পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১২ বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: বাংলাদেশের অর্থনীতি: ১) উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: ১) শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: ১) শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে) উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ১০.৩৭ শতাংশ
  2. ৬.৬৬ শতাংশ
  3. ৯.৮৬ শতাংশ
  4. ৫.৩৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৬.৬৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৬৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ২২২.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ৩৯০.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
খাদ্যশস্য উৎপাদন:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এর সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৬৭.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
- এর মধ্যে আউশ ২৯.০১ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৫৪.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২০৭.৬৭ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ১১.৭০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খাদ্যশস্য উৎপাদন এর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫১৩.৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন, যার মধ্যে আউশ ৩৯.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৭১.৭৯ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২২২.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন ও গম ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বোরো ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা: 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বোরো ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা: ২২৬.০২২ লক্ষ মেট্রিক টন

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
নিচের কোনটি সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা?
  1. গ্রামীণ খাদ্য ব্যাংক
  2. ওপেন মার্কেট সেল
  3. খাদ্য ভাউচার
  4. ন্যায্যমূল্যের দোকান
সঠিক উত্তর:
ওপেন মার্কেট সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন মার্কেট সেল
ব্যাখ্যা
খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) নীতিমালা-২০২৪: 
- Rules of Business, 1996 এর Rule 4(ix) (a) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালে খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওপেন মার্কেট সেল  বা ওএমএস) নীতিমালা জারি করা হয়েছে। 
- সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে আছে: ওপেন মার্কেট সেল  বা ওএমএস এবং পাবলিক ওয়ার্কস প্রোগ্রাম। 
- পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম (PFDS) বিভিন্ন খাদ্য-ভিত্তিক নিরাপত্তা জালে খাদ্যশস্য সরবরাহ করে, যা তার মোট PFDS খাদ্যশস্য বিতরণের প্রায় তিন-চতুর্থাংশের জন্য দায়ী।
- খাদ্য ভিত্তিক পাবলিক ওয়ার্কস প্রোগ্রাম (FFW এবং TR) এবং OMS ছাড়াও, তিনটি বৃহত্তম খাদ্য ভিত্তিক প্রোগ্রামগুলির মধ্যে রয়েছে VGF, GR এবং ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (VGD) প্রোগ্রাম।
- সরকার খাদ্যশস্যের বাজার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রোধ করে নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা (Price Support) দেয়া এবং বাজার দর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে Public Food Distribution System বা সরকারি খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থা (PFDS) এর আওতায় খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয়ের নীতিমালা জারি করেছে। 
- এই নীতিমালা "খোলা বাজারে খাদ্যশস্য বিক্রয় (ওএমএস) নীতিমালা, ২০২৪" নামে অভিহিত হবে।
- বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক বিশেষত: নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী ওএমএস এর উপকারভোগী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

উৎস: খাদ্য মন্ত্রণালয়।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
.
রাবনাবাদ চ্যানেলে কোন সমুদ্রবন্দর অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মংলা
  3. পায়রা
  4. মাতারবাড়ী
সঠিক উত্তর:
পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর: 
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬, সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৷
- এটি আমদানী ও রপ্তানীর জন্য একটি সরকারী রুট।
- ৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৩ পাস হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশে কোন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা হয়?
  1. আউশ
  2. আমন
  3. বোরো
  4. রবি
সঠিক উত্তর:
আমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আমন ধান সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা হয়।
- আমন ধান চাষ হয়: ১,৪১,৪৩,২৮৬ একরে,
- আউশ ধান চাষ হয়: ২৬,২২,৪০৪ একরে,
- বোরো ধান চাষ হয়: ১,১৯,৮৯,১৭৪ একরে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 
.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম নয় কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. হুন্ডি
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুন্ডি
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা: 
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International 
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক। 
সোনালী ব্যাংক।
.
২০২৪–২৫ অর্থবছরের জুলাই- ডিসেম্বর মাসে নিচের কোন খাত সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে?
  1. তৈরি পোশাক
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. প্লাস্টিক পণ্য
  4. চামড়াবহির্ভূত জুতা
সঠিক উত্তর:
চামড়াবহির্ভূত জুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়াবহির্ভূত জুতা
ব্যাখ্যা
রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি: ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
- চামড়াবহির্ভূত জুতা বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে।
- বাংলাদেশ এই খাতে ধীরে ধীরে চীনের পর বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান মজবুত করছে।

