পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪: Full Model Test - 4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৩ প্রশ্ন

.
যদি a4 + a2b2 + b4 = 3 এবং a2 + ab + b2 = 3 হয়, তবে a2 + b2 এর মান কত?
  1. 2
  2. 3
  3. 9
  4. 6
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি a4 + a2b2 + b4 = 3 এবং a2 + ab + b2 = 3 হয়, তবে a2 + b2 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a4 + a2b2 + b4 = 3 ...........(i)
a2 + ab + b2 = 3 ...............(ii)

এখন,
a4 + a2b2 + b= 3
⇒  (a2 + b2)2 - (ab)2 = 3
⇒ (a2 + ab + b2)(a2 - ab + b2) = 3
⇒ 3(a2 - ab + b2) = 3  [সমীকরণ (ii) থেকে মান বসিয়ে]
 ⇒ a2 - ab + b2 = 3/3
⇒ a2 - ab + b2 = 1 ........ (iii)

এখন, সমীকরণ (ii) এবং (iii) যোগ করে পাই,
(a2 + ab + b2) + (a2 - ab + b2) = 3 + 1
⇒ 2a2 + 2b2 = 4
⇒ 2(a2 + b2) = 4
⇒ a2 + b2 = 4/2
⇒ a2 + b2 = 2

∴ a2 + b2 এর মান হলো 2

.
নিচের কোনটিকে মাস্টার গ্ল্যান্ড/প্রভু গ্রন্থি বলা হয়?
  1. থাইরয়েড গ্রন্থি
  2. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. পিটুইটারি গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি গ্রন্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটুইটারি গ্রন্থি
ব্যাখ্যা

পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বা Master Gland বলা হয়।

পিটুইটারি গ্রন্থি:
- পিটুইটারি গ্রন্থি হলো মানব মস্তিষ্কের নিচে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র, লালচে-ধূসর রঙের মটর-সদৃশ অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।
- এটি অন্তঃক্ষরাতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার ওজন মাত্র ০.৫ গ্রাম।
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা নিয়ামক গ্রন্থি (Principal/Master gland) বলে।
- এটি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ করে এবং অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির (যেমন থাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল ও প্রজনন গ্রন্থি) কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি হাইপোথ্যালামাসের সাথে সংযুক্ত থাকে।

প্রধান অংশ ও হরমোনসমূহ:
- পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধানত দুইটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা:
১। অগ্র পিটুইটারি (Anterior Pituitary/Adenohypophysis):
- দেহের বৃদ্ধি, বিপাক এবং অন্যান্য গ্রন্থির কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এর প্রধান হরমোনগুলো হলো:
- গ্রোথ হরমোন (GH): দেহের সামগ্রিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
- থাইরয়েড-স্টিমুলেটিং হরমোন (TSH): থাইরয়েড গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- অ্যাড্রেনোকর্টিকোট্রপিক হরমোন (ACTH): অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) এবং লিউটিনাইজিং হরমোন (LH): এ দুটি হরমোনকে একত্রে গোনাডোট্রপিক হরমোন (GTH) বলা হয়, যা প্রজনন অঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রোল্যাকটিন (Prolactin): দুগ্ধ উৎপাদনে সহায়তা করে।
- মেলানোসাইট স্টিমুলেটিং হরমোন (MSH): ত্বক ও চুলের বর্ণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

২। পশ্চাৎ পিটুইটারি (Posterior Pituitary/Neurohypophysis):
- এই অংশটি নিজে কোনো হরমোন তৈরি করে না, বরং হাইপোথ্যালামাস থেকে আসা দুটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন সংরক্ষণ করে ও প্রয়োজনে নিঃসরণ করে।
• হরমোন দুটি হলো:
- ভ্যাসোপ্রেসিন (Vasopressin): এটি অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন (ADH) নামেও পরিচিত, যা কিডনির মাধ্যমে মূত্র নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- অক্সিটোসিন (Oxytocin): এটি সন্তান প্রসবকালে জরায়ুর সংকোচন ঘটানো এবং দুগ্ধ নিঃসরণে সাহায্য করে।

অন্যান্য অপশন:
থাইরয়েড গ্রন্থি: এটি থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা বিপাক (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নিজে মাস্টার গ্ল্যান্ড নয়, বরং এটি পিটুইটারি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি: এটি কিডনির উপরে অবস্থিত এবং স্ট্রেস হরমোন (যেমন অ্যাড্রেনালিন, করটিসল) নিঃসরণ করে। এটিও পিটুইটারি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
অগ্ন্যাশয়: এটি একটি মিশ্র গ্রন্থি। এটি ইনসুলিন ও গ্লুকাগন (রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী) হরমোন এবং পাচক এনজাইম নিঃসরণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

.

  1. 15/44
  2. 11/20
  3. 5/8
  4. 3/4
সঠিক উত্তর:
3/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

.
যদি log10√x = - 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 100
  2. 0.001
  3. 10
  4. 0.01
সঠিক উত্তর:
0.01
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.01
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log10√x = - 1 হয়, তাহলে x এর মান কত?

সমাধান:
log10√x = -1
⇒ log10(x1/2) = -1
⇒ (1/2) . log10x = -1
⇒ log10x = - 2
⇒ x = 10- 2
⇒ x = 1/102
⇒ x = 1/100
∴ x = 0.01

.
4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি নিচের কোনটি?
  1. অবাস্তব ও অসমান
  2. বাস্তব ও অসমান
  3. বাস্তব ও সমান
  4. মূলদ ও অসমান
সঠিক উত্তর:
বাস্তব ও সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তব ও সমান
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 4x2 - 12x + 9 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয়ের প্রকৃতি নিচের কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 4x2 - 12x + 9 = 0

এখানে, ax2 + bx + c= 0 সমীকরণের সাথে তুলনা করে পাই,
a = 4, b= - 12, c = 9

∴ নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= (- 12)2 - 4 × 4 × 9
= 144 - 144
= 0

যেহেতু, b2 - 4ac = 0, তাই সমীকরণটির মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান।

• দ্বিঘাত সমীকরণের মূলের প্রকৃতি:
1. যদি b2 - 4ac < 0 হয়, তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় অবাস্তব ও অসমান হবে।
2. যদি b2 - 4ac = 0 হয়, তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হবে।
3. যদি b2 - 4ac > 0 হয়, তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও অসমান হবে।
4. যদি b2 - 4ac পূর্ণবর্গ সংখ্যা হয়, তবে দ্বিঘাত সমীকরণের মূলদ্বয় মূলদ ও অসমান হবে।

.
একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দূরত্ব 3 সে.মি. এবং ক্ষেত্রফল 48 বর্গ সে.মি.। এর সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের গড় কত সে.মি?
  1. 24 সে.মি.
  2. 12 সে.মি.
  3. 32 সে.মি.
  4. 16 সে.মি.
সঠিক উত্তর:
16 সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দূরত্ব 3 সে.মি. এবং ক্ষেত্রফল 48 বর্গ সে.মি.। এর সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের গড় কত সে.মি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দূরত্ব (উচ্চতা) = 3 সে.মি.
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 48 বর্গ সে.মি.

মনে করি, সমান্তরাল বাহুদ্বয় a এবং b সে.মি.

আমরা জানি,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 1/2 × (সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের সমষ্টি) × উচ্চতা
∴ 48 = 1/2 × (a + b) × 3
⇒ 48 = (a + b) × 3/2
⇒ (a + b) × 3 = 48 × 2
⇒ (a + b) × 3 = 96
⇒ a + b = 96/3
⇒ a + b = 32

∴ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের গড় = (a + b)/2
= 32/2
= 16 সে.মি.

.
বাংলাদেশের কোথায় ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙামাটি 
  4. সিলেট 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
নিচের কোন দুটি মুসলিম দেশ 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করে?
  1. ইরান ও ইরাক
  2. পাকিস্তান ও সৌদি আরব 
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. সৌদি আরব ও আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও সৌদি আরব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ও সৌদি আরব 
ব্যাখ্যা

• কৌশলগত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি:
- গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি 'যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তি'-তে স্বাক্ষর করেছে।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, 'কোনো একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনকে উভয় দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে গণ্য করা হবে'।
- সৌদি আরব ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির পর আরব ন্যাটো বা মুসলিম ন্যাটোর ধারণা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

উৎস: পত্রিকা প্রতিবেদন।

.
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ১৬ সেপ্টেম্বর
  2. ২৫ আগস্ট
  3. ৬ নভেম্বর
  4. ২৭ জুন
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস:
- আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস ১৬ সেপ্টেম্বর।
- দিবসটি ‘বিশ্ব ওজোন দিবস’ হিসেবেও পরিচিত।
- ২০২৫ সালে দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো—‘বিজ্ঞান থেকে বৈশ্বিক পদক্ষেপ’।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্যগুলো ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোন স্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এ দিনই পালিত হয় বিশ্ব ওজোন দিবস বা আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর রক্ষা দিবস হিসাবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে।

উৎস:- UN ওয়েবসাইট।

১০.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. অষ্টম সংশোধনী
  4. একাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।

• এ সংশেোধনীর মাধ্যমে বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। 
যেমন-
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

উৎস: সংবিধান।

১১.
”ইংলিশ চ্যানেল” কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে? 
  1. গ্রিনল্যান্ড– কানাডা
  2. ফ্রান্স – ব্রিটেন
  3. আয়ারল্যান্ড -পোল্যান্ড
  4. পোল্যান্ড-ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স – ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স – ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি চ্যানেল।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস: Britannica.

১২.
The International Civil Service Commission (ICSC)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. লন্ডন
  2. জেনেভা
  3. নিউইয়র্ক
  4. প্যারিস
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা

 ICSC এর পূর্ণরূপ হলো The International Civil Service Commission.
- সিভিল সার্ভিস কমিশন (ICSC) হল একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ সংস্থা।
- এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গঠিত।
- এটির সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।

উৎস: ICSC ওয়েবসাইট।

১৩.
২০২৫-২৬-অর্থবছরে বাজেটের পরিমাণ মোট জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২৫.৭%
  2. ১২.৭%
  3. ১৩.৭%
  4. ২২.৭%
সঠিক উত্তর:
১২.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.৭%
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার মোট জিডিপির ১২.৭%
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের  লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. অবমাননিয় 
  2. নিরবিচ্ছিন্ন
  3. অবচ্ছিন্ন 
  4. অবঞ্ছিত 
সঠিক উত্তর:
অবচ্ছিন্ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবচ্ছিন্ন 
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানন- অবচ্ছিন্ন। 
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- বিশিষ্ট। 
- মিলিত, সংযুক্ত।
- বিচ্ছিন্ন (নিরবচ্ছিন্ন); বিভক্ত।

অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- অবমাননীয়, নিরবচ্ছিন্ন, অবাঞ্ছিত। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫.
কোনটি পরাগত সমীভবনের উদাহরণ?
  1. চক্র > চক্ক
  2. পদ্ম > পদ্দ
  3. লগ্ন > লগ্‌গ
  4. কাঁদনা > কান্না
সঠিক উত্তর:
কাঁদনা > কান্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁদনা > কান্না
ব্যাখ্যা

• কাঁদনা > কান্না হলো পরাগত সমীভবনের উদাহরণ।

এখনে পরবর্তী ব্যঞ্জনধানির প্রভাবে পূর্ববর্তী অসম ব্যঞ্জনধ্বনি পরবর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সমতা লাভ করে। যেমন- কাঁদনা > কান্না। পরবর্তী 'ন'-এর প্রভাবে পূর্ববর্তী 'দ' 'ন'-তে রূপান্তরিত হয়ে সাম্য লাভ করেছে।

