৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]
সিলেবাস
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১]
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা
৬২০ খ্রিস্টাব্দে রজব মাসের ২৬ তারিখ মুহাম্মদ (সা) বোরাক নামের দ্রুতগতির বাহনে আরোহন করে আরশে আজিমে যান এবং আল্লাহর সাথে দিদার করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নির্দেশনা পান। মেরাজ’ অর্থ হচ্ছে ঊর্ধ্ধ গমন।
ব্যাখ্যা
৬১০ সালের পর রাসূল (সা) গোপনে নিকট আত্মীয়ের কাছে ইসলাম প্রচার করতে থাকেন। সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন খাদিজা (রা) ।
ব্যাখ্যা
৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের জিলকদ মাসে মক্কার উকাজ মেলায় ঘোড়াদৌড়, জুয়া খেলা ও কবিতা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও কায়েস গোত্রের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা হারবুল ফিজ্জার বা অন্যায় যুদ্ধ নামে পরিচিত। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মহানবী(স) এর মনে গভীরভাবে পীড়া দেয়।
ব্যাখ্যা
মদিনার আউস ও খাজরাজ গোত্রের মানুষজন ৬২০ ,৬২১,৬২২ সালে আকাবায় তিনবার ইসলামের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শপথ গ্রহন করে যা আকাবা শপথ নামে পরিচিত।
ব্যাখ্যা
৫৮২ খ্রিস্টাব্দে ১২ বছর বয়সে চাচার সাথে ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিনি সিরিয়ায় যান। সেখানে খ্রিষ্টান পাদ্রী ‘বাহিরা’ মহানবী(স) এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য দেখে ইন্জিল কিতাব অনুসারে তাকে শেষ নবী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ব্যাখ্যা
মহানবী (স.) এর সত্যবাদিতা, কর্তব্য নিষ্ঠা, আমানতদারী, সরলতা ও পবিত্রতার জন্য মক্কার মানুষ তাঁকে ‘আল-আমিন’ বা বিশ্বাস উপাধিতে ভূষিত করে।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে মক্কায় বন্যায় কাবা ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে ৬০৫ খ্রিস্টাব্দে কাবা ঘরের সংস্কার শুরু হয়। ‘হাজরে আসওয়াদ’বা কালো পাথর স্থাপন করা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হলে মহানবী(স) অত্যন্ত বিচক্ষনতার সহিত পাথরটি একটি চাদরে রেখে ৪ গোত্রের চার গোত্র প্রধানদের ধরিয়ে উদ্ভুত সমস্যার সমাধান করে মক্কাবাসীকে রক্ষা করেন ।
ব্যাখ্যা
৬২২ সালে মহানবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ফলে মদিনা জীবনের শুরু হয়, আনসার (সাহায্যকারী) মুহাজির (হিজরতকারী) শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে।
ব্যাখ্যা
মদিনার পূর্ব নাম ছিল ইয়াসরিব। মহানবী (সা.) মক্ফকা থেকে মদিনায় হিজরতের ফলে ইয়াসরিবের নাম পরিবর্তন করে তাঁর সম্মানে এর নাম রাখা হয় মদিনাতুন নবী বা সংক্ষেপে মদিনা।
ব্যাখ্যা
৬২২ খ্রিস্টাব্দের ২৪ সেপ্টেম্বর হযরত আলীকে নিজের বিছানায় রেখে আবু বক্করকে সাথে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
হিজরতের বেশ কিছু কারণ বা পটভূমী ছিল। তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে হিজরতের পূর্বে মহানবী (স) সংবাদ সংগ্রহের জন্য হযরত মুসআব (রা)কে প্রেরণ করেন। তার অনুকূল রিপোর্টের ফলেই তিনি হিজরত করতে মনস্থির করেন।
ব্যাখ্যা
৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের জিলকদ মাসে মক্কার উকাজ মেলায় ঘোড়াদৌড়, জুয়া খেলা ও কবিতা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও কায়েস গোত্রের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা হারবুল ফিজ্জার বা অন্যায় যুদ্ধ নামে পরিচিত।
ব্যাখ্যা
