ব্যাখ্যা
চর্যাপদের ৬, ২১, ২৩, ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩ ও ৪৯ নং পদগুলোর রচয়িতা ভুসুকুপা।
তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন। তার রচিত ২৩ নং পদটি খন্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪৬ প্রশ্ন
চর্যাপদের ৬, ২১, ২৩, ২৭, ৩০, ৪১, ৪৩ ও ৪৯ নং পদগুলোর রচয়িতা ভুসুকুপা।
তিনি মোট ৮টি পদ রচনা করেন। তার রচিত ২৩ নং পদটি খন্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি।
কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন৷
তার কবিত্ব শক্তিতে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে 'রায়গুণাকর' উপাধি প্রদান করে৷
তিনি মধ্যযুগের শেষ বড় কবি ছিলেন৷
তাকে নাগরিক কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
‘দেওয়ানা মদিনা’ হলো মৈমনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত পালাগুলোর একটি।
এর রচয়িতা মনসুর বয়াতি।
এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো- আলাল, দুলাল, মদিনা, সোনাফর।
মৈমনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়া’ পালার চরিত্র - হুমরা বাইদ্যা বা বেদে, মহুয়া এবং নদের চাঁদ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
আধুনিক যুগে মানুষ মুখ্য হয় এবং মানবতাই একমাত্র কাম্য হয়ে উঠে, সেই সঙ্গে যোগ হয় আত্মবিশ্বাসের বদলে যুক্তিশীলতা।
স্বজাত্যবোধ, স্বদেশপ্রেম, ব্যাক্তিস্বধীনতা বিশেষ করে নারী স্বাধীনতা আধুনিক যুগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগ অসংখ্য ক্ষণজন্মা লেখকের অবদানের ফলে সমৃদ্ধ হয়েছে।
এর প্রথম থেকেই বাঙ্গালিদের পাশাপাশি অনেক অবাঙ্গালি ব্যক্তিত্ত্ব তাদের মনন ও মেধা ব্যয় করেছেন।
এ- সব কারণে বাংলা সাহিত্যে সমৃদ্ধি এসেছে।অনেকেই গোষ্ঠীবঅদ্ধ হয়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন সত্য।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যাক্তি হিসেবেই সাহিত্যাঙ্গনে প্রত্যেকে প্রতিষ্ঠা পাবার প্রয়াস পেয়েছেন।
- এই স্বাতন্ত্র্যবাদই সম্ভবত আধুনিক যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
শিখার পাঁচটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন।
প্রকাশকাল আশ্বিন ১৩৩৫ (অক্টোবর ১৯২৮) ও ১৩৩৬ (১৯২৯) সাল।
চতুর্থ ও পঞ্চম সংখ্যার সম্পাদক ছিলেন যথাক্রমে মোহাম্মদ আবদুর রশিদ ও আবুল ফজল।
প্রকাশকাল ১৩৩৭ (১৯৩০) ও ১৩৩৮ (১৯৩১) বঙ্গাব্দ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
- 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র 'মৃন্ময়ী'।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শাস্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'চন্দরা'। সমাজের প্রান্তিক শ্রেণীর, তবে তীব্র ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নারী চরিত্র এই চন্দরা।
- 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র 'সুরবালা'।
- 'নষ্টনীড়' ছোট গল্পের চরিত্র 'চারুলতা'।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
- বাংলা সাহিত্যের 'অপরাজেয় কথাশিল্পী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামের এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'শ্রীকান্ত' তাঁর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
- এতে তিনি শ্রীকান্ত শর্মা ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- এ উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি-
- 'মধু থাকলেই মৌমাছি এসে জোটে তারা দেশ-বিদেশের বিচার করে না।',
- 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না- ইহা দূরেও ঠেলিয়া ফেলে।',
- 'মড়ার আবার জাত কি?'
