পরীক্ষা আর্কাইভ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাIBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩ বিষয়: বাংলা - ১ টপিক: ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়; বাংলা ভাষা ও লিপি; প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম; ধ্বনি ও ধ্বনির পরিবর্তন,
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি

IBA ফ্যাকাল্টি ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বর্ণের বিন্যাস
  2. সন্ধি
  3. ধ্বনির পরিবর্তন
  4. সবগুলোই
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই 'বর্ণমালা' সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভূক্ত।

ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- ধ্বনির উচ্চারণপ্রণালী, উচ্চারণের স্থান, ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিন্যাস, ধ্বনিসংযোগ বা সন্ধি, ধ্বনির পরিবর্তন ও লোপ, ণত্ব ও ষত্ব বিধান ইত্যাদি বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) এবং  ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ কোনটি?
  1. বিলিতি
  2. জান্‌লা
  3. রিসকা
  4. জম্ম
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রিসকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসকা
ব্যাখ্যা
ধ্বনি বিপর্যয়:
- শব্দের মধ্যবর্তী দুটো ব্যঞ্জনধ্বনি পরষ্পর পরিবর্তন ঘটলে হলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন,
পিশাচ ˃ পিচাশ, লাফ ˃ ফাল, বাক্‌স > বাস্‌ক, রিকসা্‌ > রিস্‌কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• "বিলাতি > বিলিতি" - স্বরসঙ্গতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
• "জানালা > জান্‌লা" - সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ এর উদাহরণ।
• "জন্ম > জম্ম" - সমীভবনের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে, কোন বর্ণটির সঙ্গে যুক্ত 'দন্ত-ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য-ণ' হয়ে যায়?
  1. সবগুলোই
  2. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে,
ট- বর্গের (ট, ঠ, ড, ঢ) সঙ্গে যুক্ত 'দন্ত-ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য-ণ' হয়ে যায়। 
যেমন,
- মণ্ড, উৎকণ্ঠা , লুণ্ঠন, বণ্টন, খণ্ড, ভণ্ড, কাণ্ড ইত্যাদি।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
.
ভাষার কোন রীতিতে ভাষার গতি লঘু, চঞ্চল ও সাবলীল থাকে?
  1. সাধু রীতি
  2. চলিত রীতি
  3. তৎসম রীতি
  4. আঞ্চলিক রীতি
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি
ব্যাখ্যা
চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- চলিত ভাষা ব্যাকরণের সকল নিয়মের অনুসারী নয়।
- এ ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার অধিক।
- চলিত ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সংক্ষিপ্ত হয়।
- এ ভাষা বক্তৃতা, আলাপ, নাট্য সংলাপের উপযোগী।
- চলিত ভাষা পরিবর্তনশীল।
- চলিত ভাষার গতি লঘু, চঞ্চল ও সাবলীল।
- চলিত ভাষায় অপনিহিতি ও অভিশ্রুতির ব্যবহার রয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. ঋণ
  2. বর্ণ
  3. ভাষন
  4. তৃণ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাষন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষন
ব্যাখ্যা
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,

• ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। 
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

সে অনুসারে,
ভাষন - অশুদ্ধ বানানা। এর শুদ্ধ বানান- ভাষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ধ্বনি পরিবর্তনে দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে কী বলে?
  1. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
  2. বিষমীভবন
  3. ব্যঞ্জনবিকৃতি
  4. সমীভবন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিষমীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষমীভবন
ব্যাখ্যা
বিষমীভবন:
- দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলা হয়।
যেমন:
- শরীর > শরীল,
- লাল > নাল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
সাধু ভাষায় 'ঙ্গ'- স্থলে চলিত ভাষায় কোন কোমল রূপ ব্যবহার করা হয়?
  1. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা থেকে চলিত ভাষায় রূপান্তর:
- সাধু ভাষায় শব্দের 'ণ'/'ঙ্গ'- স্থলে চলিত ভাষায় 'ন'/'ঙ' কোমল রূপটি ব্যবহার করা হয়।
যেমন-

সাধু -- চলিত:
• গৃহিণী - গিন্নি;
• বাঙ্গালি (অশুদ্ধ) - বাঙালি;
• রঙ্গিন (অশুদ্ধ) - রঙিন।

