পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩সময়25 minutes৩৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৬ (পিইডিপি-২) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ১৭.০২.২০০৬
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ · ৩৫ প্রশ্ন

.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. আতাউর রহমান
  3. মুহম্মদ আবদুল হাই
  4. আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' গ্রন্থটির রচয়িতা- 'আবুল মনসুর আহমদ'। 
- এটি একটি রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ।
- আবুল মনসুর আহমদ রচিত রাজনীতি বিষয়ক আরেকটি গ্রন্থ হলো: ‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’।
-------------- 
• আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯):
- তিনি ১৮৯৮ সালে ময়মনসিংহ জেলার ধানিখোলা গ্রামে।
- সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক। 
- তিনি দি মুসলমান পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন ১৯২৬ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত।
- আবুল মনসুর ১৯৩৮ সালের ডিসেম্বর মাসে দৈনিক কৃষক পত্রিকার সম্পাদক নিযুক্ত হন।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আয়না  ও
- ফুড কনফারেন্স।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র
  2. শরৎচন্দ্র
  3. তারাশংকর
  4. নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ‘রাজলক্ষ্মী’ চরিত্রের স্রষ্টা ঔপন্যাসিক- 'শরৎচন্দ্র'। 

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৩৮): 
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
-------------------------------

• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস: 
- 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসটি শরৎচন্দ্রের আত্মজৈবনিক উপন্যাস। এর চারটি খন্ড।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'শ্রীকান্ত' উপন্যাসের বিখ্যাত কিশোর চরিত্র- 'ইন্দ্রনাথ'। 
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস। 
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়। 
- প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭)' শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশিত হয়। 
- লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রী শ্রীকান্ত শর্মা'। 
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। 
- তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়। 

উপন্যাসটির উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 
- শ্রীকান্ত,
- রাজলক্ষ্মী,
- অন্নদাদিদি,
- অভয়া,
- রোহিণী,
- কমললতা প্রমুখ।

এ উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি: 
-- 'মধু থাকলেই মৌমাছি এসে জোটে তারা দেশ-বিদেশের বিচার করে না।',
-- 'বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না- ইহা দূরেও ঠেলিয়া ফেলে।', (শ্রীকান্ত ও বাইজি রাজলক্ষ্মীর বিচ্ছেদের প্রসঙ্গে এই কথাটি বলা হয়েছে।)
----------------------------------------

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, শরৎ রচনাবলী।
.
To the light house' বইটির রচয়িতা কে?
  1. Jane Austen
  2. Shakespeare
  3. S. T. Coleridge
  4. Virginia Woolf
ব্যাখ্যা
♦ To the Lighthouse
- এটি Virginia Woolf রচিত। 
- It was first published in 1927.
- The work is one of her most successful and accessible experiments in the stream-of-consciousness style.
- এই novel টি তিনটি section এ বিভক্ত।

• Virginia Woolf:
- She is a modern novelist known for her presentation of inner realities.

• Great works:
- The Voyage Out
- Mrs. Dalloway
- The Waves
- To the Lighthouse
- Flush

Source: An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman
.
‘আমার গানের মালা আমি করব কারে  দান’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. করণে সপ্তমী
  2. কর্মে সপ্তমী
  3. কর্তায় সপ্তমী
  4. অপাদানে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
• - ‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান।' বাক্যে 'কারে’ শব্দটি কর্মে সপ্তমী। 

• কর্মকারক: 
- কর্তা যাকে আশ্রয় করে বা অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে বল হয় কর্মকারক।
- ক্রিয়ার সঙ্গে 'কী' বা 'কাকে' যোগ করে প্রশ্ন করলে কর্মকারক পাওয়া যায়।
যেমন:
- সেলিম বই পড়ে।
- এ বাক্যের কর্ম হলাে বই।
- কারণ বইকে আশ্রয় করে কর্তা এখানে কাজ সম্পাদন করেছে।

• আর শব্দের শেষে ''এ, (য়), য়, তে, এতে'' থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হয়।
তাই বলা যায়, ‘আমার গানের মালা আমি করব কারে দান।' বাক্যে 'কারে’ শব্দটি কর্মে সপ্তমী।  