উৎসঃ শরৎ রচনাবলী।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (২৪ শে মে, ১৮৯৯ খ্রি.) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট; বাংলা ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) কবি, শিক্ষাবিদ।
তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলি হচ্ছে ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), রূপসী বাংলা (রচনাকাল ১৯৩৪, প্রকাশকাল ১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১)।
উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে মাল্যবান, সুতীর্থ, জলপাইহাটি, জীবনপ্রণালী, বাসমতীর উপাখ্যান ইত্যাদি।
তাঁর রচিত গল্পের সংখ্যা প্রায় দুশতাধিক। 'কবিতার কথা' (১৯৫৫) নামে তাঁর একটি মননশীল ও নন্দনভাবনামূলক প্রবন্ধগ্রন্থ আছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ- সবিতা, সন্ধিক্ষণ, বেণু ও বীণা, কুহু ও কেকা, তুলির লিখন, হোমশিখা, অভ্র-আবীর, হসন্তিকা, বেলা শেষের গান, বিদায় আরতি।
অনুবাদকাব্য - তীর্থ সলীল, তীর্থ রেণু, ফুলের ফসল, মণি মঞ্জুষা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’ -গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।
তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
“সব কটা জানালা খুলে দাও না”
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।
(সূত্র: প্রথম আলো)
''রাখালী'' পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
তাঁর বিখ্যাত কবর কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
'কবর' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কল্লোল পত্রিকায়।
এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙক্তি আছে।
এটি কবি জসীম উদ্দীনের বহুল পঠিত ও নন্দিত কবিতা।
এটি একটি শোক-প্রকাশক কবিতা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৫ খণ্ডে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র’ সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
তিনি ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ নামে সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
তার প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থঃ বিমুখ প্রান্তর
অন্যান্য কাব্যগ্রন্থঃ আর্ত শব্দাবলী, যখন উদ্যত সঙ্গীন, শোকার্ত তরবারী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪) বর্তমান উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- তিনি 'বাংলার স্কট' ও 'সাহিত্য সম্রাট' নামে পরিচিত।
- 'রজনী' তার মনস্তত্ব বিশ্লেষণ মূলক উপন্যাস।
- বিভিন্ন পাত্র-পাত্রীর জবানবন্দিতে এই উপন্যাস রচিত।
- 'বিষবৃক্ষ' তাঁর একটি সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসের বিষয়বস্তু ছিল সমসাময়িক বাঙালি হিন্দু সমাজের দুটি প্রধান সমস্যা- বিধবা বিবাহ ও বহুবিবাহ প্রথা।
এই উপন্যাসের নায়িকা বিধবা কুন্দনন্দিনীর চরিত্রটি বঙ্কিমচন্দ্রের কনিষ্ঠা কন্যার ছায়া অবলম্বনে রচিত হয় বলে জানা যায়।
- তাঁর 'মৃণালিনী' উপন্যাসের চরিত্র- হেমচন্দ্র ও মৃণালিনী।
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা'র চরিত্র- নবকুমার, মতিবিবি, কপালকুণ্ডলা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কাজী ইমদাদুল হকের বিখ্যাত উপন্যাস 'আবদুল্লাহ্' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে মোসলেম ভারত পত্রিকায়৷
উপন্যাসটিতে চিত্রিত হয়েছে গ্রামীণ মুসলিম সমাজের পিরভক্তি, ধর্মীয় কুসংস্কার, পর্দাপ্রথা, সম্প্রদায়বিদ্বেষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে মানবতাবাদী প্রতিবাদ৷
তিনি বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির অন্যতম স্থপতি ছিলেন।
তার রচিত কাব্য - আঁখিজল ও লতিকা।
'প্রবন্ধমালা' - তাঁর রচিত প্রবন্ধ এবং 'নবীকাহিনী' তাঁর রচিত শিশুতোষগ্রন্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয় তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস। যেমন-
পুনঃ আবৃত্তি করা হয় যা = পুনরাবৃত্তি
জলে চলে যা = জলচর,
জল দেয় যে = জলদ,
পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
এরূপ- গৃহস্থ, সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, পা-চাটা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
তৎসম শব্দে ট ঠ ড ঢ -য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ‘ণ’ হয়।
যেমনঃ কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।
গভর্নর, নমস্কার, নিষ্প্রভ - বানানগুলো শুদ্ধ।
[সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমী অভিধান]
'Zest' শব্দের পরিভাষা উদ্দীপনা।
Zenith- খমধ্য, সুবিন্দু।
Zeal' - আগ্রহ ;
Zealot-ধর্মান্ধ।
[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং অভিগম্য অভিধান]
প্রদত্ত অপশনগুলোতে,
- অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়। (বাক্যটিতে কোন ভুল নেই।)
- 'তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।'
বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে - তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
- 'রাঙ্গামাটি একটি পার্বতীয় এলাকা।'
বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- 'রাঙ্গামাটি একটি পার্বত্য এলাকা।'
- 'ব্যাপারটা আমার আয়ত্তাধীন নয়।'
বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে- ব্যাপারটা আমার আয়ত্ত নয়।
রাত্রি = নিশা, রজনী, যামিনী, নিশীথিনী, শর্বরী, বিভাবরী, ক্ষণদা।
অন্ধকার = আধাঁর, তিমির, তমঃ।
চাঁদ = চন্দ্র, সুধাকর, সোম, বিধু।
কালো = অসিত, কৃষ্ণ, কৃষ্ণবর্ণ, শ্যাম, শ্যামল
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
হরণ শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো পূরণ।
স্বকীয় শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ হলো পরকীয়।
পরাধীন~স্বাধীন।
পরতন্ত্র~স্বতন্ত্র।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
বাংলা বর্ণমালায়,
ক, খ, গ, ঘ, ঙ - কণ্ঠ্য বা জিহবামূলীয় বর্ণ,
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, শ, য, য় - তালব্য বর্ণ,
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ষ, র, ড়, ঢ় - মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয় বর্ণ,
ত, থ, দ, ধ, ন - দন্ত্য বর্ণ,
প, ফ, ব, ভ, ম - ওষ্ঠ বর্ণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাকরণের সাধারণ বা বিশেষ কোনো নিয়মানুসারেই যখন কোন কর্ম ব্যাখ্যা করা যায় না, অথচ তা সংঘটিত হয়, তখন সেই ব্যতিক্রমকে বৈধতা দেয়ার মানে নিপাতনে সিদ্ধ।
বাক্ + ঈশ্বরী = বাগেশ্বরী।
গো + পদ = গোষ্পদ।
বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি।
মনষ্ + ঈষা = মনীষা।
আ + পদ = আস্পদ।
বিশ্ব + মিত্র = বিশ্বামিত্র।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পূর্বপদে ৬ষ্ঠী বিভক্তি 'র', 'এর' লোপে যে সমাস হয়, তাকে ৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।
যেমনঃ
জাঁহাপনা = জাহানের পনা(প্রভু)।
জলোচ্ছ্বাস = জলের উচ্ছ্বাস
ছাত্রাবাস = ছাত্রের আবাস।
কর্মকর্তা = কর্মের কর্তা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
নিন্দা জ্ঞাপক অর্থে 'আমি' প্রত্যয়ান্ত শব্দঃ
জেঠামি = জ্যাঠা + আমি
ছেলেমি = ছেলে + আমি
ভাব অর্থে 'আমি/আমো' প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দঃ
ইতর + আমি = ইতরামি
পাগল + আমি = পাগলামি
চোর + আমি = চোরামি
বাঁদর + আমি = বাঁদরামি
ফাজিল + আমো = ফাজলামি
- জাত, আগত বা সমন্ধ অর্থে 'ই/ঈ' প্রত্যুয়যুক্ত শব্দ = সরকার - সরকারি।
- মালিক অর্থে 'ই/ঈ' প্রত্যয়ান্ত শব্দ = জমিদারি, দোকানি।
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
ভাঁড়ে মা ভবানী বাগধারার অর্থ একেবারে সামান্য বা হত দরিদ্র অবস্থা।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারাঃ
কাকভূষণ্ডী - দীর্ঘজীবী।
পায়া ভারি - অহঙ্কার।
কানকাটা - বেহায়া।
বকধার্মিক - ভণ্ড।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ
যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা = মহাশ্বেতা
যে নারী চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী = চিরন্টী
'যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত'- শুচিস্মিতা
যে নারীর হাসি সুন্দর- সুস্মিতা
যে নারী সূর্যকে দেখে না- অসূর্যম্পশ্যা
যে নারী আনন্দ দান করে- বিনোদিনী।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ময়ূর - কলাপী, কেকা, শিখী, শিখন্ডী, বর্হী।
অগ্নি - বহ্নি, পাবক, হুতাশন, অনল, আগুন, বায়ুসখা, সর্বভুক।
বৃক্ষ - দ্রুম, বিটপী, তরু, মহীরুহ, গাছপালা।
অশ্ব - তুরগ, তুরঙ্গম, ঘোটকী।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
কমা'র বিরতিকাল ১ (এক) বলতে যে সময় লাগে।
বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য বাক্যের মধ্যে বা বাক্যের শেষে কিংবা বাক্যে আবেগ (হর্ষ-বিষাদ), জিজ্ঞাসা ইত্যাদি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে বাক্য গঠনে যেভাবে বিরতি দিতে হয় এবং লেখার সময় বাক্যের মধ্যে তা দেখানোর জন্য যেসব সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে যতি বা বিরাম চিহ্ন বা ছেদচিহ্ন বলে।
গুরুত্বপূর্ণ যতি বা ছেদচিহ্নঃ
সেমিকোলন এর সময়কাল এক বলার দ্বিগুন সময়।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন, কোলন এবং ড্যাস এর বিরতিকাল কাল ১ সেকেন্ড।
হাইফেন, ইলেক বা লোপ চিহ্ন, উদ্ধরণ চিহ্ন, ব্রাকেট(বন্ধনী চিহ্ন) থামার প্রয়োজন নাই।
সুত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণী)
The important character of Othello are - Othello, Desdemona, Brabantio, Iago, Cassio, Emilia, etc.
