পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ রিভিশন [পরীক্ষা ১ - ৫]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ভেক্টর রাশির ধর্ম নয় কোনটি?
  1. ক) ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
  2. খ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
  3. গ) ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।
  4. ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়।
এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি।  

ভেক্টর রাশির ধর্ম (Properties of vector):

- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। যেমন -
- ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
- সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
- দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
- দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
- ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
- ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।
- ভেক্টর রাশির উদাহরণ সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সূর্যের পদার্থ সমূহ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) তরল
  2. খ) কঠিন
  3. গ) বায়বীয়
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা
প্লাজমা:

- পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা।
- এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস।
- প্লাজমার বড় উৎস হচ্ছে সূর্য। তাছাড়াও অন্যান্য নক্ষত্রগুলোও প্লাজমার উৎস।
- প্রায় কয়েক হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্লাজমা অবস্থার উৎপত্তি হয়।
- গ্যাসের ন্যায় প্লাজমার কোন নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই।
- প্লাজমা কণাগুেলো তড়িৎ আধান বহন করে বলে প্লাজমা তড়িৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থের এই অবস্থাটি আয়নিত রূপে থাকে।
- অত্যাধিক তাপমাত্রায় (প্রায় ১-২ হাজার ডিগ্রী ) প্লাজমা অবস্থার উদ্ভব ঘটে।
- গবেষণাগারে নিম্নচাপে গ্যাসীয় পদার্থকে উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়।
- গ্যাসীয় পদার্থের মতো প্লাজমার নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নেই।
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায়ও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্রের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) একজন মাঝির নৌকা চালানো।
  2. খ) চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
  3. গ) থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন।
  4. ঘ) বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়।
সঠিক উত্তর:
ক) একজন মাঝির নৌকা চালানো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একজন মাঝির নৌকা চালানো।
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু সমবেগে চলতে থাকবে।
- উদাহরণঃ চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- থেমে থাকা বাস হঠাৎ চলতে শুরু করলে যাত্রীরা সবাই পেছনের দিকে হেলে পড়েন।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং যেদিকে বল প্রয়োগ করা হয় ভরবেগের পরিবর্তনও ঘটে সেদিকে।
- উদাহরণঃ কোনো বস্তু নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে পড়ে তখন মহাকর্ষ বলের কারণে ত্বরণ বেড়ে যায়।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়োগ করে।
- উদাহরণঃ বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
- একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
- মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
d-ব্লক মৌলের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২৮
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৪০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০
ব্যাখ্যা
d-ব্লক মৌল:

- যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে।
- পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম, Sc ( 21 ) থেকে জিঙ্ক, Zn(30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম, Y (39) থেকে ক্যাডমিয়াম, cd(48) হলো d-ব্লক মৌল।
- এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়ে d-ব্লক মৌল আছে।
- পর্যায় সারণির '3' থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
- এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে।
- এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে 10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান সর্বোচ্চ?
  1. ক) বিষুব রেখা
  2. খ) মেরু বিন্দু
  3. গ) এভারেষ্ট শৃঙ্গে
  4. ঘ) সমুদ্র সমতলে
সঠিক উত্তর:
খ) মেরু বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেরু বিন্দু
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ:

- অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্ব নিম্ন প্রায় 9.78 ms-2
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- সমুদ্র সমতলে প্রাপ্ত 9.75 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। এই মান হচ্ছে 9.80665 ms-2
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2

তথ্যসুত্র - পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি এসিডের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এটি লাল লিটমাসকে নীল করে।
  2. খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
  3. গ) ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন করে।
  4. ঘ) প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহন করতে পারে।
সঠিক উত্তর:
খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
ব্যাখ্যা
এসিড:

- নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয় এসিডের কারণে।
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে।
- যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়।
- এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. এসিড স্বাদে টক।
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে।
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে।
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে।
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী।

তথ্যসূত্র - রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন মৌলটি জৈব যৌগ গঠনে অপরিহার্য?
  1. ক) সালফার
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ:

- কার্বন শিকল দ্বারা গঠিত বিভিন্ন শ্রেণির যৌগের রসায়নকে জৈব রসায়ন বলে।
- প্রকৃতপক্ষে কার্বনের রসায়নই জৈব রসায়নের আলোচ্য বিষয়।
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে প্রধানত হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার, ফসফরাস, হ্যালোজেন প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।
- সকল জৈব যৌগে কার্বন থাকবেই।
- কিন্তু সকল জৈব যৌগে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার, ফসফরাস, হ্যালোজেন প্রভৃতি নাও থাকতে পারে।
- জৈব যৌগে কার্বন থাকলেও সকল কার্বনযুক্ত যৌগ কিন্তু জৈব যৌগ নয়।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ড্রাই আইস তৈরীতে কোন গ্যাসের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) NH2
  2. খ) CO2
  3. গ) H2
  4. ঘ) H2O
সঠিক উত্তর:
খ) CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CO2
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বরফ:

- শুষ্ক বরফ বা ‘ড্রাই আইস' হলো জমাট বা হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -78.5°C উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি অধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. ক) Mica
  2. খ) Cu
  3. গ) Au
  4. ঘ) Fe
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
ব্যাখ্যা
ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে।
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।

ধাতব খনিজ পদার্থ:
• লোহা (Fe)
• তামা  (Cu)
• সোনা (Au)
• রূপা  (Ag) ইত্যাদি। 

অধাতব খনিজ পদার্থ: 
• কোয়ার্টজ (Quartz)
• মাইকা (Mica)
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
পর্যায় সারণিকে কতটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
পর্যায় সারণি:

- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন।
- এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে।
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে।
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কত সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে মডেল প্রদান করেন?
  1. ক) ১৯০৮ সাল
  2. খ) ১৯১১ সাল
  3. গ) ১৯১৮ সাল
  4. ঘ) ১৯২১ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১১ সাল
ব্যাখ্যা
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল:

- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেছেন বলে, এ মডেলটিকে সোলার সিস্টেম মডেল বা সৌর মডেল বলে।
- এ মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস সম্পর্কে ধারণা দেন বলে এ মডেলটিকে নিউক্লিয়ার মডেলও বলা হয়।
- রাদারফোর্ডই সর্বপ্রথম নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রনের কক্ষপথ সম্বন্ধে ধারণা দেন।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
  2. খ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী কেপলার।
  3. গ) সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ:

- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।
- অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে।
- অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
- অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না।

মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ।
- এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, অর্থাৎ নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমকপ্রদ বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।

• সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
• গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।