•  কর্মকারকের বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার: 
- প্রথমা বা শূন্য অ বিভক্তি : ডাক্তার ডাক।
- দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি : তাকে বল।
- ষষ্ঠী বা র বিভক্তি : তােমার দেখা পেলাম না।
- সপ্তমীর এ বিভক্তি : জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘উপরোধে ঢেঁকি গেলা’ বাগধারাটির অর্থ -
  1. অনুরোধে পড়ে অসাধ্য সাধন করা
  2. অনুরোধে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কিছু করা
  3. চাপে পড়ে অন্যায় কাজ করে ফেলা
  4. অনুরোধে ঢেঁকি গেলা
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
উপরোধ: 
• উচ্চারণ- উপোরোধ্‌। 
• পদ- বিশেষ্য
• অর্থ- অনুরোধ 
• উদাহরণ- মোর উপরোধে তোরে মহেশ ঠাকুর-ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
• বিশেষণ- উপরোধক
• সম্পর্কিত বাগধারা- উপরোধে ঢেঁকি গেলা-এর অর্থ অনুরোধ এড়াতে না পেরে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো কাজ করা।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান।
.
‘দম্পতি’ শব্দটি কোন সমাস?
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস
  3. দ্বিগু সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
জায়া ও পতি = দম্পতি। 
এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ। 

দ্বন্দ্ব সমাস:
যে সমাসে প্রত্যেকটি সমস্যমান পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয় পদের অর্থের সমান প্রাধান্য থাকে।
যেমন:
- জায়া ও পতি = দম্পতি।  
- ক্ষুধা ও পিপাসা = ক্ষুৎপিপাসা। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. A new cabinet has been sworn in Dhaka
  2. A new cabinet has been sworn in in Dhaka
  3. A new cabinet has been sworn by in Dhaka
  4. A new cabinet has sworn in Dhaka
ব্যাখ্যা
• Swear in শপথ গ্রহন করা এবং স্থানের নামের পূর্বে in হবে। আবার শপথ কাজটি প্রধান বিচারপতি করান, cabinet নিজে করে না। তাই বাক্যটি passive voice হবে।

সুতরাং সঠিক বাক্য-
A new cabinet has been sworn in in Barishal.

Swear in (verb):
Meaning: to induct into office by administration of an oath.
বাংলা অর্থ:- শপথ গ্রহণ করা।

প্রশ্নের বাক্যটির সঠিক অর্থ - ঢাকায় নতুন একটি মন্ত্রিপরিষদ শপথ নিয়েছে।
লক্ষণীয়, আনুষ্ঠানিক শপথ নিজে নিজে গ্রহণ করা হয় না, অন্য আরেকজনের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করতে হয়।
যেমন: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করান।

তাই এখানে বাক্যেটি active voice এ না হয়ে passive voice এ হবে।
সঠিক উত্তর - A new cabinet has been sworn in in Dhaka.

• সেই অনুসারে অন্য অপশন গুলো ভুল। 
.
'Do not open the door'. বাক্যটির Passive form হবে-
  1. Let not the door open
  2. Let not the door be opened
  3. Let not the door be open
  4. Let not the door opened
ব্যাখ্যা
Do not যুক্ত imperative বাক্যেকে passive করার নিয়ম হচ্ছে - 
- প্রথমে let not বসবে।
- এরপর object বসবে।
- be বসবে 
- এরপর verb এর past participle বসবে।
structure: Let not + object + be + V3.
সুতরাং, প্রশ্নোল্লিখিত বাক্যের সঠিক passive form হবে - Let not the door be opened.
.
ত্রিভুজের শিরঃকোণের সমদ্বিখণ্ডিত রেখা ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করলে ত্রিভুজটি-
  1. সমকোনী
  2. স্থুলকোণী
  3. সমবাহু
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ত্রিভুজের শিরঃকোণ এর সমদ্বিখণ্ডিত রেখা ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করলে ত্রিভুজটি সমবাহু হবে। 

শিরঃকোণ: কোনো ত্রিভূজের শীর্ষে তথা মাথায় যে কোণ উৎপন্ন হয় ,তাকে সেই ত্রিভূজের শিরঃকোণ বলা হয়।


কেবলমাত্র সমবাহু এবং সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে শিরঃকোণ এর সমদ্বিখণ্ডিত রেখা ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। 
১০.
a - (1/a) = 3 হলে a2 + (1/a2) = কত?
  1. 7
  2. 9
  3. 11
  4. 13
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - 1/a = 3 হলে a2 + 1/a2= কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
 a - 1/a = 3

প্রদত্ত রাশি = a2 + 1/a2
= (a - 1/a)2 + 2.a.1/a
= 32 + 2
= 9 + 2
= 11
১১.
৬, ৮, ও ১০ -এর গাণিতিক গড় এবং ৭, ৯ ও কোন সংখ্যার গাণিতিক গড় সমান?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬, ৮, ও ১০ -এর গাণিতিক গড় এবং ৭, ৯ ও কোন সংখ্যার গাণিতিক গড় সমান?