--------------------------
• সমীভবন (Assimilation): 
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন। যেমন- জন্ম > জম্ম, কাঁদনা > কান্না ইত্যাদি।

ক. প্রগত (Progressive) সমীভবন:
পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতো হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন। যেমন- চক্র > চক্ক, পক্ব > পক্ক, পদ্ম > পদ্দ, লগ্ন > লগ্‌গ ইত্যাদি।

খ. পরাগত (Regressive) সমীভবন:
ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন হয়, একে বলে পরাগত সমীভবন। যেমন- কর্ম > কম, কর্তা > কত্তা, যতদূর > যদ্দুর, করতাল > কত্তাল, ধর্ম > ধম্ম , তৎ + জন্য = তজ্জন্য, তৎ + হিত = তদ্ধিত, উৎ + মুখ = উন্মুখ ইত্যাদি।

গ. অন্যোন্য (Mutual) সমীভবন:
যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটো ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে বলে অন্যোন্য সমীভবন। যেমন- সংস্কৃত সত্য > প্রাকৃত সচ্চ; সংস্কৃত বিদ্যা > প্রাকৃত বিজ্জা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

১৬.
ণ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. ঋণ
  2. ঝরণা 
  3. দূষণ
  4. পরায়ণ
সঠিক উত্তর:
ঝরণা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝরণা 
ব্যাখ্যা

• 'ণ' এর অশুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে- ঝরণা শব্দে। 
- শুদ্ধ বানান- ঝরনা। এটি বাংলা ভাষার শব্দ। 
- বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।   

----------------------
• ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
১. সাধারণভাবে তৎসম শব্দে ঋ, র, ষ-এর পর 'ণ' হয়। যেমন: বর্ণ, পূর্ণ, উষ্ণ, ঋণ, তৃণ, ঘৃণা, রণ, স্মরণ, বর্ণ, বর্ণনা, করণ, ভীষণ, দূষণ, ব্যাকরণ, সাধারণ, মরণ, সরণ ইত্যাদি।

২. প্র, পরি, পরা, নির- এই চার উপসর্গের পরে 'ণ' হয়। যেমন: প্রণয়, পরিণতি, পরহে, নির্ণয় ইত্যাদি।

৩. ট-বর্গের ট, ঠ, ড, ঢ- এই চার বর্ণের সঙ্গে যুক্তবর্ণ হিসেবে 'ণ' হয়। যেমন: কণ্টক, ঘণ্টা, দণ্ড, ভণ্ড, লুণ্ঠন, কাণ্ড ইত্যাদি।

৪. উত্তর, পর, পার, চান্দ্র, নার, রাম এই ছয় শব্দের পরে 'আয়ন' যোগ হলে 'গ' হয়।
যেমন: উত্তর + আয়ন = উত্তরায়ণ, পর + আয়ন = পরায়ণ, রাম + আয়ন = রামায়ণ ইত্যাদি।

৫. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ণ' হয়। যেমন: লবণ, পণ্য, বাণিজ্য ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস।

১৭.
বিশেষ্য পদ কোনটি?
  1. চালাকি
  2. সুন্দর 
  3. চটপটে 
  4. ঠান্ডা
সঠিক উত্তর:
চালাকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালাকি
ব্যাখ্যা



• বিশেষণজাত (গুণবাচক) বিশেষ্য:

বিশেষণের সঙ্গে বিশেষ্যকারী অন্ত্যপ্রত্যয় যোগ করে এ ধরনের বিশেষ্য গঠিত হয়। যেমন- ধীর + তা = ধীরতা, এরকম- দ্রুততা, চালাকি, পটুত্ব, শৌখিনতা, নষ্টামি ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে,
---------------
• বিশেষণ পদ:
বিশেষণ বাক্যে ব্যবহৃত শব্দকে বিশেষিত করে শব্দের অর্থকে বিশদ বা সীমিত করে। বিশেষণ যখন কোনো কিছুর গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে তখন বিশেষ্য শব্দের অর্থ বিশদ করে। যেমন-নীল আকাশ, ঠান্ডা হাওয়া, চৌকশ লোক, সাদা বাড়ি, সুন্দর বাগান, চটপটে ছেলে, ইত্যাদি।

গুণবাচক বিশেষণ: বিশেষিত পদের গুণ-বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে। যেমন- চৌকশ লোক, দক্ষ কারিগর, চটপটে ছেলে, ঠান্ডা হাওয়া।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৮.
'কন্যা' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
  1. নন্দিনী
  2. আত্মজা
  3. তনু 
  4. তনয়া
সঠিক উত্তর:
তনু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তনু 
ব্যাখ্যা

• 'কন্যা' এর সমার্থক শব্দ নয়- তনু।  

• 'কন্যা' এর সমার্থক শব্দ: মেয়ে, দুহিতা, আত্মজা, নন্দিনী, তনয়া, পুত্রী, ঝি।

অন্যদিকে, 
----------------------


• 'দেহ' এর সমার্থক শব্দ: 
শরীর, গা, গাত্র, বপু, তনু, অঙ্গ, অবয়ব, কাঠামো, আকৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১-সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।  

১৯.
'উড়নপেকে' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. কুটিল বুদ্ধি
  2. অপব্যয়ী
  3. অকালপক্ব
  4. বলবান
সঠিক উত্তর:
অপব্যয়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপব্যয়ী
ব্যাখ্যা

• 'উড়নপেকে' বাগ্‌ধারার অর্থ- অপব্যয়ী। 

অন্যদিকে, 
• 'ইস্কুপের প্যাচ' অর্থ - কুটিল বুদ্ধি। 
• 'ইঁচড়ে পাকা' অর্থ - অকালপক্ব। 
• 'উর্জস্থল' অর্থ - বলবান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২০.
'আসাদের শার্ট' কবিতাটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. ভাষা আন্দোলন 
  2. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ 
  3. ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

• 'আসাদের শার্ট' কবিতা:
- শহীদ আসাদ স্মরণে কবি শামসুর রাহমান লিখেছিলেন কালজয়ী কবিতা 'আসাদের শার্ট'।
- 'আসাদের শার্ট' কবিতাটি ১৯৬৯ সালের ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান-এর প্রেক্ষাপটে রচিত, যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এক পুলিশি গুলিতে শহীদ হন। কবি শামসুর রাহমান আসাদের শহীদ হওয়ার পর তাঁর রক্তমাখা শার্ট দেখে মানসিকভাবে আলোড়িত হয়ে এই কবিতাটি লেখেন, যা পরবর্তীতে তাঁর 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়।

'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কিছু কবিতা হলো-
- বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা,
- ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯,
- পুলিশ রিপোর্ট,
- হরতাল,
- এ লাশ আমরা রাখব কোথায়?,
- আসাদের শার্ট ইত্যাদি।

তাতে কবি লিখেছিলেন-

আসাদের শার্ট
- শামসুর রাহমান
গুচ্ছ গুচ্ছ রক্তকরবীর মতো কিংবা সূর্যাস্তের
জ্বলন্ত মেঘের মতো আসাদের শার্ট
উড়ছে হাওয়ায় নীলিমায়।

বোন তার ভায়ের অম্লান শার্টে দিয়েছে লাগিয়ে
নক্ষত্রের মতো কিছু বোতাম কখনো
হৃদয়ের সোনালী তন্তুর সূক্ষতায়
বর্ষীয়সী জননী সে-শার্ট
উঠোনের রৌদ্রে দিয়েছেন মেলে কতদিন স্নেহের বিন্যাসে।

উৎস: 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থ; 'আসাদের শার্ট' কবিতা এবং বাংলাপিডিয়া। 

২১.
'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. দিনিলিপি 
  2. রাজনৈতিক নাটক 
  3. কাব্যগ্রন্থ 
  4. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 
ব্যাখ্যা

• 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাস:
- লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আরেকটি উপন্যাস 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' (১৯৮৪)।

- মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। বাঙালি জাতিসত্তার আত্মপরিচয়, সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার কথা পরম মমতায় তুলে ধরেছেন এ উপন্যাসে।

- একজন প্রধান শিক্ষক তাহের উদ্দীন খন্দকারের আত্মোপলব্ধি, অন্বেষণ ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধে জলেশ্বরীর দুর্বার ভূমিকার কথা। বিভিন্ন জায়গা ছড়িয়ে থাকা জলেশ্বরীর সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে তাহেরের স্মৃতিচারণায়।

--------------------
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- এক মহিলার ছবি,
- অনুমপ দিন,
- সীমানা ছাড়িয়ে,
- নীল দংশন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- দ্বিতীয় দিনের কাহিনী,
- আয়না বিবির পালা,
- স্তব্ধতার অনুবাদ।

• কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- নুরুলদীনের সারা জীবন,
- এখানে এখন ইত্যাদি।

উৎস: 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২২.
চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় কতো বঙ্গাব্দে?
  1. ১৩২৩ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩০৯ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩১৪ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩০৭ বঙ্গাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩১৪ বঙ্গাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১৪ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ। এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে)। এবং ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

চর্যার কবিদের সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে-
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

চর্যাপদ কবিগণ হলেন:
কাহ্নপা; কুক্কুরীপা; ধর্মপা; ঢেণ্ঢণপা; বিরুপা; বীণাপা; ভাদেপা; ভুসুকুপা, মহীধরপা, লুইপা; শবরপা; শান্তিপা; সরহপা; ডোম্বীপা; কম্বলাম্বরপা; গুণ্ডরীপা; চাটিল্লপা; আর্যদেবপা; দারিকপা; তাড়কপা; কঙ্কণপা; জয়নন্দীপা; তন্ত্রীপা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

২৩.
ফিউশন ও দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন-
  1. সেলিম আল দীন
  2. নুরুল মোমেন
  3. দীনবন্ধু মিত্র 
  4. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা

নাট্যকার সেলিম আল দীন দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব, ফিউশন তত্ত্ব'র প্রবক্তা এবং নিউ এথনিক থিয়েটারের উদ্ভাবনকারী। তিনি শিল্পের বিভিন্ন মাধ্যমকে একীভূত করে একটি নতুন শিল্পরীতি প্রবর্তন করেন, যা দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব নামে পরিচিত।

• এই দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের মূল ধারণা হলো, জীবনের বৈচিত্র্য এবং বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমের পারস্পরিক সম্পর্ককে স্বীকার করে নেয়া। সেলিম আল দীন মনে করতেন, জীবনকে কেবল একটি নির্দিষ্ট আঙ্গিকে দেখা উচিত নয়, বরং বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন মাধ্যমে এর প্রকাশ হওয়া উচিত।
সেলিম আল দীন তার নাটকে এই দ্বৈতাদ্বৈতবাদী দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরেছেন। তার "চাকা" নাটকে তিনি নিজেকে "দ্বৈতাদ্বৈতবাদী" হিসেবে ঘোষণা করেন। এছাড়া, তার "হরগজ" নাটকেও এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন দেখা যায়।

------------------
সেলিম আল দীন রচিত সাহিত্যকর্ম:
• কাব্যগ্রন্থ: কবি ও তিমি।

• উপন্যাস: অমৃত উপাখ্যান।

• নাটক:
- তিনটি মঞ্চ নাটক: মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, শকুন্তলা ও কিত্তনখোলা,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- কেরামতমঙ্গল,
- প্রাচ্য,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- যৈবতী কন্যার মন,
- চাকা,
- হরগজ,
- বনপাংশুল,
- স্বর্ণবোয়াল,
- পুত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৪.
The plural of "cactus"?
  1. Cactuses
  2. Cactus 
  3. Cacti 
  4. All of the above 
সঠিক উত্তর:
All of the above 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of the above 
ব্যাখ্যা

• The plural of "cactus" is "cactus", "cactuses" and "cacti".

