পরীক্ষা আর্কাইভ

২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ৮ আগস্ট, ২০০৩সময়55 minutes৯১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ৮ আগস্ট, ২০০৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' কে রচনা করেন?
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. সুকুমার সেন
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মুহম্মদ এনামুল হক
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত।
- তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''
- ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' রচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাংলা সাহিত্যের কথা ইত্যাদি।
এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমির 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
  1. শেষের কবিতা
  2. বলাকা
  3. ডাকঘর
  4. কালান্তর
সঠিক উত্তর:
শেষের কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষের কবিতা
ব্যাখ্যা
• শেষের কবিতা:
- 'শেষের কবিতা' (১৯২৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।
- 'প্রবাসী' পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৮ সালে।
- ভাষার অসামান্য ঔজ্জ্বল্য, দৃপ্তশক্তি ও কবিত্বের দীপ্তি এই গ্রন্থটিকে এমন স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে, যার জন্য এই গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিস্ময়কর সৃষ্টির অন্যতম।
- অমিত, লাবণ্য, কেতকী, শোভনলাল প্রমুখ এই উপন্যাসের চরিত্র।
- উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজ প্রবাদের মর্যাদা পেয়েছে। যেমন: ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- সুকুমার সেন বলেছেন: 'বৈষ্ণব সাধনার পরকীয়াতত্ত্ব রবীন্দ্রনাথের কবিমানসে যেভাবে রূপান্তর লাভ করিয়াছিল শেষের কবিতায় তাহার পরিচয় পাই।'
- 'কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও'- এই কবিতা দিয়ে উপন্যাসটি শেষ হয়েছে।

অন্যদিকে,
• 'বলাকা' ১৯১৬ সালে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'ডাকঘর' (১৯১২) রূপক সাংকেতিক নাটক।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক প্রবন্ধের গ্রন্থ কালান্তর।

-------------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- বউ ঠাকুরানীর হাট,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- চতুরঙ্গ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত 'ধূমকেতু' কোন ধরনের প্রকাশনা?
  1. কবিতা
  2. পত্রিকা
  3. উপন্যাস
  4. ছোটগল্প
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[অপশনে একের অধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

• কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে সম্পর্কিত 'ধূমকেতু' 'কবিতা/কাব্য' এবং 'পত্রিকা '  উভয় ধরনের প্রকাশনা।
- 'ধূমকেতু' কবিতাটি নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'-এর অন্তর্গত।

------------------------
• 'অগ্নিবীণা' কাব্য:
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ কে উৎসর্গ করেন।
- এ কাব্যে মােট ১২টি কবিতা আছে।
- এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়ােল্লাস' এবং এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসাবে পরিচিত হন।

অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম

-----------------------
• 'ধূমকেতু' পত্রিকা:
- কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু (১৯২২)।
- পত্রিকাটি সপ্তাহে দুবার প্রকাশিত হতো।
- বিশের দশকে অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলনের ব্যর্থতার পর সশস্ত্র বিপ্লববাদের পুনরাবির্ভাবে ধূমকেতু পত্রিকার তাৎপর্যপূর্ণ অবদান ছিল।
- এক অর্থে এ পত্রিকা হয়ে উঠেছিল সশস্ত্র বিপ্লবীদের মুখপত্র।
- পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো ‘কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু।
- ধূমকেতুর ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হলে ৮ নভেম্বর পত্রিকার ওই সংখ্যাটি নিষিদ্ধ করা হয়।

-----------------------
'ধূমকেতু'- কবিতা,
- কাজী নজরুল ইসলাম।

আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুন মহাবিপ্লব হেতু
এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু!
সাত- সাতশো নরক-জ্বালা জলে মম ললাটে,
মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।
আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ,
আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি-পাপের অনুতাপ-তাপ-হাহাকার-
আর মর্তে সাহারা-গোবি-ছাপ,
আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ!  (সংক্ষেপিত)

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া ও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ।
.
জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. রাখালী
  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. নক্শী কাঁথার মাঠ
  4. বালুচর
সঠিক উত্তর:
রাখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখালী
ব্যাখ্যা
• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ:
- কবি জসীমউদ্‌দীন প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাখালী’।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- তাঁর বিখ্যাত কবর কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

------------------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম।
- পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজ জীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. শহীদুল্লাহ কায়সার
  4. আনোয়ার পাশা
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা
• রাইফেল রােটি আওরাত:
- 'রাইফেল রােটি আওরাত' (১৯৭৩) আনােয়ার পাশা রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- অধ্যাপক সুদীপ্ত শাহীন এই উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলাে হচ্ছে: ড. খালেক, ড. মালেক, ছাবেদ আলী, হাসমত, জামাল সাহেব প্রমুখ।
- উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়েই রচিত এবং ১৯৭৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

---------------------------
• আনোয়ার পাশা:
- আনোয়ার পাশা ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।
- তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সিনিয়র লেকচারার।
- তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীর দেশাত্মবোধ, মননশীলতা এবং প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনার পরিচয় পাওয়ার যায়।

• আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস:
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)।

• গল্পগ্রন্থ: নিরুপায় হরিণী।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- নদী নিঃশেষিত হলে,
- সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
জঙ্গম-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?
  1. অরণ্য
  2. পর্বত
  3. স্থাবর
  4. সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
স্থাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর
ব্যাখ্যা
• ‘জঙ্গম’ এর বিপরীতার্থক শব্দ - স্থাবর।

• জঙ্গম (বিশেষণ),
অর্থ: গতিশীল, চেলমান, সচল।

• স্থাবর (বিশেষণ),
অর্থ: নিশ্চল; স্থির; অসাড়; স্থানান্তরিত করার অযোগ্য।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীতার্থক শব্দ:
• ‘হর্ষ’ শব্দের বিপরীত শব্দ - বিষাদ।
• ‘সচেষ্ট’ শব্দের বিপরীত শব্দ - নিচেষ্ট।
• ‘আকুঞ্চন’ শব্দের বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
• ‘আবির্ভাব’ শব্দের বিপরীত শব্দ - তিরোভাব।
• ‘অনন্ত’ শব্দের বিপরীত শব্দ - সান্ত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ?
  1. সন্ধিজনিত
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. উপসর্গজনিত
  4. বিভক্তিজনিত
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়জনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়জনিত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• উৎকর্ষ এটি বিশেষ্য পদ,
- (উৎ + √কৃষ্ + অ) প্রত্যয় সাধিত শব্দ।

• আর এর সাথে 'তা’ (বিশেষ্য) প্রত্যয় যুক্ত করলে ‘উৎকর্ষতা’ হয় যা বিশেষ্যের দ্বিত্ব প্রয়োগ। অর্থাৎ ‘উৎকর্ষতা’ শব্দে তা-প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগ ঘটেছে।

• ‘উৎকর্ষতা’ শব্দের এর শুদ্ধ প্রয়োগ হবে- 'উৎকর্ষ বা উৎকৃষ্টতা'।

• নিয়ম:
‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে। যেমন: কৃপণ বিশেষণ শব্দের সাথে তা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কৃপণতা হয়েছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?- এখানে 'না'-এর ব্যবহার কি অর্থে?
  1. না-বাচক
  2. হ্যাঁ-বাচক
  3. প্রশ্নবোধক
  4. বিস্ময়সূচক
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশ্নবোধক
ব্যাখ্যা
• তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?- এখানে 'না'- প্রশ্নাত্মক/প্রশ্নবোধন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে রূপান্তর:

নির্দেশাত্মক বাক্য থেকে প্রশ্নাত্মক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে বাক্যের মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে প্রশ্নাত্মক বাক্যটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যার সবচেয়ে কাছাকাছি সম্ভাব্য উত্তর হবে নির্দেশাত্মক বাক্যটি।

• সূত্র: নির্দেশাত্মক বাক্য হ্যাঁ-বাচক হলে প্রশ্নাত্মক হবে না-বাচক, নির্দেশাত্মক বাক্য না-বাচক হলে প্রশ্নাত্মক হবে হ্যাঁ-বাচক। প্রথমটির ক্ষেত্রে বিধেয় ক্রিয়ার সঙ্গে নঞর্থক শব্দ যোগ করতে হয়, দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে নঞর্থক শব্দ বর্জন করে 'আর' প্রভৃতি বাক্যালঙ্কার শব্দের আগমন ঘটাতে হয়।
যেমন:
• নির্দেশাত্মক: দেশপ্রেমিককে সবাই ভালোবাসে।
• প্রশ্নাত্মক: দেশপ্রেমিককে কে না ভালোবাসে?

তেমনই,
• নির্দেশাত্মক: তুমি বলেছিলে আগামীকাল আসবে।
• প্রশ্নাত্মক: তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?

• সূত্র: রূপান্তরিত বাক্যে প্রয়োজনমতো 'কে', 'কি', 'কোথায়' ইত্যাদি প্রশ্নাত্মক শব্দ এবং প্রশ্ন (?) চিহ্ন বসাতে
হয়।
যেমন:
• নির্দেশাত্মক: কেউ মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে পারে না।
• প্রশ্নাত্মক: কেউ কি মৃত্যুকে ফাঁকি দিতে পারে?

