পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes২৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৪
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ] [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ।] উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৪ প্রশ্ন

.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্থিতিকাল -
  1. ক) ৬ বছর
  2. খ) ৫ বছর
  3. গ) ৭ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪ বছর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত। 
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি - ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।

- ২৮ জুন, ১৯১৪ সালে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভরিলো প্রিন্সিপ দ্বারা সারাজেভোতে আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ এবং তার স্ত্রী সোফির হত্যার স্ফুলিঙ্গ হিসাবে কাজ করেছিল যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করেছিল।
- জার্মানির সমর্থনের আশ্বাসে, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি জুলাইয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানায়।
- ২৮ জুলাই যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি বেলগ্রেডে বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- ১৯১৪ সালের আগস্টে বেলজিয়াম ও ফ্রান্সে জার্মানির আক্রমণ শুরু হয়।
- ২৮ আগস্ট, ১৯১৪ সালে নৌ যুদ্ধ শুরু হয়। জার্মান সাবমেরিন ২০ অক্টোবর বাণিজ্যিক ট্রাফিক আক্রমণ শুরু করে এবং ইংল্যান্ড নৌ অবরোধের সাথে প্রতিক্রিয়া জানায়।
- ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করেনি কোন দেশ?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ইতালি
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ক) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করেনি রাশিয়া বা তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

- ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ : ব্রিটেন ও ফ্রান্সের যুদ্ধ ঘোষণা।
- ১৯১৮ সালের ভার্সাই চুক্তি অনুসারে পোল্যান্ডকে রক্ষার জন্য ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দের ৩০ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে।
- জার্মানির মিত্র জাপান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মার্কিন নৌঘাঁটি পার্ল হারবারে বোমা নিক্ষেপ করে। এর প্রতিশোধে বিশ্বযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র।

- ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

- অক্ষ শক্তির দেশগুলো হলো - জার্মানি, জাপান, ইতালি ইত্যাদি।
- মিত্রশক্তিতে ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica & History.com
.
অটোমান সাম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতনের সাথে নিচের কোন চুক্তিটি সম্পর্কিত?
  1. ক) সেভেন চুক্তি
  2. খ) লুজান চুক্তি
  3. গ) কাবুল চুক্তি
  4. ঘ) গুড ফ্রাইডে চুক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) লুজান চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
অটোমান সাম্রাজ্য/খিলাফত:
- ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দের দিকে তিনি আনাতোলিয়ায় (বর্তমান তুরস্ক) অটোমান বা উসমানীয় সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন করেন।
- অটোমান সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ওসমান গাজী বা প্রথম ওসমান। ওসমান গাজীর নাম থেকেই উসমানীয় বা অটোমান নামে উদ্ভব ঘটেছে।
- ১৪৫৩ সালে অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মেহমুদ বাইজানটাইনদের পরাজিত করে কনস্টান্টিনোপল বা ইস্তানবুল অধিকার করেন এবং একে অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানী করেন।
------------
- সতের শতক থেকে অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের সূত্রপাত ঘটে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির সাথে অটোমান সাম্রাজ্য তথা বর্তমান তুরস্কের প্রথমে সেভার্স চুক্তি (১০ আগস্ট ১৯২০) সম্পাদিত হয়। কিন্তু তৎকালীন নব্য প্রতিষ্ঠিত তুর্কি জাতীয়তাবাদী সরকার সেভার্স চুক্তি প্রত্যাখ্যান করে।
- পরবর্তীতে, ১৯২৩ সালের ২৪ জুলাই সেভার্স চুক্তির স্থলে লুজান চুক্তি সম্পাদিত হয়। সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- লুজান চুক্তির ফলে বর্তমান তুরস্কের সীমানা নির্ধারিত হয়। অটোমান সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন আরব প্রদেশ, আর্মেনিয়া, সাইপ্রাস, ঈজিয়ান সাগরের দ্বীপসমূহের উপর থেকে তুরস্ক তার অধিকার তুলে নেয়। এছাড়া আরো কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপিত হয়।
- আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক অটোমান খেলাফত বিলুপ্ত করে ১৯২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- আন্তর্জাতিক নিয়মানুসারে ২০২৩ সালে লুজান চুক্তির মেয়াদ অবসান হবে।

সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
.
কোন সভ্যতায় প্রথম নৌপথকে বাণিজ্য রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. ক) সিন্ধু সভ্যতা
  2. খ) ক্যালেডীয়
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:

- মিশরীয় সভ্যতায় প্রথম নৌপথকে বাণিজ্য রুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল
- প্রাচীন মিশর, উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার সভ্যতা যা খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ সহস্রাব্দ থেকে শুরু হয়েছে।
- তারা গণিতে বিশাল অগ্রগতি করেছিল এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগামী ছিল।
- তাদের প্রথম ধ্বনিগত বর্ণমালার বিকাশের জন্যও কৃতিত্ব দেওয়া হয় যা প্যাপিরাস কাগজের উদ্ভাবনের কারণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল
- বাইবেলের ব্যবহার অনুসরণ করে মিশরীয় রাজাদের সাধারণত ফারাও বলা হয়।
- প্রাচীন মিশরে লেখার দুটি মৌলিক ধরন ছিল হায়ারোগ্লিফ, যা স্মৃতিস্তম্ভ এবং প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হত, এবং অভিশাপ ফর্ম যা হায়ারেটিক নামে পরিচিত, প্রায় একই সময়ে আবিষ্কৃত হয়েছিল পূর্ব-বংশীয় মিশরে।
- মেনেস ছিলেন একীভূত মিশরের কিংবদন্তি প্রথম রাজা। ঐতিহ্য অনুসারে, তিনি উচ্চ ও নিম্ন মিশরে একক কেন্দ্রীভূত রাজতন্ত্রে যোগ দেন এবং প্রাচীন মিশরের প্রথম রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
.
শাং যুগের প্রধান দেবতার নাম কী ছিল?
  1. ক) শাংতি
  2. খ) জিউস
  3. গ) নুত
  4. ঘ) সেতিং
সঠিক উত্তর:
ক) শাংতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাংতি
ব্যাখ্যা
শাং যুগের ধর্ম:

-
শাং যুগের প্রধান দেবতার নাম শাংতি।
- রাজকার্য ছাড়াও ধর্মীও বিষয়ে শাং রাজাদের ভূমিকা ছিল প্রধান।
- রাজার নির্দেশে পুরোহিতরা ধর্মীও দায়িত্ব পালন করতেন।
- মৃত রাজাকেও কখনও কখনও পূজা করা হতো।
- তাই রাজার সমাধিসৌধ বহু মূল্যবান জিনিস দিয়ে সাজিয়ে রাখা হতো।
- শাং যুগের মানুষ মাটি, বাতাস, নদী, বিভিন্ন দিক (পূর্ব,পশ্চিম,উত্তর,দক্ষিন) এবং পাকৃতিক শক্তিকে দেবতা মনে করতো।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কিয়োটো চুক্তিতে কতটি গ্যাস নিঃসরণের হার কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
কিয়োটো চুক্তি:

- কিয়োটো চুক্তি সাক্ষরিত হয় জাপানে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছর পর ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।
- ওই সম্মেলনে জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত ১৯১টি দেশ উপস্থিত ছিল।
- চুক্তিভুক্ত দেশগুলো যে ছয়টি গ্যাস নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগ নেয় সেগুলো হলো
১. কার্বন ডাই-অক্সাইড,
২. মিথেন,
৩. নাইট্রাস অক্সাইড,
৪. হাইড্রোফ্লোরোকার্বন,
৫. পারফ্লোরোকার্বন ও
৬. সালফার।