• Cactus (Noun):
- Bangla Meaning: নাগফণী; ফণিমনসা।
- English Meaning: any of a family (Cactaceae, the cactus family) of plants.

- Plural of cactus is 'cactuses', Cactus এবং 'Cacti'.

Source: Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

২৫.
Who wrote 'Harry Potter'?
  1. O Henry
  2. J. K. Rowling
  3.  Henry James 
  4. C. S. Lewis
সঠিক উত্তর:
J. K. Rowling
উত্তর
সঠিক উত্তর:
J. K. Rowling
ব্যাখ্যা

'Harry Potter' is written by J.K. Rowling.

- Harry Potter:
- Harry Potter হলো একটি বিশ্ববিখ্যাত কল্পকাহিনিভিত্তিক বইয়ের সিরিজ, যা ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাউলিং (J.K. Rowling) রচিত।
- এই সিরিজের মূল চরিত্র হ্যারি পটার, একজন অনাথ বালক, যে জানতে পারে সে একজন জাদুকর এবং তাকে Hogwarts তে পাঠানো হয়েছে জাদুবিদ্যা শেখার জন্য।
- হ্যারি তার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধু হারমায়োনি গ্রেঞ্জার ও রন উইজলিকে নিয়ে নানা জাদুকরী রহস্য ও বিপদের মুখোমুখি হয়।
- পুরো সিরিজের প্রধান শত্রু হল লর্ড ভল্ডেমর্ট, একজন অন্ধকার জাদুকর যিনি হ্যারিকে হত্যা করতে চায় কারণ হ্যারি তাঁর পতনের মূল কারণ।
- এই সিরিজটি ৭টি বই নিয়ে গঠিত এবং প্রতিটি বই হ্যারির একেকটি বছরের অভিজ্ঞতা ও যুদ্ধের গল্প বলে।
- এটি শুধু শিশুদের মধ্যেই নয়, সব বয়সের পাঠকের মধ্যে অসাধারণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে এবং পরবর্তীতে এটি সফল চলচ্চিত্র সিরিজেও রূপান্তরিত হয়।

J.K. Rowling:
- J.K. Rowling হলেন একজন ব্রিটিশ লেখিকা যিনি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কল্পকাহিনী সিরিজ Harry Potter রচনার জন্য বিখ্যাত।
- হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম বই Harry Potter and the Philosopher's Stone প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে, যা দ্রুতই আন্তর্জাতিক বেস্টসেলার হয়ে ওঠে।
- এই সিরিজের সাতটি বই পুরো বিশ্বে ৫০ কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে এবং ৮টি চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়েছে।
- রাউলিং লেখালেখির পাশাপাশি স্ক্রিপ্ট রচনা ও চলচ্চিত্র প্রযোজনায়ও যুক্ত ছিলেন।
- বহু প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর অবশেষে ব্লুমসবেরি প্রকাশনা তার প্রথম বইটি ছাপায়।

J.K. Rowling-এর বিখ্যাত রচনাবলি:
- Harry Potter Series.
- Harry Potter and the Philosopher's Stone.
- Harry Potter and the Chamber of Secrets.
- Harry Potter and the Prisoner of Azkaban.
- Harry Potter and the Goblet of Fire.
- Harry Potter and the Order of the Phoenix.
- Harry Potter and the Half-Blood Prince.
- Harry Potter and the Deathly Hallows.

Source: Britannica.

২৬.
She worked hard, but she failed.
Transform into a simple sentence?
  1. In spite of her working hard, she failed.
  2. In spite of she working hard, she failed.
  3. In spite of her worked hard, she failed.
  4. In spite of her hardworking, she failed.
সঠিক উত্তর:
In spite of her working hard, she failed.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In spite of her working hard, she failed.
ব্যাখ্যা

Correct answer: ক) In spite of her working hard, she failed.

- She worked hard, but she failed.
- Compound বাক্যে but থাকলে Simple করতে হলে Inspite of বসাতে হয়।
- তারপর প্রথম বাক্যের Subject এর possessive form ব্যবহার করতে হয়।
- প্রথম বাক্যের be verb (am/is/are/was/were) হলে → being বসাতে হয়।
- যদি has/have/had থাকে → having বসাতে হয়।
- যদি মূল verb থাকে → verb + ing করতে হয়।
- but বাদ দিয়ে তার জায়গায় কেবল comma (,) ব্যবহার করতে হয়।
- বাকি অংশ অপরিবর্তিত বসে।

- In spite of her working hard, she failed.

Other Options:
খ) In spite of she working hard, she failed.
- she হবে না। her সঠিক উত্তর।

গ) In spite of her worked hard, she failed.
- working হবে।

ঘ) In spite of her hardworking, she failed.
- সঠিক ক্রম working hard.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

২৭.
Hamlet is the prince of which country?
  1. England
  2. Scotland
  3. Denmark
  4. Finland
সঠিক উত্তর:
Denmark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Denmark
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Denmark.

• Hamlet:

- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
এটি 5 acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।

Summary:
- নাটকের কাহিনি ডেনমার্কের যুবরাজ Hamlet-এর জীবন ও সংকটকে ঘিরে আবর্তিত হয়।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet, the prince of Denmark (ডেনমার্কের যুবরাজ), জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ - করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর Hamlet পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে চান এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy-এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- শেষাংশে Hamlet -এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এই Tragedy টির সমাপ্তি ঘটে।
- নাটকটি প্রতিশোধ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম, স্বার্থপরতা, মানসিক অবস্থা, এবং জীবন ও মৃত্যুর অর্থ নিয়ে গভীর দার্শনিক প্রশ্ন তুলে ধরে।

Famous quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- 'Frailty, thy name is woman',
- Brevity is the soul of wit',
- 'Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

• William Shakespeare (1564-1616):
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।

- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable Works:
- Hamlet,
- Othello,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Measure for Measure,
- As You Like It,
- Much Ado About Nothing,
- The Comedy of Errors,
- The Merchant of Venice,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Taming of the Shrew,
- The Tempest,
- Timon of Athens,
- Coriolanus,
- Cymbeline, etc.

Source: An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman, Britannica.

২৮.
Mowgli is a creation of:
  1. T.S. Eliot
  2. John Keats
  3. PB Shelly
  4. Rudyard Kipling
সঠিক উত্তর:
Rudyard Kipling
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rudyard Kipling
ব্যাখ্যা

• The Jungle Book রচনা করেছেন Rudyard Kipling, এই গল্পের প্রধান মানব চরিত্র হলো Mowgli, যিনি বন্য জঙ্গলে বন্যপ্রাণীদের সাথে বড় হয়েছেন।
- "The Jungle Book" is a literary work of - Rudyard Kipling.
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে।
- এটি মূলত: একটি গল্প সংকলন বা a collection of stories.
- The stories tell mostly of Mowgli, an Indian boy who is raised by wolves and learns self.
- sufficiency and wisdom from the jungle animals.
- The book describes the social life of the wolf pack and, more fancifully, the justice and natural order of life in the jungle.
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম: Mowgli.
- Rudyard Kipling is an Indian born British Journalist.

His famous novels:
- Kim, The Jungle Book,
- Puck of Pook's Hill,
- Captain Courageous,
- Limits & Renewals,
- Just So Stories,
- Soldiers Three,
- The Light that Failed,
- Plain Tales from the Hills,
- Seven Seas,
- The White Man's Burden

Source: An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.

২৯.
What really concerned her was how unhappy the child was.
The underlined part is:
  1. Adverb
  2. Adjective
  3. Pronoun
  4. Noun
সঠিক উত্তর:
Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronoun
ব্যাখ্যা

- The underlined part is a pronoun.

- What (pronoun)
- English meaning: the thing(s) that; that which.
- Bangla meaning: যেটি; যা; যে বস্তু/বিষয়।

Example:
- What I wanted to find out first was how long it was going to take.
- What really concerned her was how unhappy the child was.

Source: Cambridge Dictionary.

৩০.
Which of the following is plural?
  1. passersbies 
  2. passersby 
  3. passersbys 
  4. passerby 
সঠিক উত্তর:
passersby 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
passersby 
ব্যাখ্যা

• The correct answer is: খ) passersby.

- Compound Noun এর Plural করতে হলে Primary Noun এর সাথে s বা es যুক্ত হয়।
- passerby এর অর্থ পথচারী।
- passerby এর plural হল passersby.

Similar Examples:
- mother-in-law এর plural হল mothers-in-law.
- attorney general এর plural হল attorneys general.

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

৩১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারায় কমিশনারগণের কয়টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৮ ধারাতে কমিশনার হওয়ার মোট ৭টি অযোগ্যতার বিষয় উল্লেখ আছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৮: কমিশনারগণের যোগ্যতা, অযোগ্যতা, ইত্যাদি:
(১) আইনে, শিক্ষায়, প্রশাসনে, বিচারে বা শৃঙ্খলা বাহিনীতে অন্যুন ২০ (বিশ) বত্সরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি কমিশনার হইবার যোগ্য হইবেন৷

(২) কোন ব্যক্তি কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত হইবার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি-
(ক) বাংলাদেশের নাগরিক না হন;
(খ) কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণ খেলাপী হিসাবে ঘোষিত বা চিহ্নিত হন;
(গ) আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দেউলিয়াত্বের দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করেন;
(ঘ) নৈতিক স্খলন বা দুর্নীতিজনিত কোন অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হইয়া আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছেন;
(ঙ) সরকারী চাকুরীতে নিয়োজিত থাকেন;
(চ) দৈহিক বা মানসিক বৈকল্যের কারণে কমিশনের দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; এবং
(ছ) বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড প্রাপ্ত হন৷

৩২.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর কত ধারায় তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের বিধান আছে?
  1. ২১(৪) ধারায়
  2. ২২(৪)  ধারায়
  3. ২৩(৪)  ধারায়
  4. ২৪(৪)  ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৪(৪)  ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪(৪)  ধারায়
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ২৪: সাক্ষীর উপস্থিতি:
(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারের জন্য সাক্ষীর সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাক্ষীর সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানা যে থানায় অবস্থিত, সেই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে হইবে এবং উক্ত সাক্ষীকে উক্ত ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত করিবার দায়িত্ব উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার থাকিবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও সাক্ষীর সমনের একটি অনুলিপি সংশ্লিষ্ট সাক্ষীকে এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সুপার বা, ক্ষেত্রমত, পুলিশ কমিশনারকে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সমেত নিবন্ধিত ডাকযোগে প্রেরণ করা যাইবে।

(৩) এই ধারার অধীন কোন সমন বা ওয়ারেন্ট কার্যকর করিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃত গাফিলতি করিলে ট্রাইব্যুনাল উহাকে অদক্ষতা হিসাবে চিহ্নিত করিয়া সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৪) কোন ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে কিংবা ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করিলে যে কোন দূরবর্তী সাক্ষীর সাক্ষ্য, এ সম্পর্কিত বলবৎ আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রহণ করিতে পারিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে সরকার এবং অন্যান্য কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালকে তথ্যপ্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করিবে।