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
  1. মৃত্যুক্ষুধা
  2. আলেয়া
  3. ঝিলিমিলি
  4. মধুমালা
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুক্ষুধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুক্ষুধা
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা।
- মৃত্যুক্ষুধা ।
- কুহেলিকা।

• 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে।
- নারী জীবনের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা এবং সমাজের বাস্তবচিত্র এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে।
- দারিদ্য, ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে সপরিবারে মেজ-বৌয়ের মুসলিম থেকে খ্রিষ্ট ধর্মান্তর গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে ওঠে গল্পে। অন্যদিকে গল্পের নায়কা রুবি আনসারকে ভালোবাসালেও রুবির পিতা তাকে বিয়ে দেয় আইসিএস পরীক্ষার্থী মোয়াজ্জেমের সঙ্গে। মোয়াজ্জেমের মৃত্যুর পর বিধবা রুবির জীবনে নেমে আসে সমাজের বিধিনিষেধ।

• ‘বাঁধন-হারা' উপন্যাস:
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধন-হারা' (১৯২৭)।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- এতে ১৮টি পত্র রয়েছে।
- কাজী নজরুল ইসলাম করাচীতে অবস্থানকালে ‘বাধন-হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন।
- এটি মুসলিম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নায়ক নুরুল হুদা।
- অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে - রবিউল, রাবেয়া, সােফিয়া, মাহবুবা প্রমুখ।

• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে(১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
- এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, ''ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।''

অন্যদিকে,
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত তাঁর রচিত গীতিনাট্য: আলেয়া, মধুমালা।
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত তিনটি ছোট নাটকের গ্রন্থ হচ্ছে ঝিলিমিলি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা?
  1. কাব্য
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্য
ব্যাখ্যা
• ‘মা যে জননী কান্দে’ কাব্য:
- ‘মা যে জননী কান্দে’ এক ধরনের গাঁথা কাব্য বা কাব্যগ্রন্থ।
- অনেকে এটিকে কাহিনী কাব্য হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে।

-----------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- কবি জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশে পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি জসীমউদ্‌দীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য।
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M Millford গ্রন্থটি ''Field of the Embroidery Quilt'' শিরোনামে অনুবাদ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
কোনটা ঠিক?
  1. সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
  2. কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
  3. বহিপীর (নাটক)
  4. মহাশ্মশান (নাটক)
সঠিক উত্তর:
বহিপীর (নাটক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহিপীর (নাটক)
ব্যাখ্যা
• বহিপীর নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত নাটক 'বহিপীর' ১৯৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গড়ে উঠেছে বহিপীরের সর্বগ্রাসী স্বার্থ ও নতুন দিনের প্রতীক এক বালিকার বিদ্রোহের কাহিনীকে কেন্দ্র করে।
- নাটকের এই কেন্দ্রীয় চরিত্রটির নাম অনুসারেই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে বহিপীর।
- এখানে ধর্মকে ভণ্ডবহিপীর ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বহিপীর,
- তাহেরা,
- হাতেম,
- আমেনা,
- হাশেম।

-----------------------
অন্যদিকে,
- কবি জসীম উদ্দীনের কাহিনিকাব্য- সোজন বাদিয়ার ঘাট।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস- কাঁদো নদী কাঁদো,
- 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি একটি মহাকাব্য।
১২.
'কার মাথায় হাত বুলিয়েছ'- এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ -
  1. স্বভাব নষ্ট করা
  2. স্পর্ধা বাড়া
  3. ফাঁকি দেওয়া
  4. কোনো উপায়ে
সঠিক উত্তর:
ফাঁকি দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাঁকি দেওয়া
ব্যাখ্যা
•  'কার মাথায় হাত বুলিয়েছ'- এখানে 'মাথা' শব্দটি ‘ফাঁকি দেওয়া’ অর্থ প্রকাশ করে।


• একই শব্দের ভিন্নর্থক প্রয়োগ:
• মাথা ধরা (মাথায় যন্ত্রণা হওয়া) - ওষুধ খেয়ে রুগির মাথা ধরা কমেছে।
• মাথা পাতা (সম্মত হওয়া) - এ কাজে আমি মাথা পাততে পারি না।
• মাথা আসা ( বোধগম্য হওয়া) - অঙ্কটি কিছুতেই আমার মাথায় আসছে না।
• মাথা খাওয়া (নষ্ট করা) - অতি আদর দিয়ে ছেলেটার মাথা খেয়ো না।
• মাথা ঠেকান (প্রণাম করা) - ও আমার দেশের মাটি, তোমার তরে ঠেকাই মাথা৷
• মাথায় উঠা (প্রশয় পাওয়ার) - আদর পেয়ে ছেলেটা মাথায় উঠে যাচ্ছে।
• মাথা গরম করা (চটিয়া যাওয়া) - এত অল্পে ছেলেটা মাথায় উঠে যাচ্ছে।
• চোখের মাথা খাওয়া (অন্ধ হওয়া) - চোখের মাথা না খেলে কেউ এমন কাজ করতে পারে?
• মাথার দিব্যি (শপথ) - মাথার দিব্যি, দয়া করে এ কাজ করো না।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
  1. পথের দাবী
  2. নিষ্কৃতি
  3. চরিত্রহীন
  4. দত্তা
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পথের দাবী
ব্যাখ্যা
• সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হওয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাস হলো 'পথের দাবী'।

• 'পথের দাবী' উপন্যাস:

- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। কাহিনির পটভূমি ব্রহ্মদেশ।
- এক গুপ্ত দলের নায়ক সব্যসাচী উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।
- কারো কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রসবিহারীবসুর ছায়াপাত ঘটেছে।
- উপন্যাসটি বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
- ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- বঙ্গবাণী পত্রিকার ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে 'পথের দাবি' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।

-----------------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:

- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- দত্তা,
- বিরাজ-বৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- পল্লীসমাজ,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১৪.
কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলি?
  1. আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
  2. ভবিষ্যতের বাঙালি
  3. উন্নত জীবন
  4. সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যতের বাঙালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যতের বাঙালি
ব্যাখ্যা
• ‘ভবিষ্যতের বাঙালি’ প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলি।
- এই গ্রন্থে তিনি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে হিন্দু-মুসলমানের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

------------------------
• এস ওয়াজেদ আলি:
- এস ওয়াজেদ আলি একজন প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
- তিনি ১৮৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার শণ্ঠীরামপুর মহকুমার বড় তাজপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- এস ওয়াজেদ আলির প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩২ সালে গুলিস্তাঁ নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
প্রবন্ধ:
- জীবনের শিল্প,
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য,
- ভবিষ্যতের বাঙালী,
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা,
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ।

উপন্যাস:
- গ্রানাডার শেষ বীর।

ভ্রমণকাহিনী:
- পশ্চিম ভারত,
- মোটর যোগে রাঁচী সফর প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
  1. কষ্ট
  2. উপনিষৎ
  3. কল্যাণীয়েষু
  4. আষাঢ়
সঠিক উত্তর:
আষাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আষাঢ়
ব্যাখ্যা
• নিত্য মূর্ধন্য-ষ বা স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ  ব্যবহৃত হয়েছে- আষাঢ় শব্দে।

• ষ-ত্ব বিধান:

বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ষ ধ্বনির ব্যবহার নেই। তাই দেশি, তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ লেখার প্রয়োজন হয় না। কেবল কিছু তৎসম শব্দে ষ-এর প্রয়োগ রয়েছে। তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ষ এর ব্যবহারের নিয়মকে ষ-ত্ব বিধান বলে।

• ‘ষ’ ব্যবহারের নিয়ম:
১. 'ঋ' এবং 'ঋ-কার' এর পর 'ষ' হয়। যেমন: ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সাথে 'ষ' যুক্ত হয়। যেমন: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
৩. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের ‘স’ ‘ষ’ হয়। যেমন: ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।
৪. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে ‘ষ” হয়। যেমন: অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ > অনুষঙ্গ, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।
৫. তৎসম শব্দে ‘র’-এর পর ‘ষ’ হয়। যেমন: বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ।
৬. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' ব্যবহৃত হয়। যেমন: ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ঊষা, পৌষ ইত্যাদি।

• যে সব ক্ষেত্রে ষ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে ‘ষ’ হয় না। যেমন- জিনিস, পোশাক, মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
- সংস্কৃত ‘সাৎ’ প্রত্যয়যুক্ত পদেও ‘ষ’ হয় না। যেমন: অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৬.
'ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে', বলেছেন-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

• প্রমথ চৌধুরী'র বিখ্যাত কিছু উক্তি:

- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে।
- আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক।
- সাহিত্যে মানবত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও প্রথম আলো।
১৭.
'অক্ষির সমীপে'-এর সংক্ষেপণ হলো-
  1. সমক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. প্রত্যক্ষ
  4. নিরপেক্ষ
সঠিক উত্তর:
সমক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমক্ষ
ব্যাখ্যা
• ‘অক্ষির সমীপে’ এক কথায় বলে - সমক্ষ।

অন্যদিকে,
• ‘অক্ষির অভিমুখে’ এক কথায় বলে - প্রত্যক্ষ।
• ‘অক্ষির অগোচরে’ এক কথায় বলে - পরোক্ষ।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন:
• 'চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত' এর এককথায় প্রকাশ - চাক্ষুষ।
• ‘সাপের খোলস’ এর এককথায় প্রকাশ - নির্মোক বা কঞ্চুক।
• ‘জীবিত থেকেও যে মৃত’ এর এককথায় প্রকাশ - জীবন্মৃত।
• ‘যিনি বক্তৃতা দানে পটু’ এর এককথায় প্রকাশ - বাগ্মী।
• 'নষ্ট হওয়া স্বভাব যার’ এর এককথায় প্রকাশ - নশ্বর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
  1. অব্যয় ও শব্দাংশ
  2. নতুন শব্দ গঠনে
  3. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
  4. ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
ব্যাখ্যা
• উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের প্রধান পার্থক্য হলো: প্রত্যয় শব্দের পরে বসে এবং উপসর্গ শব্দের সামনে বসে।

উপসর্গ:

- যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে।
- অজানা (অ+জানা), অভিযােগ (অভিযােগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের ‘অ’, ‘অভি’, ‘বে’ হলাে উপসর্গ।
- উপসর্গের কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজের অর্থ নেই; কিন্তু নতুন নতুন অর্থবােধক শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য বলা হয় "উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে"।
- বাংলা ভাষায় অর্ধশতাধিক উপসর্গ রয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

-----------------------
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন -
 বাঘ + আ = বাঘা,
 দিন + ইক = দৈনিক।

• প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
১. কৃৎ প্রত্যয় এবং
২.তদ্ধিত প্রত্যয়।

কৃৎ প্রত্যয়:
ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।
- যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য
- বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা : বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের সঙ্গে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- যেমন: চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা, ডিঙি + আ = ডিঙা, বাঘ্ + আ = বাঘা, হাত্ + আ = হাতা

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯.
'তুমি এতক্ষণ কী করেছ?'- এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
  1. কবিশেষণ
  2. অব্যয়
  3. সর্বনাম
  4. ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম
ব্যাখ্যা
• 'তুমি এতক্ষণ করেছ' এই বাক্যে 'কী' প্রশ্নবাচক সর্বনাম পদ

------------------
সর্বনাম পদ:
বাক্যে বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।

