পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 5” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা টপিক - ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব) ও পরিবেশ ১) বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; ২) অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; ৩) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ সম্পর্কিত অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], বাংলাপিডিয়া, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
SPARRSO এর পূর্ণরূপ -
  1. Space Research and Revolution Sensitivity Organization
  2. Space Research and Remote Sensing Organization
  3. Space Research and Revolution Sensing Organization
  4. Space Research and Remote Sensitivity Organization
ব্যাখ্যা
SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization.
- স্পারসো হলো একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণা এবং বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে জড়িত।
- স্পারসো পরিবেশগত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় JAXA, NASA এবং ESA-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
- স্পারসো হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কোম্পানিটি ল্যান্ডস্যাট এবং এনওএ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপ চালাচ্ছে।
- বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চিত্র স্পারসো-এর তত্ত্বাবধানে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বন অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় -
  1. ১৫.৫৮  ভাগ
  2. ১৬.৫৮  ভাগ
  3. ১৭.৫৮  ভাগ
  4. ১৮.৫৮  ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রত বনভূমির পামিাণ প্রায় ১৬ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭৪।
- বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পারিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২২.৩৭%।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- যেমন: পাহাড়ী বন, প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন, সৃজিত উপকূলীয় বন, শালবন, জলাভূমির বন ইত্যাদি।

উৎস:  i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]
          ii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। 
- কেন্দ্রটিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার করা হয়।
- এটি পরিচলনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

অন্যদিকে -
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রতে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২২ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২০২০ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
.
কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. জোয়ার-ভাটা
  3. কয়লা
  4. খনিজ তেল
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য সম্পদ:
- নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Energy) হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস যেমন: সূর্যের আলো ও তাপ, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ, জৈব শক্তি (জৈবভর), ভূ-তাপ, সমুদ্র তরঙ্গ, সমুদ্র-তাপ, জোয়ার-ভাটা, শহুরে আবর্জনা, হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।

অনবায়নযোগ্য সম্পদ: 
- অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-renewable Energy) হলো যে সম্পদ প্রকৃতিতে প্রাকৃতিকভাবে নবায়ন হয় না এমনকি মানুষ ও নবায়ন করতে পারে না।
- যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, খনিজ তেল ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
GMT-এর পূর্ণরূপ -
  1. Greenwich Main Time
  2. Global Main Time
  3. Greenwich Mean Time
  4. Global Mean Time
ব্যাখ্যা
 গ্রিনিচ মান:
- GMT-এর পূর্ণরূপ: Greenwich Mean Time.
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
- অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয় -
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS):
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems.
- GIS হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়

জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
- জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
১. হার্ডওয়্যার
২. সফট্ওয়্যার
৩. উপাত্ত
৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং
৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন অঞ্চলটি বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল নয়?
  1. চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. টাঙ্গাইল
  3. রাজশাহী
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
খরা:
- সাধারণত খরা বলতে কোনো এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে ভূমিতে পানির অনুপস্থিতিকে বুঝায়।
- অর্থাৎ কোনো এলাকা বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকলে বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- এর ফলে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় এবং পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
- এরূপ অবস্থাকে খরা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে খরার প্রবণতা বেশি দেখা যায়।

বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন সংগঠনটি পরিবেশ রক্ষার কাজ করে?
  1. বাপা
  2. ব্র্যাক
  3. আশা
  4. জাগো ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা
বাপা:
- বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।
- বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে।
- শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে।
- ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে।
- উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা।
- কোলাহল বাড়ছে।
- বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: বাপা ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ঘোষিত 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়?
  1. জাফলং-ডাউকি নদী
  2. শীতলক্ষ্যা নদী
  3. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
  4. সোনাদিয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]
১০.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।

উল্লেখ্য,
সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাত, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক কৃষিবিষয়ক কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ,

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১১.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কবে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পানি শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
- কর্ণফুলী নদীর নির্ধারিত স্থানে বাধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলধারা সৃষ্টি এবং সঞ্চিত পানি সুড়ঙ্গ সদৃশ্য পথে ধাবিত করে জলের তোড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী যন্ত্র সক্রিয় করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় এ প্রকল্পটির অবস্থান।
- ১৯৫৬ সালে এ বাধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬২ সালে কাপ্তাই বাধের নির্মাণ কাজ শেষ হয় এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।
- ইন্টারন্যাশানাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী এবং ইউতাহ ইন্টারন্যাশানাল ইনকর্পোরেট ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উচু এই বাধটি তৈরী করে।  
- প্রাথমিক পর্যায়ে ২টি ইউনিটের উৎপাদন ছিল ৮০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পের বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ধারায় ২৩০ মেগাওয়াট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।