তথ্যসূত্র - UNEP ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম মনীষী ইবনে সিনার জন্মস্থান কোন দেশে?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ) ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইরান
ব্যাখ্যা
ইবনে সিনা:
- ইবনে সিনার জন্মস্থান ইরানের বুখারাতে।

- তার এর পুরো নাম আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আবদ আল্লাহ ইবনে সিনা
- ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ইরানের বুখারার কাছে।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ১০৩৭ খ্রিস্টাব্দ ইরানের হামাদানে

- তিনি মুসলিম প্রভাবশালী চিকিত্সকদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত।
- তিনি মধ্যযুগীয় ইসলামী বিশ্বের দার্শনিক-বিজ্ঞানী। তিনি অ্যারিস্টটলীয় দর্শন এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত ছিলেন।
- তিনি কিতাব আল-শিফা (বুক অফ দ্য কিউর), একটি বিশাল দার্শনিক এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্বকোষ এবং আল-কানুন ফি আল-টিব (দ্য ক্যানন অফ মেডিসিন) রচনা করেন, যা চিকিৎসার ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত বইগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
.
ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে খন্দকের যুদ্ধ নামটি জড়িয়ে আছে। 'খন্দক' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) পরিখা
  2. খ) ধনুক
  3. গ) তলোয়ার
  4. ঘ) উট
সঠিক উত্তর:
ক) পরিখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিখা
ব্যাখ্যা
খন্দকের যুদ্ধ:
- খন্দকের যুদ্ধ শাওয়াল মাসে সংঘটিত হয়।
- এ যুদ্ধ আহজাব নামেও পরিচিত। আহজাব অর্থ সম্মিলিত বাহিনী।
- ইসলামের যুদ্ধগুলোর মধ্যে খন্দকের যুদ্ধ অন্যতম।
- ৫ হিজরির শাওয়াল মাসে খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 
- এই যুদ্ধে মক্কার কুরাইশ, মদিনার ইহুদি, বেদুইন, পৌত্তলিকেরা সম্মিলিতভাবে মুসলমানদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছিল।

- খন্দক শব্দের অর্থ পরিখা বা গর্ত। যেহেতু এ যুদ্ধে অনেক পরিখা খনন করা হয়, তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে খন্দকের যুদ্ধ।
- ইহুদিদের প্ররোচনায় কুরাইশ ও অন্যান্য গোত্র মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করে।
- আহজাব যুদ্ধে ৮ জন মুসলিম শহীদ হন। অন্যদিকে, শত্রুপক্ষে ৪ জন মারা যায়। অবরোধের সময় কেউ বলেছেন ২৪ দিন, অন্য বর্ণনায় ১৫ দিন পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ, ২৮ জুন ২০১৯।
.
হিউয়েন সাং কোন শতকের তীর্থযাত্রী?
  1. ক) অষ্টম শতকের
  2. খ) দশম শতকের
  3. গ) সপ্তম শতকের
  4. ঘ) নবম শতকের
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম শতকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সপ্তম শতকের
ব্যাখ্যা
হিউয়েন সাং:

- হিউয়েন সাং সপ্তম শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।

- ৬০৩ খ্রিস্টাব্দে হেনান প্রদেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- লুওইয়াং নগরে অবস্থানকালে হিউয়েন-সাং মাত্র তেরো বছর বয়সে বৌদ্ধ ভিক্ষু সম্প্রদায়ে প্রবেশ করেন।
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের সন্ধানে সমগ্র চীন ভ্রমণ করেন। 
- ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন-সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য-এশিয়ার কুচ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- কনৌজ নগরে পৌঁছে তিনি মহান ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন।
- হিউয়েন-সাং ৬৫৭টি সংস্কৃত বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ ও অনুবাদ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০.
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহনের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হয় কারা?
  1. ক) চীনের জ্যোতির্বিদরা
  2. খ) গ্রিক জ্যোতির্বিদরা
  3. গ) মিশরীয় জ্যোতির্বিদরা
  4. ঘ) সিন্ধু জ্যোতির্বিদরা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক জ্যোতির্বিদরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক জ্যোতির্বিদরা
ব্যাখ্যা
গ্রিক বিজ্ঞানীদের অবদান:

- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহনের কারন নির্ণয় করতে সক্ষম হয়।

- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করে গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- গ্রিক বিজ্ঞানীরা প্রথম প্রমান করেন পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- চাদের নিজের কোন আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারনে নয় প্রাকৃতিক কারনে ঘটে।এই সত্য তারাই আবিষ্কার করে।
- বিখ্যাত গনিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের গ্রিক সভ্যতায় যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
  1. ক) স্টকহোম
  2. খ) ব্রাসেলস
  3. গ) বার্ন
  4. ঘ) কোপেনহেগেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোপেনহেগেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোপেনহেগেন
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা:

- ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদর দপ্তর কোপেনহেগেনে
- এই সংস্থার চুক্তি সাক্ষরিত হয় ১৯৯০ সালে।
- ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৯৩ সালের ৩০ অক্টোবর।
- ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৪ সালে।
- এই সংস্থার সদস্য ৩৯টি দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১২.
মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় কোথায়?
  1. ক) মেক্সিকোতে
  2. খ) হন্ডুরাসে
  3. গ) বেলিজে
  4. ঘ) গুয়েতেমালাতে
সঠিক উত্তর:
গ) বেলিজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেলিজে
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:

- মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায় মধ্য আমেরিকার বর্তমান বেলিজে।

- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা। মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- ২৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মায়া সভ্যতার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়। 
- বর্তমান মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, এল সালভেদরের ১০০০ কিলোমিটার জুড়ে ছিল মায়া সভ্যতা।
- প্রি - ক্লাসিক্যাল পিরিয়ডে, যা ২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল, মায়া সভ্যতার ধীরে ধীরে প্রসারণ ঘটতে থাকে।
- ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তারা কৃষি কাজ এবং বসতি স্থাপন শুরু করে।
-  ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে সেকোনুস্ক অঞ্চলে তারা বসতি স্থাপন করে।
- ২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ ছিল মায়া সভ্যতার স্বর্ণযুগ।

তথ্যসূত্র - সময় নিউজ,৯ মে ২০২১।
১৩.
‘Every man is guilty of all the good he didn't do’ - উক্তিটি কার?
  1. ক) ভলতেয়ার
  2. খ) রুশো
  3. গ) ফ্রেংকলিন
  4. ঘ) গুস্তাভো
সঠিক উত্তর:
ক) ভলতেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভলতেয়ার
ব্যাখ্যা
- ‘Every man is guilty of all the good he didn't do’ - উক্তিটি ভলতেয়ারের।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল স্বাধীনতা,সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
- ফরাসি বিপ্লব পূর্বতন সমাজকে আমূল পরিবর্তিত করে দিয়েছিল।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও দৈনিক কালের যুগান্তর, ৫ আগস্ট ২০২১।
১৪.
পারস্যের প্রাচীন ধর্মের নাম কী ছিল?
  1. ক) ইহুদি
  2. খ) মারদুক
  3. গ) জরথুস্ত্র
  4. ঘ) সাসানীয়
সঠিক উত্তর:
গ) জরথুস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জরথুস্ত্র
ব্যাখ্যা
জরথুস্ত্র ধর্ম:

- পারস্যের প্রাচীন ধর্মের নাম ছিল জরথুস্ত্র।

- জরথুস্ত্রের আবির্ভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিল একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী।
- বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথুস্ত্র ধর্মের বেপক প্রভাব রয়েছে।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা
- ধর্ম গ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা

তথ্যসূত্র - উচ্চমাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস,প্রথম পত্র,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি কিয়োটো প্রটোকল এর মেয়াদ কত সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিলো?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১৬
  3. গ) ২০২০
  4. ঘ) ২০২৫
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২০
ব্যাখ্যা
কিয়ােটো প্রটোকল:
- ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠেয় ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা Conference of Parties (CoP)-3 এ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কিয়োটো প্রটোকল গৃহীত হয়।
- এর অংশীদার মােট ১৯২টি দেশ ও সংস্থা।
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ২০১২ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে এটির মেয়াদ ২০২০ সাল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলেও তা কার্যকর হয়নি।