• প্রশ্নবাচক সর্বনাম:
যে সর্বনাম দ্বারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রশ্ন করা বুঝায় তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে।
এ জাতীয় সর্বনা হলো : কে, কী, কোন, কার, কাকে, কীসে ইত্যাদি।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সর্বনামসমূহকে নিম্নলিখিত কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা:
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম: আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা ইত্যাদি।
২. আত্মবাচক সর্বনাম: স্বয়ং, নিজে, খোদ, আপনি।
৩. সামীপ্যবাচক সর্বনাম: এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি ইত্যাদি।
৪. দূরত্ববাচক সর্বনাম: ঐ, ঐসব।
৫. সাকুল্যবাচক সর্বনাম: সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ।
৬. প্রশ্নবাচক সর্বনাম: কে, কি, কী, কোন, কাহার, কার, কিসে?
[প্রশ্ন তৈরির জন্য প্রশ্নবাচক সর্বনাম প্রয়োগ করা হয়। যেমন - কী দিয়ে ভাত খায়?]
৭. অনির্দিষ্টতাজ্ঞাপক সর্বনাম: কোন, কেহ, কেউ, কিছু।
৮. ব্যতিহারিক সর্বনাম: আপনা আপনি, নিজে নিজে, আপসে, পরস্পর ইত্যাদি।
৯. সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম: যে, যিনি, যাঁরা, যারা, যাহারা ইত্যাদি।
১০. অন্যাদিবাচক সর্বনাম: অন্য, অপর, পর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ]।
২০.
'আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।'
-এই বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
  1. কর্তৃকারকে সপ্তমী
  2. কর্মকারকে সপ্তমী
  3. অপাদান কারকে তৃতীয়া
  4. অধিকরণ কারকে সপ্তমী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারকে সপ্তমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণ কারকে সপ্তমী
ব্যাখ্যা
• অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়।
- অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়।
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।

• ''আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস'' এই বাক্যে ''আকাশে'' শব্দ দ্বারা স্থানকে বুঝায় এবং এতে সপ্তমী বিভক্তি (এ) আছে।
তাই ‘আকাশে’ অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ।

অধিকরণ কারকের কয়েকটি উদাহরণ-
-  তৈল আছে - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
- কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
- শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে - অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
- পাতায় পাতায় পড়ে শিশির নিশির - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
- বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি - অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তি
- বন্যেরা বনে সুন্দর - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
- ছাদে পানি আছে - অধিকরণ কারকে ৭মী বিভক্তি
- কপালের লিখন যায় না খণ্ডন - অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ সংস্করণ), মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
There are ____ dangerous drivers.
  1. a very lot of
  2. very many of
  3. very much of
  4. a lot of
সঠিক উত্তর:
a lot of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a lot of
ব্যাখ্যা
• Some, a lot of হয় countable/uncountable noun এর ক্ষেত্রে।
- যেমন: a lot of dust, a lot of books, some coffee, some books.
lots of হয় countable plural noun এর ক্ষেত্রে। যেমনঃ lots of books.
 
Correct quantifier form = a lot of or lots of.

Complete Sentence: There are a lot of dangerous drivers.
২২.
I have read the book ____ you lent me.
  1. that
  2. whom
  3. whose
  4. what
সঠিক উত্তর:
that
উত্তর
সঠিক উত্তর:
that
ব্যাখ্যা
• এ বাক্যটির শুন্যস্থানে একটি relative pronoun বসবে, যা inactive object 'book' কে signify করে।

- বস্তুবাচক পদার্থের ক্ষেত্রে সাধারণত pronoun that বসে।
• বস্তু সম্পর্কে জানা থাকলে that, আর জানা না থাকলে what বসবে।
• যেমন:
- He gave me what I wanted.
- He gave me the book that I wanted.

• এখানে whose, whom personal pronoun যা দ্বারা কেবল ব্যক্তিকে signify করে।
• তাই প্রদত্ত শুন্যস্থানটিতে pronoun that বসবে।

Complete sentence: I have read the book that you lent me.
২৩.
Water boils ___ you heat it to 100° centigrade.
  1. unless
  2. until
  3. if
  4. although
সঠিক উত্তর:
if
উত্তর
সঠিক উত্তর:
if
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত বাক্যটি একটি Zero Conditional sentence (shows scientific and general truth) এর উদাহরণ।

Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth).
• এখানে if clause এবং result clause উভয়টিতে present simple use হয়েছে, যা দ্বারা scientific truth দেখানো হয়েছে। 
- এক্ষেত্রে structure: if +present simple +present simple(universal truth /scientific truth /habitat truth).

Complete sentence: Water boils if you heat it to 100° centigrade.
২৪.
Tell me ___ that.
  1. whom told you
  2. that told you
  3. who told you
  4. told you
সঠিক উত্তর:
who told you
উত্তর
সঠিক উত্তর:
who told you
ব্যাখ্যা
• Embedded question এর নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - who told you.
Complete Sentence: Tell me who told you that.

• Embedded question:
- বাক্যের মাঝে wh-word বসে যে প্রশ্ন তৈরি করে তাই embedded question.
- Embedded question, English Grammar এর এমন একটি নিয়ম যেখানে একটি  assertive বাক্যের মধ্যে একটি interrogative বা প্রশ্নবোধক বাক্য সন্নিবেশিত করা হয়।
- এরা প্রশ্নের মত কিন্তু প্রশ্ন নয়। 
- Wh words সমূহ sentence এর মাঝে বসলে প্রশ্ন করার যোগ্যতা হারায়।
- এমন বাক্যের প্রথম অংশে যেকোন এমনকি প্রশ্নবোধক বাক্য ও বসতে পারে।
২৫.
I opened the door as soon as I ___ the bell.
  1. have heard
  2. was hearing
  3. am heard
  4. heard
সঠিক উত্তর:
heard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
heard
ব্যাখ্যা
• As soon as এর পূর্বে ও পরের tense একই হয়।
- অর্থাৎ, as soon as এর পূর্বের অংশ past indefinite tense হলে পরের অংশ ও past indefinite tense হবে।
- যেহেতু উল্লেখিত প্রশ্নে as soon as এর পূর্বে past indefinite tense, তাই এর এর পরের অংশেও past indefinite হবে।
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - heard.

Complete Sentence: I opened the door as soon as I heard the bell.
২৬.
I am looking for someone who ____ play the piano.
  1. able to
  2. is able
  3. can be able to
  4. can
সঠিক উত্তর:
can
উত্তর
সঠিক উত্তর:
can
ব্যাখ্যা
• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটির শূন্যস্থানে - can বসবে।

Complete sentence: I am looking for someone who can play the piano.

 - কেউ কোনো কিছু করতে সক্ষম এরূপ বুঝাতে can ব্যবহার হয়।
- উল্লেখ্য can শুধু present indefinite tense এ use হয়।
- আর present perfect ও future tense এ can এর পরিবর্তে be able to হয়।

সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ) হবে।
২৭.
Don't make a noise while your father_______.
  1. is being asleep
  2. is sleeping
  3. asleep
  4. has slept
সঠিক উত্তর:
is sleeping
উত্তর
সঠিক উত্তর:
is sleeping
ব্যাখ্যা
• While দ্বারা দুইটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে - 
- While এর পূর্বে অংশ টি past indefinite এ হলে, এরপরের অংশে past continuous tense হয়। 
- while যুক্ত অংশটি Past continuous tense হলে অপরটি Past indefinite tense হয়।

• সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - is sleeping.

Complete Sentence: Do not make a noise while your father is sleeping.
২৮.
As the sun _____, I decided to go out.
  1. shines
  2. has shone
  3. shine
  4. was shining
সঠিক উত্তর:
was shining
উত্তর
সঠিক উত্তর:
was shining
ব্যাখ্যা
• অতীতে কোনো একটি কাজ চলার সময় অন্য একটি কাজ ঘটলে যে কাজটি চলছিল সে কাজটি past continuous tense এ হয়।
- পরবর্তী clause টি যদি past indefinite tense হয় তাহলে কারণ বর্ণনা করতে, as conjunction যুক্ত sentence এর প্রথম clause past continuous tense হয়।

• সুতরাং নিয়মানুযায়ী  শূন্যস্থানে was shining বসবে।
Complete sentence: As the sun was shining, I decided to go out.
২৯.
He gave up ____ football when he got married.
  1. to play
  2. playing
  3. play
  4. of playing
সঠিক উত্তর:
playing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
playing
ব্যাখ্যা
• সাধারণত দুটি verb পাশাপাশি থাকলে verb + ing যুক্ত হয়।
- এছাড়াও preposition এর পর-বাক্যে verb+ ing যুক্ত word বা gerund বসে। 

• তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - playing.
Complete sentence: He gave up playing football when he got married.

• Give up doing something
- I gave up going to the theatre when I moved out of London.
- He gave up playing football when he got married.
- Why don’t you give up smoking?
- I gave up playing cricket when I got a job.
৩০.
I have ____ interest in the matter.
  1. not
  2. any
  3. none
  4. no
সঠিক উত্তর:
no
উত্তর
সঠিক উত্তর:
no
ব্যাখ্যা
• সাধারণত No বসে noun এর পূর্বে৷
- Proper Noun ছাড়া সকল Noun এর পূর্বে no বসে, not বসে না।
- Interest যেহেতু abstract noun তাই এর পূর্বে no বসবে।

• Structure:
- Subject + have/has/had + no + noun.
- সাধারনত affirmative sentence এ no বসে।
- অপরদিকে not ব্যবহার হয় negative sentence এ।

• Determiner সাধারণত noun এর পূর্বে বসে noun এর নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, সংখ্যা বা পরিমাণ নির্দেশ করে।
- এই বাক্যে noun- interest এর পূর্বে ‘no’ শব্দটি determiner হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• অন্যদিকে, 
- None সরাসরি কোন Noun এর আগে বসে না।
- not, any বসালে বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে না।

 Complete Sentence: I have no interest in the matter.
৩১.
_____ is not the only thing that tourists want to see.
  1. A scenery
  2. Sceneries
  3. The sceneries
  4. Scenery
সঠিক উত্তর:
Scenery
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Scenery
ব্যাখ্যা
• Scenery (noun)
English Meaning: the general appearance of the natural environment, especially when it is beautiful.
Bangla Meaning: কোনো এলাকার সাধারণ স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য, দৃশ্য, নৈসর্গিক শোভা।

→ Scenery একটি uncountable noun তাই এর সাথে s/es যোগ হবে না শুধু Scenery হবে।
→ সাধারণত uncountable noun সর্বদাই Singular হবে কখনো plural হয় না।
→ এদের পূর্বে সাধারণত Article বা সংখ্যাবাচক শব্দ বসেনা। 

Complete Sentence: Scenery is not the exclusive factor influencing tourists' choices of vacation spots.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩২.
Just now he ____ his dinner but he says he will see you when he's finished.
  1. is having
  2. has had
  3. was having
  4. had
সঠিক উত্তর:
has had
উত্তর
সঠিক উত্তর:
has had
ব্যাখ্যা
• Already, just, yet, recently, lately, ever, just now, still, etc ইত্যাদি হচ্ছে  present perfect  tense indicator বা নির্দেশক। 
অর্থাৎ বাক্যে already,just,yet,recently,lately,ever,just now,still নির্দেশক শব্দগুলো থাকলে বাক্যটি সাধারণত present perfect  tense এ হয়।

Present perfect tense এর  structure:
- Subject+ has/have +Verb এর past participle + object.
- Meera has met her mother just now.