Othello is a famous Tragedy of William Shakespeare.
The rest of the characters are from the play "The Tempest".
A Reminder: 'Desdemona'' is also a play by Toni Morrison.
Ancients and Moderns, subject of a celebrated literary dispute that raged in France and England in the 17th century.
The “Ancients” maintained that Classical literature of Greece and Rome offered the only models for literary excellence;
the “Moderns” challenged the supremacy of the Classical writers.
These matters were seriously and vehemently discussed. Jonathan Swift, defending his patron Temple, satirized the conflict in his Tale of a Tub (1704) and, more importantly, in The Battle of the Books (1704).
Source: Encyclopedia Britannica.
William Wordsworth (1770-1850) was an English Romantic poet.
তাকে Poet of Nature, Poet of Childhood, and Lake poet বলা হয়।
তার রচিত Poems:
- The Solitary Reaper
- The Daffodils
- The Excursion
- Michael
- There Years She Grew
- A Slumber
- Did my Spirit Seal
- I Wandered Lonely as a Cloud
- The World is Too Much with Us
- Recluse
- Cuckoo
- Lucy
- Written in March
- Tintern Abbey
- Ode to Duty etc.
Alexander Pope, (born May 21, 1688, London, England—died May 30, 1744, Twickenham, near London), poet and satirist of the English Augustan period.
He is best known for his mock-heroic poetry.
Some of his famous works are:
- The Rape of the Lock (1712–14),
- The Dunciad (1728), and
- An Essay on Man (1733–34).
- An Essay on Criticism, a didactic poem in heroic couplets by Alexander Pope, first published anonymously in 1711 when the author was 22 years old.
He is one of the most epigrammatic of all English authors.
Source: Britannica.com
Adonais, pastoral elegy by Percy Bysshe Shelley, written and published in 1821 to commemorate the death of his friend and fellow poet John Keats earlier that year.
Shelly was an English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channelled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
His other famous literary works are:
- Prometheus Unbound (1820),
- A Defense of Poetry (1820),
- Ode to the West Wind,
- To a skylark,
- The Revolt of Islam,
- Alastor,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- The Cloud.
Source: Britannica.com
Hyperbole is an exaggerated statement or an extreme overstatement.
Example of hyperbole:
“Ten thousand saw I at a glance”
I’ll love you, dear, I’ll love you/Till China and Africa meet,/And the river jumps over the mountain/And the salmon sing in the street- W.H. Auden
It used to create strong emotional responses.
Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman
April is the cruelest month, breeding
Lilacs out of the dead land, mixing
Memory and desire, stirring
Dull roots with spring rain.
Winter kept us warm, covering
Earth in forgetful snow, feeding
A little life with dried tubers.
- The Waste Land by T.S. Elliot.
এখানে, উল্লেখ করা প্রয়োজন Ezra Pound The Waste Land এর খসড়া তৈরিতে/সংক্ষেপণে Elliot -কে সাহায্য করেছিলেন।ATROCIOUS (Adjective):
Meaning: Horrifyingly wicked.