প্রধান খাতের পারফরম্যান্স:
তৈরি পোশাক:
রপ্তানি আয়: ১,৯৮৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
রপ্তানি আয়: ৫৮ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১০.৫%।

হিমায়িত মৎস্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৪ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩%।

প্লাস্টিক পণ্য:
রপ্তানি আয়: ১৬ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩০%।

চামড়াবহির্ভূত জুতা:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৭ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩৯%।

বিশেষায়িত বস্ত্রপণ্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ১৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ২৩%।

উৎস: প্রথম আলো (৩ জানুয়ারি ২০২৫)। (লিঙ্ক)
.
শ্রমিকের সংখ্যা কত হলে সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. ১২০ জনের অধিক
  2. ৩০০ জনের অধিক
  3. ৫০০ জনের অধিক
  4. ১০০০ জনের অধিক
সঠিক উত্তর:
১০০০ জনের অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্প: 
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, 
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে। 

- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২, শিল্প মন্ত্রণালয়।
১০.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কোন ইউনিট কাজ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক ফিনান্স ডিপার্টমেন্ট
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. বাংলাদেশ এন্টি মানি লন্ডারিং কমিশন
  4. ফিনান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ইউনিট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU ওয়েবসাইট
১১.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডাব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ : কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে,
- শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে চীন। বর্তমানে তাদের বাজার হিস্যা ৩১.৬৪ শতাংশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
- বিশ্বের তৈরি পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৭.৩৮ শতাংশ।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৫ বিলিয়ন বা সাড়ে চার হাজার কোটি ডলার।
- ভিয়েতনাম বাংলাদেশের চেয়ে ৭০০ কোটি ডলার কম মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
১২.
বাংলাদেশে জিডিপি গণনার ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. ব্যয় পদ্ধতি
  3. আয় পদ্ধতি
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি (Method of Estimation of GDP in Bangladesh): 
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।
- উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৩.
বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণকৃত ব্যাংকের তালিকায় যে সকল ব্যাংক রয়েছে।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।
- তফসিলি ব্যাংকগুলি নিম্নলিখিত প্রকারের মধ্যে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়:

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCB):
- বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ বা প্রধানত মালিকানাধীন ৬টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বিশেষায়িত ব্যাংক (এসডিবি): 
- বর্তমানে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেগুলো কৃষি বা শিল্প উন্নয়নের মতো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসব ব্যাংক সম্পূর্ণ বা প্রধানত বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন।

বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক (পিসিবি):
- এখানে ৪৩ টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা প্রধানত ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে:
প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ৩৩টি প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন কাজ করছে।
- তারা প্রচলিত ফ্যাশনে অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক অপারেশনে ব্যাংকিং ফাংশন সম্পাদন করে।

ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক:
- বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক পিসিবি রয়েছে। 
- তারা ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক নীতিমালা অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি (পিএলএস) মোড অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ১ টি ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- নাম: Nagad Digital Bank PLC.
- এটি একটি ডিজিটাল ব্যাংক যার কোনো শাখা নেই।

বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক (এফসিবি):
- ৯টি এফসিবি বিদেশে অন্তর্ভুক্ত ব্যাংকের শাখা হিসেবে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে কাজ করে তবে তফসিলি ব্যাংক নয়।
- এসব ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকের সব কাজ করতে পারে না।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যেগুলো হলো:
i) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
ii) কর্মসংস্থাপন ব্যাংক,
iii) গ্রামীণ ব্যাংক,
iv) জুবিলী ব্যাংক,
v) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৪.
জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রায় চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা কত শতাংশের নিচে আনার জন্য বলা হয়েছে?
  1. ৩%
  2. ৫.৬%
  3. ৭%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩%
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

National Priority Targets - NPT (জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রা):
- বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে যত দ্রুত সম্ভব এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ৩৯টি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।

