অনন্য দেশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
.
কোন নদীকে প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎসখনি' বলা হয়?
  1. পদ্মা নদী
  2. হালদা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।
- হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সমকাল পত্রিকার নিউজ।
.
এঞ্জেল জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত? 
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. আর্জেন্টিনা 
ব্যাখ্যা
এঞ্জেল জলপ্রপাত:
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (Angel Falls) বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- এটি ভেনেজুয়েলার বলিভার রাজ্যের গিয়ানা উচ্চভূমিতে অবস্থিত।
- জলপ্রপাতটি চুরুন নদীর উপর অবস্থিত, যা কারোনি নদীর একটি উপনদী।
- জলপ্রপাতটির উচ্চতা ৩,২১২ ফুট (৯৭৯ মিটার)।
- এর প্রস্থ ভিত্তিতে ৫০০ ফুট (১৫০ মিটার)।
- এটি আউয়ান-টেপুই (Auyán-Tepuí), বা "ডেভিলস মাউন্টেন" থেকে নিচে পড়ে।
- জলপ্রপাতটি প্রায় সম্পূর্ণ উলম্ব পাথরের গায়ে সামান্য স্পর্শ করেই নিচে নামে।
- এটি ক্যানাইমা ন্যাশনাল পার্কের মধ্যে অবস্থিত।
- ঘন জঙ্গলের কারণে এটি সবচেয়ে ভালো দেখা যায় আকাশপথ থেকে।
- আমেরিকান অভিযাত্রিক জেমস অ্যাঞ্জেল ১৯৩০ সালে বহিরাগত হিসেবে এটি প্রথম দেখতে পান।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকান অভিযাত্রী জেমস অ্যাঞ্জেল তার বিমান কাছাকাছি মেসায় অবতরণ করলে এটি প্রসিদ্ধ হয়।
- তার নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয় অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত।
- ২০০৯ সালে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ ঘোষণা দেন জলপ্রপাতটির আদিবাসী নাম "কেরেপাকুপাই মেরু" ব্যবহার করা উচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
'সাগর কন্যা' হিসেবে খ্যাত-
  1. ইনানী
  2. পতেঙ্গা
  3. কুয়াকাটা
  4. সেন্ট মার্টিন
ব্যাখ্যা
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।
- ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত।
- বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উভয়ই দেখা যায়।
- সূর্যোদয় গঙ্গামতির বাঁক থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায় ও সূর্যাস্ত পশ্চিম সৈকত থেকে উপভোগ্য।
- সৈকতের পাশেই "নারিকেল কুঞ্জ" নামে পরিচিত দেড় শতাধিক একরের নারিকেল বাগান।
- দর্শনীয় স্থান ফাতরার বন (ম্যানগ্রোভ বন), সীমা বৌদ্ধ মন্দির (৩৭ মণের বুদ্ধ মূর্তি), কুয়াটারা কুয়া (ঐতিহাসিক কূপ), গঙ্গামতির জঙ্গল, আলীপুর বন্দর (মাছ ব্যবসা কেন্দ্র)।

অন্যদিকে,
- পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত।
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এবং পটুয়াখালী জেলা।
.
কোনটি দুই মহাদেশে অবস্থিত শহর?
  1. রোম
  2. প্যারিস
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ত্রিপোলি
ব্যাখ্যা
ইস্তাম্বুল: ইতিহাস ও গুরুত্ব:
- ইস্তাম্বুল, তুরস্কের বৃহত্তম শহর এবং প্রধান সমুদ্রবন্দর, একটি অনন্য শহর যা দুই মহাদেশ—ইউরোপ এবং এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- শহরটি যুগে যুগে সভ্যতা, ধর্ম, এবং সাম্রাজ্যবাদের কেন্দ্রে ছিল।

বাইজান্টিয়াম (Byzantium):
- ইস্তাম্বুলের প্রাচীন নাম ছিল বাইজান্টিয়াম।
- এই নামটি গ্রিক নেতা বাইজাস-এর নাম থেকে এসেছে বলে মনে করা হয়। 

কনস্টান্টিনোপল (Constantinople):
- ৩৩০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট কনস্টান্টাইন শহরটিকে তার নামানুসারে কনস্টান্টিনোপল নাম দেন। 

অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে (Ottoman Empire):
- ১৪৫৩ সালে সুলতান মুহাম্মদ ফাতিহ শহরটি বিজয় করেন এবং এটিকে অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
- এই সময়ে এটি ইসলামি সংস্কৃতি, শিল্প, এবং বাণিজ্যের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