Bangla Meaning: নৃশংস; পাপ।
SYNONYMS: brutal, barbaric, barbarous, brutish, savage, vicious, wicked, cruel, nasty, ruthless.
ANTONYMS: admirable, kindly, superb.
Source: Oxford Dictionary.
Benefactor (NOUN):
Meaning - A person who gives money or other help to a person or cause.
Bangla Meaning - হিতকারী।
SYNONYMS: patron, benefactress, supporter, backer, helper, sponsor, promoter, champion, donor, contributor, subscriber, subsidizer, philanthropist.
Source: Oxford Dictionary.
মিন্টুর মাসিক আয় ৮০০০ টাকা
∴ পিন্টুর মাসিক আয় = (৮০০০×১২০)/১০০ = ৯৬০০ টাকা
রিন্টুর মাসিক আয় = (৯৬০০×১১০)/১০০ = ১০৫৬০ টাকা
∴ রিন্টু - পিন্টু = (১০৫৬০ - ৯৬০) = ৯৬০ টাকা
গহনায় সোনার পরিমাণ = ৩২ গ্রামের ৫/৮ = ২০ গ্রাম
গহনায় তামার পরিমাণ = ৩২ গ্রামের ৩/৮ = ১২ গ্রাম
ধরি,
a গ্রাম সোনা মেশানো হয়
∴ (২০ + a) / ১২ = ৪/১
বা, ২০ + a = ৪৮
∴ a = ২৮ গ্রাম
৪% ক্ষতিতে,
বিক্রয়মূল্য ৯৬ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৯৬ টাকা
আবার, ৪৪% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকায় বিক্রয়মূল্য = ১৪৪ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১ টাকায় বিক্রয়মূল্য = ১৪৪/১০০ টাকা
∴ ক্রয়মূল্য ১০০/৯৬ টাকায় বিক্রয়মূল্য = (১০০×১৪৪)/(১০০×৯৬) টাকা
= ৩/২ টাকা
= ১.৫ টাকা
অর্থাৎ,
১.৫ টাকায় বিক্রয় করতে হবে ১২ টি লেবু
∴ ১ টাকায় বিক্রয় করতে হবে = ১২/১.৫ = ৮ টি লেবু
a = 3, b = -4, 4
∴ a + b = (3 - 4) অথবা (3 + 4) = -1 বা 7
∴ (a + b)3 = -1 বা, 343
8x + 8x + 8x + 8x
= 4 . 8x
= 22 . (23)x
= 22 . 23x
= 23x+2
ধরি,
১ম পদ = a
∴ a + (5 - 1)12 = 53
a + 48 = 53
∴ a = 5
BC কে E পর্যন্ত বর্ধিত করলে পাই,
∠DCE = ∠B = 60°
∴ ∠BCD + ∠DCE = 180°
বা, ∠C = 180° - ∠DCE
= 180° - 60° = 120°
অথবা এভাবেও করতে পারবেন,
সামান্তরিকের বিপরীত কোণদ্বয় পরস্পর সমান হয়। - (১)
সুতরাং,
∠B = 60° = ∠D
যেহেতু, সামান্তরিকের ৪ কোণের সমষ্টি = 360°
সেহেতু, ∠A + ∠C = 240°
(১) উপপাদ্য অনুসারে - C = 120°
∠ACD = 120°
∴ ∠C = 180° - ∠ACD = 60°
আবার,
∠ACD = 2∠A
বা, 2∠A = 120°
∴ ∠A = 60°
∴ ∠B = 180° - (A + C) = 60°
∴ ΔABC সমবাহু ত্রিভূজের বাহুর দৈর্ঘ্য = 4 মি.
∴ ΔABC সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = (√3/4).42 = 4√3
ধরি,
দৈর্ঘ্য = 4a মিটার
∴ প্রস্ত = 3a মিটার
ΔABC -এ
(4a)2 + (3a)2 = 252
বা, 25a2 = 252
a2 = 25
∴ a = 5
∴ দৈর্ঘ্য = 4 × 5 = 20 মি.
প্রস্ত = 3 × 5 = 15 মি.
∴ ক্ষেত্রফল = (20 × 15) বর্গ মি.
= 300 বর্গ মি.