Complete sentence: Just now he has had his dinner but he says he will see you when he's finished.
৩৩.
The children were entrusted ____ the care of their uncle.
  1. with
  2. for
  3. to
  4. at
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
• Entrust: to give someone a thing or duty for which they are responsible.

• Entrust Subject with Something: (Task)
- Many people had entrusted the company with money they intended to use in retirement.
- Be entrusted with something/somebody: I was entrusted with the task of looking after the money.

• Entrust Something to Subject: (Person)
- He entrusted the arrangement of a mortgage to a local firm of financial advisers.
- Government has been entrusted with elected politicians.

• Entrust Subject to do Something: (Person)
- We entrust a board of Edinburgh's leading businessmen to run the affairs of the organization.

• উপরের উদাহরণগুলো বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়,
- somebody এর ক্ষেত্রে entrusted to হয় এবং something এর ক্ষেত্রে entrusted with হয়।
- এখানে বাক্যটি Passive voice এ রয়েছে। তাই He was entrusted to হবে।

Complete Sentence: The children were entrusted to the care of their uncle.

Source: Cambridge Dictionary
৩৪.
He parted ______ his friends in tears.
  1. with
  2. from
  3. against
  4. beside
সঠিক উত্তর:
from
উত্তর
সঠিক উত্তর:
from
ব্যাখ্যা
•  Part from 
- English meaning: “to leave someone”/ “to separate from someone
- Bangla Meaning: আলাদা হওয়া।

• Part যদি আলাদা হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে এরপর  সাধারণত preposition from বসে।

Complete Sentence: He parted from his friends in tears.
৩৫.
'I'll have a cup of tea,' my father said, 'Because I'm not hungry.'
Which of the following sentence is the correct indirect speech?
  1. My father said that he will have a cup of tea because he wasn't hungry.
  2. My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry.
  3. My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
  4. My father said that he had a cup of tea because he wasn't hungry.
সঠিক উত্তর:
My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
ব্যাখ্যা
• Direct Narration এ reporting clause (my father said) ইত্যাদি, reported speech এর প্রথমে, মাঝখানে অথবা পিছনে থাকতে পারে।
- কিন্তু indirect speech এ  reporting clause সব সময় বাক্যের প্রথমে বসাতে হয়।
- Reporting verb টি past tense এ হওয়ায়, Reported speech - ও past tense এ হবে।

• Direct speech এ reporting verb past tense (said) হওয়ায়-
- Direct speech এর ‘will’ এবং ‘am’ indirect speech এ ‘would’ এবং ‘was’ এ রূপান্তরিত হবে।

• অর্থাৎ সঠিক indirect speech টি হবে-
- My father said that he would have a cup of tea because he was not hungry.
৩৬.
The expression 'Lingua franca' means ____.
  1. The common language
  2. The first language
  3. International language
  4. The French language
সঠিক উত্তর:
The common language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The common language
ব্যাখ্যা
• Lingua Franca:
English Meaning:
1. A common language consisting of Italian mixed with French, Spanish, Greek, and Arabic that was formerly spoken in Mediterranean ports.
2. Any of various languages used as common or commercial tongues among peoples of diverse speech.

Bengali Meaning- বহু ভাষাভাষী অঞ্চলে যে ভাষা যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• Example Sentence:
1. English is used as a lingua franca among many airline pilots.
2. Just look at TikTok, where storytelling has become a lingua franca.

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৭.
Choose the correct meaning:
He raised his eyebrow at my explanation.
  1. show surprise or disapproval
  2. show agreement
  3. show happiness
  4. show indifference
সঠিক উত্তর:
show surprise or disapproval
উত্তর
সঠিক উত্তর:
show surprise or disapproval
ব্যাখ্যা
• Raise your eyebrows
English Meaning: to show surprise by moving your eyebrows upwards.
Bangla Meaning: বিস্মিত হওয়া / চোখ কপালে উঠা।

অপশন,
- Show agreement: ঐক্যতা দেখানো। 
- Show happiness: সুখ দেখান। 
- Show indifference: উদাসীনতা দেখান। 
- Show surprise or disapproval: বিস্ময় বা অসম্মতি দেখান। 

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, এখানে সঠিক অর্থ - Show surprise or disapproval.
৩৮.
'Razzmatazz' means-
  1. A musical instrument
  2. A well-planned programme
  3. A noisy activity
  4. A musical activity
সঠিক উত্তর:
A noisy activity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A noisy activity
ব্যাখ্যা
Razzmatazz
English Meaning: noisy and noticeable activity, intended to attract attention.
Bangla Meaning: হৈচৈ পূর্ণ আচরণ বা কাজকর্ম; বিশেষত দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য।

Example: The new car was launched with great razzmatazz: champagne, food, free gifts, and dancers.

Options,
- A noisy activity: শোরগোলপূর্ণ কর্ম।
- A well-planned programme: একটি সুপরিকল্পিত কর্মসূচি।
- A musical activity: সঙ্গীতানুষ্ঠান।
- A musical instrument: বাদ্যযন্ত্র।

Correct answer: 'Razzmatazz' means- A noisy activity.

Source: Cambridge Dictionary.
৩৯.
The antonym for 'Recalcitrant'-
  1. Compliant
  2. Passive
  3. Indifferent
  4. Careful
সঠিক উত্তর:
Compliant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compliant
ব্যাখ্যা
• Recalcitrant:
English meaning: (of a person) unwilling to obey orders or to do what should be done, or (of an animal) refusing to be controlled.
Bangla meaning: অবাধ্য; অবশ্য; শৃঙ্খলাভঙ্গকারী।

Options,
ক) Compliant: অন্যের ইচ্ছাপূরণে সম্মত; নমনশীল; ভদ্র।

খ) Passive: অক্রিয়; অপ্রতিরোধী

গ) Indifferent: নিঃস্পৃহ; অনীহ; উদাসীন; নিরুৎসুক।

ঘ) Careful: সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান হওয়া।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The antonym for 'Recalcitrant'- Compliant.

Source: Accessible Dictionary.
৪০.
The synonym for 'Obdurate'-
  1. Deceitful
  2. Stubborn
  3. Sly
  4. Swindler
সঠিক উত্তর:
Stubborn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stubborn
ব্যাখ্যা
• Obdurate:
English Meaning: extremely determined to act in a particular way and not to change despite what anyone else says.
Bangla Meaning:  একগুঁয়ে; অনমনীয়; অনুশোচনাহীন।

• প্রশ্নের বাকি অপশন গুলোর অর্থ:
- Deceitful: কপটী; কাপটিক; ছলনাপর।
- Stubborn: একগুঁয়ে; জেদি; সংকল্পবদ্ধ; শক্ত; কঠিন; বিরূপ; দুঃসাধ। 
- Sly: প্রতারণাপূর্ণ; গোপন রাখে বা গোপনে করে এমন; গোপন কথা জানে বা জানার ভাব দেখায় এমন।
- Swindler: প্রতারক।

• অপশন গুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The Synonym for 'Obdurate' is Stubborn.

Source: Accessible Dictionary.
৪১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ২৫৭ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ৪৪ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বীকৃতির তথ্য:

• স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন। 

• তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী], 
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম), 
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক), 
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)। 

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন। 

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৪২.
জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
  1. অ্যামোনিয়া
  2. টিএসপি
  3. ইউরিয়া
  4. সুপার ফসফেট
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
• জিয়া সার কারখানা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এ অবস্থিত।
- এ সার কারখানা তে — ইউরিয়া উৎপাদিত হয়।
--------------------
• জিয়া সার কারখানা/আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল )-এর ইতিকথা:
- ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) নামে এ কারখানা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী রূপে যাত্রা শুরু করে।
- তখন এর নাম ছিল আশুগঞ্জ ফর্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি।
- এ কারখানার উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮১ সালের শুরুর দিকে। 
-  ১২ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকারী সিদ্ধান্তে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) এর নাম পরিবর্তন করে জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড নামকরণ করা হয়।
- ০৭/০১/২০১০ তারিখে একনেক সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিমিত্তে সার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে “আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড (এএফসিসিএল)”করা হয়। 
------------------- 
• সার:
- কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ইউরিয়া সার। 

- ২০২২- ২৩ অর্থবছরে মোট সার ব্যবহৃত হয়েছে ৫৯.১৩ লক্ষ মেট্রিক টন যার মধ্যে ইউরিয়া ২২.৮৬ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১৪২৭ হাজার/ মেট্রিক টন।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সার ব্যবহৃত হয়েছে ৫৭.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন যার মধ্যে ইউরিয়া ২২.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার – ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১৩৭১ হাজার/ মেট্রিক টন।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন-বিসিআইসি (Bangladesh Chemical Industries Corporation-BCIC):
- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ৮টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে। চালু কারখানাগুলোর মধ্যে ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

• সার কারখানা:
বিসিআইসি’র চালু কারখানাসমূহ- 
১. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লি., 
২. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লি., 
৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লি., 
৪. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লি., 
৫. টিএসপি কমপ্লেক্স লি., 
৬. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লি. 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪, বাংলাপিডিয়া, আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল ) ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।
৪৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. হামিদুর রহমান
  4. হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা: 
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।

- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০ : ৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?
  1. আয়কর
  2. আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে — মূল্য সংযোজন কর বা মূসক থেকে।
➝ বর্তমান ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে রাজস্ব বোর্ডের আয়ের মোট ৩৮.১% ভ্যাট থেকে আহরণ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
➝ অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
➝ দ্বিতীয় প্রধান উৎস ⎯ আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তির চিত্র:
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ⎯
- বৈদেশিক অনুদানসহ মোট রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা ⎯ ৫০৩,৯০০ কোটি টাকা।
- NBR নিয়ন্ত্রিত কর ⎯ ৪৩০,০০০ কোটি টাকা,
- NBR নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কর ⎯ ২০,০০০ কোটি টাকা,
- কর ব্যতীত অন্যান্য প্রাপ্তি ⎯ ৫০,০০০ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান ⎯ ৩,৯০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত কর:
NBR যেসকল খাত থেকে কর উত্তোলন করে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ⎯
➝ মূল্য সংযোজন কর ⎯ ১৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%),
➝ আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর ⎯ ১৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%),
➝ সম্পূরক কর ⎯ ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%),
➝ আমদানি শুল্ক ⎯ ৪৬,০১৫ কোটি টাকা,
➝ আবগারি শুল্ক ⎯ ৪,৫৭৯ কোটি টাকা।
⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯⎯
মূল্য সংযোজন কর/Value Added Tax (মূসক/VAT):
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি ⎯ পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ⎯ ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়। কিছু বিশেষ সেবার ক্ষেত্রে এই হার কম/বেশি হতে পারে।

উৎস: জাতীয় বাজেট ⎯ ২০২৩-২৪, NBR ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মহেশখালী
  3. হাতিয়া
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
• প্রবাল দ্বীপ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো — সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিনের অপর নাম — নারিকেল জিঞ্জিরা।
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো — মহেশখালী।
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে — বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৪৬.
'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী'-সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ২৭
  2. ২৮
  3. ৩০
  4. ৪৭
সঠিক উত্তর:
২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা- 
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
----------------- 
• সংবিধানে মৌলিক অধিকার: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ - মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০ - বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদে ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
মহিলা পুলিশ প্রথম নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
- মহিলাদের মধ্যে পেশাধারী প্রতারণা, দেশি ও আন্তর্জাতিক চোরাচালান, হোটেল ও বিত্তবানদের গৃহে প্রমোদবালাদের অসামাজিক তৎপরতা প্রতিরোধ সংক্রান্ত অপরাধের অনুসন্ধান ও তল্লাশীর ক্ষেত্রে পুরুষের জন্য কিছু আইনগত ও সামাজিক অসুবিধা থাকায় ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম স্পেশাল ব্রাঞ্চ পুলিশে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।

• ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী,
বাংলাদেশে নারী পুলিশের যাত্রা ১৯৭৪ সালে ৭ জন এসআই এবং ৭ জন কনস্টেবলের যোগদানের মধ্য দিয়ে।
প্রথমে সাদা পোশাকেই তারা ডিউটি করতেন। দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৬ সালে ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা হয়।

যেহেতু অপশনে ১৯৭৪ সাল নেই সে হিসেবে ১৯৭৬ সালকে উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে।  
তবে সঠিক উত্তর ১৯৭৪ সাল হবে। 
----------------- 
• গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সংস্কার:
- প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়- ১৯৮২ সালে
- গ্রাম সরকার ব্যবস্থার' বিলুপ্তি সাধন হয়েছিল ১৯৮২ সালে।
- বাংলাদেশ সচিবালয় প্রথমে যাত্রা শুরু করে ইডেন বিল্ডিং-এ।
- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করা হয়- ২৮ এপ্রিল ২০১১।
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ- ২টি ।
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব নাম- সংস্থাপন মন্ত্রণালয়।
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়- ২৩ অক্টোবর, ২০০১।
- উপজেলা পরিষদ চালু হয়- ১৯৮৫ সালে ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
৪৮.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) সম্প্রতি গার্মেন্টসসহ কতিপয় দ্রব্য বিনাশুল্কে কোন দেশে প্রবেশাধিকার পেয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. জাপান
  4. চীন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।

• বস্ত্র খাত: 
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় প্রায় ৪৬.৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উক্ত সময়ে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪.৫৭ শতাংশ।

• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। পরিমাণ – ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪৯.
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ডাকটিকিট:
- ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথমবার প্রকাশিত হওয়া ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।
- ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের।
- ১০ পয়সা মূল্যের এই ডাকটিকিটের বার্তা হলো আমাদের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো।
- আর ডাকটিকিটে বাংলাদেশের মাঝ বরারর যাওয়া কর্কটক্রান্তি রেখা দেয়া হয়েছে। 

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২৯ জুলাই জাতীয় ডাকটিকিট দিবস।  ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
         ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৫০.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?
  1. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
  2. জাতীয় জাদুঘর
  3. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  4. ঢাকা নগর জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাদুঘর:
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর — বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের — কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায করেন।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন — বলধা জাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে — ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এ সর্বপ্রথম একটি কক্ষে প্রত্নস্থল জাদুঘর স্থাপিত হয়।
- কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহস্থ কুঠিবাড়ি নামে পরিচিত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এর বাড়ি ১৯৫৭ সালে ‘সংরক্ষিত সৌধ’ হিসেবে ঘোষিত হয়। পরে এটি রূপান্তরিত হয় ব্যক্তিগত স্মৃতিরক্ষামূলক জাদুঘরে।
- ১৯৮৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর — বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫১.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) ২০০৩-০৪ সনের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট ব্যয়-
  1. ২০,৩০০ কোটি টাকা
  2. ১৯,২০০ কোটি টাকা
  3. ১৭,১০০ কোটি টাকা
  4. ১৯,৫০০ কোটি টাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্দের পরিমাণ ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- এর আকার জিডিপির ৫.৩% ও বাজেটের ৩৬.৩%।

মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা — ৪,৭৮,০০০ কোটি টাকা (GDP’এর ৯.৫১%)। 
এনবিআর কর্তৃক কর রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা —  ৪,১০,০০০ কোটি টাকা (GDP’এর ৮.১৬%)।

• মোট সরকারি ব্যয়: 
— ৭,১৪,৪১৮ কোটি টাকা (জিডিপির ১৪.২১%)। 
— পরিচালন ব্যয় — ৪,৫৩,২২৮ কোটি টাকা,
— উন্নয়ন ব্যয় — ২,৬০,০০৭ কোটি টাকা,
— বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাবদ ব্যয় — ২,৪৫,০০০ কোটি টাকা।
— অন্যান্য ব্যয় – ১১৮৩ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
৫২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর-
  1. সোনা মসজিদ
  2. চট্টগ্রাম
  3. বেনাপোল
  4. হিলি
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর — বেনাপোল যশোর জেলায় অবস্থিত।
• ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের — হিলি স্থলবন্দর।
------------------------------------- 
বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:  
— স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
— বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা — ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা — ১৬ টি।
— ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর — বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর — BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
— এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৫৩.
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের কবর কোন জেলায়?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. জয়পুরহাট
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের কবর — চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। 
---------------------------------------------- 
• বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯ — বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে। 
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি — ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে — চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী — চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) মার্কিন ডলারে ২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায়-
  1. ৮ বিলিয়ন
  2. ৬ বিলিয়ন
  3. ৫ বিলিয়ন
  4. ৭ বিলিয়ন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই, উত্তর দেয়া হল না।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪ অনুযায়ী,
— পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয় — ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার [জুলাই – ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত], গত বছরের তুলনায় ৩.৭১% বেশি।
— [FoB রপ্তানি আয় – ৪০,৮৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার], 
— সবচেয়ে বেশি রপ্তানি – গার্মেন্টস পণ্য (তৈরি পোশাক ও নীট ওয়্যার) ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (শতকরা হার – ৮৫.৪৫%)। 

তথ্যসূত্র:- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৫৫.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) সম্প্রতি 'সাফ' ফুটবলে এই দেশের সাথে খেলে বাংলাদেশ শিরোপা পায়-
  1. মালদ্বীপ
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই, উত্তর দেয়া হল না।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল:
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন - বাংলাদেশ।
- কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ অনুর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশের বয়স ভিত্তিক দলটি।
- এর আগে নেপালের দশরথ রঙ্গশালায় নেপালকে হারিয়ে সিনিয়র বিভাগের শিরোপা ঘরে তুলেছিল সাবিনা খাতুনের দল।

ফুটবল বিশ্বকাপ:
- ১৯৩০ সাল থেকে শুরু হয় বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয় আসর ফুটবল বিশ্বকাপ।
- প্রথম স্বাগতিক দেশ হলো উরুগুয়ে এবং প্রথম চ্যাম্পিয়ানও হয় উরুগুয়ে। 
- সবচেয়ে বেশি ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল।
- জার্মানি ও ইতালি ৪ বার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- জার্মানি ১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০, ২০১৪ সালে এবং ইতালি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২, ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ান হয়।
- প্রতি ৪ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় ফুটবল বিশ্বকাপ।
- পরবর্তী ফুটবল বিশ্বকাপ (২৩তম আসর) অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালে।
- ঐ বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে।
- বিশ্বকাপটি যৌথভাবে আয়োজন করবে কানাডা, মেক্সিকো এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র - ফিফা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৬.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয়-
  1. পঞ্চগড়
  2. দিনাজপুর
  3. কুড়িগ্রাম
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।

- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
- ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে।
- ২০২৩ সালের ৪ জুন প্রথমবারের মত চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে মোট আটটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৩ প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৬৮টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চাচা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২ টি চাচা বাগান রয়েছে।

উল্লেখ্য,
রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেকর্ড ১০২ দশমিক ৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৫৭.
(প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) বাংলাদেশের এই জেলায় সম্প্রতি এই প্রথম রেল সংযোগ হয়-
  1. ময়মনসিংহ
  2. টাঙ্গাইল
  3. বরিশাল
  4. সিরাজগঞ্জ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাই, উত্তর দেয়া হল না।

• রেল যোগাযোগ:
— বর্তমানে দেশে রেলপথের দৈর্ঘ্য — ৩,২৫৪ কিলোমিটার, যুক্ত করেছে – ৪৩টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে।
— বাংলাদেশে দুই ধরনের রেল লাইন রয়েছে — মিটারগেজ ও ব্রডগেজ।

রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা:
- ২০২৩ সালের অক্টোবরের শুরুতেও রেল নেটওয়ার্কের আওতায় ছিল দেশের ৪৩টি জেলা।
- ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের উদ্বোধনে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় আরও তিন জেলা মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর।

- ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর খুলনা-মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের মধ্যে ৪৭তম জেলা হিসেবে পুনরায় যুক্ত হয়েছে বাগেরহাট।
- সর্বশেষ ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর দোহাজারী-কক্সবাজার রেল প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সংযুক্ত হয় রেল নেটওয়ার্কে।
- অন্যদিকে দেশে ১৬টি জেলায় এখনো রেলপথ স্থাপন করা হয়নি।
- মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ২০৪৫ সালের মধ্যে এই ১৬ জেলাকেও রেলপথের আওতায় আনতে চায় সরকার।
- জেলাগুলো হলো: নড়াইল, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, মাগুরা, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি, শেরপুর, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর ও ঝালকাঠি।