৩৩.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক এর দফা (গ) অনুযায়ী, মামলা প্রেরণের বিষয়ে কোন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে?
  1. প্রবেশন কর্মকর্তাকে
  2. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  3. শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ১৫ক- মামলা বিচারের জন্য প্রেরণ বা স্থানান্তর:
কোনো অপরাধ আমলে গ্রহণ করিবার পর, মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত করিয়া-
(ক) শিশু কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ শিশু আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে;
(খ) প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ বিচারের জন্য মামলাটি প্রয়োজনীয় কাগজাদিসহ এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে প্রেরণ করিতে হইবে; এবং
(গ) দফা (ক) ও (খ) এর অধীন মামলা প্রেরণের বিষয়টি পাবলিক প্রসিকিউটরকে অবহিত করিতে হইবে।

৩৪.
রহিম একজন ব্যবসায়ী। সে জানে যে, তার পরিচিত একজন মানব পাচারের চেষ্টা করছে। রহিম তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় যাতে অপরাধটি সহজে সংঘটিত হয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমের জন্য প্রযোজ্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  4. ১০ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ এই পরিস্থিতি মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮ এর “অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা” অপরাধের আওতায় পড়ে, যেখানে কেউ  মানব পাচারের জন্য তার সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি দেয় বা অন্যভাবে সহযোগিতা করে। সেই অনুযায়ী, রহিমের জন্য প্রযোজ্য দণ্ড হবে: খ) সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড।

মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ৮: অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র বা প্রচেষ্টা চালানোর দণ্ড:
(১) কোন ব্যক্তি মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা প্রদান করিয়া, ষড়যন্ত্র করিয়া এবং প্রচেষ্টা চালাইয়া অথবা সজ্ঞানে কোন মানব পাচার অপরাধ সংঘটন বা সংঘটিত করিবার সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তাহার সম্পত্তি ব্যবহার করিবার অনুমতি প্রদান করিয়া অথবা কোন দলিল-দস্তাবেজ গ্রহণ, বাতিল, গোপন, অপসারণ, ধ্বংস বা তাহার স্বত্ত্ব গ্রহণ করিয়া নিজেকে উক্ত অপরাধের সহিত জড়িত করিলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর এবং অন্যূন ৩ (তিন) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ২০ (বিশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তি এই আইনের আওতাধীন কোন অপরাধ সংঘটনে সহযোগী (abettor) হইলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য ধার্যকৃত দণ্ডের সমপরিমাণ দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৩৫.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০(৪) অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল কীভাবে অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করবে?
  1. স্বপ্রণোদিতভাবে
  2. অভিযোগকারীর নালিশের ভিত্তিতে
  3. পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশমতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ৪০: মামলা দায়ের ও অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ, ইত্যাদি:
(১) কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যতীত কেহ এই অধ্যাদেশের অধীন মামলা দায়ের করিতে পারিবে না।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সরাসরি বা তদ্‌কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি থানায় কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণের অনুরোধ করিয়া ব্যর্থ হইয়াছেন মর্মে হলফনামা সহকারে ট্রাইব্যুনালের নিকট লিখিত নালিশ দাখিল করিলে, ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট হইলে অভিযোগটি তদন্তের জন্য পুলিশ অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করিবে, তবে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে পরীক্ষা করিয়া সন্তুষ্ট না হইলে অভিযোগটি সরাসরি নাকচ করিবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল তাহার এখতিয়ারের মধ্যে এই অধ্যাদেশের কোনো অপরাধ সংঘটনের কোনো তথ্য প্রাপ্ত হইলে তাহা অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং পুলিশ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

(৪) ফৌজদারি কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, পুলিশ অফিসারের বা, ক্ষেত্রমত, যৌথ তদন্ত দলের লিখিত প্রতিবেদন ব্যতীত ট্রাইব্যুনাল কোনো অপরাধ বিচারার্থে গ্রহণ (cognizance) করিবে না।

(৫) ট্রাইব্যুনাল এই অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচারকালে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২৩ এ বর্ণিত পদ্ধতি, এই অধ্যাদেশের বিধানাবলির সহিত সংগতিপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, অনুসরণ করিবে।

৩৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ(১) এর অধীন মধ্যস্থতা চুক্তি কী হিসাবে গণ্য হবে?
  1. আদালতের ডিক্রি
  2. আদালতের নোটিশ
  3. আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ
  4. পক্ষগণের নোটিশ
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ধারা ২১গ: মধ্যস্থতা-চুক্তির কার্যকারিতা:
(১) পক্ষগণের সহি/স্বাক্ষর ও মধ্যস্থতাকারীর স্বাক্ষরক্রমে সম্পাদিত এবং চীফ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রত্যায়িত প্রতিটি মধ্যস্থতা চুক্তি চূড়ান্ত, বলবৎযোগ্য এবং পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন চুক্তি আদালতের ডিক্রি অথবা ক্ষেত্রমত, চূড়ান্ত আদেশ হিসাবে গণ্য হইবে এবং এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের মাধ্যমে উক্ত ডিক্রি বা আদেশ জারি করা যাইবে।

৩৭.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১১(গ) এর অপরাধ কোন ধরণের হবে?
  1. আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য
  3. আমলযোগ্য ও আপসঅযোগ্য
  4. আপসযোগ্য ও জামিনঅযোগ্য
সঠিক উত্তর:
আপসযোগ্য ও জামিনঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপসযোগ্য ও জামিনঅযোগ্য
ব্যাখ্যা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৩৫: ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই আইনে যাহা কিছু থাকুক না কেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার তারিখ হইতে ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারার্থ গ্রহণীয় ও বিচারযোগ্য হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বলবৎ হওয়ার পূর্বে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধারা ১১ এর দফা (গ) এর অধীন দায়েরকৃত অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ এখতিয়ারসম্পন্ন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বদলি হইবে না এবং উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হইবার পূর্বে এই আইনের অধীন অনিষ্পন্ন মামলাসমূহ তদন্তকারী কর্মকর্তা, এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত, ট্রাইব্যুনাল এবং আপীল-সংশ্লিষ্ট আদালতে এমনভাবে পরিচালিত ও নিষ্পত্তি হইবে যেন উক্ত অধ্যাদেশ বলবৎ হয় নাই।

(২) ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ আমলযোগ্য (Cognizable), আপসযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার, আপিল ও নিষ্পত্তিসহ পদ্ধতিগত সকল ক্ষেত্রে এই আইনের অন্যান্য ধারার বিশেষ বিধানাবলির পরিবর্তে ফৌজদারী কার্যবিধি ও Evidence Act, 1872 (Act I of 1872)-এর বিধানাবলি প্রযোজ্য হইবে।

(৩) যদি ট্রাইব্যুনালে বিচার্য কোন অপরাধের সহিত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধ এমনভাবে জড়িত থাকে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উভয় অপরাধের বিচার একই সংগে বা একই মামলায় করা প্রয়োজন, তাহা হইলে উক্ত ধারা ১১ এর দফা (গ) এ বর্ণিত অপরাধটির বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার্য অপরাধের সহিত এই আইনের বিধান অনুসরণে একই সংগে বা একই ট্রাইব্যুনালে করা যাইবে।]

৩৮.
The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪(৩) অনুযায়ী, যদি মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তার জন্য সর্বোচ্চ দণ্ড কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর ধারা ১৪: অস্থায়ী মুক্তি (Temporary release):
১. সরকার যে কোনো সময় নির্দেশ দিতে পারে যে, কোনো ব্যক্তি যাকে আটকাদেশ (detention order) অনুযায়ী আটক রাখা হয়েছে, তাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যেতে পারে। মুক্তি কোনো শর্ত ছাড়াই বা সরকারের নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী হতে পারে, যা ওই ব্যক্তি গ্রহণ করে। সরকারের ইচ্ছায় যে কোনো সময় তার মুক্তি বাতিল করা যেতে পারে।

২. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি দেওয়ার সময় সরকার ওই ব্যক্তিকে একটি বন্ড (bond) করতে বাধ্য করতে পারে, যা নিশ্চয়তা (sureties) সহ বা ছাড়া হতে পারে, যাতে মুক্তির শর্তাবলী ঠিকভাবে পালন করা হয়।

৩. উপধারা (১) অনুযায়ী মুক্তি প্রাপ্ত যে কোনো ব্যক্তি মুক্তি নির্দেশ বা মুক্তি বাতিলের নির্দেশে উল্লেখিত সময়, স্থান এবং কর্তৃপক্ষের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করবে।

৪. যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ কারণ ছাড়া উপধারা (৩) অনুযায়ী নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৫. যদি কোনো মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী বা নিজের বন্ডে উল্লেখিত শর্তগুলো পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বন্ডটি বাজেয়াপ্ত (forfeit) ঘোষণা করা হবে এবং বন্ডে বাধ্য থাকাকালীন যে কোনো ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবে।

৩৯.
যুদ্ধ চলাকালীন সংসদের মেয়াদ কত দিন পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ১ বছর।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন:

(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।

(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।

(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।

(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।

৪০.
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) নির্বাচনী ব্যবস্থায় আসন বণ্টন কিভাবে হয়?
  1. প্রতিটি দলের মোট ভোট অনুযায়ী
  2. প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
  3. একক আসনভিত্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনুযায়ী
  4. বৃহত্তম দলের একক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
ব্যাখ্যা

আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা:
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, যদি কোন দল মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১০ শতাংশ পায়, তাহলে সেই দল আনুপাতিক হারে সংসদের ১০ শতাংশ বা ৩০টি আসন পাবেন।

পিআর বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মুক্ত, গোপন ও মিশ্র তিনটি আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়।

প্রচলিত নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে পার্থক্য:
বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়। আর আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

৪১.
'All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.' - বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে এই বিধান আছে?
  1. ১১০ অনুচ্ছেদে
  2. ১১১ অনুচ্ছেদে
  3. ১১২ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৪ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১২ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১১২ অনুচ্ছেদের বিধান: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা:
 প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করিবেন।

Article 112. Action in aid of Supreme Court:
All authorities, executive and judicial, in the Republic shall act in aid of the Supreme Court.

৪২.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, কোন শর্তের অধীনে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  3. আদালত-অবমাননা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা:
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল। 

বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা সরাসরি কোনো শর্তের অধীনে সীমাবদ্ধ করার কথা উল্লেখ করা হয়নি। অনুচ্ছেদ ৩৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, এবং এটি একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে, অনুচ্ছেদ ৩৯(২)-এ বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতিগুলো কীভাবে প্রয়োগ হয়?
  1. আদালতের মাধ্যমে
  2. আইনের ব্যাখ্যার নির্দেশক হিসেবে
  3. রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে
  4. নির্বাহী বিভাগের নির্দেশ অনুসারে
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যার নির্দেশক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের ব্যাখ্যার নির্দেশক হিসেবে
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৮: মূলনীতিসমূহ:
(১) জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ বাংলাদেশ-পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, আইন-প্রণয়নকালে রাষ্ট্র তাহা প্রয়োগ করিবেন, এই সংবিধান ও বাংলাদেশের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে এবং তাহা রাষ্ট্র ও নাগরিকদের কার্যের ভিত্তি হইবে, তবে এই সকল নীতি আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য হইবে না।

৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না”?
  1. ৮১ অনুচ্ছেদে
  2. ৮২ অনুচ্ছেদে
  3. ৮৩ অনুচ্ছেদে
  4. ৮৪ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮৩ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
 সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:

 No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.

