পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [টপিক: বিগত তিনটি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা] ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
'পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে এক লক্ষ মারাঠা সৈন্য মারা গিয়েছিল।' ক্রিয়ার কোন কালের উদাহরণ?
  1. ঐতিহািসক বর্তমান কাল
  2. পুরাঘটিত অতীত কাল
  3. ঘটমান অতীত কাল
  4. নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত কাল
ব্যাখ্যা
• পুরাঘটিত অতীতকাল:
যে ক্রিয়া অতীতে বহু পূর্বেই সংঘটিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন:
- সেবার তোমাকে সুস্থই দেখেছিলাম।

পুরাঘটিত অতীত কালের প্রয়োগ:
• অতীতে সংঘটিত ঘটনার নিশ্চিত বর্ণনায়: পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে এক লক্ষ মারাঠা সৈন্য মারা গিয়েছিল।
• অতীতে সংঘটিত ঘটনার পরম্পরা বোঝাতে শেষ ক্রিয়াপদে পুরাঘটিত অতীত কালের প্রয়োগ হয়: বৃষ্টি শেষ হবার পূর্বেই আমরা বাড়ি পৌছেছিলাম।

অন্যদিকে,
------------------
• সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমানকাল:
সাধারণভাবে এবং সচরাচর যখন কোনো ক্রিয়ার ব্যাপার ঘটে, তার কালকে সাধারণত নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- সন্ধ্যায় সূর্য অস্ত যায় (স্বাভাবিকতা)।
- আমি রোজ সকালে বেড়াতে যাই (অভ্যস্ততা)।

• ঐতিহাসিক বর্তমানকাল: অতীতের কোনো ঐতিহাসিক ঘটনায় যদি নিত্য বর্তমান কালের প্রয়োগ হয়, তাহলে তাকে ঐতিহাসিক বর্তমান কাল বলে।
যেমন:
- বাবরের মৃত্যুর পর হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। [করেন ক্রয়ার বর্তমান কাল নির্দেশ করছে।]

• ঘটমান অতীতকাল:
অতীত কালে যে কাজ চলছিল এবং যে সময়ের কথা বলা হয়েছে তখনো কাজটি সমাপ্ত হয়নি- ক্রিয়া সংঘটনের এরূপ ভাব বোঝালে ক্রিয়ার ঘটমান অতীত কাল হয়।
যেমন:
- মা তখন শিশুকে ঘুম পাড়াচ্ছিলেন।
- কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল।
- মা আমাদের পড়াশুনা দেখছিলেন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোনটি "তদ্ভব" শব্দ?
  1. চন্দ্র
  2. নেমন্তন্ন
  3. মাথা
  4. টুপি
সঠিক উত্তর:
মাথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথা
ব্যাখ্যা
• তৎসম শব্দ 'মস্তক' থেকে তদ্ভব 'মাথা' শব্দের উৎপত্তি-  মস্তক > মাথা। 

• তদ্ভব শব্দ:

যেসব শব্দ সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে সেগুলোকে 'তদ্ভব শব্দ' বলে। তদ্ভব শব্দগুলো খাঁটি বাংলা শব্দ এবং বর্তমানে এগুলো বাংলা ভাষার মূল উপাদান হিসেবে বিবেচ্য।
যেমন: হাত, পা, মাথা, কান ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
--------------
• অর্ধতৎসম:
যেসব সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলায় এসেছে সেসব শব্দকে 'অর্ধ-তৎসম শব্দ' বলে।
যেমন: গিন্নি, জোছনা, নেমন্তন্ন ইত্যাদি।

• তৎসম শব্দ:
যেসব শব্দ পরিবর্তন ছাড়াই সংস্কৃত থেকে বাংলায় সরাসরি এসেছে সেগুলোকে 'তৎসম শব্দ' বলে।
যেমন: চন্দ্র, সূর্য, হস্ত ইত্যাদি।

• দেশি শব্দ:
যেসব শব্দ এদেশের আদিম অধিবাসী অনার্যদের ভাষা থেকে বাংলায় স্থান পেয়েছে সেগুলোকে 'দেশি শব্দ' বলা হয়।
যেমন: পেট, ডাব, টুপি  ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"নর্তক" শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √নত্‌ + অক
  2. √নৎ + অক
  3. √নৃৎ + অক
  4. √নর্ত + অক
সঠিক উত্তর:
√নৃৎ + অক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√নৃৎ + অক
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় -অক (ণক্): বিশেষ্য (কর্তৃপদ) গঠন করে। 
যেমন:
- √নী + অক = নায়ক;
- √কৃ + অক = কারক;
- √রুধ + অক = রোধক;
- √নিন্দ্‌ + অক = নিন্দক;
- √হিন্‌স্‌ + অক = হিংসক;
- √নৃৎ + অক = নর্তক। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু বলা হয় কোনটিকে?
  1. বাংলা ধাতু
  2. যৌগিক ধাতু
  3. সংস্কৃত ধাতু
  4. নাম ধাতু
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
ব্যাখ্যা
• মৌলিক ধাতু:
যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়। যেমন-চল্, পড়, কর্, শো, হ, খা ইত্যাদি।
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধাতুগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়: (ক) বাংলা, (খ) সংস্কৃত এবং (গ) বিদেশি ধাতু।