উৎস: i) Railway Technology ওয়েবসাইট।
         ii) ১৫ নভেম্বর ২০২৩, বাংলা ট্রিবিউন।
৫৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?
  1. ১৭ এপ্রিল, ২০০২
  2. ৯ এপ্রিল, ২০০২
  3. ১৮ মার্চ, ২০০২
  4. ৩ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তর:
৯ এপ্রিল, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ এপ্রিল, ২০০২
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় — ৯ এপ্রিল, ২০০২। 

• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন:
– ২০০২ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে আনীত বিল জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
- বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির জন্য এই আইনটি মেয়াদান্তে পুনঃ পুনঃ সময় বৃদ্ধি না করে স্থায়ীভাবে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

- “আইনটি প্রণয়নের সময় এর মেয়াদ ছিল ২ বছর। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ক্রমান্বয়ে সাতবার এর মেয়াদ বৃদ্ধি করে সর্বশেষ ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ১৭ বছর থেকে ২২ বছর বৃদ্ধি করা হয় যার মেয়াদ ৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে শেষ হয় এবং ২০২৪ সাল থেকে স্থায়ীভাবে আইনে পরিণত করা হয়।"

- বিলে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

অর্থাৎ 'আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২' আইনটি ২০২৪ সালে স্থায়ী আইনে পরিণত করা হয়।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট,http://bdlaws.minlaw.gov.bd/laws-of-bangladesh.html
৫৯.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কি?
  1. কুতুবদিয়া
  2. সোনাদিয়া
  3. সন্দ্বীপ
  4. পূর্বাশা
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্বাশা
ব্যাখ্যা
• 'পূর্বাশা' দ্বীপের অপর নাম — দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। 
----------------------- 
• দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- এটি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ। 
- দ্বীপটি মূলত গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী- এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। 
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- ১৯৭১ সালের মাঝামাঝি সময়ে দ্বীপটির অভ্যুদয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়।

- ভারত নতুন জেগে ওঠা দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ The New Moore Island) নামে চিহ্নিত করে।
- সে সময় পশ্চিমবঙ্গে দ্বীপটিকে কখনও ‘নিউমুর’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ভারত সরকারও দ্বীপটিকে নিজ রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভূক্ত বলে দাবী করে থাকে।
- দক্ষিণ তালপট্টির আর এখন অস্তিত্ব নেই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬০.
হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• হালদা ভ্যালি অবস্থিত — খাগড়াছড়ি।

অন্যদিকে,
- সাজেক ভ্যালি - রাঙামাটি,
- বালিশিরা ভ্যালি - মৌলভীবাজার, 
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম, 
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি,
- মিরিঞ্জা ভ্যালি - বান্দরবান জেলা, 
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৬১.
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী 'প্যারিস প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৯২৭ সালের ১২ আগস্ট
  2. ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
  3. ১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বর
  4. ১৯২৯ সালের ৫ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী 'প্যারিস প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয় ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট।

প্যারিস প্যাক্ট (Kellogg - Briand Pact):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার থেকে মানুষ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ সম্পর্কে সচেতন হয়।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী চুক্তি হলো 'প্যারিস প্যাক্ট'।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৭ আগস্ট, ১৯২৮।
- এই চুক্তির অন্যনাম Kellogg - Briand Pact.
- তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Frank B. Kellogg ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Aristide Briand আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তির খসড়া তৈরি করেন।

উৎস: History.com
৬২.
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত-
  1. 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  2. 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  3. 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
  4. 'পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১২ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৬৩.
স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভায়
  2. লন্ডনে
  3. প্যারিসে
  4. হেগে
সঠিক উত্তর:
হেগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেগে
ব্যাখ্যা
স্থায়ী সালিশি আদালত-এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত।

Permanent Court of Arbitration (PCA):
- স্থায়ী সালিশি আদালত একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৮৯৯ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- স্বাক্ষরকারী: ১২২টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ড. হাব. মার্সিন চেপেলাক।
- আদালতের সদস্যরা ছয় বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন।
- কাজ: আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি।

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।
৬৪.
মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কখন আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

মানবাধিকার চুক্তি:
-মানবাধিকার হলো যাত্রী লিঙ্গ জাতীয়তা গোষ্ঠী ভাষা ধর্ম অন্যান্য কোন অবস্থা নির্বিশেষে সমস্ত মানুষের অন্তর্নিহিত অধিকার। 
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য অর্থাৎ বিশ্বের প্রতিটি পেশার এবং প্রতিটি মানুষ যেন সমান অধিকার পায় সেই লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে দুইটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক অর্থ সামাজিক সাংস্কৃতিক অধিকার চুক্তি।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত।
- চুক্তি কার্যকর: ১৯৭৬ সালের ২৩শে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর এবং সমান অধিকার সততা রক্ষায় একটি চুক্তি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় যা মানবাধিকার চুক্তি নামে পরিচিত।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৬৫.
ইসিএ (ECA)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. আদ্দিস আবাবা
  2. নাইরোবি
  3. ডাকার
  4. কায়রো
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদ্দিস আবাবা
ব্যাখ্যা
ইসিএ (ECA)-এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবাতে।

আফ্রিকান অর্থনৈতিক কমিশন (ECA):
- জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক কমিশনের একটি হিসাবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫৮ সালে।
- ECA-এর উদ্দেশ্য হল এর সদস্য রাষ্ট্রগুলির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে উন্নীত করা, আন্তঃ-আঞ্চলিক একীকরণকে উৎসাহিত করা এবং আফ্রিকার উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রচার।
- ৫৫টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত।
- জাতিসংঘের একটি আঞ্চলিক হাত এবং আফ্রিকান প্রাতিষ্ঠানিক ল্যান্ডস্কেপের একটি মূল উপাদান হিসাবে দ্বৈত ভূমিকা পালন করে, ECA মহাদেশের উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অনন্য অবদান রাখার জন্য ভাল অবস্থানে রয়েছে।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৬৬.
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৫ সালে।

ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement):
- এই চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- এটি একটি শান্তিচুক্তি।
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান। 

উৎস: i) OSCE.org.
        ii) Britannica.
৬৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইইসি (EEC) প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. রোম চুক্তি
  2. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ব্রাসেলস্ কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম চুক্তি
ব্যাখ্যা
রোম চুক্তির মাধ্যমে ইইসি (EEC) প্রতিষ্ঠা লাভ করে.

EEC:
- EEC-এর পূর্ণরূপ: European Economic Community বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায়।
- ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ পশ্চিম ইউরোপের ৬টি দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ‘রোম চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- এই চুক্তির ফলে European Economic Community গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ–পরবর্তী পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গড়ে ওঠে।
- ১৯৫১ সালে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায় গঠিত হয় যা ইউরোপীয় ফেডারেশনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়। 
- ১৯৫৭ সালে রোম চুক্তির ফলে ইউরোপীয় কয়লা ও ইস্পাত সম্প্রদায়ের কর্মপরিধি বর্ধিত হয় এবং বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইতালি, পশ্চিম জার্মানি, লুক্সেমবার্গ ও নেদারল্যান্ডসের সমন্ময়ে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় গঠিত হয়।
- একই দিনে অন্য আরেকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর ফলে ইউরোপীয় দেশগুলো আণবিক শক্তির উন্নয়নের জন্য ইউরোপীয় আণবিক শক্তি গঠন করে।
- দুটি চুক্তিই ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- ১৯৬৭ সালে মার্জার চুক্তি নামে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ৩টি সম্প্রদায়ের জন্য যাদের একসঙ্গে ‘ইউরোপীয় সম্প্রদায় (ইসি)’ নামে অভিহিত করা হতো।
- ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের ম্যাসট্রিচটে ইউরোপীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়—যা ম্যাসট্রিচট চুক্তি নামে পরিচিত।
- ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর এই চুক্তি কার্যকর হয়।
- এর ফলে ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন’ এবং ইউরোপের একক মুদ্রা হিসেবে ‘ইউরো’ চালু হয়।

উৎস: Britannica.
৬৮.
MIGA কখন গঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
MIGA ১৯৮৮ সালে গঠিত হয়।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ MIGA:
- এটি ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- MIGA প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো বৈদেশিক বিনিয়োগে মধ্যস্থতা এবং গ্যারান্টি প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগে সহায়তা করে থাকে।
- MIGA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮২টি।
- সর্বশেষ সদস্য সোমালিয়া।
- বাংলাদেশ MIGA এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৬৯.
বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত-
  1. নিউইয়র্কে
  2. শিকাগোতে
  3. টোকিওতে
  4. লন্ডনে
সঠিক উত্তর:
টোকিওতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোকিওতে
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার টোকিওতে অবস্থিত।

জাপান:

- জাপানের পূর্বনাম নিপ্পন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হনসু।
- জাপানের পতাকার রং সাদা ও লাল।
- পতাকায় সাদা পটভূমির উপর মাঝে লাল চাকতি (উদীয়মান সূর্যের প্রতিনিধিত্বকারী) পতাকার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

Landmark Tower:
- বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার টোকিওতে ইয়োকোহামা শহরে অবস্থিত।
- টোকিও টাওয়ারের উচ্চতা ২৯৬ মিটার। 
-  ১৯৯৩ সালে টাওয়ারটি তৈরি করা হয়। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) Web Japan.
৭০.
'হ্যারিপটার' কি?
  1. এক জাতীয় ধাতব পাত্র
  2. সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
  3. একজাতীয় গুচ্ছবোমা
  4. এক ধরনের খেলনা
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
ব্যাখ্যা
হ্যারি পটার হলো সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই।