মক্কার অদূরে জাবাল নূরের হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন। অবশেষে ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি জিব্রাইল(আ) এর মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসের ২১ থেকে ২৯ তারিখের কোন এক বিজোড় রাতে ঐশী বাণী লাভ করেন।
ব্যাখ্যা
৬২২ সালে ৪৭ টি মতান্তরে ৫৩ টি ধারার সম্বলিত মদিনার সনদ বা মদিনার সংবিধান রচনা করেন। যার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।
ব্যাখ্যা
৬২২ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর হযরত আলীকে নিজের বিছানায় রেখে আবু বক্করকে সাথে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তিন দিন সাওর পর্বতের গুহায় আত্মগোপনে থাকার পর মদিনার দিকে যাত্রা করেন
ব্যাখ্যা
৬২২ সালে ৪৭ টি মতান্তরে ৫৩ টি ধারার সম্বলিত মদিনার সনদ বা মদিনার সংবিধান রচনা করেন।
যা ম্যাগনাকার্টার সাথে তুলনা করে বলা হয় আরবের ম্যাগনাকার্টা । এটি ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান।
ব্যাখ্যা
৬২২ সালের মহানবী (সা.) এর হিজরতকে স্বরনীয় করে রাখতে হিজরতের ১৭ বছর পর ২য় খলিফা ওমর (রা) ৬৩৯ খ্রি. থেকে হিজরী সন প্রবর্তন করেন।
ব্যাখ্যা
আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে মানুষ পৌত্তলিকতা, মূর্তি পূজা, ইহুদি, খ্রিস্টান থাকলেও বেশ কিছু মানুষ একেশ্বরবাদী ছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ওয়ারাকা বিন নওফেল ,উমাইয়া বিন সালাত,জায়েদ প্রমূখ একেশ্বরবাদী বা হানিফ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ব্যাখ্যা
জন্মের পর মাত্র এক সপ্তাহ মা আমিনা ও আবু লাহাবের দাসী সোয়েবার দুধ পান করার পর তায়েফের বনু সাদ গোত্রের আবু খাবসার স্ত্রী বিবি হালিমা ৫ বছর ধাত্রী মাতা ছিলেন।
ব্যাখ্যা
জন্মের পর মহানবীকে তার দাদা নাম রাখেন মুহাম্মদ (প্রশংসিত),তার মা নাম রাখেন আহমদ (উচ্চ প্রশংসাকারী)।
ব্যাখ্যা
৬২২ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর হযরত আলীকে নিজের বিছানায় রেখে আবু বক্করকে সাথে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। তিন দিন সাওর পর্বতের গুহায় আত্মগোপনে থাকার পর মদিনার দিকে যাত্রা করেন। ৬২২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর মদিনার নিকটবর্তী কুবা নামক স্থানে পৌছান।
ব্যাখ্যা
৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের জিলকদ মাসে মক্কার উকাজ মেলায় ঘোড়াদৌড়, জুয়া খেলা ও কবিতা প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে কুরাইশ ও কায়েস গোত্রের মধ্যে একটি যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা হারবুল ফিজ্জার বা অন্যায় যুদ্ধ নামে পরিচিত। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি মহানবী(স) এর মনে গভীরভাবে পীড়া দেয়। এজন্য সমমনা উৎসাহী যুবকদেরকে নিয়ে ৫৯০ সালে হিলফুল ফুজুল বা শান্তি সংঘ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন মক্কাকে শান্তি শৃঙ্খলা, গোত্রের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে রক্ষা করে।
ব্যাখ্যা
৬২০ খ্রিস্টাব্দে রজব মাসের ২৬ তারিখ মুহাম্মদ (সা) বোরাক নামের দ্রুতগতির বাহনে আরোহন করে আরশে আজিমে মেরাজে যান। বিনা বাক্যে মিরাজে বিশ্বাস করায় আবু বকর (রা) সিদ্দিক বা বিশ্বাসী উপাধি প্রদান করেন।
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক জোসেফ হেল হিজরত কে মহানবী (স) এর জীবনের মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা হিসেবে অভিহিত করেছেন
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
মক্কার অদূরে জাবাল নূরের হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যান মগ্ন থাকতেন। অবশেষে ৪০ বছর বয়সে ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি জিব্রাইল(আ) এর মাধ্যমে পবিত্র রমজান মাসের ২১ থেকে ২৯ তারিখের কোন এক বিজোড় রাতে ঐশী বাণী লাভ করেন।