SDG 1 - সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান:
- NPT ১: চরম দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ৩% এর নিচে হ্রাস করা।
- NPT ২: জাতীয় দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ১০% এর নিচে হ্রাস করা।

উৎস: SDG Tracker বাংলাদেশ।
১৫.
২০২৫–২৬ অর্থবছরের সম্ভাব্য বাজেট কত ধরা হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সাড়ে নয় লাখ কোটি টাকা
  2. সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা
  3. আট লাখ কোটি টাকা
  4. সাড়ে সাত লাখ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেট পরিকল্পনা: 
- আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার সাড়ে আট লাখ কোটি টাকা।
- চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- নতুন বাজেটে ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো বাড়তি বরাদ্দের পরিকল্পনা।
- দেশি-বিদেশি ঋণ এবং রাজস্ব সংগ্রহের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
- মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের জন্য নতুন আইন সংশোধনের উদ্যোগ।
- স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
- অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাদ দিয়ে বিদেশি অর্থায়নের ওপর জোর দেওয়া হবে।
- সরকারি চাকরিজীবীদের মহার্ঘ ভাতার জন্য বাড়তি বরাদ্দ থাকবে।
- মূল্যস্ফীতি: সরকার ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি: আগামী বছরের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫ শতাংশ।
- আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতে, ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনও চ্যালেঞ্জিং হবে।
- পূর্বের এডিপি আকার ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা ছিল।
- বর্তমান সরকার তা সংশোধন করে ২ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকায় নামিয়ে আনে।
- নতুন বাজেটে এডিপি আকার হতে পারে ২ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো (৫ জানুয়ারি ২০২৫)।
১৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪০,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৮,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৫৬,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭.
জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে কী বলে?
  1. জাতীয় আয়
  2. নিট আয়
  3. জিডিপি
  4. মাথাপিছু আয়
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (Per-Capita Income): 
- সাধারণত মাথাপিছু আয় বলতে জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে কোন দেশের মোট জাতীয় আয়কে ঐ বছরের মধ্যসময়ের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- World Development Report 2010 অনুযায়ী Per-Capita is Gross National Income (GNI) divided by midyear population.

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজারমূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৮.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত ছিল? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৮৪৯ কোটি ডলার
  2. ৪৪৪৬ কোটি ডলার
  3. ৪৬৫১ কোটি ডলার
  4. ২৪৫৩ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৪৪৬ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪৪৬ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়: 
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানিতে প্রায় ১২.৮৪% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।
- ২০২৪–২৫ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২৪৫৩ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর (জুলাই-ডিসেম্বর): ২১৭৪ কোটি ডলার।
- ২০২৩–২৪ অর্থবছর ৪৪৪৬ কোটি ডলার। 
- তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়: ১৯৮৯ কোটি ডলার।
- তৈরি পোশাক প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট।
১৯.
ক্ষতিকর দ্রব্যের ওপর আরোপ করা শুল্ককে কী বলা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties): 
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২০.
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তার নাম কী?
  1. নির্ধারিত বিনিময় হার
  2. ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট
  3. ক্রলিং পেগ
  4. মুদ্রা বোর্ড ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
ক্রলিং পেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রলিং পেগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি ঠিক করেছে, তার নাম ‘ক্রলিং পেগ’। 
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে। ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও - পারবে না।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৪)। 
২১.
কাঁচামাল থেকে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদনের ফলে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর আরোপিত কর হচ্ছে -
  1. প্রণোদনা
  2. রপ্তানি কর
  3. ভ্যাট
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
ভ্যাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাট
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax): 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন স্তরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট হারে যে কর আরোপ করা হয় তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।

অন্যদিকে, 
প্রণোদনা: অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আনতে, উৎসাহ যোগাতে, ক্ষতি কাটাতে সহায়তা হিসাবে সরকারের তরফ থেকে যে আর্থিক প্যাকেজ বা বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়, সেটাই আর্থিক প্রণোদনা। 
রপ্তানি কর: রপ্তানি পণ্যের ওপর আরোপিত কর। 
আবগারি শুল্ক: 
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।