 • বাংলা ধাতু: যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু। যেমন কাট্, কাঁদ, জানু, নাচ্ ইত্যাদি।

• সংস্কৃত ধাতু: বাংলা ভাষায় যেসব তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতু প্রচলিত রয়েছে তাদের সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন- কৃ, গম্, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

• বিদেশাগত ধাতু: প্রধানত হিন্দি এবং ক্বচিৎ আরবি-ফারসি ভাষা থেকে যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, সেগুলোকে বিদেশাগত ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়। যেমন ভিক্ষে মেগে খায়। এ বাক্যে 'মাগ্‌' ধাতু হিন্দি 'মাহু' থেকে আগত। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √দীপ্য + মান = দীপ্যমান
  2. √বিদ্য + মান = বিদ্যমান
  3. √বর্ত + মান = বর্তমান
  4. √যজ্ + মান = যজমান
সঠিক উত্তর:
√যজ্ + মান = যজমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√যজ্ + মান = যজমান
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় -মান (শানচ্)
ঘটমান অর্থে-
- √বৃৎ + মান = বর্তমান,
- √যজ্ + মান = যজমান,
- √বিদ্‌ + মান বিদ্যমান,
- √দীপ্ + মান = - দীপ্যমান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'রক্ষণ' শব্দটি কোন ধাতু যোগে গঠিত?
  1. সংস্কৃত ধাতু
  2. বাংলা ধাতু
  3. বিদেশি ধাতু
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ধাতু
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ধাতু:
যে ক্রিয়ামূলগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি বা সোজাসুজি এসেছে সেগুলোকে সংস্কৃত ধাতু বলে। যেমন- কৃ, গম্, ধূ, গঠ, স্থা ইত্যাদি।

সংস্কৃত ধাতু:
• অক্ - অঙ্কন, অঙ্কিত। 
• কথ- কথ্য, কথিত। 
• দৃশ্- দৃশ্য, দর্শন। 
• রক্ষ্‌ - রক্ষণ, রক্ষিত, রক্ষী। 
• হস্- হাস, হাসন। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
পুরাঘটিত বর্তমানকালের বিশেষ প্রয়োগ ঘটেছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. দুই আর দুয়ে চার হয়।
  2. কাল হরতাল হয় কিনা দেখা যাক।
  3. দেখ কী করতে পারি।
  4. সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে।
সঠিক উত্তর:
সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত বর্তমানের বিশেষ প্রয়োগ:
• অতীত সময় বোঝাতে:
- দশ বছর হলো তার বাবা মারা গেছেন।
- গত মাসে তাকে ঢাকায় দেখেছি।

• ভবিষ্যৎ সময় বোঝাতে:
- সেও এসেছে আর তোমারও যাওয়া হয়েছে।
- সে আগামীকাল কানাডা যাচ্ছে, আর ফিরছে না।

• অনুমতি গ্রহণ: যাচ্ছি তাহলে।

অন্যদিকে, 
----------------
সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
• চিরন্তন সত্য প্রকাশে নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল হয়। যেমন- দুই আর দুয়ে চার হয়।
• বক্তাপক্ষ অনুজ্ঞায়: দেখ কী করতে পারি।
• অনুমতি প্রার্থনায়: এবার তবে আসি।
• অব্যবহিত ভবিষ্যৎ বোঝাতে: কাল হরতাল হয় কিনা দেখা যাক। ওষুধটা কোথায় পাওয়া যায় তা ভালো করে জেনে আসবি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
প্রত্যয়, বিভক্তি ও উপসর্গ যুক্ত থাকে না কোন শব্দে?
  1. যৌগিক শব্দে
  2. মৌলিক শব্দে
  3. সাধিত শব্দে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
মৌলিক শব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক শব্দে
ব্যাখ্যা
• মৌলিক শব্দ:
ভাষার যে-সব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না এবং যাদের সঙ্গে কোনো প্রত্যয়, বিভক্তি, উপসর্গ ইত্যাদি যুক্ত থাকে না, তাদের মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দের বৈশিষ্ট্য হল- স্পষ্ট অর্থবোধকতা ও অবিভাজ্যতা। কখনো মৌলিক শব্দ ভেঙে দেখানোর চেষ্টা করলে ভাঙা বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনো অর্থ হয় না।
যেমন: মা, ভাত, পথ, চল ইত্যাদি।