A সেটকে সংজ্ঞায়িত করার সমীকরণদ্বয় x2 = 16 এবং 3x = 7
এখানে, x এর এমন কোন মান পাওয়া যাবে না যা উভয় সমীকরণকে সিদ্ধ করে
∴ A একটি ফাঁকা সেট অর্থাৎ A = ∅
3 জন বালক বাছাই করা যায় = 10c3 = 120
2 জন বালিকা বাছাই করা যায় = 8c2 = 28
∴ বেছে নেওয়ার মোট উপায় = 120 × 28 = 3360
পদ সংখ্যা n = (৫০ - ৫) + ১ = ৪৬ টি
যেখানে ১ম পদ a = ৫, শেষ পদ b = ৫০
∴ সমষ্টি = {(a + b) × n}/২
= {(৫০ + ৫) × ৪৬}/ ২
= ৫৫ × ২৩
= ১২৬৫
∴ গড় = ১২৬৫/৪৬ = ২৭.৫
মোট তাস = 52 টি, লাল তাস = 26 টি, কালো তাস = 26 টি
∴ সম্ভাবনা = (26c2/52c2) + (26c2/52c2)
= (325/1326) + (325/1326)
= 650/1326
= 325/663
বৈজ্ঞানিক তথ্যের আদান-প্রদান ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের সুবিধার্থে সারা বিশ্বে মাপজোখের একই রকম আদর্শের প্রয়ােজন হয়ে পড়ে। এ তাগিদ থেকে 1960 সাল থেকে সারা বিশ্বে বিভিন্ন রাশির একই রকম একক চালু করার সিদ্ধান্ত পৃহীত হয়।
এককের এই পদ্ধতিকে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বলা হয়, যা সংক্ষেপে এস. আই. ইউনিট (SI) হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক পদ্ধতি চালুর পূর্বে সারা বিশ্বে বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে এককের তিনটি পদ্ধতি চালু ছিল।
সেগুলাে হলঃ-
১) সি. জি.এস. (CGS) পদ্ধতি (Centimeter Gram Second system)
২) এম .কে .এস. (MKS) পদ্ধতি (Meter Kilogram Second system)
৩) এফ.পি.এস. (FPS) পদ্ধতি (Foot Pound Second system)
এস.আই. একেক দূরত্বের একক মিটার।
কোন বস্তুর তাপ গ্রহণ বা বর্জন করার ক্ষমতা বস্তুটির উপাদানের উপর নির্ভর করে। বিভিন্ন উপাদানের বস্তুর তাপ গ্রহণ ক্ষমতা বিভিন্ন। ভর ও উষ্ণতা বৃদ্ধি একই রকম হওয়া সত্ত্বেও যে ধর্মের জন্য বিভিন্ন বস্তুর তাপ ধারণ ক্ষমতা বিভিন্ন হয় তাকে আপেক্ষিক তাপ বলে৷ আপেক্ষিক তাপ হল পদার্থের একটি মৌলিক ধর্ম।
আপেক্ষিক তাপ: কোন পদার্থের একক ভরের উষ্ণতায় এক ডিগ্রি বৃদ্ধি করতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়ােজন হয় তাকে ওই পদার্থের আপেক্ষিক তাপ বলে। যেমন:-পানির আপেক্ষিক তাপ ৪.২ জুল/কেজি-কেলভিন।
চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি। কিন্তু, ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। তাঁর তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচচ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
অক্টোপাস মলাস্কা গোত্রের প্রাণি। মলাস্কা গোত্রের প্রাণিদেরঃ
- সাধারণত দেহ নরম।
- দেহটি শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত থাকে।
- পেশীবহুল পা দিয়ে চলাচল করে।
- ফুসফুস বা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এসকল বৈশিষ্ট্যের প্রাণীরাই হলো মলাস্কা পর্বের প্রাণী।
যেমনঃ শামুক, ঝিনুক।
সূত্র: অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
বাকি দুটো আর্থোপোডা পর্বের। আর্থোপোডা পর্বের প্রাণীদেরঃ
- দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
- মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে।
- নরম দেহ কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত।
- দেহের রক্তপূর্ণ গহ্বর হিমােসিল নামে পরিচিত।
উদাহরণঃ প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশােলা, কাকড়া ইত্যাদি।
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান।
COVID-19 is a disease caused by a new strain of coronavirus.
‘CO’ stands for corona, ‘VI’ for virus, and ‘D’ for disease.