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যাটি ক
 (৬+ ৮ + ১০)/৩ = (৭ + ৯ + ক)/৩
বা, ৬+ ৮ + ১০ = ৭ + ৯ + ক
বা, ২৪ = ১৬ + ক
বা, ক = ২৪ - ১৬
ক = ৮
১২.
কোনো পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করল। উভয় বিষয়ে পাস করল ৬০%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?
  1. ১৫%
  2. ১০%
  3. ১২%
  4. ১১%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ৮০% গণিতে এবং ৭০% বাংলায় পাস করল। উভয় বিষয়ে পাস করল ৬০%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?

সমাধান : 
গণিতে পাশ = ৮০%
শুধু গণিতে পাশ = (৮০ - ৬০)% = ২০%
বাংলায় পাশ = ৭০%
শুধু বাংলায় পাশ = (৭০ - ৬০)% = ১০%

এক এবং উভয় বিষয়ে পাশ = (২০ + ১০ + ৬০)% = ৯০%

∴ উভয় বিষয়ে ফেল = (১০০ - ৯০)% = ১০%
১৩.
ব্ল্যাক বক্স কী?
  1. বিমানে রক্ষিত ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার
  2. কাঠের কালো বাক্স
  3. যাদুর বাক্স
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বক্স:
- ব্ল্যাক বক্স একটি যন্ত্র যাতে বিমান উড্ডয়নের শুরু থেকে অবতরণ পর্যন্ত সমস্ত ঘটনা রেকর্ড করা থাকে।
- এটিকে বিমানের ‘ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারও’ বলা হয়।
- নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ব্ল্যাক বক্স সাধারণত বিমানের পিছনের দিকে রাখা হয়।
- এটি টাইটানিয়াম ধাতু দিয়ে তৈরি ও একটি টাইটানিয়াম বাক্সে আবদ্ধ থাকে।
- ১৯৫৩-৫৪ সালে বিমান দুর্ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় একটি ডিভাইস তৈরি করার কথা ভাবা হয়েছিল যা বিমান দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তথ্য দিতে পারে।
- প্রথম দিকে এটি লাল রঙের ছিল এবং ‘রেড এগ' নামে পরিচিত ছিল।
- ডিভাইসটির ভিতরের দেয়ালগুলি কালো রঙের ছিল, তাই পরবর্তীতে এটি ‘ব্ল্যাক বক্স’ নামে পরিচিত পায়।

উৎস: ৮ জানুয়ারি ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
১৪.
গোধূলির কারণ কি?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিক্ষেপণ
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
আলোর বিক্ষেপণ:
- গোধূলির প্রধান কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ।
- আলো কোন মাধ্যমে যাওয়ার পথে মাধ্যমের কণাগুলোর সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা, পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী, নীল, আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে।
- আলোর বিক্ষেপণ এর ফলেই আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের খানিকটা অংশ গাড় লাল দেখায়।

অন্যদিকে -
• আলোর প্রতিফলন:
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশকালে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে যদি পূর্বের মাধ্যমেই ফিরে আসে তবে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে দিক পরিবর্তন করে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫.
প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যা-
  1. ইভোলিউশন
  2. ইকোলজি
  3. জেনেটিক্স
  4. আর্কিওলোজি
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্স:
- জেনেটিক্স বা বংশগতি হলো বাবা-মা হতে সন্তান-সন্ততিতে জিনগত বৈশিষ্ট্য স্থানান্তরিত হওয়া যার মাধ্যমে বাবা-মায়ের সাথে সন্তানের অনেক সামঞ্জস্যতা দেখা যায়।
- জীবের বংশগতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা।