ধরা যাক, পথিক বা চলা এগুলোকে মৌলিক শব্দ বলা যায় না, কারণ পথিন্ + ক্ বা চল্ + আ-এভাবে এদের ভাঙা যায়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
"লোকসান" কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. আরবি
  2. উর্দু
  3. ফারসি
  4. বাংলা
সঠিক উত্তর:
আরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরবি
ব্যাখ্যা
• লোকসান (বিশেষ্য),
- আরবি ভাষার শব্দ। 
অর্থ:
- ক্ষতি।
- ক্রয়মূল্যের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে বিক্রয়।

আরবি ভাষার কিছু শব্দ হলো: কলম, তারিখ, কায়দা, কবুল, আদব, আদালত, আমল। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১০.
কায়কোবাদ কোন কাব্য রচনার মাধ্যমে মহাকবিরূপে খ্যাতি অর্জন করেন?
  1. বিরহবিলাপ
  2. অশ্রুমালা
  3. মহাশ্মশান
  4. অমিয়ধারা
সঠিক উত্তর:
মহাশ্মশান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা
কায়কোবাদ ও তাঁর সাহিত্যকর্ম:
• কায়কোবাদ ছিলেন আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি। ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। কায়কোবাদের কাব্যসাধনার মূল উদ্দেশ্য ছিল পশ্চাৎপদ মুসলমান সম্প্রদায়কে তার অতীত ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করা এবং তা পুনরুদ্ধারে উদ্বুদ্ধ করা।

• তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। অতি অল্পবয়স থেকে কায়কোবাদের সাহিত্য-প্রতিভার স্ফুরণ ঘটে। মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য 'বিরহবিলাপ' (১৮৭০) প্রকাশিত হয়।

• কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' হচ্ছে মহাকাব্য। তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে জয়-পরাজয় অপেক্ষা ধ্বংসের ভয়াবহতা প্রকট হওয়ায় এর নাম হয়েছে ‘মহাশ্মশান’। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং এর দ্বারাই তিনি মহাকবিরূপে খ্যাতি অর্জন করেন। 

• বাংলা কাব্যসাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ তাঁকে ‘কাব্যভূষণ’, ‘বিদ্যাভূষণ ও ‘সাহিত্যরত্ন’ (১৯২৫) উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯৫১ সালের ২১ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে:
- কুসুম কানন,
- অশ্রুমালা,
- মহাশ্মশান,
- শিব-মন্দির,
- অমিয়ধারা,
- শ্মশান-ভস্ম ও
- মহরম শরীফ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
'জলপাইহাটি ও মাল্যবান' উপন্যাসদ্বয় কার রচনা?
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. জীবনানন্দ দাশ
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• "জলপাইহাটি" উপন্যাস:
'জলপাইহাটি' জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস। উপন্যাসের মূল দুই চরিত্র পিতা নিশিথ ও পুত্র হারীত। এই হারীত চরিত্রকে ঘিরেই কাহিনি সামনের দিকে এগিয়েছে। উপন্যাসে জলপাইহাটিকে ঘিরে হারীতে বেড়ে ওঠা, উপার্জনের খোঁজে দূরে যাওয়া, হারীতের সাথে অর্চনার পরিচয়ের মধ্য দিয়ে জীবন যৌবনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনুভূতি, প্রেমের উজ্জীবন পরিলক্ষিত হয়।

• "মাল্যবান" উপন্যাস:
'মাল্যবান' (১৯৭৩) জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস। উপন্যাসটি লেখা হয়েছিল সম্ভবত ১৯৪৮ সালে, প্রকাশিত হয় জীবনানন্দের মৃত্যুর অনেক দিন পরে।
বাংলা সাহিত্যের মূল কাহিনি বর্ণনার ধারা থেকে সম্পূর্ণ পৃথক এই উপন্যাসটি। দাম্পত্য জীবনের এক নিষ্ঠুর কাহিনি। সম্পর্কের জটিলটা এবং পারস্পরিক বিচ্ছিন্নতা বোধ এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।

-----------------
ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে জীবনানন্দের স্বতন্ত্র প্রতিভা ও নিভৃত সাধনার উন্মোচন ঘটে মৃত্যুর পরে প্রাপ্ত অসংখ্য পাণ্ডলিপিতে।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- 
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ,
- জলপাইহাটি,
- জীবনপ্রণালী,
- বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।

• কবিতার কথা (১৯৫৫) নামে তাঁর একটি মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং "জলপাইহাটি" ও "মাল্যবান" উপন্যাস। 
১২.
'পল্লীবধূ' জসীম উদ্‌দীন রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. গানের সংকলন
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. শিশুতোষ গ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা
• 'পল্লীবধূ' জসীমউদ্দীন রচিত একটি নাটক।
- নাটকটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।