৪৫.
The appointments of persons to offices in the judicial service mentioned in Article 115 of Constitution of Bangladesh must be made according to:
  1. laws made by Parliament
  2. rules made by President
  3. rules made by Supreme Court
  4. rules made by Parliament
সঠিক উত্তর:
rules made by President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
rules made by President
ব্যাখ্যা

Article 115. Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:
বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

৪৬.
যখন কোনো নতুন আইন পূর্ববর্তী আইনকে রহিত বা পুনঃপ্রবর্তন করে এবং যদি স্পষ্ট কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশ না করা থাকে তখন পুরানো আইনের বরাত (reference) কীভাবে গণ্য হবে?
  1. বৈধ হবে না
  2. শুধুমাত্র পুরানো আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
  3. নতুন বা পুনঃপ্রবর্তিত আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
  4. আদালত সিদ্ধান্ত নিবে
সঠিক উত্তর:
নতুন বা পুনঃপ্রবর্তিত আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন বা পুনঃপ্রবর্তিত আইনের বরাত হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৮: রহিত আইনের ক্ষেত্রে বরাতের ব্যাখ্যা:
১) যদি এই আইন, বা এই আইনের কার্যকর হওয়ার পরে সংসদে প্রণীত কোনো আইন বা প্রবিধি, কোনো পূর্ববর্তী আইনকে বাতিল ও পুনঃপ্রবর্তন (re-enact) করে, তা পরিবর্তনসহ বা পরিবর্তনবিহীনভাবে হোক, তবে, অন্য কোনো আইন বা কোনো দলিলে যদি সেই বাতিলকৃত ধারা বা বিধানের কথা উল্লেখ থাকে, এবং যদি স্পষ্ট কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশ না করা থাকে, তাহলে সেই উল্লেখ পুনঃপ্রবর্তিত ধারা বা বিধানের বরাত (reference) হিসেবে গণ্য হবে।

৪৭.
Ratio decidendi-এর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. তা বাধ্যতামূলক নয়
  2. তা শুধুমাত্র প্রসঙ্গক্রমে বলা হয়
  3. তা binding precedent হিসেবে কাজ করে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
তা binding precedent হিসেবে কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তা binding precedent হিসেবে কাজ করে
ব্যাখ্যা

• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।

Ratio decidendi-
সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

৪৮.
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ১৬৩ ধারা অনুযায়ী, জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভ কার অধিকারভুক্ত?
  1. জিম্মাদারের
  2. জিম্মাদাতার
  3. ক এবং খ উভয় পক্ষের
  4. কোনো পক্ষের নয়
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদাতার
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:
জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ-
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

৪৯.
An acceptance may be revoked:
  1. Never
  2. At any time
  3. Before the communication of acceptance is complete
  4. After the communication of acceptance is complete
সঠিক উত্তর:
Before the communication of acceptance is complete
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Before the communication of acceptance is complete
ব্যাখ্যা

Section 5- Revocation of proposals and acceptances:
A proposal may be revoked at any time before the communication of its acceptance is complete as against the proposer, but not afterwards.
An acceptance may be revoked at any time before the communication of the acceptance is complete as against the acceptor, but not afterwards.

ধারা ৫- প্রস্তাব এবং গ্রহণের প্রত্যাহার:
একটি প্রস্তাব তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর গ্রহণকারীকে প্রস্তাবের গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না। একইভাবে, একটি গ্রহণ তখনই প্রত্যাহার করা যেতে পারে যখন এর প্রস্তাবককে গ্রহণের যোগাযোগ সম্পূর্ণ হয়নি, তবে পরে এটি প্রত্যাহার করা যাবে না।

৫০.
A তার বর্তমান বাড়ি এবং আগামী বছরে ধানক্ষেত থেকে যে ফসল হবে তা  B-কে দান করতে চায়।  সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ অনুসারে-
  1. উভয় দান বাতিল
  2. শুধু ফসলের দান বাতিল
  3. শুধু বাড়ির দান অবৈধ
  4. উভয় দান বৈধ
সঠিক উত্তর:
শুধু ফসলের দান বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু ফসলের দান বাতিল
ব্যাখ্যা

• সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ ধারা ১২৪- বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান:
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ উভয় সম্পত্তি একত্রে দান করা হলে, শেষােক্ত সম্পত্তির দান বাতিল বলে গণ্য হবে।

ধারা ১২৪ অনুযায়ী,
যদি কোনো ব্যক্তি বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সম্পত্তি একত্রে দান করেন, তবে সেই দানের যে অংশটি ভবিষ্যৎ সম্পত্তি বা ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে। এর অর্থ হলো, দাতার মালিকানাধীন বর্তমানে বিদ্যমান সম্পত্তি দান করা বৈধ হলেও ভবিষ্যৎ সম্পত্তি, যা দাতার দানকালে তার মালিকানায় নেই এবং ভবিষ্যতে অর্জিত হতে পারে এমন সম্পত্তি, দানের আওতায় আসবে না এবং সেই অংশটি আইনের বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

⇒ অর্থাৎ বাড়ির দান বৈধ। আগামী বছরের ফসলের দান বাতিল। 

৫১.
A, B-কে ৫,০০০ টাকা দেয় এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে, কিন্তু E মারা যায়, তবে C ও D ও C-এর সম্মতিতে বিয়ে করলে-
  1. শর্ত পূর্ণ হবে না
  2. শর্ত অকার্যকর হবে
  3. শর্ত পূর্ণ হয়েছে বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
শর্ত পূর্ণ হয়েছে বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্ত পূর্ণ হয়েছে বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 (ধারা ২৬):
যদি সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্ত অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট একটি শর্ত পূরণ করার পরই সম্পত্তির মালিকানা লাভ করতে পারেন, তবে শর্তটি যদি মোটামুটি বা মূলত পূরণ করা হয়, তবে তা পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উদাহরণ:
(ক) A, B-কে ৫,০০০ টাকা হস্তান্তর করেন এই শর্তে যে B, C, D এবং E-এর সম্মতিতে বিয়ে করবে। পরে E মারা যায়। B, C এবং D-এর সম্মতিতে বিয়ে করে। এ ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হবে যে B শর্তটি পূরণ করেছে।

৫২.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, যদি নোটিশ দেওয়া না হয়ে থাকে, তবে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের সময়সীমা কবে থেকে গণনা হবে?
  1. বিক্রয়ের তারিখ থেকে
  2. নিবন্ধনের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
  4. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

৫৩.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭১ মূলত কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধক মুক্তকরণ
  2. বন্ধকীকৃত সম্পত্তির বিক্রয়
  3. বন্ধকীকৃত ইজারার নবায়ন
  4. বন্ধকীকৃত সম্পত্তির দখল
সঠিক উত্তর:
বন্ধকীকৃত ইজারার নবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকীকৃত ইজারার নবায়ন
ব্যাখ্যা

The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ৭১: বন্ধকীকৃত ইজারা নবায়ন:
যখন বন্ধকীকৃত সম্পত্তি একটি ইজারা হয় এবং বন্ধকদাতা উক্ত ইজারার নবায়ন গ্রহণ করেন, তখন বিপরীত কোনো চুক্তি না থাকিলে, বন্ধকগ্রহীতা নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত নতুন ইজারার অধিকারী হইবেন।

Renewal of mortgaged lease:
When the mortgaged property is a lease, and the mortgagor obtains a renewal of the lease, the mortgagee, in the absence of a contract to the contrary, shall, for the purposes of the security, be entitled to the new lease.

৫৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন কোন কর্তৃপক্ষ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. রাজস্ব বোর্ড
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ১৪৫গ: ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি বিলুপ্ত করার ক্ষমতা:
সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে কোনো সময় ধারা ১৪৫ক এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ধারা ১৪৫খ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারবে এবং বিলুপ্তকরণের সময় সরকার একই প্রজ্ঞাপনে উক্ত ট্রাইব্যুনালসমূহে বিলুপ্তকালের সময়ে মুলতুবি থাকা মামলা, আপিল ও অন্যান্য কার্যক্রম কোন আদালতে স্থানান্তরিত ও নিষ্পত্তি করা হবে তা নির্দিষ্ট করবে।

৫৫.
অকৃষি প্রজা X এবং জমির মালিক Y এর মধ্যে উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ডেপুটি কমিশনার জমির মালিকের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অকৃষি প্রজা X এর প্রতিকার কী?
  1. ১৫ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট রিভিউ
  2. ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট রিভিশন
  3. ১৫ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
  4. ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল
ব্যাখ্যা

উত্তর: ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল।

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:

১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

৫৬.
চুক্তি আইনের ধারা ২৩ অনুযায়ী, কোনো চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ হবে, যদি না—
  1. এটি আইন দ্বারা অনুমোদিত হয়
  2. এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
  3. এটি সকল পক্ষের জন্য লাভজনক হয়
  4. এটি আদালতের দ্বারা অনুমোদিত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা

• চুক্তি আইনের ২৩ ধারা: কোন কোন প্রতিদানসমূহ এবং উদ্দেশ্যাবলি আইনানুগ এবং কোন কোনটি আইনানুগ নয়:
একটি চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বৈধ বলে গণ্য হয়, যদি তা নিম্নলিখিত না হয় – এটি আইন দ্বারা নিষিদ্ধ,
অথবা এর প্রকৃতি এমন যে অনুমোদিত হলে কোনো আইনের বিধানকে ব্যর্থ করবে, অথবা এটি প্রতারণাপূর্ণ, অথবা এটি অন্য কারো ব্যক্তিগত বা সম্পত্তিগত ক্ষতি সংক্রান্ত বা নির্দেশক, অথবা আদালত এটি অনৈতিক বা জননীতির পরিপন্থি মনে করে।

এই সকল ক্ষেত্রে, চুক্তির প্রতিদান বা উদ্দেশ্য বেআইনি বলে বিবেচিত হয়। যে কোনো চুক্তির উদ্দেশ্য বা প্রতিদান বেআইনি, তা বাতিল।

Section 23- What considerations and objects are lawful and what not:
The consideration or object of an agreement is lawful, unless- it is forbidden by law; or is of such a nature that, if permitted, it would defeat the provisions of any law; or is fraudulent; or involves or implies injury to the person or property of another; or the Court regards it as immoral, or opposed to public policy.
In each of these cases, the consideration or object of an agreement is said to be unlawful. Every agreement of which the object or consideration is unlawful is void.