অন্যদিকে -
ইভোলিউশন:
- বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়।

ইকোলজি:
- প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে ইকোলজি বা বাস্তবিদ্যা বলে।

আর্কিওলোজি:
- বস্তুগত নিদর্শনের ভিত্তিতে অতীত পুনঃনির্মাণ করার বিজ্ঞানকেই আর্কিওলোজি বা প্রত্নতত্ত্ব বলে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য কার কাছে দায়ী?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. জনগণের কাছে
  3. জাতীয় সংসদের কাছে
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান। 
- আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা?
  1. ১৫টি
  2. ১৭টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগে ১৩টি জেলা রয়েছে। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ঢাকা বিভাগ: 
- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ গঠিত হয়।
- ১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়।
- জেলার সংখ্যা: ১৩ টি।
- উন্নয়ন সার্কেল: ০১ টি (তেজগাঁও উন্নয়ন সার্কেল)।
- সিটি কর্পোরেশন: ০৪ টি।

উৎস: ঢাকা বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৮.
আধুনিক অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পর পর?
  1. প্রতি ২ বছর পর
  2. প্রতি ৩ বছর পর
  3. প্রতি ৪ বছর পর
  4. প্রতি ৫ বছর পর
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- যার অর্থ দাঁড়ায়, প্রায় প্রতি দুই বছর পরপর অলিম্পিক গেমসের আসর অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২০ সালের ২৪ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল অলিম্পিকের এই আসর। তবে কোভিড-১৯-এর বৈশ্বিক মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাসে এই আসরটি স্থগিত করা হয়েছিল। ২০২১ সালের জন্য পুনর্নির্ধারণ করা সত্ত্বেও এই আসরটি বিপণন এবং ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে ‘টোকিও ২০২০’ নামেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমসের আয়োজক শহর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।

- এর পরের আয়োজন বসবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে।

উৎস: ১৬ জুন ২০২২, সময় নিউজ। [link]
১৯.
‘চাচা কাহিনীর’ লেখক কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. শওকত ওসমান
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা
• 'চাচা- কাহিনী' গ্রন্থটির লেখক: 'সৈয়দ মুজতবা আলী'। 

• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি  কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- 'দেশে বিদেশে' তাঁর রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য।
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী।
- টুনি মেম।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'George Eliot' কোন সময়ের ঔপন্যাসিক ছিলেন?
  1. 17th century
  2. 18th century
  3. 19th century
  4. 20th century
ব্যাখ্যা
• George Eliot:
- Born November 22, 1819, Chilvers Coton, Warwickshire, England—died December 22, 1880, London
- ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম মহিলা কবি George Eliot, যার original নাম ছিলো Mary Ann Evans.
- তিনি George Eliot ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
- He is a Victorian writer.
- 'George Eliot' 19th century এর একজন লেখক। 

• Famous Works:
- The Mill on the Floss,
- Scenes of Clerical Life,
- Adam Bede,
- Silas Marner,
- Romola,
- Middlemarch.

Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
২১.
‘নোবেল’ পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান মহিলা ঔপন্যাসিক হচ্ছেন-
  1. Charlotte Bronte
  2. Jane Austen
  3. Virginia Woolf
  4. Pearl S. Buck
ব্যাখ্যা
Pearl S. Buck:
- She was an American novelist and writer.
- She was awarded the Nobel prize in 1938 for her rich and truly epic description of peasant life in China in her novel , "The Good Earth."
- Pearl S. Buck was the first American woman to win the Nobel prize for literature.

Best Works:
- Dragon Seed
- East Wind, West Wind
- The Eternal Wonder
- The Good Earth”

The Good Earth
- It is a historical fiction novel by American author Pearl S. Buck published in 1931 that dramatizes family life in a Chinese village in the early 20th century.