-------------------
• জসীম উদ্‌দীন:

• জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।

• জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। 

• জসীমউদ্দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। তখন থেকেই তিনি তাঁর কবিতায় পল্লিপ্রকৃতি ও পল্লিজীবনের সহজ-সুন্দর রূপটি তুলে ধরেন। পল্লির মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর অস্তিত্ব যেন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

• কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

• জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান। জারি গান একান্তভাবেই বাংলাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি। এ গ্রন্থে জারি গানের মোট ২৩টি পালা সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের ভূমিকায় জসীমউদ্দীন জারি গানের উৎস এবং বিভিন্ন এলাকার জারি গানের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন। দ্বিতীয় গ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো: 
• কাব্যগ্রন্থ:
বালুচর, রূপবতী, রাখালী, নক্সী কাঁথার মাঠ, ধানখেত, সোজন বাদিয়ার ঘাট, মাটির কান্না, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

• নাটক:
পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধুমালা, পল্লীবধূ ইত্যাদি।

• শিশুতোষ গ্রন্থ:
হাসু, এক পয়সার বাঁশী, ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।


১৩.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  2. চৈতালী ঘূর্ণি
  3. কালিন্দী
  4. আরোগ্য নিকেতন
সঠিক উত্তর:
চৈতালী ঘূর্ণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৈতালী ঘূর্ণি
ব্যাখ্যা
• তারাশঙ্কর বন্দ্যােপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাসের নাম 'চৈতালী ঘূর্ণি'।
- রচনাকাল ১৯২৯ খ্রিষ্টােব্দর মধ্যবর্তী কোন এক সময়। 

অন্যদিকে, 
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস "হাঁসুলী বাঁকের উপকথা"। উপন্যাসটি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসে বীরভুমের 'কাহার' সম্প্রদায়ের জীবন, তাদের সংস্কৃতি, ধর্মবিশ্বাস, আচার-আচরণ, লোককথা আন্তরিকতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে।

"কালিন্দী" নদীর বুকে উৎপন্ন চরকে কেন্দ্র করে দুই জমিদার বাড়ির তৈরি বিবাদ নিয়ে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়।

"আরোগ্য নিকেতন" নামক উপন্যাসটি রচয়িতা তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। উপন্যাসটি ১৯৫২ সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় 'সঞ্জীবন ফার্মাসী' নামে প্রকাশিত হয়। এই কাহিনির নায়ক এক কবিরাজ, জীবনমশায়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
সেট A = {x ∈ N : x2 > 10 এবং x3 < 80} হলে, A = কত?
  1. {2, 3, 4}
  2. {}
  3. {4}
  4. {3, 4}
সঠিক উত্তর:
{4}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{4}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সেট A = {x ∈ N : x2 > 10 এবং x3 < 80} হলে, A = কত?

সমাধান:
x2 > 10; এই শর্তে x এর মানের সেট P হলে, P = {4, 5, 6 .......}
x3 < 70; এই শর্তে x এর মানের সেট Q হলে, Q = {1, 2, 3, 4}

উভয় শর্তে x এর মানের সেট, A = P ∩ Q
= {4, 5, 6 .......} ∩ {1, 2, 3, 4}
= {4}
১৫.
"PURPOSE" শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?
  1. 120
  2. 360
  3. 540
  4. 720
সঠিক উত্তর:
360
উত্তর
সঠিক উত্তর:
360
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "PURPOSE" শব্দটির স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট কতভাবে সাজানো যাবে?

সমাধান:
"PURPOSE" শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে = 7টি,
Vowel আছে = 3টি
এবং P আছে = 2টি

এখন,
Vowel তিনটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ = 5টি
5টি বর্ণকে সাজানো যায় = 5!/2! = 60
Vowel তিনটি সাজানো যায় = 3! = 6

∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে মোট সাজানো যাবে = (60 × 6)
= 360
১৬.
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 10} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 13} হলে, A ∩ B = কত?
  1. {3, 5, 7, 9}
  2. {3, 5, 7, 9, 11}
  3. {3,7, 9}
  4. {5, 7, 9}
সঠিক উত্তর:
{3, 5, 7, 9}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{3, 5, 7, 9}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 10} এবং B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 13} হলে, A ∩ B = কত?

সমাধান:
A = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10}

B = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 13}
= {1, 3, 5, 7, 9, 11, 13}

সুতরাং, A ∩ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10} ∩ {1, 3, 5, 7, 9, 11, 13}
= {3, 5, 7, 9}
১৭.
4, 11, 12, 17, 19, 20, 21, 21, 22, 23, 24, 25, 26, 27, 28, 29, 30, 32, 35 সংখ্যাগুলোর মধ্যক ও প্রচূরক এর গুণফল কত?
  1. 473
  2. 478
  3. 483
  4. 486
সঠিক উত্তর:
483
উত্তর
সঠিক উত্তর:
483
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4, 11, 12, 17, 19, 20, 21, 21, 22, 23, 24, 25, 26, 27, 28, 29, 30, 32, 35 সংখ্যাগুলোর মধ্যক ও প্রচূরক এর গুণফল কত?