Harry Potter:
- হ্যারি পটার হলো সাত খন্ডের কাল্পনিক উপন্যাসের একটি সিরিজ।
- জনপ্রিয় ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের লেখক হলেন জে কে রাউলিং।
- এই সিরিজের মোট উপন্যাস ৭টি।
- সাতটি উপন্যাস ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সালেরে মধ্যে প্রকাশিত হয়।
- এই সিরিজের প্রথম উপন্যাস ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ডেডলি হ্যালোস’ হলো এই সিরিজের সপ্তম উপন্যাস।
- ২০০১ সালের ১৬ নভেম্বর মুক্তি পায় হ্যারি পটার সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্যা ফিলসফরাস স্টোন’।
- এই সিরিজের প্রতিটি সিনেমায় হ্যারি পটার, রন উইজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের ভূমিকায় অভিনয় করের যথাক্রমে ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ, রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসন।
- জে কে রাউলিং মূল চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নিজেই ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফকে বেছে নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ইংল্যান্ডে জে কে রাউলিং-এর জন্ম ১৯৬৫ সালে।
- ১৯৯০ সালে ট্রেনে ম্যানচেস্টার থেকে লন্ডন যাওয়ার সময় হ্যারি পটার চরিত্রটির ভাবনা মাথায় আসে।
- ট্রেনে বসেই শুরু করেন লিখতে।
- তাঁর লেখা বইগুলো ৪০ কোটির বেশি কপি বিক্রি হয়, অনূদিত হয় প্রায় ৬৫টি ভাষায়।

উৎস: Britannica.
৭১.
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. গ্রিসে
  2. মেসোপটেমিয়ায়
  3. রোমে
  4. ভারতে
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোপটেমিয়ায়
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠেছিল।

মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতার নাম মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি ৷
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- গ্রীক লেখকগণ মূলত এই নামকরণটি করে ছিলেন।
- মেসোপটেমিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো: উত্তর ও দক্ষিণ।
- উত্তর অংশের বর্তমান নাম অ্যাসেরীয়।
- দক্ষিণ অংশের নাম মেসোপটেমিয়া।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত।
- এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
- মেসোপটেমিয়ার লোকজন বহুঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলো।

উৎস: Britannica.
৭২.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে অপশন অনুসারে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]
ওআইসি-এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক?
  1. বাংলাদেশ
  2. তুরস্ক
  3. মালয়েশিয়া
  4. মরক্কো
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ওআইসি-এর বর্তমান মহাসচিব ইব্রাহিম তাহা চাদ-এর নাগরিক।

 
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।

উল্লেখ্য,
- ইব্রাহিম তাহা  ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার ১২তম এবং বর্তমান মহাসচিব।
- তিনি চাদের নাগরিক।
- তিনি ২০১৭ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসাবে চাদ সরকারে সংক্ষিপ্তভাবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
৭৩.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোর
  2. ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়া
  3. জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদ
  4. সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
সঠিক উত্তর:
সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স মেক্সিকোর পর্যটন নগরী কানকুনে ২০০৩ সালের ১০ - ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।

WTO (World Trade Organization):
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).
- বাংলাদেশ WTO এর সদস্য হয় ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে।

উল্লেখ্য,
- General Agreement on Tariffs and Trade (GATT) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৭ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৪৮ সালে।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
৭৪.
নিকারাগুয়ার 'কন্ট্রা' বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট ছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কোরিয়া
  4. কিউবা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
নিকারাগুয়ার 'কন্ট্রা' বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট ছিল।

কন্ট্রা:
- কন্ট্রা নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ।
- নিকারাগুয়াতে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত সক্রিয় কন্ট্রা গেরিলাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করা।
- নিকারাগুয়ার এই গেরিলা গোষ্ঠিটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ানে পরিচালিত হতো।
- কন্ট্রা বিদ্রোহীদের দাবির মুখে তৎকালীন সরকার ১৯৯০ সালে নির্বাচনের আয়োজন করে।
- কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে ডেনিয়েল ওর্তেগার সরকার নির্বাচনে পরাজিত হয়।
- ১৯৯০ সালের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে সমাপ্ত হয় কন্ট্রার লড়াকু ইতিহাস।

উল্লেখ্য,
- নিকারাগুয়া মধ্য আমেরিকার রাষ্ট্র।
- নিকারাগুয়াও স্পেনের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮২১ সালে নিকারাগুয়া জাতীয় স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্বাধীনতা লাভ করলেও নিকারাগুয়ার অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কতৃত্ব স্থাপিত হয়।
- দেশটির রেলওয়ে, ব্যাংক, খনিজসম্পদ সব কিছুই মার্কিন পুঁজির অধীনে পরিচালিত হতে থাকে।
- নিকারাগুয়ার সরকার ও সেনাবাহিনী যেমন মার্কিন প্রশাসনের প্রভাবাধীন ছিল।
- অনেক মার্কিন সৈন্যও নিকারাগুয়াতে অবস্থান করত।
- এর বিরুদ্ধে ১৯২৬ সালে নিকারাগুয়াতে বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মার্কিন সৈন্যরা নিকারাগুয়া ত্যাগ করে।
- ১৯৩৭ সালের জানুয়ারি মাসে সমোজো দেশের প্রেসিডেন্ট পদ লাভ করেন।
- এই সমোজাদের শাসনকালে স্বৈরতন্ত্রের ত্রাসের রাজত্ব গড়ে ওঠে।
- ১৯৮২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিগানের প্রশাসন কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সহায়তার জন্য প্রায় ১৯ মিলিয়ন এবং ১৯৮৪ সালে এসে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন করে।

উৎস: Britannica.
৭৫.
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?
  1. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
  2. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
  3. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
  4. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ
সঠিক উত্তর:
সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
ব্যাখ্যা
ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।

অসলো চুক্তি:
- শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর একটি চুক্তিতে পৌঁছায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন।
- এটি অসলো চুক্তি নামে পরিচিত।
- এর মধ্যস্থতা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইতজাক রাবিনের মধ্যে অসলো চুক্তি সই হয়।
- অসলো শান্তি চুক্তিতে ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলো প্রয়াত ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বাধীন পিএলও পার্টি।

উল্লেখ্য,
- সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস তখনি অসলো চুক্তির বিরোধিতা করেছিলো।
- পরে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের জায়গায় একটি নির্বাচিত সরকার সেখানকার ক্ষমতায় আসার কথা, যারা পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা মিলিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
- ফিলিস্তিনিদের দাবি ছিল, তাদের এই স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুসালেম।
- অসলো চুক্তির ধারাবাহিকতায় পরে ১৯৯৫, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে বিভিন্ন জায়গায় উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।
- এরপরে ২০০০ সালে ক্যাম্প ডেভিডে তখনকার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ও ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতের মধ্যে আলোচনা হয়েছিলো প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উদ্যোগে।
- ২০০০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের এই সংগ্রাম কালকে ‘দ্বিতীয় ইন্তিফাদা’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়, যার লক্ষ্য ছিলো ২০০৫ সালের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনার পর্যায়ে আসা।

উৎস: i) ৯ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
          ii) U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৭৬.
নিচের কোন দেশটি G-8 ভুক্ত দেশ নয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. দি নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
দি নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দি নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
নেদারল্যান্ডস G-8 ভুক্ত দেশ নয়।

Group of Eight (G-8):
- এটি ছিল বিশ্বের শিল্পোন্নত ৮টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- এই জোট গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

G-8-এর অন্তর্ভুক্ত সদস্য দেশ:
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য।

উল্লেখ্য,
- G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।

উৎস: Britannica.
৭৭.
'ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট' নিচের কোন সংস্থাকে বোঝায়?
  1. আইএমএফ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. আইডিবি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
'ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট' আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক সংস্থাকে বোঝায়।

Bretton Woods Conference:
- ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ব্রেটন উডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এই সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের হ্যারি ডেক্সটার হোয়াইট এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন মেনার্ড কেইনস।
- তাদের দুই জনকে World Bank ও IMF- এর Founding Fathers বলা হয় ৷
- এই সম্মেলনের ফলে IBRD, IMF গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।

উৎস: i) World Bank Group.
          ii) U.S. Department of State (.gov).
৭৮.
প্রথম ক্লোন শিশু 'ইভ'-এর জন্ম তারিখ কত?
  1. নভেম্বর ২০, ২০০২
  2. ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
  3. জানুয়ারি ৭, ২০০৩
  4. মার্চ ২৩, ২০০৩
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
ব্যাখ্যা
প্রথম ক্লোন শিশু 'ইভ'-এর জন্ম তারিখ ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ ।

প্রথম ক্লোন শিশু 'ইভ':
- কোন জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ার হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
- পৃথিবীর প্রথম ক্লোন মানব শিশুর জন্ম হয় ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
- প্রথম ক্লোন মানব শিশুটির নাম দেয়া হয় ইভ।
- এটি একটি কন্যা সন্তান।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানব গবেষণা কেন্দ্র ক্লোনেইড এই ক্লোন শিশুটির জন্মদানে সক্ষম হয়।
- ক্লোন শিশু ‘ইভ’ এর জন্মদানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন ক্লোনেইডের প্রধান ব্রিজিট বোইসেলিয়া।

উৎস: ডিসেম্বর ২৭, ২০০২, The Guardian. 
৭৯.
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?
  1. হোসে গুসামাও
  2. রবার্ট মুগাবে
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. অং সান সুচি
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।

নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.
৮০.
'লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন ভারত ও পাকিস্তান-এর সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে।

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন।

উৎস: UN Peacemaker.
৮১.
মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের-
  1. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
  2. অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
  3. এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
  4. এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২.
রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে-
  1. প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে
  2. অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
  3. নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
  4. হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
- একটি নিরাপদ অগ্নিনির্বাপণ উপাদান হচ্ছে ড্রাই কার্বন- ডাই-অক্সাইড। 
- যখন নির্বাপণ যন্ত্রের ভালব খোলা হয় তখন কার্বন-ডাই- অক্সাইড সম্প্রসারিত হয়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাসে পরিণত হয়। 
- যেহেতু কার্বন-ডাই-অক্সাইড অক্সিজেনের চেয়ে ভারী তাই এটি জ্বালানীর চারপাশ থেকে অক্সিজেনকে সরিয়ে দেয়। 
- অক্সিজেনের অভাবে আগুন আর জ্বলতে পারে না। 
- রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। 