Source: Britannica.com 
২২.
‘নীল আকশের নিচে আমি রাস্তা  চলেছি একা’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে শূন্য
  2. করণে শূন্য
  3. অপাদানে শূন্য
  4. সম্প্রদানে শূন্য
ব্যাখ্যা
• 'নীল আকশের নিচে আমি রাস্তা  চলেছি একা’ - বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি 'করণ' কারকে 'শূন্য' বিভক্তি। 

• করণ কারক: 
- ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলে।
- বাক্যের ক্রিয়া পদকে ‘কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ বা 'কীসের সাহায্যে' প্রশ্ন করলে যে উওর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
যেমন: 
- 'নীল আকাশের নীচে আমি রাস্তা চলেছি একা'। বাক্যটিতে 'রাস্তা' শব্দটি করণ কারকে শূন্য বিভক্তি।
- কারণ, বাক্যের ক্রিয়াপদ 'চলেছি' কে 'কীসের সাহায্যে/ কী দিয়ে' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় - রাস্তা। 

• সহজ কথায়, যন্ত্র সহায়ক বা উপায় বোঝালে করণ কারক হবে।
- এখানে রাস্তার সাহায্যে যাচ্ছে। মানে সহায়ক হচ্ছে রাস্তা তাই এটি অধিকরণ না হয়ে করণ কারক হবে। 
- প্রশ্নের ক্রিয়ার দিকে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে “চলেছি” অর্থাৎ বাক্যের কর্তা কিন্তু থেমে নেই, সে নীল আকাশের নিচে রাস্তা ব্যবহার করে তার গন্তব্যস্থলে যাচ্ছে।
- তার মানে, এখানে ‘রাস্তা’ কর্তার গন্তব্যস্থলে যাওয়ার একটি মাধ্যম অর্থাৎ করণ কারক।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. অধ্যাবসায়
  2. অধ্যাবশায়
  3. অধ্যবসায়
  4. অধ্যাবষায়
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
- 'অধ্যবসায়' (বিশেষ্য) বানানটি সঠিক।
- শব্দটির উচ্চারণ- ওদ্‌ধোবশায়্‌।

• 'অধ্যবসায়' শব্দটির অর্থ: 
- অবিরাম সাধন; ক্রমাগত চেষ্টা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
২৪.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Hetrogenus
  2. Hetrogeneous
  3. Heterogenous
  4. Heterogeneous
ব্যাখ্যা
♦ Heterogeneous:
English meaning: consisting of parts or things that are very different from each other.
Bangla meaning: বিভিন্ন উপাদানে গঠিত; অসমসত্ত; বিষমসত্ত; বিষমজাতীয়

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

উল্লেখিত বাকি অপশন গুলো ভুল।
২৫.
'I have no aptitude ___ music' বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. to
  2. for
  3. of
  4. against
ব্যাখ্যা
♦Aptitude for something
Bangla meaning: কোন কিছুর জন্য ঝোঁক, আগ্রহ।
২৬.
'Accept' শব্দটির noun form হচ্ছে-
  1. acceptance
  2. accepted
  3. acception
  4. acceptable
ব্যাখ্যা
- The noun form of 'Accept' is acceptance.
- শব্দটির বাংলা অর্থ গ্রহণযোগ্যতা।

Accept
Meaning: to agree to take something

অপশন,
- acceptance [noun]
Meaning: general agreement that something is satisfactory or right, or that someone should be included in a group
- accepted: [adjective]
Meaning:  generally agreed to be satisfactory or right
- acceptable: [adjective]
Meaning:  satisfactory and able to be agreed to or approved of

Source: Cambridge Dictionary.
২৭.
ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুসংলগ্ন কোণদ্বয়-
  1. স্থুলকোণ
  2. সূক্ষ্মকোণ
  3. সমকোণ
  4. সরলকোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুসংলগ্ন কোণদ্বয়-

সমাধান:
- স্থুলকোণী ত্রিভুজে স্থুলকোণটি থাকে বৃহত্তম বাহুর বিপরীতে।
- বৃহত্তম বাহু সংলগ্ন কোণ দু’টি সর্বদা সুক্ষ্ম কোণ।

২৮.
কোনো স্কুলে মোট ২০০ জন শিক্ষাথীর মধ্যে ১৫০ জন ছাত্র। ছাত্র এবং ছাত্রীর অনুপাত কত?
  1. ২ : ১
  2. ৩ : ১
  3. ৩ : ২
  4. ২ : ৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো স্কুলে মোট ২০০ জন শিক্ষাথীর মধ্যে ১৫০ জন ছাত্র। ছাত্র এবং ছাত্রীর অনুপাত কত?