সমাধান:
মোট পদ সংখ্যা আছে ১৯ টি, এর দশম পদ হচ্ছে মধ্যক।
∴ মধ্যক = 23

উপাত্তগুলোর মধ্যে সর্বাধিক 2 বার আছে 21 সংখ্যাটি।
∴ প্রচুরক = 21

সুতরাং, মধ্যক ও প্রচূরক এর গুণফল = (23 × 21) = 483
১৮.
A = {2, 3, 7, 9, 11, 13} হলে এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?
  1. 57 টি
  2. 63 টি
  3. 65 টি
  4. 71 টি
সঠিক উত্তর:
63 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63 টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {2, 3, 7, 9, 11, 13} হলে এর প্রকৃত উপসেট কয়টি?

সমাধান:
A সেটের উপাদান = 6 টি
A এর প্রকৃত উপসেট = 26
= 64 টি

∴ প্রকৃত উপসেট = 64 - 1
= 63 টি
১৯.
1, 2, 4, 5, 0, 8 সংখ্যাগুলো একবার ব্যবহার করে তিন অঙ্কবিশিষ্ট কয়টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে?
  1. 90টি
  2. 100টি
  3. 120টি
  4. 140টি
সঠিক উত্তর:
100টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1, 2, 4, 5, 0, 8 সংখ্যাগুলো একবার ব্যবহার করে তিন অঙ্কবিশিষ্ট কয়টি অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে?

সমাধান:
প্রথম সংখ্যা ০ ব্যাতিত অন্য কোনো সংখ্যা হতে হবে
তাহলে বাকি 5 টি সংখ্যা থেকে 1 টি সাজানোর সম্ভাবনা = 5P1 = 5

প্রথম স্থান পূরণের পর বাকি 5টি সংখ্যা থেকে 2টি স্থান পূরণ করা যাবে = 5P2 = 20 উপায়ে

∴ মোট সংখ্যা গঠন করা যাবে = (5 × 20)
= 100টি
২০.
প্রথম এগারোটি স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিত ব্যবধান কত?
  1. √8
  2. √10
  3. √12
  4. √13
সঠিক উত্তর:
√10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রথম এগারোটি স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিত ব্যবধান কত?

সমাধান:
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিত ব্যবধান= √{(n2 - 1)/12}
= √{(112 - 1)/12}
= √{(121 - 1)/12}
= √(120/12)
= √10
২১.
"QUESTION" শব্দের অক্ষর গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে Q সবসময় প্রথম অক্ষর থাকে?
  1. 1040 উপায়ে
  2. 720 উপায়ে
  3. 5040 উপায়ে
  4. 40320 উপায়ে
সঠিক উত্তর:
5040 উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5040 উপায়ে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: "QUESTION" শব্দের অক্ষর গুলোকে কত উপায়ে সাজানো যাবে যাতে Q সবসময় প্রথম অক্ষর থাকে?

সমাধান:
"QUESTION" শব্দটিতে প্রথম অক্ষর Q ছাড়া আর বর্ণ আছে 7 টি এবং প্রত্যেকটি বর্ণই ভিন্ন ভিন্ন।
7 টি ভিন্ন বর্ণকে সাজানর উপায় = 7!
= 5040