ভৌগোলিক গুরুত্ব:
- ইস্তাম্বুল একটি ত্রিভুজাকার উপদ্বীপে অবস্থিত, যা একদিকে বসফরাস প্রণালী, অন্যদিকে সোনালি শৃঙ্গ (Golden Horn) এবং মারমারা সাগর দিয়ে পরিবেষ্টিত।
- এই অনন্য অবস্থান শহরটিকে প্রাচীন ও আধুনিক যুগে বাণিজ্য এবং সামরিক কৌশলের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সংস্কৃতির মেলবন্ধন:
- ইস্তাম্বুলকে প্রায়শই "পূর্ব-পশ্চিমের সেতু" বলা হয়। এটি যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্ম এবং সংস্কৃতির সংঘর্ষ ও মেলবন্ধনের সাক্ষী।
- খ্রিস্টান বাইজেন্টাইন যুগ থেকে শুরু করে ইসলামি অটোমান যুগ পর্যন্ত এটি দুই ধর্মের কেন্দ্রস্থল ছিল।
-  গ্রিক, রোমান, বাইজেন্টাইন এবং অটোমান স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের মিশ্রণে ইস্তাম্বুল একটি বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

আধুনিক ইস্তাম্বুল:
- আজকের ইস্তাম্বুল তুরস্কের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, এবং ঐতিহাসিক কেন্দ্র।
- শহরটি তার সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, এবং আধুনিক অবকাঠামোর মিশ্রণে বিশ্ব পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
- ইস্তাম্বুলের ইতিহাস প্রায় ২৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত।
- এটি শুধুমাত্র একটি শহর নয়, বরং বিভিন্ন যুগের রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় পরিবর্তনের প্রতীক।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কী?
  1. অ্যাকাঙ্কাগুয়া
  2. পুসাক জায়া
  3. ভিনসন ম্যাসিফ
  4. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
ব্যাখ্যা
মাউন্ট  কিলিমাঞ্জারো:
- আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম ‘মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো’।
- এটি তানজানিয়ায় অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো।
- কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে-
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট ডেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম অ্যাকাঙ্কাগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পুসাক জায়া।
- এন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম ভিনসন ম্যাসিফ।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট ও  National Geographic Society.
.
ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিত -
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিত কানাডা।
-  দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
- দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

অপরদিকে,
-সাদা হাতির দেশ হিসেবে পরিচিত থাইল্যান্ড
-সূর্যোদয়ের দেশ- জাপান।
- নরওয়েকে  নিশিথ সূর্যের দেশ বলা হয়।
-হাজার হ্রদের দেশ বলে হয়  ফিনল্যান্ডকে।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
.
কোনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত ?
  1. ইউরাল পর্বতমালা
  2. পিরিনিজ পর্বতমালা
  3. অ্যাটলাস পর্বতমালা
  4. কারাকোরাম পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
⇒ ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত- ইউরাল পর্বতমালা। 

⇒ ইউরাল পর্বতমালা:
- ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং দেশটিকে ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার।

 অন্যদিকে, অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পর্বতমালা:
- কারাকোরাম পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং এটি পাকিস্তান, ভারত, ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- পিরেনিজ পর্বত স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
- অ্যাটলাস পর্বতমালা মরক্কো, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়ার মধ্যে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট।
১০.
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ৭ মার্চ
  3. ২৬ মার্চ
  4. ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
⇒ স্বাধীনতা দিবস:
 - ২৬ শে মার্চ — বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সেজন্যে একে স্বাধীনতা দিবস বলা হয়।

অন্যদিকে, 
- ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং
- ২১শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস - ৭ মার্চ। 

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস সমূহ: 
- জাতীয় শিক্ষক দিবস- ১৯ জানুয়ারী, 
- জাতীয় পতাকা দিবস- ০২ মার্চ, 
- জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস- ৭ নভেম্বর, 
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস- ২১ নভেম্বর,
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস- ০১ ডিসেম্বর, 
- শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস- ১৪ ডিসেম্বর। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
তাসখন্দ কোন দেশের রাজধানীর নাম?
  1. তাজিকিস্তান
  2. তুর্কমেনিস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
উজবেকিস্তান:
- আনুষ্ঠানিকভাবে উজবেকিস্তান প্রজাতন্ত্র।
- দেশটি ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন করে।
- 'উজবেকিস্তান' দেশটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।
- উজবেকিস্তান মূলত আমু দরিয়া এবং সির দরিয়া নদীর মধ্যে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৭৩,৩৪৯ বর্গ মাইল (৪৪৮,৯৭১ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: তাসখন্দ।
- ভাষা: উজবেক (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, তাজিক, কাজাখ।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: সোম।

উল্লেখ্য,
মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর রাজধানীর নাম হলো:
- কাজাখস্তান (Kazakhstan): আস্তানা (Astana)
- তুর্কমেনিস্তান (Turkmenistan): আসখাবাদ (Ashgabat)
- উজবেকিস্তান (Uzbekistan): তাসখন্দ (Tashkent)
- কিরগিজস্তান (Kyrgyzstan): বিশকেক (Bishkek)
- তাজিকিস্তান (Tajikistan): দুশানবে (Dushanbe)

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।