উৎস: ভাষা শিক্ষা - ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'প্রগত সমীভবন' এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. পক্ব > পক্ক
  2. চক্র > চক্ক
  3. পদ্ম > পদ্দ
  4. লাল > নাল
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লাল > নাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল > নাল
ব্যাখ্যা
প্রগত সমীভবন:
- পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। অর্থাৎ পরবর্তী ধ্বনি পূর্ববর্তী ধ্বনির মতাে হয়, একে বলে প্রগত সমীভবন।
যেমন:
- চক্র > চক্ক,
- পক্ব > পক্ক,
- পদ্ম > পদ্দ,
- লগ্ন > লগ্গ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'লাল > নাল' হচ্ছে বিষমীভবন এর উদাহরণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
অঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?
  1. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• 'ঠ' - অঘোষ ধ্বনি।

অন্যদিকে,
ভ, ন, ড় - ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
------------------ 
ঘোষ ব্যঞ্জন:

- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘোষ ব্যঞ্জন ধ্বনি।
যথা-
- ব, , ম, দ, ধ, , র, ল, ড, ঢ, , ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ, হ।

অঘোষ ব্যঞ্জন:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে অঘোষ ব্যঞ্জন বলা হয়।
যথা:
- প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১) ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, সপ্তম শ্রেণি।
১০.
'লবণ' শব্দের 'ল' কোন ধরনের ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ?
  1. নাসিক্য ব্যঞ্জন
  2. উষ্ম ব্যঞ্জন
  3. পার্শ্বিক ব্যঞ্জন
  4. কম্পিত ব্যঞ্জন
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পার্শ্বিক ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্শ্বিক ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
ল- পার্শিক ব্যঞ্জনধ্বনি। 

পার্শ্বিক ব্যঞ্জন: 
যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে।

যেমন- 
- 'লবণ' শব্দে 'ল' পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১.
প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে, কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?
  1. বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয়না।
  2. রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবেনা।
  3. সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয়।
  4. ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। 
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয়।
ব্যাখ্যা
প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে,
• সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয়।" - বাক্যটি ভুল।

কারণ, 
• সংস্কৃত 'সাৎ' প্রতয়যুক্ত পদে ষ হয় না।
যেমন - অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
• রেফের পর ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবেনা।
যেমনঃ অর্জ্জন, কর্ম্ম, কার্য্য, মূর্চ্ছা ইত্যাদির পরিবর্তে যথাক্রমে অর্জন, কর্ম, কার্য, মূর্ছা ইত্যাদি হবে।

• বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয়না।  
যেমন- পোশাক, মাস্টার। 

• ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। 
যেমন - ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১২.
বাংলা সাধু ভাষায় কোন শব্দের বেশি প্রাধান্য রয়েছে?
  1. তৎসম
  2. দেশি
  3. মৈথিলি
  4. অহমিয়া
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তৎসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৎসম
ব্যাখ্যা
সাধু ভাষারীতির বৈশিষ্ট্য:
- সাধু ভাষার রূপ অপরিবর্তনীয়। অঞ্চলভেদে বা কালক্রমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না।
- সাধু ভাষারীতিতে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি রয়েছে বলে এ ভাষায় এক প্রকার আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য আছে।
- এ ভাষারীতি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে চলে। এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট।
- সাধু ভাষারীতি শুধু লেখায় ব্যবহার হয়। তাই কথাবার্তা, বক্তৃতা, ভাষণ ইত্যাদির উপযোগী নয়।
- সাধু ভাষারীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।

অপরদিকে,
- চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের প্রাধান্য রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া, অষ্টম শ্রেণীর ব্যকরণ বই।
১৩.
নিচের কোনটি মহাপ্রাণ ধ্বনি?
  1. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• 'ধ' - মহাপ্রাণ ধ্বনি।

অন্যদিকে,
ত, ট, প - অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

মহাপ্রাণ ধ্বনি: 
- যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- যথা- (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি। 

• অল্পপ্রাণ ধ্বনি:
সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
যেমন - প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী (২০২২ সংস্করণ)।