∴ মোট 5040 উপায়ে সাজানো যাবে।
২২.
ইয়াহিয়া খান কবে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন?
  1. ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৭১ সালের ১ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা: 
- পাকিস্তানি সামরিক শাসকচক্র আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তরে নানা চক্রান্ত শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করেন।
- পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো ঢাকায় অধিবেশনে যোগদান করতে অস্বীকার করেন।
- অন্যান্য সদস্যকেও তিনি হুমকি দেন। এসবই ছিল ভুট্টো-ইয়াহিরার ষড়যন্ত্রের ফল।
- ইয়াহিয়া খান ১লা মার্চ ভুট্টোর ঘোষণাকে অজুহাত দেখিয়ে ৩রা মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে কোনো প্রকার আলোচনা না করে অধিবেশন স্থগিত করায় পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে ২রা মার্চ ঢাকায় এবং ৩রা মার্চ সারা দেশে হরতাল পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৩.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চকে কী বলা হয়?
  1. কালরাত্রি
  2. জাতীয় গণহত্যা দিবস
  3. নীলনকশা দিবস
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ: 
- ১৭ই মার্চ টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামক কর্মসূচির মাধ্যমে বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করে।
- ২৫শে মার্চ রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বরতম গণহত্যা, 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু হয়।
- ইয়াহিয়া ও ভুট্টো ২৫শে মার্চ গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হত্যা করে বহু মানুষকে।
- পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় আক্রমণ চালায় ও নৃশংসভাবে গণহত্যা ঘটায়।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৫ শে মার্চের রাত 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- এ দিবসটি এখন 'জাতীয় গণহত্যা দিবস' হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৪.
'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ' আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় কবে?
  1. মুজিবনগর সরকার গঠনের দিন
  2. মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের দিন
  3. উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের দিন
  4. মুক্তিযুদ্ধে বিজয় লাভের পর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর সরকার গঠনের দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর সরকার গঠনের দিন
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই (মুজিবনগর সরকার গঠন) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৫.
'কিলো ফ্লাইট' কোন বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত নাম?
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. জেড ফোর্স
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
কিলো ফ্লাইট:
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- এই সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।
- বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সশস্ত্র বিমান বাহিনী গঠনে গোপনীয়তা রক্ষার্থে এর গুপ্ত নাম হয় 'কিলো ফ্লাইট'।
- 'কিলো ফ্লাইটের' অস্তিত্ব বিডি এফ এবং গোটা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছাড়া আর কেউ জানতেন না।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার: 
- ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ নির্বাচিত সাংসদগণ আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সরকার গঠন করেন।
- এই সরকার স্বাধীন সার্বভৌম "গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার"।
- স্বাধীনতার সনদ (Charter of Independence) বলে এই সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামে বৈদ্যনাথ তলায় "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার" আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

যে সমস্ত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় তাঁরা হলেন: 
১। রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানে বন্দী)
২। উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
৩। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৪। অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৫। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৬। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২৭.
খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রোম, ইতালি
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ম্যানিলা, ফিলিপাইন
সঠিক উত্তর:
রোম, ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO):
- খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) হলো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূরীকরণের প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দেয়।
- FAO-এর লক্ষ্য হলো সবার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সক্রিয় ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত ও উচ্চমানের খাদ্যের নিয়মিত প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৫ (১৯৪টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- সংস্থাটি বিশ্বের ১৩০টিরও বেশি দেশে কাজ করে।
- মহাপরিচালক: কু ডংইউ।
- প্রথম অস্থায়ী সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি (১৯৪৯ সালে FAO-এর পঞ্চম সাধারণ সম্মেলনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সদর দপ্তর রোমে স্থানান্তরের)।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
২৮.
শিল্প উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা কোনটি?
  1. UNICEF
  2. UNWTO
  3. UNIDO
  4. UNIDIR
সঠিক উত্তর:
UNIDO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIDO
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (UNIDO):
- UNIDO জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা, যা শিল্প উন্নয়নের প্রচার, সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং ত্বরান্বিত করার অনন্য ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করে।
- UNIDO-এর ম্যান্ডেট প্রতিফলিত হয় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) 9-এ:"টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্পায়নকে এগিয়ে নেওয়া, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা এবং স্থিতিশীল অবকাঠামো নির্মাণ।"
- UNIDO-এর কার্যক্রম টেকসই উন্নয়নের সকল লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখে।
- মহাপরিচালক: গার্ড মুলার (১০ ডিসেম্বর ২০২১ থেকে)।
- সদস্য রাষ্ট্র: ৪ অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত ১৭৩টি রাষ্ট্র।
- সদর দফতর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

• UNIDO তার ১৭৩ সদস্য রাষ্ট্রকে চারটি প্রধান কার্যক্রমের মাধ্যমে সহায়তা প্রদান করে:
- প্রযুক্তিগত সহযোগিতা।
- গবেষণা ও নীতি পরামর্শ সেবা।
- মানদণ্ড সংক্রান্ত কার্যক্রম।
- জ্ঞান ও প্রযুক্তি স্থানান্তরে অংশীদারিত্ব।

উল্লেখ্য,
- UNIDIR হল জাতিসংঘের মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাধীন গবেষণা পরিচালনা করে।
- UNWTO (বর্তমানে UN Tourism) দায়িত্বশীল, টেকসই এবং সর্বজনীনভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য পর্যটনের প্রচারের দায়িত্ব নেয়। 
- UNICEF সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এবং প্রতিটি শিশুর অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করে।