- বাংলাদেশ কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর এবং কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি।
- স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি - আমেরিকা।
- কিয়োটো প্রত্যাহার কারী একমাত্র দেশ - কানাডা।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১৬.
সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো কোন জাতি গোষ্ঠীর মানুষেরা?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) মঙ্গোলীয়
  3. গ) দ্রাবিড়
  4. ঘ) অস্ট্রিক
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাবিড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রাবিড়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো দ্রাবিড় জাতি।

- পাঞ্জাব অঞ্চলের হরপ্পাতে প্রথম ১৯২১ সালে এবং তারপর ১৯২২ সালে সিন্ধু অঞ্চলের সিন্ধু নদীর কাছে মহেঞ্জোদারোতে সনাক্ত করা হয়েছিল।উভয় অংশই বর্তমান পাকিস্তানে, যথাক্রমে পাঞ্জাব এবং সিন্ধু প্রদেশে। 
- সিন্ধু সভ্যতা প্রথম সনাক্ত করা হয় পাঞ্জাবে
- মহেঞ্জোদারোর ধ্বংসাবশেষ ১৯৮০ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটে মনোনীত হয়েছিল।
- বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম সভ্যতার মধ্যে-অন্য দুটি হল মেসোপটেমিয়া এবং মিশর। সিন্ধু সভ্যতা ছিল সবচেয়ে বিস্তৃত।
- সিন্ধু সভ্যতা দুটি বড় শহর হরপ্পা এবং মহেঞ্জোদারো এবং ১০০টিরও বেশি শহর ও গ্রাম নিয়ে গঠিত বলে জানা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com 
১৭.
বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক চুক্তি 'বাসেল কনভেনশন' কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫ সাল
  2. খ) ১৯৯৬ সাল
  3. গ) ১৯৯২ সাল
  4. ঘ) ১৯৮৯ সাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal।
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন' -এর কার্যক্রম  শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১৮.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) ক্যালেডীয়
  2. খ) কুমেরীয়
  3. গ) ব্যাবিলনীয়
  4. ঘ) সুমেরীয়
সঠিক উত্তর:
খ) কুমেরীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমেরীয়
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:

- মেসোপটেমীয় সভ্যতার অন্তর্ভূক্ত নয় কুমেরীয়।

- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায় - সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাশেরীয় ও ক্যালেডীয়
-Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।পরে রোমানদের দখলে যায়।মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ,৯ জুন ২০১৮।
১৯.
ব্যাবিলন কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) নীল
  2. খ) ফোরাত
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) ইউফ্রেটিস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:

- ব্যাবিলন ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর তীরে অবস্থিত।

- ব্যাবিলন ছিল একটি প্রাচীন শহর যা বর্তমানে ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত।
- ব্যাবিলন প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম সেরা শহর, মহান স্থাপত্যের শহর এবং শিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল।
- ব্যাবিলন ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত ছিল। 
- ব্যাবিলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ৪০০০ বছরেরও বেশি আগে, প্রায় ২৩০০ BCE।
- এটি মূলত একটি ছোট বন্দর শহর ছিল। এর আদি বাসিন্দারা ছিল দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন আক্কাদিয়ান-ভাষী মানুষ
- ব্যাবিলনের প্রাচীনতম উল্লেখগুলির মধ্যে একটি 'বুক অফ জেনেসিস'-এ শহর যেটিতে বাবেলের টাওয়ারটি নির্মিত হয়েছিল।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান এই শহরে অবস্থিত।

[অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - worldatlas.com
২০.
UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. ক) রিও ডি জেনেরিও
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) রোম
  4. ঘ) ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC স্বাক্ষরিত  হয় রিও ডি জেনেরিওতে
- UNFCCC হল জাতিসংঘের একটি সংস্থা যা জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া সমর্থন করার জন্য কাজ করে।
- UNFCCC এর অর্থ হল জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন
- কনভেনশনের প্রায় সর্বজনীন সদস্যপদ রয়েছে ১৯৯ পক্ষ
- UNFCCC ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- UNFCCC সদর দপ্তর বন,জার্মানী

তথ্যসূত্র - UNFCCC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২১.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) মিশর
  4. ঘ) আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
গ) মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিশর
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট:
- বিশ্বজয়ী বীর অ্যালেক্সান্ডার দ্যা গ্রেটের জন্ম - ৩৫৬ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে মেসিডোনিয়াতে।
- আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট, যিনি Alexander III বা Alexander of Macedonia নামেও পরিচিত।
- ১৩ থেকে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত তাকে অ্যারিস্টটল শিক্ষা দান করেন, যিনি তাকে দর্শন, চিকিৎসা এবং বৈজ্ঞানিক তদন্তে আগ্রহের সাথে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।
- তার রাজত্বকাল ৩৩৬ - ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত।
- ৩৩৪ সালে তিনি পারস্য অতিক্রম করেন এবং গ্রানিকাস নদীতে পারস্য সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেন।

- ভারত অভিযান কালে আহত হয়ে তিনি ৩২৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তৎকালীন মেসোপটেমিয়া (বর্তমান ইরাকে) মৃত্যুবরণ করেন।
- প্রথমে গ্রিসে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত হলেও শেষ পর্যন্ত আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটকে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় সমাহিত করা হয়।
- তার সমাধিস্থল এখনো রহস্য হয়ে থাকলেও সব গবেষক মিশরে তার সমাধি রয়েছে বলে একমত হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - Britannica ও archaeology ওয়েবসাইট।
২২.
কোন শতকে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন হয়?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) ত্রয়োদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
মোঙ্গল সাম্রাজ্য:
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত।
- ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে (১২০৬ সালে) মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- চেঙ্গিস খান ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আসল নাম ছিলো তেমুজিন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান। মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২৫৯ সালে মেংগু খানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে মোঙ্গল সাম্রাজ্য বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি কেবল মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
২৩.
'মিস আর্থ' প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি
  2. খ) সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
  3. গ) যুদ্ধ পরিস্থির অবসান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
- মিস আর্থ হচ্ছে পরিবেশের উপর ভিত্তি করে একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা যার মূল লক্ষ্য সকলের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি করা।
- পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফিলিপাইনের পরিবেশবাদী সংগঠন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
২৪.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) এস্টার ম্যাকভে
  2. খ) ররি স্টুওয়ার্ট
  3. গ) নেভিলি চেম্বারলেইন
  4. ঘ) ম্যাট হ্যানকক
সঠিক উত্তর:
গ) নেভিলি চেম্বারলেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেভিলি চেম্বারলেইন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় যুদ্ধকালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান:
▪ যুক্তরাষ্ট্র - ফ্রাঙ্কলিন ডি.রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান (প্রেসিডেন্ট)
▪ সোভিয়েত ইউনিয়ন - জোসেফ স্ট্যালিন (প্রেসিডেন্ট/নেতা)
▪ যুক্তরাজ্য - উইনস্টন চার্চিল ও নেভিলি চেম্বারলেইন (প্রধানমন্ত্রী)
▪ ফ্রান্স - চার্লস ডি গল (প্রবাসী সরকারের প্রধান)
▪ জার্মানি - এডলফ হিটলার (চ্যান্সেলর/ফুয়েরার)
▪ জাপান - হিরোহিতো (সম্রাট)
▪ ইতালি - বেনিতো মুসোলিনী ও পিয়েত্রো বাডুগোল্লি (প্রধানমন্ত্রী)।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।