ব্যাখ্যা
- কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
যেমন –
কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে
শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৮ প্রশ্ন
হাইড্রা হল নিডারিয়া পর্বের প্রাণী।
নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য-
1. এই পর্বের প্রাণীদের দেহের ভেতরে একটি মাত্র গব্বর বা গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহবর থাকে।
2. এই পর্বের প্রাণীদের দেহত্বকে ,এমন কি কর্ষিকার গায়ে নিডোব্লাস্ট দংশক ধ্বংস কোষের ভেতরে নিমাটোসিস্ট নামক চাবুকের মত এক প্রকার অঙ্গাণু থাকে যা আত্মরক্ষা ও খাদ্য গ্রহণে সাহায্য করে।
3. নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের জীবনচক্রে পলিপ ও মেডুসা দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে। একে মেটাজেনেসিস বলে।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কাজ দেহের বিভিন্ন অঙ্গের সাথে সমন্বয় সাধন করা।
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হল মস্তিস্ক।
স্নায়ুতন্ত্র ২ প্রকার- মূল স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System) এবং পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral Nervous System) । মানবদেহের মস্তিষ্ক ও স্পাইনাল কর্ড মূল স্নায়ুতন্ত্রের অংশবিশেষ। মূল স্নায়ুতন্ত্রের কাজ হচ্ছে শরীরের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হিসেবে উপস্থিত থাকা এবং সকল অন্তর্গামী ও বহির্গামী বার্তা প্রক্রিয়াজাত করা। পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ঐসকল শিরা-উপশিরা, যা মূল স্নায়ুতন্ত্রে বার্তা বহন করে এবং পুনরায় মূল স্নায়ুতন্ত্র থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে প্রেরণ করে।
সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি
পটাশিয়াম এর অভাবে উদ্ভিদের ফুল, ফল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।
পটাশিয়াম গাছের রোগ প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। শক্ত ও মজবুত কান্ড গঠনে পটাশিয়ামের ভূমিকা রয়েছে। এটি গাছের বিভিন্ন কোষীয় কার্যক্রমের ওপর প্রভাব বিস্তার করায় রোগের ব্যাপকতা নিয়ন্ত্রিত হয়। বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও নেমাটোড প্রতিরোধে পটাশিয়াম কার্যকর ভূমিকা রাখে। মাটিতে অতিরিক্ত চুন ব্যবহারের ফলে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বেশি হলে মাটি থেকে পটাশিয়ামের পরিশোষণ ব্যবহৃত হয়। এতে গাছে রোগ সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। আবার জৈব নাইট্রোজেনকে গাছের গ্রহণযোগ্য করার জন্য ক্যালসিয়াম উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
গ্লাস একটি অপরিবাহী পদার্থ।
বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ-
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ সহজে চলাচল করতে পারে না, প্রবাহ পথে প্রচুর বাধার সম্মুখীন হয় তাকে বিদ্যুৎ অপরিবাহী পদার্থ বা কু-পরিবাহী পদার্থ বা অন্তরক বা ইন্সুলেটর বলে। অপরিবাহী পদার্থের মধ্যে তড়িৎপ্রবাহ তুলনামূলকভাবে খুব কম হয়, যাকে ব্যবহারিক ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা চলে। শুষ্ক বায়ু, শুকনো কাপড়, কাচ, শুকনো কাঠ, রাবার, কাগজ, এবোনাইট, ব্যাকেলাইট ইত্যাদি অপরিবাহী পদার্থ অন্তরকের কাজ করে। এর মধ্যে কাঠ, কাগজ ও কাপড় ভিজে গেলে আবার পরিবাহকের কাজ করে।
সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
RCA-501 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো সেগুলির দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মধ্যে পড়ে এই দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান গুলি হল ট্রানজিস্টার ট্রানজিস্টার আবিষ্কার করেন লাইব্রেরীতে ১৯৪৭ সালে ওয়ান্টেড ব্রিটেন ও উয়িলিয়াম ও জন বারদী।
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য
-ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
-কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
-প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
-আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
-ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
-টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
উদাহরণ- IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম
সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
চৌম্বক টেপ মেমোরি হল সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরির উদাহরণ।
যে ধরনের উপাত্ত বা তথ্য পঠন লিখনের পর পর সংযোগ সৃষ্টি করতে হয় তাকে সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ মেমোরি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
প্রসেসরের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. Single Processing Operating System
২. Multi Processing Operating System
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
Macro একটি কম্পিউটার ভাইরাস।
ম্যাক্রো ভাইরাস এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস, যা ডেটা ফাইলসমূহকে আক্রান্ত করে। ম্যাক্রো ভাইরাস ম্যাক্রো বা ওএলই অবজেক্ট থেকে তৈরি হয় এবং যা অন্যান্য ভাইরাস থেকে লেখা সহজ হয়। অনেক অ্যাপ্লিকেশনে ম্যাক্রো ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে এবং তা থেকেই ম্যাক্রো ভাইরাসের উৎপত্তি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস ওয়েবসাইট (ব্যাখ্যা)
Illustration কমান্ড গ্রুপ দ্বারা ওয়ার্কশিটে Picture, Clipart, Shapes, ও SmartArt সংযুক্ত করা যাবে।
Chart কমান্ড গ্রুপ দ্বারা বিভিন্ন ধরনের চার্ট এনে চার্ট ফরম্যাটিং করা যায়।
Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়।
Table কমান্ড গ্রুপে Table, Pivot Table, Pivot Chart কমান্ডগুলো থাকে। এ কমান্ডগুলো দিয়ে Pivot Table, Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
IEEE, pronounced "Eye-triple-E," stands for the Institute of Electrical and Electronics Engineers. The organization is chartered under this name and it is the full legal name.
কিছু গুরুত্বপূর্ণ IEEE Standard
IEEE 802.8 = Fiber-optic connection
IEEE 802.11 = Wireless Networking - WiFi
IEEE 802.15 = Bluetooth Standard
IEEE 802.15.2 = Bluetooth and Wi-Fi coexistence mechanism
IEEE 802.16 = Wireless Networking - WiMAX
Source: IEEE এর ওয়েবসাইট