উৎস: UNIDO ওয়েবসাইট।
২৯.
পর্যটনের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস এবং বিশ্বজুড়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে জাতিসংঘের কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. WTO
  3. UNIDIR
  4. UN Tourism
সঠিক উত্তর:
UN Tourism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UN Tourism
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পর্যটন ও UN Tourism: 
- UNWTO বৈশ্বিক সেক্টরের জন্য একটি নতুন যুগ চিহ্নিত করার জন্য " UN ট্যুরিজম " হয়েছে।
- ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশন (ইউএনডব্লিউটিও) একটি নতুন নাম এবং ব্র্যান্ড সহ একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে: ইউএন ট্যুরিজম। (ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৪)
- ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক পর্যটন মহামারির আগের পর্যায়ে ফিরে এসেছে।
- অ্যান্ডোরা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের সুরক্ষার কোড মেনে চলা ২৫তম দেশ হিসেবে যোগ দিয়েছে।
- UN Tourism-এর নেতৃত্ব পর্যটন খাতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলি চিহ্নিত করে এবং এই খাতকে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) অর্জনে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।
- ১৬০টি সদস্য রাষ্ট্র।
- ৬টি সহযোগী সদস্য।
- ৫০০-এরও বেশি সহযোগী সদস্য, যার মধ্যে রয়েছে বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এবং স্থানীয় পর্যটন সংস্থা।
- UN Tourism পর্যটনের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস এবং বিশ্বজুড়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- সেক্রেটারি-জেনারেল: জুরাব পোলোলিকাশভিলি (জানুয়ারি ২০১৮ সালে দায়িত্ব গ্রহণ করেন)।

উল্লেখ্য,
- UNDP ১৭০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে জাতির টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং বৈষম্য কমাতে কাজ করে।
- UNIDIR হল জাতিসংঘের মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান যা নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাধীন গবেষণা পরিচালনা করে।
- ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন ( WTO ) বাণিজ্যের বিশ্বব্যাপী নিয়মগুলি নিয়ে কাজ করে।

উৎস: UN Tourism ওয়েবসাইট। 
৩০.
মানব উন্নয়ন রিপোর্ট প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. WIPO
  4. USAID
সঠিক উত্তর:
UNDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNDP
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP): 
- UNDP ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে কাজ করে।
- জাতিসংঘের উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে, UNDP টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) অর্জনে দেশগুলিকে সহায়তা করে।
প্রশাসক: আচিম স্টেইনার (Achim Steiner) ১৯ জুন ২০১৭ সালে UNDP-এর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- UNDP তার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্বেচ্ছা অনুদানের উপর নির্ভরশীল।
- সদর দপ্তর: নিউইয়র্ক সিটি, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। 
- UNDP মানব উন্নয়ন রিপোর্ট (Human development Report) প্রকাশ করে। 

• এর উদ্দেশ্য হলো:
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- অসমতা ও বঞ্চনা হ্রাস করা।
- সহনশীলতা তৈরি করে উন্নয়নের অগ্রগতি নিশ্চিত করা।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট। 
৩১.
United Nations Population Fund এর সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. UNFP
  2. UNPF
  3. UNPA
  4. UNFPA
সঠিক উত্তর:
UNFPA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFPA
ব্যাখ্যা
United Nations Population Fund বা জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA): 
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৯ সালে "জাতিসংঘ জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল" (United Nations Fund for Population Activities বা UNFPA) নামে প্রতিষ্ঠিত।
- নাম পরিবর্তন: ১৯৮৭ সালে নামকরণ করা হয় "জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল" (United Nations Population Fund), তবে UNFPA সংক্ষিপ্ত রূপটি (acronym) রয়ে গেছে।
- ১৫০+ দেশ ও অঞ্চলে কার্যক্রম পরিচালনা করে, যেখানে বিশ্বের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করে।
- পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য সেবা এবং যৌন ও প্রজনন অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করা।
- ২০১৯ সালের নাইরোবি বিবৃতি এবং ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ICPD কর্মসূচি বাস্তবায়ন।
- UNFPA এর সকল কাজ মানবাধিকারের উপর ভিত্তি করে এবং সংস্কৃতির প্রতি সম্মান রেখে পরিচালিত হয়।

উৎস: UNFPA ওয়েবসাইট। 
৩২.
UNRWA সংস্থার কাজ কোনটি?
  1. যুদ্ধবিদ্ধস্ত এলাকার উন্নয়ন
  2. নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা
  3. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
  4. যেকোন দেশের নিবন্ধিত শরণার্থীদের সহায়তা
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা
ব্যাখ্যা
United Nations Relief and Works Agency for Palestine Refugees in the Near East (UNRWA): 
- UNRWA নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সহায়তা ও সুরক্ষা প্রদান করে।
- ১৯ লক্ষ শরণার্থী UNRWA-এর স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করে।
- ৪.৩৮ লক্ষ শরণার্থী সিরিয়ার সংঘাতে প্রভাবিত।
- ১২ লক্ষ শরণার্থী গাজায় খাদ্য সহায়তা পায়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ UNRWA-কে ‘ফিলিস্তিনি শরণার্থী’দের জন্য কাজ করার দায়িত্ব দিয়েছে।
- UNRWA ১৯৬৭ ও তার পরবর্তী সংঘাতের কারণে স্থানচ্যুত ব্যক্তিদের জরুরি সেবা প্রদান করে, যদিও তারা নিবন্ধিত ফিলিস্তিনি শরণার্থী নয়।
- UNRWA-এর ম্যান্ডেট এবং শরণার্থীদের সংজ্ঞা শুধুমাত্র জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পরিবর্তন করতে পারে।

• ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংজ্ঞা (১৯৫২):
- যে সকল ব্যক্তির স্বাভাবিক আবাসস্থল ১ জুন ১৯৪৬ থেকে ১৫ মে ১৯৪৮ পর্যন্ত ফিলিস্তিনে ছিল এবং ১৯৪৮ সালের সংঘাতের ফলে তাদের বাড়ি ও জীবিকার মাধ্যম হারিয়েছে।
- শরণার্থীদের উত্তরাধিকারসূত্রে যোগ্য হওয়া বাবার সন্তানরাও শরণার্থী হিসেবে বিবেচিত।

• পরিষেবা ও কার্যক্রম:
- প্রাথমিক ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা।
- প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা।
- ত্রাণ ও সামাজিক সেবা।
- শিবিরের উন্নয়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন।
- মাইক্রোফাইন্যান্স।
- সশস্ত্র সংঘাতসহ জরুরি সেবার প্রতিক্রিয়া।

উৎস: UNRWA ওয়েবসাইট। 
৩৩.
কোন সম্মেলনের সাথে জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) প্রতিষ্ঠা জড়িত?
  1. জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন
  2. জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন
  3. জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন
  4. ধরিত্রী সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP): 
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল। 
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) প্রতিষ্ঠা স্টকহোমে, সুইডেনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলনের (৫-১৬ জুন, ১৯৭২) সাথে জড়িত।
- এই সম্মেলন প্রথমবারের মতো পরিবেশকে বৈশ্বিক এজেন্ডায় স্থান দেয় এবং এটি মানুষের কল্যাণ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে যে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত, তা তুলে ধরে।
- UNEP এর লক্ষ্য হলো দেশ ও জনগণকে তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অনুপ্রাণিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনযাত্রা ব্যাহত না করেই এটি বাস্তবায়ন করা।
- UNEP জলবায়ু পরিবর্তন, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি এবং দূষণের মতো ত্রিমুখী সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান প্রদান করে।
- এটি দেশগুলোকে কম-কার্বন এবং সম্পদ-কেন্দ্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তরে সহায়তা করে।
- নীতিনির্ধারণে সহায়তার জন্য তথ্যপ্রমাণ-ভিত্তিক ডেটা সরবরাহ এবং পরিবেশ আইন ও শাসন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।
- ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জন এবং প্রকৃতির সাথে মিল রেখে বসবাসে সহায়তা প্রদান।
- UNEP ওজোন স্তর পুনরুদ্ধার, সমুদ্র সুরক্ষা এবং সবুজ অর্থনীতি উন্নয়নে দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অবদান রেখে আসছে।
- সংস্থার সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- নির্বাহী পরিচালক: ইঙ্গার অ্যান্ডারসেন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৩৪.
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
UNU:
- জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (UNU) একটি বৈশ্বিক চিন্তাধারা কেন্দ্র এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। 
- সদর দপ্তর জাপানে অবস্থিত
- রেক্টর: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকনির্দেশনা, সংগঠন, প্রশাসন এবং কার্যক্রমের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। রেক্টরের পদমর্যাদা জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলের সমতুল্য।
- বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২টি দেশের ১৩টি ইনস্টিটিউট নিয়ে গঠিত।
- জাপান সরকারের উদার সহায়তায় ১৯৭৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে UNU এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- জাপান সরকার টোকিওতে সদর দপ্তরের সুবিধা প্রদান এবং ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি এনডাউমেন্ট ফান্ড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এর সূচনা করে।

উৎস: UNU ওয়েবসাইট।
৩৫.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. বুট সেক্টর
  2. কোবরা
  3. সিআইএইচ
  4. এক্স ৯৭এম
সঠিক উত্তর:
কোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোবরা
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৩৬.
মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. MSI
  2. ASUS
  3. Intel
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
নিচের কোনটি "প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার"?
  1. Macromedia Flash
  2. MS Access
  3. MS Word
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Macromedia Flash
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Macromedia Flash
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের প্রকারভেদ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১.  সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
- ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর-
  1. Intel 8008
  2. Intel Itanium
  3. Intel 4004
  4. Intel 8080
সঠিক উত্তর:
Intel 4004
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intel 4004
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004।
৩৯.
কোন কম্পিউটার অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মাইক্রোকম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্ৰদান করে।
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।