উৎস: National Emergency Service, 999.gov.bd
৮৩.
আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়-
  1. বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে
  2. অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
  3. বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
  4. বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে
সঠিক উত্তর:
অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজ: 
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। 
- বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়। 
- হঠাৎ করে অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়। 
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। 
- ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়। 
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
পরমাণু (Atom) চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে-
  1. নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
  2. প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
  3. নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
  4. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। 
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৫.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?
  1. ৭০%
  2. ৭২%
  3. ৭৩%
  4. ৮০%
সঠিক উত্তর:
৭৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩%
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু। 
- শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। 
- মাইটোকন্ড্রিয়া ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে ডিএনএ, আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। 
- শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর ভিতরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৬.
মূল নেই কোন উদ্ভিদে?
  1. ফণিমনসা
  2. বীরুৎ
  3. মিউকর
  4. সাইকাস
সঠিক উত্তর:
মিউকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিউকর
ব্যাখ্যা
- মিউকর এক ধরণের ছত্রাক। 
- মিউকরের মূল হয় না, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড (Rhizoids) থাকে। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না। 
- এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে, এদের অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
যেমন- অ্যাগারিকাস ও স্পাইরোগাইরা, মস, ফার্ন ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- ফণিমনসা, বীরুৎ ও সাইকাস উদ্ভিদের মূল ও কাণ্ড আছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।
৮৭.
রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
  1. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
- রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়। 
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। 
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে। 
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। 
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। 
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। 
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি। 
- টিভির পর্দায় ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন এই ফসফরকে আঘাত করে তখন এখান থেকে মৃদু রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
'ল্যাপটপ' কি?
  1. ছোট কুকুর
  2. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ছোট কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ওজনে হালকা, ছোট আকারের, সহজে বহনযোগ্য কম্পিউটার হলো ল্যাপটপ কম্পিউটার। 
- এতে এসি বিদ্যুতের পাশাপাশি ব্যাটারিতে চলার উপযোগী ব্যবস্থা আছে। 
- ১৯৮১ সালে Epson কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচ-প্যাড ব্যবহার করা হয় ৷ 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৯.
এসবেসটস কি?
  1. অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
  2. কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
  3. বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
  4. এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
ব্যাখ্যা
- এসবেসটস হচ্ছে অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ। 
- এটি ম্যাগনেসিয়ামের একটি আকরিক। 
- এটির আগুন বা তাপ প্রতিরোধ ক্ষমতার কারণে বৈদ্যুতিক এবং বিল্ডিং ইন্সুলেশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

- Every firefighter support worker was exposed to the same asbestos fibers. 
- Additionally, asbestos was used in many fire hall building products, fire truck parts, and protective equipment. 

উৎস: https://www.asbestos.com › products
৯০.
পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?
  1. বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
  2. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
  3. পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
  4. পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
ব্যাখ্যা
- চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন হয়। 
- চাপ কম হলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, চাপ বেশি হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। 
- এজন্য যারা পর্বতারোহণ করে অনেক উচ্চতায় যায় তাদের রান্না করতে সময় বেশি নেয়৷ 
- বাতাসের চাপ কম বলে সেখানে পানি তুলনামূলকভাবে কম তাপমাত্রায় ফুটতে থাকে, তাই তাপমাত্রা বাড়ানো যায় না, সেজন্য রান্না করতে সময় বেশি লাগে। 
- একই কারণে প্রেশার কুকার তৈরি হয়েছে, এটি আসলে একটি নিশ্ছিদ্র পাত্র, তাই রান্না করার সময় বাষ্প আবদ্ধ হয়ে চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং সে কারণে পানির স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায় বলে বেশি তাপমাত্রায় পানি ফুটতে থাকে। 
- তাপমাত্রা বেশি বলে রান্নাও করা যায় তাড়াতাড়ি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১.
+ ৩ + ৫ +............................+ ৩১ = কত?
  1. ২৫৮
  2. ২৫৬
  3. ২৫৪
  4. ২৫২
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১ + ৩ + ৫ +............................+ ৩১ = কত?

সমাধান:
স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের ধারাঃ ১ + ২ + ৩+ ………. + n২
ধারাটির সমষ্টি = [n(n + ১)(২n + ১)]/৬
এখন, প্রশ্নোক্ত ধারাটি,
+৩+ ৫+ ………. +৩১
= (১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ......... + ৩১) - (২ + ৪ + ৬ + ...... + ৩০)
= (১ + ২ + ৩ + ৪ + ৫ + ......... + ৩১) - ২ (১ + ২ + ৩ + ......... + ১৫)
= [৩১(৩১ + ১)(২ × ৩১ + ১)]/৬ - ৪ × [১৫(১৫ + ১)(২ × ১৫ + ১)]/৬
= ১০৪১৬ - ৪৯৬০
= ৫৪৫৬

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি  বাতিল করা হলো।
৯২.
এক ব্যক্তি একটি দ্রব্য ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রয় করল; ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল?
  1. ১২৮০
  2. ১২৮১
  3. ১৩১০
  4. ১৩১১
সঠিক উত্তর:
১৩১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩১১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি একটি দ্রব্য ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রয় করল; ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল?

সমাধান:
১৫% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= (১০০ + ১৫) = ১১৫ টাকা
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= ১১৫/১০০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১২০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= (১১৫ × ১২০০)/১০০ টাকা
=১৩৮০ টাকা।

৫% ক্ষতিতে
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= (১০০ - ৫) = ৯৫ টাকা
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= ৯৫/১০০ টাকা
ক্রয়মূল্য ১৩৮০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য= (৯৫ ×১৩৮০) /১০০ টাকা
=১৩১১ টাকা
৯৩.
চালের দাম ২৫% বেড়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন তার সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালেন?
  1. ২০%
  2. ১৬%
  3. ১৮%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চালের দাম ২৫% বেড়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন তার সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালেন?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে চালের বর্তমান মূল্য = (১০০ + ২৫) টাকা
= ১২৫ টাকা

বর্তমান মূল্য ১২৫ টাকা হলে পূর্বমূল্য = ১০০ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১ টাকা হলে পূর্বমূল্য = ১০০/১২৫ টাকা
∴ বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা হলে পূর্বমূল্য = (১০০ × ১০০)/১২৫ টাকা
= ৮০ টাকা

∴ চালের ব্যবহার কমাতে হবে = (১০০ - ৮০)%
= ২০%।
৯৪.
কোন ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত?
  1. ৭৭/১৪৩
  2. ১০২/২৮৯
  3. ১১৩/৩৫৫
  4. ৩৪৩/১০০১
সঠিক উত্তর:
১১৩/৩৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৩/৩৫৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত?

সমাধান:
- যদি কোন ভগ্নাংশের লব ও হরের মধ্যে কোন সাধারণ উৎপাদক বা গুননীয়ক না থাকে তবে ঐ ভগ্নাংশকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে বোঝায়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র (গ) ভগ্নাংশটির অর্থাৎ ১১৩/৩৫৫ এর লব ও হরের মধ্যে কোন সাধারণ উৎপাদক নেই।
অন্যদিকে,
৭৭/১৪৩ এর সাধারণ গুণনীয়ক ১১,
১০২/২৮৯ এর সাধারণ গুণনীয়ক ১৭
৩৪৩/১০০১ এর সাধারণ গুণনীয়ক ৭।
সুতরাং সঠিক উত্তর (গ)।
৯৫.
এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?
  1. ২০০০ টাকা
  2. ২৩০০ টাকা
  3. ২৫০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?

সমাধান:
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ

অবশিষ্ট রইলো = (১ - ৩/৭)
= (৭ - ৩)/৭
= ৪/৭ অংশ

৪/৭ এর ৫/১২ অংশ = ৫/২১অংশ

প্রশ্নমতে,
(৪/৭) - (৫/২১)অংশ = ১০০০
(১২ - ৫)/২১ অংশ = ১০০০
বা, ৭/২১অংশ = ১০০০
বা, ১ অংশ = (২১ × ১০০০) ÷ ৭
= ৩০০০ টাকা
৯৬.
একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার। নিকটতম বর্গমিটারের ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ১৬ বর্গমিটার
  2. ১৫ বর্গমিটার
  3. ১৭ বর্গমিটার
  4. ১৪ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
১৫ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের তিনবাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার। নিকটতম বর্গমিটারের ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
তিনবাহুর দৈর্ঘ্য a = ৫ মিটার, b = ৬ মিটার ও c = ৭ মিটার

ত্রিভুজটির পরিসীমা (2s) = ৫ + ৬ + ৭ = ১৮ মিটার
∴ অর্ধ-পরিসীমা (s) = ১৮/২ = ৯ মিটার

ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √{s(s - a) (s - b) (s - c)} বর্গমিটার
= √{৯(৯ - ৫) (৯ - ৬) (৯ - ৭)}
= √(৯ × ৪ × ৩ × ২)
= √২১৬ বর্গমিটার
= ১৪.৬৯৬
≈ ১৫ বর্গমিটার
৯৭.
৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪,............ এর পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ১৬৯
  2. ২২৫
  3. ২৫৬
  4. ২৭২
সঠিক উত্তর:
২২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ....... এর পরবর্তী সংখ্যা কত?

সমাধান:
প্রতি ৩ অন্তর সংখ্যাগুলোর বর্গ আকারে ধারাটি সাজানো হয়েছে।
১ম পদ = ৩ = ৯
২য় পদ = ৬ = ৩৬
৩য় পদ = ৯ = ৮১
৪র্থ পদ = ১২ = ১৪৪
৫ম পদ = ১৫ = ২২৫
৯৮.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?
  1. ৭০ মিটার
  2. ৭৫ মিটার
  3. ৮০ মিটার
  4. ৯০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 3x মিটার
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 3x2 বর্গমিটার

প্রশ্নমতে,
3x2 = 300
⇒ x2 = 100
⇒ x = 10

আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ 10 মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 3 × 10 মিটার = 30 মিটার

আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 2(30 + 10) মিটার
= 2 × 40 মিটার
= 80 মিটার
৯৯.
x + y = 7 এবং xy = 10 হলে, (x - y)2এর মান কত?
  1. 3
  2. 6
  3. 9
  4. 12
সঠিক উত্তর:
9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 7 এবং xy = 10 হলে (x - y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x + y = 7
xy = 10

এখন
(x - y)2 = (x + y)2 - 4xy
বা, (x - y)2 =72 - 4 × 10
বা, (x - y)2 =49 - 40
∴ (x - y)2 = 9
১০০.
2x2 + x - 15-এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (x + 3)(2x - 5)
  2. (x - 3)(2x - 5)
  3. (x - 3)(2x + 5)
  4. (x + 3)(2x + 5)
সঠিক উত্তর:
(x + 3)(2x - 5)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x + 3)(2x - 5)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x2 + x - 15 এর উৎপাদক কোনটি?

সমাধান:
2x2 + x - 15
= 2x2 + 6x - 5x - 15
= 2x(x + 3) - 5(x + 3)
= (x + 3)(2x - 5)