সমাধান:
মোট শিক্ষার্থী = ২০০ জন
ছাত্র = ১৫০ জন
ছাত্রী = ২০০ - ১৫০ = ৫০ জন

ছাত্র এবং ছাত্রীর অনুপাত = ১৫০ : ৫০
= ৩ : ১
২৯.
ক ও খ একত্রে একটি কাজ ১০ দিনে শেষ করতে পারে। খ একা কাজটি ১৪ দিনে শেষ করতে পারলে ক একা কাজটি কতদিনে শেষ করতে পারবে?
  1. ২৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৩৩ দিন
  4. ৩৫ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ক ও খ একত্রে একটি কাজ ১০ দিনে শেষ করতে পারে। খ একা কাজটি ১৪ দিনে শেষ করতে পারলে ক একা কাজটি কতদিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান:
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = ১/১০ অংশ
খ একা ১ দিনে করে = ১/১৪ অংশ

∴ ক একা ১ দিনে করে = (১/১০ - ১/১৪) অংশ
= (৭ - ৫)/৭০ অংশ
= ২/৭০ অংশ
= ১/৩৫ অংশ

ক একা ১/৩৫ অংশ শেষ করে ১ দিনে
∴ ক একা ১ বা সম্পূর্ণ  অংশ শেষ করে (১ × ৩৫) দিনে
= ৩৫ দিনে
৩০.
(০.০০৩) = কত?
  1. ০.০০৯
  2. ০.০০০৯
  3. ০.০০০০৯
  4. ০.০০০০০৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (০.০০৩) = কত?

সমাধান:
(০.০০৩) = ০.০০৩ × ০.০০৩
= ০.০০০০০৯
৩১.
শূন্য মাধ্যমে নিচের তিনটি বস্তুকে একসাথে ছেড়ে দিলে কোনটি আগে মাটিতে পড়বে?
  1. পালক
  2. পাথর
  3. কাঠ
  4. সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর পরীক্ষা:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও পড়ন্ত বস্তুর পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে, একই উচ্চতা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু একই সময়ে মাটিতে এসে পড়ে।

• প্রথম সূত্র:
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে ।
• দ্বিতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
• তৃতীয় সূত্র:
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h∝ t.

- তাই শূন্য মাধ্যমে ৩টি বস্তুকে একসাথে ছেড়ে দিলে সবকয়টি একসাথে মাটি স্পর্শ করবে।

উৎস: পসার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কোনো পরমাণুর ভর বলতে বোঝায় -
  1. নিউট্রন ও প্রোটনের ভর
  2. নিউট্রন ও পজিট্রনের ভর
  3. পজিট্রন ও প্রোটনের ভর
  4. ইলেকট্রন ও নিউট্রনের ভর
ব্যাখ্যা
পরমাণুর ভর:
- পরমাণুর ভর বলতে প্রোটন ও নিউট্রনের ভরকে বোঝায়।
- প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে।
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরের স্তরে অবস্থান করে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
কোন সালে বাংলাদেশে শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৭
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমি:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু। 
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমি হলো মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- এর উদ্দেশ্য দেশের শিশুদের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং সুপ্ত প্রতিভার বিকাশে সহায়তা করা।
- ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, দোয়েল চত্বর সড়ক, শাহবাগ, ঢাকা-১০০০ কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এর কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- শিশুদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ওয়েবসাইট। [link]
৩৪.
পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে-
  1. মুন্সিগঞ্জের নিকট
  2. ভৈরবের নিকট
  3. চাঁদপুরের নিকট
  4. গোয়ালন্দের নিকট
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna): 
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী। 
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়। 
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। 
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫.
১৯৮৪ সালে কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত প্রথম সাফ গেমসে পদকপ্রাপ্তির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল -
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
প্রথম সাফ গেমস:
- সেপ্টেম্বর, ১৯৮৪ সালে দক্ষিণ এশীয় গেমস নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি দক্ষিণ এশীয় গেমসের প্রথম আসর ছিল।
- দুই বছর অন্তর অন্তর সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ সালে প্রথম সাফ গেমসে পদক প্রাপ্তির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল পঞ্চম।
- অ্যাথলেটিকসে প্রথম সাফে বাংলাদেশের অর্জন ছিল ২টি সোনা, ১ রুপা ও ৫ ব্রোঞ্জ। 

উৎস: i) ২৯ নভেম্বর ২০১৯, প্রথম আলো।
         ii) Olympic Council of Asia. [link]