Formerly, this disease was referred to as ‘2019 novel coronavirus’ or ‘2019-nCoV.’
The COVID-19 virus is a new virus linked to the same family of viruses as Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS) and some types of common cold.
Source: WHO.
কয়েকটি ইনপুট ডিভাইসের নামঃ
১. কীবাের্ড (Keyboard)
২. মাউস (Mouse)
৩, মাইক্রোফোন (Microphone)
৪. স্ক্যানার (Scanner)
৫, মডেম (Modem)
৬. গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet)
৭, ওএমআর (OMR)
৮, ওসিআর (OCR)
৯, লাইটপেন (Light Pen)
১০. টাচস্ক্রিন (Touch Screen) (আউটপুট হিসেবেও ব্যবহার হয়)
১১. ট্র্যাকবল (Trackball)
১২. ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি।
কয়েকটি আউটপুট ডিভাইসের নামঃ
১. মনিটর (Monitor)
২. প্রজেক্টর (Projector)
৩. স্পিকার (Speaker)
৪, প্রিন্টার (Printer)
৫. প্লটার (Plotter)
৬. ইমেজ সেটার (Image Setter) ইত্যাদি।
Terminals
The terminal is a popular input/output device. Terminals are used for two-way communications with the CPU or with other terminals a few feet or thousands of miles away. With the aid of a terminal, a user can access computers around the world.
Terminals, also called workstations, allow to interact with a computer. It is required to use a keyboard to enter data and receive output displayed on a cathode ray tube (CRT) display screen, or monitor. Because data must be keyed into these devices one character at a time, the possibility of error is high and the data transmission rate very low, thus, limiting the use of these terminals to small-volume input and inquiries.
Source: Computer Basics, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরঃ
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
একক স্থানীয় অংকটিকে ২০ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২১ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
যেমনঃ (১০০০১০)২
= (১ × ২৫) + (০ × ২৪) + (০ × ২৩) + (০ × ২২) + (১ × ২১) + (০ × ২০)
= ৩২ + ০ + ০ + ০ + ২ + ০
= (৩৪)১০
দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই। বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট (Sign Bit) বলে। এই চিহ্ন বিট ০ হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং ১ হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
Pentium, Family of microprocessors developed by Intel Corp. Introduced in 1993 as the successor to Intel’s 80486 microprocessor, the Pentium contained two processors on a single chip and about 3.3 million transistors.
Using a CISC (complex instruction set computer) architecture, its main features were a 32-bit address bus, a 64-bit data bus, built-in floating-point and memory-management units, and two 8KB caches.
It was available with processor speeds ranging from 60 megahertz (MHz) to 200 MHz.
Source: Britannica.com
SPSS ছাড়া বাকিগুলো Spreadsheet Program.
SPSS stands for Statistical Package for Social Sciences
SPSS Inc. অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ এই প্রোগ্রামটির মূল ডেভেলপার। তবে, ২০০৯ সালে IBM SPSS কে কিনে নেয়।
The IBM® SPSS® software platform offers advanced statistical analysis, a vast library of machine learning algorithms, text analysis, open-source extensibility, integration with big data, and seamless deployment into applications.
Source: IBM
উদাহরণ হিসেবে যেকোনো অফিসের কর্মীদের বেতন রসিদকে ধরা যেতে পারে।
প্রতিবার সবার বেতন রসিদ টাইপ না করে একটা টেমপ্লেট (অনেকেই ফরম্যাট বলে থাকেন) রাখা হয়। সেই টেমপ্লেটে নাম, পদবির ও টাকার পরিমাণ খালি রাখা হয়।
কোম্পানির লোগো, বাকী সকল লেখা ইত্যাদি এক রেখে শূন্যস্থানে যথাযথ টেক্সট রেখে বারবার ব্যবহার করা যায়। এতে সময় বেঁচে যায়।
C=3, K= 11, F=6
CK = 3 + 11 = 14
একইভাবে,
P=16, S=19, V=22 and so on…
?-IS
I = 9
S= 19
তাই, IS = 28
দুটি রেখা প্রথমে একসঙ্গে আছে।
একটি রেখা ঘড়ির কাটার বিপরীতে প্রতিবার ৪৫° করে ঘুরছে।
অপর রেখাটি ঘড়ির কাটার দিকে প্রতিবার ৯০° করে ঘুরছে।