৫৭.
যথার্থ দেনমোহর (Proper Dower)-এর আরবি প্রতিশব্দ কী?
  1. মোহরে মুতআ
  2. মোহরে মিসল
  3. মোহরে মুসাম্মা
  4. মোহরে সুন্নাহ
সঠিক উত্তর:
মোহরে মিসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহরে মিসল
ব্যাখ্যা

• দেনমোহর [Dower]:
বিবাহ বন্ধনের বিনিময়ে স্ত্রী স্বামীর নিকট শরিয়ত সম্মতভাবে যে অর্থ-সম্পদ লাভের অধিকারী হয় সে অর্থ সম্পদকে দেনমোহর বলে। দেনমোহরের পরিমাণ বিবাহের পূর্বে বা বিবাহের সময় কিংবা বিবাহের পর নির্দিষ্ট করা যায়। বিবাহের পর দেনমোহরের পরিমাণ বৃদ্ধি করা যায়।

⇒ দেনমোহর প্রথমত দুই প্রকার, যথা-
নির্ধারিত দেনমোহর (fixed/specified dower):
বিবাহের সময় বা বিবাহের পর স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মধ্যে অথবা তাদের পক্ষে যে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় তাকে মোহরে মুসাম্মা বা fixed/specified dower বলে।

যথার্থ দেনমোহর (Proper dower):
বিবাহের চুক্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ উল্লেখ করা না হলে শরিয়ত অনুযায়ী তা নিরূপিত বলে। গণ্য হবে এবং স্বামীর উপর মোহরে মিসল বা Proper dower বা উপযুক্ত মোহর ওয়াজিব হবে।

⇒ পরিশোধের সময়ের উপর ভিত্তি করে Fixed dower বা নির্ধারিত দেনমোহরকে আবার দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
ক. তাৎক্ষণিক দেনমোহর (Prompt dower):
যে দেনমোহর স্ত্রী কর্তৃক দাবি করা মাত্রই স্বামী তা দিতে বাধ্য থাকে তা Prompt dower বা তাৎক্ষণিক দেনমোহর বলে। তাৎক্ষণিক দেনমোহরের ক্ষেত্রে স্ত্রী যেকোনো সময় দেনমোহর দাবি করতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি অনুসারে স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য।

খ. বিলম্বিত দেনমোহর (Deferred dower):
যে দেনমোহর বিবাহবিচ্ছেদের সময় বা কোনো নির্দিষ্ট তারিখে বা ঘটনা সাপেক্ষে পরিশোযোগ্য তাকে বিলম্বিত দেনমোহর বা Deferred dower বলে।

৫৮.
'ক' একজন মুসলিম হানাফী ব্যক্তি বাবা, স্ত্রী, দুই ভাই ও এক মেয়েকে রেখে মারা যান। এক্ষেত্রে তার সম্পত্তিতে ভাইরা কত অংশ পাবে?
  1. ৩/২৪ অংশ
  2. ৪/২৪ অংশ
  3. ৯/২৪ অংশ
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অংশ পাবে না
ব্যাখ্যা

• মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
উল্লিখিত প্রশ্নে,
⇒ স্ত্রী পাবে সম্পত্তির ১/৮ বা ৩/২৪ অংশ [যেহেতু সন্তান আছে];
⇒ মেয়ে পাবে সম্পত্তির ১/২ বা ১২/২৪ অংশ [যেহেতু একমাত্র কন্যা] এবং
⇒ বাবা অংশীদার হিসেবে ১/৬ বা ৪/২৪ অংশ [ যেহেতু মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান আছে];

মোট= ১/৮ + ১/২ + ১/৬ অংশ।
= ১৯/২৪ অংশ।

অবশিষ্ট= ১ - ১৯/২৪ অংশ
= ৫/২৪ অংশ।

[যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।]

অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাবা বাকি ৫/২৪ অংশ পাবে।

উল্লেখ্য, বাবা জীবিত থাকায় এক্ষেত্রে ভাইয়েরা কোন সম্পত্তি পাবে না।

৫৯.
পারিবারিক আদালত কখন আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. যদি সংশোধন ন্যায়বিচারের জন্য আবশ্যক হয়
  2. যদি সংশোধন আইনগত ভুলের কারণে প্রয়োজন হয়
  3. যদি সংশোধন বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়
  4. খ এবং গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যদি সংশোধন বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি সংশোধন বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়
ব্যাখ্যা

পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ এর ধারা ৯- আরজি ও লিখিত জবাব সংশোধন:
এই আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত, কোনো পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, করণিক ভুল সংশোধনের উদ্দেশ্যে অথবা অন্য কোনো কারণে পক্ষগণের মধ্যে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিবার জন্য আরজি বা লিখিত জবাব সংশোধনের আদেশ দিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয়, এইরূপ সংশোধনের আবেদন মোকদ্দমার বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত করিবার উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ সংশোধনীর আদেশ প্রদান করিবে না।

৬০.
হেবার তৃতীয় শর্ত কী?
  1. গ্রহণ
  2. ইজাব
  3. দলিল নিবন্ধন
  4. দখল প্রদান
সঠিক উত্তর:
দখল প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল প্রদান
ব্যাখ্যা

• দান বা হেবা:
মুসলিম আইনে হেবা একটি বিশেষ চুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায়, কোনো প্রকার বিনিময় বা প্রতিদান ছাড়া, নিজের সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করে। এটি মূলত একটি দান বা উপহার, যা স্থাবর (যেমন জমি, বাড়ি) এবং অস্থাবর (যেমন টাকা, গহনা) – উভয় প্রকার সম্পত্তির ক্ষেত্রেই করা যায়।

ইসলামী শরীয়তের আলোকে হেবা একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি। এখানে তিনটি শর্ত অপরিহার্যভাবে পূরণ করতে হয়:
- দানকারীর পক্ষ থেকে স্পষ্ট ঘোষণা (Ijab);
- গ্রহীতার পক্ষ থেকে গ্রহণ (Qabul);
- হস্তান্তরকৃত সম্পত্তির দখল (Delivery of possession)।

হেবার বৈশিষ্ট্য:
- এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং কোনো প্রকার জবরদস্তি বা প্রতারণা ছাড়া হতে হবে।কোনো প্রকার প্রতিদান বা বিনিময় ছাড়া সম্পত্তি দান করা হয়।
- দাতা (যিনি হেবা দেন) অবশ্যই হেবা দেওয়ার বৈধ মালিক হতে হবে।দাতা অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন এবং হেবা দেওয়ার মতো বৈধ মালিক হতে হবে।
- গ্রহীতা (যিনি হেবা পান) অবশ্যই হেবা গ্রহণ করবেন—গ্রহণ না করলে হেবা কার্যকর হবে না।গ্রহীতা জীবিত ব্যক্তি হতে হবে। নবজাতক বা অক্ষম ব্যক্তির পক্ষেও বৈধ অভিভাবক হেবা গ্রহণ করতে পারেন।
- হেবা কোনো শর্তসাপেক্ষ হলে, সেই শর্ত ইসলামে বৈধ হতে হবে।
- হেবা কার্যকর হওয়ার পর সাধারণত তা ফেরত নেওয়া যায় না। একবার বৈধভাবে হেবা সম্পন্ন হলে সাধারণত তা দাতা ফেরত নিতে পারেন না।

কে হেবা দিতে পারে (দাতা /Donor):
প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে – নাবালক (অপ্রাপ্তবয়স্ক) ব্যক্তি বৈধভাবে হেবা দিতে পারে না।
সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হতে হবে – মানসিকভাবে অক্ষম বা পাগল ব্যক্তি হেবা দিতে পারবে না।
সম্পত্তির বৈধ মালিক হতে হবে – দাতা তার নিজস্ব মালিকানাধীন সম্পত্তিই কেবল হেবা দিতে পারবেন।
স্বেচ্ছায় হতে হবে – জবরদস্তি, চাপ, প্রতারণা বা হুমকি দিয়ে দেওয়া হেবা বৈধ নয়।

৬১.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীনে গঠিত সালিশী কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক প্রদেয় ভরণপোষণের টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করে সার্টিফিকেট ইস্যু করেছে। স্বামী উক্ত সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। এক্ষেত্রে স্বামীর প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
  2. সহকারী জজের নিকট আপিল আবেদন
  3. জেলা জজের নিকট আপিল আবেদন
  4. সহকারী জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট পুর্নবিবেচনার আবেদন
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ধারা ৯- ভরণপোষণ:
১) যেক্ষেত্রে কোন স্বামী তাহার স্ত্রীকে পর্যাপ্তভাবে ভরণপোষণ দিতে অসমর্থ হয় অথবা একাধিক স্ত্রী থাকিলে তাহাদিগকে সমভাবে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সকলে অথবা স্ত্রীগণের যে কোন জন অপর কোন আইনসঙ্গত প্রতিকার প্রার্থনা ব্যতীতও চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করিতে পারে। চেয়ারম্যান একটি সালিশী কাউন্সিল গঠন করিবেন ও উক্ত কাউন্সিল স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ভরণপোষণ বাবদ প্রদানের নিমিত্ত টাকার অংক নির্দিষ্ট করিয়া সার্টিফিকেট ইস্যু করিতে পারিবেন।

২) একজন স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পন্থায় নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে নির্ধারিত ফিস প্রদানপূর্বক উক্ত সার্টিফিকেট পুর্নবিবেচনার নিমিত্ত সহকারী জজের নিকট আবেদন পেশ করিতে পারেন। তাঁহার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে এবং কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা যাইবে না।

৩) ১নং অথবা ২নং উপধারা অনুযায়ী দেয় কোন টাকা যথাসময়ে পরিশোধ না করিলে বকেয়া ভূমিরাজস্বরুপ আদায়যোগ্য হইবে।

৬২.
মুসলিম মৃত ব্যক্তির যদি আপন ভাই থাকে, তবে আপন বোন কীভাবে সম্পত্তি পাবে?
  1. ১:১ হারে
  2. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
  3. অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ৩:১ অনুপাতে
  4. কোনো অংশ পাবে না
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ অনুপাতে
ব্যাখ্যা

মুসলিম মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তার আপন বোন বা পূর্ণ বোনের অধিকার (Full Sister):
বোন বা সহোদর বোন থাকলে তারা পাঁচটি অবস্থায় অংশ প্রাপ্ত হয়ে থাকে। মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পূর্ণ বোন বা
যেমন -
ক) মৃত ব্যক্তির যদি একজন আপন বোন থাকে তাহলে সে ঐ ব্যক্তির সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।
খ) যদি দুইবা ততোধিক সহোদর বোন থাকে তাহলে তারা ঐ সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে।
গ) আপন ভাইয়ের উপস্থিতিতে আপন বোন অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে ২:১ হারে সম্পত্তি পেতে পারে
ঘ) আপন বোন মৃত ব্যক্তির সন্তান, পুত্রের সন্তান যত নীচের হোক, বা পুত্রের উপস্থিতিতে ও সে অংশীদার হতে বাদ পড়ে অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে সম্পত্তি পেতে পারে। কিন্তু ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবরিক আইনের বিধান মোতাবেক আপন বোন কোন অংশ পাবেনা। পুত্রের কন্যাই সব অংশ পাবে।
ঙ) মৃত ব্যক্তির পিতা বা দাদা বর্তমান থাকলে সহোদর বোন বঞ্চিত হবে।

৬৩.
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী, স্বামী একাধারে কয় বছর নিরুদ্দেশ থাকলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে?
  1. ৪ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা

১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যেসব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
⇒ চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
⇒ দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
⇒ স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
⇒ স্বামী কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
⇒ বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
⇒ স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে;

⇒ বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;

⇒ স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;

⇒ স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়েবিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

৬৪.
অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বিবাহের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতি কীভাবে প্রয়োগ হয়?
  1. বিবাহটি অবৈধ বলে গণ্য হবে
  2.  বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
  3. বিবাহটি বাতিলযোগ্য হবে
  4. বিবাহটি শুধুমাত্র আদালতের অনুমোদন সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
 বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 বিবাহটি বৈধ বলে গৃহীত হবে
ব্যাখ্যা

হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum Valet) নীতিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা, যা জীমুতবাহন কর্তৃক প্রবর্তিত। এই নীতির মূল বক্তব্য হলো: “Factum valet quod fieri non debuit”, অর্থাৎ, যে কাজটি করা উচিত ছিল না, কিন্তু সেটি সম্পন্ন হয়ে গেলে তাকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে না। এই নীতি হিন্দু আইনের দায়ভাগ এবং মিতাক্ষরা উভয় মতবাদে স্বীকৃত এবং এটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়। নিচে এই নীতির বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলো:

ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির তাৎপর্য:
এই নীতি এমন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যেখানে কোনো কাজ নিয়ম বা বিধান লঙ্ঘন করে সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু তা সমাজে গ্রহণযোগ্য বা বাস্তব পরিস্থিতিতে স্বীকৃত হয়ে গেছে। এটি একটি ব্যবহারিক নীতি, যা আইনের কঠোরতাকে নমনীয় করে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রয়োগ করা হয়। হিন্দু আইনে এই নীতি প্রধানত বিবাহ, দত্তক গ্রহণ এবং অন্যান্য সামাজিক ও পারিবারিক বিষয়ে প্রয়োগ হয়।

বিবাহের ক্ষেত্রে:
হিন্দু আইনে বিবাহের জন্য অভিভাবকের সম্মতি একটি নির্দেশক বিধান হিসেবে বিবেচিত হয়। যদি কোনো বিবাহ অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সম্পন্ন হয়, তবে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট নীতির আলোকে সেই বিবাহকে অবৈধ বলে গণ্য করা হয় না, যদি অন্যান্য শর্ত (যেমন, বয়স, সম্প্রদায়, বিবাহযোগ্যতা) পূরণ হয়।

৬৫.
হিন্দু উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে -
  1. প্রত্যেকে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  2. প্রত্যেকে এক পুত্রের সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে
  3. সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
  4. সকলে একত্রে এক পুত্রের সম্পত্তির অর্ধেক পাবে
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।

উত্তরাধিকার সম্পর্কিত কিছু সাধারণ নিয়ম-
(১) পুত্র পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী;
(২) পুত্র একাধিক হলে সমান হারে সম্পত্তি পাবে; 
(৩) পুত্র মারা গিয়ে থাকলে পৌত্র উত্তরাধিকারী হবে (পিতার অংশ পাবে);
(৪) বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ ‘জীবন স্বত্ব পাবে। (সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের অধিকার আইনের ৩(১) ধারা);
(৫) একাধিক বিধবা স্ত্রী থাকলে সকলে একত্রে এক পুত্রের সমান সম্পত্তি পাবে;
(৬) মৃতের বিধবা পুত্রবধূ/প্রপৌত্রবধূ থাকলে সে এক পুত্রের সমান ‘জীবন স্বত্ত্ব’ পাবে;
(৭) কন্যার পূর্বের কোন উত্তরাধিকারী না থাকলে কন্যা পিতার সম্পত্তি পাবে;
(৮) কন্যাদের মধ্যে ‘কুমারী কন্যার’ দাবি প্রথম এবং সে-ই সব সম্পত্তি পাবে;
(৯) কুমারী কন্যা না থাকলে পুত্রবর্তী কন্যা উত্তরাধিকারী হবে;
(১০) বন্ধ্যাকন্যা, বিধবা কন্যা, সন্তানহীন কন্যা এবং যে সব কন্যার শুধু কন্যা সন্তান আছে তারা উত্তরাধিকারী হবে না। তবে এরূপ কন্যাদের মধ্যে যে, কোন দত্তকপুত্র গ্রহণ করেছে সে বঞ্চিত হবে না।

৬৬.
"Clear proof of usage will out weigh the written texts of the law"- This statement was made in this case -
  1. Krishnayya v. Narayana, (1909)
  2. Lata Singh v. State of Uttar Pradesh, (2006)
  3. Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
  4. Danial Latifi and another v. Union of India (2001)
সঠিক উত্তর:
Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga (1868)
ব্যাখ্যা

• Collector of Madura v. Moottoo Ramalinga Sathupathi, 12 MIA 397 (1868):

ঘটনা (Facts):
রামনাদ জমিদারের (Zamindar) কোনও বৈধ উত্তরাধিকারী না থাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর সম্পত্তি তার স্ত্রী রানি পার্বতীবার্ধিনী-এর নামে চলে আসে। রানি পার্বতীবার্ধিনী তার স্বামীর সপিন্ডদের সম্মতি নিয়ে একটি ছেলে দত্তক গ্রহণ করেন। তবে স্বামীর অনুমতি ছিল না। মাদুরা কালেক্টর জমিদারের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে জানিয়ে দেন যে, জমিদারকে কোনও বৈধ উত্তরাধিকারী নেই। ব্রিটিশ আইনের অধীনে, যদি কোনও জমিদার উত্তরাধিকারী ছাড়া মারা যায়, তার স্ত্রী মৃত্যুর পর জমিদারী সরকার দখল করবে। এটি “Doctrine of Lapse” নামে পরিচিত। রানি পার্বতীবার্ধিনীর মৃত্যুর পর, দত্তক ছেলে নিজের অধিকার দাবি করে এবং দত্তকের বৈধতা ঘোষণা করার জন্য মামলা করেন।

মূল সমস্যা (Issues):
একজন বিধবা কি স্বামীর অনুমতি ছাড়াই, শুধুমাত্র সপিন্ডদের সম্মতিতে দত্তক গ্রহণ করতে পারে কি না?

প্রিভি কাউন্সিল (Privy Council)-এর রায়:
- আদালত বিভিন্ন হিন্দু আইন, ঐতিহাসিক সূত্র এবং প্রথার আলোকে বিষয়টি বিবেচনা করেন।
- হিন্দু আইনে প্রথা (Custom) একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- আদালত উল্লেখ করেন “হিন্দু আইনের অধীনে, স্পষ্ট প্রমাণিত প্রথা হিন্দু আইনের লিখিত ধারা বা স্মৃতি থেকে অধিক প্রাধান্য পায়।”

৬৭.
দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান কাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. সকল নাবালকের ক্ষেত্রে
  2. নয় বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
  3. বারো বছরের নিচে সকল শিশুর ক্ষেত্রে
  4. নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয় থেকে বার বছরের বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ৮৩ ধারার বিধান- নয় বৎসরের অধিক কিন্তু বার বৎসরের কম বয়সের অপরিণত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশু দ্বারা সম্পাদিত কাজ:
নয় বৎসর অপেক্ষা বেশি কিন্তু বার বৎসর অপেক্ষা কম বয়সের এমন কোন শিশুর কোন কাজ অপরাধ বলে গণ্য হবে না, যে শিশু সংশ্লিষ্ট কাজটি করার সময় উহার প্রকৃতি ও ফলাফল বিচার করার পক্ষে পর্যাপ্ত বুদ্ধির পরিপক্কতা লাভ করে নাই।

Section 83. Act of a child above nine and under twelve of immature understanding:
Nothing is an offence which is done by a child above nine years of age and under twelve, who has not attained sufficient maturity of understanding to judge of the nature and consequences of his conduct on that occasion.

৬৮.
রহিম ইচ্ছাকৃতভাবে সোহেলের ব্যাগে মাদকদ্রব্য রাখে, যাতে পুলিশ সেটি পায় এবং সোহেল মাদক মামলায় ফেঁসে যায়। রহিমের কাজ কী হিসেবে গণ্য হবে?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. জালিয়াতি
  4. মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথ্যা প্রমাণ তৈরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) মিথ্যা প্রমাণ তৈরি।

⇒ দণ্ডবিধির ১৯২ ধারার বিধান: মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবন করা:

কোন ব্যক্তি যদি কোন অবস্থার অস্তিত্ব সৃষ্টি বা উদ্ভাবন করে, অথবা কোন বইতে বা রেকর্ডে মিথ্যা কথা লিপিবদ্ধ করে অথবা মিথ্যা বিবরণ সাক্ষ্য হিসেবে কোন বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমে অথবা সরকারী কর্মচারীর সম্মুখে সরকারী কর্মচারী হিসেবে কোন আইনগত কার্যক্রমে অথবা কোন সালিসের সম্মুখে উত্থাপন করার উদ্দেশ্যেই যদি তা করা হয়ে থাকে এবং অনুরূপ অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, উক্ত কার্যক্রমে যিনি সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাঁর মতামত গঠন করবেন, তিনি উক্ত অবস্থা বা মিথ্যা দলিল বা মিথ্যা বিবৃতিজনিত সাক্ষ্যে প্রভাবিত হয়ে অনুরূপ কার্যক্রমের সাথে গুরুত্বপূর্ণভাবে জড়িত কোন বিষয় সম্পর্কে ভুল ধারণা বা মত পোষণ করবেন, তবে সে ব্যক্তি 'মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করেছে' বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):
(ক) A, Z–এর বাক্সে রত্নপাথর রাখে, যাতে এগুলো ওই বাক্সে পাওয়া যায় এবং এই পরিস্থিতির কারণে Z চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(খ) A, আদালতে সমর্থক প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে নিজের দোকানের হিসাবপত্রে (Shop-book) মিথ্যা নথি লিখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

(গ) A, Z–কে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে দোষী প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে Z–এর লেখা নকল করে একটি চিঠি লিখে, যা সে জানে পুলিশ পরিদর্শন করবে এমন স্থানে রাখে। A মিথ্যা প্রমাণ তৈরি করেছে।

৬৯.
'কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে।'- সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ১০২ ধারায়
  2. ১০৩ ধারায়
  3. ১০৫ ধারায়
  4. ১০৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬ ধারায়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১০৬ ধারা অনুযায়ী,
কোনো বিষয় যখন বিশেষ ভাবে কোনো ব্যক্তির অবগতির মধ্যে থাকে, তখন সেই বিষয় প্রমাণ করার দায়িত্ব তার উপরই ন্যস্ত থাকে। অর্থাৎ, কোনো একটি ঘটনা বা বিষয় যখন নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জানার কথা বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি ব্যতীত অন্যরা জানার কথা নয়, তখন ঐ ব্যক্তির উপরই প্রমাণ করার দায়িত্ব বর্তাবে।

Section 106- Burden of proving fact especially within knowledge-

When any fact is especially within the knowledge of any person, the burden of proving that fact is upon him.

৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারা অনুসারে, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় কে বা কারা উপস্থিত থাকবেন?
  1. শুধু আপিলকারী
  2. আপিলকারী বা তার কৌঁসুলি
  3. অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি
  4. শুধুমাত্র সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৮ ধারার বিধান: আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয়, তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন ।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন, এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় অভিযুক্ত বা তার কৌঁসুলি উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 428- Appellate Court may take further evidence or direct it to be taken:
(1) In dealing with any appeal under this Chapter, the Appellate Court, if it thinks additional evidence to be necessary, shall record its reasons, and may either take such evidence itself, or direct it to be taken by a Magistrate, or, when the Appellate Court is High Court Division, by a Court of Session or a Magistrate.

(2) When the additional evidence is taken by the Court of Session or the Magistrate, it or he shall certify such evidence to the Appellate Court, and such Court shall thereupon proceed to dispose of the appeal.

(3) Unless the Appellate Court otherwise directs, the accused or his pleader shall be present when the additional evidence is taken.

(4) The taking of evidence under this section shall be subject to the provisions of Chapter XXV, as if it were an inquiry.

৭১.
সরকারি কর্মকর্তাকে জলদি কাজ করতে বাধ্য করার জন্য 'ক' উক্ত কর্মকর্তাকে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেয়। এক্ষেত্রে তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ২ বছরের কারাদণ্ড
  2. ৩ বছরের কারাদণ্ড
  3. ৫ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৭ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ড জমা দেওয়ার সময় জামিনদাতাদের যাচাই বাধ্যতামূলক?
  1. ধারা ৪৯৯(১)
  2. ধারা ৪৯৯(২)
  3. ধারা ৪৯৯(৩)
  4. ধারা ৪৯৯(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত ও জামিনদাতার বন্ড:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আগে বা নিজের বন্ডে মুক্তি দেওয়ার আগে, পুলিশের কর্মকর্তা বা আদালত যথাযথ মনে করলে নির্দিষ্ট অর্থের একটি বন্ড পূরণ করতে হবে। যখন ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পায়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট যোগ্য জামিনদাতার মাধ্যমে বন্ড সম্পাদিত হবে। এই বন্ডে শর্ত থাকবে যে অভিযুক্ত নির্ধারিত সময় ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ বা আদালতের নির্দেশ না থাকা পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা চালিয়ে যাবে।

(২) প্রয়োজন হলে, বন্ডে আরো শর্ত থাকবে যে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাইকোর্ট ডিভিশন, সেশন আদালত বা অন্য কোনো আদালতের ডাকে হাজির হবে এবং অভিযোগের উত্তর দেবে।

(৩) এই বন্ড অভিযুক্ত নিজে, তার আইনজীবীর মাধ্যমে, বা আদালতের অনুমোদিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতে জমা দিতে পারবে। তবে জামিনদাতাদের পরিচয় ও যোগ্যতা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য যথাযথ উপায়ে যাচাই করা আবশ্যক।

৭৩.
সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য ব্যক্তি কে?
  1. দৈহিক বা মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তি
  2. নাবালক বা অতি বৃদ্ধ ব্যক্তি
  3. ক এবং খ উভয়ে
  4. ক বা খ কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কেউ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কেউ নয়
ব্যাখ্যা

সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারা- যে সাক্ষ্য দিতে পারে:
সকল ব্যক্তি সাক্ষ্য প্রদানের যোগ্য, যদি আদালত মনে না করেন যে, তাহার অল্প বয়স, অতি বৃদ্ধ বয়স, দৈহিক বা মানসিক ব্যাধি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে তাহাদিগকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা সেই প্রশ্নে যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে তাঁহারা অক্ষম।

অর্থাৎ, জিজ্ঞাসাকৃত প্রশ্ন বুঝতে বা তার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হলে, কোনো ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা- কোন বিকৃত মস্তিষ্ক ব্যক্তি যদি তাহার মস্তিষ্ক বিকৃতির জন্য তাহাকে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে বা উহার যুক্তিসঙ্গত উত্তর দিতে অক্ষম না হয়, তবে সেই ব্যক্তি সাক্ষ্যদানে অযোগ্য হইবে না।

৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪৪ ধারায় আদালত সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে-
  1. নিজ উদ্যোগে
  2. পুলিশের আবেদনমতে
  3. সরকারের নির্দেশমতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ অনুসারে
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

৭৫.
What duty does an expert owe under Section 45A(2) of The Evidence Act, 1872?
  1. To help the Court
  2. To maintain confidentiality
  3. To help the prosecution
  4. To help the police investigating the case
সঠিক উত্তর:
To help the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To help the Court
ব্যাখ্যা

Section 45A: Opinion of experts on physical or forensic evidence:
(1) Except by leave of the Court a witness shall not testify as an expert on physical or forensic unless a copy of his report has, pursuant to sub-section (2), been given to all the parties.

(2) An expert’s report shall be addressed to the Court and not to the party on whose behalf he is examined and he shall owe a duty to help the Court.

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারা- শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত: 
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।

(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।

৭৬.
The Civil Courts Act, 1887 এর ২২ ধারার অধীনে জেলা জজ কোন কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল স্থানান্তর করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ 
  2. শুধু যুগ্ম জেলা জজ
  3. শুধু অতিরিক্ত জেলা জজ
  4. যুগ্ম ও অতিরিক্ত জেলা জজ উভয়ের নিকট
সঠিক উত্তর:
শুধু যুগ্ম জেলা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু যুগ্ম জেলা জজ
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ২২: জেলা জজের আপিল স্থানান্তরের ক্ষমতা:
(১) জেলা জজ, তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন যে কোনো যুগ্ম জেলা জজের নিকট, তার নিকটে মুলতুবি থাকা এবং সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজ কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত যে কোনো আপিল স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) জেলা জজ, এভাবে স্থানান্তরিত কোনো আপিল প্রত্যাহার করে তা নিজে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারবেন অথবা তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন অন্য কোনো উপযুক্ত আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার অধীনে স্থানান্তরিত আপিলসমূহ সেই নিয়ম অনুসারে নিষ্পত্তি করা হবে, যেভাবে জেলা জজ কর্তৃক নিষ্পত্তিকৃত অনুরূপ আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।

[Power of District Judge to transfer appeals]
(1) A District Judge may transfer to any Joint District Judge under his administrative control any appeals pending before him from the decrees or orders of Senior Assistant Judges or Assistant Judges.

(2) The District Judge may withdraw any appeal so transferred, and either hear and depose of it himself or transfer it to a Court under his administrative control competent to dispose of it. 
 
(3) Appeals transferred under this section shall be disposed of subject to the rules applicable to like appeals when disposed of by the District Judge.

৭৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির Order XVIII, Rule 4A অনুসারে, শপথনামার কপি কাকে আগে দিতে হবে?
  1. আদালতকে
  2. সাক্ষীকে
  3. আইনজীবীকে
  4. অপর পক্ষকে
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 এর অর্ডার XVIII – রুল 4A: শপথনামার মাধ্যমে প্রধান পরীক্ষা এবং দস্তাবেজের গ্রহণযোগ্যতা:
এই কোড অথবা সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ (অ্যাক্ট নং ১ অব ১৮৭২)–এর অন্য কোনো বিধান সত্ত্বেও—
বাদী বা বিবাদীর দ্বারা বিবৃত বা অস্বীকৃত করার জন্য প্লেইন্ট (plaint) বা লিখিত বিবৃতিতে (written statement) বর্ণিত তথ্যসমূহ মৌখিকভাবে বলা বা অস্বীকার করার প্রয়োজন হবে না। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দী (Examination-in-chief) শপথনামার (affidavit) মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে তাকে জেরা (cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা (re-examination) করা যেতে পারবে।

শর্তাবলি:
১। এ ধরনের শপথনামার একটি অনুলিপি অপর পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে, আদালতে জমা দেওয়ার পূর্বে।
২। যদি শপথনামার সঙ্গে কোনো দস্তাবেজ দাখিল করা হয় এবং পক্ষসমূহ সেই দস্তাবেজের উপর নির্ভর করে, তবে সেই দস্তাবেজের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশাধীন হবে।

৭৮.
'ক' ১৫ বছর বয়সে মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী হয় কিন্তু এক বছরের মধ্যে সে উন্মাদ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক' এর বিরুদ্ধে কখন তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে?
  1. নাবালকত্ব শেষ হওয়ার পর
  2. আইনগত প্রতিনিধি থাকলে তৎক্ষণাৎ
  3. মানসিক ভাবে সুস্থ হওয়ার পর
  4. উভয় অপারগতা শেষ হবার পর
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতা শেষ হবার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় অপারগতা শেষ হবার পর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে। তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে। যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।

যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।

তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।

৭৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XLI, Rule 30 (2) অনুযায়ী, যদি আপিল শুনানির সময় কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকেন, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. এক-তরফা রায় দিবে
  2. আপিল মুলতবী রাখবে
  3. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল খারিজ করবে
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিষয়ের ভিত্তিতে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা

The Code of Civil Procedure, 1908 Order XLI, Rule 30 – রায় কবে এবং কোথায় ঘোষণা করা হবে:
(১) আপিল আদালত, উভয় পক্ষ বা তাদের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর এবং প্রয়োজন মনে করলে আপিলের কার্যবিবরণী অথবা যেই আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে সেই আদালতের কার্যবিবরণীর কোনো অংশের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার পর, উন্মুক্ত আদালতে (Open Court) রায় ঘোষণা করবে। এই রায় হয় সাথে সাথেই ঘোষণা করা যেতে পারে অথবা ভবিষ্যতের কোনো তারিখে ঘোষণা করা যেতে পারে—তবে সেই ক্ষেত্রে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীকে আগে থেকে নোটিশ দিতে হবে।

(২) তবে উপ-নিয়ম (১)-এ যা বলা হয়েছে তার পরও, যদি শুনানির সময় কোনো পক্ষ বা তার আইনজীবী উপস্থিত না থাকে, তাহলে আপিল আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে, যদি মনে করে যে নথিতে থাকা উপকরণগুলোই মূল বিষয়ের ভিত্তিতে আপিল নিষ্পত্তির জন্য যথেষ্ট, তবে সে ক্ষেত্রে আদালত উন্মুক্ত আদালতে সাথে সাথেই অথবা নির্ধারিত কোনো তারিখে রায় ঘোষণা করতে পারবে।

৮০.
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মধ্যস্থতা পদ্ধতিতে তৃতীয় পক্ষ কী ভূমিকা পালন করে?
  1. রায় প্রদান করে
  2. মামলা পরিচালনা করে
  3. পক্ষগণের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়
  4. আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা আনতে সাহায্য করে
ব্যাখ্যা

• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
- আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
- মধ্যস্থতা (Mediation);
- সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-
এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে। আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-
এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-
সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়। সালিশ [Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।

৮১.
'অস্থাবর সম্পত্তি সমর্পণ (delivery) সম্ভব না হলে, বিকল্প অর্থমূল্য ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে'- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন বিধিতে বলা হয়েছে?
  1. আদেশ ২০ বিধি-১০
  2. আদেশ ২০ বিধি-১১
  3. আদেশ ২০ বিধি-১৩
  4. আদেশ ২০ বিধি-১৫
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ২০ বিধি-১০
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২০ বিধি-১০: অস্থাবর সম্পত্তি অর্পণের নিমিত্তে ডিক্রি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা অস্থাবর সম্পত্তির জন্য এবং ডিক্রি উক্ত সম্পত্তি অর্পণের জন্য হয়, সেক্ষেত্রে সমর্পণ যদি সম্ভব না হতে পারে তবে বিকল্প হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণও ডিক্রিতে বর্ণনা করতে হবে।

Order 20 Rule 10: Decree for delivery of movable property:
Where the suit is for movable property, and the decree is for the delivery of such property, the decree shall also state the amount of money to be paid as an alternative if delivery cannot be had.

৮২.
আলম ও রানা একটি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তি করেছেন। চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে রানা ক্ষতিপূরণের মামলা করতে চায়। এই ক্ষেত্রে মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত না হলে, চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর এবং

অনুচ্ছেদ ১১৬ অনুযায়ী-
চুক্তি লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হলে, উক্ত চুক্তিভঙ্গের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ ৬ বছর হবে।

অপরদিকে,
অনুচ্ছেদ ১১৩ এবং ১১৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মামলা এবং চুক্তি প্রত্যাহার/রদের মামলা তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

৮৩.
Under Order 9 Rule 3 of CPC, what will happen if neither party appears when the suit is called on for hearing?
  1. The Court must adjourn the case
  2. The Court may dismiss the suit
  3. The Court shall pass an ex parte decree
  4. The Court will decide the case on merits
সঠিক উত্তর:
The Court may dismiss the suit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court may dismiss the suit
ব্যাখ্যা

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.

আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।